STOP Killing

STOP Killing Stop killing

এইটা পড়ার সময় আমি কাঁপতেছিলাম। এখনো কাঁপছি। নৃশংসতার মাত্রাটা কি! আর কত হলে ওদের পিশাচীয় খাহেশ মিটবে 🥲
07/15/2026

এইটা পড়ার সময় আমি কাঁপতেছিলাম। এখনো কাঁপছি। নৃশংসতার মাত্রাটা কি! আর কত হলে ওদের পিশাচীয় খাহেশ মিটবে 🥲

যখন তুমি যুদ্ধ করছ, তখন অন্যদের কথা ভেবো।যারা শান্তি চায়, তাদের ভুলে যেও না।যখন তুমি বাড়ি ফিরছ, তোমার নিজের বাড়িতে, তখন ...
07/13/2026

যখন তুমি যুদ্ধ করছ,
তখন অন্যদের কথা ভেবো।
যারা শান্তি চায়, তাদের ভুলে যেও না।

যখন তুমি বাড়ি ফিরছ, তোমার নিজের বাড়িতে,
তখন অন্যদের কথা ভেবো।
উদ্বাস্তু শিবিরের মানুষদের কথা ভুলে যেও না।

যখন তুমি ঘুমোচ্ছ আর আকাশের তারা গুনছ,
তখন অন্যদের কথা ভেবো।
তাদের কথা, যাদের ঘুমানোর কোনো জায়গা নেই।

আর যখন তুমি দূরের, অন্যদের কথা ভাবছ,
তখন নিজের কথাও একটু ভেবো।
বলো: যদি আমি অন্ধকারের বুকে একটা মোমবাতি হতে পারতাম!

--- ফিলিস্তিনের জাতীয় কবি মাহমুদ দারউইশের "ফাক্কের বি গাইরিকা" তথা "অন্যদের কথা ভাবো" কবিতার কয়েকটা লাইন।

আমার ছেলেটা মানসিক প্রতিবন্ধী, ও হলুদ রেখা, লাল রেখা বুঝে না..  😭​গাজার এক ফিলিস্তিনি মায়ের ভিডিও ক্লিপ দেখছিলাম। আন্তর্...
07/09/2026

আমার ছেলেটা মানসিক প্রতিবন্ধী, ও হলুদ রেখা, লাল রেখা বুঝে না.. 😭

​গাজার এক ফিলিস্তিনি মায়ের ভিডিও ক্লিপ দেখছিলাম। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে আকুল মিনতি করছিলেন তিনি। মধ্য গাজার পূর্বাঞ্চলে, সেনাবাহিনীর চেকপোস্টের সামনে পড়ে থাকা তাঁর ছেলের লাশটা যেন একটু উদ্ধার করে আনা হয়।

​এই ছেলেটির আগে আরও তিনটি সন্তানকে হারিয়েছেন এই হতভাগিনী মা। তিনি বলছিলেন, আমার ছেলেটা মানসিক প্রতিবন্ধী। ও তো আর সেনাবাহিনীর ওই হলুদ রেখা কিংবা লাল রেখার নিয়ম-কানুন বুঝত না! দশ দিন আগে ওরা ওরে মেরে ফেলেছে, সেই থেকে লাশটা ওখানেই রাস্তায় পড়ে আছে। একটু থমকে গিয়ে আবার বলতে শুরু করলেন, আমি এখন শুধু ওর পরনের প্যান্ট আর শার্টটুকু ফেরত চাই। আমি জানি, এতদিনে কড়া রোদে ওর শরীর গলে গেছে, কুকুরে খুবলে খেয়েছে, সব পচে গেছে।

​ভিডিওটা আর দেখার শক্তি আমার ছিল না, ওখানেই বন্ধ করে দিলাম। অথচ সেই শোকার্ত মা তখনো রেড ক্রস, রেড ক্রিসেন্ট, জাতিসংঘ আর পৃথিবীর সব মানুষের কাছে কেঁদে কেঁদে মিনতি করে যাচ্ছেন। একটা মায়ের আর কী-ই বা চাওয়া, শুধু সন্তানের শেষ স্মৃতি ওই প্যান্ট আর শার্টটুকু!
​হে নিষ্ঠুর পৃথিবী, এই চাওয়াটুকুও কি বড্ড বেশি?!

***

​যুদ্ধের প্রথম বছরের কথা। আমি তখন যাদের মানসিক ট্রমার চিকিৎসা দিতাম, তাদের এক কিশোরের কথা মনে পড়ে গেল। ছেলেটি আমাকে বলেছিল, একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের দুই তলার মাঝখানে আটকে ছিল তার বাবার লাশ, যার অর্ধেকটা ঝুলে ছিল রাস্তার দিকে। আর বাবা-ছেলের মাঝখানের দূরত্বটুকু জুড়ে দাঁড়িয়ে ছিল এক সারি ট্যাংক।

ছেলেটি প্রতিদিন দেখত কীভাবে চোখের সামনে তার বাবার শরীর পচে গলে যাচ্ছে, মাংসের টুকরোগুলো খসে খসে নিচে পড়ছে। সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া একটা ছেলে দিনের পর দিন দেখল তার বাবার লাশের এই পরিণতি, অথচ একজন সন্তান হিসেবে বাবাকে শেষ বিদায় জানানো বা দাফন করার ন্যূনতম অধিকারটুকুও সে পেল না।

​এই সত্য ঘটনাগুলো যখন লিখছি, বুকটা ফেটে যাচ্ছে সেই মায়ের যন্ত্রণায়। তিনি বলছিলেন, আমার আর কোনো সন্তান বেঁচে নেই...

