Mokhtar Hossain Raheemi

Mokhtar Hossain Raheemi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mokhtar Hossain Raheemi, Nonprofit Organization, Samsi.

11/01/2026

ঈমান ও আমলের সুরক্ষার জন্য পড়তে পারেন,অতি সংক্ষেপে—
*দ্বীনের মূলনীতি ১ম ও ২য় খন্ড।*
শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দেন— *প্রশ্ন উত্তরে বাল্য দ্বীনিয়াত।*
স্বলাতের পূর্ণ বিবরণ শিখতে হলে, পড়তে পারেন— তথ্যবহুল বই *“বিশুদ্ধ স্বলাত প্রশিক্ষণ”* ।
আবারও প্রকাশিত হচ্ছে। ইন্ শা আল্লাহ্।
*মোখতার হোসেন।*
9679306790

মাসিক “সরল পথ” পত্রিকা নিজে পড়ুন অন্যকে পড়তে দিন।
10/01/2026

মাসিক “সরল পথ” পত্রিকা নিজে পড়ুন অন্যকে পড়তে দিন।

10/01/2026

রসূল স্বল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষার সম্মুখীন হবে : (১) যখন কোন জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে, তখন সেখানে মহামারী ছড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা পূর্বেকার লোকদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি।
(২) যখন কোন জাতি ওযন ও মাপে কারচুপি করে, তখন তাদের উপর দুর্ভিক্ষ, কঠিন দারিদ্র্য ও শাসকদের নিষ্ঠুর দমন-নিপীড়ন নেমে আসে।
(৩) যখন কোন জাতি তাদের ধন-সম্পদের যাকাত বন্ধ করে, তখন আসমান থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেওয়া হয়। যদি ভূ-পৃষ্ঠে চতুষ্পদ জন্তু ও নির্বাক প্রাণী না থাকত, তাহ’লে কখনো বৃষ্টিপাত হ’ত না।
(৪) যখন কোন জাতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সাথে কৃত (ঈমানের) অঙ্গীকার ভঙ্গ করে, তখন আল্লাহ্ তাদের উপর তাদের বিজাতীয় দুশমনকে ক্ষমতাসীন করে দেন এবং তারা তাদের সহায়-সম্পদ কেড়ে নেয়।
(৫) যখন তোমাদের শাসকবর্গ আল্লাহর কিতাব মোতাবেক ফায়স্বলা করে না এবং আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান ব্যতীত অন্য বিধান গ্রহণ করে, তখন আল্লাহ তাদের পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে দেন।
(ইবনু মাজাহ্ হাঃ ৪০১৯; সিলসিলা স্বহীহাহ্ হাঃ১০৬)

10/01/2026

عَنِ ابْنِ عَـبَّـاسٍ قَـالَ قَـالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ مَنْ أَعَانَ ظَالـِمًا لِيُدْحِضَ بِبَاطِلِهِ حَقّاً فَقَدْ بَرِئَتْ مِـنْـهُ ذِمَّـةُ اللهِ وَذِمَّـةُ رَسُوْلِـهِ
ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী স্বল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজ বাতিলের মাধ্যমে হককে খণ্ডন করে কোন যালেমকে সাহায্য করে, সে ব্যক্তির নিকট থেকে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের দায়িত্ব উঠে যায়। (স্বহীহুল জামে’ হাঃ ৬০৪৮)
এই হাদিসটি জালেমকে অন্যায় কাজে সহযোগিতা করার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে। এর দ্বারা বোঝা যায় যে, অন্যায়কে সমর্থন করা বা জালেমকে সাহায্য করা একটি গুরুতর পাপ, যার ফলে ব্যক্তি আল্লাহর রহমত ও রাসূল স্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফা'আত থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

05/01/2026

عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعَضَلَةِ سَاقِي أَوْ سَاقِهِ فَقَالَ ‏ "‏ هَذَا مَوْضِعُ الإِزَارِ فَإِنْ أَبَيْتَ فَأَسْفَلُ فَإِنْ أَبَيْتَ فَلاَ حَقَّ لِلإِزَارِ فِي الْكَعْبَيْنِ ‏"
অর্থঃ হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ স্বল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বা তার জঙ্ঘা (হাটুর নিচের মাংসপেশী) ধরে বলেনঃ “এটা হল লুঙ্গি বা পায়জামার জায়গা। তুমি না মানতে চাইলে আরও নিচে নামাতে পার। যদি তাও মানতে রাজী না হও তবে জেনে রাখ, লুঙ্গি-পায়জামার পায়ের গোছা স্পর্শ করার কোন অধিকার নেই”। (তিরমিযী হাঃ ১৭৮৩)

