The Hunger Project, Bangladesh

Call Website Contact the organization

The Hunger Project, Bangladesh The Hunger Project is one of the largest volunteer based organization, working since 1993 in Bangladesh.

It is working for a hunger-free, self-reliant Bangladesh through the priceless efforts of nearly 3,00,000+ volunteers all over the country. To create a group of volunteers to achieve self-reliance, leadership development among grassroots women, capacity building and strengthening the local government system for eliminating existing discrimination and establishing a social alliance for continuous advocacy to establish the rightful rights of the common people in the state resources.

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ | বাল্যবিবাহ আর নয়, বিশ্বজয় করবে কন্যাশিশুরাই“No More Child Marriage, Girls Will Conquer th...
28/10/2026

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ | বাল্যবিবাহ আর নয়, বিশ্বজয় করবে কন্যাশিশুরাই

“No More Child Marriage, Girls Will Conquer the World.”
কন্যাশিশুর স্বপ্ন পূরণের পথে বাল্যবিবাহ, বৈষম্য, সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতা যেন কখনো বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। প্রতিটি কন্যাশিশুর রয়েছে শিক্ষা, সুরক্ষা, মর্যাদা ও সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার। তাদের সম্ভাবনার বিকাশ নিশ্চিত করা শুধু পরিবারের নয়, বরং রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব।
২০২৬ সালে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে ১২ অক্টোবর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি এবং জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম (NGCAF)-এর যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য— “বাল্যবিবাহ আর নয়, বিশ্বজয় করবে কন্যাশিশুরাই।”
কেন এই বার্তা আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
🔹 বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ: কন্যাশিশুর শৈশব, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় পরিবার ও সমাজকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
🔹 শিক্ষা ও সমান সুযোগ: প্রতিটি মেয়েকে নিজের স্বপ্ন পূরণ, দক্ষতা অর্জন এবং নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।
🔹 নিরাপত্তা ও সুরক্ষা: পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মপরিবেশ, যাতায়াত ও অনলাইন জগৎ সর্বত্র কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
🔹 কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন: সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের সুযোগ বাড়িয়ে তাদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে হবে।
🔹 সম্মিলিত সামাজিক উদ্যোগ: কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় নেতৃত্ব, তরুণসমাজ ও নাগরিকদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট–বাংলাদেশের ভূমিকা ও অঙ্গীকার
কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সামাজিক সচেতনতা ও তৃণমূল পর্যায়ের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট–বাংলাদেশের উদ্যোগে গড়ে ওঠা জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম (NGCAF) কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত পর্যায়ে অ্যাডভোকেসির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে আসছে।
আমরা বিশ্বাস করি, কন্যাশিশুকে এগিয়ে নেওয়া মানে একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি জাতির ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়া।
জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬-এর প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্য জানুন, পড়ুন এবং অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।

কন্যাশিশুর অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং তাদের নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত সচেতনতা ও সামাজিক উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হোক।
🔗 জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের ওয়েবসাইট:
https://girlchildforum.org/

আসুন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রতিটি কন্যাশিশু নিরাপদে বেড়ে উঠবে, নিজের স্বপ্ন দেখবে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সমান সুযোগ পাবে।

বাল্যবিবাহ আর নয়—কন্যাশিশুর স্বপ্ন, অধিকার ও নেতৃত্বের জয় হোক।
#জাতীয়কন্যাশিশুদিবস২০২৬ #কন্যাশিশুরঅধিকার #বাল্যবিবাহপ্রতিরোধ #কন্যাশিশুরক্ষমতায়ন

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬উদ্ভাবন আজ, পুষ্টি আগামীকাল(Innovate today. Nourish tomorrow.)খাদ্য শুধু বেঁচে থাকার উপকরণ নয়—খাদ্...
28/10/2026

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬
উদ্ভাবন আজ, পুষ্টি আগামীকাল
(Innovate today. Nourish tomorrow.)

