Ex-Muslim Bangladesh

Ex-Muslim Bangladesh This page a part of Organization Of Ex-Muslim Bangladesh Who left The "Islam" and be an Atheist. Its ensure to protect the extremist muslim.

This Organization Also support other religion people who left their religion and it also help to rights of Atheist

10/06/2020

বাইবেলের ভেদ উন্মোচন: পর্ব ০১

কোন মেয়েকে বিয়ে করার পরে বাসর ঘরে যদি সেই মেয়ে তার কুমারীত্বের প্রমাণ না দিতে পারে তাহলে সেই মেয়েকে পাথর ছুড়ে হত্যা করতে হবে এবং তার বাবাকে 100 শোল (তৎকালীন কারেন্সি) জরিমানা এবং গ্রাম ত্যাগ করাতে বাধ্য করতে হবে। এটা ঈশ্বরের বিধান। (ডিউটেরিনমি: ২২: ২০-২১)

সব ঈশ্বরের কাছে ঘুরেফিরে মেয়েদের ভার্জিনিটি নিয়ে সমস্যা কেন আজও বুঝতে পারলাম না!! আমার মনে হয় উনি সর্বদ্রষ্টা তো ; যখন উনি সবকিছু দেখে , কখন কোন মেয়ে ভার্জিনিটি হারাচ্ছে তখন ওনার মনের মধ্যে আফসোস সৃষ্টি হয়।
চিল্লায় কন ভাই সব, ঠিক কিনা বেঠিক!!!

Satire by #ভবঘুরে
-Muslim Bangldesh

বিজ্ঞানময় কুরআন : প্রশ্ন -২১কুরানের একটা সিঙ্গেল আয়াতও খুঁজে পাওয়া যায় না যা ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবী গোলাকার (স্ফেরিক্...
10/04/2020

বিজ্ঞানময় কুরআন : প্রশ্ন -২১

কুরানের একটা সিঙ্গেল আয়াতও খুঁজে পাওয়া যায় না যা ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবী গোলাকার (স্ফেরিক্যাল) বরং এটা নির্দেশ করে যে পৃথিবী সমতল (like Carpet) (Quran 15:19, 20:53, 43:10, 50:7, 51:48, 71:19, 78:6, 79:30, 88:20, 91:6, 2:22, 18:86, 18:47) ! তাহলে আপনি কিভাবে দাবি করেন কুরান সকল বিজ্ঞানের উৎস ?

প্রসপেক্ট:
সবথেকে বড় মজার বিষয় হচ্ছে বাজারে একই কোরআন শরীফের হাজার হাজার অনুবাদ পাওয়া যায় যারা একটা অনুবাদ আরেকটা অনুবাদের সাথে সম্পূর্ণভাবে পার্থক্য তৈরী করে, কিছু আধুনিকমনা মানুষ এবং না ইদানিং তাদের তফসিল বিজ্ঞানের নানান কিছু আবিস্কারের সাথে সাথে যখন এসব ধর্মের গাঁজাখুরি গল্প বের হয়ে যাওয়ার গন্ধ পায় তখন তারা অনুবাদ চেঞ্জ করে শব্দের হেরফের তৈরি করে।
এজন্য আপনি কোন একটা কোরআনের আয়াতের বিষয়ে কোন একটা কথা বলবেন আপনার সামনের কাঠমোল্লা ব্যক্তি আপনাকে বলবে এই অনুবাদ টা ভুল আছে এটা এভাবে হবে না ওটা হবে না কিন্তু তাকে বলবেন যদি এই অনুবাদ ভুল থাকে তাহলে কোনটা ভুল আছে এটা কে নষ্ট করে ফেলুন তখন বলবে জানা করা যাবে না এভাবেই কোরআনের অনুবাদ বাড়তে বাড়তে বাজারে প্রায় তিন হাজার রকমের শুধুমাত্র ইংলিশ অনুবাদ কোরআন আছে।?😝😝

চৌদ্দশ বছর থেকে কুরআনকে বিজ্ঞানের সাথে মেলানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে কিন্তু এখন পর্যন্ত একটা ইউনিক অনুবাদ তৈরি করতে পারল না যে অনুবাদ থেকে সকল মানুষ এক যোগে মেনে নিবে।

তাহলে তারা কিভাবে দাবি করে এই কোরআন বিজ্ঞানময় কোরআন এখান থেকে সবকিছু জ্ঞান-বিজ্ঞান চুরি-চামারি করে ইহুদি খ্রিস্টানরা জ্ঞান-বিজ্ঞান তৈরি করেছে? 🤔

Satire by #ভবঘুরে
Read Full Para : fb/exmuslimbd

শয়তান যখন আল্লাকে প্রশ্ন করেছিল.. আদম কোন হিসাবে ফেরেস্তাদের চেয়ে উন্নত যে তাকে সিজদা করতে হবে?তখন আল্লা তার কোনো উত্তর ...
09/30/2020

শয়তান যখন আল্লাকে প্রশ্ন করেছিল..
আদম কোন হিসাবে ফেরেস্তাদের চেয়ে উন্নত যে তাকে সিজদা করতে হবে?তখন আল্লা তার কোনো উত্তর না দিয়েই তাকে স্বর্গ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। সেদিন থেকেই শয়তান আদমের শত্রু।

তার পর থেকে মানুষকে শয়তানের থেকে দূরে রাখার জন্য আল্লা ক্রমাগত হুমকি ধমকি সমেত উপদেশ দিয়ে চলেছেন। 2 লক্ষ 24 হাজার এজেন্ট পাঠিয়েছে যাতে তারা শয়তানের আদেশ না মেনে একমাত্র আল্লাহর আদেশ মানে এবং শুধুমাত্র তাকে সেজদা করে!! এবং নবী রাসুলের সেই উপদেশ না শুনলে নরকের আগুনে পোড়াবেন অনন্তকাল ধরে!!

এর চাইতে কি শয়তানের এই একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তাকে শান্ত করা বেশি কঠিন ছিল? মানুষের জন্য হাজার হাজার সহজ উপদেশ আর কঠিন শাস্তির ফিরিস্তি না দিয়ে যদি শয়তানের এই একটি প্রশ্নের উত্তর সহজ করে দেওয়া যেত, কিম্বা তাকেই কঠিন শাস্তির হুমকি দেওয়া হত তবে তো অনেক সুবিধা ছিল।

এবং আরেকটা প্রশ্ন ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র আল্লাহ কি সিজদা করা যাবে অন্য কাউকে সেজদা করলে সেটা শিরক হবে এবং শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করা হবে না তাকে অনন্ত কাল ধরে নরকের আগুনে পোড়ানো হবে। অথচ সেই আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের কে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সিজদা করার জন্য বলতেছে? এখানে আল্লাহ নিজেই তো কনফিউজ কখন কি বলেছে তার নিজের কথার কোন মূল্য নাই!!

আসমানে কোন ধরনের গাঁজার চাষ হয় সেটা জানতে পারলে ভালো হতো!!
-------------
এ ধরনের গাঁজাখুরি গল্প ততদিনই লোকে বিশ্বাস করে যতদিন প্রশ্ন করতে না শেখে। আর এজন্যই ইসলামে প্রশ্ন করা নিষেধ!!! চোখ বুজে অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে হবে যা কিছু কুরআন হাদিসে আছে!!

Satire by #ভবঘুরে
Read More Visit fb/exmuslimbd

বিজ্ঞানময় হিন্দু ধর্ম : পর্ব ০৬ । (হনুমান দ্বারা পর্বত স্থানান্তর!)সে আজ থেকে অনেক অনেক বছর আগের কথা......তখন ছিল ত্রেত...
09/29/2020

বিজ্ঞানময় হিন্দু ধর্ম : পর্ব ০৬ । (হনুমান দ্বারা পর্বত স্থানান্তর!)

