Darul Uloom Baraikhali

Darul Uloom Baraikhali Educational Institution for under privileged people with great care

ইতিহাসের পাতায় এত বেশিকান্না কেউ করেনি যতটা কান্নাহযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁরউম্মতের জন্য করেছেন।❤️"শুক্রবার বেশি থেকে বেশ...
08/07/2026

ইতিহাসের পাতায় এত বেশি

কান্না কেউ করেনি যতটা কান্না

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর

উম্মতের জন্য করেছেন।❤️

"শুক্রবার বেশি থেকে বেশি দুরুদ পাঠের দিন,,,'' তাই আমরা বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার চেষ্টা করি "

আল্লাহুম্মা
সল্লি'ওয়া সাল্লিম
আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ' ﷺ❤

07/07/2026

“কপালের উপর আম্মার হাতটা খুব দরকার….”

অন্যদের মতো আপনিও কি বাবা-মায়ের জন্য দুআ করা ছেড়ে দিয়েছেন?
বাবা-মা মারা যাওয়ার প্রথম কিছুদিন পৃথিবীটা যেন থমকে থাকে। মনে হয়, এই শোক আর কোনোদিন কাটবে না।
চোখ বন্ধ করলেই কান্না আসে। প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর আমরা দুহাত ভরে দুআ করি। অঝোরে কাঁদি।
কিন্তু এরপর?
ধীরে ধীরে সময় গড়িয়ে যায়। মাস পার হয়। বছর ঘোরে। একসময় শোকটা ফিকে হতে শুরু করে। আমরা আবার হাসতে শুরু করি। কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। নিজেদের সংসার, সন্তান আর ক্যারিয়ার নিয়ে নতুন এক দুনিয়া তৈরি হয় আমাদের। তখন বাবা-মায়ের কথা আর আগের মতো প্রতিদিন মনে পড়ে না।
জীবনের এই স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে আসাটা কিন্তু দোষের কিছু নয়। এটাই দুনিয়ার নিয়ম। শোক সারা জীবন আঁকড়ে ধরে রাখার জিনিস নয়।

কিন্তু একবার কি ভেবে দেখেছেন, মাটির নিচে অন্ধকার কবরে থাকা প্রিয় মানুষগুলোর কী অবস্থা ?

তাদের সময় কিন্তু থমকে আছে। তারা দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় নিয়েছেন। নতুন করে কোনো নেক আমল করার সুযোগ তাদের আর নেই। কবরের সেই নির্জনতায় তারা শুধু একটি জিনিসের অপেক্ষায় থাকেন। সেটি হলো— নিজের সন্তানের একটু দুআ।

মৃত্যুর অনেক বছর পার হয়ে গেলে ব্যস্ততার কারণে অনেকেই বাবা-মার জন্য দুআ করতে ভুলে যায়। আপনিও কি তাদের দলে ? অন্যদের মতো আপনিও কি ভুলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মাকে ?

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষ মারা গেলে তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়। শুধু তিনটি জিনিস বাকি থাকে। এর মধ্যে একটি হলো— নেক সন্তানের দুআ।

একজন নেক সন্তানের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য এটাই, মা-বাবা দুনিয়াতে না থাকলেও সে তাদের ভুলে যায় না । সে তাদের জন্য গোপনে চোখের পানি ফেলে। আল্লাহর কাছে তাদের জন্য ক্ষমা চায়। কারণ সে জানে, দুনিয়ার সম্পর্ক শেষ হলেও সন্তানের দায়িত্ব কখনো শেষ হয় না ।

কবরে শুয়ে থাকা আপনার বাবা কিংবা মা হয়তো আজও আপনার অপেক্ষায় আছেন। হয়তো ভাবছেন, "আমার সন্তান কি আমাকে ভুলে গেল? আজ তো সে আমার জন্য দু'আ করলো না!"
প্রিয় বাবা-মায়ের এই অপেক্ষাকে আর দীর্ঘ করবেন না। আপনার একটা ছোট্ট দু'আ তাদের কবরে প্রশান্তির বাতাস বয়ে আনতে পারে। তাদের মর্যাদা বাড়িয়ে দিতে পারে বহুগুণ।
ঘুমানোর আগে আরেকবার তাদের কথা ভাবুন। ছোটবেলায় তারা যেমন আপনাকে পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে রাখতেন, আজ আপনি তাদেরকে আপনার দুআয় জড়িয়ে রাখুন। দুই হাত তুলে মন থেকে বলুন—
رَّب ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
"রব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগি'র।"