খাদ্য শুধু বেঁচে থাকার উপকরণ নয়—খাদ্য মানুষের সুস্বাস্থ্য, মর্যাদা, সমতা ও টেকসই ভবিষ্যতের ভিত্তি। প্রতিটি মানুষের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।
বিশ্ব খাদ্য দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়তে শুধু খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা।

‘উদ্ভাবন আজ, পুষ্টি আগামীকাল’এই প্রতিপাদ্য আমাদের কী বার্তা দেয়?
🔹 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার: কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি, তথ্য-উপাত্ত ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা ও খাদ্যব্যবস্থার দক্ষতা উন্নত করা।
🔹 স্থানীয় জ্ঞান ও ঐতিহ্যের সমন্বয়: আধুনিক কৃষি উদ্ভাবনের সঙ্গে দেশীয় কৃষিজ্ঞান, ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ পদ্ধতি ও স্থানীয় অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটানো।
🔹 সবার জন্য পুষ্টিকর খাদ্য: বিশেষ করে নারী, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।
🔹 জলবায়ু সহনশীলতা ও পরিবেশ সুরক্ষা: প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, জলবায়ু-সহনশীল ফসলের প্রসার, কার্যকর সেচব্যবস্থা এবং খাদ্যের অপচয় কমানোর উদ্যোগ জোরদার করা।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের করণীয়
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা, পুষ্টিগত বৈষম্য এবং টেকসই জীবিকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, কমিউনিটি, স্থানীয় নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট–বাংলাদেশের অঙ্গীকার ও কমিউনিটিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি
দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট–বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, টেকসই পরিবর্তনের জন্য মানুষকে পরিবর্তনের সক্রিয় চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি। স্থানীয় নেতৃত্ব বিকাশ, নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন, জনগণের অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষুধামুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার পথ আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা হতে পারে—
স্থানীয় নেতৃত্ব ও জনগণের অংশগ্রহণ: খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি ও টেকসই জীবিকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কমিউনিটিকে নেতৃত্ব দিতে উৎসাহিত করা।
নারীর ক্ষমতায়ন: খাদ্য উৎপাদন, পারিবারিক পুষ্টি, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কমিউনিটির সহনশীলতা বৃদ্ধিতে নারীর নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া।
স্থানীয় জ্ঞান ও উদ্ভাবন: স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে আধুনিক জ্ঞান ও কার্যকর সমাধানের সমন্বয় ঘটানো।
টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল কমিউনিটি: পরিবেশ সুরক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই জীবিকার জন্য সম্মিলিত উদ্যোগকে উৎসাহিত করা।
পুষ্টি সচেতনতা: স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার এবং সুষম পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো।
সম্মিলিত নাগরিক উদ্যোগ: ক্ষুধা ও অপুষ্টিমুক্ত সমাজ গড়তে নাগরিক, স্থানীয় নেতৃত্ব, তরুণ, নারী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের একত্রে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করা।
আমাদের বিশ্বাস—ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়ার ভিত্তি হলো সচেতন মানুষ, ক্ষমতায়িত কমিউনিটি এবং সম্মিলিত উদ্যোগ। উদ্ভাবন তখনই সত্যিকার অর্থে সফল হবে, যখন তার সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং কেউ খাদ্য ও পুষ্টির অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবে না।

আসুন, বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬-এ আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই—খাদ্যের অপচয় কমাব, পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াব, স্থানীয় জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগাব এবং একটি ক্ষুধামুক্ত, সুস্থ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখব।

উদ্ভাবন আজ, পুষ্টি আগামীকাল—একসঙ্গে গড়ি ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ।
#বিশ্বখাদ্যদিবস২০২৬ #উদ্ভাবনআজপুষ্টিআগামীকাল #দ্যহাঙ্গারপ্রজেক্টবাংলাদেশ #ক্ষুধামুক্তবাংলাদেশ #খাদ্যনিরাপত্তা #পুষ্টিনিরাপত্তা #টেকসইকৃষি #নারীরক্ষমতায়ন #যুবনেতৃত্ব #কমিউনিটিভিত্তিকউন্নয়ন #জলবায়ুসহিষ্ণুতা #ক্ষুধামুক্তবিশ্ব Tuhin Afsari

শান্তি ও সম্প্রীতির প্রসারে তরুণদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ:হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে খুলনায় আঞ্চলিক তরুণ শান্তি সহায়ক সম্ম...
27/10/2026

