বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, চট্টগ্রাম জেলা

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, চট্টগ্রাম জেলা This page will be use for human rights & religious purposes only.

02/16/2026

১৫ আগষ্ট, ২১ আগষ্ট, ৫ আগষ্ট বি,এন,পি বুঝিয়ে দিয়েছে তারা যেকোনো মূল্যে আওয়ামী লীগ ধ্বংস করবে।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যেখানে সাম্প্রদায়িক, লুটেরা ও মৌলবাদী  অপশক্তিগুলো নিয়মিতভাবেই হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার, নি...
02/16/2026

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যেখানে সাম্প্রদায়িক, লুটেরা ও মৌলবাদী অপশক্তিগুলো নিয়মিতভাবেই হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন ও হত্যাকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে সেখানে কতিপয় উচ্চভিলাসী হিন্দু মিলিয়ন মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে হিন্দু নির্যাতনের মিউজিয়াম তৈরি করছে আর ওদের সাথে সম্পৃক্ত কতিপয় হিন্দু মিউজিয়াম তৈরির জন্য চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে।
অথচ নির্যাতিত, নিপীড়িত হিন্দুদের কোন প্রকার সহায়তা করে না শুধুমাত্র হিন্দুদের সহায়তার নামে তামাশা করছে।এই ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে হিন্দুদালালদের ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করুন।

10/27/2025

▪️নতুন কুঁড়ি ও বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সংস্কৃতি

সম্প্রতি শিশুতোষ প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের চূড়ান্ত উত্তীর্ণদের ধর্ম নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা জানি যে, গত দশ বছরে বাংলাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের ভেতরে গান-বাজনা নিষিদ্ধ (কোরআন-হাদিস অনুযায়ী, এবং যা অবশ্যই সত্য) এই প্রচার বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগেও এই ধরনের অনুষ্ঠানে মুসলিম পরিবারের শিশুদের যে পরিমাণ অংশগ্রহণ দেখা যেত, সেই উৎসাহে অনেক ভাটা পড়েছে, হামদ-নাত বা ক্বিরাত বাদে অন্যান্য অংশের ৯০% শিশুই হিন্দু। রবীন্দ্রনাথকে আগেই বাদ দিলেও সেদিন খুব বেশি দূরে নেই যেদিন জাতীয় কবি কাজী নজরুল কিংবা বাংলাদেশের আবহমানকালের ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, জারি, সারি গান কিংবা লালন শাহ, শাহ আব্দুল করিম শুধু বাংলাদেশের হিন্দুদের মাঝেই জীবিত থাকবেন। উল্লেখ্য, আধুনিক গান ব্যতীত সব অংশেই মুসলিমরাও রয়েছেন সমানহারে। এমন নি অভিনয়, নজরুলগীতিতেও। সেখানে কেন তারা নিজস্ব নীতি-বিধান চাপিয়ে দিচ্ছে না বিশেষত মেয়েদের উপর এবং শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপরই এতো আক্রো*শ তা সহজেই বুঝা যায়। পাশাপাশি নিজস্ব বিধানকে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার দৃষ্টান্ত হিসেবে বাংলার সমৃদ্ধ বাউল সংস্কৃতি চর্চাকারীদের প্রতিও উ*গ্র*বাদীদের আচরণ আমাদের শঙ্কিত করে। এমনকি তাদের মতেরও আগে স্বীকৃত সুফি, মাজার বা পীরদের জিকির গান কোনোকিছুই তাদের হাতে আর নিরাপদ নয়, এবং তারা এটিকে তাদের 'বিশুদ্ধ' মতে অমান্য বলেন। অবশ্য একমাত্র পাকিস্তানী সংস্কৃতি হিসেবে কিছু কাওয়ালি গান আয়োজন করার ভেতরেই সাংস্কৃতি অঙ্গনে উ*গ্র*বাদীদের বিচরণ এখনো সীমাবদ্ধ, যদিও তখন তাদের আর গান-বাদ্যের প্রতি নিজস্ব গ্রন্থের বিধি-বিধান নিয়ে উচ্চবাক্য ফেসবুকীয় গবেষক বা বাইরে সভা-সমাবেশে শোনা যায় না। কে জানে হয়তো এক প্রজন্ম পরে এদের ভাবপিতা পাকিস্তানের সংস্কৃতি কাওয়ালিও তাদের থেকে নিরাপদ থাকবে না। যেভাবে বিশিষ্ট কাওয়ালী শিল্পী আমজাদ সাবরিকে পাকিস্তানি ধর্মীয় উ*গ্রবাদীরা হ*ত্যা করেছিল, এদেশের মুসলিম শিল্পীদেরও হয়তো আগামী ১৫-২০ বছর পরে একই পরিণতি অপেক্ষা করছে।
আরো মজার ব্যাপার হলো এই উ*গ্রবাদী জনগোষ্ঠী নিজেরা সংস্কৃতি চর্চায় নিরুৎসাহিত করবে,‌ অন্যদিকে নিজ যোগ্যতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবস্থান তৈরি করা চঞ্চল চৌধুরী, যশ রোহান বা বৃন্দাবন দাশকেও বয়কটের ডাকের স্বীকার হতে হবে শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে। এদের শঠতার কথা জানতে পেরেই হয়তো আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতি সেলুকাসকে বলেছিলেন, "হায় সেলুকাস!‌ কী বিচিত্র এই দেশ!"

