MatriKutir

MatriKutir A thought the field of expression is related to art & culture with spirituality.

🌺শ্রীশ্রীমায়ের যে ছবি আজ ঘরে ঘরে পূজিত, সেটি তোলা হয়েছিল নিবেদিতার বাড়িতে। ওলি বুল ও নিবেদিতার আগ্রহে এই ছবি তোলা হয়। এট...
13/06/2026

🌺শ্রীশ্রীমায়ের যে ছবি আজ ঘরে ঘরে পূজিত, সেটি তোলা হয়েছিল নিবেদিতার বাড়িতে। ওলি বুল ও নিবেদিতার আগ্রহে এই ছবি তোলা হয়। এটি মায়ের প্রথম ছবি, তাঁর ৪৫ বছর বয়সে তোলা।

স্বভাবত লজ্জাশীলা মা প্রথমে ছবি তুলতে রাজী হননি। পরে ওলি বুল বিশেষ করে অনুরোধ করলে মা রাজী হলেন। শ্রীশ্রীমা বসেন পশু চর্মের একটি আসনে। সামনে কয়েকটি টব রাখা ছিল। ফটো তোলার জন্য একজন ইংরেজ ফটোগ্রাফার ঠিক করা হয়েছিল। ছবি তোলার আগে নিবেদিতা মায়ের চুল ও কাপড় ঠিকঠাক করে সাজিয়ে দিয়েছিলেন।

শ্রীশ্রীমা ফটোগ্রাফারের সামনে বসতে খুব লজ্জাবোধ করছিলেন, ক্যামেরার দিকে তাকাতে চাইছিলেন না কিছুতেই। নিচের দিকে
তাকিয়ে বসেছিলেন এবং ভাবস্ত হয়ে হয়ে পড়েছিলেন। ফটোগ্রাফার সেই অবস্তাতেই প্রথম ছবি তোলেন।

মা তখন ভাবেন ছবি তোলা হয়ে গেছে। নিজেরই অজ্ঞাতসারে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ফেলেন, তখন ফটোগ্রাফার দ্বিতীয় ছবি তোলেন। এই ছবিটিই সর্বত্র শ্রী রামকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে পূজিত হয়।

মায়ের তৃতীয় ছবি ওঠে নিবেদিতার সঙ্গে - মা স্নিগ্ধ শান্ত দৃষ্টিতে চেয়ে আছেন নিবেদিতার দিকে, নিবেদিতাও মায়ের দিকে তাকিয়ে মুখোমুখি বসে আছেন - মুখে আনন্দের হাসি এবং নম্রতা।🌺

ভারতের নিবেদিতা---- স্বামী লোকেশরানন্দ

বিশ্বজননীর আশ্বাস তোমাদের একজন মা আছেন।।ভীত জীব মাত্রেই তাদের জননীকে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বাপেক্ষা নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। ব...
09/06/2026

বিশ্বজননীর আশ্বাস তোমাদের একজন মা আছেন।।

ভীত জীব মাত্রেই তাদের জননীকে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বাপেক্ষা নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। বিপন্ন মানুষ ভয়ে স্বতঃই ডেকে ওঠে, মাগো রক্ষা করো। কঠিন পীড়ার যন্ত্রণায় বা দুঃস্বপ্ন দর্শনে মানুষ চেতন অচেতন অবচেতন মনে মাকেই ডাকে। দুঃস্থ সন্তানের জন্য সবচেয়ে যিনি কাতর হন, তিনি হচ্ছেন মা। বিশ্বজননী শ্রীশ্রীসারদা আগত অনাগত সকল জীবকেই চিরন্তন আশ্বাস দিয়ে গেছেন _" ভয় কি বাবা, যেখানেই থাক্, জানবে তোমার একজন মা আছেন। "

