Nature first

Nature first An apolitical platform for all, for community awareness and active participation in nature conservation. ..

19/03/2026

আগামীকাল ২০শে মার্চ একইসঙ্গে বিশ্ব চড়াই দিবস ও ব্যাঙ দিবস। আমার প্রোফাইলে স্কুল কলেজে পড়ান এমন যাঁরা আছেন, যাঁরা এসবে একটুও আগ্রহ বোধ করেন তাঁরা আজ বা আগামীকাল প্রার্থনাসভায় কিংবা ক্লাসে ক্লাসে সব ছাত্রছাত্রীর সামনে ব্যাঙ ও চড়াইপাখির অস্তিত্ব, গুরুত্ব নিয়ে কথা বলুন। ভালোবেসে বলুন। বলুন যে সম্মান শুধু মানুষের প্রাপ্য নয়। সবার প্রাপ্য৷ এই দুজন প্রাণীকে আমরা আজন্ম দেখছি আশেপাশে। এরা কী করে, এদের কী গুরুত্ব, বর্তমানে কী বিপদ এদের হয়েছে, কীভাবে হয়েছে, কীভাবে এদের রক্ষা করা যাবে এই বিষয়ে কথা বলুন। সময় সুযোগ থাকলে ছেলেমেয়েদের আঁকতে লিখতে বা বলতে বলুন। তারা যা পারে বলুক লিখুক আঁকুক। তাদের বুঝিয়ে দিন বিজ্ঞান বই বহুদূরের বিষয় বা থান ইঁট নয়। বিজ্ঞান, ইকোলজি আমাদের ঘর বাইর থেকেই শুরু হয়৷ তাদের সঙ্গে আলাপ করুন বিবর্তন নিয়ে সহজ কথায়। চড়াই কবে পৃথিবীতে এলো, ব্যাঙ কবে কীভাবে এলো এই কথাগুলো। ব্যাঙ ও চড়াই নিয়ে প্রচুর গল্প আছে। সেসব বলুন। না জানলে খুঁজে বার করুন। খুঁজে বার করুন এদেশের বিভিন্ন জনজাতির গল্পে ব্যাঙ বা চড়াইয়ের কথা কীভাবে এসেছে।

আমাদের লাভভিত্তিক লোভভিত্তিক দামী লাল নীল সবুজ জৈব চালের বাজারে কৃষক সংগঠনরাও আলোচনা করুন চড়াই আর ব্যাঙকে নিয়ে। শুধু কোথায় মাল বা কৃষিপণ্য বেচা হবে, ফলন কত, কোন জৈব সার এর ব্যবহার ভাল হবে এই শুনতে শুনতে কান পচে গেলো! এটাকে কৃষি আলোচনা বলা চলেনা! বোঝার চেষ্টা করুন ইকোসিস্টেম আর জলবায়ুর পাঠ বাদ দিয়ে স্রেফ গোবর ঢেলে, ভার্মিকম্পোস্ট দিয়ে চাষাবাদ হয় না। যে কোনও প্রকৃত কৃষক চিরকাল মাল্টিডিসিপ্লিনারি! আগামী ২০৩০ এর মধ্যে ওইভাবে চললে লাখ কৃষককে কৃষি ভুলে যেতে হবে। চাষাবাদ এর মূল উদ্দেশ্য প্রচুর টাকা লাভ করা নয় কারণ কেউ জানেনা কত টাকাকে প্রচুর টাকা বলে বা ঠিক কত টাকা আয় করলে এই বীভৎস পুঁজিবাদী বাজারে সসম্মানে টেকা যায়। ব্যাং বা চড়াইরা যে কাজ করে কই তার জন্য তো তারা আমাদের কাছে টাকা চায় না।

চর্চা ছড়িয়ে দিন। ক্যালেন্ডার বানান। লাভ, লোভ, শিক্ষা স্রেফ টাকা কামাইয়ের অসম্মানিত বাহন, এসব পচে গলে যাওয়া রাস্তাঘাট থেকে আমাদের বেরোতে হবে। ধ্বংসের ঘন্টা খুব জোরে জোরে বাজছে।

পুনশ্চ: যে মুষ্টিমেয় মানুষেরা ইতিমধ্যেই এসব কাজ করেন, ছেলেমেয়েদের জন্য ভাবেন, তাঁদেরকে শ্রদ্ধা ও প্রণাম। আপনাদের যোগ্য উত্তরসূরী তৈরী হোক।

