02/07/2021
"সততা দেশি-প্রবাসী মানবকল্যান সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও গঠনতন্ত্রের খসড়া
*****************************************
ভূমিকাঃ
দুঃখকে বরণ করতে সুখে দুঃখে জনম ভরে প্রশান্তিতে থাকবার চেষ্টা করুন ও যার না আছে সুখ না আছে আনন্দ তার পাশে থাকুন। আমরা দুঃখকে জয় করতে চাই।
আসলে যে চরম দরিদ্রতার মধ্যে বাস করছে সেই মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। নানান সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ শুধু তাই নয় চরম সুখের অভাব বোধ যারা করছেন, তাদের কষ্টে বাঁচার কৌশল শিখিয়ে দেওয়াটাও একটা মহৎ কাজ।
আমরা চাই এই সকল মানুষের সঙ্গে একে অপরের সম্পর্ক স্থাপনের জন্য মানবতার কল্যাণে একটি স্বাধীন চিন্তার প্লাটফরম তৈরী করা এবং আদর্শভিত্তিক গবেষণা দ্বারা ন্যায়বিচারের সমাধান খোঁজা।
দেশে Over population অনেক সময় ক্ষতিকর হয়, অল্প জায়গায় বেশি জনসংখ্যার দেশে অভাব জেকে বসে, শিক্ষা ব্যবস্থা রুগ্ন হয়ে পড়ে, এবং পর্যাপ্ত শিক্ষার অভাব কর্মসংস্থান সংকুচিত করে সেই সাথে সঠিক নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার দক্ষতার দূর্বলতার ফাঁক গলে সমাধানের সকল অভাবনীয় সূযোগ গুলো হাতছাড়া হতে থাকে। আমাদের এই অবস্থার পরিবর্তন আনতে সক্ষম হতে হবে।
দেশে সরকার আছে, প্রশাসন আছেন, আছেন সামাজিক ভিত্তবানরা । কিন্ত নানাবিধ সামাজিক প্রতিকুলতায় সমাজ দিন দিন অবক্ষয় হচ্ছে । যদিও আধুনিক বিশ্ব উন্নত হচ্ছে কিন্ত আমাদের সমাজের কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। কিন্ত কেন কি জন্য সেটা তলিয়ে দেখা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য ।
সেই চিন্তা চেতনা মাথায় নিয়ে পথ চলা সততা দেশি-প্রবাসী মানবকল্যান সংগঠন এর। যদি একটি অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি তাহলেই পরমতৃপ্তি । যদি একটি পথভ্রষ্ট মানুষকে পথে আনতে পারি সেটা চরম পাওয়া ।
তাই আসুন " সততা দেশি-প্রবাসী মানবকল্যান সংগঠন" পরিবারের সাথে আপনি সহযাত্রী হয়ে.........................
