ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর

Website

ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ময়মনসিংহ মহানগরের অফিসিয়াল পেইজ।

⇲ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ⇱

⋮⋮ মানুষের পরিচয়
আমরা মানুষ, সৃষ্টির অন্যতম সেরা জীব। মহান আল্লাহ তা'আলা অসংখ্য ছোটো-বড়ো সৃষ্টির মধ্যে মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সব সৃষ্টিকেই তিনি একটি নিয়মের অধীনস্থ করে দিয়েছেন। কিন্তু মানুষকে তিনি ইচ্ছার স্বাধীনতা দিয়েছেন। মানুষ তার সাধ্যের মধ্যে যা চায় তাই করতে পারে। এ স্বাধীনতা দেওয়ার সাথে সাথে তিনি মানুষকে করেছেন তাঁর খলিফা বা প্রতিনিধি। মানুষ সৃষ্টির আগে তিনি ফেরেশতাদের ডেকে বলেন, “আমি পৃথিবীতে আমার খলিফা বা প্রতিনিধি প্রেরণ করব” (সূরা আল বাকারা : ৩০)। খলিফার কাজ হচ্ছে মনিবের প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা এবং পরে প্রতিনিধি হিসেবে তাঁরই কাছে জবাবদিহি করা।

⋮⋮ জীবন বিধান ইসলাম
আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় পাঠালেন। সাথে দিলেন তাঁর পক্ষ থেকে হেদায়াত। মানুষ যখনই তাঁর দেওয়া হেদায়াত ভুলে পথভ্রষ্ট হয়েছে তখনই আল্লাহ পাঠিয়েছেন নবী বা রাসূল। সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা); তিনি খাতামুন্নাবিয়্যিন, সাইয়্যেদুল মুরসালিন। তাঁর পরে আর কোনো নবী আসবেন না। তিনি মানুষের কাছে নিয়ে এসেছেন হেদায়াত গ্রন্থ আল-কুরআন। আল্লাহর মনোনীত একমাত্র জীবনব্যবস্থা ইসলামকে তাঁর মাধ্যমে পরিপূর্ণতা দান করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং আমার নেয়ামত পূর্ণ করলাম” (সূরা আল মায়েদা : ৩)।

⋮⋮ মুসলমানের পরিচয়
ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পণ করা। তাই মানুষের মধ্যে যারা ইসলাম কবুল করে বা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করে তাদের বলা হয় ‘মুসলিম'। কেবল মুসলমানের ঘরে জন্ম নিলেই কেউ মুসলমান হয় না, যতক্ষণ না সে ঈমান আনে ও ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলে। আবার কাফের মুশরিকদের ঘরে জন্ম নিয়েও কেউ যদি ঈমান আনে এবং ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলে তবে সেও মুসলিম হিসেবে গণ্য হয়। মানুষের মধ্যে মুসলিমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি। কুরআনের ভাষায়, “তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতি, মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে" (সূরা আলে ইমরান : ১১০)। অন্য স্থানে বলা হয়েছে, “তোমাদেরকে মধ্যমপন্থি জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন তোমরা মানুষের জন্য সত্যের সাক্ষ্য হতে পার” (সূরা আল বাকারা : ১৪৩)।