Nilanjan Mishra এর লেখা

পলাশি থেকে কলকাতা : মেয়েদের সংলাপ...এই শিরোনামে 'এভারেস্টার সুব্রত ঘোষ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন' এর উদ্যোগে মেয়েদের একটি সা...
06/03/2026

পলাশি থেকে কলকাতা : মেয়েদের সংলাপ...
এই শিরোনামে 'এভারেস্টার সুব্রত ঘোষ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন' এর উদ্যোগে
মেয়েদের একটি সাইকেল যাত্রা শুরু হয়েছে 3/3/26। শেষ হবে Indian Mountaineering Federation এর কলকাতার অনুষ্ঠানে 8/3/ 2026।এই যাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা হলেন সাইকেল অভিযাত্রী লিপিকা বিশ্বাস, শিপ্রা চক্রবর্তী, সুমিত্রা দেবনাথ ও সায়ন্তনী মহাপাত্র। পথে বিভিন্ন পেশার, বিভিন্ন বয়সের মেয়েদের কাছে তাঁরা পৌঁছে দিচ্ছেন নারীদিবস উপলক্ষে যুদ্ধাঙ্গন থেকে ক্রীড়াঙ্গন সর্বত্র, সর্বদা নারীর ক্ষমতায়ন ও সুস্থায়ী পরিবেশ উন্নয়নের বার্তা। আর সেখানে নেচার ফার্স্টের উপস্থিতি রয়েছে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ নিয়ে। আমরা মনে করি পরিবেশ রক্ষায় মা সহ বাড়ির মেয়েদের রয়েছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সেই বার্তা বহনকারী কাপড়ের ব্যাগ যাত্রাপথের অনুষ্ঠানগুলির সময়ে তুলে দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় সংগঠনগুলির হাতে। আজ আইসতলা সোনালী সংঘের অনুষ্ঠানে নেচার ফার্স্টের উপস্থিতি ছিল সবার সঙ্গে মুখোমুখি হতে। ধন্যবাদ শ্রী Sanjoy Moulik মহাশয়কে, নেচার ফার্স্টকে এই যাত্রাপথের বন্ধু করার জন্য।
সাইকেলযাত্রী ও এই যাত্রায় সংযুক্ত অন্য সমস্ত মানুষকে শুভেচ্ছা। আশা রাখি পরিবেশের পক্ষে, নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে আরো মানুষের ভাবনাকে জাগিয়ে তুলবে এই উদ্যোগ।

আজ বিশ্ব জলাভূমি দিবস(PC : Google)
02/02/2026

আজ বিশ্ব জলাভূমি দিবস
(PC : Google)

আমাদের অজান্তেই ‘নিলাম’ হয়ে গেল দেশের ফুসফুস?১০০ মিটারের এক অলীক ফিতে দিয়েযেভাবে শেষ করা হলো আরাবল্লীকে!আচ্ছা, একটা কথা ...
21/12/2025

আমাদের অজান্তেই ‘নিলাম’ হয়ে গেল দেশের ফুসফুস?

১০০ মিটারের এক অলীক ফিতে দিয়ে

যেভাবে শেষ করা হলো আরাবল্লীকে!

আচ্ছা, একটা কথা বলুন তো।
আপনার বাড়ির ছাদটা যদি কেউ মাঝরাতে,
আপনার অজান্তেই খুলে নিয়ে যায়,
আপনি কি সঙ্গে সঙ্গে টের পাবেন?

সম্ভবত না।
কারণ তখন আপনি গভীর ঘুমে।

কিন্তু যেদিন ঘুম ভাঙবে,
সেদিন মাথার ওপরের রোদ
আপনাকে পুড়িয়ে দেওয়ার দায়
অস্বীকার করার কোনো উপায় থাকবে না।

ঠিক এই ঘটনাটাই ঘটেছে আমাদের সঙ্গে।

খুব নিঃশব্দে।
আদালতের শান্ত, সংযত পরিসরে বসে,
আইনের ভাষায়,
কলমের একটিমাত্র আঁচড়ে
ভারতের প্রাচীনতম পাহারাদারের ভবিষ্যৎ
বদলে গেল।

কোন দামামা বাজেনি।

শুধু একটি সংজ্ঞার
পুনর্ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

আর সেই সংজ্ঞার সঙ্গেই নির্ধারিত হয়ে গেল
দিল্লি, হরিয়ানা ও রাজস্থানের আগামী দিনের বাস্তবতা।

ভাবতে পারেন,
আমি কি বাড়াবাড়ি করছি?
আবেগে ভেসে যাচ্ছি?

