বিশ্ব বঙ্গ_Biswa Bongo

বিশ্ব বঙ্গ_Biswa Bongo Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিশ্ব বঙ্গ_Biswa Bongo, Community Service, Sainthia.

90's লাভ লেটার 💌 😄🥹এখন কার ছেলেরা মেয়েরা এইসব বুঝবে না 🥲ফোটো সংগৃহিত ❤️     #ভাইরাল
29/09/2025

90's লাভ লেটার 💌 😄🥹
এখন কার ছেলেরা মেয়েরা এইসব বুঝবে না 🥲
ফোটো সংগৃহিত ❤️
#ভাইরাল

আমি যেদিন রইব না গো নিব চির-বিদায়।আমি যেদিন রইব না গো লিব চির-বিদায়।চিরতরে স্মৃতি আমার কাছে মুছে যাবে।এই ধরণী খেলা-ঘরে...
31/08/2025

আমি যেদিন রইব না গো নিব চির-বিদায়।
আমি যেদিন রইব না গো লিব চির-বিদায়।
চিরতরে স্মৃতি আমার কাছে মুছে যাবে।
এই ধরণী খেলা-ঘরে, মনের কে করে
দুলে সাগর চাঁদ-সোহাগে, মরু মরে পিপাসায়।
রবি যবে মনে নভে, চাঁদে কে মনে করা
এ কূল গাছে ও কূল কুল, মানুষের মন প্রায়।
মোর সমাধির বুকে প্রিয়, উঠবে তোমার বাসর ঘর,
হায়, অসহায় ভিখারি মন, কানে তবু সেই ব্যথায়।
💞নজরুলগীতি
🎷রাগঃ আশাবরী
🥁তালঃ লাউনি

মেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়াকে ঠাট্টা করে বলতেন, “ষাট বছর বয়স হলে বিপ্লবী আর বিপ্লবী থাকে না। প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়।”উৎপল দত্ত'র ম...
31/08/2025

মেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়াকে ঠাট্টা করে বলতেন, “ষাট বছর বয়স হলে বিপ্লবী আর বিপ্লবী থাকে না। প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়।”
উৎপল দত্ত'র মত নাট্যব্যক্ত্বিত্ব তাঁর আগেও কেউ আসেননি,পরেও কেউ নয়।
চলচ্চিত্র অভিনেতা উৎপল দত্তও, ছিলেন অতুলনীয়। সত্যজিত রায়ও মুগ্ধ ছিলেন তাঁর প্রতিভায়। বলেছিলেন, ‘উৎপল যদি রাজি না হত, তবে হয়তো আমি আগন্তুক বানাতামই না।’ ‘আগন্তুক’ ছবিতে উৎপল দত্তকে নিজের প্রতিভূ হিসেবেই ব্যবহার করেছিলেন সত্যজিত রায়।
১৯৯৩ সালের ১৯ অগস্ট ৬৪ বছর বয়সে “সারা ভারতের শ্রেষ্ঠ স্টেজ স্টলওয়ার্ট" উৎপল দত্ত'র জীবনাবসান হয়।

ইলা মজুমদারের জন্ম ১৯৩০ সালের ২৪শে জুলাই বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর গ্রামে। পিতা যতীন্দ্র কুমার মজুমদার ছিলেন ডে...
31/08/2025

