শিক্ষা প্রতিদিন

শিক্ষা প্রতিদিন কিছু শিক্ষনীয় বিযয় মানুষকে জানানো এই পেজটি খোলা হয়েছে মূলত । কিছু শিক্ষনীয় বিযয় মানুষকে জানানোর জন্য ।

05/20/2025

আসসালামু আলাইকুম

"বনানীর কাকলী"রাজধানীর বনানী-এয়ারপোর্ট রোডে কাকলী নামে যে বাসস্ট্যান্ড রয়েছে সেটা সবাই জানেন।সেখানে কাকলী নামে একটা রেস্...
06/28/2023

"বনানীর কাকলী"

রাজধানীর বনানী-এয়ারপোর্ট রোডে কাকলী নামে যে বাসস্ট্যান্ড রয়েছে সেটা সবাই জানেন।
সেখানে কাকলী নামে একটা রেস্টুরেন্ট ছিলো সেটাও অনেকে জানেন কিন্তু এই নামকরণের পেছনে যে সাহসিকতার ইতিহাস রয়েছে তা অনেকেই হয়তো জানেন না।

মূলত কাকলী নামের রেস্টুরেন্টের কারণে স্থানটি পরিচিত হয়ে ওঠে। আর কাকলী রেস্টেুরেন্টটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এর মালিক শেখ ফেরদৌসী কাজল কাকলীর কারণে। সবাই তাঁকে কাকলী আপা নামে চেনে।

সময়টা ১৯৮৯ সাল। তখন বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে শেখ রাসেল শিশু কিশোর আয়োজিত এক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রথম স্থান অধিকার করেন কাজল (কাকলী)।

তখনকার পরিচিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হচ্ছে ‘সুগন্ধা’। সুগন্ধা পত্রিকায় কাকলীর একটি লেখা ‘তোমায় ভুলিনি হে জ্যোতির্ময় পিতা’ শিরোনামে ছাপা হয়েছিলো।
এরপর থেকে কাকলী সুগন্ধায় নিয়মিতই লিখতেন এবং পড়তেন ।

১৯৯০ সালের নভেম্বরের সুগন্ধার একটি সংখ্যাতে বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল ফারুকের একটি লেখা ছাপা হয়-শিরোনাম ছিলো

‘আমিই শেখ মুজিবকে হত্যা করেছি, সাহস থাকলে শেখ হাসিনা জিজ্ঞাসা করুক'
এই লেখাটি দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন কাকলী। সাইকেল চালিয়ে সোজা চলে যান কর্নেল ফারুকের বাড়িতে। কলিং বেল চাপতেই লম্বা, ফর্সা একজন লোক এসে দরজা খুলে দিলো। বুঝতে বাকী রইল না যে তিনিই কর্ণেল ফারুক। ক্ষিপ্ত কাকলী তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন-
‘তুই আমার বঙ্গবন্ধুকে কেন মারলি?’

কর্ণেল ফারুক কোনো জবাব দিলোনা, চুপ ছিলো। তারপর আবার তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুই আমার শেখ রাসেলকে কেন মারলি? তোকে আমি ফাঁসির কাস্টে ঝোলাবো, তুই তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবি।’

কর্ণেল ফারুক জবাব দিলো, ‘আপনি এখনো অনেক ছোট, বড় হলে বুঝবেন আমি কেন শেখ মুজিবকে মেরেছি!’
চিৎকার-চেচামেচি শুনে এরই মধ্যে কর্ণেল ফারুকের মা ও আসলো এবং জিজ্ঞেস করলো, ‘ও কে?’
তখন বঙ্গবন্ধুর খুনী কর্ণেল ফারুক বললেন,
‘ও বনানী স-মিল ও কাকলী মার্কেটের মালিক নুরু শেখের মেয়ে।’
এরপর কাকলী কর্ণেল ফারুকের মাকে বললেন, ‘এই ছেলেকে আপনি পেটে ধরেছেন?
তিনিও কিছু না বলে মুচকি হাসি দিলেন।
খুনী কর্ণেল ফারুক তখন বললেন, ‘আপনি সাপ্তাহিক ‘সুগন্ধা’ ম্যাগাজিনে লিখেন, আমি আপনার প্রতিটা লেখা পড়ি। আপনি খুব ভালো লিখেন।’

এরপর সেখান থেকে বের হয়ে কাকলী দেখেন তাঁর সাইকেল উধাও। এরপর আবার চেচামেচি শুরু করলে কর্ণেল ফারুকের লোকজন সাইকেল বের করে দেয়। কাকলী সেখান থেকে সোজা বাসায় চলে যান!