একটু সময় দিন।

আরাবল্লীর বিস্তার,
তার ভৌগোলিক ভূমিকা
এবং সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানের
নির্মম হিসাবগুলো জানলে,
আপনার পায়ের তলার মাটি
নিঃশব্দে সরে যাবে।

এই গল্প আজকের নয়।

এর সূচনা আজ থেকে
প্রায় ৬৭০ মিলিয়ন বছর আগে,
যখন হিমালয়ের অস্তিত্বও তৈরি হয়নি,
পৃথিবী ছিল, তার একেবারে প্রারম্ভিক অধ্যায়ে।

ঠিক সেই সময়েই
ভারতের উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে
মাটি ফুঁড়ে উঠে দাঁড়িয়েছিল
এক পাহাড়শ্রেণি,
যাকে আমরা আজ
আরাবল্লী নামে চিনি।

এ কোনো সাধারণ পাহাড় নয়।

গুজরাটের হিম্মতনগর থেকে শুরু করে
রাজস্থান, হরিয়ানা হয়ে
দিল্লির রাইসিনা হিলস পর্যন্ত,
প্রায় ৬৯২ কিলোমিটার দীর্ঘ
এই পর্বতমালা
ভারতের ভূগোলের মেরুদণ্ডস্বরূপ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,
এই আরাবল্লী রাজস্থানকে প্রকৃত অর্থেই
দুই ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে।

একদিকে পশ্চিম রাজস্থান,
যেখানে বিস্তৃত মরুভূমি,
মারওয়ারের কঠোর রুক্ষতা।

অন্যদিকে পূর্ব রাজস্থান,
যেখানে জনবসতি, সবুজ আর উর্বর ভূমি।

এই পাহাড় মাঝখানে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে না থাকলে
পশ্চিমের মরুভূমি বহু আগেই পূর্ব দিক গ্রাস করত।

এই কারণেই আরাবল্লীকে বলা হয়
ভারতের ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’।

থর মরুভূমির ধুলোর ঝড়কে
বুক চিতিয়ে রুখে দেওয়ার
নীরব ক্ষমতা এই পাহাড়েরই।

দিল্লি ও এনসিআরের কোটি কোটি মানুষ
আজ যে বাতাস শ্বাস হিসেবে নিচ্ছেন,
মাটির নিচ থেকে যে জল এখনও উঠে আসছে,

তার পেছনে রয়েছে এই ৬৯২ কিলোমিটার দীর্ঘ
পাহাড়শ্রেণির বনভূমি ও শিলাস্তরের নীরব অবদান।

আরাবল্লী না থাকলে দিল্লি বহু আগেই সাহারা সদৃশ হয়ে উঠত।

সব কিছু প্রকৃতির নিয়মেই চলছিল।
প্রকৃতি নীরবে তার কাজ করে যাচ্ছিল।

কিন্তু সমস্যার শুরু হলো অন্য জায়গায়।

এই পাহাড়ের অন্তরে লুকিয়ে আছে
বিপুল সম্পদ, পাথর, খনিজ
আর ভবিষ্যৎ নগরায়নের সম্ভাবনা।

সেখানেই অর্থনৈতিক স্বার্থের দৃষ্টি নিবদ্ধ হলো।

এবার আসি সাম্প্রতিক ঘটনায়।

গত নভেম্বর মাসে,
২০২৫ সালে,
মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে
একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।

এ কথা শুরুতেই বলা প্রয়োজন,
এই দেশের সংবিধান,
ও সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা অটুট।

কিন্তু কোনো সিদ্ধান্তের
পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব
নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিক দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

এতদিন আরাবল্লীর প্রধান সুরক্ষা ছিল
ফরেস্ট কনজারভেশন অ্যাক্ট।

ধারণাটা ছিল স্পষ্ট, আরাবল্লী মানেই পাহাড়,
মানে বন, মানে সুরক্ষা।

কিন্তু নতুন ব্যাখ্যায় বলা হলো,

আরাবল্লী রেঞ্জের যেসব পাহাড় বা টিলার
উচ্চতা ১০০ মিটারের কম, সেগুলো আর
আইনগতভাবে ‘পাহাড়’ নয়।

একটু ভেবে দেখুন।

প্রকৃতি কি
মানুষের তৈরি ১০০ মিটারের মাপকাঠি মেনে নিজেকে গড়ে তুলেছিল?