ইলা মজুমদারের জন্ম ১৯৩০ সালের ২৪শে জুলাই বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর গ্রামে। পিতা যতীন্দ্র কুমার মজুমদার ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। মা ছিলেন গৃহবধূ । যতীন্দ্রবাবু ছোট থেকেই মেয়েকে মুক্ত পরিবেশে বড় করে তোলেন। ১২ বছর বয়সেই ইলা সাইকেল চালাতে পারত। মাত্র ১৬ বছর বয়সে শিখেছিলেন জিপ চালানো। খুলনায় তিনি নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর ১৯৪৫ সালে ইলাদের পুরো পরিবার কলকাতায় চলে আসে।
১৯৪৭ সাল। ভারত ভাগ হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং এ পুরুষদের একচ্ছত্র আধিপত্য। পশ্চিমবাংলার বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ তখন ইঞ্জিনিয়ারিং এর অন্যতম পীঠস্থান। ১৯৪৭ সালেই পশ্চিমবাংলার তৎকালীন বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ দরজা খুলে দিল মহিলাদের জন্যে। প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন দুইজন ছাত্রী। ভর্তি হলেন দুজনেই। কিন্তু একজন দ্বিতীয় বর্ষেই কলেজ ছাড়লেন।
রইলেন একজন ছাত্রী। প্রচন্ড শারীরিক পরিশ্রম দরকার বলে অধ্যক্ষ তাকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে নিষেধ করেন। শেষে ইলা ভর্তি হন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে।
১৯৫১ সালে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন। তিনিই ছিলেন বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার। গোটা ব্যাচে তিনিই ছিলেন একমাত্র ছাত্রী। বাকি সকলেই ছিলেন ছাত্র।
প্রথম প্রথম মানিয়ে নিতে অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে ছাত্রদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায় তার। তখন ছাত্রীদের জন্যে আলাদা হোস্টেল ছিল না তাই ইলা মজুমদার থাকতেন লাইব্রেরির বাম প্রান্তের একটি ঘরে। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পুলিন বিহারী ঘোষ এই সময় তার পাশে দাঁড়ান। কলেজে তিনিই ছিলেন ইলার অভিভাবক।
১৯৫১ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হলেন ইলা। তারপর ট্রেনিং করতে যান গ্লাসগো। ট্রেনিং শেষে ভারতে ফিরে এসে দেরাদুনের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে কাজে যোগ দেন। তিনি ভারতের প্রথম মহিলা যিনি ভারী যন্ত্রাংশ তৈরীর কারখানায় কাজ করেছেন। সেই সময় ইলা থাকতেন স্টাফ কোয়ার্টারে। ছয় মাস চাকরি করার পর দিল্লি পলিটেকনিক কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এরপর কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ জুট টেকনোলজিতে লেকচারার ছিলেন তিনি।
কলকাতার প্রথম মহিলা পলিটেকনিক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। ইলা মজুমদার ই ছিলেন ঐ কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল। তার কর্মকান্ডে মুগ্ধ হয়ে ১৯৮৫ তে জাতিসংঘের তরফ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা শহরে একটি মহিলা পলিটেকনিক কলেজ খোলার। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ছাড়তে রাজি ছিল না। কিন্তু মাতৃভূমির টান তিনি ফেরাতে পারেন নি। ঢাকা এসে সাফল্যের সঙ্গেই কলেজ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।।

🙏বীরভূমের ঐতিহ্যবাহী সতীপীঠ: লাভপুরের মা ফুল্লরা মন্দির🙏পঞ্চ সতীপীঠের জেলা বীরভূম।সতীপীঠ ছাড়াও রয়েছে শক্তিপীঠ সিদ্ধপীঠ ত...
31/08/2025