শ্রীমা বলেছেন যে ঠাকুর তাঁকে রেখে গেছেন বিশ্বে মাতৃভাব প্রচারের জন্য। এই মাতৃভাব, এই মাতৃশক্তি যে কত ব্যাপক, কত গভীর, কত পবিত্র, কত নিঃস্বার্থ _তা বুঝতে পারা যায় তাঁর জীবনের প্রতিটি ঘটনা থেকেই।

বিশ্বজননী শ্রীশ্রীসারদাকে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ দেখেছেন সর্বশক্তির আধার বিশ্বপ্রসবিনী জগন্মাতারূপে। তিনি তাঁকে দেখেছেন মন্দিরের কালী এবং তাঁর গর্ভধারিনীর সঙ্গে অভিন্নরূপে। তিনি জানতেন শ্রীমা সারদা সরস্বতী -জ্ঞান দিতে এসেছেন। তিনি বলতেন, ও কি যে সে? ও আমার শক্তি। শ্রীরামকৃষ্ণের আধ্যাত্মিক ভাবের প্রকাশ এবং প্রচার হচ্ছে এই মাতৃভাবেরই মাধ্যমে।

ভক্ত গিরিশচন্দ্র একদিন তাঁর গুরুপত্নী শ্রীশ্রীমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি রকম মা?
শ্রীশ্রীমা উত্তর দিলেন - আমি সত্যিকারের মা। গুরুপত্নী নয়, পাতানো মা নয়, কথার কথা মা নয় _ সত্যি সত্যি জননী। অনত্র বলেছেন, আমি সতেরও মা, অসতেরও মা। তাই বর্তমান বিশ্বের সৎ অসৎ সবাই জানছে _তার একজন মা আছেন। শ্রীশ্রীমা সারদা হলেন চিরন্তনী "আপন মা।"

(শ্রীশ্রীমা সারদা প্রসঙ্গ )🌺🌺
সংগৃহিত

“ হিন্দু যেন কখনও তাহার ধর্ম ত্যাগ না করে। তবে ধর্মকে উহার নির্দিষ্ট সীমার ভিতর রাখিতে হইবে, আর সমাজকে উন্নতির স্বাধীনতা...
08/06/2026

“ হিন্দু যেন কখনও তাহার ধর্ম ত্যাগ না করে। তবে ধর্মকে উহার নির্দিষ্ট সীমার ভিতর রাখিতে হইবে, আর সমাজকে উন্নতির স্বাধীনতা দিতে হইবে।* ভারতের সকল সংস্কারকই এই গুরুতর ভ্রমে পড়িয়াছেন যে, পৌরোহিত্যের সর্ববিধ অত্যাচার ও অবনতির জন্য তাঁহারা ধর্মকেই দায়ী করিয়াছেন; সুতরাং তাঁহারা হিন্দুর ধর্মরূপ এই অবিনশ্বর দুর্গকে ভাঙিতে উদ্যত হইলেন। ইহার ফল কি হইল?—নিষ্ফলতা! *বুদ্ধ হইতে রামমোহন রায় পর্যন্ত সকলেই এই ভ্রম করিয়াছিলেন যে, জাতিভেদ একটি ধর্মবিধান; সুতরাং তাঁহারা ধর্ম ও জাতি উভয়কেই একসঙ্গে ভাঙিতে চেষ্টা করিয়া বিফল হইয়াছিলেন।* এ বিষয়ে পুরোহিতগণ যতই আবোল-তাবোল বলুন না কেন, *জাতি একটি অচলায়তনে পরিণত সামাজিক বিধান ছাড়া কিছুই নহে। উহা নিজের কার্য শেষ করিয়া এক্ষণে ভারতগগনকে দুর্গন্ধে আচ্ছন্ন করিয়াছে। ইহা দূর হইতে পারে, কেবল যদি লোকের হারানো সামাজিক স্বাতন্ত্র্যবুদ্ধি ফিরাইয়া আনা যায়।"

