Nirvezal.ORG

Nirvezal.ORG a Social movements to aware people for producing and supplying chemical free food product which chemicals are toxic to human health.
(4)

A movement for social responsibility To setup and accumulate relatively small farms across the country to grow organic food produces locally. we are trying to provide our next generation to eat better food for their better future of Healthy living. Our "Healthy living, Happy Living" brand Refers to encourage and provide organic, sustainable, toxic chemical free food products. join with us in this campaign to move organic safety & better food products.

24/03/2018

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে, SME Foundation, A2I, BWIT এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত “নারী আইসিটি ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যক্তা উন্নয়ন কর্মসূচী” এর আওতায় IT vanilla এর আয়োজনে দিনাজপুর জেলায় শুধুমাত্র নারীদের জন্য শুরু হতে যাচ্ছে এক মাসব্যাপী ফ্রি প্রশিক্ষণ।

প্রশিক্ষণের বিষয়ঃ
১. গ্রাফিক ডিজাইন
২. ওয়েব ডিজাইন

কোর্স শেষে সরকারি সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

আবেদনের যোগ্যতাঃ
> কম্পিউটারের প্রাথমিক ধারণা থাকতে হবে।
> ব্যাক্তিগত ল্যাপটপ থাকলে অগ্রাধিকার ।

একজন যে কোন একটি কোর্সে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আসন সীমিত, তাই আগে আসলে আগে পাবেন...

দ্রুত আপনার আসনটি নিশ্চিত করুন।

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ
https://goo.gl/forms/a0yLmXy33bP4FPXB2

যোগাযোগ :
ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/itvanilla
ফেসবুক গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/it.vanilla
মোবাইল : 01723856879, 01740485393

অফিস ঠিকানাঃ IT VANILLA , হেমায়েত আলী হল রোড, মুন্সীপাড়া, দিনাজপুর

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে, SME Foundation, A2I, BWIT এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত “নারী আইসিটি ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যক্তা উন্নয়ন কর্মসূচী” এর আওতায় IT vanilla এর আয়োজনে দিনাজপুর জেলায় শুধুমাত্র নারীদের জন্য শুরু হতে যাচ্ছে এক মাসব্যাপী ফ্রি প্রশিক্ষণ।

প্রশিক্ষণের বিষয়ঃ
১. গ্রাফিক ডিজাইন
২. ওয়েব ডিজাইন

কোর্স শেষে সরকারি সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

আবেদনের যোগ্যতাঃ
> কম্পিউটারের প্রাথমিক ধারণা থাকতে হবে।
> ব্যাক্তিগত ল্যাপটপ থাকলে অগ্রাধিকার ।

একজন যে কোন একটি কোর্সে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আসন সীমিত, তাই আগে আসলে আগে পাবেন...

দ্রুত আপনার আসনটি নিশ্চিত করুন।

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ
https://goo.gl/forms/a0yLmXy33bP4FPXB2

যোগাযোগ :
ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/itvanilla
ফেসবুক গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/it.vanilla
মোবাইল : 01723856879, 01740485393

অফিস ঠিকানাঃ IT VANILLA , হেমায়েত আলী হল রোড, মুন্সীপাড়া, দিনাজপুর

22/03/2018

IT Vanilla আয়োজন করতে যাচ্ছে একটি যুগান্তকারী প্রোগ্রাম। আগামি ১ বছরের মধ্যে ফ্রী প্রশিক্ষন দিয়ে, দিনাজপুর থেকে আমরা ১০০০ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করতে চাই।

যারা ছয় মাসের প্রশিক্ষন নিয়ে (৩মাস ক্লাস+৩ মাস ইন্টার্ন শিপ) দৈনিক ৩-৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে মাসিক ১০০-৫০০ ডলার ইনকাম করার যোগ্যতা অর্জন করবে।

ইনকাম না আসা পর্যন্ত থাকবে লাইফ টাইম সাপোর্ট এবং মেন্টরশিপ।

# সবার ব্যক্তিগত কম্পিউটার থাকতে হবে।
# রেজিস্ট্রেশন ফী ২০০ টাকা ।
# শর্ত প্রযোজ্য ।
# আসন সীমিত।

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ
https://goo.gl/forms/v3iGtYEtZ4jUEXF43

IT Vanilla আয়োজন করতে যাচ্ছে একটি যুগান্তকারী প্রোগ্রাম। আগামি ১ বছরের মধ্যে ফ্রী প্রশিক্ষন দিয়ে, দিনাজপুর থেকে আমরা ১০০০ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করতে চাই।

যারা ছয় মাসের প্রশিক্ষন নিয়ে (৩মাস ক্লাস+৩ মাস ইন্টার্ন শিপ) দৈনিক ৩-৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে মাসিক ১০০-৫০০ ডলার ইনকাম করার যোগ্যতা অর্জন করবে।

ইনকাম না আসা পর্যন্ত থাকবে লাইফ টাইম সাপোর্ট এবং মেন্টরশিপ।

# সবার ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবস্থা থাকতে হবে।
# রেজিস্ট্রেশন ফী ২০০ টাকা ।
# শর্ত প্রযোজ্য ।
# আসন সীমিত।

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ
https://goo.gl/forms/v3iGtYEtZ4jUEXF43

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
অফিস: হেমায়েত আলী হল রোড, মুন্সিপাড়া দিনাজপুর
ফোন: 01723856879, 01740485393

25/02/2018

দিনাজপুর শহরে খুব সহজে চাকরি, টিউশনি, ভাড়া বাসা, অফিস, দোকানঘর, শো-রুম খুজুন খুব সহজে। dinajpurstore.com দিনাজপুরের প্রথম ও একমাত্র ক্লাসিফাইড ডিরেক্টরি ওয়েবসাইট।

