Atish Dipankar Foundation USA

Atish Dipankar Foundation USA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Atish Dipankar Foundation USA, Nonprofit Organization, 215 30 104th Avenue, New York, NY.

বৌদ্ধ ধর্মের বিখ্যাত মঙ্গলা সুত্ত (মহামঙ্গল সূত্র)-এর একটি পালি গাথাটি হলো: "মাতা-পিতু উপট্ঠানং, পুত্তদারা চ সঙ্গহো" ত্র...
06/01/2026

বৌদ্ধ ধর্মের বিখ্যাত মঙ্গলা সুত্ত (মহামঙ্গল সূত্র)-এর একটি পালি গাথাটি হলো: "মাতা-পিতু উপট্ঠানং, পুত্তদারা চ সঙ্গহো" ত্রিপিটক।
গৌতম বুদ্ধ তাঁর দেশনা 'মঙ্গলা সুত্ত'-তে মানবজীবনের ৩৮টি শ্রেষ্ঠ মঙ্গলের (কল্যাণকর কাজের) কথা বলেছেন, যার মধ্যে পিতামাতা ও পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন অন্যতম।
নিচে পালি শব্দার্থ ও সারসংক্ষেপ দেওয়া হলো:
১. মাতা-পিতু উপট্ঠানং (Mātā-pitu upaṭṭhānaṃ)
অর্থ: মাতা ও পিতার সেবা-শুশ্রূষা করা।
ব্যাখ্যা: নিজের বৃদ্ধ বা অসুস্থ মাতা-পিতাকে আর্থিকভাবে ও মানসিকভাবে সাহায্য করা এবং তাঁদের সেবা-যত্ন করা সন্তানের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।
২. পুত্তদারা চ সঙ্গহো (Puttadārā ca saṅgaho)
অর্থ: পুত্র ও পত্নীর (পরিবারের) ভরণপোষণ বা সৎপথে পরিচালনা।
ব্যাখ্যা: নিজের স্ত্রী এবং সন্তানের দায়িত্ব নেওয়া, তাদের অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করা এবং তাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা প্রত্যেক গৃহস্থের দায়িত্ব।
সারসংক্ষেপ:
সংসার জীবনে নিজের মা-বাবার সেবা করা যেমন পুণ্যের কাজ, ঠিক তেমনি নিজের স্ত্রী ও সন্তানের সঠিক লালন-পালন করাও একজন দায়িত্বশীল মানুষের পরম কর্তব্য। এই দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে পালন করলেই জীবনে প্রকৃত মঙ্গল বা সুখ আসে।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই গাথাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Siddhartha Gautama, commonly known as The Buddha.🙏💐🙏The Bodhi Tree: He is sitting under a large tree, which represents t...
05/30/2026

Siddhartha Gautama, commonly known as The Buddha.🙏💐🙏

The Bodhi Tree: He is sitting under a large tree, which represents the tree in Bodh Gaya where he is said to have achieved enlightenment.
The Lotus Flower: He is seated on a pink lotus, a powerful symbol in Buddhism representing purity and rising above the "mud" of worldly suffering.
The Hand Gesture (Mudra): His right hand is raised in what looks like the Vitarka Mudra, which symbolizes the transmission of teachings and discussion.
Peaceful Setting: The deer and mountains in the background highlight the connection to nature and the "Deer Park" at Sarnath, where he gave his first sermon.