বাসায় এসেই কাকলীর তাঁর বাবার সাথে দেখা, তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘মা মনি তুমি কোথায় গিয়েছিলে?’

সব শুনে কাকলীর বাবা বললেন, ‘যা ই করেছো মা ভালো করেছো, কিন্তু আমার তো সর্বনাশ হয়ে গেলো।’ কাকলী তখনও তাঁর বাবার এ কথার অর্থ বুঝতে পারেননি, কিন্তু তা বুঝতে বেশি দেরিও হয়নি।

কারণ, তাঁর এক সপ্তাহের মধ্যেই কাকলীদের বনানী স-মিলে আগুন লাগিয়ে দেয়া হলো, ৬৫ টি দোকানসহ কাকলী মার্কেট ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হলো, এছাড়াও নানা ধরনের নির্মম নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিলো কাকলীর পরিবার।

এরপরের ঘটনা ২০০৯ সাল। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা নানা উত্থান পতনের পর সর্বশেষ ২০০৯ সালে কর্নেল ফারুকসহ আরো কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়।
রায় দেয়ার আগে কাকলী ভাবছিলেন, তিনি যদি কোর্টরুমে কোনভাবে থাকতে পারতেন। তাহলে সেদিনের সেই মুচকি হাসির জবাবটা তিনি চোখের চাহনিতে ই কর্ণেল ফারুককে দিতে পারতেন!

অন্তত রায় পড়ার সময় তাঁকে থাকতেই হবে যে কোন উপায়ে।
অবশেষে তিনি থাকতে পেরেছিলেন কোর্টের তিন তলায়, যেখানে রায় পড়ে শুনানো হয়েছিল!

কোর্টে তিনি কর্ণেল ফারুককে দেখলেন আসামীর কাঠগড়ায়। কর্ণেল ফারুক কাকলীকে দেখে সেদিনও নাকি একটি মুচকি হাসি দিয়েছিলেন। ১৯৯০ সালের দিকে কাকলী মার্কেটের পাশাপাশি কাকলী রেস্টুরেন্টটিও খুব জনপ্রিয় ছিল। কর্নেল ফারুকের নির্দেশে ঐ মার্কেট ভাঙা ঘটনাটি ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল!

আর এর মধ্যেই ওই এলাকার নাম হয়ে উঠেছিল কাকলী আপার ‘কাকলী’!

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

11/13/2017
08/14/2015
08/12/2015

রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন...
“ভোগ-বিলাস
জাহান্নামকে পরিবেষ্টন
করে আছে এবং দু:খ-
কষ্ট
পরিবেষ্টন করে আছে
জান্নাতকে।”
` --(বুখারী, মুসলিম,
রাহে
আমল- ৩৮)

08/12/2015

মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মানোর চেয়ে ফকির হয়ে জন্মানো ভাল।
ফকিরদের অভিনয় করতে হয় না। কিন্তু মধ্যবিত্তদের
প্রতিনিয়ত সুখী থাকার অভিনয় করতে হয়। -------হুমায়ন
আহমেদ

08/11/2015

রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ
শয়তান বললঃ 'ইয়া আল্লাহ! তোমার ইজ্জতের কসম,
নিশ্চয়ই আমি তোমার বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করতে
থাকব যতক্ষন পর্যন্ত তাদের দেহে প্রান থাকবে।'
"অতঃপর মহান আল্লাহ বললেনঃ আমার ইজ্জতের কসম! আমি
তাদেরকে মাফ করতে থাকব যে পর্যন্ত তারা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে।"
- [হাদীসে কুদসী

08/11/2015

চরম অফার
Facebook এ
আপনর Friends কম?
আপনি কি বন্ধু
বাডাতে চান?
No Problem, আমাদের এই
post টিতে লাইক
দিয়ে 4 ta
Comment korun
দেখুন Friend Request
ঠেকাতে পারবেন...

http://primenews.com.bd/bn/?p=54914
08/11/2015

http://primenews.com.bd/bn/?p=54914

ক্রীড়া ডেস্ক, প্রাইমনিউজ.কম.বিডি ঢাকা : অপেক্ষার শেষ কবে জানা নেই। তবু স্লোগান, ‘সংগ্রাম চলছে, চলবে।’ স্লোগানটা মুখে কেউ না দিলেও মনের ভেতর নিত্য গর্জে উঠছে। সংগ্রাম নিজেকে ফিরে পাওয়ার, সংগ্রাম জাতীয় দলে ফেরার। জাতীয় দলে কিছুদিন আগেও তাঁরা ছিলেন নিয়মিত মুখ। কখনো মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে, কখনো রুবে…

Address

New York, NY
10002

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিক্ষা প্রতিদিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share