প্র্যাক্টিসিং তাকওয়া-Fear of Allah

  • Home
  • Maldives
  • Male
  • প্র্যাক্টিসিং তাকওয়া-Fear of Allah

প্র্যাক্টিসিং তাকওয়া-Fear of Allah Fear of Allah

09/11/2024

"পরিবারে অজাচার/ব্যভিচার বাড়লে, সেই পরিবারে দুরারোগ্য ব্যাধি ও আল্লাহর গজব ছড়িয়ে পড়ে।"

04/11/2024

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্বামী যদি মনোবাসনা পূরণের জন্য তার স্ত্রীকে ডাকে তবে সে যদি চুলার কাছেও থাকে তবুও যেন অবশ্যই সাড়া দেয়।

- মিশকাত ৩২৫৭, সহিহাহ ১২০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

10/10/2024

রাসূলুল্লাহ্ সা. বলেন, "তোমাদের কেউ যেন বিপদে পতিত হওয়ার দরুন মৃত্যু কামনা না করে। সে যদি (মারাত্মক সমস্যায় পড়ে) একান্ত বাধ্য হয়ে কিছু বলতে চায় তাহলে যেন (এরূপ) বলে: 'হে আল্লাহ! আমাকে ওই সময় পর্যন্ত জীবিত রাখো, যতক্ষণ আমার জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দান করো, যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয়।"

-(সহিহ বুখারি, মুসলিম, রিয়াদুস সালেহীন: ৫৮৬)

05/10/2024

"আমি বহু জিন ও মানুষকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। তাদের হৃদয় রয়েছে, কিন্তু তারা তদ্বারা উপলব্ধি করেনা; তাদের চক্ষু রয়েছে, কিন্তু তারা তদ্বারা দেখেনা। তাদের কর্ণ রয়েছে, কিন্তু তদ্বারা তারা শোনেনা। তারাই হল পশুর ন্যায়, বরং তা অপেক্ষাও অধিক বিভ্রান্ত। তারাই হল গাফিল বা উদাসীন।"

[সূরাঃ আল-আ'রাফ: আয়াত নং - ১৭৯]

05/09/2024

♦ওযুর সময়/শুরুতে বিসমিল্লাহ না বললে ওযু হবে কিনা??

অযূর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা সুন্নাত। কেননা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলার নির্দেশ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গভাবে অযূ না করলে কারো সালাত শুদ্ধ হবে না। সুতরাং সে তার মুখমণ্ডল এবং উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুবে, মাথা মাসাহ করবে এবং উভয় পা গোড়ালীসহ ধুবে...’ (আবূ দাঊদ, হা/৮৫৮)। এই হাদীছে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিসমিল্লাহ বলার কথা বর্ণনা করেননি। সুতরাং এই হাদিস সহ আরো অন্য বর্ণনা প্রমাণ করে যে, অযূতে বিসমিল্লাহ বলা ফরয নয়, বরং তা সুন্নাত। অযূর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলাই উত্তম। তবে কেউ যদি অযূতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে যায়, তাহলে তার অযূ হয়ে যাবে। (আল মাজমূ, ১/৩৪৬; শারহুল মুমতে, ১/১৩০)।
উল্লেখ্য যে, একটি হাদীছে রয়েছে, যে ব্যক্তি অযূতে বিসমিল্লাহ বলে না, তার অযূই হয় না (আবূ দাঊদ, হা/১০২, ইবনু মাজাহ, হা/৩৯৭)। এখানে উদ্দেশ্য হলো, বিসমিল্লাহ না বললে তার পূর্ণাঙ্গ অযূ হবে না। বিসমিল্লাহ বলা ছাড়া অযূকে একেবারে নাকচ করা এখানে উদ্দেশ্য নয়। (আল-মাজমূ, ১/৩৪৭; আল-মুগনী, ১/১৪৬)।
--------------------------------------------
হাদীসে ওযুর শুরুতেই বিসমিল্লাহ বলার কথা এসেছে। তাই ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া না হলে উক্ত সুন্নত আদায় হবে না। তবে ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়তে ভুলে গেলে স্মরণ হওয়ার পর মাঝে বিসমিল্লাহ পড়া যাবে না- এমনটাও নয়; বরং ওযুর মাঝে বিসমিল্লাহর কথা স্মরণ হলেও কোনো কোনো ফকীহ তখন তা পড়ে নিতে বলেছেন। এছাড়া কোনো কোনো ফকীহ ওযুর প্রত্যেক অঙ্গ ধোয়ার সময়ও বিসমিল্লাহ পড়ার কথা বলেছেন। তাই ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়তে ভুলে গেলেও মাঝখানে পড়ে নেবে।
— মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদীস ১৪, ১৭; মুসনাদে আবি ইয়ালা, হাদীস ৪৬৬৮; নুখাবুল আফকার ১/১৩৯; তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৩৪; ফাতহুল কাদীর ১/২১; আলবাহরুর রায়েক ১/২০; ইমদাদুল ফাত্তাহ পৃ. ৮২; আলমুগনী, ইবনে কুদামা ১/১৪৬
[সূত্র : মাসিক আল কাউসার
যিলহজ্ব ১৪৪৩ || জুলাই ২০২২]