মোঃ জসীম উদ্দীন
মো: আবুল কাসেম
মো: মকবুল মিয়া
সততা দেশি-প্রবাসী মানবকল্যান সংগঠন
================================
অনুচ্ছেদঃ-০১
ক। এই সংস্হার নামঃ সততা দেশি-প্রবাসী মানবকল্যান সংগঠন।
খ। অফিস কার্যালয়ঃ চলবলা , সোনারহাট, কালীগন্জ, লালমনিরহাট ।
গ। কর্ম এলাকাঃ চলবলা ইউনিয়ন, কালীগন্জ, লালমনিরহাট ।
ঘ। উদ্দ্যেশ্য ও লক্ষঃ এই সংস্হা আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত একটি কল্যানমূখী, অরাজনৈতিক, অলাভজনক, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবক অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। নিম্মে বর্নিত সকল উদ্দেশ্যাবলী বাস্তবায়নের পূর্বে সরকার/সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ/উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহনের পর কার্যক্রম আরম্ভ হইবে এবং এ্যাক্ট ১৮৬০ এর ২০ ধারার বিধানের পরিপন্থি উদ্দেশ্য /উদ্দেশ্যাবলী অকার্যকর বলিয়া গন্য হইবে।
১। যে কোন জনকল্যানমুলক কাজ করা।
২। দুস্হ্য এতিম ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া।
৩। বনানয়ন ও নার্সারী করে বৃক্ষরোপন করা।
৪। গরীব ছাত্র/ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যেমে শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান করা।
৫। ত্রান সামগ্রী প্রদান করা ( বন্যা, দুর্ভিক্ষ বা ভুমিকম্প হলে)।
৬। ধুমপান বিরোধী প্রচারনা করা।
৭। বাল্য বিবাহ বন্ধে উৎসাহ প্রদান।
৮। মাদক (মদ, গাজা ও হিরোইন) বন্ধ কার্যক্রম গ্রহন করা।
৯। সকল প্রকার অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ।
১০। যৌতুক বিরোধী কার্যক্রম গ্রহন করা।
১১। গরীবদের মাঝে শীতবস্র প্রদান করা।
ঙ। সংস্হার আয়ঃ কেবলমাত্র উহার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় করা যাবে । উহার কোন আয় সদস্যদের মধ্যে লাভ বা বোনাস বা বেতন বোনাস, পকেটমানি বা সম্মানী আকারে বন্টন করা যাবে না ।
চ। অবসায়নঃ যদি কোন সুনিদ্দিস্ট কারনে সংস্হার মোট সদসের পাচ ভাগের তিন ভাগ সদস্য সংস্হার অবসান চান তবে যথানিয়মে সংস্হার চেয়ারম্যিন কর্তৃক বা সংস্হার রেজিস্টেশন আইনের বিধান অনুযায়ী উহা অবলুপ্ত করা যাবে । অবলুপ্তকালে দায় দেনা পরিষধান্তে সংস্হার কোন উদ্ধৃত্ত সম্পদ থাকিলে উহা এই সংস্হার উদ্দেশ্যের সমতুল্য উদ্দেশ্য সম্পন্ন অন্য কোন সংগঠন বা সংস্হায় হস্তান্তর করা হইবে । কোন অবস্হায়ই উক্ত সম্পদ সংস্হার সদস্যদের মধ্যে বন্টন করা হইবে না ।
ছ। সংস্হার পরিচালনার জন্য নিম্মের ৩১ জন সদস্য নিয়ে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হইবেঃ
১। চেয়ারম্যান-০১ জন
২। ভাইসচেয়ারম্যান-০৪ জন
৩। মহাসচিব-০১ জন
৪। যুগ্ম মহাসচিব-০২জন
৫। অর্থ সচিব(সরাসরি নিয়োগ প্রাপ্ত)-০১ জন
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক-০২জন
৭। দপ্তর সম্পাদক-০১ জন
৮। যুঃদপ্তর সম্পাদক-০১
৯। প্রচার সম্পাদক-০১জন