দিনাজপুরের প্রথম ও একমাত্র ডিরেক্টরি ওয়েবসাইট। http://dinajpurstore.com

27/03/2016

Timeline Photos

22/01/2016

কৃষিক্ষেত্রে অর্গানিক পেস্টিসাইড

কৃষিক্ষেত্রে পোকামাকড়, রোগজীবাণু, আগাছা, ছত্রাক ইত্যাদিকে বিনাশ করার জন্য ডিডিটি, এলড্রিন, ক্লোরডেন, হেপ্টাক্লোর, টক্সাফিন, আনসার ইত্যাদি ওষুধ পৃথিবীর সব দেশেই ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব রাসায়নিক দ্রব্যাদি আজকাল মানুষের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তাদের শরীরে স্বাভাবিক ব্যক্তির তুলনায় আড়াই গুণ বেশি ডিডিটি থাকে। অনেকে ধারণা করেছেন, এর উপস্থিতিই ক্যান্সার হওয়ার একমাত্র কারণ। অপরিকল্পিতভাবে কীটনাশক ব্যবহার করায় ফসলের জমিতে নতুন নতুন শক্তিশালী পোকার জন্ম হচ্ছে। অনেক পোকামাকড়ের শরীরে কীটনাশকের বিষক্রিয়া অকার্যকর। উপরন্তু বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় জলজ প্রাণীসহ পরিবেশ অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ১৯৫৪ সালে বাংলাদেশে ৩ মেট্রিক টন কীটনাশক আমদানি হতো, এখন বছরে ২৩০ গুণ বেশি কীটনাশক সরকারিভাবে আমদানি হচ্ছে। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে বালাইনাশক আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন। টাকার পরিমাণে যা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৩ সালে কৃষি খাতে বালাইনাশকের ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ২৩০ শতাংশ।
দেশে প্রতি বছর পোকামাকড় দমনে প্রায় ৭ হাজার টন বিভিন্ন ক্ষতিকর কীটনাশক ফসলি জমিতে মিশছে। কোনো নিয়মনীতি ছাড়াই ইচ্ছামতো কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ধ্বংস হচ্ছে মাটির উপকারী জীবাণুও। এখন সময় এসেছে জমিতে অর্গানিক পেস্টিসাইড বিশেষ করে প্রাকৃতিক নির্যাস ব্যবহার করে রোগ ও পোকা দমন করার। গবেষণায় দেখা গেছে, উৎপাদিত ফসল ২৮৩টি মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়। এসব রোগের কারণেই উৎপাদিত মোট ফসলের ৩০ শতাংশই নষ্ট হয়ে যায়। অপরদিকে পৃথিবীর প্রাণীকুলের প্রায় ৮৫ শতাংশই কীটপতঙ্গ। এ থেকেই প্রমাণিত হয়, রোগ ও পোকামাকড় দমন ফসল উৎপাদনের কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব উদ্ভিদে ওষুধ প্রস্তুত করা হয়, সেসব উদ্ভিদকে ভেষজ উদ্ভিদ বলা হয়। ভেষজ উদ্ভিদের গুণাগুণ নির্ভর করে সে উদ্ভিদে অবস্থিত অ্যালকায়েড বা উপক্ষারের ওপর। উপক্ষার হলো ভেষজ উদ্ভিদে অবস্থিত নাইট্রোজেনঘটিত জৈব রাসায়নিক পদার্থ। বিভিন্ন গাছের ছাল, পাতা, বীজ ইত্যাদি খাদ্যশস্যের সঙ্গে মিশিয়ে কীটপতঙ্গের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রাচীন পদ্ধতি এখনো অনেক দেশে বিদ্যমান। এসব গাছের অংশবিশেষ কীটপতঙ্গের উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য সংরক্ষিত খাদ্যশস্যে মিশানো হয়ে থাকে। এ ছাড়া ল্যান্টানা, বিষকাটালী এবং নিশিন্দা পাতাও প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ইতিমধ্যে নিম বীজ প্রাকৃতিক কীটনাশক ওষুধ হিসেবে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে এবং ভারতে এর সাহায্যে প্রস্তুত নিমবিন, নিমবিনিন এবং নিমবিডিন নামে তিনটি কার্যকর কীটনাশক ওষুধ বাজারে বিক্রি হচ্ছে। আমাদের দেশেও নিমবিসিডিন নামে কার্যকর কীটনাশক বাজারে প্রচলিত আছে।
কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য অর্গানিক পেস্টিসাইড হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিকর্ষক হিসেবে গো-চোনার ব্যবহার আশার আলো জাগিয়েছে। চন্দ্রমল্লিকা ফুল থেকে পাইরিথ্রিন ইনসেক্টিসাইড তৈরি করা হয় যা সিনথেটিক পাইরিথ্রয়েড ইনসেক্টিসাইড হিসেবে বাজারে আছে। ভুট্টা এবং অন্যান্য ফসলের উইভিল, এফিড এবং ক্যাটারপিলার প্রতিরোধে ভেরেন্ডার তেল পানির সঙ্গে মিশিয়ে স্প্রে করলে কার্যকর ভূমিকা রাখে। উল্লেখ্য, ভেরেন্ডার খইলে রিসিন নামক বিষাক্ত পদার্থ বিদ্যমান যা পোকা দমনে কার্যকর। ইতিমধ্যে কাজুবাদামের নির্যাস মশার লার্ভার ওপর স্প্রে করে সফলতা পাওয়া গেছে। সম্প্রতি বীজবাহিত রোগ দমনে বীজ শোধনের জন্য অ্যালামান্ডা ট্যাবলেট আবিষ্কৃত হয়েছে। অনুরূপভাবে, মেহগনির নির্যাস, তামাকের গুঁড়া ও কা-ের রস, পাটের কা-ের ডাস্ট বা কা-ের নির্যাস ইত্যাদি প্রাকৃতিক নির্যাস ধান, গম এবং অন্যান্য ফসলে প্রয়োগে পোকামাকড় দমনে কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া গেছে। আগে বাংলাদেশে প্রতি হেক্টর জমিতে ৪৪ কেজি হারে কীটনাশক ব্যবহার করা হতো, ুবর্তমানে তা বেড়ে ২৫০ কেজিতে এসে দাঁড়িয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন কীটনাশক ব্যবহার করতে গিয়ে দেশের অধিকাংশ কৃষক ও কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ নানা ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর এ ধরনের চিকিৎসায় দেশের কৃষকদের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। তাই পরিবেশের বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা এবং আর্থিক অপচয় রোধে অর্গানিক পেস্টিসাইড ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ও গণমাধ্যমের পাশাপাশি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে।