⋮⋮ কিন্তু,
আজ মানুষ ভুলে গেছে তার পরিচয়। মুসলমান বিস্মৃত হয়েছে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য। ফলে জলেস্থলে সর্বত্র চলছে অনাচার, অবিচার ও অশান্তির প্রবলস্রোত। মানুষে মানুষে চলছে হানাহানি, কাটাকাটি ও হিংসা-বিদ্বেষ। অসংখ্য বনি আদম অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। মানবরচিত বিভিন্ন মতবাদ যেমন সমাজতন্ত্র, বস্তুবাদ, পুঁজিবাদ, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, নাস্তিক্যবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ধ্বজাধারীদের অসারতা এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের চরম ব্যর্থতা সকলের সামনে আজ দিবালোকের মতো ফুটে উঠেছে। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারণে শোষণ ও বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে চলছে সভ্যতা বিধ্বংসী মারণাস্ত্রের প্রতিযোগিতা। যাদের মুখে শোনা যায় শান্তি ও মানবাধিকার রক্ষার অমিয় বাণী তারাই দেশে দেশে চালাচ্ছে আগ্রাসন এবং ধ্বংসযজ্ঞ। নির্যাতিত ও নিপীড়িত অসহায় মানুষ আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করছে মুক্তির জন্য। মুসলমানদের অবস্থাতো আরো করুণ; বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলছে ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি। দিকে দিকে মুসলমানদের ওপর চলছে ইসলাম বিরোধী শক্তির নিষ্ঠুর নিধন অভিযান। এ ব্যাপারে মুসলমানদের কোন ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা নেই, নেই কোনো কার্যকর পদক্ষেপ। তাই মুসলমানদের বিরুদ্ধে দিন দিন ষড়যন্ত্র তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। যদিও দেশে দেশে ইসলামী পুনর্জাগরণ আন্দোলন আশার নবদিগন্ত উন্মোচন করে চলেছে, আলহামদুলিল্লাহ।

⋮⋮ একদিন,
সব মানুষকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। ফিরে যেতে হবে মহান আল্লাহর কাছে। কিয়ামতের প্রবল প্রলয়ে সমস্ত কিছু ধ্বংসের পর মানুষের ভাল-মন্দের বিচারের সময় এসে যাবে। সেদিন অবশ্যই সকলকে দুনিয়ায় থাকা অবস্থায় তার ভূমিকা ও কাজ সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। সেদিন যাদের ভাল কাজের পরিমাণ বেশি হবে তারাই মুক্তি পাবে, পুরস্কার হিসেবে পাবে চির শান্তির জান্নাত। আর যাদের মন্দ কাজের পাল্লা ভারী হবে, তারা পাবে অবর্ণনীয় আজাবে ভরপুর চির দুঃখের জাহান্নাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তারপর যার (ভালো কাজের) পাল্লা ভারী হবে, সে মনের মতো সুখী জীবন লাভ করবে। আর যার (ভালো কাজের) পাল্লা হালকা হবে, তার আবাস হবে গভীর খাদ। আর তুমি কি জানো সেটি কী? (সেটি) জ্বলন্ত আগুন” (সূরা আল কারিয়াহ : ৬-১১)।

⋮⋮ তাই,
জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে মুক্তি এবং চিরস্থায়ী জান্নাত লাভের পথনির্দেশনা আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। তাঁর কালামের ভাষায়, “তোমরা আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে সংগ্রাম করো। এটিই হবে তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝ। তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করা হবে, আর তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; যার তলদেশে আছে ঝর্ণাধারা” (সূরা আস সফ : ১১-১২)।

⋮⋮ সুতরাং,
আজকের এই অবস্থায় আমাদের উচিত ইসলাম সম্পর্কে জানা, কুরআন-হাদিস পড়া, মানুষের মুক্তির জন্য আল্লাহর পথে প্রাণান্ত চেষ্টা চালানো এবং সৎ কাজের আদেশ দেওয়া ও অসৎ কাজ হতে বিরত রাখা। কিন্তু এ কাজটি একা একা করা যায় না। এজন্য প্রয়োজন সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা। আল্লাহ বলেন, “তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণ কর: পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না” (সূরা আলে ইমরান : ১০৩)। হযরত উমর (রা) তাই বলেছেন, “সংগঠন ছাড়া ইসলাম হয় না।”

আমাদের দেশের অবস্থা বড়ই নাজুক। দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এখনও দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছে। অধিকাংশ মানুষের জীবনে নেই নিরাপত্তা, নেই সুখ, নেই শান্তি, নেই কোনো আদর্শের ছবি। আমাদের শিশু কিশোররা গড়ে উঠছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও অনৈতিকতার চর্চার মধ্য দিয়ে। দুর্নীতি, দুঃশাসন ও মাদকের কালো থাবায় জাতি আজ জর্জরিত। সেক্যুলার ও নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে নিয়ে যাচ্ছে এক অনিশ্চয়তার দিকে। এ অবস্থা চলতে দিলে জাতির ভবিষ্যৎ গাঢ় অন্ধকারময়। এর হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন একদল সচেতন লোকের। তাই মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকার জন্য এবং দেশের তরুণ ছাত্রসমাজকে সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও আদর্শ চরিত্রবানরূপে গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের মহান লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তরুণ ও মেধাবী ছাত্রদের সংগঠন- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