শান্তি ও সম্প্রীতির প্রসারে তরুণদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ:
হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে খুলনায় আঞ্চলিক তরুণ শান্তি সহায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের উদ্যোগে ২৭ অক্টোবর, মঙ্গলবার তরুণদের অংশগ্রহণে রিজিওনাল ইয়ুথ কনফারেন্স বা আঞ্চলিক তরুণ শান্তি সহায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখাসে বক্তাদের কথায় শান্তি ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দিতে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার রাখার তাগিদ উঠে আসে। বিশেষ করে, সামাজিক মাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার রোধে তরুণদের ভূমিকা ও স্বার্থান্বেষী মহলের অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না হওয়ার তাগিদ দেন।

খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই তরুণ শান্তি সহায়ক সম্মেলনের সূচনা হয় পবিত্র ধর্মীয়গ্রন্থগুলো থেকে পাঠ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। পরে তরুণ শান্তি সহায়ক সদস্যরা উপজেলা ভিত্তিক গ্রুপে ভাগ হয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দিতে বিগত সময়ে কি ভূমিকা রেখেছেন ও ভবিষ্যতে কি করবেন তার একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও উপস্থাপন করেন।

সম্মেলনে হাঙ্গার প্রজেক্টের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের খুলনা বিভাগের পরিচালক মহিউদ্দিন মজুমদারের কাছে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে ইমামরা যেনো ভূমিকা রাখেন সে বিষয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রধান অতিথি এ বিষয়ে আশ্বস্ত করে বলেন, শ্রীঘ্রই তিনি এ বিষয়ে ইমামদের চিঠি দিবেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিউদ্দিন মজুমদার বলেন, ইসলাম কখনই উগ্রবাদ সমর্থন করে না। যারা দেশের ভালো চায় না তারা নানা ভাবে ষড়যন্ত্র করে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাগেরহাট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আবদুল কাদের বলেন, বেকারত্ব তরুণ, যুবকদের নেশা, অপরাধ ও সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে উপার্জনের সুযোগ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরেক বিশেষ অতিথি সাতক্ষীরা মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নাজমুন নাহার সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রশমনে তার অধিদপ্তরের পক্ষ গৃহীত নানা উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

আঞ্চলিক সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর এমআইপিএস প্রকল্পের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. নাজমুন নাহার নুর, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জু ও পিএফজি সদস্যরা। আঞ্চলিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা শান্তি সহায়ক সদস্য শাহানাজ ইসলাম।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা প্রশমণ ও প্রতিরোধ করে শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য তা বাস্তবায়নে সহযোাগিতা করছে মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি-এমআইপিএস প্রকল্প। যুক্তরাজ্য সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এমআইপিএস কর্মএলাকা অর্থাৎ ২৭টি জেলার ৭৪টি উপজেলায় উপজেলাভিত্তিক ৩০ সদস্য বিশিষ্ট শান্তি সহায়ক দল বা পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ-পিএফজি শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সহযোগিতা করছে ২০ সদস্য বিশিষ্ট তরুণ শান্তি সহায়ক দল বা ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ-ওয়াইপিএজি। আঞ্চলিক তরুণ শান্তি সহায়ক সম্মেলনে এদিন অংশ নেন খুলনা বিভাগের ১১টি উপজেলার পিএফজি ও ওয়াইপিএজির ১২০ জন সদস্য। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

শ্রদ্ধা ও শোকবার্তা: একজন দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নারীনেত্রীর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশঅত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা জান...
26/10/2026

শ্রদ্ধা ও শোকবার্তা: একজন দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নারীনেত্রীর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ

অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা জানাচ্ছি যে, বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক-এর ৩০তম ব্যাচের অকুতোভয় নারীনেত্রী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা কমিটির সম্মানীত কোষাধ্যক্ষ শ্রীমতি রিপু প্রভা নাথ গত ২১ অক্টোবর ২০২৬, রাতে নিজ বাসভবনে পরলোক গমন করেছেন।
তাঁর এই অকাল ও আকস্মিক প্রয়াণে দ্য হাংগার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম এবং সমগ্র পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
শ্রীমতি রিপু প্রভা নাথ ছিলেন তৃণমূল পর্যায়ে নারী অধিকার রক্ষা, সামাজিক সচেতনতা তৈরি এবং নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার এক অগ্রণী রূপকার। তাঁর ত্যাগ, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সমাজসেবামূলক অবদান আমাদের বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ইতিহাসে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। তাঁর প্রয়াণে আমরা একজন নিবেদিতপ্রাণ ও বিচক্ষণ সহযোদ্ধাকে হারালাম, যা সহজে পূরণ হবার নয়।