১০। যুঃপ্রচার সম্পাদক-০১
১১। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক-০১ জন
১২। সমাজকল্যাণ সম্পাদক-০১ জন
১৩। আন্তর্জাতিক সম্পাদক-০১ জন।
১৪। মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদিকা-০১
১৫। সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক-০১জন
১৬। সমবায় বিষয়ক সম্পাদক-০১ জন
১৭। মাদক নিয়ন্ত্রন বিষয়ক সম্পাদক-০১ জন
১৮। স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদিকা,০১ জন
১৯। শিক্ষা ও শাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক-০১
২০। গনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক -০১ জন
২১। পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক-০১ জ
২২। নির্বাহী সদস্য-০২ জন
২৩। সদস্য-০৩ জন
মোট সদস্য সংখ্যা-৩১ জন।
==============================
অনুচ্ছেদ-০২
“সততা দেশি-প্রবাসী মানবকল্যান সংগঠন" একটি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
এর
গঠনতন্ত্রঃ
১। গঠনতন্ত্রঃ সংগঠনের গঠনতন্ত্র বুজাবে।
২। লক্ষ ও উদ্দেশ্যঃ সংস্হার লক্ষ ও উদ্দ্যেশ্য বর্নিত আছে।
৩। সংস্হাঃ সংস্হার নামকে বুজাবে।
৪। পরিচালনা পরিষদঃ কার্য়নির্বাহী পরিষদকে বুঝাবে ।
৫। সংগঠনের প্রকৃতিঃ ইহা একটি অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্হা। অর্ডিনেন্স এর নিবন্ধনসহ প্রয়োজনবোধে সংস্হার লক্ষ্য ও উদ্দ্যেশ্য বাস্তবায়নে অনান্য কর্তৃপক্ষ/সংস্হা/সংগটনকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে ।
৬। সদস্যের শ্রেনীবিভাগঃ
ক। সাধারন সদস্য
খ। দাতা সদস্য
গ। আজীবন সদস্য
৭। সদস্য হওয়ার যোগ্যতাঃ
ক। সাধারন সদস্যঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে চলবলা ইউনিয়নের যে কোন সুস্হ্য সচেতন নাগরিক এই সংস্হার সদস্য পদ লাভ করতে পারবেন ।
খ। দাতা সদস্যঃ বাৎসরিক কমপক্ষে ৫০০০/-টাকা কোন ব্যক্তি প্রদান করলে দাতা সদস্য হতে পারবেন ।
গ। আজীবন সদস্যঃ কোন বাংলাদেশী নাগরিক বাৎসরিক ১০,০০০/-টাকা দান করলে আজীবন সদস্য পদ লাভ করবেন।
৮। সদস্য ভর্তির নিয়মাবলীঃ
ক। বাংলাদেশের স্হায়ী নাগরিক (দেশী/প্রবাসী) এবং উৎসাহী সমাজকর্মী এই সংস্হার সদস্য হতে পারবে।
খ। সংস্হা কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন পত্রের মাধ্যমে ১০০/- ( একশত)টাকা ফি সহ চেয়ারম্যান/মহাসচিবের বরাবরে জমা দিতে হবে ।
গ। সংস্হার আদর্শ ও উদ্দেশ্য অনুগত হতে হবে।
ঘ। ভর্তি ফি ১০০/-(একশত) টাকা ও মাসিক ১০০(একশ) হতে ১০০০ (এক হাজার) হাজার পর্যন্ত যার যা ধার্য পরিশোধ করতে হবে ।
ঙ। মহাসচিব জমাকৃত সকল ধরনের সদস্যে আবেদনপত্র ত্রুটিনাইজ করে কার্যনির্বাহী/ সাধারন পরিষদে অনুমোধনের জন্য এবং অনুমোদনের পর সদস্য খাতায় লিপিবদ্ধ করবেন ।
চ। প্রবাসী বা অনলাইন ব্যবহারকারীরা নিজ নিজ ফেসবুক থেকে স্টাটাস দিয়ে আবেদন করতে হবে।
ছ। অনলাইনে আবেদনকৃত ব্যক্তিবর্গের সাথে চেয়ারম্যান/মহাসচিব সার্বিক আলোচনা করে একাত্বতা ঘোষনা করেছে এই মর্মে সংগঠনের পেইজে প্রাথমিক সদস্য পদ ঘোষনা করবেন।