⋮⋮ ছাত্রশিবিরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পুনর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন।

⋮⋮ কর্মসূচি
উল্লেখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রণয়ন করেছে বিজ্ঞানসম্মত পাঁচ দফা কর্মসূচি -

১। দাওয়াত : তরুণ ছাত্রসমাজের কাছে ইসলামের আহ্বান পৌঁছিয়ে তাদের মাঝে ইসলামী জ্ঞানার্জন এবং বাস্তব জীবনে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা।

২। সংগঠন : যেসব ছাত্র ইসলামী জীবনবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করা।

৩। প্রশিক্ষণ : এই সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ ছাত্রদেরকে ইসলামী জ্ঞান প্রদান এবং আদর্শ চরিত্রবানরূপে গড়ে তুলে জাহেলিয়াতের সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী হিসেবে গড়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করা।

৪। ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্যা সমাধান : আদর্শ নাগরিক তৈরীর উদ্দেশ্যে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনের দাবিতে সংগ্রাম এবং ছাত্রসমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান।

৫। ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ : অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং সাংস্কৃতিক গোলামী হতে মানবতার মুক্তির জন্য ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।


দেশের প্রতিটি জনপদে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। শিবির একজন তরুণকে একই সাথে একজন ভাল ছাত্র ও একজন ভাল মুসলমান হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করে। ইসলাম সকল মানুষের কল্যাণের জন্য; তাই ইসলামী ছাত্রশিবির মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সবার কাছে ইসলামের সুমহান সৌন্দর্যকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এই সুন্দর কর্মসূচি ও চরিত্রবান কর্মীদের প্রতি দিন দিন জনসমর্থন বাড়ছে। আসুন, আপনিও শিবিরের পতাকাতলে সমবেত হয়ে নিজেকে গড়ে তুলুন সুন্দর ও যোগ্যতম ব্যক্তি হিসেবে। শরিক হউন, ইহকাল ও পরকালের মুক্তিকামী মানুষের এই কাফেলায়।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে জানতে হলে পড়ুন
¦ সংবিধান
¦ কর্মপদ্ধতি
¦ ছাত্রসংবাদ
¦ আমরা কী চাই কেন চাই কেন চাই কীভাবে চাই?
¦ মুক্তির পয়গাম
¦ এসো আলোর পথে

# Current Central President:

Jahidul Islam
Website: www.jahidulislambd.info
page: www.facebook.com/JahidBICS
Twitter: x.com/JahidBICS

# Current Secretary General:

Nurul Islam Saddam
Website: https://nurulislamsaddam.info/
page : https://www.facebook.com/nurul.ku.bd

এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতকার্য সকল শিক্ষার্থীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন 💫
31/10/2026

এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতকার্য সকল শিক্ষার্থীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন 💫

২৮ই অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণে 'ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন ২০২৬' আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছ...
28/10/2026

২৮ই অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণে 'ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন ২০২৬' আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঘাগড়া সাংগঠনিক থানার অন্তর্গত ভাবখালী ইউনিয়ন শাখা।

আজ নির্ভীক মাল্লার দল ছোটে দরিয়ার টানে,পান করি সিয়া সুতীব্র জালা কলুষিত বিয়াবানে;হারামি মওত ঢাকে সারা মন, দেহ,গলিজ শহরতল...
19/10/2026

আজ নির্ভীক মাল্লার দল ছোটে দরিয়ার টানে,
পান করি সিয়া সুতীব্র জালা কলুষিত বিয়াবানে;
হারামি মওত ঢাকে সারা মন, দেহ,
গলিজ শহরতলীতে আবার জেগে ওঠে সন্দেহ;
বিষ নিশ্বাসে জিন্দিগী ফের কেঁদে ওঠে বিস্বাদ,
নতুন পানিতে সফর এবার হে মাঝি সিন্দবাদ।