আমরা বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক ও দ্য হাংগার প্রজেক্ট পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর বিদেহী আত্মার পরম শান্তি ও সদগতি কামনা করছি। একইসাথে, তাঁর শোকার্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয-স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি প্রকাশ করছি আমাদের গভীর সমবেদনা। ঈশ্বর এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন।

The Hunger Project Bangladesh’s Success on the International Stage: Jamalpur Community-Led Housing Initiative Wins Colle...
26/10/2026

The Hunger Project Bangladesh’s Success on the International Stage: Jamalpur Community-Led Housing Initiative Wins Collective Housing Award

The Jamalpur Community-Led Collective Housing Initiative in Patnitala Upazila, Naogaon, Bangladesh, has received international recognition by winning the Collective Housing Award at an international forum held in Bangkok, Thailand, on 26 October 2026.

The award recognizes the initiative’s outstanding efforts to address landlessness and housing challenges through collective action, community savings, shared resources, and participatory development. The award was presented by Thailand’s Ministry of Social Development and Human Security in collaboration with international development partners.

The initiative’s story was submitted through the Platform of Community Action and Architecture (POCAA), with support from The Hunger Project Bangladesh. It was selected under the category “Collective Initiatives of the Community.” Architect Fariba Islam, representing POCAA on behalf of The Hunger Project Bangladesh, received the award.

The ceremony was attended by Thailand’s Deputy Prime Minister, Professor Dr. Yotsanan Wongsawat, and UN-Habitat Executive Director Anacláudia Rossbach, along with representatives of housing and development initiatives from across Asia.

From Participatory Research to Collective Housing
Since 2009, residents of Jamalpur village, home to 123 Hindu, Muslim, and Indigenous families, have used Participatory Action Research (PAR) to identify local challenges and develop community-led solutions. Through collective efforts and collaboration with local authorities, they made progress in securing land rights between 2009 and 2013. Subsequently, 49 landless families built their own homes.

Community Savings and Shared Resources
A key strength of the initiative is its reliance on community resources rather than increased dependence on microcredit. Each family saves BDT 200 per month through a community research association, while shared income from agriculture and a community pond supports housing and infrastructure development.

Regular community meetings also promote inclusive decision-making on infrastructure, education, health, and child marriage prevention. The initiative demonstrates how community leadership, social cohesion, shared resources, and collective responsibility can contribute to sustainable and inclusive development.

A Source of Pride for Bangladesh
Md. Shohel Rana of The Hunger Project Bangladesh’s Participatory Action Research Unit said, “This achievement of Jamalpur’s community researchers and residents is a matter of pride for Bangladesh. By securing land rights, building homes, saving collectively, and making decisions together, they have demonstrated that local people can be the driving force behind their own development.”

The international recognition highlights the power of community-led solutions and offers an inspiring example for other communities in Bangladesh and beyond.

Thank You POCCA

হ্যান্ডওয়াশিং হিরো হন! পরিচ্ছন্ন হাতই বাঁচায় প্রাণপ্রতি বছর ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বহু প্রতিরোধযোগ্য রোগ বন্ধ...
20/10/2026

হ্যান্ডওয়াশিং হিরো হন! পরিচ্ছন্ন হাতই বাঁচায় প্রাণ

প্রতি বছর ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বহু প্রতিরোধযোগ্য রোগ বন্ধ করা সম্ভব—শুধু একটি সাধারণ কিন্তু কার্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে: সাবান ও নিরাপদ পানি দিয়ে সঠিকভাবে হাত ধোয়া।