স‌ংগৃহীত ।

07/03/2026

সন্তানকে কখন কী শেখাবেন — এই প্রশ্নের উত্তর অনেক বাবা-মা জানেন না।

কেউ পাঁচ বছরেই সব শেখাতে চান। কেউ ভাবেন বড় হলে এমনিই শিখবে। কেউ মাদ্রাসায় দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকেন। আর কেউ শেখাতে চান কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন বুঝতে পারেন না।

এই বিভ্রান্তির কারণ একটাই — আমাদের হাতে কোনো রোডম্যাপ নেই।

কিন্তু নবীজি ﷺ-এর সুন্নতে এই রোডম্যাপ আছে। বয়স অনুযায়ী, ধাপে ধাপে। চৌদ্দশ বছর আগের এই রোডম্যাপ আজো সবচেয়ে কার্যকর — কারণ শিশুর প্রকৃতি কখনো বদলায় না।

আজকে তিনটি ধাপে সেই রোডম্যাপ বলছি।

ধাপ ১ — শূন্য থেকে সাত বছর: ভালোবাসার বীজ বোনার সময়

এই বয়সে শিশুর মন নরম মাটির মতো। যা দেবেন, গেঁথে যাবে। এই সময়ে শাসন নয়, শিক্ষা নয় — ভালোবাসা দিন।

নবীজি ﷺ নিজে নাতি হাসান ও হুসাইন (রা.)-কে কোলে নিতেন, চুমু দিতেন। একদিন এক সাহাবি বললেন — "আমার দশটি সন্তান, কিন্তু কাউকে কখনো চুমু দিইনি।" নবীজি ﷺ বললেন — "যে দয়া করে না, সে দয়া পায় না।"
(সহীহ বুখারি: ৫৯৯৭)

এই বয়সে শিশুকে তিনটি জিনিস দিন।

প্রথমত, আল্লাহর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। বৃষ্টি দেখলে বলুন — "আল্লাহ দিয়েছেন।" ফুল দেখলে বলুন — "আল্লাহ বানিয়েছেন।" শিশু প্রশ্ন করার আগেই উত্তর পাক।

দ্বিতীয়ত, বিসমিল্লাহ শেখান। খাওয়ার আগে, ঘুমানোর আগে, বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে। এই ছোট্ট শব্দ দুটো যখন অভ্যাস হয়ে যায় — সারাজীবন থাকে।

তৃতীয়ত, নবীজি ﷺ-এর গল্প শোনান। রাতে ঘুমানোর আগে। শিশু গল্প ভালোবাসে — আর নবীজির গল্পের চেয়ে সুন্দর গল্প পৃথিবীতে নেই।

ধাপ ২ — সাত থেকে দশ বছর: অভ্যাস তৈরির সময়

নবীজি ﷺ বলেছেন —

مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعِ سِنِينَ وَاضْرِبُوهُمْ عَلَيْهَا وَهُمْ أَبْنَاءُ عَشْرٍ

উচ্চারণ: মুররু আওলাদাকুম বিস সালাতি ওয়া হুম আবনাউ সাবয়ি সিনীন। ওয়াদরিবুহুম আলাইহা ওয়া হুম আবনাউ আশর।

"তোমাদের সন্তানদের সাত বছর বয়সে নামাজের আদেশ দাও। আর দশ বছর বয়সে (না পড়লে) প্রয়োজনে শাসন করো।"
(সুনানে আবু দাউদ: ৪৯৫)

লক্ষ করুন — সাত বছরে "আদেশ"। দশ বছরে "শাসন"। মাঝখানে তিন বছর। নবীজি ﷺ জানতেন — অভ্যাস তৈরিতে সময় লাগে। তাড়াহুড়ো নয়, ধৈর্য দরকার।

এই বয়সে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ — সন্তানের পাশে বসে একসাথে নামাজ পড়ুন। বাবা যদি ছেলেকে নিয়ে মসজিদে যান — সেই স্মৃতি সন্তান কখনো ভোলে না। মা যদি মেয়ের পাশে জায়নামাজ পাতেন — মেয়ে নামাজকে আনন্দের জিনিস মনে করে।