🙏বীরভূমের ঐতিহ্যবাহী সতীপীঠ: লাভপুরের মা ফুল্লরা মন্দির🙏
পঞ্চ সতীপীঠের জেলা বীরভূম।সতীপীঠ ছাড়াও রয়েছে শক্তিপীঠ সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ।এই সকল তীর্থক্ষেত্রের টানে প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার পর্যটক, পুর্ণ্যার্থীদের আগমন হয়ে থাকে। এই সকল তীর্থক্ষেত্রগুলির মধ্যে বীরভূমের অন্যতম একটি তীর্থক্ষেত্র হল ফুল্লরা শক্তিপীঠ । এখানে দেবী সতীর অধর বা নিচের ঠোঁট পতিত হয়েছিল।। ফুল্লরা সতীপীঠ তার ধর্মীয় মাহাত্ম্য এবং ঐতিহ্যের জন্য ভক্ত ও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ।
কথিত আছে এখানে মায়ের কাছে কিছু চাইলে মা কখনো তাকে ফেরানো না।।
🛕মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমি 🛕
পুরাণ অনুসারে, এক সময় কাশীর মণিকর্ণিকা ঘাটে তপস্যা করার সময় কৃষ্ণানন্দ গিরি নামের এক সন্ন্যাসী মায়ের স্বপ্নাদেশ পান। মা তাঁকে নির্দেশ দেন লাভপুরে এসে পূজার্চনা শুরু করতে। সেই আদেশ অনুসরণ করে কৃষ্ণানন্দ গিরি লাভপুরে এসে বসবাস শুরু করেন এবং মায়ের পূজায় ব্রতী হন। প্রথমে এখানে মায়ের দুটি ছোট মন্দির ছিল। পরবর্তীতে, ১৩০২ বঙ্গাব্দে লাভপুরের জমিদার যাদবলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমান মন্দিরটি নির্মাণ করেন। শুরুতে এটি চুন-সুরকির মন্দির ছিল, যা পরে কংক্রিটে রূপান্তরিত হয়।
🌺মন্দিরের পরিবেশ এবং বিশেষত্ব 🌺
ফুল্লরা মন্দিরটি গাছপালায় ঘেরা, ছায়াময় পরিবেশে অবস্থিত। এটি মূলত একটি শান্তিপূর্ণ তীর্থস্থান, যা লোকালয় থেকে কিছুটা দূরে। দেবী ফুল্লরা এখানে ব্রহ্মশিলা রূপে পূজিত হন। গর্ভগৃহের সামনে রয়েছে নাট মন্দির এবং জগমোহনে আছে ‘হাড়ি কাঠ’, যা এই মন্দিরের অন্যতম আকর্ষণ। মাঘ পূর্ণিমার দিনে এখানে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়।
🪔পুজো ও ভোগের বৈশিষ্ট্য 🪔
মন্দিরে প্রতিদিন মায়ের জন্য ভোগ নিবেদন করা হয়, যার মধ্যে মাছ, মাংস, ডাল, দু’ধরনের সবজি, পাঁচ প্রকার ভাজা এবং অন্যান্য সামগ্রী থাকে। মাঘ পূর্ণিমা এবং বিশেষ উৎসবের দিনগুলোতে মন্দিরে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে। সেদিন মেলায় পরিণত হয় মন্দির চত্বর।
🛣️মন্দিরে পৌঁছানোর উপায়🛣️
ফুল্লরা মন্দির বোলপুর থেকে ২৮ কিলোমিটার এবং সিউড়ি থেকে ৩২ কিলোমিটার, কলকাতা থেকে আহমেদপুর ট্রেন থেকে নেমে ১১ কিমি দূরে অবস্থিত। বোলপুরের জামবুনি বাস স্ট্যান্ড থেকে লাভপুরের জন্য বাস পাওয়া যায়। তবে লাভপুরে থাকার সুব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের সিউড়ি, বোলপুর, কিংবা তারাপীঠে রাত্রিবাসের পরামর্শ দেওয়া হয়।
🏵️🏵🪷🏵️🪷🏵️
ফুল্লরা মন্দির তার প্রাচীন ঐতিহ্য, ধর্মীয় গুরুত্ব এবং মনোরম পরিবেশের জন্য বীরভূমের অন্যতম আকর্ষণ। যারা বীরভূম ভ্রমণে আসেন, তাদের জন্য ফুল্লরা মন্দির একটি অবশ্যই দর্শনীয় স্থান। অতএব, আগামীবার আপনার বীরভূম ভ্রমণে এই তীর্থস্থানটি অবশ্যই আপনার তালিকায় রাখুন।
পুরোহিত মহাশয় নং - 7479397238.

বর্ধমানের 'নাগরমা/রা' জঙ্গলে আজও বেঁচে আছে 'প্রেমের সমাধি'বিশ্বে এমন কিছু প্রেম আছে যা মানুষের মুখে মুখে চিরন্তন হয়ে গেছ...
26/08/2025

