Tarakeswar GREEN MATES

Tarakeswar GREEN MATES A non governmental organisation (Regd No- SO205630 Under W.B. ACT XVII 1961). Foundation for Nature, Wild-life , Science & culture.

A non governmental Non Profitable Organisation (Regd No- S/2L/5630 Under W.B. Foundation for Nature,Wild-life,Science & Culture.We want your support,help and suggesion to make this planet beautiful.

🌏*জীববৈচিত্র্য দিবস উদযাপন - 2026**📅 তারিখ:* 22.05.2026, শুক্রবার  *🔖 সময়:* সকাল ১০ টা  *🏫 স্থান:* নারায়ণপুর এ বি উচ্চ...
16/05/2026

🌏*জীববৈচিত্র্য দিবস উদযাপন - 2026*

*📅 তারিখ:* 22.05.2026, শুক্রবার
*🔖 সময়:* সকাল ১০ টা
*🏫 স্থান:* নারায়ণপুর এ বি উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়ণপুর, তারকেশ্বর, হুগলী

*🪴 আয়োজক:* বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া, শিবপুর, হাওড়া
*⚡ ব্যবস্থাপনা:* তারকেশ্বর গ্রীন মেটস, তারকেশ্বর, হুগলী

*✅ কর্মসূচি:*
1. *অঙ্কন প্রতিযোগিতা* - ছাত্র ছাত্রীদের জন্য | বিষয়: জীববৈচিত্র্য
2. *কুইজ প্রতিযোগিতা* - সর্বসাধারণের জন্য | বিষয়: জীববৈচিত্র্য
3. *সেমিনার* - সর্বসাধারণের জন্য | বিষয়: জীববৈচিত্র্য

*📞নাম নথিভুক্ত করতে ফোন করুন:* 9749660361

নবম বর্ষের প্রথম রক্তদান শিবির 🔖 ১০ই মে ২০২৫ 🪴আয়োজক:-  তারকেশ্বর গ্রীন মেটস⚡স্থান:- নারায়নপুর এ বি উচ্চ বিদ্যালয় 🩸মোট...
10/05/2026

নবম বর্ষের প্রথম রক্তদান শিবির

🔖 ১০ই মে ২০২৫

🪴আয়োজক:- তারকেশ্বর গ্রীন মেটস

⚡স্থান:- নারায়নপুর এ বি উচ্চ বিদ্যালয়

🩸মোট সংগৃহীত রক্ত :- 63 ইউনিট । (15জন মহিলা রক্তদাতা সহ)

🏥ব্লাড সেন্টার : চন্দননগর সদর হাসপাতাল ব্লাড সেন্টার ।
চন্দননগর ,হুগলি

সংশ্লিষ্ট সকলকে রক্তিম অভিনন্দন।

স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির (৯ম বর্ষ, ১ম সংখ্যা)তারিখ - 10.05.2026 রবিবার ( বাংলার ২৬ শে বৈশাখ ১৪৩৩)সময় - বেলা ১০-৩০ থেকে ...
29/04/2026

স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির
(৯ম বর্ষ, ১ম সংখ্যা)
তারিখ - 10.05.2026 রবিবার
( বাংলার ২৬ শে বৈশাখ ১৪৩৩)
সময় - বেলা ১০-৩০ থেকে দুপুর ১-৩০
স্থান - নারায়ণপুর এ বি উচ্চ বিদ্যালয়
নারায়ণপুর, তারকেশ্বর, হুগলী
আয়োজনে - তারকেশ্বর গ্রীণ মেটস্
যোগাযোগ - 9749660361 // 8617466522

স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির (৯ম বর্ষ, ১ম সংখ্যা)তারিখ - 10.05.2026 রবিবার ( বাংলার ২৬ শে বৈশাখ ১৪৩৩)সময় - বেলা ১০-৩০ থেকে ...
23/04/2026