নামাজ শেখানো মানে শুধু নিয়ম শেখানো নয়। নামাজের ভালোবাসা শেখানো।

ধাপ ৩ — দশ থেকে পনেরো বছর: দায়িত্বের সময়

এই বয়সে সন্তান আর শিশু নয়। প্রশ্ন করে, যুক্তি দেয়, নিজের মতামত আছে। এই বয়সে জোর নয় — কথা বলুন।

হালাল-হারামের পার্থক্য শেখান। কেন নামাজ পড়ি — শুধু আদেশ বলে নয়, কারণ বুঝিয়ে বলুন। বন্ধু বাছাইয়ে সতর্ক করুন। নবীজি ﷺ বলেছেন — "মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের উপর থাকে।"
(সুনানে আবু দাউদ: ৪৮৩৩)

এই বয়সে একটি বিশেষ কাজ করুন। সন্তানকে ঘরের কিছু দায়িত্ব দিন। ছোট ছোট। বাজার করা, ছোট ভাই-বোনকে দেখা, মসজিদে যাওয়া। দায়িত্ব পেলে সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। আর যে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে — সে বিপথে যায় না।

আজকের জীবনে

আপনার সন্তান এখন কোন ধাপে?

শূন্য থেকে সাত — তাহলে আজ রাতে একটি কাজ করুন। ঘুমানোর আগে সন্তানকে বুকে নিন। বলুন — "আল্লাহ তোমাকে আমাকে দিয়েছেন। আল্লাহ কতই না ভালো।"

সাত থেকে দশ — আগামীকাল একসাথে নামাজ পড়ুন। শুধু পাশে বসুন। কথা না বলেও চলবে।

দশ থেকে পনেরো — আজ রাতে সন্তানের সাথে পাঁচ মিনিট বসুন। জিজ্ঞেস করুন — "তোমার কোনো চিন্তা আছে?" শুনুন। শুধু শুনুন।

রেফারেন্স:
সহীহ বুখারি: ৫৯৯৭
সুনানে আবু দাউদ: ৪৯৫, ৪৮৩৩

সংগৃহীত।

>​তাবলীগ জামাত শুধু নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা গোষ্ঠীর  জন্য নয়, বিশ্বজুড়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করছে।  বিশ্বব্যাপী মানুষের মনে...
06/25/2026

>​তাবলীগ জামাত শুধু নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, বিশ্বজুড়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করছে। বিশ্বব্যাপী মানুষের মনে ইসলামের মহান শিক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।
>​আসুন, আমরা সবাই তাবলীগ জামাতের এই মহান কাজকে সমর্থন করি এবং আল্লাহর দ্বীনের পথে মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার এই পবিত্র দায়িত্ব পালনে একসাথে এগিয়ে আসি।

প্রতিদিন সকালে একবার মনে করা দরকার, একটু পর আমি মারা গেলে কয়েক ঘণ্টা পর আমার জানাজা আর আসরের নামাজের পর আমার দাফন হয়ে ...
06/21/2026

প্রতিদিন সকালে একবার মনে করা দরকার, একটু পর আমি মারা গেলে কয়েক ঘণ্টা পর আমার জানাজা আর আসরের নামাজের পর আমার দাফন হয়ে যাবে। কয়েকদিন পরে না এক রাতও না, আজই দাফন, আজকের রাতই হবে কবরের প্রথম রাত। কোনরকম পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই, এতো বড় একটা পরীক্ষা আমাদের সামনে!

আমরা নিশ্চিন্ত থাকি কী করে!

আপনি কি জানেন, আপনার মৃত্যুর ঠিক ৪০ দিন আগে আসমানে আপনার নামে একটা ঘোষণা হয়?

সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম বলতেন, মৃত্যুর ৪০ দিন আগে থেকেই রুহের দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক আলগা হতে শুরু করে। অথচ আমরা দিব্যি খাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি, প্ল্যান করছি... কিছুই টের পাই না।

কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এতটাই দয়ালু যে, বান্দাকে খালি হাতে নেন না। যাওয়ার আগে তিনি ১টি চুপচাপ ইশারা পাঠান। সেই ইশারাটা কী?