বর্ধমানের 'নাগরমা/রা' জঙ্গলে আজও বেঁচে আছে 'প্রেমের সমাধি'
বিশ্বে এমন কিছু প্রেম আছে যা মানুষের মুখে মুখে চিরন্তন হয়ে গেছে। তেমনই এক প্রেমের কাহিনী আজ আপনাদের শোনাবো। পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ২ ব্লকের দেবশালা গ্রামের কাছে ঘন জঙ্গলের মাঝেই রয়েছে এক রহস্যময় জায়গা ‘প্রেমের সমাধি’। স্থানীয় মানুষ থেকে যাত্রী, যেই এই পথ দিয়ে যান না কেন, প্রায় সবাই থেমে একবার সমাধির সামনে মাথা নত করেন। গাছের ডাল কিংবা পাতা দিয়ে প্রণাম জানানোর এই রীতি আজও অটুট। কথিত আছে, বহু বছর আগে রাজগড়ে রাজত্ব করতেন এক সামন্ত রাজা। তাঁর রাজকন্যার প্রেমে পড়েন পাশের গ্রামের এক গোয়ালা যুবক। রাজকন্যা-গোয়ালার সেই সম্পর্ক ধরা পড়তেই রাজার নির্দেশে দু’জনকে নির্ম/মভাবে হ/ত্যা করা হয় এবং এই জঙ্গলের মাঝেই ক/বর দেওয়া হয়। এখান থেকেই ‘প্রেমের সমাধি’র জন্ম
স্থানীয় প্রবীণদের মুখে শোনা যায়, সেই নি/ষ্ঠুর ঘটনার পর থেকেই এলাকাটি নাগরপোঁতা বা নাগরমা/রা জঙ্গল নামে পরিচিত। প্রেমিক-প্রেমিকার দে/হ মাটিতে পড়ে থাকায় গ্রামবাসীরা শালপাতা দিয়ে তাদের ঢেকে দেন। সেই কারণেই আজও মানুষ শালপাতা দিয়ে সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান। বছরের পর বছর ধরে এই জায়গা ঘিরে এক বিশেষ আবেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি ভ্যালেন্টাইনস ডে-তেও এখানে স্থানীয় ও আশপাশের মানুষ মিলিত হয়ে ছোট্ট উৎসবের আয়োজন করেন। তাঁদের কাছে এই সমাধি কেবল ইতিহাস নয়, অমর প্রেমের প্রতীক
সৌজন্য : Satyam News

শ্রীদেবী একবার কলকাতায় এসে নিজের কথার দোষেই পড়ে গিয়েছিলেন মহাফাঁপরে । বক্তব্যের শুরুটা তিনি মন্দ করেননি, শ্রীদেবী বলে...
26/08/2025

শ্রীদেবী একবার কলকাতায় এসে নিজের কথার দোষেই পড়ে গিয়েছিলেন মহাফাঁপরে । বক্তব্যের শুরুটা তিনি মন্দ করেননি, শ্রীদেবী বলেছিলেন "কলকাতায় বিশ্বমানের ছবি হয়ে থাকে । একটু অন্যধারার ছবির কথা যদি বলি ভারতবর্ষের অন্যান্য স্টেটগুলোর মধ্যে ওয়েস্ট বেঙ্গলেই এধরণের ছবিগুলোকে দক্ষ হাতে পরিচালনা করতে দেখা যায় ।" তবে অপ্রীতিকর মুহুর্তটা ঘনিয়ে এলো যখন তিনি বলতে গেলেন বাংলা ছবির স্বর্ণযুগ ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পকে এক উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে, ন্যাচারাল অ্যাক্টিং কাকে বলে সেটা স্বর্ণযুগের চিত্রতারকারা দেখিয়ে দিয়েছেন । ব্যাস সাথে সাথেই সাংবাদিকদের প্রশ্ন "ম্যাডাম, স্বর্ণযুগের বাংলা সিনেমার কোন অভিনেতাকে আপনার সবচাইতে বেশি ভালো লাগে ?" একটু ভেবে নিয়ে শ্রীদেবী বলেছিলেন বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জিকে ওনার ভালো লাগে । তারপরেই সাংবাদিকের প্রশ্ন "ম্যাডাম আপনার বিচারে এনাদের মধ্যে সেরা কোনজন, উত্তমকুমার নাকি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ?" এবার শ্রীদেবী একটু ঘাবড়ে গেলেন । উপস্থিত সকলের মধ্যে হয়তো কেউ কেউ বুঝতে পেরেছিলেন শ্রীদেবী এনাদের নাম এই প্রথম শুনছেন । সেসময় তিনি কোনোভাবে এই ঘটনাটা এড়িয়ে গেলেও শ্রীদেবীর মনটা কিন্তু খচখচই করছিল । উত্তম বা সৌমিত্রের নাম না জানাটা কোনো অপরাধ নয় । কিন্তু ভিতর ভিতর তিনি অস্বস্তি কাটিয়ে উঠতে পারছিলেন না । শ্রীদেবীর এও মনে হয়েছিল উত্তম বা সৌমিত্র যদি খুব উঁচুদরের অভিনেতা হয়ে থাকেন তবে এঁদের বিষয়ে না জানাটা খুবই অন্যায় হবে । তাই বোম্বে ফিরেই উত্তমকুমার অভিনীত 'অমানুষ'এর হিন্দি ভার্সনটা দেখতে লাগলেন । যদিও তিনি বহু আগেই এনটিআরের 'এদুরেথা' দেখেছিলেন, সেটা ছিল 'অমানুষ' এর রিমেক এবং তেলুগু ভাষায় মুক্তি পেয়েছিল । আর এতবছর পর সেটারই অরিজিনাল ভার্সন 'অমানুষ' দেখতে বসলেন । এবং শোনা যায় এতটাই নাকি শ্রীদেবীর এই ছবিটা ভালো লেগে গিয়েছিল তিনি নাকি টানা দশদিন একবার করে হলেও এই ছবিটা দেখেছিলেন । এবং সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়েরও তিনি 'অপুর সংসার' ছবিটি সম্ভবত দেখেছিলেন, ইংরেজি সাবটাইটেল থাকায় । সেখানে আবার সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনা শ্রীদেবীকে মুগ্ধ করেছিল । গল্পটাকে কত সহজ করে তুলে ধরা হয়েছে তাও আবার এত ডিটেলিংয়ের সাথে । হয়তো মনে মনেও শ্রীদেবী কলকাতার সেই সাংবাদিকটিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছিলেন, ভাগ্যিস সেই প্রশ্নটি তিনি শ্রীদেবীকে করবার মতন সৎসাহস দেখিয়েছিলেন ।

