20/05/2025
৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর থেকেই মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে আবার বাংলাদেশে আনার জন্য সাদপন্থীরা চাপ প্রয়োগ প্রয়োগ শুরু করে।
তাদের দাবি—তাদের “ধর্মীয় অধিকার” থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা কী?
🔍 সরকার, প্রশাসন ও মিডিয়াকে ব্যবহার করে তারা একধরনের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা শুরু করে।
🕌 এর জবাবে দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ৫ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশাল মহাসমাবেশ করেন, যেখানে সাদপন্থিদের অপপ্রচারের জবাব দেওয়া হয়।
📅 সরকার ৭ নভেম্বর এক সমঝোতা নির্ধারণ করে:
▪️ ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫: সাদপন্থিদেরকে ইজতেমার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঠ হস্তান্তর
▪️ ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫: প্রশাসনের কাছে পুনরায় সাদপন্থীদের কর্তৃক মাঠ হস্তান্তর
অর্থাৎ ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ এর পূর্বে সাদপন্থিদের জন্য ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের কোনো অনুমতি ছিল না ।
কিন্তু এরপরে যা ঘটে, তা চমকে ওঠার মতো—
⚠️ সাদপন্থিরা এই সিদ্ধান্তকে মানতে অস্বীকৃতি জানায়
⚠️ ১৯ নভেম্বর তারা প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন “যমুনা”র সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালায়
⚠️ তারা দাবি তোলে—ইজতেমার প্রথম অংশ শুধু তারাই করবে, এবং মাওলানা সাদকে আসতে দিতে হবে
⚠️ এবং এরপর থেকে বিভিন্ন নেতাদের পক্ষ থেকে সহিংস হুমকি আসতে থাকে—“দাবি না মানলে ইজতেমা বন্ধ করে দেবো”
❓ প্রশ্ন ওঠে—
এরা কি সত্যিই দাওয়াতের পথে, না কি এক ভয়াবহ ক্ষমতা-কেন্দ্রিক ষড়যন্ত্র চলছে?
🎥 বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন।
👇 নিচে মন্তব্যে আপনার মতামত জানান—আপনি কী ভাবছেন এই বিষয়ে?
#তাবলীগজামাত #মাওলানা_সাদ #ইজতেমা_২০২৫ #সাদপন্থী_বিরোধ #শূরাপন্থী #ইজতেমা_সংঘর্ষ #ইসলামিকভিডিও #মুসলমানদেরঐক্য