SitaDevi Foundation

SitaDevi Foundation Sitadevi foundation is a family voluntary organization
(Govt. regd IV -1902-00224/2020)

17/04/2024

সুধী
আজ ৪ঠা বৈশাখ,,১৪৩১ ইংরেজি 17 এপ্রিল, 2024 শুভ রাম নবমী তিথি । আজকের এই শুভ তিথিতে বৈকুন্ঠের নারায়ন ত্রেতাযুগে দুষ্ট দমন তথা মুনি, ঋষি ও মানব কল্যাণ হেতু অযোধ্যা ধামে সূর্যবংশীয় সম্রাট দশরথ এবং মাতা কৌশল্যার কোল আলো করে রামচন্দ্র নামে ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
বর্তমানে অযোধ্যা ধামে প্রজা বৎসল, পুরুষোত্তম, ভগবান শ্রীশ্রী রামচন্দ্রের অতীব সুন্দর এক ভব‍্য মন্দির গড়ে উঠেছে । আমাদের সমস্ত ভারতবাসীর কাছে ইহা এক অত্যন্ত গর্ভের এবং আনন্দের বিষয় ।

পরবর্তী কালের সর্বস্তরের নরনারায়ন কে মানবতার জীবনশৈলীর সুউচ্চ শিক্ষাসহ সমস্ত ধরনের শিক্ষা তিনি নিজের আচার-আচরণের মাধ্যমে শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন ।

তিনি শিখিয়েছেন পিতা ,মাতার প্রতি সন্তানের নিঃস্বার্থ কর্তব্য, প্রেম ও ভালোবাসা সম্পর্কে ।

তিনি শিখিয়েছেন, পিতৃ সত্য পালনের জন্য একজন পুত্রের কিভাবে সর্বোচ্চ সুখ ত্যাগ করে এক কঠিন কষ্টের জীবন গ্রহণ করতে হয়।

তিনি শিখিয়েছেন ভাই, বন্ধু তথা পারিবারিক, সামাজিক সম্পর্ক কিভাবে পালন করতে হয় সেই সম্পর্কে ।

তিনি শিখিয়েছেন সত্যনিষ্ঠ কাহাকে বলে ।

তিনি শিখিয়েছেন কর্তব্য কাহাকে বলে ।

তিনি শিখিয়েছেন ত‍্যাগ কাহাকে বলে ।

তিনি শিখিয়েছেন রাজা হয়েও রাজ সিংহাসনে বসেও কিভাবে একজন ত্যাগী সন্ন্যাসীর জীবন যাপন করতে হয় ।

তিনি শিখিয়েছেন রাজা, প্রজার মঙ্গলের জন্য কিভাবে নিজের সুখ, নিজের পরিবার তথা সর্বস্ব বিসর্জন দিতে হয় ।

তিনি শিখিয়েছেন কিভাবে একজন রাজা তার প্রজাদের পুত্র স্নেহে প্রতিপালন করতে হয় । তাদের সুখ দুঃখের প্রতি প্রতিনিয়ত খেয়াল রাখতে হয় ।

তিনি শিখিয়েছেন কিভাবে রাজ ধর্ম পালন করতে হয় ।

সেই জন্যই তাঁহাকে পুরুষোত্তম রাম বলা হয় ।

সেই জন্য তাহাকে প্রজানিরঞ্জন রাম বলা হয় ।

তিনি আমাদের সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে নিজের আচার-আচরণের মাধ্যম দিয়ে সর্বপ্রকার সুউচ্চ শিক্ষা দিয়ে গেছেন ।