বি: দ্র: সনাতনী অভিভাবকদের প্রতিও আমাদের অনুরোধ থাকবে, আপনার সন্তানকে সাংস্কৃতিক চর্চার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাও দিন যেন তারা পরবর্তী কবরী (মীনা), সুচরিতা, কমল দাশগুপ্ত, প্রবীর মিত্র না হয়। নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রতি সদা অনুগত থাকে। আর নিজ উ*গ্র মতবাদকে লুকিয়ে ভেড়ার মুখোশ পরে আসা নেকড়ের দল যারা সেক্যুলারিজমের রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে ধর্মান্তর করতে চাইবে; তাদের থেকে যেন দূরে থাকে।

10/24/2025
ভারত ভাগের কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিল। তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে বাঙালি হিন্দুদের জীবনে নেমে এলো এক অকল্পনীয় বিপর্যয়। যে মাটিতে...
10/07/2025

ভারত ভাগের কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিল। তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে বাঙালি হিন্দুদের জীবনে নেমে এলো এক অকল্পনীয় বিপর্যয়। যে মাটিতে তারা জন্ম নিয়েছিল, যে বাড়ির উঠোনে শৈশব কাটিয়েছিল, যে পুকুরঘাটে সন্ধ্যায় গল্পের আসর বসত, সেই সবকিছু এক রাতের মধ্যে স্বপ্নের মতো মিলিয়ে গেল। ভিটেমাটি, জমিজায়গা, স্মৃতির সেই অমূল্য ধন এক কাপড়ে ছেড়ে তাদের পাড়ি দিতে হলো অজানা পথে, এক অচেনা দেশে—ভারতে। এই উদ্বাস্তু বাঙালি হিন্দুদের গল্প শুধু পলায়নের নয়, এ এক হৃদয়বিদারক গাথা, যেখানে বেঁচে থাকার লড়াইয়ের সঙ্গে মিশে আছে স্মৃতির বোঝা, হারানোর বেদনা আর নতুন করে শুরু করার সংগ্রাম।(সময়টা ছিল ১৯৪৭।)

পূর্বপাকিস্তানের গ্রামগুলো ছিল বাঙালি হিন্দুদের জীবনের কেন্দ্র। ধানক্ষেতের সবুজ, নদীর কলতান, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি—এসব ছিল তাদের জীবনের ছন্দ। প্রতিটি বাড়ির দেওয়ালে লেগে থাকত পূর্বপুরুষের স্মৃতি। কিন্তু দেশভাগের সিদ্ধান্ত তাদের জীবনকে উলটপালট করে দিল। ধর্মীয় উন্মাদনা আর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে হিন্দু পরিবারগুলোর উপর নেমে এলো নির্যাতনের খাঁড়া। দাঙ্গা, লুণ্ঠন, হত্যা আর ভয়ের পরিবেশে তারা বুঝে গেল, এই মাটিতে আর টিকে থাকা সম্ভব নয়।

এক রাতের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হলো। কেউ বা সঙ্গে নিল একটা তামার পাত্র, কেউ নিল পৈতৃক মন্দিরের একটি মূর্তি, আর কেউ শুধু পরিবারের হাত ধরে পথে নামল। সঙ্গে নেওয়ার মতো কিছুই ছিল না, কারণ জীবন বাঁচানোর তাগিদে সময় ছিল না। মা-বাবা, সন্তান, বৃদ্ধ দাদা-দাদি—সবাই একসঙ্গে পথে নামল। পিছনে ফেলে এলো বাড়ি, জমি, গাছপালা, আর সেই পুকুরঘাট যেখানে সন্ধ্যার আলোয় গল্পের আসর বসত।

উদ্বাস্তুদের পথ ছিল কণ্টকাকীর্ণ। পূর্বপাকিস্তান থেকে ভারতে পৌঁছানোর জন্য কেউ বেছে নিল নদীর পথ, কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ ট্রেনের ছাদে চড়ে। কিন্তু প্রতিটি পথেই ছিল মৃত্যুর ছায়া। দাঙ্গাবাজদের হাতে লুণ্ঠন, ধর্ষণ, হত্যা—এসব ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। অনেকে পথেই প্রাণ হারালো। কেউ হারালো সন্তান, কেউ স্বামী, কেউ মা-বাবা। যারা বেঁচে গেল, তাদের কাঁধে চেপে বসল হারানোর বেদনা।

এক মায়ের গল্প মনে পড়ে। তিনি তার তিন বছরের শিশুকে কোলে নিয়ে পথ চলছিলেন। পথে খাবার নেই, জল নেই, শুধু ভয় আর অনিশ্চয়তা। শিশুটি ক্ষুধায় কাঁদতে কাঁদতে একসময় নিস্তব্ধ হয়ে গেল। মা বুঝতে পারলেন না, তার কোলের সন্তান আর বেঁচে নেই। এই বেদনা শুধু একজন মায়ের নয়, এমন অসংখ্য মা, বাবা, ভাই, বোন তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছিল এই পথে।