১. দুনিয়ার স্বাদ হঠাৎ ফিকে লাগা শুরু করে।
কথিত আছে, মৃত্যু ঘনিয়ে এলে মানুষের অন্তরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। যে খাবারটা কালও প্রিয় ছিল, আজ সেটা বিস্বাদ লাগে। যে বন্ধুদের আড্ডা ছাড়া দিন কাটতো না, হঠাৎ তাদের সঙ্গ অসহ্য লাগে। মন শুধু একটা কথাই বলে — "কিছু একটা মিসিং"।

ইমাম গাজ্জালী রহ. তাঁর 'ইহইয়াউ উলুমিদ্দীন' কিতাবে এক বুজুর্গের ঘটনা বলেন। সেই বুজুর্গ মৃত্যুর ৪০ দিন আগে থেকে হঠাৎ চুপ হয়ে যান। পরিবার জিজ্ঞেস করলে বলেন, "আমার জিভে দুনিয়ার কোনো খাবারের স্বাদ পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে, আমাকে অন্য কোথাও দাওয়াতের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।" ঠিক ৪০ দিনের মাথায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

২. চোখের পানি কারণ ছাড়াই চলে আসে
ব্যাখ্যা ছাড়া কান্না। নামাজে দাঁড়ালে, কুরআন শুনলে, এমনকি রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে চোখ ভিজে যায়। দুনিয়ার কোনো কষ্ট না, তবুও বুকের ভেতর হাহাকার।

উলামায়ে কেরাম বলেন, এটা রুহের কান্না। কারণ রুহ বুঝে যায়, তার দুনিয়ার সফর শেষের দিকে। সে তার রবের সাথে মোলাকাতের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। কিন্তু আমরা ভাবি, "হয়তো মন খারাপ"।

৩. সেই ১টি ইশারা: "ফিরে আসার তীব্র ইচ্ছা"

এবার আসল কথাটা শুনুন।

মৃত্যুর ৪০ দিন আগে আল্লাহ বান্দার অন্তরে তওবার একটা আগুন জ্বালিয়ে দেন। হঠাৎ করে মনে হয়, "ইশ! জীবনে কত গুনাহ করলাম। যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম, সব শুধরে নিতাম। যদি মা-বাবার পা ধরে মাফ চাইতে পারতাম। যদি একবার সিজদায় পড়ে মন খুলে কাঁদতে পারতাম।"

এই ইচ্ছাটাই হলো আল্লাহর পাঠানো শেষ ইশারা। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা "ওয়ার্নিং" না, এটা একটা "মার্সি কল"। তিনি চান, বান্দা যেন পাক-সাফ হয়ে তাঁর কাছে ফিরে।

সমস্যা হলো, ৯০% মানুষ এই ইশারাকে 'ডিপ্রেশন' বা 'মনের ভুল' ভেবে উড়িয়ে দেয়। দুনিয়ার কাজে আরও বেশি ডুবে যায়। আর ১০% মানুষ ঠিকই বুঝে ফেলে। তারা তওবা করে, কাদা-মাটির দুনিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

শেষ কথাটা কলিজায় লাগবে...
প্রিয় ভাই/বোন, আপনার-আমার মৃত্যুর ৪০ দিন কখন শুরু হবে, সেটা একমাত্র আল্লাহ জানেন। হতে পারে, আপনি এই লেখাটা পড়ছেন, আর আপনার ৪০ দিন অলরেডি শুরু হয়ে গেছে।

কুরআনে আল্লাহ বলেন: "কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন জমিনে সে মৃত্যুবরণ করবে"।

তাই এই ইশারার জন্য ৪০ দিন অপেক্ষা করবেন না। আজ, এখনই, এই মুহূর্তে যদি বুকের ভেতর তওবার ইচ্ছাটা জাগে, বুঝে নেবেন — এটাই আল্লাহর ডাক।

উঠে দাঁড়ান। ২ রাকাত নামাজ পড়ুন। মা-বাবাকে ফোন দিন। যার হক মেরেছেন, ফিরিয়ে দিন। কারণ আমরা কেউ জানি না, আমাদের নামে আসমানে ঘোষণা কবে হয়ে যাবে...