05/01/2026

মানবতার মুক্তির জন্য এসেছে আল্ ক্বুরআনঃ-
মানবজাতিকে সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির পথে আহ্বানের জন্য আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ গ্রন্থ আল-ক্বুরআনুল কারীম, যা তিনি তাঁর সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ট নবী মুহাম্মদ স্বল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর উপর অবতীর্ণ করেন।
মহান আল্লাহ বলেনঃ
الٓر ۚ كِتَٰبٌ أَنزَلْنَٰهُ إِلَيْكَ لِتُخْرِجَ ٱلنَّاسَ مِنَ ٱلظُّلُمَٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذْنِ رَبِّهِمْ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَمِيدِ
অর্থঃ আলিফ-লাম-রা; এটি একটি গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন পরাক্রমশালী প্রশংসার যোগ্য পালনকর্তার নির্দেশে তাঁরই পথের দিকে। (সূরাহ্ ইবরা-হীম ১৪:০১)

30/12/2025
28/12/2025

ক্বুরআনের বিরুদ্ধে অবমাননা ও মিথ্যাচারের জবাব ও প্রতিবাদ।

বি জে পি বিধায়ক অসীম সরকার যেভাবে ক্বুরআন সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন,তা ভারতীয় সংবিধান বিরোধী। আমরা তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এবিষয়ে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
তাঁকে তাঁর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে! নচেত তাকে ডিবেটে বসতে হবে। আর না হলে মুসলিম জাতি এর জন্য আইনি পদক্ষেপ নেবে। ইন্ শা আল্লাহ্।
বি জে পি বিধায়ক অসীম সরকার- পুলিশ প্রহরায় মিডিয়ার সামনে সচেতনভাবে বা অজ্ঞতাবশত ক্বুরআন ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে বলেছেন—
📖 “আদি ক্বুরআন বদর যুদ্ধে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমান ক্বুরআন ২৭ জন শয়তানের লেখা। এই ক্বুরআনে বলা হয়েছে অমুসলিমদের যেখানে পাইবে তাদেরকে বন্দি করিবে এবং তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করিবে। তিনি আরও বলেন, আমার কাছে সেই ক্বুরআন আছে, আমি চ্যালেঞ্জ করছি। সেই ধর্মগ্রন্থে আমি প্রস্রাব করি, আমি যখন তখন পুড়িয়ে ফেলতে পারি! মানবতা বিরোধী এই ধর্মগ্রন্থ!”
তিনি এইভাবে সংবিধান বিরোধী অফেনসিভ কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
জবাব:-
📖 ক্বুরআন কি হিংসার নির্দেশ দেয়? নাকি সত্য গোপন করা হচ্ছে? এটি চরম মিথ্যা ও প্রসঙ্গচ্যুত অপব্যাখ্যা! এটা আসলে অজ্ঞতার পরিচয়! রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার আড়ালে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে দাঙ্গা লাগানোর কুকৌশল মাত্র!
আসুন ক্বুরআন থেকেই সত্য রহস্য দেখে নিই।
🎙️বদর যুদ্ধে না কি ক্বুরআন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে! এটা বলা একদম অজ্ঞতার পরিচয়!
বদর যুদ্ধের সময় সম্পূর্ণ ক্বুরআন অবতীর্ণই হয়নি। তাহলে পুড়ে ছাই হলো কিভাবে?

📖 সূরাহ্ আততাওবার আয়াত নং-৫ এর অপব্যাখ্যা পেশ করা হয়েছে! মহান আল্লাহ বলেনঃ
فَإِذَا انْسَلَخَ الْأَشْهُرُ الْحُرُمُ فَاقْتُلُوا الْمُشْرِكِينَ حَيْثُ وَجَدْتُمُوهُمْ وَخُذُوهُمْ وَاحْصُرُوهُمْ وَاقْعُدُوا لَهُمْ كُلَّ مَرْصَدٍ ۚ فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتَوُا الزَّكَاةَ فَخَلُّوا سَبِيلَهُمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
বাংলা অনুবাদঃ-
অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদেরকে যেখানে পাবে হত্যা কর, তাদেরকে পাকড়াও কর, অবরোধ কর এবং প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের জন্য ওঁৎ পেতে থাক; কিন্তু যদি তারা তাওবাহ করে, স্বলাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয় তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও; নিশ্চয় আল্লাহ্‌ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরাহ্ আত-তাওবাহ আয়াত: ৫)