সে আজ থেকে অনেক অনেক বছর আগের কথা......
তখন ছিল ত্রেতা যুগ, হিন্দু পুরাণ মতে ভগবান রাম বিয়ে করে তার সৎ মায়ের ষড়যন্ত্রে রাজ্যপাট ছেড়ে বনবাস ভোগ করতে ছিল। রামের সবথেকে প্রিয় ভাই লক্ষণ সাথেই গেছিল। এভাবে দিনকাল ভালই চলতেছিল , বনবাসের শেষ বর্ষে ত্রিভুবনের শ্রেষ্ঠ রাজা রাবণের বোন ওই জঙ্গলে ঘুরতে আসে, রাজকুমারী সুরপানাখা লক্ষণ চন্দ্র কে পছন্দ করে ফেলেন এবং সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেয় কিন্তু লক্ষণ সেন প্রচন্ড রাগী ছিল এজন্য তার প্রস্তাবে রাজী হয়না একটা পর্যায়ে সূর্পনখা রাজকুমারী হাওয়াই লক্ষণ কে জোর জবরদস্তি করে বিয়ে করতে চাই।
যেহেতু লক্ষণ আগে থেকেই বিবাহিত ছিল সেজন্য লক্ষণ রাজকুমারী এর নাক কেটে দেয়। নিজ বোনের এমন অপমানজনক পরিস্থিতি এবং রাজকুমারীর এমন দুর্দশা দেখে লংকা বাঁশি প্রচন্ড রাগে ঝলসে ওঠে, যেহেতু রাবণ সেই সময়ই একনাগাড়ে ধরতি পাতাল এবং স্বর্গের অধিপতি ছিল সেজন্য কিছুটা অহংকার বোধ তার ভিতরে জন্মেছিল এবং সে নিজ বোনের অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য রামচন্দ্র এবং লক্ষণকে একটা শিক্ষা দিতে চাই।
নারী অপমানের জন্য মহান রাজা রাবণ এবং তাকে রাজা হিসেবে মান্য করা জঙ্গলের আদিবাসী লোকজন এবং রামের ভিতরে যুদ্ধ তৈরি হয়, অবশ্য এমন পরিস্থিতির তৈরি অনেক আগে থেকেই হয়েছিল যখন রামের দ্বারা রাবণ এর একটা অধিপতি তার কাছে তারকা হত্যাকাণ্ড ঘটে। কিন্তু তারকা একটু অত্যাচারিত শাসক ছিল বলে রাবণ সেই সময় কোন ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি যদিও তারকা তার নিয়োগপ্রাপ্ত রাজা ছিল উক্ত আদিবাসী এলাকার। একাহিনি অন্য আরেকদিন হবে।

যাইহোক
রাজা রাবণ লক্ষণ কে একটা উচিৎ শিক্ষা দিতে এসে দেখে কুঠিতে রাম লক্ষণ কেউ নাই , তাদেরকে না পেয়ে রামের সঃধর্মিনি সীতাকে সসম্মানে তুলে নিয়ে যায় যাতে লক্ষণ লক্ষণ দ্বারা সূর্পনখার নাককাটা প্রতিবাদস্বরূপ। এবং রাজা রাবণ তার সবথেকে সুন্দর মনোরম উদ্যান অশোক বাটিকা তে সীতা মাতাকে সসম্মানে স্থান দেয়।
এদিকে রাম এবং লাক্সমান সীতাকে উদ্ধার করার জন্য শ্রীলঙ্কাতে গিয়ে পৌঁছায় বানর সেনা সহায়তায়, ! বানর এবং হনুমান এবং জামবনি বাহিনী (যাকে আধুনিক বাংলা গরিলা বনমানুষ বলে) চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে থাকে লঙ্কার প্রশাসনিক কাঠামোতে।

নিজ দেশে উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়া দেখে রাজা রাবণ তার উপযুক্ত সন্তান মহান যোদ্ধা মেঘনাথ কে বিষয়টি নিষ্পন্ন করার জন্য পাঠায়, প্রথমে কথাবার্তায় যখন কাজ হয়না তখন এক পক্ষে বানর সেনা , কিশকিন্ধা সেনা রাজা সুগ্রীব যেটার নেতৃত্ব দিয়েছিল এবং রাম লক্ষণ অপরপক্ষে লংকা বাহিনী অধিনায়ক মেঘনাথ, (এই সেই মেঘনাথ যে দেবতাদের রাজা ইন্দ্র কে পরাজিত করে ইন্দ্রজিৎ উপাধি লাভ করেছিল ভগবান শিবের কাছ থেকে।)
যাদের ভিতরে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের একটা পর্যায়ে মেঘনাথ এর ভয়াবহ আঘাতে লক্ষণ অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চেতনা হারিয়ে ফেলে। যুদ্ধ থেমে যায় এদিকে মেঘনাথ ভাবে লক্ষণ হয়তো মারা গেছে তাই সে রাজদরবারে ফিরে যাই বিষয়টি নিষ্পন্ন হয়েছে এমন সুখবর দেওয়ার জন্য।

এদিকে বানর সেনা এবং কিশকিন্ধা বাহিনীর মধ্যে শোকের ছায়া;
বনবাসে এসে আগেই জীবন সঙ্গিনী রাবণের বাহিনী দ্বারা কিডন্যাপ হওয়ায় ব্যথিত রামের চোখে এবার ভাইয়ের মৃত্যু সম্ভাবনা দেখে পানি চলে আসে,

তাকে সহায়তার জন্য দেশদ্রোহী সিংহাসন লোভী বিভীষণ "[এই সেই ব্যক্তি যাকে শ্রীলংকার লোকজন মহাপাপী বলে আখ্যায়িত করেছে এবং পৃথিবীর ইতিহাসে এই ব্যক্তি রামের সহায়তা করলেও বিভীষণ নাম কেউ কখনো রাখে না, যা দ্বারা বোঝা যায় বিভীষণ কতটা মহাপাপী ছিল কতটা বেইমান ছিল]"
রাম কে বলে আমি লক্ষণকে পরীক্ষা করে দেখলাম সে এখনো বেঁচে আছে। শ্রীলঙ্কাতে একজন খুব উচ্চ মানের কবিরাজ আছে যার নাম শুষেন , সে ই একমাত্র লক্ষণ কে বাঁচাতে পারদর্শী। তুরন্ত বৈদ্য সুষেন এসে ভালো কোরে চেকআপ করে রামচন্দ্র কে বলেন তাকে বাঁচাতে হলে একমাত্র সঞ্জীবনী বুটি ছাড়া আর কোন কিছুতে সম্ভব নয় তাও আবার সূর্য উদয় হওয়ার আগেই নিয়ে আসতে , সবাই চিন্তায় পড়ে যাই কারণ সঞ্জীবনী বুটি একমাত্র হিমালয় পর্বতমালার দ্রোণাগিরি পর্বতে পাওয়া যেতো, যার দূরত্ব প্রায় 2500 কিলোমিটার লংকা থেকে। রামের কাছে রাজা রাবণের মত কোন ধরনের পুষ্পক বিমান ছিল না যে চোখের নিমিষে শ্রীলঙ্কা থেকে হিমালয় পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। তবে তাদের কাছে আকাশে উড়তে পারে এমন প্রজাতির এক হনুমান ছিলো যার নাম ছিল মারুতি। 😝