ওয়ার্ল্ড হ্যান্ডওয়াশিং ডে ২০২৬-এ ‘দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ’-এর পক্ষ থেকে আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি পরিচ্ছন্ন হাতের বার্তা ছড়িয়ে দিতে—বাড়িতে, স্কুলে, কর্মক্ষেত্রে ও নিজ নিজ সম্প্রদায়ে এক একজন হ্যান্ডওয়াশিং হিরো হিসেবে এগিয়ে আসতে। স্বাস্থ্যকর অভ্যাস শুধু ব্যক্তিগত সুরক্ষাই দেয় না, এটি একটি নিরাপদ ও সুস্থ সমাজ গড়ার অন্যতম চাবিকাঠি।
দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ বিশ্বাস করে টেকসই ও ক্ষুধামুক্ত সমাজ গঠনে জনস্বাস্থ্য, মর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আমাদের ওয়াশ (WASH - পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন) কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের পুষ্টি অ্যানিমেটর, পুষ্টি উদ্যোক্তা, ইউনিয়ন সমন্বয়কারী, গ্রাম উন্নয়ন দলের সদস্য, যুবনেতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক চ্যাম্পিয়ন মাঠপর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন:
নিরাপদ পানির সুযোগ সৃষ্টি: গ্রামীণ এলাকায় নিরাপদ খাবার পানির উৎস তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণে উৎসাহ প্রদান।
স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের বিকাশ: স্কুল শিক্ষার্থী ও গ্রামীণ পরিবারগুলোকে সঠিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়ম ও সঠিক সময় সম্পর্কে সচেতন করা।
স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশ: ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলোর মাধ্যমে টেকসই স্বাস্থ্যবিধি চর্চা নিশ্চিত করা।
রোগ প্রতিরোধ ও শিশু পুষ্টি রক্ষা করতে স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের বিকল্প নেই। নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস শিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ায় এবং একটি কর্মক্ষম ও সুস্থ জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে।
আজই ভেবে দেখুন, আপনি কীভাবে হবেন একজন ‘হ্যান্ডওয়াশিং হিরো’?
১. খাবারের পূর্বে, শৌচাগার ব্যবহারের পর ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার নিয়ম মেনে চলুন।
২. পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে অন্য সবাইকে হাত ধোয়ায় উৎসাহিত করুন।
৩. আপনার চারপাশে পরিচ্ছন্নতার বার্তা ছড়িয়ে দিন।
আসুন, নিরাপদ হাত ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করে একটি স্বাস্থ্যকর, স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ে তুলি।


fans
Tuhin Afsari Institute of Public Health Nutrition - IPHN

ফকিরহাট কেন্দ্রীয় কালীমন্দিরে সম্প্রীতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত“সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি”—এই প্রত্যয়কে সামনে ...
17/10/2026

ফকিরহাট কেন্দ্রীয় কালীমন্দিরে সম্প্রীতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত
“সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাগেরহাটের ফকিরহাট কেন্দ্রীয় কালীমন্দিরে দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের MIPS প্রকল্পের উদ্যোগে ফকিরহাট পিএফজির আয়োজনে ‘সম্প্রীতির সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ রকোনুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। নিজেদের স্বার্থে যেন আমরা সেই সম্প্রীতি নষ্ট না করি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব ও অপপ্রচারে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হন, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টের এ উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দমুখর ও নিরাপদে উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (PFG)-এর সদস্যদেরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ফকিরহাটে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা, গুজব প্রতিরোধ এবং সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্য জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।

'উৎসব যেন উৎসবের মত হয়, সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে':পিএফজির সাথে মতবিনিময় সভায় বিশ্বম্ভরপুর ইউএনওউৎসব যেন উৎসবের মতো হয়, স...
16/10/2026

'উৎসব যেন উৎসবের মত হয়, সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে':
পিএফজির সাথে মতবিনিময় সভায় বিশ্বম্ভরপুর ইউএনও

উৎসব যেন উৎসবের মতো হয়, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব উদ্যাপনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহবান জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার।

১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপের (পিএফজি) মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবে “আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করবো।

পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের উদ্দেশ্যে ইউএনও বলেন, “আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন, তাহলে আমরাও আপনাদের সহযোগিতা করতে পারবো। দশমীর দিনে শান্তিপূর্ণভাবে আমরা এ উৎসবের সমাপ্তি করতে চাই।