আজকে আমাদের ভারতবর্ষ তথা সারা বিশ্বে যে দুর্নীতি, অনাচার, অবিচার, নিপীড়িণ। বিশ্বের সকল শ্রেণীর মানুষ নিপীড়িত, জর্জরিত, অসুরক্ষিত এবং অসহায় । সর্বক্ষেত্রে হিংসা স্বার্থপরতা অসহিষ্ণুতা এবং আত্মকেন্দ্রিকতা গোটা ভারত বর্ষ তথা বিশ্বকে কলুষিত করেছে ।
সংবিধান বর্ণিত মৌলিক অধিকার থেকে আজ সাধারণ মানুষ বঞ্চিত ।
যখন যে দল ক্ষমতায় থাকছে তারা কোন নিয়ম-নীতি, আইন-শৃঙ্খলা, উচ্চ আদালত তথা সংবিধান বর্ণিত নিয়ম-কানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, পদদলিত করে, স্বেচ্ছাচারিতা তথা একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে ।
এর থেকে যদি উদ্ধার পেতে হয়, তবে একমাত্র পথ নররূপী নারায়ণ শ্রীশ্রী রাম চন্দ্রের দেখানো পথে আমাদের হাঁটতে হবে, তাঁর নীতি আমাদের গ্রহণ করতে হবে, এবং রাষ্ট্রকে তার নীতি, রাষ্ট্রনীতি হিসেবে মান্যতা দিয়ে ভারতবর্ষকে রাম রাজ্যে পরিণত করার সংকল্প গ্রহণ করতে হবে ।

বর্তমান সরকার কী এই সদিচ্ছা, এই সংকল্প গ্রহণ করতে পারবেন ?
সমগ্র ভারতবাসীর পক্ষ হইতে সীতাদেবী ফাউন্ডেশন এই প্রশ্ন বর্তমান সরকারের কাছে উপস্থাপিত করছে ।
সুপ্রভাত

সীতাদেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ হইতে জনস্বার্থে প্রচারিত
বীরেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী
ফাউন্ডার /চেয়ারম্যান - সীতাদেবী ফাউন্ডেশন
হেড অফিস - রামপুরহাট,হাটতলা, ভাগবত ভকত রোড, পিন-731224,বীরভূম
শাখা - মুনবিম হাউসিং কমপ্লেক্স, নিউ টাউন
Mob -7679559989
গভরমেণ্ট রেজিস্ট্রেশন-IV-1902-00224/2020
https://www.facebook.com/SitaDevi91





(NGO)


Sitadevi foundation is a family voluntary organization
(Govt. regd IV -1902-00224/2020)

25/03/2024

সুধী
আজ 25 মার্চ 2024 বাংলা১১ই চৈত্র ১৪৩০ সোমবার দোল পূর্ণিমা ( গৌরাঙ্গ পূর্ণিমা ) দোল এবং হোলি উৎসব উপলক্ষে আমার ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধুগণ আমার মুনবিম হাউসিং এর সমস্ত ফ্যামিলি সহ সমগ্র ভারতবাসীকে জানাই সীতাদেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ হইতে দোল উৎসব ও হোলির প্রীতি, শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন ।
আজ দোল পূর্ণিমায় কলিযুগের পূর্ণ অবতার শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি ।
প্রেম, প্রীতি, ভাতৃত্বের ও আনন্দের আমাদের এই দোল এবং হোলি উৎসব বহু প্রাচীন ।পুরান মতে সত্যযুগে দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুর কনিষ্ঠপুত্র প্রহ্লাদ ভগবান বিষ্ণু নিবেদিত প্রাণ ছিলেন । এমন বেয়াদপ ছেলে কে দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুর বিভিন্ন ভাবে হত্যা করার চেষ্টা করেছেন । বিফল হয়ে দৈত্যরাজ নিজের বোন হোলিকার কথায়, অগ্নিকুণ্ড প্রজ্বলিত করে হোলিকা কে ছোট্ট প্রহ্লাদ কে কোলে নিয়ে অগ্নিকুণ্ডে বসার আদেশ দিয়েছিলেন । হোলিকার অগ্নিদেবের কাছে বর প্রাপ্ত ছিল, আগুন তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না । কিন্তু অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করতে গিয়ে হোলিকা পুড়ে ছাই হয়ে যান, অক্ষত থাকেন প্রহ্লাদ ।( পুরাণের এই ঘটনা আমাদের মানব জাতিকে এই শিক্ষাই দেয় যে, ঈশ্বর প্রদত্ত শক্তির অপপ্রয়োগ করলে তার বিনাশ অবশ্যম্ভাবী) এই ঘটনাকে হোলির আগের দিন ন‍্যাড়া পোড়া বা হোলিকা দহন বলা হয় ।
পুরান মত অনুসারে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এক বীরগাথা জড়িয়ে আছে এই উৎসবকে কেন্দ্র করে। কেশি নামক এক অসুরের অত্যাচারে যখন ধরাধামে মানবজাতি অতিষ্ঠ , তখন বসন্ত পূর্ণিমার দিন সেই অসুরকে বধ করেন শ্রীকৃষ্ণ । কথিত অসুরকে বধ করার পর তার রক্ত ছিটিয়ে আনন্দ উপভোগ করেছিলেন সকলে । পুরান মতে এই দুই কাহিনীর যুগলবন্দী রূপ হল হোলি উৎসব ।
আসুন আজ এই দুইদিন আমরা আমাদের দোল ও হোলি উৎসবে রাধা গোবিন্দের স্মরণ এবং কৃত্তন করতে, করতে শান্তিপূর্ণভাবে আমরা এই দুই উৎসব পালন করে, বিশ্বে প্রেম, প্রীতি ভালোবাসা এবং ঐক্যের' নিদর্শন স্থাপন করি ।

সীতাদেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ হইতে জনস্বার্থে প্রচারিত
বীরেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী
ফাউন্ডার /চেয়ারম্যান - সীতাদেবী ফাউন্ডেশন
হেড অফিস - রামপুরহাট,হাটতলা, ভাগবত ভকত রোড, পিন-731224,বীরভূম
শাখা - মুনবিম হাউসিং কমপ্লেক্স, নিউ টাউন
Mob -7679559989
গভরমেণ্ট রেজিস্ট্রেশন-IV-1902-00224/2020
https://www.facebook.com/SitaDevi91

Sitadevi foundation is a family voluntary organization
(Govt. regd IV -1902-00224/2020)

সুধী আজ ২৬ শে জানুয়ারি ভারতবর্ষের 75 তম সাধারণতন্ত্র / গণতন্ত্র/ প্রজাতন্ত্র দিবস ।( রাজ্য এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ...
26/01/2024

সুধী
আজ ২৬ শে জানুয়ারি ভারতবর্ষের 75 তম সাধারণতন্ত্র / গণতন্ত্র/ প্রজাতন্ত্র দিবস ।

( রাজ্য এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী একনায়কতন্ত্র দিবস )
শ্রদ্ধেয় ডাঃ ভিমরাও রামজী আম্বেদকরের নেতৃত্বে ভারতীয় সংবিধান রচিত হয়েছিল এবং 1950 সালের 26 শে জানুয়ারি সেই সংবিধান পথ চলা শুরু
করে । এই সংবিধান আসলে কি, এই সংবিধান হচ্ছে এক কথায় ভারতীয় নাগরিকদের সুষ্ঠুভাবে, আইন সঙ্গত ভাবে পরিচালিত করা, তাদের কিছু মৌলিক অধিকার প্রদান করা, কেন্দ্রীয় সরকার তথা রাজ্য সরকারকে দেশ এবং রাজ্য পরিচালনা করার জন্য আইন বা নিয়মাবলী তৈরি করে দেওয়া, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে আইনের চোখে প্রত্যেককে সমানভাবে দেখা ইত্যাদি, ডাঃ আম্বেদকরের নেতৃত্বে যে সংবিধান রচিত হয়েছিল তাহা অতীব সুন্দর এবং পক্ষপাতহীন ভাবে ভারতীয় প্রতিটি নাগরিকের উপযোগী, কিন্তু কথা হচ্ছে, ভারতীয় সংবিধান একটি বই, তাকে পরিচালনা করবে জনসাধারণ দ্বারা নির্বাচিত কেন্দ্রীয় সরকার তথা রাজ্য সরকার । এবং ভারতীয় বিচার ব‍্যবস্থা ।
তাঁরা যদি সৎ এবং নিরপেক্ষ না হয় তাহলে সংবিধানকে অসহায়ের মত শুধু দেখে যাওয়া ছাড়া আর কিছু করণীয় থাকে
না । বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি ভারতীয় বিচার ব্যবস্থা আপ্রাণ চেষ্টা করছে সংবিধান প্রদত্ত নিয়মগুলি সঠিকভাবে পালন করার জন্য এক্ষেত্রে তারা কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকার গুলিকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করতেও পিছপা হচ্ছেন না ।
যদি সংবিধান প্রদত্ত কোন সুবিধা কোন সাধারণ নাগরিক না পান তাহলে তিনি কোর্টের আবেদন করতে পারেন। কোট বিচার করে সেই নাগরিককে ন্যায় প্রদান করার আদেশ জারি করতে পারেন, কিন্তু কোট বা বিচারক সেই মানুষটির কাছে গিয়ে আদেশটি রুপায়ন করবেন না। করবে সেই রাজ্যের শাসক, প্রশাসন পুলিশ ইত্যাদি । কিন্তু সেই পুলিশ প্রসাশন যদি নিরপেক্ষ এবং সততার সঙ্গে তার কাজ না করে তবে মহামান্য হাইকোর্টকে নিরব দর্শক হয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