কত সহজ, কত স্বাভাবিকভাবে বললেন কথাটি! যুদ্ধ তাঁর বুক খালি করে সবকটি সন্তানকে কেড়ে নিয়েছে। আর আজ এই স্বার্থপর পৃথিবীর কাছে তাঁর একমাত্র আকুতি—ছেলের পরনের প্যান্ট আর শার্টটা পাওয়ার।

​হে আল্লাহ! লিখতে লিখতে আমি আজ বড় ক্লান্ত, এই সীমাহীন কষ্টের কথা বলতে বলতে আমি বড্ড পরিশ্রান্ত।আপনি তো জানেন ক্লান্তিতে আমাদের গলা অবধি ডুবে গেছে।

​— ডা. সাইদ মোহাম্মদ আল-কাহলুত
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও লেখক, গাজা, ফিলিস্তিন

#গাজায়প্রতিদিন
৯জুলাই ২০২৬

মানুষ মারার নিত্য নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে জুড়ি নেই যায়োদের। রেইহানা আলি গত একবছর আগে তার এসব পোস্টের জন্য চাকরিচ্যুত হয়েছিল...
07/09/2026

মানুষ মারার নিত্য নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে জুড়ি নেই যায়োদের। রেইহানা আলি গত একবছর আগে তার এসব পোস্টের জন্য চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন।তাকে ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিলো।

রেইহানা আলিদের কথা ভাবলে আমরা আদৌ কিছু করি না, ফেসবুকে পোস্ট করা ছাড়া। অন্যদিকে রেইহানাকে নিজের চাকরি বিসর্জন দিতে হয়েছে সত্যের জন্য।

রেইহানা তাও তো মুসলমান।একজন ক্রিশ্চান অভিনেত্রীর কথা জানি।তিনি গাজ্জা নিয়ে কথা বলার কারনে ৪/৫ টা সিনেমার প্রজেক্ট থেকে বাদ যান।নতুন করে কেউ তাকে সিনেমায়ও নিচ্ছিলো না।এখন তিনি নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়েছেন।

পশ্চিমা দুনিয়ায় গাজ্জার পক্ষে কথা বলার জন্য অনেক মূল্য দিতে হয়,সেটা শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় নয়।আর্থিকভাবেও মূল্য দেওয়া লাগে।

 ̇ne 🇵🇸
06/19/2026

̇ne 🇵🇸

ওপরতলা থেকে এক বাঙালি আমার রুমের দরজায় এসে চিৎকার করে বললেন, ‘ফরিদ ভাইয়ের অবস্থা খারাপ, তাড়াতাড়ি আসেন।’সকাল ৮টায় হার্ট অ...
05/24/2026

ওপরতলা থেকে এক বাঙালি আমার রুমের দরজায় এসে চিৎকার করে বললেন, ‘ফরিদ ভাইয়ের অবস্থা খারাপ, তাড়াতাড়ি আসেন।’

সকাল ৮টায় হার্ট অ্যাটাক করেছেন ফরিদ ভাই। ফ্রান্সে এসেছিলেন কাজে সন্ধানে। কিন্তু তার কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। সাবলেট উঠেছিলেন আরেক বাঙালির বাসায়।

দ্রুত ওপরে চলে গেলাম। গিয়ে দেখি ফরিদ ভাইয়ের জ্ঞান নেই। তার বুকে প্রচন্ড জোরে বারবার চাপ (সিপিআর) দেওয়া হচ্ছে। মনে হচ্ছিল তার বুকের হাড়গোড় সব এক্ষুনি ভেঙে যাবে।

কী করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। হতভম্ব হয়ে গেলাম। আমার শরীর কাঁপছিল, বমি বমি লাগছিল। আরেক ভাই ইমারজেন্সিতে ফোন করলেন। বিস্তারিত শোনার পর ফোনের ওপাশ থেকে বললো, আপনারা সিপিআর দিতে থাকেন, বন্ধ করবেন না। তিনি লাইনে রইলেন, সেকেন্ডে সেকেন্ডে বলছিলেন — সিপিআর সিপিআর সিপিআর।

ফোনে কথোপকথন চলতে চলতেই অ্যাম্বুলেন্স চলে এলো। সঙ্গে সঙ্গে ওই রুমের মধ্যে চিকিৎসা শুরু হল। তারা আরও ৩টি অ্যাম্বুলেন্স ১টি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়ে এলেন। ঘরের ভেতর ডাক্তার-নার্সসহ প্রায় ২০ জন! এরই মধ্যে পুলিশের দুটি গাড়ি চলে এলো! পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের ৭টি গাড়ি বাসার সামনে। পুলিশ বাসার সামনে রাস্তা বন্ধ করে দিলো।