৯। সদস্যদের অধিকার ও সুবিধাঃ
কার্যনির্বাহী ও সাধারন পরিষদের সদস্যগন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন এবং ভোটাধিকার সংরক্ষিত থাকবেন । উপদেস্টা/আজীবন/দাতা সদস্য গন উন্নয়ন ও বৃহত্তম স্বার্থে পরামর্শ দান বা নির্বাচন পরিষদের সদস্য হিসাবে কাজ করবেন ।
১০। সদস্য পদ বিলুপ্তি বা পুনঃভর্তিঃ
ক। যদি স্ব ইচ্ছায় পদত্যাগ করে।
খ। যদি মানুষিক ভারসাম্য হারায়
গ। যদি পর পর তিন সভায় অনুপস্হিত থাকে বা সংস্হার কাজে অনিশ্চয়তা বা অকর্মন হয়ে পড়েন।
ঘ। সংস্হার স্বার্থ পরিপন্থি কোন কাজ করলে বা তার স্বভাবের , আচরনের সংস্হার পরিপন্থি অথবা তহবিল তসরুপের কারনে।
ঙ। সদস্য পদ প্রাপ্তীর ০৬ মাস চাদা অনাদায়ের কারনে।
চ। কোন সদস্যের মৃত্যু হলে, দেউলিয়া হলে, উম্মাদনা বা পাগল হলে , আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষনা হলে সদস্য পদ বাতিল বলে গন্য হবে ।
ছ। কোন সদস্য পদ হারালে তার ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলে এমন সদস্যের নতুন করে আবেদন করতে হবে এবং সদস্য ভর্তির নিয়মাবলী গঠনতন্ত্রের ৯(খ) অনুযায়ী ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে ।
১১। সাংগঠনিক কাঠামোঃ
সংস্হা পরিচালনার জন্য সাধারনত সাংগঠনিক কাঠামো হবে ২টি যথাঃ (১) কার্যনির্বাহী পরিষদ
(২) উপদেষ্টা পরিষদ
নোটঃ ইউনিয়ন কমিটি (কার্যনির্বাহীর সিদ্দান্তে প্রয়োজন হলে উপদেষ্টা পরিষদকে বর্ধিত করার জন্য করা হবে)
ক। কার্যনির্বাহী পরিষদঃ
কার্যনির্বাহ পরিষদ ৩১ (একত্রিশ)সদস্য বিশিস্ট একটি কার্যনির্বাহী পরিষদ নিয়োগ বা নির্বাচিত হবে । যাহা পদবী সমুহ নিম্মরুপঃ
১। চেয়ারম্যান-০১ জন
২। ভাইসচেয়ারম্যান-০৪ জন
৩। মহাসচিব-০১ জন
৪। যুগ্ম মহাসচিব-০২জন
৫। অর্থ সচিব(সরাসরি নিয়োগ প্রাপ্ত)-০১ জন
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক-০২জন
৭। দপ্তর সম্পাদক-০১ জন
৮। যুঃদপ্তর সম্পাদক-০১
৯। প্রচার সম্পাদক-০১জন
১০। যুঃপ্রচার সম্পাদক-০১
১১। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক-০১ জন
১২। সমাজকল্যাণ সম্পাদক-০১ জন
১৩। আন্তর্জাতিক সম্পাদক-০১ জন।
১৪। মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদিকা-০১
১৫। সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক-০১জন
১৬। সমবায় বিষয়ক সম্পাদক-০১ জন
১৭। মাদক নিয়ন্ত্রন বিষয়ক সম্পাদক-০১ জন
১৮। স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদিকা,০১ জন
১৯। শিক্ষা ও শাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক-০১
২০। গনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক -০১ জন
২১। পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক-০১ জ
২২। নির্বাহী সদস্য-০২ জন
২৩। সদস্য-০৩ জন
মোট সদস্য সংখ্যা-৩১ জন।
১২। প্রশাসনিক ব্যবস্হাঃ
ক। উচ্চ পরিষদঃ মানব কল্যান সোসাইটির উচ্চ পরিষদের ক্ষমতা নিম্মরুপঃ