উক্ত আয়াত অবতীর্ণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ-
এই আয়াতটি মক্কা বিজয়ের পর (৮ম হিজরীতে) নাযিল হয়েছে। হুদাইবিয়ার সন্ধির পর কুরাইশরা এবং তাদের মিত্র বনু বকর মুসলিমদের মিত্র বনু খুযাআহ গোত্রের উপর আক্রমণ করে সন্ধি ভঙ্গ করে। ফলে রসূলুল্লাহ্ স্বল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয় করেন। এরপর আরবের বিভিন্ন মুশরিক গোত্রের সাথে যেসব সন্ধি ছিল, সেগুলোর মেয়াদ শেষ হলে বা ভঙ্গ হলে তাদেরকে ৪ মাসের অবকাশ দেওয়া হয়। এই ৪ মাসকে "আশহুরুল হুরুম" অর্থাৎ নিষিদ্ধ মাস বলা হয়েছে,যে মাসগুলোতে যুদ্ধ বিগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এই চার মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর যারা সন্ধি ভঙ্গ করেছে বা শত্রুতা চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এটি নির্দেশ ছিল নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে সন্ধি ভঙ্গকারী আরবের মুশরিকদের জন্য। হত্যা, বন্দী করা, অবরোধ করা এবং ওঁত পাতা। এটি শুধুমাত্র যুদ্ধরত বা শত্রুতাপূর্ণ মুশরিকদের জন্য, সাধারণ শান্তিপ্রিয় নাগরিক, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের জন্য নয়।
মহান আল্লাহ্ পূর্ববর্তী আয়াতে বলেছেন:
إِلَّا ٱلَّذِینَ عَـٰهَدتُّم مِّنَ ٱلۡمُشۡرِكِینَ ثُمَّ لَمۡ یَنقُصُوكُمۡ شَیۡـࣰٔا وَلَمۡ یُظَـٰهِرُوا۟ عَلَیۡكُمۡ أَحَدࣰا فَأَتِمُّوۤا۟ إِلَیۡهِمۡ عَهۡدَهُمۡ إِلَىٰ مُدَّتِهِمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ یُحِبُّ ٱلۡمُتَّقِینَ
অর্থাৎ— তবে যে মুশরিকদের সাথে তোমরা চুক্তি বদ্ধ, অতপরঃ যারা তোমাদের ব্যাপারে কোন সন্ধি ভঙ্গ করেনি এবং তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করেনি, তাদের সাথে কৃত চুক্তিকে তাদের দেয়া মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ কর। অবশ্যই আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ করেন। (আত্ তাওবাহ্ আয়াত:৪) যারা সন্ধি রক্ষা করেছে তাদের সাথে চুক্তি পূর্ণ করতে হবে। তাদের সাথে যুদ্ধ করতে হবে না।
ঐ সূরার ৬ এবং ৭ নং আয়াতে বলেন:
وَإِنْ أَحَدٌ مِّنَ ٱلْمُشْرِكِينَ ٱسْتَجَارَكَ فَأَجِرْهُ حَتَّىٰ يَسْمَعَ كَلَٰمَ ٱللَّهِ ثُمَّ أَبْلِغْهُ مَأْمَنَهُ ۥ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَعْلَمُونَ
অর্থাৎ — আর মুশরিকদের কেউ যদি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে আশ্রয় দেবে, যাতে সে আল্লাহর কালাম শুনতে পায়, অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌছে দেবে। এটি এজন্যে যে এরা জ্ঞান রাখে না।
كَيْفَ يَكُونُ لِلْمُشْرِكِينَ عَهْدٌ عِندَ ٱللَّهِ وَعِندَ رَسُولِهِ ۦٓ إِلَّا ٱلَّذِينَ عَٰهَدتُّمْ عِندَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ۖ فَمَا ٱسْتَقَٰمُوا لَكُمْ فَٱسْتَقِيمُوا لَهُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُتَّقِينَ
অর্থাৎ— মুশরিকদের চুক্তি আল্লাহর নিকট ও তাঁর রসূলের নিকট কিরূপে বলবৎ থাকবে। তবে যাদের সাথে তোমরা চুক্তি সম্পাদন করেছ মসজিদুল-হারামের নিকট, তারা যতদিন তোমাদের জন্যে চুক্তিতে আবদ্ধ থাকবে, তোমরাও তাদের জন্য চুক্তিবদ্ধ থাক। নিঃসন্দেহের আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ করেন।(অর্থাৎ, চুক্তি বজায় রাখা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় কাজ)
নোটঃ— অনেকে এই আয়াতের প্রেক্ষাপট ছাড়াই উদ্ধৃত করে ইসলামকে হিংস্র বলে প্রচার করে, কিন্তু আগে পিছে আয়াত গুলো অধ্যায়ন করলে বোঝা যায় এটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত।
Mokhtar Hossain.