সবকিছু শোনার পরে এই দায়িত্ব পড়ে হনুমানের উপরে কারণ সে তীব্র গতিতে আকাশে উড়ে চলতে পারতো পাংখা ছাড়াই, [এসব উড়াউড়ি দেখেই পরবর্তীতে প্যারাসুট ড্রাইভিং এবং বিমান আবিষ্কার হয়েছে হইতো😝]
হনুমান শোনামাত্র হিমালয় পর্বতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলো কিন্তু সমস্যা হচ্ছে হিমালয় পর্বতে পৌঁছে dronagiri পর্বত খুঁজে পেলেও, সঞ্জীবনী বুটি খুঁজে পাইল না এদিকে সময় চলে যাচ্ছিল ভোর হয়ে আসতেছিল; সূর্য পূর্ব আকাশে উদয় হয়ে আসতে ছিল , যদি সূর্য আলো পৃথিবীতে স্পর্শ করে তাহলে লক্ষণ মারা যাবে এ জন্য তাড়াহুড়া করে পুরো আস্তা পর্বত উপরিয়ে হাতের তালুতে উঠিয়ে উত্তরাখণ্ড থেকে শ্রীলঙ্কাতে নিয়ে চলে আসলো। 😝

"এটা অনেক বড় কাহিনী এত ছোট ভাবে পুরো কাহিনী বলা সম্ভব না কেউ যদি জানতে চাই তাহলে রামায়ণ কিনে পড়তে পারে, আর যদি আমার কাছ থেকে জানতে চান তাহলে কমেন্টস করবেন আমি আমার মতো করে ছোট ছোট পর্ব করে স্যাটায়ার ভাবে লিখে দিব অনেক মজাদার কাহিনী।"

যাউগ্গা সেকাহিনী অন্য আরেকদিন বলব; এখন আসল কাহিনীতে আসি, হনুমানের হাতের তালুতে করে পুরো পর্বত যখন নিয়ে আসলো, সেখান থেকে বৈদ্য সুষেন সঞ্জীবনী বুটি খুঁজে লক্ষণের জীবন বাঁচালো। এখানে আরেকটা কথা উল্লেখ্য রামায়ণের আসলে অনেকগুলো ভার্সন আছে এলাকাভিত্তিক দক্ষিণ ভারতের রামায়ণ একরকম উত্তর ভারতের রামায়ণ একরকম বিহার বাংলা রামায়ণ আরেকরকম মধ্যপ্রদেশের আরেকরকম উত্তরপ্রদেশের আরেকরকম, এর ভিতর বিহারের এক রামায়ণের ভিতরে আছে শ্রীলঙ্কাতে অবস্থিত, কুদাহাগালা পর্বত (উচ্চতা -৭৬১২ ফিট) আগে হিমালয় পর্বত শ্রেনীর ভিতরে ছিল কিন্তু লক্ষণের জান বাঁচানোর জন্য হনুমান সেই পাহাড়টাকে হিমালয় থেকে শ্রীলঙ্কাতে নিয়ে গেছিল এবং সেখানে বসিয়ে দিয়েছে। তারপর থেকে সেখানেই অবস্থান করতেছে। 😝😝

এখন আসি এই আষাঢ়ে গল্পের দুইটা প্রশ্ন এ.....
এক.
কোন একটা বানর মানে যাকে ভগবান হনুমান বলা হয় । এবং তাকে ভগবান হিসেবে পূজা করা হয় তাকে একটা দায়িত্ব দিয়েছে সঞ্জীবনী বুটি খুঁজে বের করে আনার জন্য কিন্তু উনি সেটা খুঁজে বের করতে পারে নাই এটা কেমন কথা তার মানে কি ভগবান সবকিছু খুঁজে বের করতে পারে না কোথায় কি আছে? ভগবানের তো সবকিছু নখদর্পণে থাকার কথা! কারণ ভগবান কে বলা হয় সর্বদ্রষ্টা তার দৃষ্টি থেকে কোন কিছু লুকিয়ে থাকে কিভাবে?!!!🤷

দুই
আরেকটা প্রশ্ন হচ্ছে হনুমান শরীরের আকার বিশাল রূপ ধারণ করে উড়তে পারত তাহলে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার জন্য কাল্পনিক রাম সেতু তৈরি করার কি দরকার ছিল এত কষ্ট করে?
যে পুরো পাহাড়-পর্বত তার এক হাতে করে নিয়ে চলে যেতে পারে তার সমগ্র সেনাকে কি সে তার পিঠের উপরে বসিয়ে নিয়ে যেতে পারতো না?

আপনারা আমার হিন্দু ভাই যারা আছেন তাদের মনে কি এমন কখনো প্রশ্ন জেগেছে কি? যদি প্রশ্ন জেগে থাকে তাহলে বলবে ন?!!

রেফারেন্স:
Ramayana; Valmiki
রামচরিত মানস ; লেখক তুলসিদাস
রুদ্র অবতার ভগবান হনুমান; জয় শংকর ত্রিবেদী
হনুমান লীলা; প্রফুল্ল চন্দ্র দেব
অঞ্জনি পুত্র হনুমান: রাকেশ দৈব
ভগবান হনুমানের অপার লীলা: ESKON

Satire by #ভবঘুরে
Visit Page: fb/exmuslimbd

09/27/2020

নিয়মিত বাঁশ খেয়ে আজকাল আল্লার মুমিন বান্দারা বলতে শুরু করেছে যে অন্যের বিশ্বাসে আঘাত দেওয়া বেজায় খারাপ কাজ। তবে মুহাম্মদ যখন কাবার মূর্তিগুলো ভেঙেছিল তখন মোটেই খারাপ কাজ করেনাই। কারণ সে মূর্তি ভাঙলেও নাস্তিক ছিল না।

পুরাণের পাতায় পাতায় বিজ্ঞান: পর্ব -০১ (কৃষ্ণলীলা)এটা অনেক অনেক বছর আগের কথা, বলতে পারেন হিন্দু পুরাণ মতে দ্বাপর যুগে গ...
09/26/2020

পুরাণের পাতায় পাতায় বিজ্ঞান: পর্ব -০১ (কৃষ্ণলীলা)

এটা অনেক অনেক বছর আগের কথা, বলতে পারেন হিন্দু পুরাণ মতে দ্বাপর যুগে গোকুলধাম গ্রামে একটা অতি অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন শিশুর জন্ম হয় যার জনপ্রিয়তা দিন দিন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে সবাই তাকে পূজা করতে শুরু করে। এদিকে দেবতাদের রাজা ইন্দ্রদেব খুবই হিংসুটে স্বভাবের এজন্য সে চাইনা কোন মানুষ তার পূজা বাদে অন্য কারো পূজা করুক!!
এজন্য এই ছোট বাচ্চাটাকে রাস্তা থেকে সরানোর জন্য এবং সেই এলাকাবাসীর উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে তুমুল বৃষ্টিপাত শুরু করে কারণ বৃষ্টিপাতের নিয়ন্ত্রণ এর মালিক আবার এই ইন্দ্রদেব যেমনটা ইসলামে মিকাইল ফেরেশতার। ঠিক তেমনভাবে হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী বৃষ্টিপাত ঝড় মেঘ সকল কিছু নিয়ন্ত্রন করে ইন্দ্রদেব। যাইহোক, তুমুল বর্ষার জন্য পুরো গোকুলধাম এলাকার লোকজনকে বর্ষা থেকে রক্ষা করার জন্য সেই অলৌকিক ছোট শিশুটা কে আহ্বান করে সেজন্য এ বৃষ্টিপাত থেকে তাদেরকে এবং তাদের গ্রাম কে রক্ষা করে!! তাদের আহ্বান শুনেই শিশুটা গোকুলধাম এর পাশেই গোবর্ধন পাহাড় কে নিজের আঙুলের উপরে উঠিয়ে ছাতা হিসেবে ব্যবহার করে এবং তার নিচে সকল গ্রামবাসীকে আশ্রয় দেয় যাতে তারা বৃষ্টিতে ভিজে না যায়!!