--- স্বামী বিবেকানন্দ (পত্রাবলী)
🙏🙏

ছবি: মাতৃ কুটির

মাতৃসমীপে-----মা জপধ্যান করবার জন্য যেমন উৎসাহিত করতেন, তেমনি আবার অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে মাথা গরম না হয় সেদিকে দৃষ্টি...
06/06/2026

মাতৃসমীপে-----
মা জপধ্যান করবার জন্য যেমন উৎসাহিত করতেন, তেমনি আবার অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে মাথা গরম না হয় সেদিকে দৃষ্টি রেখে প্রয়োজনমতো সাবধান করেও দিতেন। অত্যধিক কঠোরতা করতে নিষেধ করতেন এবং আহারে পোশাকে অসংযম বিলাসিতাও পছন্দ করতেন না। শ্রীশ্রীঠাকুরের দেহত্যাগের পর তাঁর সন্ন্যাসী-সন্তানগণের খাওয়া-থাকার কষ্ট, অভাব-অনটন ইত্যাদি মায়ের মনে ভীষণ দুঃখের কারণ হয়েছিল—বোধগয়া মঠের ঐশ্বর্য, সাধুদের সুখ-সুবিধা দেখে তাঁর নিঃসম্বল পরিব্রাজক সন্তানদের কথা মনে পড়ায় কেঁদে আকুল হয়েছিলেন আর ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন তাঁর সন্তানদের জন্যে। তাই পূজনীয়া যোগেন-মা একদিন আমাকে বলেছিলেন : “যা কিছু দেখছ (মঠ-আশ্রমাদি) সব ওঁরই (মায়ের) কৃপায় ! যেখানে যা দেখেছেন—শিলটি নোড়াটি (দেববিগ্রহ) কেঁদে কেঁদে বলেছেন, ‘ঠাকুর ! আমার ছেলেদের একটু মাথা রাখবার জায়গা কর, দুটি খাবার সংস্থান কর।' মায়ের সে ইচ্ছা পূর্ণ হয়েছে।”
মাতৃসমীপে
স্বামী সারদেশানন্দ
ছবি: সংগৃহিত

*মাতৃ সুধা*👣বিখ্যাত অভিনেত্রী তিনকড়ি একবার মায়ের বাড়িতে এসেছিলেন, লক্ষ্মীদি তাঁকে গান গাইতে অনুরোধ করলেন। *তিনকড়ি বল...
03/06/2026

*মাতৃ সুধা*
👣

বিখ্যাত অভিনেত্রী তিনকড়ি একবার মায়ের বাড়িতে এসেছিলেন, লক্ষ্মীদি তাঁকে গান গাইতে অনুরোধ করলেন। *তিনকড়ি বললেন ---"আপনাদের কাছে আমি কি গাইতে পারি?" মা বললেন, "গাওনা, তাতে কী ? তোমার সেই পাগলির গানটা গাও।"* অভিনেত্রীর সমস্ত সঙ্কোচ দূর হয়ে গেল। তিনি গান ধরলেন । *তাঁর অসাধারণ জাদুকন্ঠে সেখানে এক স্বর্গীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল। শরৎ মহারাজ বসে লিখছিলেন, তিনি সামনে এসে দাঁড়ালেন। যোগীন মা কুটনো কুটছিলেন, কাজ ভুলে সেখানে পৌঁছে গেলেন।* পাচক ও ভৃত্যরা সব ছেড়ে সেখানে এসে দাঁড়িয়ে গেল।

_শ্রীমার পূজো হয়ে গেছে। *ঠাকুরঘরে পা ছড়িয়ে বসে গান শুনছেন। তিনকড়ি একমনে গেয়ে চলেছেন।*_

আমায় নিয়ে বেড়ায় হাত ধরে
আমি যেখানে যাই সে যায় পাছে
বলতে হয় না জোর করে ।

_শ্রীমা ঠাকুরের দিকে তাকিয়ে চোখ বুজলেন। একটু বাদে চোখ খুললেন। মনে হল তিনি বোধহয় অন্য কোথাও হারিয়ে গেছেন। চেয়ে আছেন, কিন্তু কাউকে দেখছেন না।_