সিন্দবাদ
মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ
জুন ১০, ১৯১৮ – অক্টোবর ১৯, ১৯৭৪

আন্দোলনের ভয়ে সরকার পূজার ছুটিতে পিএসসিকে দলীয়করণ করার প্লান করেছে। Revise your Plan, Tarek Rahman. ছাত্রসমাজ জেগে আছে।স...
18/10/2026

আন্দোলনের ভয়ে সরকার পূজার ছুটিতে পিএসসিকে দলীয়করণ করার প্লান করেছে। Revise your Plan, Tarek Rahman. ছাত্রসমাজ জেগে আছে।

সিবগাতুল্লাহ
সেক্রেটারি জেনারেল
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশকক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভের ‘টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড র...
17/10/2026

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ

কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভের ‘টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ শনিবার এক যৌথ শোকবার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তাঁরা অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ এ পর্যন্ত ১০ পর্যটকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশান্তির খোঁজে বেড়াতে এসে এমন মর্মান্তিক পরিণতি নিহতদের পরিবারগুলোর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। একই সঙ্গে এ ঘটনা দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৈধ অনুমোদন ছাড়াই কাঠের তৈরি এই রিসোর্টটি পরিচালিত হচ্ছিল। পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমনপথ ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও রিসোর্টটি কীভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার ফলে সৃষ্ট মর্মান্তিক প্রাণহানির দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকা এবং তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অগ্নিকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অনুমোদনহীন রিসোর্ট পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না করার জন্য দায়ী রিসোর্ট মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁদের অবহেলায় সংঘটিত এ প্রাণহানির ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত পর্যটকদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়াতে দেশের সব পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও সমন্বিত রাষ্ট্রীয় তদারকি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ। এ ব্যবস্থার আওতায় হোটেল ও রিসোর্টের অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা, নিয়মিত পরিদর্শন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৈধ অনুমোদন ছাড়াই কাঠের তৈরি এই রিসোর্টটি পরিচালিত হচ্ছিল। পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমনপথ ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও রিসোর্টটি কীভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। এর ফলে সৃষ্ট মর্মান্তিক প্রাণহানির দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কক্সবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকা এবং তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পর্যটকদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল-রিসোর্টসহ পর্যটনকেন্দ্রের স্থাপনাগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তাবিধি অনুসরণ এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।”

বঙ্গভঙ্গ; শোষণ ও বঞ্চনার ঐতিহাসিক ক্ষণ ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলাকে পশ্চিম ও পূর্বে ভেঙ্গে পৃথক দুটি প্রদেশ গঠন করা হয়...
16/10/2026

বঙ্গভঙ্গ; শোষণ ও বঞ্চনার ঐতিহাসিক ক্ষণ

১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলাকে পশ্চিম ও পূর্বে ভেঙ্গে পৃথক দুটি প্রদেশ গঠন করা হয়। পূর্ব বাংলা ও আসামের রাজধানী করা হয় ঢাকাকে। অন্যদিকে পশ্চিম বাংলার সাথে বিহার ও উড়িশাকে যুক্ত করা হয় এবং এর রাজধানী হয় কোলকাতা।

বৃটিশ সরকারের ভাষ্য অনুসারে প্রায় ৮ কোটি জনসংখ্যার বাংলা প্রদেশকে সুষম উন্নয়ন ও শাসনের স্বার্থে বিভক্ত করা হয়। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী সমালোচকরা এর বিপরীতে বৃটিশ সরকারের Divide and Rule নীতির গন্ধ খুঁজে পান।

প্রকৃত অবস্থা ছিল বৃটিশ শাসনের শুরু থেকে বাংলার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠে কোলকাতা। সকল সরকারী অফিস-আদালত, প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা ও বাণিজ্যের জন্য সমগ্র বাংলাকে যেতে হতো কোলকাতায়। ফলে কোলকাতা সমগ্র বাংলার ধন ও সম্পদের ভোগসত্ব লাভ করে। ফুলে পেঁপে উঠে কোলকাতার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন।