৫০ মিটার উঁচু একটি টিলা কি জল ধরে রাখে না?
বালির গতিকে শাসন করে না?

কিন্তু আইনের চোখে যুক্তির জায়গা সীমিত।

১০০ মিটারের এক ইঞ্চি কম হলেই
পাহাড় হয়ে যায় ‘সমতল জমি’।

সরকারি সমীক্ষা বলছে,
আরাবল্লী পর্বতমালার
মাত্র ৯.২ শতাংশ অংশের উচ্চতা ১০০ মিটারের বেশি।

অর্থাৎ, প্রায় ৯১ শতাংশ পাহাড় এই ব্যাখ্যার বাইরে চলে গেল এক ধাক্কায়।

একটি ব্যাখ্যার মাধ্যমেই
আরাবল্লীর ৯১ শতাংশ এলাকাতার আইনি সুরক্ষা হারাল।

পাহাড় না থাকলে বন সংরক্ষণ আইনও কার্যকর থাকে না।

এর অর্থ, এই বিশাল অংশে
খনি, বি*স্ফো*র*ণ ও নির্মাণ
এখন আইনত সম্ভব।

তাহলে, এই জমি কার জন্য উন্মুক্ত হলো?
সেই প্রশ্নটাই সবচেয়ে অস্বস্তিকর।

নিশ্চয়ই সাধারণ মানুষের জন্য নয়।

এখানেই উঠে আসে বৃহৎ কর্পোরেট স্বার্থ,
খনি শিল্প, সিমেন্ট শিল্প ও রিয়েল এস্টেটের প্রসঙ্গ।

রায়ে নাম না থাকলেও,
অর্থনৈতিক প্রবণতা স্পষ্ট।

আরাবল্লীর পাথর, নির্মাণ শিল্পের জন্য অমূল্য।

হাইওয়ে, বিমানবন্দর,
শহরের ভিত, সব কিছুর ভিত
গড়ে ওঠে এই পাথর গুঁড়িয়ে।

তার ধুলো ছড়িয়ে পড়ে বাতাসে, ঢুকে পড়ে মানুষের ফুসফুসে।

সাফারি পার্কের মতো প্রকল্পের আড়ালেবনভূমি হস্তান্তরের প্রশ্নও উঠছে।

রিসোর্ট, হোটেল, নগরায়নের সম্ভাবনা
পাহাড়ের বুকেচাপ সৃষ্টি করছে।

গ্রামের সাধারণ জমি ধীরে ধীরে
ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে রূপ নিচ্ছে।

এর পরিণতি কোনো কল্পকাহিনি নয়।

এটা আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের বাস্তব।

৬৯২ কিলোমিটার দীর্ঘ যে প্রাকৃতিক প্রাচীর
মরুভূমিকে আটকে রেখেছিল,
তা ভেঙে গেলে বালির ঝড় আর থামবে না।

দিল্লির আকাশ নীল থাকবে না।
শ্বাস মানে হবে ধুলো।

পাহাড় কংক্রিটে ঢাকলে জল আর
মাটির নিচে নামবে না।

গুরুগ্রাম, জয়পুর, দিল্লি!
জলের সংকটে শুকিয়ে যাবে।

দামি ফ্ল্যাট থাকবে, কিন্তু
পানীয় জল থাকবে না।

আমরা উন্নয়ন চেয়েছিলাম, ঠিকই।

কিন্তু নিজের ভবিষ্যৎ বিসর্জন দিয়ে উন্নয়ন কার জন্য?