05/24/2026

সম্যক সম্বুদ্ধের শরীরের ৩২টি প্রধান শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
~~~~~
বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটকের দীর্ঘ নিকায়ের 'লক্ষণ সূত্র' অনুযায়ী, সম্যক সম্বুদ্ধ বা একজন মহাপুরুষের শরীরে ৩২টি প্রধান শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ থাকে। এই লক্ষণগুলোর মাধ্যমেই তাঁর আধ্যাত্মিক পূর্ণতা ও মহত্ত্ব প্রকাশ পায়। নিচে বুদ্ধের ৩২ প্রকার মহাপুরুষ লক্ষণ দেওয়া হলো:
১. সুপ্রতিষ্ঠিত পাদ: তাঁর পায়ের পাতা অত্যন্ত সুদৃঢ় ও সমানভাবে ভূমিতে সংলগ্ন থাকে।
২. পাদতলে চক্রাঙ্কিত: তাঁর পায়ের নিচে ১০০০টি অর (স্পোক) বিশিষ্ট স্পষ্ট ধর্মচক্রের চিহ্ন থাকে।
৩. আয়তপালি: পায়ের গোড়ালি প্রসারিত ও সুগঠিত।৪. দীর্ঘাঙ্গুল: হাতের ও পায়ের আঙুলগুলো সাধারণ মানুষের চেয়ে দীর্ঘ।
৫. মৃদুতল: হাত ও পায়ের কোমলতা নবনীতের মতো।
৬. জালপাদহস্ত: হাতের ও পায়ের আঙুলগুলোর মাঝের অংশ জালের মতো সূক্ষ্ম চামড়া দিয়ে যুক্ত।
৭. উচ্ছঙ্খপাদ: পায়ের গোড়ালির সন্ধিগুলো একটু উঁচু ও মসৃণ।
৮. এণিজঙ্ঘ: তাঁর পায়ের জঙ্ঘা (পায়ের নিচের অংশ) হরিণের জঙ্ঘার মতো সুগঠিত।
৯. স্থায়ী স্থাণু বাহু: কোনো বস্তুকে স্পর্শ না করেও দুই হাত প্রসারিত করলে তা হাঁটু পর্যন্ত পৌঁছায়।
১০. কোষগত বস্তিগুহ্য: পুরুষাঙ্গ কোষের ভেতর লুক্কায়িত।
১১. সুবর্ণবর্ণ: তাঁর গায়ের চামড়া খাঁটি সোনার মতো উজ্জ্বল।
১২. সূক্ষ্মচ্ছবি: দেহের ত্বক অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও মসৃণ, যার ওপর ধূলিকণা বা ময়লা জমে না।
১৩. একৈক রোম: শরীরের প্রতিটি লোমকূপে একটি করে মাত্র লোম জন্মায়।
১৪. উর্ধ্বাগ্ৰরোম: শরীরের লোমগুলো ওপরের দিকে ও ডানদিকে বাঁকানো থাকে।১৫. ব্রহ্ম ঋজু গাত্র: তাঁর দেহ ব্রহ্মার মতো সর্বদা সোজা ও ঋজু।
১৬. উচ্ছিত গাত্র: দেহের অগ্রভাগ সিংহের মতো স্ফীত ও সুগঠিত।
১৭. সুসংবৃত্ত স্কন্ধ: কাঁধ বা স্কন্ধদেশ সুগঠিত ও গোল।
১৮. রস রসার্সতা: জিহ্বার স্বাদ কোরক অত্যন্ত সংবেদনশীল, যা যেকোনো খাবারের চমৎকার স্বাদ বুঝতে পারে।
১৯. সিংহ সদৃশ হনু: চোয়াল সিংহের মতো শক্তিশালী।
২০. চত্বারিংস দন্ত: তাঁর মুখে সব মিলিয়ে ৪০টি দাঁত থাকে।
২১. সমদন্ত: দাঁতগুলো সমান, নিখুঁত ও সরল।
২২. অবিরল দন্ত: দাঁতগুলোর মাঝে কোনো ফাঁক থাকে না এবং অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত।
২৩. শুদ্ধ দন্ত: দাঁতগুলো মুক্তার মতো ধবধবে সাদা।
২৪. প্রভুতজ্বিহ্ব: জিহ্বাটি অত্যন্ত দীর্ঘ ও প্রসারিত, যা দিয়ে তিনি কান ও নাক পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারেন।
২৫. ব্রহ্মস্বর: তাঁর কণ্ঠস্বর ব্রহ্মা বা কালবিহঙ্গ পাখির মতো মধুর ও গম্ভীর।
২৬. সিংহাস্য: মুখমণ্ডল সিংহের মতো তেজোদীপ্ত ও আকর্ষণীয়।
২৭. সমন্নত গণ্ড: দুই গাল সুগঠিত ও মসৃণ।২৮. ব্যূঢ়োরস্ক: বক্ষদেশ প্রশস্ত ও চমৎকার।
২৯. সুপরিণত স্কন্ধ: ঘাড় বা স্কন্ধদেশ নিখুঁত ও সুন্দর।
৩০. সূক্ষ্মচ্ছবি: ত্বক এতই মসৃণ যে তেল বা পানি গড়িয়ে পড়ে, কোনো দাগ থাকে না।