দীর্ঘ বর্ষা মৌসুম, যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্ভোগ, মুসলমান ভূ-পতিদের প্রতি বৃটিশ শাসকদের শত্রুভাবাপন্ন আচরণ, ব্রাহ্মণ্যবাদী বর্ণ হিন্দুদের বৃটিশ তোষণ, সূর্যাস্ত আইন ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কোলকাতার অভিজাত ও উঠতি মধ্যবিত্ত শ্রেণি ভূমির মালিকানায় একচ্ছত্র আধিপত্য লাভ করে। দূরত্ব ও দূর্যোগে ব্যাপকহারে জমির মালিকানা হারায় কৃষি প্রধান পূর্ব বাংলার মুসলিম ভূ-পতিরা। ফলে বাংলার ধন ও দৌলতের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠে কোলকাতা।

সময়ের সাথে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও বাণিজ্যিক বৈষম্য হিন্দু প্রধান পশ্চিম বাংলা এবং মুসলিম প্রধান পূর্ব বাংলায় প্রকট হয়ে উঠে। পূর্ব বাংলার মাঠের ফসল যেন পশ্চিম বাংলার জমিদার শ্রেণির ভোগের উৎস। ফলে মুসলিম প্রধান পূর্ব বাংলায় শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বৈষম্য জনঅসন্তোষ সৃষ্টি করে। দীর্ঘকাল এমন বৈষম্য বিদ্যমান থাকায় পূর্ব বাংলার স্বাতন্ত্র রক্ষা ও মুক্তি অনিবার্য হয়ে উঠে।

পূর্ব বাংলার মুসলিম নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, নবাব আলী চৌধুরী, খাজা আতিকুল্লাহ ও ঢাকা নবাব পরিবারের অন্যান্যরা, স্থানীয় জমিদার, আইনজীবী, শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত এবং আলীগড় আন্দোলনের নেতারা মুসলিম অধ্যুষিত বৈষম্যপিড়িত পূর্ব বাংলার অধিকার ও স্বাতন্ত্র্যের জন্য রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তুলেন।

পূর্ব বাংলার মতো আসামও ছিল বঞ্চিত ও নিপিড়িত। চট্টগ্রাম বন্দর ও পূর্ব বাংলার সুদীর্ঘ নদীপথ ব্যবহার করে ঢাকাকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলের ভাগ্য উন্নয়নে ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। পূর্ব বাংলায় নিপিড়ীত ও বঞ্চিত মানুষেরা নতুন স্বপ্নে জেগে উঠে।

বঙ্গভঙ্গে কোলকাতার বর্ণ হিন্দুদের প্রতিক্রিয়া
সরকারী চাকরী, আইন ব্যবসা, শিক্ষা, বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সামর্থ্যের একচ্ছত্র ব্যবহারের ক্ষমতা কোলকাতার বর্ণ হিন্দুদের জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে। কোলকাতা কেন্দ্রিক বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উপর ভর করে গড়ে উঠা এই রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ মেনে নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। একই সাথে বিহারের জনগনের ভাষা হিন্দি এবং উড়িষ্যার ভাষা ওড়িয়া। বিহার ও উড়িষ্যার জনসংখ্যার অনুপাতে পশ্চিম বঙ্গের ভাষা ভিত্তিক বাঙ্গালী জাতিয়তাবাদের একচ্ছত্র ক্ষমতা হুমকির মুখে পড়ে। অন্যদিকে পশ্চিম বঙ্গের ধণিক শ্রেণির জমিদারি ছিল পূর্ব বঙ্গে, নতুন ব্যবস্থায় অভিজাতদের জমিদারি হারানোর ভয়ও পেয়ে বসে। যার ফলে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলে। পরবর্তীতে সহিংস স্বদেশী আন্দোলনের জন্ম দেয়। এবং কোলকাতার বর্ণ হিন্দুদের তীব্র আন্দোলন ও বৃটিশ তোষণের মাধ্যমে ১৯১১ সালে এসে বঙ্গভঙ্গ আবার রদ করে বৃটিশ সরকার।