এই লেখা কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়।

এই লেখা প্রকৃতির পক্ষে।

কারণ প্রকৃতি নীরব থাকে,
কিন্তু প্রতিশোধ নিতে ভোলে না।

যেদিন শেষ পাহাড়টি ভেঙে পড়বে,
সেদিন ১০০ মিটারের আইনি কাগজ দিয়ে
বালির ঝড় আটকানো যাবে না।

এই রায় কোনো পাহাড়ের শেষ নয়।

এ আমাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে
এক গভীর প্রশ্নচিহ্ন।

জেগে উঠুন।

সময়
এখনও ফুরোয়নি।

মানুষকে জানান। ছড়িয়ে দিন এই তথ্যটি।

কারণ পাহাড় হারালে,
আগামী প্রজন্ম জানবেও না,
তাদের শ্বাসরোধ করে মা*র*ল কে? 💔




















16/12/2025

🔴 পুজোর ফুল জলাশয়ে ফেলবেন না 🔴
পুজোর ফুল নাকি মাটিতে ফেলতে নেই। ধর্মীয় বিশ্বাস।তাই সবাই জলেই ফেলেন। পুকুর থেকে খাল কোনও জলাশয় বাদ যায় না। কিন্তু এতে তো জলাশয়েরই ক্ষতি হয়। জলজ প্রাণীদের ক্ষতি হয়। তাতে তো ধর্মের পরিবর্তে অধর্মই বাড়ে।

প্রথমত ফুলগুলো পচনের ফলে জলে দ্রবীভূত অক্সিজেন এর মাত্রা কমে যায়।

এতে Bod(biological/biochemical Oxygen Demand) বাড়ে।

আবার জলে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদির পরিমাণও বৃদ্ধি পায় ।

আর,এখন তো এক নতুন ফ্যাশন। নাকি কৌশল!প্লাস্টিকে ফুল ভরে পুকুরে ছুড়ে দেয়। এতে আরও বেশি ক্ষতি। প্রথমত প্লাস্টিকের ক্ষতি, দ্বিতীয়ত প্লাস্টিকের মধ্যে নানারকম পোকামাকড়ও জন্ম হয়।

এখন তো কথায় কথায় আবার ধর্মে আঘাত লাগে। তাই আপনাদের ধর্ম বাঁচিয়ে একটা উপায় বলতে পারি --- পুজোর ফুল জলে ডুবিয়ে বা চুবিয়ে নিয়ে তারপর গাছের গোড়ায় ফেলুন। তাতে আপনার ধর্ম ও রইলো, জীবেও প্রেম হইলো।
(এটি নীলপুকুরের পুজোর ফুলসামগ্রী ফেলার দৃশ্য)
©Amalendu Sarkar










#নীলপুকুর

08/12/2025
নেচার ফার্স্ট মিশন নভেম্বর, 2025আমরা নেচার ফার্স্টের তরফ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও বেলপাহাড়ি অঞ্চলের কয়েকটি গ্রামে কিছ...
08/12/2025

নেচার ফার্স্ট মিশন নভেম্বর, 2025
আমরা নেচার ফার্স্টের তরফ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও বেলপাহাড়ি অঞ্চলের কয়েকটি গ্রামে কিছু সেবামূলক কাজের জন্য গিয়েছিলাম। শুভানুধ্যায়ীদের অপরিসীম সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য এই কাজটি সুষ্ঠুভাবে করে আসা গেছে । যাঁরা অনুদান দিয়েছেন তাঁদের কাছে আমরা আমাদের কাজকর্মের খতিয়ান তুলে ধরতে দায়বদ্ধ।
আমলাশোল, ওদোলচুয়া, বাঁশপাহাড়ি, চিড়াকুটি, রিমড়াডাঙ্গা, আমরোলা, কাটচারা আর ডাঙ্গরডিহা... এই গ্রামগুলির শবর পরিবারদের মধ্যে যে সমস্ত অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী বিতরণ করা হলো পরিবার প্রতি ~
চাল- 6 কেজি
ডাল - 1 কেজি
আলু - 2 কেজি
সয়াবিন - 500 গ্রাম
চিঁড়ে - 2 কেজি
গুড় - 1 কেজি
কম্বল - 1 টা
তাছাড়া অনেক মানুষের থেকে সংগৃহীত পুরনো জামাকাপড়ও দেওয়া হয়েছে।
বারিঘাঁটি গ্রামের বিরসা মিশন স্কুলের জন্য যে একটি চালাঘর তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তার জন্য প্রাথমিকভাবে কিছু টাকা দেওয়া হয়ে গেছে। কাজ শুরু হয়েছে, পুরোটা শেষ হবার পর তার ছবি সবার সাথে ভাগ করে নেওয়া হবে। এই অভিযানের কিছু ছবি ও ভিডিও শেয়ার করলাম। সকলের সুচিন্তিত মতামতের প্রত্যাশা রইলো।