19/12/2025

আরশের ছয়া তলায় স্থানঃ-
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ
عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : " مَنْ نَفَّسَ عَنْ غَرِيمِهِ أَوْ مَحَا عَنْهُ، كَانَ فِي ظِلِّ الْعَرْشِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ "
(صحيح الجامع -6576؛ دارمى-2631)
অর্থঃ আবী কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ স্বল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “যে লোক কোনো ঋণগ্রস্থ মানুষকে ঋণ পরিশোধে অবকাশ দেয় অথবা তার ঋণ মওকুফ করে দেয়, কিয়ামতের দিন সেই লোক আরশের ছায়ার নিচে স্থান লাভ করবে”।

19/12/2025

“প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিনই তোমাদেরকে তোমাদের কর্মফল পুরোপুরি দেওয়া হবে। অতঃপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সে-ই সফলকাম। আর দুনিয়ার জীবন তো প্রতারণার ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়।" (আলি-‘ইমরান :১৮৫)

18/12/2025

*মৃত ব্যক্তিকে দেখার বিধান।*
মৃত ব্যক্তির নিকট হাজির হলে তার জন্য কল্যাণকর কথা বলা ও দু‘আ করা। রসূলুল্লাহ্ স্বল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবূ সালমাহ্ রাযিয়াল্লাহু আনহুর মৃত্যুর পর তার নিকট হাজির হয়ে দু‘আ পাঠ করেছিলেন।

”اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (لأَبِي سَلَمَةَ) وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ ‏.‏ وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ“
অর্থঃ হে আল্লাহ (আবূ সালামাহ্) তাকে কে ক্ষমা কর এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তার মর্যাদাকে উচু করে দাও, তুমি তার বংশধরদের অভিভাবক হয়ে যাও। হে রাব্বুল আলামীন তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও। তার ক্ববরকে প্রশস্ত কর এবং তা জ্যোতির্ময় করে দাও।”(স্বহীহ্ মুসলিম হাঃ ২০১৫)

*মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে শরীয়ত লঙ্ঘন!*
অসুস্থ ব্যক্তির সেবা-শুশ্রূষা করা, খোঁজ-খবর নেওয়া এবং সান্তনা দেওয়া একটি সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ্ অথবা ফারযে কিফাইয়্যা ‘আমল। কিন্তু গ্রামের কোন মানুষ অসুস্থ হলে তাকে আমৃত্যু দেখতে যাওয়ার সময় বের করতে পারেন নি! কিন্তু মৃত্যুর পর তাকে দেখার জন্য নারী-পুরুষ এতটাই ভিড় জমায়, সেখানে মাহরাম ও গাইর মাহরাম এর বাছবিচার থাকে না। জীবিত অবস্থায় যাদের দেখা জায়েয মৃত্যুর পরেও তাদের দেখা জাযেয। মূলত মানুষ মারা গেলে একজন মুসলমানের জন্য যরূরী হ’ল তার জানাযায় অংশগ্রহণ করা, তাকে দেখা নয়। মৃত পুরুষ ব্যক্তিকে যেকোনো পুরুষ মানুষ দেখতে পারেন, কিন্তু যেকোনো নারী দেখতে পারেন না। যাদের সাথে বিয়ে হারাম সে সব নারী দেখতে পারেন। মৃত নারীকে যেকোনো পুরুষ দেখতে পারেন না, কিন্তু যাদের সাথে বিয়ে হারাম কেবলমাত্র সে সব পুরুষ দেখতে পারেন। বিশেষ কারণ ব্যতীত সমস্ত ফাক্বিহীগণের ঐকমত্যে জীবিত অবস্থায় যে সমস্ত নারী পুরুষের মধ্যে পর্দা ফরয, মৃত্যুর পরেও একই বিধান।
মৃত ব্যক্তির আবৃত শরীর দেখা জীবিত ব্যক্তির আবৃত শরীর দেখার নামান্তর (ফাতাওয়া লাজনাহ্ দায়েমাহ্ ২৪/৪২৩ পৃ.)।
Mokhtar Hossain.

Address

Samsi
732139

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mokhtar Hossain Raheemi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share