রোগীর অবস্থা খারাপ। আমার ওপরের তলায় ওঠার সিড়ি বেশ ছোট। রোগীকে নামানো কষ্টকর। তারা হেলিকপ্টার কল করলেন। হেলিকপ্টার চলে এলো। ওপরের জানালা খুলে হেলিকপ্টারে করে ফরিদ ভাইকে বের করে নিয়ে যাওয়া হলো হাসপাতালে। হেলিকপ্টার যখন তাকে নিয়ে যাচ্ছে, আমার চোখ দিয়ে ঝরঝর করে পানি পড়ছিল। ভাবছিলাম, এই জাতির কাছে একটা জীবনের কত মূল্য! হেলিকপ্টারের দিকে তাকিয়ে স্যালুট দিলাম আর বললাম, ‘লাভ ইউ ফ্রান্স, স্যালুট!’

তাদের চেষ্টা বা সেবা শুধু তাদের নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য নয়, বরং সেটা সবার জন্য, সমান। আমরা এই দেশের নাগরিক না, তারপরও তারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেল। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের নাগরিক, আমাদের দেশ আমাদের জন্য কতটুকু করে?

তানজিদ শান্ত ফ্রান্সের লিল্লে শহরে থাকেন। তার পাশের শহরের এই ঘটনা একটি ভিডিওসহ তিনি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীর অভিজ্ঞতার বর্ণনা কপি করে আক্ষেপের সঙ্গে লিখেছেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরেও দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা বেহাল, রাস্তাঘাট বেহাল, কোনো সেফটি সিকিউরিটি নাই।’

#স্বাস্থ্যসেবা #জরুরিসেবা

05/09/2026

ঘুম থেকে উঠেই শুনলাম গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হইছে।

এখন পর্যন্ত কোন গ্রেফতার নাই।

সাজেকে গুলি করে ব্যবসায়ীকে মেরে ফেলা হয়েছে।

কসবা সীমান্তে বিএসএফ গুলি করে দুই বাংলাদেশিকে মেরে ফেলেছে। এদের মধ্যে একজন আবার কলেজ ছাত্র।

চট্টগ্রামে গতকাল এক ছেলেকে ৫-৬ জন মিলে ধাওয়া করে ধর ধর বলে ধরে মেরে ফেলেছে।

কুমিল্লায় রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।

সুনামগঞ্জে রাতের বেলা টর্চ জ্বালিয়ে মারামারি করেছে মানুষ, এমপি থামাতে গেলে এমপি নিজেও আহত হইসে।

মানুষ ভাবতেসে দেশে সরকার বলে কিছু নাই, ইচ্ছা মত খুন খারাবি আর মারামারি করতেসে।

এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কোন উদ্যোগ বা তৎপরতা চোখে পড়ে নাই।

কিছু বললেই আবার সংবিধানের ধারা দেখাইয়া বসবে, অমুক তমুক ধারায় আমরা যে ভুল, উনারা যে ঠিক সেই আলাপ দিবে,

দলের পোষা কৃতদাসের দল সেই আলাপে গান লাগিয়ে সিগমা ভিডিও বানাবে।

এদিকে মানুষ গাজীপুর থেকে চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা, খুন খারাবি হইতেই আছে, যেন খুনের উৎসব লাইগা গেছে দেশে।

ইউনূসের আমলে জাহাঙ্গীর অন্তত প্রেস ব্রিফিং এ আসত নিয়মিত, সমালোচনা করলে রাত তিনটাতেও সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেফতারের আপডেটগুলো দিত।

এখন সেইটাও দেয় না।

যেন ভোট পাইয়া সব জবাবদিহিতা শেষ৷ এখন মানুষ যা বলুক, কেয়ার না করলেই হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাজ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া।

কিন্তু এই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সংবিধান পড়তে পড়তে মানুষের কথাই মেবি ভুলে গেছেন, মানুষ মইরা সাফ হয়ে গেলে সেই দেশে আপনি কার জন্য সংবিধান পড়বেন?

ন্যায়বিচার কি তবে প্রহসনে পরিণত হচ্ছে? বিহারে রোজা রাখা রওশন খাতুনকে নৃ/শংসভাবে পি/টিয়ে হ/ত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মা...
04/29/2026

ন্যায়বিচার কি তবে প্রহসনে পরিণত হচ্ছে? বিহারে রোজা রাখা রওশন খাতুনকে নৃ/শংসভাবে পি/টিয়ে হ/ত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মাগানু সিং জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর গ্রামে বীরোচিত সংবর্ধনা পেয়েছেন। ১৯ জন আসামির মধ্যে পুলিশ মাত্র একজনকে গ্রেফতার করেছিল, বাকি ১৮ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

Read More: https://qawmitimes.com/news/7290/

Address

New York, NY

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when STOP Killing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share