এই বিজ্ঞানকেই কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে ইহুদি-খ্রিস্টান বিজ্ঞানীরা ভগবত গীতা এবং মহাভারত পড়ার পরে ছাতা আবিষ্কার করে যাকে ইংরেজরা আমরেলা বলে!!🤷🤷🤷

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে গল্পে বর্ণিত শিশুটা নিজেকে পরবর্তী ঈশ্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল যার ইশারাতে আপন চাচাতো ভাইদের ভিতরে রাজ্য নিয়ে মারামারিতে সকল মানুষ মারা গেছিল, তার ইশারাতেই ছোট ভাই তার বড় ভাই কে হত্যা করেছিল, একজন শিষ্য তার গুরু কে হত্যা করেছিল, কয়েকজন নাতি মিলে তার দাদা কে হত্যা করেছিল।
এবং প্রতিটা হত্যা সম্পূর্ণ চক্রান্ত করে করা হয়েছিল, কোন হত্যাকাণ্ড যাকে তথাকথিত মহাযুদ্ধ বলা হয় সেখানে যুদ্ধ পরিচালনার নিয়ম মানা হয়নি বরং সেই সমাজের মূলনিবাসী এবং জাতিবিদ্বেষ সমূলে উৎপাটন করার প্রধান অভিনেতা মহান রাজা কর্ণ কে নিরস্ত্র ভাবে হত্যা করা হয়েছিল যাতে আর কেউ যাতে আর কেউ মনুবাদি জাতি বিভাগের প্রতি প্রশ্ন না তোলে। যাই হোক এ বিষয়ে গল্প অনেক বিস্তারিত সেটা নিয়ে অন্য আরেকদিন বলা যাবে। এ বিষয়ে আরও কেউ জানতে চাইলে কমেন্ট করবেন সুন্দর করে গুছিয়ে তুলে ধরব।

এখন আসি আজকের কথাই;
যে শিশু এতটা জ্ঞানী হতে পারে সে কিভাবে তার গ্রামবাসীকে রক্ষার জন্য একটা পাহাড় কে আঙুলের উপরে তুলে ধরে! আজব যুক্তি!!
বরং সেটা না করে সকল গ্রামবাসীকে পাহাড়ের ওপরে নিয়ে যেত যাতে তারা বন্যায় ভেসে না যায়। এটাই বেটার হতো যাতে তাদের জীবন রক্ষা হয়, অথচ সে সেটা না করে এলাকার সবথেকে উঁচু স্থানে মানে গোবর্ধন পর্বত, সেটাকে উপড়িয়ে কনিষ্ঠ আঙ্গুলে রেখে নিজেকে শক্তিশালী ঈশ্বর প্রমাণ করার বৃথা চেষ্টা কেন? অন্ধ ধার্মিকেরা হয়তো কমেন্টে বলবে এটা হচ্ছে কৃষ্ণ নীলা, এটা শুধুমাত্র গল্প মাত্র। যদি গল্প হয় তাহলে এটাকে বিশ্বাস করে কেন পূজা করা হয়? তামি ভারতের অসংখ্য মন্দিরে ঘোরাঘুরি করেছি যেখানে হাতের উপরে গোবর্ধন পর্বত রাখা মূর্তি দেখেছি কারণ এটাকে বিশ্বাস করে তারা তাকে পূজা করে। তারমানে এ কাহিনীকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে হিন্দু মুমিনদের না হলে তাদের হিন্দুত্বে কমতি হয়ে যাবে!! এই গল্পে কি তাহলে বোঝা যাচ্ছে মানুষের জীবন রক্ষায় থেকে তারা যাতে বৃষ্টিতে ভিজে না যায় সেটা জরুরি?

পরিশেষে পাঠকদের কাছে প্রশ্ন কেউ কি বলতে পারবেন এখানে হিন্দু ধর্মের কোন দেবতার কথা বলা হচ্ছে?

Ref: মহাভারত
:বিষ্ণুপুরাণ,
:দশাবতার : নারায়ান সিংহ
:শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন: কাহনপা
:কৃষ্ণ লীলা: হরিলাল মনোহর

Satire by #ভবঘুরে
Like my Page : fb/exmuslimbd

বাংলাদেশ সরকার সমীপে খোলা চিঠি : ফারুক আবদুল্লাহমাননীয় সরকার আপনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এসেছেন খুব ভালো কথা কিন্ত...
09/24/2020

বাংলাদেশ সরকার সমীপে খোলা চিঠি : ফারুক আবদুল্লাহ

মাননীয় সরকার আপনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এসেছেন খুব ভালো কথা কিন্তু এটার যথাপোযুক্ত ব্যবহার হচ্ছে কিনা এটা সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা আছে কিনা? কখনো কি এই আইনে পর্যালোচনা করে দেখেছেন এটা এক শ্রেনীর এক ধর্মের উগ্রবাদী সংস্থাগুলো একচেটিয়া ব্যবহার করতেছে শুধুমাত্র তাদের ধার্মিক কঠোরতার বিপক্ষে যারা কথা বলে তাদের বিপক্ষে!!

নিরাপত্তা আইন রয়েছে তার মানে এটা নয় এই আইন শুধুমাত্র যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কেস বসে থাকবে এবং একটা মানুষকে সমাজ থেকে কিভাবে তাকে বহিষ্কার করা যাবে, তার মান সম্মান নিয়ে খেলা করা যাবে, একশ্রেণীর মানুষের দ্বারা এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি বারবার ঘটেছে বরিশালের খুশিগঞ্জ মসজিদ-মাদরাসার একটা ছেলে ষোলটা কুরআনে নিজে হাগু করে পাশের হিন্দু সমাজের নাম দিয়ে তাদেরকে গ্রামছাড়া করেছিল পরবর্তীতে সিআইডি দ্বারা খোঁজখবর নিয়ে দেখা গেল তারা সম্পূর্ণ নির্দোষ!!
সুতরাং হে সরকার এ বিষয়ে অবশ্যই নজরদারি রাখা সম্পূর্ণ আপনার

মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে এবং কারো মতের বিরুদ্ধে গেলে তার নামে কেস করে দেবো এবং ভুয়া কেসে আমাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রশাসন যারা সাধারন মানুষের অনেক উপযুক্ত ক্ষেত্রে সঠিক সময় উপস্থিত হয় না তারা সেখানে ধার্মিক কঠোরতা রক্ষার জন্য 5 মিনিটে উপস্থিত হয়ে তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ধরে নিয়ে যাবে এবং সমাজের কিছু উগ্রবাদী সংগঠন মসজিদ থেকে তাকে হত্যা করা জায়েজ ঘোষণা করবে , এক সপ্তাহ ধরে মাইক নিয়ে তাকে এবং তার পরিবারকে ইসলামবিরোধী বলে প্রচার করবে যাতে তার কাছে কেউ কোন ধরনের মাল-সামান বিক্রি না করে ।
এটা কোন ধরনের নিরাপত্তাহীন হলো এ বিষয়ে ক্লিয়ার করা দরকার সরকারের আপনার।