(১) সংগঠনের গঠনতন্ত্র রক্ষনাবেক্ষন।
(২) নিয়োগ/বদলী/বরখাস্ত
(৩) সাংগঠনিক ব্যবস্হা(শাস্তি/শোকজ/বরখাস্ত)
(৪) অর্থনৈতিক সাপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা।
(৫) সকল সিদ্দান্ত অনুমোদন
(৬) সকল পরিষদ গঠন করা।
(৭) উপদেস্টা পরিষদ গঠন।
(৮) আজীবন/দাতা সদস্য নিয়োগ।
খ। কার্যনির্বাহী পরিষদের খমতা ও দায়িত্বঃ
(১) সকল প্রয়োজনীয় খরচের অনুমোদন করা
(২) বিশেষ কার্য সম্পাদন এ সাব কমিটি গঠন করা করা।
(৩) সভা করার দিন, তারিখ,সময় ও স্হান ও সভার এজেন্ডা গ্রহন করা।
(৪) সংস্হার সকল হিসাব নিকাশ খরচের ভাউচার হিসাব বই নিরীক্ষা করার ব্যবস্হা করা।
(৫) সংস্হা আর্থিক ও প্রোগ্রাম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করা ।
(৬) সংস্হার প্রয়োজনীয় অর্থ খরচের পূর্বে ব্যাংক থেকে উত্তোলনের জন্য অনুমোদন করা।(যখন ব্যাংক একাউন্ট চালু হবে)
(৭) সংস্হার সকল হিসাব অর্থসচিবের মাধ্যমে সঠিকভাবে রক্ষনাবেক্ষন করা।
গ। সাধারন পরিষদঃ
(১) সংগঠনের সকল কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা।
(২) কার্যনির্বাহী পরিষদকে সকল বিষয় সহযোগিতা করা।
(৩) সংগঠনের নতুন সদস্যদের সাথে আন্তরিকতা গড়ে তোলা।
(৪) সংগঠনে নতুন সদস্য নিয়োগে সুপারিশ পেষ করা।
(৫) সাধারন/উপজেলা পরিষদের গ্রুপে সময় দেওয়া আলোচনা সভায় উপস্হিত থাকা।
(৬) সাংগঠনিক য়ে কোন প্রস্তাব কার্যনির্বাহীতে পেশ করা।
(৭) উচ্চ পরিষদ/ কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল বন্টনকৃত দায়িত্ব পালন করা।
(৮) পৌর কমিটি গঠন করা(প্রয়োজনে ইউনিয়ন/শাখা/কলেজ) কমিটি গঠন করা।
১৩। উচ্চ পরিষদ/কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারন/উপজেলা পরিষদ কর্মকর্তাদের খমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
(ক) চেয়ারম্যানঃ
১। সংস্হার নির্বাহী প্রদান হিসাবে তিনি যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
২। তিনি কার্য নির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন ।
৩। সংস্হার চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি সংস্হার উদ্দেশ্য ও লক্ষ , অনুসৃত নীতি ও গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে পরিচালক নিয়োগ, কর্মকর্তা নিয়োগ, কর্মচারী নিয়োগ, ভাউচার অনুমোদন, যে কোন বদলী, সংবিধান পুর্ন সংরক্ষন ও প্রয়োজনীয় ব্যখ্যা প্রদান, দেশী বিদেশী, সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন দাতা সংস্হা , ব্যক্তির সাথে সংস্হার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনসহ যাবতীয় প্রশানিক কাজের প্রধানের কাজ করবেন এবং কৃতকার্যের জন্য তিনি উচ্চ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদের কাছে দায়ী থাকবেন ।
৪। সংস্হার ভাবমুর্তী রক্ষার্থে সর্বদা তৎপর থাকবেন ।
৫। অর্থসচিব কর্তৃক মাসিক, ত্রৈমাসিক , বাৎসরিক জমা খরচের হিসাব প্রস্তুত করিয়ে নিবেন এবং যথাযথ সভায় অনুমোদন করিয়ে নিবেন ।