স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির
(৯ম বর্ষ, ১ম সংখ্যা)
তারিখ - 10.05.2026 রবিবার
( বাংলার ২৬ শে বৈশাখ ১৪৩৩)
সময় - বেলা ১০-৩০ থেকে দুপুর ১-৩০
স্থান - নারায়ণপুর এ বি উচ্চ বিদ্যালয়
নারায়ণপুর, তারকেশ্বর, হুগলী
আয়োজনে - তারকেশ্বর গ্রীণ মেটস্
যোগাযোগ - 9749660361 // 8617466522

আজ ১৯.০৪.২০২৬ রবিবার তারকেশ্বর গ্রীন মেটস্ সংস্থার নির্মিত ঘর উদ্বোধন হলো।সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত  এই অনুষ্ঠান...
19/04/2026

আজ ১৯.০৪.২০২৬ রবিবার তারকেশ্বর গ্রীন মেটস্ সংস্থার নির্মিত ঘর উদ্বোধন হলো।

সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানে ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন মাননীয় সুরেশ মন্ডল ( তারকেশ্বর বটতলা ভলিবল সেন্টার এর প্রধান প্রশিক্ষক) , পরিবেশ নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন ডিজে ও বাজি বিরোধী মঞ্চের সম্পাদক গৌতম সরকার
গ্লোবাল গ্রীন ফোর্স এর অসিত মুখার্জি
পরিবেশ আন্দোলনের অতীত ও বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন মাননীয় ডক্টর কুণাল সেন (সদস্য ,পরিবেশ একাডেমী চন্দননগর)
সংস্থার কাজ নিয়ে কথা বলেন
মাননীয় ডাঃ তপন কুমার মল্লিক ( তারকেশ্বর গ্রীন মেটস্ এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন সভাপতি)
মাননীয় চিত্ত রঞ্জন মাজি( তারকেশ্বর গ্রীন মেটস্ এর প্রাক্তন সভাপতি)
এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
হরদাস মুখার্জি ( তারকেশ্বর লাইন রেল প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন এর সম্পাদক), শুভ্রকান্তি সামন্ত ( তারকেশ্বর গ্রীন মেটস্ এর যুগ্ম সম্পাদক) , অপর্ণা মাইতি ( তারকেশ্বর গ্রীন মেটস্ এর সম্পাদক)
তন্ময় ধাড়া (তারকেশ্বর গ্রীন মেটস্ এর সভাপতি)সহ প্রায় ৫০ জন।
এর পর সংস্থার ঘরের সামনে দুটি ফলের গাছ ( নারকেল ও পেয়ারা) বসানোর মাধ্যমে আজকের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

দিন দিন বেড়েই চলেছে পৃথিবীর উষ্ণতা। একই সঙ্গে বেড়ে চলেছে গাছ কাটার প্রবণতা। এদিকে গাছ যত কমবে ততই বাড়বে গ্ৰিন হাউস গ্...
21/03/2026

দিন দিন বেড়েই চলেছে পৃথিবীর উষ্ণতা। একই সঙ্গে বেড়ে চলেছে গাছ কাটার প্রবণতা। এদিকে গাছ যত কমবে ততই বাড়বে গ্ৰিন হাউস গ্যাস। মানুষের বসবাসের অযোগ্য হবে পৃথিবী। সে কথা মনে করিয়ে দিতেই পালন করা হয় এই বিশেষ দিনটি। বনাঞ্চলকে পৃথিবীর ফুসফুস বললেও ভুল বলা হয় না। বনাঞ্চল বাতাসের দূষিত কণাকে অধঃক্ষিপ্ত করে। জলকে পরিস্কার রাখে। আর শ্বাসবায়ুকে বিশুদ্ধ করে দেয়।

মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে অরণ্য ও জলসম্পদ। আজ ও আগামীকাল যথাক্রমে বিশ্ব অরণ্য ও জল দিবস। অরণ্য ধ্বংসের সঙ্গে জল অপচয়ও আজ ক্রমবর্ধমান। পরিস্রুত পানীয় জল খুব বেশি নেই। অন্যদিকে ক্রমশ জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে। ফলে দ্রুত সাবধান না হলে ভয়াবহ জলকষ্টের মুখে পড়তে পারে গোটা পৃথিবী। এই গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির সংকট তাই মানবসভ্যতার সংকটও বটে। ধীরে হলেও বিগত কয়েক দশকে একথার সারমর্ম বুঝতে শিখেছি আমরা। একটু একটু করে গড়ে উঠছে প্রকৃতি বিষয়ক সচেতনতা। প্রকৃতি বাঁচুক, মানুষের শুভবুদ্ধির উদয় হোক, এই আমাদের চাওয়া।

বিশ্ব অরণ্য দিবস বা আন্তর্জাতিক বন দিবস (International Day of Forests) প্রতি বছর ২১শে মার্চ পালন করা হয়।

নমস্কার আমি ভারতীয় ফল বাদুড়। একমাত্র নিপা ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত হলে আমাদের সম্পর্কে চর্চা শুরু হয়ে যায়। চর্চা না বলে অপ...
17/01/2026

