21/02/2024
বিগত কয়েকদিন থেকে বিভিন্ন পত্রিকা, নিউজ সহ সামাজিক মাধ্যমে কাটিগড়ার বিধায়ক Khalil Uddin Mazumder খলিল উদ্দিন মজুমদারের পরিক্ষা হলে প্রবেশ ও ফটোশোট নিয়ে পক্ষে - বিপক্ষে মন্তব্যের কাঁদা ছোড়াছুড়ি আরম্ভ হয়েছে।।
কেউ বিধায়কের এইরকম কর্মকাণ্ডের পক্ষাবলম্বন করে বাহবা দিচ্ছে, আবার কেউ এর এইরকম কর্মকাণ্ডকে আইন অমান্য আক্ষ্যা দিয়ে শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন ।। আর কিছু নিরপেক্ষ মানুষ নিজ বিধায়কের এইরকম কান্ড দেখে লজ্জাবোধ করে মাথা নিচু করে এড়িয়ে যাচ্ছেন ।।
কথা হলো সত্যি কি বিধায়ক এই ঘটনার জন্য শাস্তির যোগ্য ??
নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণে দেখলে বলতে পারি যে বিধায়ক একজন সরল মনের মানুষ, তত সঙ্গে উনি ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই পরিক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে ফটো তুলে প্রমাণস্বরূপ ফেসবুকে আপলোড করেছেন ।। বিধায়ক এই পরিক্ষা কেন্দ্রের সভাপতি, তাই পরিক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে উনার , কিন্তু বাশকান্দি N.M.H.S. School এর ঘটনার পর যখন কাছাড়ের শিক্ষা বিভাগের উচ্ছস্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে Google Meet এর মাধ্যমে মিটিং হয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে প্রতিটি পরিক্ষা কেন্দ্রে সভাপতির প্রবেশ নিষিদ্ধ ।। তাহলে কেন কাটিগড়ার বিধায়ককে প্রবেশ করতে দেওয়া হলো??
যদিও পরিক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলো, তাহলে কেন তল্লাশি করে মোবাইল/ কেমেরা বাহিরে রাখলেন না বিভাগীয় কর্মকর্তারা ??
আমি বলবো দোষ বিধায়কের নয় , দোষ বিধায়কের সঙ্গে থাকা আবালমার্কা, অপরিপক্ষ সঙ্গিদের।। এইসব সঙ্গিদের জন্য কাটিগড়ার বিধায়ক বহু জায়গায় অসম্মানিত হয়ে কাটিগড়া বাসীকে লজ্জিত করেছেন ।। তাই বিধায়ক এই ব্যাপারে আরও একটু দায়িত্বশীল হতে হবে, নতুবা এইরকম ঘটনা আমাদের আরও দেখতে হবে ।।