21/01/2016

ডাবর হানির প্রতি কেজিতে ৯১ দশমিক ৩ মাইক্রোগ্রাম অক্সিটেট্রাসাইক্লিন পাওয়া যায়, যা নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে নয়গুণ বেশি। আরও পাওয়া যায় অ্যামপ্লিসিন ও এনরোফ্লোক্সাসিন, যা খাদ্যদ্রব্যে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ আবিষ্কারের পর ইউরোপের ২৭টি দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ডাবর হানিসহ সব প্রক্রিয়াজাত ভারতীয় মধু রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
কেন মধুতে এসব রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়- এমন প্রশ্নের উত্তরে গবেষণায় জানানো হয়, বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালনের সময় মৌমাছিকে রোগমুক্ত রাখার জন্য ও অধিক মধু পাওয়ার লোভে প্রভাবক হিসেবে এসব অ্যান্টিবায়োটিকব্যবহার করে কোম্পানিগুলো। মানুষের শরীরে ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধে অ্যান্টিবায়োটিকএকটি জনপ্রিয় ওষুধ, কিন্তু একইসঙ্গে অত্যন্ত সংবেদনশীলও বটে। তাই ডাক্তারের পরামর্শে পরিমিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিকব্যবহার করতে হয়। অ্যান্টিবায়োটিকের সামান্য রকমফের রক্তের ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে। ক্ষতি করতে পারে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার। এমনকি পরবর্তীতে প্রয়োজনের সময় শরীর প্রকৃত অ্যান্টিবায়োটিকগ্রহণের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে।
কিন্তু মধুতে এসব অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব ষোলআনাই থেকে যায়। ফলে যেমন একদিকে মধুর পুষ্টিগুণ ক্ষুণ্ণ হয়, আরেকদিকে মধুকে প্রাকৃতিক খাদ্যের বদলে ঝুঁকিপূর্ণ এক কৃত্রিম রাসায়নিকে পরিণত করে।
নিজের অজান্তেই ভোক্তারা এসব প্রক্রিয়াজাত মধুর মাধ্যমে দিনের পর দিন মাত্রাহীন অ্যান্টিবায়োটিকগ্রহণ করছেন, যা হৃদরোগ, রক্তের ভারসাম্য নষ্ট করাসহ তৈরি করতে পারে ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগ। ডাবর হানির অতিরিক্ত অক্সিটেট্রাসাইক্লিন রক্ত ও লিভারের বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণ হতে পারে। মধুতে অ্যান্টিবায়োটিকআবিষ্কারের এই চাঞ্চল্যকর তথ্যের পর সিএসইর প্রধান সুনিতা নারায়ণ জানান, উন্নত দেশগুলোয় নিষিদ্ধ হলেও ভারতে মধু প্রক্রিয়াজাত নিয়ে পর্যাপ্ত আইন না থাকার কারণেই এর সুযোগে অবৈধ উপাদান ও ভুল স্লোগান ব্যবহার করে মানুষকে ক্ষতিকর মধু সেবন করাচ্ছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো।এর ফলে লিউকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগের ঝুঁকি থাকে।
ভারতের মতোই বাংলাদেশেও মধু নিয়ে পর্যাপ্ত সচেতনতা না থাকায় এর সুযোগ নিয়েছে ডাবর হানির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো।উন্নত দেশগুলোয় নিষিদ্ধ হওয়ায় তুলনামূলক দরিদ্র দেশগুলোর জনগণের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে ও ভুল স্লোগান দিয়ে ব্যবসা প্রসারিত করছে। এবং যেহেতু বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের মনেই মধু নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ধারণা রয়েছে, তাই সহজেই তারা চটকদারি বিজ্ঞাপনে ভুলিয়ে তাদের কৃত্রিম মধু সেবনে অভ্যস্ত করে ফেলছে।
অথচ এ দেশেই একসময় খাঁটি মধুর জয়জয়কার ছিল। মৌচাক থেকে সংগ্রহ করা খাঁটি মধু সামান্য জ্বাল দিলেই চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা হতো খাওয়ার জন্য। এ মধুর পুষ্টিগুণ যেমন অক্ষুণ্য, তেমনই কৃত্রিমতা বর্জিত। মধু এমনিতেই প্রাকৃতিকভাবে প্রায় পরিপূর্ণ একটি খাদ্য, একে নতুন করে প্রক্রিয়াজাত করার কিছু নেই। বরং প্রক্রিয়াজাত করলে কমে যেতে পারে মধুর অনেক পুষ্টিগুণ, লোপ পেতে পারে প্রাকৃতিক গুণ।
বাজার থেকে মধু কেনার সময় তাই সতর্ক থাকুন। শুধু ডাবর মধু নয়, যে কোনো প্রক্রিয়াজাত মধুতেই ভেজাল থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে আপনার ঘরে বসেই চাইলে যাচাই করতে পারেন কোন মধু খাঁটি আর কোন মধু ভেজাল। যেমন- খাঁটি মধু রেফ্রিজারেটরে রাখলে জমে না, ভেজাল মধু জমে যাবে কিংবা কালচে তলানি পড়বে। পিঁপড়া খাঁটি মধু এড়িয়ে চলে, কিন্তু কৃত্রিম মধুর প্রতি আকৃষ্ট হয়। কিংবা শুধু পানির সাহায্যেই মধু খাঁটি কিনা তা পরীক্ষা করতে পারেন। একটি গ্লাসে পানি নিয়ে তাতে এক টেবিল চামচ মধু দিন। এরপর গ্লাসটি নাড়তে থাকুন। মধু পুরোপুরি মিশে গেলে তা ভেজাল মধু, আর ছোট ছোট কণা বা পি-ের আকার ধারণ করলে তা খাঁটি মধু। এছাড়া খাঁটি মধুর স্বাদ নিয়েছেন, এমন যে কেউই খাঁটি মধু ও কৃত্রিম মধুর স্বাদ মুহূর্তে আলাদা করতে পারবেন।
এক কৌটো ডাবর মধু ফ্রিজে রাখুন। মাসখানেক অপেক্ষা করুন, দেখতে পাবেন মধুর নিচে চিনির সিরকার মতো আস্তরণ পড়েছে কিংবা কালচে তলানি পড়েছে। যার থেকে এর ধোঁকাবাজির হাতেনাতে প্রমাণ পাবেন।

21/01/2016

জৈব কৃষি পণ্যের মানদণ্ড নির্ধারণ, জাতীয় মান অনুমোদন, উৎপাদিত ফসলের সনদপত্রে সহযোগিতা, বাজার সৃষ্টিসহ নানা বিষয় নিয়ে জাতীয় জৈব কৃষি নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। চলতি বছরেই এ নীতিমালা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিমালাটি প্রণীত হলে অসাধু উপায়ে নিজেদের নামে কেউ জৈবপণ্য বাজারে বিক্রি করতে পারবে না। আর এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা কৃষকেরা উৎসাহ পাবেন। বিদেশে জৈব কৃষি পণ্যের বাজারও সৃষ্টি হবে। এতে জৈব কৃষির প্রসার ঘটবে উল্লেখযোগ্যভাবে।

এ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সম্প্রসারণ শাখা) রাশেদা আকতার বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের দেশে এখন জৈব কৃষি পণ্যের চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। এছাড়া অনেকেই এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে পণ্য বাজারজাত শুরু করে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে একটি নীতিমালা থাকলে সবার জন্য সহায়ক হবে। এসব লক্ষ্যে নিয়েই জৈব কৃষি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

তিনি জানান, জৈব কৃষিতে বাংলাদেশে অনেক ভালো সম্ভাবনা আছে। জৈব কৃষি নীতিমালা তৈরির বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সদস্য সচিব হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।

জৈব কৃষি নীতিমালা খসড়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠক সূত্র জানায়, জাতীয় জৈব কৃষি নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো- সয়েল ফ্লোরা ও ফনার কার্যকারিতা ত্বরান্বিত করে মৃত্তিকা উর্বরতা বজায় রাখা, জৈব ফার্মিং’র উপযোগী অঞ্চল ও ফসল শনাক্ত, ফসলভিত্তিক জৈব কৃষি তাত্ত্বিক উৎপাদন পদ্ধতি উদ্ভাবন, জৈব-বীজ’র সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত, জৈব-কৃষির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ট্র্যাডিশনাল ও ইনডিজেনাস জ্ঞান শনাক্তকরণ ও উৎপাদন কার্যক্রমে সমন্বয় ঘটানো, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার মাধ্যমে জৈব-কৃষি সম্পর্কিত সচেতনতা সৃষ্টি করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা।