সেই সাথে,
আমি এইসব মোল্লা বাহিনীর দেরকে বলতে চাই আপনারা তখন কোথায় ছিলেন, যখন সাত বছরের ছোট ছেলে মাদ্রাসাতে ধর্ষিত হয় মাদরাসার প্রিন্সিপাল এর দ্বারা। এবং তার মা যখন দ্বারে দ্বারে এটার বিচার চেয়ে বেড়াই তখন এই প্রশাসন কোথায় ছিলো ? তখন কেন তাদেরকে ধরতে পারে নাই অথচ হাজারটা প্রমাণ তাদের বিরুদ্ধে ছিল। 2019 সালের আগস্ট মাস থেকে 2020 সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত 13 হাজারের অধিক ধর্ষণ হয়েছে যার অধিকাংশ মানে 68% ধর্ষণ ছোট ছোট বাচ্চার শিশু এবং কওমি মাদ্রাসা থেকে ঘটেছে। তখন আমাদের মডারেট মুসলিম সমাজের এমন বিচার চাওয়ার মূহুর্ত কেন আসেনা। এখন কেউ এই কওমি মাদ্রাসা তে শিশুদেরকে এইভাবে অত্যাচার করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে বই রাখে তাকে হত্যা করার বিরুদ্ধে কট্টর মৌলবাদী সমাজ আন্দোলন করে তখন এই নিরাপত্তা আইন কোথায় থাকে?

কিছু পাকিস্তানি দোসর সমাজ যেভাবে বাংলাদেশের আইন-কানুন নিয়ে খেলা করতেছে তারা প্রতিটা ওয়াজ মাহফিল এবং মসজিদের নামাজ শেষে মসজিদে বসে বসে ফেসবুক ব্যবহার করতেছে যে ফেসবুকটা একজন নাস্তিকের তৈরি,
সেখান থেকে খুঁজে খুঁজে আমাদের মতো কোনো মুক্তমনা মানুষের পোস্ট দেখতে এবং সেখান থেকে মাইকে ঘোষণা করে তাকে ধাওয়া করে তার মান সম্মান নিয়ে খেলা করতেছে অসংখ্য ক্ষেত্রে তাকে হত্যা করা হয়েছে। 2013 সাল থেকে 2018 সাল পর্যন্ত চাষের উপরে মুক্তমনা মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং এক হাজারের অধিক মানুষকে নিরাপত্তার জন্য দেশত্যাগ করে যাওয়া লাগছে। হে সরকার তখন আপনার নিরাপত্তা আইন কোথায় ছিল কেন তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে পারেন নাই কেন হত্যাকারী গ্রেপ্তার হয়নি?

হে সরকার আপনি কখনো কি লক্ষ্য করেছেন?
তখন এইসব কাঠমোল্লা টাইপের ধার্মিক সমাজ ওয়াজ মাহফিলে নাস্তিকদের যেখানে পাও সেখানেই হত্যা করার ঘোষণা করে??

কখনো কি লক্ষ্য করেছেন? অপকর্মের সূচনা সেই ফেব্রুয়ারির বইমেলার শুরুতেই হয়েছিল তখন আমি একটা পোস্ট করেছিলাম ; সেখানে তথ্য প্রমান সহকারে দেখিয়েছিলাম তথাকথিত কট্টর ধার্মিক এবং তার চেলা যারা এদেশের মাটিতে মরুসংস্কৃতি কায়েম করা যায় এবং পাকিস্তানী শৈর শাসন কায়েম করতে চাই , যারা ৭১ এর দুর্দান্ত পরাজয়ের পরেও তলে তলে দীর্ঘদিন থেকে চক্রান্ত করে আসতেছে তারা আজকে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে অর্থনৈতিকভাবে এবং ক্ষমতার আশেপাশে থেকে। এদের উগ্রবাদী সংগঠন ধর্মের নাম করে বইমেলার ভিতর বইয়ের স্টল ঘুরে ঘুরে দেখতে ছিল কোন বইয়ে সামান্য ধর্মের কু সংস্কৃতির সমালোচনা করা হয়েছে কিনা, ধর্মের বিপরীতে কোন কিছু বলা আছে কিনা , সামান্য কোন একটা লাইন যদি পেয়েছে সেই স্টলের সকল বই ফেলে দোকান ভাঙচুর করে দিয়ে হইচই করে মানুষ জড়ো করে প্রকাশক এবং লেখককে বইমেলার প্রান্তরে মারধর করেছে যা আজ পর্যন্ত কখনো হয়নি তা ২০২০ সালের বই মেলাতে দেখা গেছে।
হে সরকার তখন আপনার নিরাপত্তা আইন কোথায় ছিল?

এরা খুব সুকৌশলে তলে তলে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বিভিন্ন ধরনের ধার্মিক কঠোরতা কঠোরভাবে প্রচারণা করতেছে , কখনো বাউল শিল্পীদের বিপক্ষে, কখন এ মহান লালন সংগীত রবীন্দ্র সংগীত জাতীয় সংগীত এর বিরুদ্ধে, কখনো নারীদের স্বাধীনভাবে কর্ম করার বিপক্ষে, কখনো ধর্ষক রাজাকার সাঈদী কি মুক্তি স্বপক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে! তখন কোথায় থাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন? কেউ যখন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দোষী হওয়া রাজাকার ধর্ষক সাঈদী কে নির্দোষ দাবি করে এবং সুপ্রিমকোর্টকে অপমান করে তখন কোথায় থাকে নিরাপত্তা আইন?

আর এদের বিপক্ষে কোন কিছু বললে গোলাম মাওলা রনি এবং আরিফ আজাদ নামক তথাকথিত আধুনিক মডারেট মুসলিম সমাজ এগিয়ে আসে তাদেরকে বাচাতে। অথচ তারা নিজেদের বই যখন প্রকাশ করেছে এবং অন্যান্য ধর্ম এবং সেকুলার মানুষের প্রতীক ঘৃণার বাণী প্রকাশ করে এই ফেসবুকে বসেই; তখন তাদের রক্ষার জন্য নিরাপত্তাহীন কোথায় থাকে?

যে কখনো ধর্ম পালন করতে চায় না এমন মানুষ দের হত্যা করার কথা মঞ্চে লাখ লাখ মুসল্লির সামনে বলে, তখন তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না?
তাহলে তোমার প্রকাশের স্বাধীনতা আছে , তাহলে মুক্তমনা নাস্তিক এবং সেকুলার মনোভাবের মানুষের কেন মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে না?

কেন তাদেরকে এসব কাঠমোল্লা ওয়াজি মৌলবীরা বলে প্রচার করে যে, তাদেরকে যেখানে পাও সেখানেই হত্যা করার মত কথা প্রচার করে। তখন তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে কখন কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?