তিনকড়ি তখন গেয়ে চললেন ----

মুখ খানি সে যতনে মুছায়
আমার মুখের পানে চায়
আমি হাসলে হাসে কাঁদলে কাঁদে
কতই রাখে আদরে ।

অর্থাৎ তাঁর সাথে আমার একাত্মতা। আমার আনন্দে তাঁর প্রসন্নভাব, আমার দুঃখে সে বিরহিনী হয়।

_গান চলতে থাকে, মা তখন এক অন্য জগতের বাসিন্দা হয়ে গেছেন।_ তিনকড়ি গাইছেন -------

আমি জানতে এলাম তাই
কে বলে রে আপন রতন নাই
সত্যি মিছে দেখ না এসে
হচ্ছে কথা সোহাগ ভরে।

অনেকক্ষণ বাদে গান শেষ হল, _মা কিন্তু তখনও সেই রূপময় জগতের বাসিন্দা হয়ে থেকে গেছেন। বেশ কিছুক্ষণ বাদে আঁচলে চোখ মুছে তিনকড়িকে বলেছিলেন --- *"আজ কী গানই শোনালি!"

তথ্যসূত্রঃ ধ্যানলোকে শ্রীমা সারদা দেবী।🌺🌺

|| দক্ষিনেশ্বর || মাভবতারিণী || লোকমাতারাসমণি ||আজ ৩১মে, দক্ষিনেশ্বরের মহাপ্রতিষ্ঠা দিবস 🌺🌺১৯ শতকের এক মহিয়সী নাড়ি, স্রো...
31/05/2026

|| দক্ষিনেশ্বর || মাভবতারিণী || লোকমাতারাসমণি ||

আজ ৩১মে, দক্ষিনেশ্বরের মহাপ্রতিষ্ঠা দিবস 🌺🌺

১৯ শতকের এক মহিয়সী নাড়ি, স্রোতের বিপরীতে এগিয়ে চলা .... প্রগতিশীল, সমাজসাংঙ্কারি, তেজস্বিনী লোকমাতা রাণী রাসমনি দেবীকে বিশেষ ভাবে স্মরণ করবার দিন। এক অনন্ত শক্তির আধার, দক্ষিনেশ্বর মন্দির নির্মাণ এবং মা ভবতারিণীর মহাপ্রতিষ্ঠায় মাতা রাসমণি ছিলেন ঈশ্বর নির্দিষ্ট🙏

দক্ষিনেশ্বর বিশেষ শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম । আজ দক্ষিনেশ্বরের ১৬৯ তমো প্রতিষ্ঠা দিবস । হুগলি নদীর পূর্বতীরে অবস্থিত এক মহাশক্তিপীঠ মা ভবতারিণী কালীবাড়ি । ১৯ শতকের প্রসিদ্ধ "সাহেবান বাগিচা ", বাগিচাটি ছিলো ইংরেজ সাহেব "জেক হেষ্টিরের " । পরবর্তীতে এই বাগিচাই লোকমাতা রাণিমার হাতে রূপ নিলো এক মহাশক্তিপীঠে।

দক্ষিনেশ্বর মন্দির নির্মান হয় বাংলার স্থাপত্য শৈলীতে,খরচ হয়েছিল নয় লক্ষ টাকা।সময় লেগেছিলো প্রায় আট বছর ।
মন্দিরের গর্ভগৃহে রুপোর একহাজার পাপড়ি বিশিষ্ট পদ্ম সিংহসনে মাভবতারিণী বিরাজমান 🙏
১৮৫৫ সালে ৩১ মে মাভবতারিণীর মহাপ্রতিষ্ঠা ।শ্রী বিগ্রহের শুভস্থাপনায় প্রধান পুরোহিত রামকুমার চট্টোপাধ্যায় ।মহামায়ার লীলায় সেদিন প্রধান পুরোহিতের সাথে উপস্থিত ছিলেন ছোট্ট "গদাধরও "(পরবর্তীতে শ্রী রামকৃষ্ণ দেব )🙏
মায়ের লীলায় এই দক্ষিনেশ্বরই পরবর্তীতে হলো শ্রী শ্রী ঠাকুর ও শ্রী সারদা মায়ের একমহা লীলাক্ষেত্র 🌺🌺