আপনি কি চান, মৃত্যুর আগে আল্লাহ আপনাকে এই ইশারাটা দিন?
'আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খাতিমাহ' বলে দুআ করুন — "হে আল্লাহ, আমাকে সুন্দর মৃত্যু দিও"।

সংগৃহীত।

06/10/2026

★★★গিবত ও তার ভয়াবহ পরিণাম★★★

(মুফতি মুহিব্বুল্লাহ হাবিবী) :

সুরা হুজরাতের ১২ নম্বর
আয়াতে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন এমন একটি ভয়াবহ গুনাহর দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যা থেকে আমরা কেউ নিরাপদ নই ইমাম-খতিব, আলেম-উলামা, হাজি-গাজি, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার প্রায় সব শ্রেণির মানুষই এ গুনাহ টির সাথে জড়িত। এমন কোনো মজলিস নেই, যা এই গুনাহ থেকে মুক্ত। এমনকি কোথাও দু'- চারজন একসাথ হলে শুরু হয়ে যায় গুনাহটির চর্চা। এই গুনাহটির নাম হলো- "গিবত", যাকে বাংলাতে বলা হয়- পরনিন্দা। অর্থাৎ কারো পশ্চাতে তার সমালোচনা করা।
যে সমালোচনা করা হয়, যদি সেটা বাস্তবেই তার মধ্যে থাকে, তাহলেই হবে গিবত। আর যদি না থাকে, তাহলে হবে মিথ্যা অপবাদ। যা গিবতের চেয়ে আরো মারাত্মক। যেমন- কেউ বাস্তবেই কৃপন, আর আপনি তার পশ্চাতে তাকে কৃপন বললেন, গিবত হয়ে গেল। কেউ বাস্তবেই বদমেজাজি, আপনি তার পশ্চাতে তাকে বদমেজাজি বললেন, এটাও গিবত হয়ে গেল। এভাবে যে দোষ তার মধ্যে আছে, সেটা নিয়ে আলোচনা করার নামই হলো গিবত।
মুসলিম শরিফে আছে, হজরত আবু হুরাইরা (রা:) বলেন- একদিন রাসুল (সঃ) সাহাবায়ে কেরামকে জিজ্ঞেস করলেন- তোমরা কি জান গিবত কী জিনিস? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তোমার ভাইয়ের পশ্চাতে এমন আলোচনা করা, যা তার পছন্দ নয়। কেউ বলল- ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি যা বলছি, যদি তা তার মধ্যে থাকে?
রাসুল (সঃ) বললেন, যদি তা তার মধ্যে থাকে তাহলেই তো গিবত হবে। আর যদি না থাকে, তাহলে হবে মিথ্যা অপবাদ। যা গিবতের চেয়ে আরও মারাত্মক। (মুসলিম: ২৫৮৯, আবু দাউদ: ৪৮৭৪, সুনানুল কুবরা ২১১৬৩, বায়হাকি ৬২৯৩)
বুঝা গেল-কারো পশ্চাতে তার বাস্তব দোষচর্চা করার নামই হলো গিবত। চাই সেটা মুখে বলুক বা ইশারা করে বলুক। এ জন্য মুহাদ্দিসিনে কেরাম লিখেছেন, গিবত চার প্রকার:
★১. জবান দ্বারা গিবত করা: বর্তমানে এ প্রকার গিবতটাই সবচেয়ে বেশি। সমাজে এমন কিছু লোক আছে, গিবত যাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এদের কোনো কাজ নেই; শুধু অন্যের পেছনে লেগে থাকে। অন্যের সমালোচনা করে তারা খিলখিলিয়ে হাসে। তাদের পরকালীন জীবন যে কত ভয়াবহ হবে, তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই ভালো জানে।
★২.অন্তরে গিবত করা : অর্থাৎ কাউকে অন্তরে অন্তরে হেয় করা, কারো প্রতি খারাপ ধারণা করা, অথবা নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভেবে অন্যকে তুচ্ছ মনে করা। এ কু-ধারণা গুলোও গিবতের অন্তর্ভুক্ত। বাহ্যিকভাবে মুখে কিছু না বললেও অন্তরে কারো প্রতি এমন ধারণা পোষণ করা গিবতের শামিল।
★৩. লেখার মাধ্যমে গিবত করা:- এটা কাগজ-কলমের মাধ্যমেও হতে পারে, আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট বা মন্তব্য করার মাধ্যমেও হতে পারে। যেভাবেই হোক-লিখিত আকারে কারো সমালোচনা করা গিবতের অন্তর্ভুক্ত। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আজকাল প্রিন্ট মিডিয়া বা ফেসবুক যেন মিথ্যা ও গিবতের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। পান থেকে চুন খসলেই তা ফেসবুকে চলে আসে। অথচ যারাই এ কাজ গুলো করছে, তাদের প্রতিটি লেখা ও প্রতিটি অক্ষর ভয়াবহ কবিরা গুনাহে পরিণত হচ্ছে, যা আল্লাহ তাআলা স্বেচ্ছায় কখনো ক্ষমা করবেন না। ফেসবুকে লেখালেখি করলে কি সংশোধন হয়ে যাবে? তাহলে কেন নিজের আখেরাত নষ্ট করে অন্যকে সংশোধন করার চেষ্টা চলছে?
★৪. ইশারায় গিবত করা: অর্থাৎ ইশারা-ইঙ্গিতে কারো সমালোচনা করা। চাই চোখের ইশারায় হোক আর হাতের ইশারায় হোক, ঠোঁট বাঁকানোর মাধ্যমে হোক বা কারো হাঁটা-চলা ও কণ্ঠস্বর নকল করার মাধ্যমে হোক। সবই গিবতের অন্তর্ভুক্ত। অনেকে সরাসরি মুখে বলেন না, কিন্তু ইশারা-ইঙ্গিতে অন্যের দোষচর্চা করেন। ইসলামের দৃষ্টিতে এটিও গিবতের শামিল।