৬। কার্যনির্বাহী ও উচ্চ পরিষদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন কর্তব্য পালন করবেন ও সাংগঠনিক কর্তব্য পালনে সচেস্ট থাকবেন ।
৭ । সংস্হার সকল প্রকার কাগজ পত্র , তথ্য ও দলিল রক্ষনাবেক্ষন করবেন ।
৮। সংস্হার সার্বিক উন্নয়নে সর্বদাই সকল নির্বাহী সদস্যদের (উচ্চ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী) সাথে যোগাযোগ , আলোচনা ও পরামর্শ বজায় রাখবেন।
(খ ) সিঃ ভাইস চোয়ারম্যানঃ চেয়ারম্যানের অনুপস্হিতিতে ভাইসচেয়ারম্যান সকল খমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন ।
(গ) মহাসচিবঃ
১/ সকল প্রকার যোগাযোগ, চিঠিপত্র লেখা, আদান-প্রদানের ব্যবস্হা গ্রহন করবেন।
২/ সংস্হার সাধারন পরিষদ হতে প্রস্তাবিত কার্যক্রম প্রস্তাবনা প্রনয়ন এবং বাস্তবায়ন কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের সমন্বয় সাধন করবেন।
৩/প্রশাসন,প্রকল্প তৈরী,বাজেট তৈরী, কার্যক্রম বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন ইত্যাদি সবদিক সহায়তা করবেন।
৪/ সকল ধরনের সভার কার্যবিবরনী লিপিবদ্ধ করবেন ও বিতরনের ব্যবস্হা করবেন।
৫/ সকল ধরনের সভা আহবানে দিন, তারিখ , সময়, স্হান এবং এজেন্ডা উল্লেখ করে নোটিশ লিখে বিতরনের ব্যবস্হা করবেন।
৬/ সংগঠনের সকল পরিষদের সদস্যদের সাথে সমন্বয় সাধন করবেন।
৭/ সকল গ্রুপে আলোচনায় অংশ নিবেন এবং নির্দেশনামুলক বক্তব্য পেষ করবেন।
৮/ কার্যনির্বাহীর সভা মহাসচিব পরিচালনা করবেন।
৯/ চেয়ারম্যান কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব সুচারুপে পালন করবেন এবং সাংগঠনিক কাজে সর্বদা চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করবেন।
১০/ সংগঠনে সদস্য নিয়োগে সকল সদস্যের আইডি চেক করিবেন এবং যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে সংরক্ষন করিবেন ।
১১/ তিনি উচ্চ পরিষদের সদস্য হইবেন ।
১২/ ব্যাংক একাউন্টে চেয়ারম্যান ও অর্থসচিবের সাথে যুগ্ম স্বাক্ষরে স্বাক্ষরিত হবেন।
(ঘ) অর্থ সচিবঃ
১/ সংস্হার নগদ অর্থ, চেক বই সংরক্ষন, হিসাব ও নিকাশের বিবরনী যথাযথভাবে পরিচালনা করবেন।
২/ সংস্হার টাকা/তহবিল যে কোন সংস্হার নামে জমা করবেন।
৩/ চেক চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের সাথে যুগ্ম স্বাক্ষর দিয়ে লেনদেনের স্বাক্ষরদাতা হবেন।
৪/ সংস্হার হিসাব নিকাশের খাতাপত্র যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ রাখার ব্যবস্হা করবেন।
৫/ সকল সদস্যে উপর ধার্যকৃত/ স্বেচ্ছায় জমাকৃত অর্থ সংগ্রহ করবেন।
(ঙ) ভাইস চেয়ারম্যানঃ
১/ সংস্হার কার্যনার্বাহী পরিষদের সকল মিটিং এ উপস্হিত থাকবেন।
২/ কার্যনার্বাহী পরিষদের সকল সিদ্দান্ত গ্রহনে মতামত দিয়ে সহায়তা করবেন।
৩/ সংস্হা শক্তিশালী করার জন্য সকল সু পরামর্শ প্রদান করবেন।
(চ) সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