এছাড়া, গুণগত মানের জৈব-উপকরণ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত, জৈব-কৃষির মানদণ্ড নির্ধারণ, জৈব পণ্যের গুণগত মান রক্ষণাবেক্ষণে জাতীয় মান অনুমোদন নীতি প্রণয়ন, জৈব কৃষির উৎপন্ন দ্রব্যের সার্টিফিকেশনে সহযোগিতা, বাজার সৃষ্টি এবং গুণগত মানসম্পন্ন জৈব-কৃষি দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকদের অধিকতর আয়ের পথ সুগম করে তাদের জীবনমান উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয় নীতিমালায় স্থান পাবে।

আর নীতিমালার বিষয়গুলো মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নেরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৈঠক সংশ্লিষ্টরা জানান, অধিক হারে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের কারণে জনস্বাস্থ্য ও কৃষি পরিবেশের ওপর অনেক বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ থেকে মুক্তি পেতে জৈব কৃষির গুরুত্ব অনেক বেশি।

বর্হিবিশ্বের উদাহরণ টেনে সংশ্লিষ্টরা বলেন, ১৯৯৫ সালে বিশ্বে জৈব কৃষির আওতায় মোট জমি ছিল ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন হেক্টর, যা ২০১৩ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ১ মিলিয়ন হেক্টরে। আর বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল পাঁচ বিলিয়ন ডলার, যা বেড়ে ৭২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

এছাড়া, বর্তমানে বিশ্বের ১৭০টি দেশে জৈব চাষাবাদ পদ্ধতি প্রচলিত আছে। এরমধ্যে ৮২টি দেশে জৈব নীতি ও জৈব মানদণ্ড অনুসরণ করে চাষাবাদ হচ্ছে। আর ১৬টি দেশে খসড়া পর্যায়ে রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদী টেকসই কৃষি, বাণিজ্যের প্রসারতায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে এই জৈব কৃষি নীতিমালাটি। বাংলাদেশ জৈব-কৃষিনীতি করতে পারলে বিশ্ব বাণিজ্যেও অনেক বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে।

জৈব কৃষির ক্ষেত্র হিসেবে নীতিমালায় (খসড়া) উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে পরিচালনার জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমির উর্বরতা সংরক্ষণ, রোগ ও পোকা দমনে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি গ্রহণ, জৈবিক ও যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আগাছা দমন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটউট (বারি) এর কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. খুরশিদ আলম এ বিষয়ে বাংলানিউজকে বলেন, জৈব-কৃষি পণ্যের চাহিদার কথা ভেবে অনেকেই অনিয়ন্ত্রিতভাবে উৎপাদন করে জৈব পণ্য হিসেবে বাজারে বিক্রি চালাচ্ছে। এতে প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তারা। নীতিমালাটি হলে এভাবে প্রতারিত করার সুযোগ থাকবে না।

এছাড়া, সঠিক পদ্ধতিতে উৎপাদনকারীরা প্রয়োজনীয় প্রণোদনা ও সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ কারণে জৈব কৃষি নীতি প্রণয়ন খুবই দরকার বলে মনে করেন ড. খুরশিদ আলম।

নভেম্বর ০৫, ২০১৫

23/12/2015

টবে করেন আলু চাষ
আলু খান বারোমাস।

গাছের জায়গায় গাছ থাকলো
শুধু আলু তুলে নিবেন নিচ দিয়ে
ফল পারার মতো।
ডিমপারা মুরগিও ভাবতে পারেন

20/12/2015

টাকা দিয়ে বিষ কিনতে চাই না

জীবন ধারনের জন্য খাদ্য একটি অপরিহার্য উপাদান। মানুষ না খেয়ে থাকতে পারে না । কিন্তু কি আর করার সবাই টাকা দিয়ে মৃত্যু কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
আগে বলা হতো কিসে ফরমালিন আছে । কি কি খাওয়া যাবে না । এখন পরিস্হিতি উল্টো ।এখন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে কিসে নেই ফরমালিন।
বাজার থেকে আপেল,আঙ্গুর,মালটা,আম,কলা, খেজুর,পেপে,আনারস ইত্যাদি ফল নয় টাকা দিয়ে আপনি বিষ কিনবেন। কারণ এই সমস্ত ফল-এ মেশানো হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বাইট, কীটনাশক,ইথেফেন,ফরমালিন, কৃএিম ক্রমবৃদ্ধি নিয়ামক । কিসে নেই ফরমালিন । মাছে ও টমেটো ফরমালিন , শুটকিতে ডিডিটি ব্যবহার করা হচ্ছে । মিষ্টিতে কাপড়ের রং,আলকাতরা, কৃএিম মিষ্টিদায়ক ব্যবহার করা হচ্ছে । এমন কি মুড়ি ও চিঁড়াতে রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদিত প্যাকেট জাত খাদ্য যেমন ফলের রস , স্ন্যাক্সফুড , জ্যাম, জেলি,আচার-চাটনিতে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রং ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সেমাই ও নুডুলসে ফরমালিন ব্যবহার করা হচ্ছে । এমন কি চালেও ব্যবহার করা হচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান । বরফের মধ্যেও দেওয়া হচ্ছে ফরমালিন। এতে করে বরফের মধ্যে রাখা মাছে আলাদা করে ফরমালিন দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।

ফরমালিন হচ্ছে রাসায়নিক উপাদান ফরমালডিহাইডের জলীয় মিশ্রন। এতে মিথানল ও থাকে। মূলত ব্যাকটেরিয়া সংক্রামণের প্রতিরোধক হিসেবে ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ক্যালসিয়াম কার্বনেট,ইথেফেন,কাপড়ের রং, কীটনাশক হিসেবে এন্ড্রিন,ডিডিটি, হেপ্টেক্লোর ও কৃতিম সমবৃদ্ধি হাইব্রিড ব্যবহার হচ্ছে।