সংগৃহীত।

06/02/2026

*আল্লাহর পক্ষ থেকে মেহমানদারি : নিজেও গ্রহণ করব, অন্যকেও শরীক করব*

আমরা কুরবানী করব, আল্লাহ তাআলার মেহমানদারি গ্রহণ করব। আল্লাহ তাআলার হুকুম মোতাবেক কুরবানীর গোশত নিজেরাও খাব আল্লাহর বান্দাদেরও মেহমানদারীতে শরীক করব। আল্লাহ তাআলার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এটাও একটা মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা বলেছেন-

فَاِذَا وَجَبَتْ جُنُوْبُهَا فَكُلُوْا مِنْهَا وَ اَطْعِمُوا الْقَانِعَ وَ الْمُعْتَرَّ، كَذٰلِكَ سَخَّرْنٰهَا لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ.

তারপর যখন (যবেহ হয়ে যাওয়ার পর) তা (পশুগুলো) কাত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়, তখন তার গোশত হতে নিজেরাও খাও এবং ধৈর্যশীল অভাবগ্রস্তকেও খাওয়াও, এবং তাকেও, যে নিজ অভাব প্রকাশ করে। এভাবেই আমি এসব পশুকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। -সূরা হজ্ব (২২) : ৩৬

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা.-এর এক বর্ণনায় এসেছে-

فَكُلُوا وَادّخِرُوا وَتَصَدّقُوا.

‘খাও, সংরক্ষণ কর এবং সদকা কর।’ -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৭১

বিশেষ করে সঙ্কটকালীন এ মুহূর্তে আল্লাহর বান্দাদের প্রতি খেয়াল করা আমাদের বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। কুরবানী না করে অর্থ দানের ‘অতি উপদেশ’ নয়; বরং কুরবানী করে এর গোশতের অধিকাংশ বিলিয়ে দেওয়া এসময়ের কর্তব্য। এ আমাদের নবীজীর শিক্ষা। হযরত সালামা ইবনুল আকওয়া রা. থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

مَنْ ضَحّى مِنْكُمْ فَلاَ يُصْبِحَنّ بَعْدَ ثَالِثَةٍ وَبَقِيَ فِي بَيْتِهِ مِنْهُ شَيْءٌ، فَلَمّا كَانَ العَامُ المُقْبِلُ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، نَفْعَلُ كَمَا فَعَلْنَا عَامَ المَاضِي؟ قَالَ: كُلُوا وَأَطْعِمُوا وَادّخِرُوا، فَإِنّ ذَلِكَ العَامَ كَانَ بِالنّاسِ جَهْدٌ، فَأَرَدْتُ أَنْ تُعِينُوا فِيهَا.