নমস্কার আমি ভারতীয় ফল বাদুড়। একমাত্র নিপা ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত হলে আমাদের সম্পর্কে চর্চা শুরু হয়ে যায়। চর্চা না বলে অপবাদ, গুজব এসব বলাই ভালো। তাই আজ কিছু কথা বলতে এলাম। আমরা নিরীহ প্রাণী। আমাদের সমাজে তোমাদের মতো মব লিঞ্চিং, হেট স্পিচ, থ্রেট কালচার নেই। স্তন্যপায়ী হলেও আমরা পৃথিবীতে তোমাদের ঢের আগে এসেছি তাই আমাদেরকে এখন "আদিম পৃথিবীর ফল বাদুড়" বলা হয়। আমাদের বেঁচে থাকা বড় বড় গাছ আর জঙ্গল নির্ভর। বট, অশ্বত্থ, পাকুড়, তেঁতুল, করঞ্জ, অর্জুন, মহুয়া এরকম নানা গাছে আমরা দল বেঁধে থাকি। মূলত ফুলের রস আর পাকা ফল খাই। পাকা ফল যেমন আম, কলা, পেঁপে, কাঁঠাল, সবেদা, পেয়ারা ইত্যাদি। আমরা নিশাচর। প্রখর দৃষ্টি ও ঘ্রাণশক্তি। রাতে এক কিলোমিটার পর্যন্ত আমরা দেখতে পাই। দূর থেকে গন্ধ পাই রাতে ফোটা ফুল আর পাকা ফলেদের। আমাদের বড়সড় চেহারা, এক দেড়ি কেজি ওজন, ডানা ছড়ালে চার পাঁচ ফুট বিস্তার। ছোটবেলায় আমাদের বিজ্ঞানসম্মত নাম তোমরা বইতে পড়েছিলে, টেরোপাস মিডিয়াস। তবে তোমাদের বইতে আমাদের গুরুত্ব তেমন ভাবে লেখা ছিলো না(আসলে তোমাদের বইতে যে কী লেখা থাকে তা তোমরাই জানো!)। জানিনা কতজন আমাদের ভালো করে দেখেছ। আমাদের ঘাড়ে খানিকটা জায়গা জুড়ে ঘন লোম আছে। ফুলের রস পান করার সময় প্রচুর পরাগরেণু ওই লোমশ মাথায়, ঘাড়ে, মুখে জড়িয়ে যায়। সেই পরাগরেণু নিয়ে দূরে দূরে ফুলে ফুলে আমরা চলে যাই, পরাগমিলন ঘটে যায়। শুধু পরাগমিলন নয়, যেসব ফল আমরা খাই তাদের বীজও ছড়িয়ে দিই দূরে দূরে। বড় বীজ হলে খুব বেশি দূর নিয়ে যেতে পারি না তবে ছোট বীজ হলে ৭০-৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বীজ ছড়িয়ে দিতে পারি। গাছেরা তো আর হাঁটতে পারে না তাই তারা পরাগমিলন এবং বীজ ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আমাদের উপর নির্ভর করে। একরাতে আমরা একেক বাদুড় কয়েক হাজার বীজ চারিদিকে ছড়িয়ে দিতে পারি। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে পরাগমিলনকারী বলতে তোমরা অনেকে চাক বাঁধা মৌমাছিদের চেনো শুধু। তা ছাড়াও দিনে রাতে আরও অনেকে পরাগমিলন করে। অনেক মৌমাছি একা মাটির নীচে থাকে। মাছিকে তো তোমরা পরাগমিলনকারী বলে জানোই না। শুধু জানো তারা পেটের রোগ ছড়ায়! সরাসরি তোমাদের টাকা রোজগারের কাজে লাগতে না পারলে দুনিয়ার কারোও কোনও মূল্যই নেই যেনো! ফল খাই বলে মানুষ গালাগালি দেয়। আমাদেরকে শত্রু ভাবে। কারণ খাবার মানে তোমরা অনেকেই শুধু তোমাদের খাবার বা খাবারের ব্যবসার কথা ভাবো। সেই খাবারে আর কারো অধিকার থাকা অন্যায়! আর কারো পেট ভরানো অন্যায়! কিন্তু ফল খেয়ে ওই বীজ আমাদের পৌষ্টিকতন্ত্রের ভিতর দিয়ে অতিক্রান্ত না হলে ভালো করে বীজের অঙ্কুরোদগম হয় না। আমাদের কাজের গুরুত্ব একবার ভেবে দেখো! পাঁচ শতাধিক গাছের প্রজাতি আমাদের উপর নির্ভর করে তাদের পরাগমিলনের জন্য। ওষুধ তৈরী হয় এমন অন্তত ৮০টি প্রজাতির গাছের পরাগমিলনকারী আমরা। আবার বিভিন্ন গাছের পাকা ফল খেয়ে সেই বীজ দূরে দূরে ছড়িয়ে গাছের চারা তৈরীতেও সাহায্য করি। জঙ্গল তো এভাবেই বাড়ে। তোমাদের ঘরের আশেপাশে শিমুল গাছ আছে। সন্ধেবেলা তাতে ফুল ফোটে। আমরাও তখন আসি। তোমাদের শহরে এই ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদেরকে শিমুল গাছে দেখতে পাবে। সঙ্গে থাকবে স্ফিংস বাদুড়ের দলও। তারাও ফল আর ফুলের রসই খায় মূলত। শিমুল গাছ স্বপরাগায়নে সক্ষম হলেও সে চায় তার মিলন ঘটুক অন্য আরেকটা শিমুল গাছের সঙ্গে। দুটো শিমুল গাছের মধ্যে যে দূরত্ব তা মৌমাছিদের পক্ষে অতিক্রম করা সম্ভব হয়না অনেক সময়। আমরা এই দূরত্ব অনায়াসে পেরোতে পারি। কেবলই স্বপরাগায়ন হতে থাকলে গাছেরা জিনবৈচিত্র‍্য হারিয়ে ফেলবে। তারপর একসময় আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
এখন যে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটছে মানুষ তার জন্য অনেকাংশে দায়ী। আমরা ৪২ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর বেশি তাপমাত্রা সহ্য করতে পারি না। যত তাপ বাড়ে কুকুরের মতো জিভ বার করে আমরা প্যান্টিং করি অথবা ডানা দিয়ে হাওয়া করে নিজেদের ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করি। তাতে নিজেরা আরও ক্লান্ত হই। অত্যাধুনিক শহর বানাতে গিয়ে যেভাবে তোমরা পুকুর, খালবিল বুজিয়ে ফেলেছ তাতে জলে ডানা ভিজিয়ে নিয়েও যে বাঁচবো তাও পারিনা। বাচ্চারা আমাদের জড়িয়ে ধরে থাকে। জলে ভেজানো ঠান্ডা ডানা দিয়ে তাদের বুকে জড়িয়ে গরমের দুপুরগুলো আমরা বাঁচার চেষ্টা করি। শেষ পর্যন্ত অনেকেই পারিনা। হাজারে হাজারে বাদুড় মারা যায়। সারা পৃথিবীজুড়ে বাদুড় মরছে। মরছে না খুন হচ্ছে কী বলি বলোতো? এইসব খবর তোমাদের কানে আসে না। আমরা মরে গেলে জীববৈচিত্র‍্যের যে কী ভীষণ ক্ষতি, জঙ্গলের এমনকি তোমাদের শহর গ্রাম মফস্বলের বড় বড় গাছেদের যে কতবড়ো ক্ষতি তা জানে সেই গাছেরা আর আমরা। তোমাদের শহর বাড়তেই আছে। গোটা পৃথিবীটাকেই শহর করে ফেলবে বলে তোমরা লেগেছ। চারিদিকের জঙ্গল উজাড় করে ফেলছ, অথবা সেই কাজে যারা যুক্ত তাদেরকে সমর্থন জানাচ্ছ, তোমাদের মধ্যে যারা আমাদের পক্ষে লড়ছে তাদের পাগল বলে তামাশা করছ অথচ না জেনে বুঝেই বলছ আমরা ভাইরাস ছড়াচ্ছি।