বারিঘাটি (খাঁদারানী ড্যামের পাশে)বেলপাহাড়ী। এখানে আদিবাসী বাচ্চারা পড়াশোনা করে। এখন এটা নষ্ট হয়ে গেছে, ওরা আমাদের রিক...
11/11/2025

বারিঘাটি (খাঁদারানী ড্যামের পাশে)বেলপাহাড়ী। এখানে আদিবাসী বাচ্চারা পড়াশোনা করে। এখন এটা নষ্ট হয়ে গেছে, ওরা আমাদের রিকোয়েস্ট করেছে আরেকবার বানিয়ে দিতে। আমরা ভাবছি এবার টিনের বানিয়ে দেব, তাতে বেশ খানিকটা টাকার দরকার তাই সবার কাছে সামান্য কিছু টাকা চাইছি। 🙏 সবে মিলি করি কাজ...
যোগাযোগ :
ডাঃ মুনমুন কীর্তনীয়া 7001665809
সোমা ভট্টাচাৰ্য +917003020461
ডাঃ শান্তনু মন্ডল +91 98302 94413

অ্যাকাউন্ট ডিটেলস :
Name : Nadia Nature First
Bank: Axis Bank
Ac no : 917010052884485
IFSC : UTIB0001443
Gpay/ Phonpe : 7001665809

08/11/2025
Please be with us..
04/11/2025

Please be with us..

আর যাঁরা ছিলেন সাথে আগের বার ~~Smt Mousumi Ganguly Smt Shriparna Banerjee Sri Subhajit Das Sri Nabarun HaldarSmt Arundha...
30/10/2025

আর যাঁরা ছিলেন সাথে আগের বার ~~
Smt Mousumi Ganguly
Smt Shriparna Banerjee
Sri Subhajit Das Sri Nabarun Haldar
Smt Arundhati Roy Sri Amit Chakraborty
Sri Kaushik Guha. Sri Swadesh Sarkar
Smt Rima Ghosh. Smt Papiya Mondal
Smt Swati Mondal Smt Kuntala Biswas.
Sri Anindra Kundu Smt Sunita Saren
Sri Ashish Bhattacharya
Smt Moitri Chakraborty
Smt Arpita Das. Smt Namrata Nandi
Sri Biswajit Kar Sri Kalpana Sengupta
Smt Dipa Paul Smt Jayati Sinha
Sri Anupam Banerjee Sri Asit kr Basu
Sri Asish Talapatra Smt Arpita de
Farheen Sddique Smt Soma Mitra
Dr.Anjana Ghosh Dastidar
Sri Soumyajit Jana Sri Suman Banerjee
Smt Indrani Dey Smt Suranjana Roy
Sri Sachidananda Dasgupta
Smt Rina Mukherjee. Sri Pranab Pal
Smt Shreya Ghosh Dr Paramita Mukherjee
Friends from Ideal Heights, Rajabazar
Dr Achintya Biswas
Smt Mousumi Ganguly
Smt Shriparna Banerjee
Sri Subhajit Das Sri Nabarun Haldar
Smt Arundhati Roy Sri Amit Chakraborty
Sri Kaushik Guha. Sri Swadesh Sarkar
Smt Rima Ghosh. Smt Papiya Mondal
Smt Swati Mondal Smt Kuntala Biswas.
Sri Anindra Kundu Smt Sunita Saren
Sri Ashish Bhattacharya
Smt Moitri Chakraborty
Smt Arpita Das. Smt Namrata Nandi
Sri Biswajit Kar Sri Kalpana Sengupta
Smt Dipa Paul Smt Jayati Sinha
Sri Anupam Banerjee Sri Asit kr Basu
Sri Asish Talapatra Smt Arpita de
Farheen Sddique Smt Soma Mitra
Dr.Anjana Ghosh Dastidar
Sri Soumyajit Jana Sri Suman Banerjee
Smt Indrani Dey Smt Suranjana Roy
Sri Sachidananda Dasgupta
Smt Rina Mukherjee. Sri Pranab Pal
Smt Shreya Ghosh Dr Paramita Mukherjee
Friends from Ideal Heights, Rajabazar
Dr Aditya Pradhan

Address

Ranaghat
741201

Opening Hours

Monday 9am - 7pm
Tuesday 9am - 7pm
Wednesday 9am - 7pm
Thursday 9am - 7pm
Friday 9am - 7pm
Saturday 9am - 7pm
Sunday 9am - 7pm

Telephone

7001665809

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nature first posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Nature first:

Share