রাসায়নিক মিশ্রিত ভেজাল মাছ,ফল,মাংস এবং দুধে ফরমালিন প্রয়োগের ফলে ক্যান্সার, হাঁপানি, চর্মরোগ,ফরমালডিহাইড গ্যাস ব্যবহারেও ব্রঙ্কাইটিস ও নিউমোনিয়া হচরছে।ফরমালিন যুক্ত খাবার পাকস্থলিতে প্রদাহ,লিভার পচে যাওয়া,লিভারের ক্ষতি,রক্ত সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া,অন্ধ হয়ে যাওয়া ,অস্তিমজ্জা জমে যাওয়া,যা গ্যাস্টিক ও পরবর্তীতে ক্যান্সার এর কারণ হয়ে দাড়ায়। কার্বাইট দিয়ে পাকানো ফল নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করে, কার্বাইট থেকে উৎপন্ন অ্যাসিটিলিন মস্তিষ্কে অক্সিজেন হ্রাস করে এতে তীব্র পর্যায়ে মাথা ব্যাথা,ঘূর্নিরোগ,মাথা ঘোরা এমন কি কোমার কারন হতে পারে ।দীর্ঘ মেয়াদে মেজাজ খিটখিটে ও স্মরণশক্তি ক্ষতি করে।

দেশে সাধারন আইনে খাদ্যে বিষ ও ভেজাল অপরাধ করলেও এটা এখন হয়ে গেছে সাধারন ঘটনা। অপরাধের মাত্রা এত বেড়েছে যে তা নিয়মে পরিনত হয়েছে।সরকার ও বেসরকারি কিছু সংগঠন এ নিয়ে তৎপরতা চালালেও পরিস্হিতির তেমন কোন উন্নতি নেই।কিন্তু ফরমালিন আক্রান্ত ভুক্তভোগীরা চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে।আর রাষ্টকে স্বাস্হ্য খাতের বরাদ্দ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টার কন্টিনেন্টাল মার্কেটিং সার্ভিসের গবেষণায় দেখা গেছে-বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্খা হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিরোধের ঔষধের বাজার প্রতি বছর শতকরা ২০ ভাগ হারে বাড়ছে।
বাংলাদেশে ফরমালিন আমদানি হয় শিল্পখাতে ব্যবহার ও পরিক্ষার জন্য । যেমন চামড়া, টেক্সটাইল ,মেলামাইন, ল্যাব্ররেটারি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ,কাঠ ও প্লাইউড শিল্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফরমালিন ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া এগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্টি , সায়েন্টিফিক ল্যাব , ঔষধ কোম্পানি, ভ্যারাইটিজ কনজিউমার প্রডাক্ট, ট্রডিং কোম্পানিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফরমালিন ব্যবহার হয়ে থাকে। খাদ্য উৎপাদনে কীটনাশক কি পরিমাণ ব্যবহার করা যাবে বাধ্যবাধকতা থাকে।তার কিছু নির্দেশনা থাকে ।কিন্তু সেগুলো মানা হচ্ছে না।

দেশে শিল্পখাতে ফরমালিনের চাহিদা ৪০ থেকে ৫০ টন । কিন্তু গত বছরে ২০৫ টন । ফরমালিন আমদানি হয়েছে যা চাহিদার তুলনায় চার গুন বেশি । এর আগের বছর ৫০০ টন আর আগের বছর ৩০০ টন ।বর্তমানে সরকারের কড়াকড়ির কারণে অবৈধ পথে ফরমালিন আমদানি বেড়ে গেছে।

19/12/2015

Shykh Seraj

যুক্তরাজ্যের মিডল্যান্ডের ট্যামোথে অবস্থিত সায়মন ক্লার্কের বিখ্যাত ফলের খামার মেনর ফার্ম ফ্রুটস। ২০১২ সালে পোকার মহামারি আক্রমণে যে খামারটির ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো, রুসেল আইপিএম এর জৈব কীট ও বালাইনাশক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সে খামারটি শুধু উঠেই দাঁড়ায়নি, জৈব পদ্ধতি ব্যবহারে গড়েছে আরেক সাফল্যের নজির। প্রতিবেদন দেখুন আজ (১৯ ডিসেম্বর, ২০১৫) শনিবার রাত ৯:৪০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ের হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানে।

ছবিতে সায়মন ক্লার্কের সাথে।

17/12/2015

খাদ্যের বিষ ও বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য-৭ (শেষ পর্ব)

জনগণের খাদ্য, পুষ্টি ও বৈচিত্র্যময় চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা এবং তা সর্বজনের কাছে সুলভ করা। কিন্তু কৃষি ও খাদ্যের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিকীকরণ ও মুনাফামুখী তৎপরতা একদিকে উৎপাদনক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করেছে, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করে দীর্ঘ মেয়াদে তা সুষম খাদ্য উৎপাদন অনিশ্চিত ও নাজুক করে তুলেছে। পাশাপাশি বিনা বিচারে গোষ্ঠীস্বার্থে ‘উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে কৃষিজমি, মাটির ওপরের ও নিচের পানিসম্পদ, প্রাণবৈচিত্র্য অপূরণীয় ক্ষতির মুখে। বর্তমান ‘উন্নয়ন’নীতি এসব বিষয় বিবেচনায় নিতে অক্ষম ও অনিচ্ছুক।

আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

16/12/2015

খাদ্যের বিষ ও বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য-৬

বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন এখন প্রায় পুরোপুরি রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও যান্ত্রিক সেচনির্ভর। ধান, ফল, সবজি, মাছ, ডিম, মুরগি—সবকিছুরই উৎপাদন বেড়েছে, আকর্ষণীয় চেহারায় সেগুলো বাজারে উপস্থিত হচ্ছে; কিন্তু এর প্রায় সবই নানা মাত্রায় বিষ বহনকারী। নকল, বিষাক্ত রং ও ভেজাল কারখানা এখন বড় বিনিয়োগের ক্ষেত্র। গ্রামের হাটবাজার এসব বিষের মোহনীয় বিজ্ঞাপনে ভরা। খাবারের জৌলুশ বাড়ছে, বিশ্বজোড়া মুনাফা ও বাজারও সম্প্রসারিত হচ্ছে। জিডিপি বাড়ছে। অন্যদিকে, খাদ্যনিরাপত্তার মৌলিক শর্ত নিরাপদ খাদ্য বিপন্ন, নতুন নতুন হুমকির মুখে অরক্ষিত মানুষ। এসবের মধ্য দিয়ে মানুষের বিশুদ্ধ পানির অধিকার সংকুচিত হচ্ছে, সম্প্রসারিত হচ্ছে বোতল পানির বাণিজ্য। কোমল পানীয়সহ নানা ধরনের ক্ষতিকর ‘শক্তিবর্ধক’ পানীয়তে বাজার সয়লাব। ভারতে একদল বিজ্ঞানী কোমল পানীয়তে বিষাক্ত উপাদান আবিষ্কার করার পর কোথাও কোথাও তার বিক্রি কমলেও বিজ্ঞাপনের জোরে সেগুলোর প্রতাপ এখনো অক্ষুণ্ন রয়েছে। বাংলাদেশে এগুলোর সঙ্গে যোগ হয়েছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের তথাকথিত ‘শক্তিবর্ধক’ পানীয়।

আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

15/12/2015

খাদ্যের বিষ ও বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য-৫

সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোয় ভর্তুকি দিয়ে বাজার ঠিক রাখার জন্য জমি পতিত রাখা, দুধ সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার বহু ঘটনা আছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন দুর্বল দেশে খাদ্য-সংকটের সুযোগে, পিএল ৪৮০-এর অধীনে খাদ্য‘সাহায্য’ তাদের আধিপত্য বিস্তারের একটি অস্ত্র হিসেবে বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করা হয়েছে। ষাটের দশক থেকে লাতিন আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে উন্নয়নের নামে বহুজাতিক সংস্থাগুলো খাদ্য আবাদের জমিতে রপ্তানিমুখী বৃক্ষরোপণ করেছে; রপ্তানিমুখী কোকো, কফি, কলার বাণিজ্যিক উৎপাদনেই তাদের প্রধান আগ্রহ। ফলে এসব অঞ্চলে খাদ্যঘাটতি ও খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে। আফগানিস্তান থেকে বিশ্ব চাহিদার শতকরা ৭০ ভাগ হেরোইন সরবরাহ হয়, অথচ সেখানে শতকরা ৭৫ ভাগ মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। কলম্বিয়ায় কফি উৎপাদন হচ্ছে শতকরা প্রায় ২৬ ভাগ আবাদি জমিতে। সেখানে দারিদ্র্য, সামরিকীকরণ, সহিংসতা পাশাপাশি সহাবস্থান করছে। ভারতে জিএম বীজ ব্যবহার করতে গিয়ে কৃষকের আত্মহত্যার হার বেড়েছে।
রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও যান্ত্রিক সেচের প্রসার প্রাথমিকভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি করলেও এর বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য হ্রাস পেয়েছে; এখানকার প্রাণপ্রকৃতির সঙ্গে মানানসই অনেক খাদ্য ও মৎস্য উৎপাদনে বিপর্যয় ঘটেছে। ভূগর্ভস্থ পানি নির্বিচারে ক্রমাগত টেনে তোলায় ভূগর্ভে ভারসাম্য অনেকখানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর এক মহাবিপর্যয়কারী ফল হলো আর্সেনিক। বহু বছর যে টিউবওয়েলকে নিরাপদ পানির উপায় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, এবং দাবি করা হয়েছে বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ জন মানুষ নিরাপদ পানি পান করছে, সেই টিউবওয়েলগুলোর একটি বড় অংশ এখন আর্সেনিকযুক্ত পানির প্রবাহের মাধ্যম। বাংলাদেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ এখন আর্সেনিক বিষের হুমকির মুখে। বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যনীতি এই সামগ্রিক বিষয়গুলো বিবেচনায় নেয়নি। কেননা, এসব নীতি প্রণয়নে বহুজাতিক পুঁজির যত প্রভাব, তার একাংশও কৃষক বা সর্বজনের নেই।

আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

14/12/2015

খাদ্যের বিষ ও বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য-৪

একচেটিয়া প্রভাবের কারণেই এসব ‘উন্নয়ন’সামগ্রী ব্যবহারে সামাজিক, পরিবেশগত ও উৎপাদনগত ক্ষতি নিয়ে বিস্তৃত কোনো সমীক্ষা হয় না। আংশিক সমীক্ষায় দেখা যায়, এসব সামগ্রীর প্রভাবে বিশ্বে ৪০০টি মৃত্যু অঞ্চল তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখিয়েছেন যে গত ৫০ বছরে বাজারমুখী উৎপাদন বৃদ্ধির উন্মাদনায় রাসায়নিক সার, সেচ, কীটনাশক ব্যবহার বাড়ার ফলে বিশ্বের শতকরা প্রায় ৪০ ভাগ আবাদি জমির উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় খর্ব হয়েছে। স্বাদু পানির স্বাভাবিক মাছ উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যাপকভাবে। জমির লবণাক্ততা বৃদ্ধিও এর একটি ফল। যান্ত্রিক সেচের আওতায় বিশ্বের যত জমি আছে, তার শতকরা প্রায় ২০ ভাগ এখন লবণাক্ততার শিকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবছর কৃষিশ্রমিকদের মধ্যে প্রায় আড়াই কোটি এবং এর বাইরেও কমপক্ষে ৩০ লাখ মানুষ কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং কমপক্ষে দুই লাখ মানুষ এর কারণে মৃত্যুবরণ করে।

আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

13/12/2015

খাদ্যের বিষ ও বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য-৩

এই বাণিজ্যে নিয়োজিত বৃহৎ বহুজাতিক সংস্থাগুলো ৯০ দশক থেকে একের পর এক একীভূত হয়ে আরও বড় আকার ধারণ করছে এবং এই বাণিজ্য ক্রমেই অধিকতর একক আধিপত্যের মধ্যে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। যেমন সিবা ও স্যানডোজ মিলে নোভারটিস আবার জেনেসের সঙ্গে মিলে সিনজেন্টা। হোয়েকস্ট ও শিরিং মিলে অ্যাগ্রেভো এবং রোন পোলেনকের সঙ্গে মিলে গঠন করেছে অ্যাভেনটিস। কৃষিবাণিজ্যে সিনজেন্টা ও মনসান্টোই এখন শীর্ষে।
কয়েক দশক আগে কৃষি রাসায়নিক বাজারের সে রকম কোনো অস্তিত্বই ছিল না। সেটি এখন কমপক্ষে ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিশ্ববাণিজ্য। কৃষি রাসায়নিক দ্রব্যাদি, বিশেষ করে কীটনাশক ওষুধের ক্ষেত্রে বিশ্ব উৎপাদন ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করে বড় ১০টি কোম্পানি। এর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে আছে বেয়ার (জার্মানি): ১৯ ভাগ ও সিনজেন্টা (সুইজারল্যান্ড): ১৯ ভাগ। এরপর যথাক্রমে আছে বিএএসএফ (জার্মানি), ডো অ্যাগ্রো সায়েন্সেস (যুক্তরাষ্ট্র), মনসান্টো (যুক্তরাষ্ট্র), ডুপন্ট (যুক্তরাষ্ট্র), মাখতাশিম আগান (ইসরায়েল), নুফার্ম (অস্ট্রেলিয়া), সুমিতোমো কেমিক্যাল (জাপান), আরিস্টা লাইফ সায়েন্স (জাপান)। এদের বিশ্ববাণিজ্যের পরিমাণ এখন ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। রাসায়নিক সারের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছেই। এর বড় অংশই গেছে ‘গরিব’ দেশগুলোয়। সারের দামও বেড়েছে। ২০০৭-৮ সময়ে সারের দাম আট গুণ পর্যন্ত বেড়েছিল। সারবাণিজ্যে বড় কোম্পানিগুলো হলো পটাশকর্প (কানাডা), ইয়ারা (নরওয়ে), মোজাইক-কারগিল (যুক্তরাষ্ট্র), ইসরায়েল কেমিক্যালস (ইসরায়েল), অ্যাগ্রিয়াম (কানাডা), কে+এস গ্রুপ (জার্মানি)।

আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

12/12/2015

খাদ্যের বিষ ও বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য-২

খাদ্যের বিষগত ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশে বিটি বেগুন নামের জিএম বীজে উৎপাদনের সাফল্য বর্ণনা করতে সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছিল। সেখানে যে কৃষকদের জড়ো করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কথা বলেছেন খুবই কম৷ যতজন বলেছেন, তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠ জানিয়েছেন, এই বিটি বেগুন তাঁদের গছিয়ে দেওয়া হয়েছিল উচ্চ ফলনের কথা বলে, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের সর্বনাশ হয়েছে। তাঁরা এর জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে কৃষিমন্ত্রী কয়েকটি অঞ্চলে বিটি বেগুনের চারা বিতরণ করেন। বহু দেশে এ ধরনের বীজ নিষিদ্ধ হলেও বাংলাদেশ সরকার কেন এত উৎসাহী, সেটা অবশ্যই এক বড় প্রশ্ন। বলা দরকার যে এই উৎসাহ আকস্মিক বা বিচ্ছিন্ন কিছু নয়।

আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

11/12/2015

খাদ্যের বিষ ও বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য -১

১৯৯৯ সালে গৃহীত বাংলাদেশের কৃষিনীতিতে প্রধান উদ্দেশ্যাবলির মধ্যে ‘জৈবপ্রযুক্তির প্রবর্তন, ব্যবহার ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম গ্রহণ’কে গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়ায় বীজ নিয়ে গত কয়েক বছরে অনেকগুলো বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে, যার আংশিক মাত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ধানবীজের ক্ষেত্রে এ ঘটনা ঘটেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। ফসল উৎপাদনের উচ্চ হারের লোভ দেখিয়ে বীজ বিক্রি করা হয়েছে, কিন্তু কৃষকদের পুরো মাঠের ফসল যখন এই বীজের কারণে মার খেয়েছে, তখন এর দায়দায়িত্ব কেউ নেয়নি—না সরকার না কোম্পানি। অথচ কোনো বিচার বা ফলাফল পর্যালোচনা না করে জিএম খাদ্য প্রচলন ও হাইব্রিড বীজের ওপর কৃষি ও কৃষককে নির্ভরশীল করে তোলার সর্বব্যাপী কার্যক্রমে ব্যাপক উৎসাহ ও সংঘবদ্ধ তৎপরতা চলছে।
জিএম খাদ্য ও হাইব্রিড বীজ বর্তমানে বহুজাতিক কৃষি ও খাদ্যবাণিজ্যের অন্যতম ক্ষেত্র। বিভিন্ন দেশে এর অনেকগুলোর ভয়াবহ ফলাফল প্রমাণিত, বিশ্বব্যাপী এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিস্তার লাভ করলেও মুনাফাকেন্দ্রিক তৎপরতায় নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশে এটি চালু করার চেষ্টা বরং বিস্তৃত হয়েছে। প্রায় এক দশক আগে সরকার এই বীজ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। ভিটামিন ‘এ’যুক্ত, কীটপতঙ্গরোধক, গরিবদের পুষ্টিবর্ধক ইত্যাদি নানা প্রচারণার মাধ্যমে জিএম বীজের আধিপত্য নিশ্চিত করার চেষ্টা চলেছে। কোম্পানি কর্তৃক কৃষকদের বীজের বাজার দখলের আয়োজন এখন অনেকখানি সফল। বীজ, সার ও কীটনাশকে একচেটিয়া আধিপত্য তৈরি হয়েছে হাতে গোনা কিছু বহুজাতিক কোম্পানির। নীতিনির্ধারকদের ওপর তাদের প্রভাবও তাই একচেটিয়া।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের বীজবাণিজ্যের শতকরা ৬৭ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করে বিশ্বের ১০টি বড় কোম্পানি। এগুলোর শীর্ষে আছে মনসান্টো (যুক্তরাষ্ট্র), এরপর যথাক্রমে আছে ডুপন্ট (যুক্তরাষ্ট্র), সিনজেন্টা (সুইজারল্যান্ড), গ্রুপ লিমাগ্রেইন (ফ্রান্স), ল্যান্ড ও লেকস (যুক্তরাষ্ট্র), কেডব্লিউএজি (জার্মানি), বায়ের ক্রপ সায়েন্স (জার্মানি), সাকাতা (জাপান), ডিএলএফ (ডেনমার্ক), তাকি (জাপান)। প্রথম দুটি যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিই নিয়ন্ত্রণ করে বিশ্ব বীজবাণিজ্যের শতকরা ৩৮ ভাগ। সিনজেন্টাসহ এই তিনটি কোম্পানি প্রায় অর্ধেক বীজবাণিজ্যের নিয়ন্ত্রক। এসব সংস্থার মধ্যে প্রতিযোগিতা আছে, কিন্তু প্রায়ই তাদের নিজেদের কার্টেল তৈরি হয়। এ রকম ঘটলে বাজারের প্রতিযোগিতার আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। বীজের সংকট, কৃষকনিয়ন্ত্রিত বীজের বিপর্যয়, খাদ্য-সংকট—সবই এসব সংস্থার জন্য সুখবর। কেননা, তাতে বাজারের বিস্তৃতি ও মুনাফার বৃদ্ধি সহজ হয়।

আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

10/12/2015

★ গলগল্ড রোগ হয় -- অায়োডিনের অভাবে।
★ মানবদেহ গঠনে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি --- অামিষের।
★ অায়োডিন বেশি থাকে -- সমুদ্রের মাছে।
★ কচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কচুতে অাছে -- ক্যালসিয়াম অক্সালেট।
★ রাতকানা রোগ হয় -- ভিটামিন এ এর অভাবে।
★ মুখে ও জিহবায় ঘা হয় -- ভিটামিন বি₂ এর অভাবে।
★ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন -- ভিটামিন বি ও সি
★ শিশুদের রিকেটাস রোগ হয় -- ভিটামিন ডি এর অভাবে।
★ মিষ্টি কুমড়া -- ভিটামিন জাতীয় খাদ্য।
★ মিষ্টি অালু -- শ্বেতস্বার জাতীয় খাদ্য।
★ শিমের বিচি -- অামিষ জাতীয় খাদ্য।
★ দুধে থাকে -- ল্যাকটিক এসিড।
★ অায়োডিনের অভাবে -- গলগন্ড রোগ হয়।
★ হেজ তৈরিতে ব্যবহৃত উদ্ভিদ -- করমচা
★ লেবুতে বেশি থেকে -- ভিটামিন সি
★ অামলকী, লেবু, পেয়ারা ভিটামিনের উৎস -- ভিটামিন সি।
★ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান -- দুধে।
★ রক্তশূন্যতা দেখা দেয় -- অায়রনের অভাবে।
★ দুধের রং সাদা হয় -- প্রোটিনের জন্য।