৩১. নীল প্রভাশালিত কেশ: মাথার চুলগুলো গাঢ় কালো, চকচকে ও কোঁকড়ানো।
৩২. উষ্ণীষ শীর্ষ: মাথার ঠিক তালুর মাঝখানে চূড়ার মতো মাংসপিণ্ড বা উষ্ণীষ থাকে।
এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলো বুদ্ধের আধ্যাত্মিক পূর্ণতা এবং অগণিত সৎ কর্মের (পারমী) ফল হিসেবে বিকশিত হয়। এছাড়া এর পাশাপাশি তাঁর দেহে আরও আশিটি গৌণ লক্ষণ বা 'অশীতি অনুব্যঞ্জন' থাকে।
এই লক্ষণগুলো তাঁর পূর্বজন্মের অসংখ্য পুণ্যময় কর্ম ও পারমিতা পূরণের ফল। শারীরিক বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি তাঁর আরও ৮০টি গৌণ লক্ষণ বা 'অশীতি অনুব্যঞ্জন' রয়েছে।
🙏🙏

বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তির মধ্যে প্রকৃত ‘ধর্মজ্ঞান’ বা সত্যের উপলব্ধি (প্রজ্ঞা) এবং ‘ধর্মচক্ষু’ বা দিব্যদৃষ্ট...
05/23/2026

বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তির মধ্যে প্রকৃত ‘ধর্মজ্ঞান’ বা সত্যের উপলব্ধি (প্রজ্ঞা) এবং ‘ধর্মচক্ষু’ বা দিব্যদৃষ্টি জাগ্রত হয়, তখন তার পক্ষে আর কোনো পাপ বা অকুশল কর্ম করা সম্ভব হয় না। এই বিষয়ের মূল কারণ ও দর্শন নিচে দেওয়া হলো:
প্রজ্ঞা বা প্রকৃত জ্ঞানের উদয়: বৌদ্ধ ধর্মে অজ্ঞতা বা অবিদ্যাকে (Avidya) সকল দুঃখ ও পাপের মূল কারণ বলা হয়েছে। যখন কারো মধ্যে সত্য জ্ঞান উৎপন্ন হয়, তখন তিনি ‘চার আর্য সত্য’ (দুঃখ, দুঃখের কারণ, দুঃখ মুক্তির উপায় এবং মার্গ) এবং ‘প্রতীত্যসমুৎপাদ’ (কার্য-কারণের নিয়ম) স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেন। এই প্রজ্ঞা তাকে সবসময় সঠিক পথে পরিচালিত করে।ধর্মচক্ষু লাভ: ‘ধর্মচক্ষু’ (Dhamma-cakkhu) লাভের অর্থ হলো জাগতিক সত্য ও অনিত্যতা গভীরভাবে উপলব্ধি করা। পালি ত্রিপিটকের বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, যার মধ্যে এই চর্মচক্ষুর বাইরের দিব্যদৃষ্টি বা সত্য দর্শন উন্মোচিত হয়, তিনি আর কখনো কোনো প্রাণীর ক্ষতি করতে পারেন না বা পাপাচারে লিপ্ত হতে পারেন না।পঞ্চশীল ও অষ্টাঙ্গিক মার্গ: যার এই জ্ঞান উৎপন্ন হয়েছে, তিনি প্রাকৃতিকভাবেই বুদ্ধের নির্দেশিত শীল বা নৈতিকতা (যেমন- অহিংসা, চুরি না করা, মিথ্যা না বলা ইত্যাদি) মেনে চলেন। তার মন থেকে লোভ, দ্বেষ ও মোহ চিরতরে দূর হয়ে যায়।বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ধম্মপদ-এর একটি বিখ্যাত গাথায় বলা হয়েছে:সব্বপাপস অকরণং কুসলস্স উপসম্পদা।সচিত্তপরিয়োদপনং এতং বুদ্ধান সাসনং।। অর্থাৎ, সকল পাপ থেকে বিরত থাকা, কুশল বা ভালো কর্ম সম্পাদন করা এবং নিজের চিত্তকে পবিত্র রাখাই হলো বুদ্ধের শাসন বা শিক্ষা। সংক্ষেপে, প্রকৃত সত্য দর্শনের পর মানুষের ভেতর থেকে পাপ করার প্রবৃত্তি বা কারণগুলোই সম্পূর্ণভাবে মুছে যায়।🙏

05/04/2026

Vesak celebration @ UN, New York, May 11,2026:, Vesak often called Buddha Day or the Day of the Full Moon, is the most sacred day in Buddhism, commemorating the birth, enlightenment, and passing (Parinirvana) of Gautama Buddha. Recognized by the UN since 1999, it is observed annually, with May 1, 2026, marked as a key day for reflection on peace, compassion, and non-violence.