ভারতে পৌঁছে উদ্বাস্তুদের জীবন সহজ হয়নি। তারা এসেছিল এক কাপড়ে, হাতে কিছুই ছিল না। শরণার্থী শিবিরে তাদের জায়গা হলো। কিন্তু সেখানে ছিল না কোনো স্বাচ্ছন্দ্য। একটি ঘরে গাদাগাদি করে থাকা, খাবারের জন্য লাইনে দাঁড়ানো, রোগব্যাধির সঙ্গে লড়াই—এই ছিল তাদের নতুন বাস্তবতা। যে মানুষগুলো একদিন নিজের জমিতে ফসল ফলাত, নিজের বাড়িতে সুখে থাকত, তারা এখন পরিচয়হীন, সম্পত্তিহীন উদ্বাস্তু।

তবু তারা হাল ছাড়েনি। যে বাঙালি হিন্দু একদিন ভিটেমাটি ছেড়ে এসেছিল, সে নতুন করে শুরু করল। কেউ রিকশা চালাল, কেউ দিনমজুর হল, কেউ ছোট দোকান খুলল। নিজেদের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য তারা প্রাণপণ লড়াই করল। এই সংগ্রামের মধ্যেও ছিল এক অদম্য ইচ্ছাশক্তি। তারা জানত, পিছনে ফিরে তাকালে শুধু বেদনাই মিলবে, তাই তারা সামনে এগিয়ে গেল।

আজও অনেক উদ্বাস্তু পরিবারের বুকে সেই হারানো ভিটেমাটির কথা জ্বলজ্বল করে। তারা হয়তো এখন ভারতের মাটিতে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু মনের কোণে লুকিয়ে থাকে সেই পুরোনো বাড়ির স্মৃতি। যে মন্দিরে পুজো দিতেন, যে গাছের নিচে বসে গল্প করতেন, যে নদীতে মাছ ধরতেন—এসব এখন শুধুই স্মৃতি। এই স্মৃতি তাদের বেঁচে থাকার শক্তি দেয়, আবার কখনো কখনো বুকের মধ্যে এক অসহনীয় যন্ত্রণার জন্ম দেয়।

উদ্বাস্তু বাঙালি হিন্দুদের এই গল্প শুধু হারানোর গল্প নয়, এ এক জয়ের গল্পও। তারা হারিয়েছিল সবকিছু—ভিটেমাটি, পরিচয়, নিরাপত্তা। কিন্তু তারা জিতেছিল জীবনের লড়াই। তাদের এই সংগ্রাম আমাদের শেখায়, মানুষ যত বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ুক না কেন, তার মধ্যে বেঁচে থাকার, নতুন করে শুরু করার শক্তি থাকে। তবে এই গল্পের মধ্যে একটা প্রশ্ন থেকে যায়—কেন মানুষকে তার নিজের মাটি ছেড়ে পালাতে হবে? কেন একটি রেখা টেনে মানুষের জীবনকে দুভাগ করে দেওয়া হবে? এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো কোনোদিন মিলবে না, কিন্তু উদ্বাস্তুদের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেবে, মানুষের জীবনের মূল্য কোনো সীমানা দিয়ে মাপা যায় না।

10/06/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

10/05/2025

ধর্ম অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রটি দাওয়াতি গ্রুপের পাল্লায় পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে ২০২৩ সালে; অর্থাৎ সে মুসলিম। অথচ বাংলাদেশের সংখ্যালঘু বিরোধী হলুদ মিডিয়া তাকে হিন্দু সাজিয়ে দিনরাত্রি প্রচার করে চলছে।

তাইতো অসুরের মুখে দাড়ি থাকবে কেন ? অসুর তো মহিলা তাই না?এই গাঁজাখোড়ী কথা বার্তা বাদ দিয়ে,  নিজের উপর অর্পিত  দ্বায়িত্বগ...
10/05/2025

তাইতো অসুরের মুখে দাড়ি থাকবে কেন ? অসুর তো মহিলা তাই না?
এই গাঁজাখোড়ী কথা বার্তা বাদ দিয়ে, নিজের উপর অর্পিত দ্বায়িত্বগুলো করেন।
সাম্প্রদায়িক দাংগা,ধর্মীয় উস্কানীমূলক কথা বার্তা গুলো বলার ধান্দাবাজী বন্ধ করেন মিয়া-ভাই।

09/25/2025

সকল সনাতনীদের জানাই শারদ শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ সনাতন সংসদ এর জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক এবং সকলের প্রতি শারদ শুভেচ্ছা রইল।
09/25/2025

বাংলাদেশ সনাতন সংসদ এর জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক এবং সকলের প্রতি শারদ শুভেচ্ছা রইল।

Address

California City, CA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, চট্টগ্রাম জেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share