10/12/2015

ফেসবুক খুলে দেয়া হয়েছে


সরকার ফেসবুক খুলে দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে ফেসবুক খোলার কথা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ।

জুনাইদ আহমেদ বলেন, ফেসবুক খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য এখনো ডেস্কটপ ও কিছু মোবাইল ডিভাইস থেকে ফেসবুক দেখা যাচ্ছে না।
ফেসবুক খোলা প্রসঙ্গে জুনাইদ আহমেদ বলেন, ফেসবুক খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। দেশের তরুণদের কথা মাথায় রেখে তিনি ফেসবুক খুলে দিতে অনুরোধ করেন। দেশের তরুণের বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) ফ্রিল্যান্সিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণেরা ফেসবুক না থাকায় সমস্যায় পড়ছিলেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখে ফেসবুক খুলে দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুক খুলে দেওয়া হলেও সরকারের বন্ধ করা অন্যান্য অ্যাপস এখনো চালু হয়নি।
জুনাইদ আহমেদ বলেন, ফেসবুকভিত্তিক অপরাধ কার্যক্রমের বিষয়টি ভবিষ্যতে সতর্কতার সঙ্গে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ নভেম্বর বুধবার থেকে ফেসবুক-ভাইবার-হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের কয়েকটি মাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। দুটি আলাদা নির্দেশনায় এসব মাধ্যম বন্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
নিরাপত্তাজনিত কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে এ নির্দেশনা জারি করা হয় বলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা জানান। এতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে।
ওই দিন দুপুরে প্রথম নির্দেশনায় ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করার নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। পরে আরেকটি নির্দেশনায় লাইন, ট্যাংগো, হ্যাংআউটসহ আরও কয়েকটি মাধ্যম বন্ধের কথা জানানো হয়।

সূত্র ঃ ওয়েবসাইট।

09/12/2015

নতুন গবেষণায় দেখা গেছে কেম থেরাপির থেকে আদা ১০,০০০ গুণ বেশী কার্যকরী, আদা একমাত্র জৈব উপাদান যা কিনা ক্যান্সার এর কোষ ধ্বংস করতে পারে।

আদা এ দেশে খাবারের স্বাদ-গন্ধ বাড়াতে মসলা হিসেবে যেমন ব্যবহার হয়ে থাকে, তেমনি আদা চা-ও খুব জনপ্রিয়। তবে অন্যান্য দেশে আদার ব্যবহার আরও বিস্তৃত। আদার পানীয় থেকে শুরু করে রান্নার নানা পদে ব্যবহার হয় আদা।

আদা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আলেয়া মাওলার কাছে। তিনি বলেন, ‘খাবারে আদা ব্যবহার করলে স্বাদ-গন্ধ যেমন বাড়ে, সেই সঙ্গে খাদ্যের পুষ্টিমানও কিন্তু বেড়ে যায়। প্রতিরোধ এবং নিরাময়ে আদা প্রাচীনকাল থেকেই জনপ্রিয়। বর্তমান গবেষণায় সেগুলোই প্রমাণিত হয়েছে।’ এবার জেনে নেওয়া যাক আদার রোগপ্রতিরোধী গুণাগুণগুলোর কথা।

» শীতে প্রচুর শাকসবজি আর ফলমূল যেমন মেলে, তেমনি বাড়িতে বাড়িতে চলে পিঠাপুলির আয়োজন। তাই একটু বেশি খাওয়া হয়ে যেতেই পারে। আর খাওয়ার পরে হজমে গোলযোগ হলে আদা কিংবা আদা চা খেতে পারেন। দ্রুত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

» শীতকালে অনেকেরই শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এই শ্বাসকষ্টের বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ এক ক্ষমতা আছে আদায়।

» এ ছাড়া বুকে কফ জমে কিংবা ঠান্ডা লেগে যাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়, তাদের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ হলো আদা।

» এতে থাকা ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যামাইনো অ্যাসিড শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং হৃৎপিণ্ডকে কর্মক্ষম রাখে। এটি ধমনি থেকে অতিরিক্ত চর্বি সরিয়ে হার্টঅ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমিয়ে দিতে পারে।

» রক্ত সঞ্চালনের গতিকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে দিতে পারে এই মসলা। এর উপাদানগুলো পেশির কর্মদক্ষতা বাড়ায়। আবার ব্যথা প্রশমনেও কার্যকর।

» সেই সঙ্গে হাড়ের সংযোগস্থলগুলোর ব্যথাও দূর করতে পারে। অনেক কারণে মানসিক চাপ ও অস্থিরতায় ভুগে থাকি। এক গবেষণায় দেখা গেছে, আদায় থাকা কিছু উপাদান মানসিক চাপ দূর করেতে সাহায্য করে।

» মাসিকের সময় অনেকেরই তল পেট ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে, এ ধরনের সমস্যা এড়াতেও আদা খেয়ে দেখতে পারেন।

» মোশন সিকনেসের কারণে বাসে কিংবা ট্রেনে উঠলে অনেকেরই বমি হয় কিংবা বমির ভাব হয়। এ সমস্যা এড়াতে ভ্রমণের আগেই এক টুকরা আদা মুখে ফেলে দিন।

» আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী।

» কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপশম হয়।

» ঠান্ডায় আদা ভীষণ উপকারী। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, যা শরীরের রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

» বমি বমি ভাব দূর করতে এর ভূমিকা অপরিহার্য। তাই বমি বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।

» অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস-এই অসুখগুলোয় সারা শরীরের প্রায় প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে প্রচুর ব্যথা হয়। এই ব্যথা দূর করে আদা। তবে রান্না করার চেয়ে কাঁচা আদার পুষ্টিগুণ বেশি।

» মাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা দূর করে আদা। গর্ভবতী মায়েদের সকালবেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে সকালবেলা শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করবে এ সমস্যা।

» দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে।

» দেহের কোথাও ক্ষতস্থান থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট, যা যেকোনো কাটাছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করে।

» রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতেও আদা দারুণ কার্যকর। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে খেলে বাড়বে হজম শক্তি।

» আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া যারা গলার চর্চা করেন তাদের গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।

» যাদের মোশন সিকনেস আছে, তারা আদার সাহায্যে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

» ঠান্ডায় টনসিলাইটিস, মাথাব্যথা, টাইফয়েড জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হওয়া, বসন্তকে দূরে ঠেলে দেয় আদা। ওভারির ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আদা।

সূত্রঃ ওয়েবসাইট

Address

Dinajpur Town
Dinajpur
5200

Products

The food products which are produce & cultivate organically without using chemicals which are hazardous to human health.

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nirvezal.ORG posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share