ফেসবুকের প্রতিটা পোস্টে এসব নামধারী তথাকথিত ইমানদার বান্দারা প্রতিটা মুক্তমনা নাস্তিকের ফেসবুক এবং সোসিয়াল একাউন্ট গালাগালি করে যেসব ভাষা কোন মুক্ত মত মানুষ উচ্চারণ করতে পারে না অথচ এসব ইমানদার বান্দারা খুব সহজেই উচ্চারণ করে মুক্তমনাদের কে হেনস্তা করে কখনো বোম মেরে উড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে, কখনো রাস্তায় পাইলে কল্লা কেটে নিয়ে যাবে এমন হুমকি দেয়! সে ক্ষেত্রে কখনো কি এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবস্থা নিয়েছে? আমি নিশ্চিত কখনো নেয়নি।
অথচ এইসব কট্টর ধার্মিক সমাজ যদি ধর্ম না আমার নাম একটি রচনা করা ব্যক্তি এবং সেকুলার ব্যক্তি কে রাস্তায় পাই যে কথায় কথায় হয়তো কোন মোল্লার বিপরীতে একটা কথা বলে ফেলেছে; সেই ব্যক্তিকে আশেপাশের মসজিদের মুসল্লিদের হেনস্থা করতে দেখেছি!
যদি রাস্তাতে তাকে কখনো পাই প্রথমে তারা সমাজের কিছু মানুষ জড়ো করে চিল্লাচিল্লি করে মাইকিং করে তার বিরুদ্ধে ভুয়া অভিযোগ এনে তাকে মারধর করে, এমন একটা ঘটনা ঘটেছিল ঝিনাইদহে মহেশখালীতে যার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছিল দেখা গেছে একজন 75 বছর বয়স্ক মানুষ কৃষিকাজ করে নামাজ কালাম পড়ে না তাকে রমজান মাসে নামাজের জন্য ডাকতেছে সে হয়তো যাই নাই সেই সমাজের অনেক ছোট ছোট বাচ্চা এবং পাশে মাদ্রাসার শিশুরা এসে তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে এবং ওই ব্যক্তির সন্তানদেরকে এলাকাছাড়া করেছে এসব উগ্রবাদী ধার্মিক সমাজ।
তার পরিবার যখন থানাতে ঐসব লোকের বিরুদ্ধে কেস করতে গেছে থানার লোকেরা কেস করে নাই। তখন নিরাপত্তা আইন কেন হয় না?

হে সরকার, এসব উগ্রবাদী সংগঠনের বিরুদ্ধে এখনই সময় এসেছে দ্রুত একশন নেওয়ার অন্যতা বাংলাদেশ যে সুনাম অর্জন করেছে গত ৪৯ বছরে সেই সুনাম অচিরে হারিয়ে ফেলবে ধার্মিক কঠোরতার জন্য।

সরকারকে এই বিষয়ে মন্থন করতে হবে যে এই "ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন" মানুষের সুরক্ষার জন্য তৈরী করেছে নাকি কিছু উগ্রপন্থী মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য তৈরি হইছে, যেন তারা এটার ব্যবহার করে পুরোপুরি এসব জঙ্গিবাদী সংগঠন ধর্মরক্ষার নাম করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে না বসে।

সরকারের দৃষ্টি পাত্রের জন্য কিছু উদাহরণ:
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় এ ধরনের উগ্রবাদী সংগঠন এ পর্যন্ত প্রায় 13000 ফেসবুক ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে কেস করেছে এবং তাদেরকে সমাজের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করে তুলেছে যাদের অধিকাংশ কে তাদের গ্রাম থেকে বিতাড়িত করেছে। এ ধরনের আইন প্রয়োগের সবথেকে বড় খারাপ দিক হচ্ছে কিছু মানুষ অন্য একটা মানুষের বা অন্য একটা ধর্মের বা অন্য একটা মতালম্বী মানুষের সাথে মনের তফাতের জন্য তার বিরুদ্ধে কেস করে ফেলতেছে;
যেমন বরিশালের নাজিরহাটে সুবোধ ঘোষ নামে একজন হিন্দু যুবকের নামে কেস করে তাকে এলাকাছাড়া করেছে। সুবোধ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করত গ্রামে যাওয়ার পরে তার বন্ধু মহলের যারা ছিল কোন ইউনিভার্সিটিতে চান্স পায় নাই এজন্য এলাকার কলেজে ভর্তি হয়েছে । এই শত্রুতার জের ধরে নাটক সাজিয়ে তাকে ইসলাম ধর্মের শত্রু ঘোষণা করে দলবেঁধে তারা তার ফেসবুকে খুঁটিয়ে-খুঁটিয়ে কোন একটা জিনিস বের করেছে যেখানে কোন রকম কমেন্ট করেছিল যে তাদের মতের সাথে যায় না। এখন সুবোধ এবং তার পরিবার বরিশাল ছাড়া।

এভাবেই ময়মনসিংহের কাঞ্চন চৌধুরী নামের একজন মেয়েকেও তারা এমন যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির স্বীকার করেছে কারণ সে নারী অধিকার নিয়ে প্রশ্ন করেছিল।
চুয়াডাঙ্গার শিল্পী চৌধুরী 2019 সালের সেপ্টেম্বরে তার নামে কেস করা হয়েছে সে নাকি নবীর নামে খারাপ কথা বলেছিল অথচ পরে সব কিছু ঘেঁটে দেখা গেলো সেটা কোন ধরনের খারাপ কমেন্ট ছিল না। ভুয়া ইনফরমেশন দিয়ে তার নামে কেস করে তাকে হেনস্থা করা হয়েছে। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে; কেস করেছে ওইসব উগ্র ধার্মিক সমাজের সেইসব অকর্মণ্য মানুষ যারা সমাজের মানুষের কাছে সাপ্তাহিক খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকে।

যশোরের ঝিকরগাছা তে সুলতানা সুমি নামের একটা মেয়ে বোরখা পড়ে নাই সাইকেল চালায়া গ্রামে হাঁটাচলা করে এটা গ্রামের কিছু মোল্লাদের সহ্য হয় না। তার বান্ধবীদের সাথে একটা পর্যায়ে তাদের মতের মিল হয় না তার মুমিনা বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ডের বলে তাকে শায়েস্তা করতে, এক্ষেত্রেও সেই উগ্রবাদী মানুষজন ছিল অতি বকধার্মিক যারা ধর্মকে ব্যবহার করে একটা মেয়ের জীবন তছনছ করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে মমিনা মেয়েরাই এইসব প্রগতিশীল মেয়েদের পথের প্রথম বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল যারা কৌশলে তাদের বয়ফ্রেন্ড দ্বারা একযোগে মসজিদে গিয়ে ঘোষণা করে দেয় সুলতানা সুমি বলেছেন নবীর স্ত্রীরা বেপর্দা চলাফেরা করত এ কথা বলার জন্য তার নামে ডিজিটাল আইনে কেস করে তাকে দেশ ছাড়া করা হয়েছে অথচ মেয়েটা বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় পাস করেছিল ।

এভাবে হাজারটা উদাহরণ দেওয়া যাবে যেগুলাতে কেস করেছে সমাজের এই সব অলস ব্যক্তি সমাজ যারা নিজেরা কোন কর্ম করে না কিন্তু ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে নিজের জীবন ধারণ করে।

সরকারকে এই বিষয়ে আরো ক্লিয়ারেন্স দেওয়া দরকার, সরকার হয় এদেশকে একেবারে একটা ধর্মীয় মতবাদের অনুসারী করুক অথবা আমাদের সংবিধানে যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে সে বিষয়টাকে খারিজ করে দিক সোজাসুজি।
যাতে আমরা অন্তত এখানে থেকে বুঝতে পারি যে, যেটা অন্যায় সেটা বলা যাবে না এবং প্রতিটা মানুষ ধর্মীয় কুসংস্কার ভেতরে লিপ্ত হয়ে যাক।

একটা বিষয় বলতে চাই ধর্মীয় এসব দালালরা যখন নিজেদের ভিতর গালাগালি শুরু করে কেউ কাউকে এই বাটপার চিটার এই নাস্তিক বলে দাবি করে তাদের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নেওয়া হয় না কেন?
তারা কি সমাজের নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে না নাকি তারা এইসব ডিজিটাল আইনের ঊর্ধ্বে?
ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে প্রত্যক্ষভাবে এসব বক্তারা কখনো নারীদের বিরুদ্ধে কথা বলতেছে তাদের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নাই কেন? যখন অন্য ধর্মের দেবদেবী তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা হচ্ছে কোন অ্যাকশন নাই কেন? যে ধর্মকর্ম পালন করে না মুক্তমনা নাস্তিক তাদেরকে দেখামাত্র হত্যা করার আদেশ দিচ্ছে মঞ্চে বসে ; অথচ সরকার এইসব বিষয়ে কখনো এসব নাস্তিকদের কে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা চিন্তা করে নাই?
তাহলে কি আমরা ভেবে নিব ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধু এসব কাঠমোল্লাদের কথাতেই চলে?