আমরা জঙ্গলে থাকি, তোমরা জঙ্গল ধ্বংস করবে, আমাদের বড় বড় জলাশয়ের সান্নিধ্য প্রয়োজন, তোমরা সেসব বুজিয়ে ফেলবে, আমরা পুরানো কুঁয়োয় বাসা করলে সেগুলোকে পরিষ্কার করে আমাদের তাড়িয়ে দেবে তাহলে আমরা যাবো কোথায়? তোমরা যেমন গ্রামে শহরে একসঙ্গে অনেকে দল বেঁধে থাকো আমরাও জঙ্গলে, জঙ্গলের আশেপাশে দলবেঁধে অনেকে থাকতাম। একসঙ্গে হাজার হাজার। এখন জলাশয় নেই বলে, বড় বড় গাছ, পর্যাপ্ত ফুল ফল নেই বলে আমাদেরকে ছোট ছোট দলে ভেঙে গিয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে হয়েছে। চলে আসতে হয়েছে লোকালয়ে অথবা বলা ভালো তোমাদের লোকালয় ঢুকে পড়েছে আমাদের থাকার জায়গায়। যদিবা তোমরা ফুল, ফল চাষ করো তা মূলত তোমাদের ব্যবসা অথবা খাওয়ার জন্য। আমরা সেখানে গেলে শাস্তি পেতে হয়, জাল ঘেরা থাকে, অনেক পাখিকেও মরতে দেখি। তোমাদের বাজারে ভিমরুল বোলতা, মিষ্টির দোকানে মৌমাছিরা ভীড় করে আসে। মনে হয়না কেন তারা ভীড় করছে? কখনো তাদের হয়ে ভাবতে পারলে বুঝতে, স্বাভাবিক খাবারের অভাব হয়েছে বলে আজ তাদের এইসব করতে হচ্ছে। যথেষ্ট পরিমাণ ফুল, ফল না পেলে বাধ্য হয়ে অনেকসময় তোমাদের বাড়ির চৌহদ্দিতে এসে খেজুরের রসে মুখ দিতে হয়। একবার ভেবে দেখো, সবসময় যদি এতবড় ঘরসংসার নিয়ে উদ্বাস্তু হতেই থাকি, যদি খাবারের এত অভাব হয়, এত দূষণ আর গরম সহ্য করতে হয় তাহলে আমাদের শরীর সুস্থ থাকা সম্ভব? আমরা ক্রমশ দুর্বল আর অসুস্থ হয়ে পড়ি অনেকে। নিপা ভাইরাস আমাদের শরীরে এলেও তাকে মোকাবিলা করার ক্ষমতা আমাদের আছে। আমাদের শরীরে নিপা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরী হয়। কিন্তু আমরা যদি খাদ্যাভাব, থাকার জায়গার অভাব, দূষণ, অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠান্ডায় দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে যাই তাহলে আর এই ভাইরাসের সঙ্গে যুঝবো কীভাবে? আমরা নিজেরা এত বিপন্ন বলেই ভাইরাসের মোকাবিলা করতে পারিনা। ভাইরাস চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। অ্যান্টিবডি কমতে থাকে। আমাদের লালা, প্রস্রাবে ভাইরাস নির্গত হয়৷ সাধ করে তোমাদের এত দূষিত শহরে আমরা থাকতে আসিনি। দেখবে শহরের যেসব জায়গায় বড় বড় পুকুর আর ছায়ানিবিড় গাছ আছে সেখানেই আমরা আছি। আসলে আমরা লোকালয় থেকে দূরে আমাদের জংলা বাসাতেই থাকতে চাই। তোমাদের অসহিষ্ণু, অবোধ, অবৈজ্ঞানিক, হুজুগে, গুজব বা দোষারোপ প্রিয় সমাজ কি আমাদের সেই হ্যাবিট্যাট, সেই থাকার জায়গা ফিরিয়ে দিতে পারবে? নিপা যদি আমাদের থেকে অহরহ ছড়াতো তবে এতদিনে মানুষ উজাড় হয়ে যেতো। এখনও অবধি যেটুকু যা অন্বেষণ করেছে মানুষ সেগুলো চর্চা করে দেখো আমরাই বা কতজন নিপা বহন করি অথবা তোমাদের যারা আক্রান্ত তারা আক্রান্ত হলো ঠিক কী করে? উৎসটা কী? তা না করে তোমরা মব লিঞ্চিং এর মতো কোথাও কোথাও বড় বড় গাছ কেটে আমাদের তাড়িয়ে দিচ্ছ, আমাদের মারছো। এত মার খেয়ে আমরা মরছি তারপরে আবার নিপা'র জন্য তোমাদের মার! তোমরা ভাবছ নির্বিচারে আমাদের হত্যা করলেই নিপা থেকে মুক্তি পাবে। একেবারে ভুল ভাবছ। নিপা ভাইরাস আরও বেশি করে ছড়াবার সুযোগ পাবে। যা নিয়ে ভাবলে সুস্থ সমাধান সম্ভব সেগুলো নিয়ে ভাবো। আসলে গণহত্যা দেখে বা করে, কাউকে গোল হয়ে ঘিরে ধরে খুন করেই তোমরা মুক্তি খোঁজো। এত ভীতু ও স্বল্পবুদ্ধি যে নৃশংসতাকেই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার মনে করো। বিজ্ঞানচর্চা করো না তোমরা? এই তোমাদের বিশেষ জ্ঞান আহরণের উদাহরণ!