ব্রাহ্মন সমাজের চোখরাঙানী, তথাকথিত জাতপাতের বিরুদ্ধে শক্তিস্বরূপিণী লোকমাতা রাসমণির এক চূড়ান্ত লড়াই, লড়াই শক্তি প্রতিষ্ঠার 🙏রাণীমার চূড়ান্ত সাহসীকতা ও লড়াইকে নতমস্তক প্রনাম জানাই 🙏 জানাই ভূলুন্ঠিত প্রনাম 🙏

মাভবতারিণীর কৃপায় লোকমাতা রাসমণির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই দক্ষিনেশ্বর মা ভবতারিণী কালীমন্দির গোটা ভারত তথা গোটা বিশ্বের ভক্তদের কাছে আস্থার এবং আকর্ষণীয় এক শক্তিপীঠ ।

এমন দেবীশক্তি সম্পুর্না,মোহিয়সী নাড়ি হোক আমাদের আদর্শ, আমাদের প্রেরনা, আমাদের শক্তি 🙏🙏

জয় মা ভবতারিণী 🙏
প্রিয়ম্বদা 🍂🌿

মা জপধ্যান করবার জন্য যেমন উৎসাহিত করতেন, তেমনি আবার অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে মাথা গরম না হয় সেদিকে দৃষ্টি রেখে প্রয়োজন...
29/05/2026

মা জপধ্যান করবার জন্য যেমন উৎসাহিত করতেন, তেমনি আবার অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে মাথা গরম না হয় সেদিকে দৃষ্টি রেখে প্রয়োজনমতো সাবধান করেও দিতেন। অত্যধিক কঠোরতা করতে নিষেধ করতেন এবং আহারে পোশাকে অসংযম বিলাসিতাও পছন্দ করতেন না। শ্রীশ্রীঠাকুরের দেহত্যাগের পর তাঁর সন্ন্যাসী-সন্তানগণের খাওয়া-থাকার কষ্ট, অভাব-অনটন ইত্যাদি মায়ের মনে ভীষণ দুঃখের কারণ হয়েছিল—বোধগয়া মঠের ঐশ্বর্য, সাধুদের সুখ-সুবিধা দেখে তাঁর নিঃসম্বল পরিব্রাজক সন্তানদের কথা মনে পড়ায় কেঁদে আকুল হয়েছিলেন আর ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন তাঁর সন্তানদের জন্যে। তাই পূজনীয়া যোগেন-মা একদিন আমাকে বলেছিলেন : “যা কিছু দেখছ (মঠ-আশ্রমাদি) সব ওঁরই (মায়ের) কৃপায় ! যেখানে যা দেখেছেন—শিলটি নোড়াটি (দেববিগ্রহ) কেঁদে কেঁদে বলেছেন, ‘ঠাকুর ! আমার ছেলেদের একটু মাথা রাখবার জায়গা কর, দুটি খাবার সংস্থান কর।' মায়ের সে ইচ্ছা পূর্ণ হয়েছে।”

মাতৃসমীপে🌺🌺
স্বামী সারদেশানন্দ🙏

মায়ের শিক্ষা দেওয়ার ধারা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা, বোঝাই যেত না তিনি শেখাচ্ছেন। মা বলতেন : "দোষটাকে শুধরে দাও, মানুষটাকে দোষ...
26/05/2026

মায়ের শিক্ষা দেওয়ার ধারা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা, বোঝাই যেত না তিনি শেখাচ্ছেন। মা বলতেন : "দোষটাকে শুধরে দাও, মানুষটাকে দোষী করে দিও না। অপরের দোষ দেখতে গেলে আগে নিজের দোষ হয়।"