19/08/2024

পাপ করা থেকে বড় অপরাধ হলো পাপ করার পর তা থেকে তাওবা না করা, ফিরে না আসা, অনুতপ্ত না হওয়া এবং বারবার পাপ করা।

03/08/2024

"আর তুমি সালাত কায়েম কর দিবসের দু’প্রান্তে এবং রাতের প্রথম অংশে*। নিশ্চয়ই ভালকাজ মন্দকাজকে মিটিয়ে দেয়। এটি উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য উপদেশ।"

-[সূরাঃ হূদ | Hud: ১১:১১৪]

* দিনের প্রথম প্রান্তে ফজরের সালাত, দ্বিতীয় প্রান্তে যোহর ও আসরের সালাত আর রাতের প্রথম অংশে মাগরিব ও ইশার সালাত। [তাফসীর ইবন কাসীর, তাইসীরু কারীমির রহমান]।

03/08/2024
26/07/2024

আর তাওবা নাই তাদের, যারা অন্যায় কাজ করতে থাকে, অবশেষে যখন তাদের কারো মৃত্যু এসে যায়, তখন বলে, আমি এখন তাওবা করলাম, আর তাওবা তাদের জন্য নয়, যারা কাফির অবস্থায় মারা যায়; আমি এদের জন্যই তৈরী করেছি যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

[সূরাঃ আন-নিসা: ৪:১৮]

26/07/2024

ইসলামে প্রতারণা করা বা কৌশলে অন্যকে ঠকানো কবিরা গুনাহ তথা হারাম। এছাড়া একে মুনাফিকের অন্যতম স্বভাব বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘এরা আল্লাহ ও তাঁর নেক বান্দাদের সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। অথচ তারা অন্য কাউকে নয় নিজেদের সঙ্গেই প্রতারণা করছে। একে তারা উপলব্ধিও করতে পারছে না। (আসলে) এদের কলবে রয়েছে ব্যাধি। (প্রতারণার কারণে) আল্লাহ তাদের ব্যাধি আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের জন্য রয়েছে তাঁর পক্ষ থেকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। কেননা তারা মিথ্যা বলেছিল।’ সুরা বাকারা, আয়াত ৯-১০।
হাদিসে এসেছে, যারা ধোঁকা ও প্রতারণায় লিপ্ত হবে তারা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মত থেকে বের হয়ে যাবে। অর্থাৎ তারা আর নবীজির উত্তরসূরি থাকবে না। এ প্রসঙ্গে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে প্রতারণা করে সে আমার দলভুক্ত নয়।’ মুসলিম, হাদিস ১০২।
মানুষ দৈনন্দিন জীবনে ইচ্ছা-অনিচ্ছায়, কথা-কাজে, লেনদেনে ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ধোঁকা বা প্রতারণা যে কোনো উপায় করতে পারে। তবে একে সমর্থন করা অন্যায়। কখনো হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তওবা করে নিতে হবে। কারণ ইসলাম এগুলো অবৈধ ঘোষণা করেছে।
এর মন্দ পরিণাম সম্পর্কে আল্লাহ কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘মন্দ পরিণাম তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়। যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেওয়ার সময় ঠিকই পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে কিন্তু যখন তার বিনিময় প্রদান করে তখন মাপে বা ওজনে কম দেয়।’ সুরা মুতাফফিফিন, আয়াত ১-৩।
যারা বিভিন্ন কারণে প্রতারণা বা ধোঁকাবাজির সঙ্গে জড়িত তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। পরকালে তাদের অবস্থান জাহান্নাম। হাদিসে এসেছে, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘প্রত্যেক ধোঁকাবাজ ও প্রতারক জাহান্নামি।’
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘পাঁচ ব্যক্তি জাহান্নামি হবে। তার মধ্যে অন্যতম একজন হচ্ছে যে সকাল-সন্ধ্যা সর্বাবস্থায় কারও ধনসম্পদ ও পরিবার-পরিজন সম্পর্কে ধোঁকা দেয়।’
ইসলামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে ওজনে কম দেওয়ার শাস্তি অনেক। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘একবার রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো এক খাদ্যবস্তুর স্তূপের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন; তখন তিনি খাদ্যবস্তুর স্তূপে হাত ঢুকিয়ে দেখলেন এর ভিতরে সিক্ত। তখন তিনি বললেন, হে খাদ্যের মালিক! এটি কী? জবাবে খাদ্যের মালিক বলল, হে আল্লাহর রসুল! বৃষ্টির কারণে এরূপ হয়েছে।
এ কথা শুনে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি ভেজা খাদ্যশস্য ওপরে রাখলে না কেন? তাহলে তো ক্রেতারা এর অবস্থা দেখতে পেত (প্রতারিত হতো না)। যে ধোঁকা দেয় সে আমার উম্মতের মধ্যে গণ্য হবে না।’ মিশকাত।
যারা প্রকৃত মুসলমান তারা কখনই আমানতের খেয়ানত করে না। অন্যের সম্পদ তারা অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে না। সব সময় তারা আমানত রক্ষা করে।

Address

Male
20002

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্র্যাক্টিসিং তাকওয়া-Fear of Allah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share