বঙ্গভঙ্গের কেন কোলকাতার বর্ণ হিন্দুদের ভয়ের কারণ…
রাজনৈতিক শক্তি হারানোর অনিবার্য নিয়তি অপেক্ষা করছিল কোলকাতার জন্য। কলকাতা ছিল জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও সংবাদপত্রের কেন্দ্র। সম্পূর্ণ বাংলার নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক গুরুত্ব হারানোর সম্ভাবনা কোলকাতার বর্ণ হিন্দুদের আতংকিত করে তুলে। বিহার ও উড়িষ্যার ভাষা ভিন্ন হওয়ায় কোলকাতা নিজেই ভাষাগত সংখ্যাধিপত্য হারায়। এর ফলে ঢাকা হয়ে উঠবে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ ঢাকা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হয়ে উঠবে এটা মেনে নেওয়া কোলকাতার বর্ণ হিন্দুদের জন্য ছিল দুঃসহ কল্পনা। এবং নিজেরাই ভাষা ভিত্তিক সংখ্যালুঘু হয়ে উঠার শংকায় পড়ে যায়। কোলকাতা বাংলার প্রাণকেন্দ্র হওয়ায় হাইকোর্ট, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশাসনিক চাকরিতে তাঁদের আধিপত্য ছিল। পূর্ববঙ্গের জন্য আলাদা কাঠামো হলে সেই আধিপত্য ক্ষুণ্ণ হতো। পূর্ব বঙ্গের প্রশাসনিক, সামাজিক ও জীবন-জীবীকা উন্নত হলে অর্থনৈতিক আধিপত্য হারানো ছিল সময়ের ব্যাপার। বহু ভদ্রলোকের জমিদারি ছিল পূর্ববঙ্গে, কিন্তু তাঁরা থাকতেন কলকাতায়। নতুন প্রদেশে এই সম্পর্ক জটিল হতো। পূর্ব বাংলা ছিল অনেকটা কোলকাতার জমিদারদের পশু চারণভূমি। পূর্ব বাংলার কৃষকদের শ্রম ও ঘামে তারা হয়ে উঠেছিল বড় বড় জমিদার।

৬ অক্টোবর ১৯০৫ (কার্যকর হওয়ার দিন)
শোকদিবস হিসেবে পালিত হয়: অরন্ধন, উপবাস, খালি পায়ে গঙ্গাস্নান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে রাখিবন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয় । রবীন্দ্রনাথ এই উপলক্ষে গান রচনা করেন ("বাংলার মাটি, বাংলার জল", "ও আমার দেশের মাটি" এবং “আমার সোনার বাংলা”। উগ্র জাতীয়তাবাদী ধারার বিপিনচন্দ্র পাল, অরবিন্দ ঘোষ, ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় (সন্ধ্যা) বন্দে মাতরম ও সন্ধ্যা পত্রিকা তীব্র ভাষায় আন্দোলনের পক্ষে প্রচার চালায়। তাঁরা নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ ও স্বরাজের কথা বলেন। স্বশস্ত্র ধারা গড়ে উঠেছিল অনুশীলন সমিতি ও যুগান্তর গোষ্ঠী নিয়ে। ১৯০৮ সালে মুজাফফরপুরে ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীর বোমা হামলার মধ্য দিয়ে গোপন সশস্ত্র সংগ্রাম প্রকাশ্যে আসে। উগ্রহিন্দু জাতীয়তাবাদী স্লোগান বন্দে মাতরম (বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠ থেকে) আন্দোলনের মূল স্লোগান ও গানে পরিণত হয়। ১৯০৬ সালের বরিশাল সম্মেলনে পুলিশি আক্রমণের সময় এই স্লোগান বিশেষ প্রতীক হয়ে ওঠে। মহারাষ্ট্র থেকে আনা শিবাজী উৎসব ও গণপতি উৎসবের রীতি স্বদেশী উদ্দীপনায় যুক্ত হয়। কালী ও দুর্গা সাধনা শক্তি আরাধনার ভাষা ও প্রতীক রাজনীতিতে ব্যবহৃত হয়; ভবানী মন্দির পরিকল্পনা এর উদাহরণ। আন্দোলনে ব্যবহৃত ভাষা ও প্রতীকের ব্যবহার হিন্দু ঐতিহ্য থেকে এসেছিল। যা একটি হিন্দু জাতীবাদী আন্দোলনের চরিত্র নির্দেশ করে। শেখর বন্দ্যোপাধ্যায় তার লেখা Caste, Protest and Identity in Colonial India তে দেখান বর্ণ হিন্দু নেতৃত্বাধীন এই আন্দোলন সাধারণভাবে নিম্নবর্ণের সমর্থন পায়নি; নমঃশূদ্র সমাজের মতো গোষ্ঠীর নিজস্ব সামাজিক-রাজনৈতিক দাবি ও ভিন্ন অগ্রাধিকার ছিল।

