10/04/2026
📢 2023 -2024 সালে ইতালি ভিসা বাতিল সংক্রান্ত তথ্য ও 2026 Italy WorkVisa
🤝 সমাধান 🤝
🇮🇹 ইতালিয়ান ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান।
✍️ যেহেতু বাংশাদেশ হইতে ইতালীতে বাংলাদেশী কর্মীরা ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা নিয়ে যাওয়ার ভাষা ও কর্ম দক্ষতা না থাকার কারণে মালিকরা তাদের কাজে সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হয়। ফলে ইতালীতে বাংলাদেশী নাগরিকা অবৈধ হয়ে বসবাস করতে বাধ্য হয়।
যার কারলে ২০২৩-২৪ সালে ইতালিতে কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট প্রদানের ক্ষেত্রে ইতালি সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের নাগরিকদেও জন্য বিশেষ প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয় যার বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে প্রায় লক্ষাধিক কর্মীর ভিসা বাতিল হয়।
ইতালীয় অভিবাসন আইনের অনুচ্ছেদ ২৩ (art.২৩) এবং ডিক্রি ১৪৫/২০২৪ (Law ১৪৫/২০২৪) এর মাধ্যমে আসা পরিবর্তনগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে বাংলা অনুবাদসহ দেওয়া হলো:
👉 অনুচ্ছেদ ২৩ কী?
ইতালীয় অভিবাসন আইনের (Unified Text of Immigration Law ২৮৬/১৯৯৮) অনুচ্ছেদ ২৩ মূলত “বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের” জন্য একটি বিশেষ সুযোগ।
👉 মূল নিয়ম: যদি কোনো বিদেশি নাগরিক নিজ দেশে থাকাকালীন ইতালীয় সরকার অনুমোদিত কোনো সংস্থা থেকে ইতালীয় ভাষা এবং কারিগরি বা পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন, তবে তিনি ‘ডিক্রেতো ফ্লাসি’ (Decreto Flussi) বা বাৎসরিক কোটার বাইরে সরাসরি ইতালিতে কাজের জন্য আসার সুযোগ পান।
👉 উদ্দেশ্য: ইতালিতে আসার আগেই কর্মীকে কাজের জন্য দক্ষ এবং ভাষার দিক থেকে প্রস্তুত করা।
✌️ফলাফল: এই কোর্সের সার্টিফিকেট থাকলে কোনো নিয়োগকর্তা (মালিক) সরাসরি সেই কর্মীকে নিয়োগ দিতে পারেন, তাকে লটারির (ঈষরপশ উধু) জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। ২. আইন ১৪৫/২০২৪ (Law ১৪৫/২০২৪) এর মাধ্যমে আসা পরিবর্তনসমূহ ২০২৪ সালের এই নতুন আইনের মূল লক্ষ্য ছিল অভিবাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা এবং জালিয়াতি রোধ করা। এর ফলে অনুচ্ছেদ ২৩ সহ সাধারণ কাজের ভিসায় নিচের পরিবর্তনগুলো এসেছে:
✍️ ক. নিয়োগকর্তার জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ) আগে মালিকরা কর্মী নিয়োগের আবেদন করে দীর্ঘসময় চুপ করে থাকতে পারতেন। এখন নতুন আইনে: যখন কোনো কর্মী ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তখন ইতালীয় ইমিগ্রেশন অফিস (SUI) মালিককে একটি ইমেইল (PEC) পাঠাবে। মালিককে অবশ্যই ১৫ দিনের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে যে তিনি আপনাকে এখনো কাজে নিতে চান। যদি মালিক এই সময়ের মধ্যে উত্তর না দেন, তবে কর্মীর আবেদনটি সরাসরি বাতিল হয়ে যাবে।
✍️ খ. ডিজিটাল সিগনেচার (Firma digitale) আগে কাগজের চুক্তিনামা চলত, কিন্তু এখন সব ধরণের কাজের চুক্তি (Nulla Osta) ডিজিটাল সিগনেচারের মাধ্যমে হতে হবে। এটি ভুয়া বা জাল কন্ট্রাক্ট তৈরি বন্ধ করার জন্য করা হয়েছে।
✍️ গ. উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য কড়াকড়ি (বাংলাদেশ সহ) বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিশরকে ইতালীয় সরকার অভিবাসন জালিয়াতির ক্ষেত্রে “উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন করা হলে, ইতালীয় কর্তৃপক্ষ মালিকের আয়কর (Tax), ব্যবসার জায়গা এবং আগের কর্মীদের রেকর্ড খুব কঠোরভাবে যাচাই করবে।
কোনো সন্দেহ থাকলে কর্তৃপক্ষ ‘নুলা ওস্তা’ (Nulla ista) বাতিল বা স্থগিত করার ক্ষমতা রাখে।
✍️ ঘ. বায়োমেট্রিক ও আঙুলের ছাপ নতুন আইন অনুযায়ী, সব ধরণের দীর্ঘমেয়াদী (ডি-টাইপ) ভিসার জন্য এখন থেকে নিজ দেশের কনস্যুলেট বা ঠঋঝ সেন্টারে আঙুলের ছাপ দেওয়া বাধ্যতামূলক। আগে অনেক ক্ষেত্রে এটি ইতালিতে যাওয়ার পর করা হতো।
👉 ১১) ইতাল বাংলা সমন্বয় ও উন্নয়ন সমিতি ইতালীতে ১৯৯২ সালে ইতালীতে প্রতিষ্ঠিত একটি এনজিও যারা বাংলাদেশ হতে নাগরিকদের ইতালীতে কর্ম সংস্থানের লক্ষে বিগত ২০০১ সাল হতে কাজ করে আসছে এবং বর্তমানে বাংলাদেশে ইতালীী সরকারের শ্রমমন্ত্রনালয়ে অনুমোদিত ৪টি প্রকল্প সর্বসাকুল্যে ৬৪৫ জন কর্মীর প্রশিক্ষন ও কর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে ইতালীয়ান ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষনের প্রজেক্ট পরিচালনার কাজ করে আসছে।
ইতি মধ্যে ২০২৪-২০২৬ সালে ১০০ জন কর্মী সফল ভাবে ইতালীতে গমন করতে সক্ষম করেছে।
☎️ For info : +8801894619151