হে সরকার শুনে রাখুন,
মুক্তচিন্তার ব্যক্তি সমাজ সেইসব বিষয়গুলোকে তুলে ধরে তথ্য প্রমান সহকারে যেগুলা হাদিস কুরআনে স্পষ্ট ভাবে বলা আছে। সেগুলো ই তো নাস্তিকরা সবার সম্মুখে তুলে ধরে অথচ আমাদের দেশের মানুষ এতোটাই ধর্মান্ধ যারা নিজেরা কখনো হাদিস কোরান ছুঁয়েও দেখেনাই নিজেরা ধর্মকর্ম পালন করে না।
আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারবো বাংলাদেশের মুসলিম সমাজের 90 পারসেন্ট মানুষ কখনো সূরা ফাতিহা সূরা ইখলাস এবং কিছু ছোট ছোট সূরা ছাড়া আর কখনো সূরা জীবনে পরেও দেখে নাই। তারা হাদিস পড়বে কখন জানবে কখন কিন্তু হাদিসের ভেতরেও কত কথা বলা আছে যেগুলা কখনো নারীদের বিরুদ্ধে কখনো আমাদের বর্তমান সংবিধানে যেসব বিষয় সংরক্ষিত আছে তার বিরুদ্ধে যাই। যেগুলা বিভিন্ন মোল্লা সমাজ বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে আয়োজন করে বলে এবং সারা বাংলাদেশে শুধুমাত্র ইসলাম কায়েম করতে চায়? সরকার আপনি কি লক্ষ্য করেন নাই কিছুদিন আগেই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রস্তাবনা দেওয়াতেই এসব উগ্রবাদী সংগঠন কিভাবে লাঠি তরবারি নিয়ে শাহরিয়ার স্যার কে হত্যা করতে চেয়েছিল?
তখন আপনার নিরাপত্তা আইনের দোহাই কখন ছিল?
কিন্তু হাদিসের সেসব গোজামিল যদি কেউ তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে কেস করা হবে এটা কোন ধরনের যুক্তি কথা।

শেখ হাসিনা সরকার নিজেকে অসম্প্রদায়িক দাবি করে অথচ তার আশপাশে যেভাবে ধর্মীয় উগ্রবাদী সংগঠন আষ্টেপৃষ্ঠে দিনদিন গজিয়ে উঠেছে , তাদেরকে দ্রুত ক্লিন ওয়াশ করা দরকার অন্যথা বাংলাদেশ একসময় ধর্মীয় উগ্রবাদী সম্প্রদায়ের আস্থানা হিসাবে পরিচিত হয়ে যাবে। তখন এদেশ বহির্বিশ্বের কাছে দ্বিতীয় আরেকটি আফগানিস্থান হয়ে যাবে!
তখন মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞান শিল্প-সাহিত্য এসব দিকে মনোযোগ না দিয়ে খিলাফত কায়েম করতে চাবে। বুকে বোমা বেঁধে স্কুল কলেজে গিয়ে হত্যা করবে যেসব জায়গাতে অন্য ধর্মের মানুষ বিরাজ করেন অথবা মুক্তমনা সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীদেরকে যেখানে পাবে সেখানে হত্যা করবে!

হে সর্কার মনে রাখবেন এই দেশের নিজের একটা সংস্কৃতি আছে সেই সংস্কৃতি দিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য এখনই মনোযোগ দিতে হবে অন্যথায় অনেক দেরি হয়ে যাবে।

এখন সরকারের কাছে আরেকটা প্রশ্ন
আপনি যদি নাস্তিকতাকে নিধন করার স্বার্থে এসব ধার্মিকতা বাহিনীর সাথে থাকেন তাহলে স্মরণ রাখবেন ৫০ বছর পরে বাংলাদেশের চেহারা অন্যরকম হবে।
স্মরণ করে দেই আজকে যেসব কাঠমোল্লা টাইপের মানুষ একটা (মাহবুব আলম) মানুষের মানসম্মান এবং তাকে হত্যা করা তাকে ফাঁসি দেওয়ার জন্য রাস্তায় আন্দোলন করতেছে তাদের উদ্দেশ্যে বলি তারা নাস্তিকদের কে হত্যা করতে পারবে তাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে পারলেও তার ভাষা অনুসারে আরো দশজন আজন্ম হবে, সত্য কখনো দমিয়ে রাখা যায়না।

মুক্তচিন্তক মাহবুব আলমের নাস্তিকতা যদি সমাজের জন্য অভিশাপ হয় তাহলে এসব মোল্লাদেরকে বলতে চাই ফেসবুকের জনক মার্ক জুকারবাগ নিজেও একজন নাস্তিক আপনি এসব নাস্তিক প্লাটফর্মে কেন নিজেকে ঢুকিয়েছেন?
পৃথিবীর বুকে আনাচে-কানাচে আপনি চোখ মেলে চেয়ে দেখুন এসব মুক্তচিন্তক মানুষদের জয়গান রয়েছে, বরিশালের আরজ আলী মাতব্বরের কথা চিন্তা করুন ,
সেই সমাজের মোল্লা মৌলবীরা তাকে নাস্তিক হিসেবে সমাজে এক ঘরে করে রেখেছিল কিন্তু তার লেখনীর জোর তার কথাকে থামাতে পারে নাই আজকে প্রতিবছর তার জন্মদিন পালন করা হয়। তার লেখা বরিশালের নদ নদী প্রান্তর পার হয়ে ঢাকা পেরিয়ে বিশ্বদরবারে কাছে পৌঁছে গেছে?

কুষ্টিয়ার লালন এর কথা চিন্তা করুন সেই সময়ের ধার্মিক মৌলবাদী জমিদার এবং মসজিদ-মাদরাসার কমিটির সদস্যরা লালনের গান লেখার জন্য লালনকে বনবাসে পাঠিয়েছিল পদ্মা নদীর পাশে ।
আজকে সেইসব মোল্লাদের কথা মনে রাখেনি কেউ, রেখেছে লালন কে ,আজকে বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বের একজন অন্যতম দার্শনিক এবং সংগীতস্রষ্টা। প্রতিবছর ধুমধাম করে তার জন্মদিন পালন করা হয় যার প্রতিটা গান প্রতিটা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক চিন্তার উদ্রেক করেছে সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা হিসেবে পালন করেছে। লালনের এক অনুসারী দ্বারাই বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়েছে।

সালমান রুশদির কথা চিন্তা করেন তার একটা বই ইরানের উগ্রবাদী রাজার মাথা খারাপ করে দিলেও বিশ্বদরবারে চিরভাস্বর হয়ে রয়েছে ভারতের রত্ন হিসাবে গণ্য হয়েছে, কালক্রমে এই ব্যক্তি হয়ে যাবে মুসলিম রত্ন হইতো তার মৃত্যুর পরে এবং মুসলিম সমাজ তাকে নিজেদের করে টানবে।