একদিকে জঙ্গল কমছে, আমাদের ঘর বাঁধবার বড় বড় গাছগুলো কাটছ অন্যদিকে বর্ষাকাল দীর্ঘায়িত হচ্ছে, এত ঠান্ডা পড়ছে। বর্ষায়, শীতে খাবারের কী ভীষণ অভাব! এদিকে এত বড় সংসার। তোমাদের মতো গ্যালন গ্যালন সারবিষ দিয়ে আগাম ফসল ফলানো, হিমঘরে ফসল রাখা, ঘরের মধ্যে খাবার মজুদ করার অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া আমাদের তো নেই। গরমকালে তাই খাবার খেয়ে মোটা হতে হয় যাতে এই অভাবী সময়গুলোতে খাবার কম পেলে বা না পেলেও বেঁচে যেতে পারি। এখন আর বুঝতে পারিনা কোন ঋতুতে ঠিক কী হবে। কতদিন বর্ষা হবে, কতদিন শীত, কতটা শীত বা গরম। আর অন্যদিকে তোমাদের শহরের আগ্রাসন, তোমাদের মার। তোমরা তো মানুষ, তোমরা এত গান গাও, লেখো আরও কত কী করো, মানুষের মন নিয়ে একবার আমাদের কথা ভাবো? যাকে জানোনা তাকে ভালোবাসবে কীকরে? এত না জানা নিয়ে বাঁচবেই বা কীকরে? অন্যকে জানার মধ্য দিয়েই তো নিজেকে জানতে হয়। তোমাদের মধ্যে একশ্রেণীর মানুষ আপ্রাণ লড়ছে যাতে আমরা বাঁচতে পারি সুস্থ নীরোগ শরীরে তার জন্য, চেষ্টা করছে আমাদের হারিয়ে যাওয়া বসত ফিরিয়ে দিতে। আরও অনেক মানুষ তাদের সঙ্গ দাও। তোমাদের গানে গল্পে কথকতায় ছড়ায় আমরা তো ছিলাম। সেসব ছড়া মুখে মুখে ফিরেছে।