আমেরিকানরা, আপনারা যে দেশে বাস করেন, সেই দেশটি বিজ্ঞান, অগ্রগতি এবং স্বাধীনতায় অগ্রগামী। কিন্তু বিশ্বের প্রতিটি মানুষের...
05/03/2026

আমেরিকানরা, আপনারা যে দেশে বাস করেন, সেই দেশটি বিজ্ঞান, অগ্রগতি এবং স্বাধীনতায় অগ্রগামী। কিন্তু বিশ্বের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে যা প্রয়োজন তা হলো অভ্যন্তরীণ শান্তি। সম্পদ, ক্ষমতা, প্রযুক্তি এবং জনপ্রিয়তা থাকলেও মন মুক্ত না হলে সুখ পূর্ণ হয় না। বোধি বৃক্ষ কোনো সাধারণ গাছ নয়। এটি সেই বোধি মূলের একটি পবিত্র প্রতীক, যেখানে গৌতম বুদ্ধ জ্ঞান লাভ করেছিলেন। তাই বোধি বৃক্ষ পূজা করা মানে কোনো গাছ পূজা করা নয়, বরং সত্য, প্রজ্ঞা, দয়া এবং নির্বাণের পথকে পূজা করা।
ধর্মের আলো যখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে এবং মানুষের হৃদয়কে শান্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে, শ্রীমহা বোধির একটি চারাগাছ পূজার সুযোগ দেওয়া একটি মহান চ্যারিটি বা পুণ্যকর্ম। এই মহৎ সেবাটি যিনি করেছেন সেই, যার সহানুভূতি এবং মহান করুণা সত্যিই প্রশংসনীয়। সেখানেই বৌদ্ধধর্ম আপনাদের জন্য একটি দুর্দান্ত পথপ্রদর্শক হবে।বৌদ্ধধর্ম মানুষকে অন্যকে পরাজিত করতে নয়, বরং নিজের ভেতরের রাগ, লোভ ও মোহকে জয় করতে শেখায়। এটি কোনো ধর্মীয় প্রভাব নয়, বরং জীবনের বিজ্ঞান।

বৌদ্ধধর্মের শিক্ষার মৌলিক গুণগুলো হলো:
🧩মৈত্রী – সমস্ত জীবকে ভালোবাসা।
🧩করুণা – যারা কষ্ট পাচ্ছে তাদের কষ্ট লাঘব করার ইচ্ছা।🧩মুদিতা – অন্যের সুখে সুখী হওয়া।
🧩উপেক্ষা – ভারসাম্যপূর্ণ মন রাখা।
এই চারটি গুণ বিশ্বের প্রতিটি দেশ, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি হৃদয়ের জন্য প্রয়োজন। আমাদের কাছে শ্রীলঙ্কার বোধি বৃক্ষ এনে শ্রীলঙ্কার পবিত্র আশীর্বাদ বয়ে এনেছেন। এটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক সংযোগ নয়, বরং হৃদয়কে সংযুক্ত করার আলোর সেতু। বোধি বৃক্ষের নিচে কিছুক্ষণ শান্ত হয়ে বসুন। শ্বাস নিন। মনকে শান্ত করুন। আপনারা অনুভব করবেন—সত্যিকারের সুখ বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকে জন্মায়। আপনাদের যে সুযোগ আছে তা উপলব্ধি করুন, বোধি বৃক্ষকে অর্ঘ্য দিন। আপনার সন্তানদের দয়া শেখান। আপনার পরিবারে শান্তি আনুন। বিশ্বে মৈত্রী ছড়িয়ে দিন। আমেরিকার বৌদ্ধদের পক্ষ থেকে শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধধর্মের ভালোবাসা, আশীর্বাদ এবং সুগন্ধ আমাদের আসা পূর্ণ করুক।সবাই শান্তি খুঁজে পাক। আপনাদের হৃদয় আলোকিত হোক। সারা বিশ্ব শান্তিতে থাকুক। বুদ্ধ আপনাদের আশীর্বাদ করুন। ত্রি-রত্নের আলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরুক।🙏

Address

215 30 104th Avenue
New York, NY
11429

Telephone

+19297552609

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Atish Dipankar Foundation USA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Atish Dipankar Foundation USA:

Share