কারণ যুগ যুগ ধরে এমনটাই ঘটেছে!
এছাড়া আব্দুস সালাম পাকিস্তানের পদার্থ বিজ্ঞানী তার সাথে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল মৌলবাদী সমাজ তার ঘর ঘেরাও করে পুড়িয়ে দিয়েছিল তাকে পাকিস্তান ছাড়া করা হয়েছিল অথচ আজকের মৌলবাদী সমাজ তার নাম কে বিক্রি করে খাই। ইবনে সিনা জাবির ইবনে হাইয়ান আল রাজি আলিমুদ্দিন রশিদ, খারিজমী এপিজে আবদুল কালাম আজাদ এরা কেউ ধার্মিক ছিল না সবাই মুক্তচিন্তক ছিল। তাই ইতিহাসের পাতায় ভাস্বর হয়ে আছে তারা তাদের জীবদ্দশায় কেমন ছোটখাটো অনেক বিষয়ই বিরোধিতা করে সেই সময়ের মৌলবাদী সমাজের ঘৃণার পাত্র হয়ে ছিল তার ইতিহাস আছে। আজকে হলিউডে প্রফেসর আব্দুস সালামকে নিয়ে মুভি তৈরি হয়অথচ পাকিস্তান এবং তার মৌলবাদী সমাজ সংস্থা সালামকে হত্যা করার জন্য একদল বাহিনী পাঠিয়েছিল মনের দুঃখে সে পাকিস্তান ত্যাগ করেছিল।

বাংলাদেশের তারেক মাসুদ নাস্তিক পরিচালক, তার মুভি ধর্মের দেওয়াল ভেদ করে চিন্তার উদয় ঘটিয়েছে সমাজের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে রয়েছে এজন্য মৌলবাদীদের ঘৃণার পাত্র হয়ে ছিল বারবার, কিন্তু সেসব মৌলবাদীদের নাম-নিশানা মুছে গেছে অথচ তারেক মাসুদের নাম রয়ে গেছে।

হুমায়ূন আহমেদ কোন ধর্মের ধারে নাই অথচ বাংলা সাহিত্যে বাংলাদেশের তিন দশক ধরে বাংলা সাহিত্যকে শাসন করার মতো সাহিত্যিক আর কেউ জন্মেছে বলে দেখা যায় না। হুমায়ূন আহমেদের অনেক লেখাতে ৯০ সাল থেকে ২০১০ সালের ভিতর হুমায়ূন আহমেদের বিরুদ্ধে কতবার আন্দোলন করা হয়েছে ঢাকার বুকেই। কিন্তু সেই সময় তাদেরকে রক্ষার জন্য আলাদা একটা প্রগতিশীল চিন্তাধারার সরকারের ভিতরে দেখেছিলাম কিন্তু আজকের মৌলবাদী উত্থান এতটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে সরকার এখানে মনে হচ্ছে অসহায় হয়ে যাচ্ছে।
পরিশেষে বলব মাহবুব আলম তাকে তার বন্ধু সম্প্রদায় বিভিন্নভাবে ফাঁসিয়ে তার পরিবারকে যেভাবে লাঞ্ছনার শিকার করতেছে সেখানে দ্রুত আইনের সহায়তা জরুরী অন্যতা অনেক দেরি হয়ে যাবে এসব উগ্রবাদী সংগঠন তার বাসা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দিচ্ছে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এমন আবেদন।

পরিবেশে এক দাবি
মাহবুব কে মুক্তি দিন নয়তো সংবিধানে তালা দিন।।।
মাহবুব কে মুক্তি দিন নয়তো বাংলাদেশ কে জঙ্গী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দিন।
#আলো_আসবেই
#জয়_বাংলা
#বাংলাদেশ_ফোর্স_১৯৭১
#ধর্মান্ধতার_দেয়াল_গুড়িয়ে_দাও_বাংলাদেশ

#ভবঘুরে

09/24/2020

নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরের তদবীর:
মেয়েরা দীর্ঘদিন ধরে পুরুষ মানুষের কাছ থেকে অত্যাচারিত হয়ে কখনো মনে মনে ভেবেছি ইস আমি যদি রাতারাতি পুরুষ হয়ে যেতে পারতাম তাহলে পুরুষের বারোটা বাজা তাম, তারা এই হুজুরের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এই ওয়াজি বালিকা মোল্লা রাতে একটা দোয়া পড়ে ঘুমিয়ে ছিল সকাল বেলায় ঘুম থেকে পুরুষ হয়ে উঠেছে!!
কিসের গোপন দোয়া সেটা জানা জরুরী জাতি জানতে চায়। 😝😝

মাওলানা খাদিজা খাতুন রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন তখন পর্যন্ত সে মেয়ে ছিল সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে তার লিঙ্গ পরিবর্তন হয়ে গেছে মেয়ে থেকে সরাসরি পুরুষে পরিণত হয়েছে। তার বর্তমান নাম সাহুল সিদ্দিকী।

কিন্তু আমার প্রশ্ন মাওলানা সাহুল সিদ্দিকী পুরুষে পরিণত হয়েছে তাহলে কি নতুন করে সুন্নতে খতনা মুসলমানি দিয়েছে কিনা? যদি মুসলমানি না দিয়ে থাকে তাহলে তো এখনো হিন্দু হয়ে গেছে। 😝😝

এদেরকে এত গাজা দেয় কে?

Satire bye #ভবঘুরে
Page: fb/exmuslimbd

হিন্দু ধর্ম মতে একবার এক মহান অনার্য রাজা নাম হিরণ্যাক্ষ তার আপন ভাই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য স্বর্গে আক্রমণ করে ইন্...
09/24/2020

হিন্দু ধর্ম মতে
একবার এক মহান অনার্য রাজা নাম হিরণ্যাক্ষ তার আপন ভাই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য স্বর্গে আক্রমণ করে ইন্দ্র কে পরাজিত করে কিন্তু ইন্দ্র ছলচাতুরি করে স্বর্গ থেকে পালিয়ে পৃথিবীতে অবস্থান করে। হিরণ্যাক্ষ তার গুরু শুক্রাচার্য কাছে ইন্দ্রদেবের অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে ইন্দ্রদেব পৃথিবীতে অবস্থান করতেছে এমন বলে তার ছাত্রকে। পুরো পৃথিবী খুঁজে যখন ইন্দ্রদেব কে না পাইয়া এই মহান রাজা তখন পুরো পৃথিবী কে তুলে নিয়ে একটা সাগরের ভিতরে চুবিয়ে রাখে যাতে ইন্দ্রদেব বের হয়ে আসে। কিন্তু কোন জায়গায় চুবিয়ে রাখে এ বিষয়ে অন্যান্য ত্রিদেব বুঝতে পারেনা তারা পৃথিবী কে বাঁচানোর জন্য চারিদিকে খুঁজাখুঁজি শুরু করে শেষ পর্যন্ত না পেয়ে বিষ্ণুদেব বরাহ অর্থাৎ শুকরের রূপ ধারণ করে এবং সামনের শিং দিয়ে সমগ্র আসমান জমিনের মাটি খুড়তে থাকে যেভাবে শুকর মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে ভিতরে আলু এবং কচু খুঁজে বের করে। শেষ পর্যন্ত আরব সাগরের কাছে পৃথিবী কে খুঁজে পাই বিষ্ণুদেবের অবতার শুকর!!🤔🤔🤔

এখানে প্রশ্ন হচ্ছে পৃথিবী কে কিভাবে পৃথিবীর সাগরের ভিতরে ঢুকিয়ে রাখে??
গাজা দেখছি কেউ কম খায় নি অতীতকালে!!🤔

Ref: Vishnu Puran
কৃষ্ণ লীলা ; লেখক আচার্য বিভূতি ভূষণ

Satire by #ভবঘুরে
FB/ExMuslimBD

Address

New York, NY
11275

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ex-Muslim Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ex-Muslim Bangladesh:

Share