বিশ্বম্ভরপুর পিএফজির উদ্যোগে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস প্রকল্পের সহযোগিতায় 'সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত সভায় পিস অ্যাম্বাসেডর আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এবং পিএফজির সমন্বয়কারী ফুলমালা ও ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপের (ওয়াইপিএজি) সদস্য সামছুল কবিরের যৌথ সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস প্রকল্পের কুদরত পাশা।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহমেদ উল্লাহ, বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছবাব মিয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হাই, আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ওয়াসি উদ্দিন আহমদ ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শিল্পী রানী,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন কুমার বর্মণ, পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সুমন চক্রবর্তী, ফতেপুর পূজামণ্ডপের সভাপতি নীলু দাস, বাঘমারা পূজামণ্ডপের রাধাকান্ত দাস, রঙ্গিয়ারচর পূজামণ্ডপের সজল, কৃষ্ণনগর পূজামণ্ডপের উপদেষ্টা দয়াল বর্মণ, পূজা সংঘের সভাপতি অমর বর্মণ, রায়পুর পূজামণ্ডপের সভাপতি উপানন্দ বর্মণ ও সাধারণ সম্পাদক চম্পক বর্মণ,পিএফজি সদস্য সিরাজ খন্দকার, ফুল মিয়া, জুবায়ের আহমদ জুলহাস, আব্দুস সামাদ, নাছির উদ্দিন ও গোলাপ মিয়া এবং ওয়াইপিএজির সদস্য শিপু আহমদ, মিনারা আক্তার, সুইটি পাল ও শান্তনা আক্তারসহ অন্যরা।

ধামইরহাটে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় পিএফজির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।নওগাঁর ধামইরহাট পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ-পিএফজি'র উদ্যো...
16/10/2026

ধামইরহাটে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় পিএফজির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

নওগাঁর ধামইরহাট পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ-পিএফজি'র উদ্যোগে সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি প্রতিপাদ্যে 'দ্বন্দ্ব নিরসন ও সম্প্রতি স্থাপন' শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিএফজির ধামইরহাট উপজেলার কো-অর্ডিনেটর সাংবাদিক আবু হেনা মোঃ মোস্তফা কামাল বাবু’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধামইরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুর রহমান সরকার, ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির সাঃ সম্পাদক আলহাজ্ব হানজালা, ধামইরহাট পৌর বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদীকা মোসা: শাহিনা আকতার, ধামইরহাট উপজেলা হিন্দু, বদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সা: সম্পাদক রামজলম রবিদাস, ধামইরহাট মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ মন্ডল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ধামইরহাট উপজেলার আহবায়ক দেবলাল টুডু, ধামইরহাট উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি দেওয়ান আব্দুল হান্নান, ক্ষুদ্র নিরিগোষ্ঠী ও আদিবাসী নেত্রী ডলি দাসসহ অন্যর৤

সভায় বিএনপি ও ছাত্রদলের প্রতিনিধি এবং পিএফজি ও ওয়াইপিএফজির সদস্যদের সমন্বয়ে ধামইরহাট উপজেলার ৩১টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত যোগাযোগ, সমন্বয় এবং দলবদ্ধভাবে পাহারা ও টহলের ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সম্ভাব্য দ্বন্দ্ব প্রতিরোধ এবং সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ঐক্য ও সম্প্রীতি জোরদার করার বিষয়ে সকলে একমত পোষণ করেন।

https://www.facebook.com/share/1HXqgFYgQ5/?mibextid=wwXIfr   Tuhin Afsari
15/10/2026

https://www.facebook.com/share/1HXqgFYgQ5/?mibextid=wwXIfr
Tuhin Afsari

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ সকল জায়গায় কন্যা শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

—রাষ্ট্রপতি

Address

Heraldic Heights, 2/2, (Level-7), Block-A, Mirpur Road (Near Care Hospital) Mohammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 08:30 - 17:30
Tuesday 08:30 - 17:30
Wednesday 08:30 - 17:30
Thursday 08:30 - 17:30
Sunday 08:30 - 17:30

Telephone

+88-02-9130479

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Hunger Project, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to The Hunger Project, Bangladesh:

Shortcuts

Share