তোমরা যারা (এবছর) কুরবানী করেছ তাদের বাড়িতে যেন তিন দিনের পরে কুরবানীর (গোশতের) কোনো অংশ অবশিষ্ট না থাকে। (সাহাবীরা এমনটিই করলেন)। পরের বছর কুরবানী এলে তারা জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহর রাসূল! গত বছর যেমন করেছি (অর্থাৎ তিন দিনের পরে কুরবানীর আর কোনো গোশত জমা রাখিনি; বরং সব বিলিয়ে দিয়েছি) এবছরও কি তেমন করব? তখন নবীজী বললেন, (এ বছর) তোমরা (তিন দিনের পরেও) খেতে পার, জমা করেও রাখতে পার। গত বছর মানুষের অভাব ছিল, তাই আমি চেয়েছিলাম, তোমরা (কুরবানীর গোশতের মাধ্যমে) মানুষকে সহায়তা কর, মানুষের পাশে দাঁড়াও। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৫৬৯

সুতরাং শুধু কুরবানীর গোশত দ্বারা নয়; সাধারণ দান-সদকার অর্থ দ্বারাও বিত্তবানরা অভাবীদের পাশে দাঁড়াবেন। করুণা মনে না করে নিজের দায় থেকে তাদের প্রতি এগিয়ে আসবেন। বিশেষ করে ঐসকল ব্যক্তি ও পরিবারের প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন, যারা প্রয়োজনগ্রস্ত, অথচ নিজের প্রয়োজন প্রকাশ করতে পারে না।

مُفْتِي شَمْسُ العَالَمِ
الأُسْتَاذُ الرَّئِيسِي
جَامِعَةُ الإِسْلَامِيَّةِ إِمْدَادُ العُلُومِ

সংগৃহীত।

06/01/2026

Ya Taiba Ya Taiba | K A Kalam Mita

06/01/2026

আপনি কি কখনো ভেবেছেন —

যখন আপনি জায়নামাজে দাঁড়িয়ে বলেন "আল্লাহু আকবার"...তখন আল্লাহ ঠিক কোথায় থাকেন?

এই প্রশ্নটা হয়তো কখনো মাথায় আসেনি।
অথবা এসেছে — কিন্তু উত্তর খোঁজার সাহস হয়নি।

কিন্তু চৌদ্দশো বছর আগে, এক সাহাবী এই প্রশ্নের উত্তর জেনেছিলেন।

এবং সেই উত্তর শুনে —
তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন। জ্ঞান হারিয়ে।

আজ সেই গল্পটাই বলব।

একটি রাতের ঘটনা — মদিনার অলিতে গলিতে মদিনার রাত। চাঁদের আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে পথঘাট।

মসজিদে নববীতে তখনো প্রদীপ জ্বলছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর সাহাবীদের নিয়ে বসে আছেন।

সেদিন এক সাহাবী — হযরত আবু যর গিফারী (রা.) —
রাসূলের ﷺ কাছে এসে বসলেন।

মনের ভেতর একটা প্রশ্ন অনেকদিন ধরে ঘুরছে।
লজ্জায় জিজ্ঞেস করতে পারছেন না।
কিন্তু আজ আর থাকা গেল না।

আস্তে আস্তে বললেন —

"ইয়া রাসূলাল্লাহ... নামাজে যখন আমি দাঁড়াই... আল্লাহ তখন কোথায় থাকেন?"

মসজিদে একটু নীরবতা নামল।

রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর দিকে তাকালেন।
সেই চোখে ছিল অসীম মায়া।

তারপর ধীরে ধীরে বললেন —
"আল্লাহ তা'আলা বান্দার দিকে মুখ করে থাকেন — যতক্ষণ সে নামাজে থাকে এবং অন্যদিকে মনোযোগ না দেয়।"
(সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ১১৯৫)

আবু যর (রা.) কথাটা শুনলেন।

এক সেকেন্ড।
দুই সেকেন্ড।

তারপর হঠাৎ —
তাঁর চোখ দুটো ভরে উঠল।
পা কাঁপতে শুরু করল।
বুকের ভেতর কী যেন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

আল্লাহ... নামাজে... আমার দিকে মুখ করে থাকেন?

সেই সত্ত্বা— যিনি সমগ্র সৃষ্টিজগতের মালিক —

যাঁর একটি "কুন" বলায় পৃথিবী তৈরি হয়েছে —
তিনি... আমার মতো একজন সামান্য বান্দার দিকে মুখ করে থাকেন?

এবং আমি... নামাজে দাঁড়িয়ে এদিক-ওদিক তাকাই?
মাথায় সংসারের চিন্তা ঘোরে?
বাজারের হিসাব করি?