১/ সংস্হার সার্বিক বিষয় সকল সদস্যের সাথে যোগাযোগ করবেন।
২/ সাংগঠনিক পরিধি বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনে পরামর্শ প্রদান করবেন।
৩/ সকল আলোচনায় সভায় অংশ গ্রহন করবেন।
৪/ চেয়ারম্যান ও মহাসচিব কর্তৃক সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
(ছ) দপ্তর সম্পাদকঃ
১/ চেয়ারম্যান/ মহাসচিব কর্তৃক সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
২/ সংস্হার দাপ্তরিক কাগজপত্র সংরক্ষন করবেন।
৩/ মহাসচিব কর্তৃক সকল আদেশ পালন করবেন।
৪/ কার্যনার্বাহীর সভাপরিচালনা করবেন।
(জ) প্রচার সম্পাদকঃ
১/ সংস্হার চেয়ারম্যান/ মহাসচিব কর্তৃক সকল প্রচারনা তিনি করবেন।
২/ সকল সদস্য নিকট সকল নোটিশ পৌছানো নিশ্চিত করবেন।
১৪। উপদেষ্টা পরিষদঃ
মানব কল্যান সোসাইটি সংস্হার উচ্চ পরিষদের সিদ্দান্ত মোতাবেক একের অধিক সর্বাধিক ১১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা যেতে পারে । তবে তাদের কোন প্রকার ভোটাদিকার থাকবে না ।
১৫। নির্বাচন ও পদ্ধতিঃ
ক। সব ধরনের নির্বাচন প্রস্তাবনা ও সমর্থনের মাধ্যমে অথবা গোপন ব্যলটের মাধ্যমে নির্বাচন মনোনয়ন হতে পারে।
খ। নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবে না বা সংস্হার সদস্য নয় এমন ০৩ (তিন) জন সদস্যদের বা ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিটি গঠন করা যেতে পারে।
১৬। ভোটের প্রনালীঃ
ক। একজন সদস্য এক ভোটের অধিকারী হবেন।
খ। প্রত্যেকে একটি ভোট প্রদান করবেন।
গ। কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট দেওয়া যাবে না।
ঘ। প্রবাসীরা অনলাইনে ভোট দিতে পারবেন।
১৭। নির্বাচনী মেয়াদকালঃ
ক। নির্বাচনের মেয়াদকাল হবে ০৫ (পাচ) বছর
খ। মেয়াদ শেষের ৪৫ দিন পূর্বে কার্যনিরীবাহী পরিমদদ যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান ও দায়িত্ব হস্তান্তর করার ব্যবস্হা করবেন।
১৮। সভার নিয়মাবলীঃ
ক। সাধারন সভাঃ
খ। কার্যনির্বাহী সভা
গ। জরুরী সভা
ঘ। বিশেষ নরুরী সভা
ঙ। বিশেষ সাধারন সভা
চ। মূলতবী সভা
ছ। অনলাইন/গ্রুপ সভা
১৯। সাধারন পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্বঃ
২০। উপজেলা পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্বঃ
২১। মহানগর কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
২২। সোসাইটির আয়ঃ
ক। সদস্যদের ভর্তি ফি
খ। ধার্যকৃত চাদা ও দান
গ। শুভাকাংখীদের দান
ঘ। সরকারী, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, কল্যান মূলক সোসাইটি/ফাউন্ডেশন, দেশী বিদেশী দাতা সংস্হার দান বা রৃন।
ঙ। সোসাইটির প্রকল্প হতে আয়।
২৩। ব্যয় সমুহঃ
ক। অফিস ভাড়া
খ। টেলিফোন বা মোবাইল
গ। ইন্টারনেট বা ফ্যাক্স
ঘ। কারেন্ট ও গ্যাস বিল
ঙ। আসবাবপত্র ক্রয়
চ। কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা
ছ। পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সদস্য বা কর্মচারীদের দেশে বা বিদেশে প্রশিক্ষন বাবদ