একদিনের একটি ঘটনা মনে এল। আমি তখন সবে সাত বছর পেরিয়ে আটে পড়েছি। একটা বিড়াল মায়ের পায়ে পায়ে ঘুরত, কিন্তু ঘরের কোন জিনিসে মুখ দিত না। সেও মায়ের সংসারের সদস্য হয়ে গিয়েছিল। একদিন কি কারনে মনে নেই, বিড়ালছানাটা আমার খাবারে মুখ দিয়েছে। অমনি আমার রাগ হয়ে গেল। আমি সামলাতে না পেরে হাতপাখার ডাঁট দিয়ে দিলাম দু-ঘা বসিয়ে। বিড়ালটা 'ম্যাও ম্যাও' করে চিৎকার করে উঠে মায়ের পায়ের আড়ালে গিয়ে মুখ ঘষতে লাগল।

এদিকে দেখি কি, মা হঠাৎ 'ইস্' বলে উঠে কেমন হয়ে গেলেন। বলে উঠলেন : "করলি কি ! করলি কি !" আমি তো হতভম্ব। ছুটে মার কোলে গিয়ে জড়িয়ে ধরলাম---"কি হলো মা ?" মা ততক্ষণে সামলে নিয়ে বললেন : "ওরে ভবি, তুই ওটাকে এমন করে মারলি ?" চেয়ে রইলাম তাঁর করুণামাখা মুখের দিকে। একটা কটু বাক্য বললেন না, বিড়াল ছানাটাকে কোলে তুলে আদর করলেন। আমার শাস্তি এমনিতেই হলো। আর কোনদিন বিড়াল-কুকুরের গায়ে হাত তুলিনি।



দক্ষিণেশ্বরে মাকে যেমন দেখেছি
ভবতারিণী দেবী

“ *হিন্দু যেন কখনও তাহার ধর্ম ত্যাগ না করে। তবে ধর্মকে উহার নির্দিষ্ট সীমার ভিতর রাখিতে হইবে, আর সমাজকে উন্নতির স্বাধীনত...
25/05/2026

“ *হিন্দু যেন কখনও তাহার ধর্ম ত্যাগ না করে। তবে ধর্মকে উহার নির্দিষ্ট সীমার ভিতর রাখিতে হইবে, আর সমাজকে উন্নতির স্বাধীনতা দিতে হইবে।* ভারতের সকল সংস্কারকই এই গুরুতর ভ্রমে পড়িয়াছেন যে, পৌরোহিত্যের সর্ববিধ অত্যাচার ও অবনতির জন্য তাঁহারা ধর্মকেই দায়ী করিয়াছেন; সুতরাং তাঁহারা হিন্দুর ধর্মরূপ এই অবিনশ্বর দুর্গকে ভাঙিতে উদ্যত হইলেন। ইহার ফল কি হইল?—নিষ্ফলতা! *বুদ্ধ হইতে রামমোহন রায় পর্যন্ত সকলেই এই ভ্রম করিয়াছিলেন যে, জাতিভেদ একটি ধর্মবিধান; সুতরাং তাঁহারা ধর্ম ও জাতি উভয়কেই একসঙ্গে ভাঙিতে চেষ্টা করিয়া বিফল হইয়াছিলেন।* এ বিষয়ে পুরোহিতগণ যতই আবোল-তাবোল বলুন না কেন, *জাতি একটি অচলায়তনে পরিণত সামাজিক বিধান ছাড়া কিছুই নহে। উহা নিজের কার্য শেষ করিয়া এক্ষণে ভারতগগনকে দুর্গন্ধে আচ্ছন্ন করিয়াছে। ইহা দূর হইতে পারে, কেবল যদি লোকের হারানো সামাজিক স্বাতন্ত্র্যবুদ্ধি ফিরাইয়া আনা যায়।"*