এই ভাবনা এসে আঘাত করল বুকের মাঝখানে।
আর সেই আঘাত সহ্য করতে পারলেন না আবু যর (রা.)।
মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন।
জ্ঞান হারিয়ে।

আল্লাহ কি সত্যিই এতটাই কাছে থাকেন?
এটা কি শুধু একটা গল্প?
না।

কুরআনে আল্লাহ নিজেই বলেছেন —
"আমি তোমার শাহরগ (গলার শিরা) থেকেও বেশি কাছে।"
(সূরা ক্বাফ: ১৬)

আরেক হাদিসে আল্লাহ বলেন —
"বান্দা যখন নামাজে দাঁড়ায়, আমি তার সামনে থাকি। সে যদি ডানে তাকায়, আমিও তার ডানে। বামে তাকালে আমিও বামে। সরাসরি সামনে তাকালে — আমি তার সামনে।"
(মুসনাদে আহমাদ)

একটু থামুন।

এই কথাটা আবার পড়ুন।
আল্লাহ আপনার সামনে থাকেন — নামাজে।
তিনি আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন।
আপনার ঠোঁটের নড়াচড়া দেখছেন।
আপনার চোখের পানি দেখছেন।
আপনার বুকের কান্না শুনছেন।

আমরা কি জানি — নামাজে কাকে পাচ্ছি?

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন,
রাসূলুল্লাহ ﷺ একদিন বললেন —
"তোমরা কি জানো — নামাজে বান্দা কার সাথে কথা বলে?"

সাহাবীরা চুপ।

রাসূল ﷺ বললেন —
"সে তার রবের সাথে কথা বলে। তাই সে যেন ভালো করে ভাবে — সে কীভাবে কথা বলছে।"
(মুস্তাদরাকে হাকিম)

ভাবুন একবার।

দুনিয়ার কোনো বড় নেতার সাথে দেখা হলে আমরা কতটা প্রস্তুতি নিই।
পোশাক ঠিক করি।
কথা গুছিয়ে নিই।
মনোযোগ দিই।

কিন্তু —
আল্লাহর সাথে কথা বলার সময় — মন থাকে বাজারে।

সেই সাহাবী কেন অজ্ঞান হলেন — আসল কারণ

আবু যর (রা.) অজ্ঞান হননি ভয়ে।
তিনি অজ্ঞান হয়েছিলেন লজ্জায়।
সারাজীবন নামাজ পড়েছেন।
কিন্তু কখনো ভাবেননি —
এই নামাজে আল্লাহ নিজে সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এই সত্যটা বুকে লাগতেই —
তাঁর হৃদয় আর নিতে পারেনি।

আর আমরা?

আমরা প্রতিদিন পাঁচবার এই সুযোগ পাচ্ছি।
প্রতিদিন আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ করে অপেক্ষা করছেন।

এবং আমরা মোবাইল রেখে উঠি।
তাড়াতাড়ি শেষ করে চলে যাই।
মাথায় থাকে অফিসের মিটিং।

শেষ কথা — আজকের নামাজটা একটু আলাদা হোক
আজ যখন নামাজে দাঁড়াবেন —
একটু থামুন।
চোখ বন্ধ করুন।

মনে করুন —
আল্লাহ এখন আপনার সামনে।
তিনি আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন।
তিনি শুনছেন।

শুধু এটুকু মনে রাখুন।

দেখবেন — আপনার চোখও ভিজে আসবে।
হয়তো আবু যর (রা.)-এর মতো না —
কিন্তু বুকের ভেতর কিছু একটা নড়ে উঠবে।
সেটাই ইমান।
সেটাই নামাজের প্রাণ।

"যে ব্যক্তি এমনভাবে নামাজ পড়ে — যেন সে আল্লাহকে দেখছে — এটাই হলো ইহসান।"
(সহিহ মুসলিম — হাদিসে জিবরাঈল)

পোস্টটি শেয়ার করুন — হয়তো আপনার একটি শেয়ারে কারো নামাজ বদলে যাবে।

#নামাজ #ইসলাম #আল্লাহ #সাহাবী #হাদিস #ইসলামিকপোস্ট #ভাইরাল #বাংলাইসলাম #কুরআন

সংগৃহীত।

Address

New York, NY

Telephone

+17182004634

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Darul Uloom Baraikhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Darul Uloom Baraikhali:

Shortcuts

Share