07/06/2026
আজ মানবিকতার এক সুন্দর অধ্যায় রচিত হলো হুগলী জেলার সোদপুর গ্রাম-এ। ( রথতলা)
সোদপুর গ্রামের বাসিন্দা নবকুমার গোস্বামী মহাপ্রভুর ভোগের আয়োজন করেছিলেন ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে। ভোগের অনুষ্ঠান শেষে প্রায় ১০০ জন মানুষের উপযোগী খাবার অতিরিক্ত থেকে যায়। অনেক সময় এই ধরনের খাবার অপচয় হয়ে যায়, কিন্তু মানবসেবার মহান চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি সেই খাবারের কথা যুব মিলন ফাউন্ডেশনকে জানান।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যুব মিলন ফাউন্ডেশন অতিরিক্ত খাবার সংগ্রহ করে তাদের "ক্ষুধার্তকে খাদ্য দাও" কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় ও ক্ষুধার্ত মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। মহাপ্রভুর প্রসাদ আজ শুধু ভক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকল না, তা পরিণত হলো মানবসেবার এক মহৎ উদ্যোগে।
প্রসাদের মেনুতে ছিল — সাদা ভাত, ডাল, শাক, পটল-আলুর তরকারি, চাটনি, পাপড় এবং মিষ্টি হিসেবে রসগোল্লা। এই সুস্বাদু আহার পেয়ে বহু মানুষের মুখে ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি, আর সেই হাসিই আমাদের সকলের প্রাপ্তি।
যুব মিলন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নবকুমার গোস্বামী মহাশয় ও তাঁর সমগ্র পরিবারকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা। তাঁদের এই মানবিক উদ্যোগ সমাজের কাছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাই যুব মিলন ফাউন্ডেশনের সকল সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের, যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অপচয়ের পথে যাওয়া খাদ্য পৌঁছে গেল ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে।
আসুন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই—
খাদ্যের অপচয় নয়, ক্ষুধার্তের মুখে অন্ন পৌঁছে দেওয়াই হোক আমাদের সামাজিক দায়িত্ব।
🙏 মানবতার সেবায়, মানুষের পাশে — যুব মিলন ফাউন্ডেশন। 🙏
#যুব_মিলন_ফাউন্ডেশন #ক্ষুধার্তকে_খাদ্য_দাও #মানবতা