--- স্বামী বিবেকানন্দ (পত্রাবলী)
ওম নমহ শিবায়া 🌿🌿

"শুভ পদার্পণ দিবস "🌺🌺আজ ২৩ শে মে। এই ২৩ শে মে "উদ্বোধনের" বাড়িতে প্রথমবার শ্রীশ্রীমায়ের  শ্রীচরণধূলির স্পর্শ.... শ্রী ...
23/05/2026

"শুভ পদার্পণ দিবস "🌺🌺
আজ ২৩ শে মে। এই ২৩ শে মে "উদ্বোধনের" বাড়িতে প্রথমবার শ্রীশ্রীমায়ের শ্রীচরণধূলির স্পর্শ.... শ্রী মায়ের শুভাগমন।
১৯০৯ সালের ২৩ শে মে, জ্যৈষ্ঠ শুক্লা চতুর্থী তিথিতে, রবিবার সকালে, "উদ্বোধনের" বাড়িতে শ্রীমায়ের শুভাগমন ঘটে।

১৯০৭ সালের নভেম্বর মাসে শ্রীমায়ের আশীর্বাদ নিয়ে শরৎমহারাজ উদ্বোধনেরবাড়ি নির্মাণের কাজ শুভারম্ভ করেন ।অনেক পরিশ্রম, অনেক বাধা-বিপত্তিকে উপেক্ষা করে প্রায় ১১ হাজার টাকা ব্যয়ে অবশেষে উদ্বোধনবাড়ী নির্মাণের কাজ সুসম্পন্ন হয় । সুসম্পন্ন হয় ১৯০৮ সালের শেষ প্রান্তে। বাড়ি নির্মাণের কাজ সমাপ্তি হবার পরও শ্রীমা ঠিক তৎক্ষণাৎ উদ্বোধনের বাড়ীতে এলেন না। শ্রীমাসারদাদেবীর শুভাগমন হয় ১৯০৯ সালের আজকের এই দিনে অর্থাৎ ২৩ শে মে।
শ্রীমায়ের এই বাড়ি , এই মাতৃমন্দিরের একতলায় শ্রীরামকৃষ্ণমঠ ও মিশনের মুখপত্র "উদ্বোধনের" অফিস হয়ে উঠল। হয়ে উঠল তীর্থভূমি । তাঁর সন্তানদের জুরাবার স্থান।

সীমা এই উদ্বোধনের বাড়িতেই বাস করেছেন ১৯০৯ সাল থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত। একুশে জুলাই ১৯২০ সালে শ্রী মায়ের স্থুল শরীর এই বাসগৃহে এই মাতৃ মন্দিরেই মহাসমাধি লাভ করেন । অর্থাৎ উদ্বোধনের বাড়ি দীর্ঘ ১১ বছরের স্মৃতি বিজড়িত এই মহাপবিত্র বাসভূমি ।

"যারা এসেছে, যারা আসেনি, আর যারা আসবে ,আমার সকল সন্তানদের জানিয়ে দিও মা , আমার ভালোবাসা আমার আশীর্বাদ সকলের উপর আছে।"
শ্রীমা সারদাদেবী

উদ্বোধনীর (মায়ের বাড়ি) এই সরু গলিপথ হতে বাগবাজারে শ্রীমায়ের স্নানঘাট( মায়ের ঘাট ) সর্বত্রে শ্রী মায়ের স্মৃতি.... সর্বত্রে শ্রীমা বিরাজিতা।

প্রকৃতিং পরমামভয়াং বরদাং,. নররূপধরাং জনতাপহরাম্। শরণাগত-সেবক তোষকরীং,. প্রণমামি পরাং জননীং জগতাম্॥
শুভ পদার্পণ দিবস🙏🙏
ছবি: মায়ের বাড়ি।

Address

Dabgram, Ward No :23, Siliguri
Siliguri

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MatriKutir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to MatriKutir:

Share