জ। সোসাইটি পরিচালনায় বিভিন্ন খাতে ব্যয়।
ঝ। প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শনার্থে যান বাহন ক্রয় বা ভাড়া বাবদ ব্যয়।
ঞ। বিবিধ ব্যয়।
২৪। আর্থিক ব্যবস্হাপনাঃ
ক। সোসাইটির আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এলাকাস্হ বাংলাদেশের যে কোন সিডিউল ব্যাংকে সোসাইটির নামে একটি সন্চয়ী/চলতি হিসাব খুলতে হবে ।
খ। সঞ্চয়ী /চলতি বা উভয় হিসাব সোসাইটির চেয়ারম্যান, মহাসচিব ও অর্থ সচিব এই তিন জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে ।
গ। সংস্হার নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্হাতেই হাতে রাখা যাবে না।
ঘ। অর্থ প্রাপ্তির সাথে নগদ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের একাউন্টে জমা দিতে হবে ।
ঙ। অস্বাভাবিক উদ্ভুত পরিস্হিতিতে কার্যনির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান বা মহাসচাবের অনুমোদন ক্রমে সর্বোচ্চ ০৭ দিন মাত্র হাতে রাখা যাবে ।
চ। সোসাইটির প্রয়োজনীয় অর্থ খরচের পূর্বে উত্পোলনের জন্য কার্যনির্বাহীর অনুমোদন গ্রহন করতে হবে ।
ছ। অর্থ খরচের পর পরই খরচকৃত ভাউচার কার্যনার্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন নিতে হবে।
জ। বাৎসরিক সাধারন সভায় সকল খরচ অনুমোদন করাতে হবে এবং বাজেট পেশ করতে হবে ।
২৫। অডিট পদ্ধতিঃ
ক। সোসাইটির সকল হিসাব নিকাশ নিবন্ধ কর্তৃপক্ষ দ্বাড়া নিয়োগকৃত/অনুমোদনকৃত বা যে কোন নিবন্ধকৃত হিসাব সংস্হা (অডিট ফার্ম) বা পরীক্ষক দ্বারা করাতে হবে ।
খ। এ ধরনের হিসাব বার্ষিক ভিত্তিতে হবে ।
গ। ইহা ছাড়াও নিবন্ধকরন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত যে কোন কর্মকর্তা ও হিসাব নিরীক্ষা করতে পারবেন।
২৬। গঠনতন্ত্রের সংশোধন পদ্ধতিঃ
ক। গঠন তন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশোধনী অনুচ্ছেদ এর প্রস্তাবলী ২/৩ অংশ সদস্যের অনুমোদন গ্রহনের পর ইহা উচ্চ পরিষদে চুড়ান্তভাবে অনুমোদিত হলে গৃহীত হবে ।
খ। গৃহীত সিদ্দান্ত নিবন্ধন কর্তপক্ষকে অবহিত করতে হবে ।
২৭। প্রতিষ্ঠান বিলুপ্তি পদ্ধতিঃ
ক। যদি কোন সুনির্দিষ্ঠ কারনে প্রতিষ্ঠানের মোট সদস্যের পাচ ভাগের তিন ভাগ সদস্য প্রতিষ্ঠান বিলুপ্তি চান তবে যথা নিয়মে নিবন্ধীকরন কর্তপক্ষ এর বরাবরে পেশ করতে হবে । নিবন্ধন কর্তপক্ষ এ বিষয়ে যথাযত ব্যবস্হা গ্রহন করবেন ।
খ। জরুরী নোটিশের মাধ্যমে সাধারন পরিষদের বিশেষ সভায় সংগঠনের বিলুপ্তি সিদ্দান্ত গৃহীত হবে এবং পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহনের জন্য সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত রেজিস্ট্রেশন কর্তপক্ষকে অবহিত করতে হবে ।
গ। বিলুপ্তি সিদ্ধান্ত গ্রহনের পর স্হাবর/অস্হাবর সম্পত্তি যদি থাকে একই লক্ষ ও উদ্দেশ্য সংগঠিত যে কোন সোসাইটি বা সংস্হায় হস্তান্তর করতে হবে ।
এই মর্মে প্রত্যায়ন করছি যে, অত্র সংঘ স্বারকের সংযোজিতগঠন তন্ত্রই মূল গঠনতন্ত্রের অবিকল নকল কপি।