পূর্ব বঙ্গে পরিবর্তনের হাওয়া
ঢাকা, শিলং ও চট্টগ্রামের মধ্যে সড়ক, রেল ও নদীপথ উন্নত হয়। কলকাতা-কেন্দ্রিক রেল ব্যবস্থার পরিবর্তে নতুন রেললাইন ও স্টিমার সার্ভিস চট্টগ্রাম, ঢাকা, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, মালদহ ও রাজশাহীকে যুক্ত করে। চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি বাণিজ্যে সচল হয়ে ওঠে। পূর্ব বাংলার পার্বত্য অঞ্চলে চা শিল্পের এবং পাটশিল্প সম্প্রসারণ হয়। চট্টগ্রাম ও রেঙ্গুনের মধ্যকার বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা দেখা দেয়। ঢাকা কেন্দ্রিক মুসলমান সমাজে ব্যবসা উদ্যেগের ইতিবাচক হার দেখা দেয়। প্রশাসনিক, শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন তরান্বিত হয়। ঢাকা প্রশাসনিক, শিক্ষা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠার সম্ভাবনা তরান্বিত হয়।

পূর্ববঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও নানাবিদ উন্নয়নের আশা দেখিয়ে ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির দরবার অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা করেন। কিন্তু এই ঘটনা ও সময় পরবর্তীতে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের পরাজয় ও বাঙ্গালী মুসলিম জাতিসত্তা দ্বার উন্মোচন করে। ১৯৪৭ সালে ভাষার পরিবর্তে ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র বেছে নেয় জনতা।

16/10/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬-এ A+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর কর্তৃক আয়োজিত A+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাঁরা সব উপহারসামগ্রী সংগ্রহ করতে পারেননি, তাঁদের আগামী ১৭/১০/২০২৬, রোজ শনিবার, অবশিষ্ট উপহারসামগ্রী সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

📍সময় এবং স্থান শিক্ষার্থীদের ফোন নাম্বারে এসএমএস করে পাঠানো হয়েছে।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন:
জহিরুল ইসলাম
📞 ০১৮৭৫৬৯০৭০০

📛 সকলকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে উপহারসামগ্রী সংগ্রহ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

ধন্যবাদান্তে,
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
ময়মনসিংহ মহানগর

পাঠচক্রের সদস্যদের নিয়ে শিক্ষা সফরের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ময়মনসিংহ মহানগর শাখা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস...
10/10/2026

পাঠচক্রের সদস্যদের নিয়ে শিক্ষা সফরের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ময়মনসিংহ মহানগর শাখা।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও মহানগর সভাপতি মোঃ জাকির হোসাইন।

শহীদ আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী ও ‘নিপীড়নবিরোধী দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছা...
08/10/2026

শহীদ আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী ও ‘নিপীড়নবিরোধী দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ময়মনসিংহ মহানগর শাখা।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক হেলাল উদ্দিন রুবেল।

#নিপীড়নবিরোধী_দিবস



ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ২০২৬-২৭ সেশনে ময়মনসিংহ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বাংল...
08/10/2026

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ২০২৬-২৭ সেশনে ময়মনসিংহ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার ১ম দিনের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম।

Address

Mashkanda
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share