"আদুড় বাদুড় চালতাবাদুড় কলাবাদুড়ের বে"

এ ছড়া তোমরা জানো। কলার পরাগমিলন, কলার জিন বৈচিত্র‍ রক্ষা হবেনা আমরা না থাকলে। যে টাকিলা তোমাদের অনেকের প্রিয় সেই টাকিলা পাওয়া যেতো না বাদুড় না থাকলে। তোমাদের মেয়েরা তাদের গানে আমাদের কথা কতবার বলেছে। শোনোনি? চামচিকা তো দেখেছ, এক রাতে ওরা কয়েক হাজার পোকা খেয়ে কৃষকের উপকার করে। মানুষ খামোখা এদেরকে ভয় পায়।

তোমাদের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মন কেমন করা "অন্য মা" কবিতায় লিখেছেন,

"কিন্তু হঠাৎ কোনোদিনে
যদি বিপিন মাঝি
পার করতে তোমার পারে
নাই হত মা রাজি।
ঘরে তোমার প্রদীপ জ্বেলে
ছাতের 'পরে মাদুর মেলে
বসতে তুমি, পায়ের কাছে
বসত ক্ষান্ত বুড়ী,
উঠত তারা সাত ভায়েতে,
ডাকত শেয়াল ধানের খেতে,
উড়ো ছায়ার মতো বাদুড় কোথায় যেত উড়ি।"

দেখো কোথায় যায় তারা উড়ো ছায়া হয়ে, কী করে গাছে গাছে, তোমাদের তো মানুষের মন, সেই মন শুধু ঘৃণা, বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতায় পূর্ণ একথা বিশ্বাস করি না! পশুপাখি কীটপতঙ্গের বাসস্থান তছনছ হলে, এভাবে চলতে থাকলে খুব দ্রুত আরও নানা রোগের আক্রমণ দেখা দেবে। আর কত প্রাণী হত্যা করে মুক্তি খুঁজবে? আর কত গবেষণা করবে? মাথায় অসুখ করলে গোটা মাথাটা কেটে ফেলাই সমাধান কি? মানুষের মতো বিবেচনা করে দেখো!

নীলাঞ্জন মিশ্র
১৫/১/২০২৬

Rescue of a Common Bronzeback tree Snake from Tarakeswar Hooghly
21/12/2025

Rescue of a Common Bronzeback tree Snake from Tarakeswar Hooghly

Rescue of a Common Wolf Snake from Narayanpur Tarakeswar Hooghly
14/12/2025

Rescue of a Common Wolf Snake from Narayanpur Tarakeswar Hooghly

Rescue of a Common Wolf Snake from Choutara Routhpur Hooghly
12/12/2025

Rescue of a Common Wolf Snake from Choutara Routhpur Hooghly

News about blood Donation Camp
19/11/2025

News about blood Donation Camp

Address

Narayanpur, Hooghly
Tarakeswar
712410

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tarakeswar GREEN MATES posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Tarakeswar GREEN MATES:

Share