তথ্যসূত্র :- ১) কলকাতার সাপ্তাহিক সিনে ম্যাগাজিন
২) 'ফিল্মিকথা' লিটল ম্যাগ.......।।
সংগৃহীত।। See less

এক ফ্রেমে দুই মা..💛💛❤️❤️
25/08/2025

এক ফ্রেমে দুই মা..💛💛❤️❤️

এক নজরে মেট্রোর টাইমটেবিল দেখে নিন :হাওড়া ময়দান - শিয়ালদা - সল্টলেক সেক্টর ফাইফ( Howrah Maidan to Saltlake Sec V )  F...
25/08/2025

এক নজরে মেট্রোর টাইমটেবিল দেখে নিন :
হাওড়া ময়দান - শিয়ালদা - সল্টলেক সেক্টর ফাইফ( Howrah Maidan to Saltlake Sec V ) From Monday 25-08-2025
✅ Monday to Saturday
( Total -- 186 services )
🔸 From Howrah Maidan
06:30 -- first train
21:45 -- last train
06:30 to 09:00 -- headway 15 mins
09:00 to 12:04 -- headway 8 mins
12:04 to 17:04 -- headway 10 mins
17:04 to 20:00 -- headway 08 mins
20:00 to 21:45 -- headway 15 mins
🔸🔸 From Saltlake Sec V
06:32 -- first train
21:47 -- last train
06:32 to 08:32 -- headway 15 mins
08:32 to 08:40 -- headway 8 mins
08:40 to 09:44 -- headway 16 mins
09:44 to 11:28 -- headway 08 mins
11:28 to 16:28 -- headway 10 mins
16:28 to 16:44 -- headway 08 mins
16:44 to 17:00 -- headway 16 mins
17:00 to 17:24 -- headway 08 mins
17:24 to 17:40 -- headway16 mins
17:40 to 19:32 -- headway 08 mins
19:32 to 21:47 -- headway 15 mins
🔸 Sunday Service :
Total service :- 104
🔸🔸 First Service From Howrah Maidan & Saltlake Sec V -- 09:00 & 09:02 hrs.
🔸🔸 Last Service From Howrah Maidan & Saltlake Sec V -- 21:45 & 21:47 hrs. Respectively.
Headway : 15 mins.
*Collected from Social Media

22/08/2025

Address

Sainthia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিশ্ব বঙ্গ_Biswa Bongo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share