( এই বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও ধনী-দরিদ্রের তারতম্যে বিচার ব্যবস্থাকেও নিরব দর্শক হয়ে অসহায়ের মত আমি ন্যায় দিতে অপরাগ বলে কাঁদতে হয় । যেমন- একজন গরিব মানুষ তিনি তার প্রতি অন্যায়ের বিরুদ্ধে, তার প্রতিপক্ষ ধনী ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে গেলেন । 15-20 বছর আইনি যুদ্ধ করে জয়ী হলেন । তার অপরপক্ষ ধনী ব‍্যক্তি জজ কোর্টে আপিল করবেন। গরিব মানুষটির কোনরকম জমি, জমা বিক্রি করে, ধার , দেনা করে জজ কোটে গেলেন । সেখানেও 5-10 বছর পরে সেখানেও জয়লাভ করলেন। এবারে সেই ধনী প্রতিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করলেন । এবারে কিন্তু ওই গরীব মানুষটির হাইকোর্টে যাওয়ার অর্থনৈতিক সামর্থ্য নাই। সে প্রতিপক্ষের হাইকোর্টের আপেল মামলায় অ্যাপিয়ারিই হতে পারলেন না। তাহলে সেই ব‍্যাক্তি শুধুমাত্র অর্থের জন্য ন্যায় থেকে বঞ্চিত হলেন ।
আমাদের ভারতীয় সংবিধান এই বিষয়ে একদম নিঃচুপ । তাহলে দেখা গেল, একজন গরীব মানুষকে ন্যায় প্রদান করার ক্ষেত্রে আমাদের সংবিধানে কোন প্রভিশন নাই ।
তাহলে কি এক্ষেত্রে সংবিধান বর্ণিত প্রতিটি ভারতীয়রা মৌলিক অধিকার রক্ষিত হল ? সংবিধানের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিটি ভারতীয়র জন্য সমান , এ কথাটা কি প্রতিটি ভারতীয়র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলো ?
আমাদের এই গরীব ,নিম্ন মধ‍্যবিত্ত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর দুর্ভাগ্য যে, 74 বছর ধরে এমন কোন শাসক দিল্লিতে ক্ষমতায় এলেন না যে, এই বিষয়টিতে আলোকপাত করে, সহানুভূতির সহিত সংবিধান সংশোধন করে, গরিব অসহায় মানুষরা অর্থ না থাকা সত্ত্বেও যেন উচ্চ কোটে গিয়ে সুবিচার পান এমন কোন আইন প্রণয়ন এখনো করলেন না ।
অথচ শাসক দলই গদিতে বসে গরীব দরদী কথা বলেন, শুধুমাত্র ভোট নেওয়ার জন্য, তারা মায়া কান্না কাঁদেন। তাদের ভাষণে মনে হয় , এই শ্রেণীর লোকেদের জন্য তাদের প্রেম যেন উথলে উঠছে । কিন্তু সবই মেকি মিথ্যা আর অসহায় মানুষদের ঠকানো ছাড়া কিছুই নয়। )

ইদানিং কালে প্রায়ই দেখা যাচ্ছে মহামান্য হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারও কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার অগ্রাহ্য করছেন মানতে গড়িমসী
করছেন ।
মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ( বর্তমানে প্রাক্তন ) এন, ভি, রামণা বলতে বাধ্য হয়েছিলেন যে,
" পুলিশি প্রশাসন রুলিং পার্টির আজ্ঞাবহ হওয়া দেশের পক্ষে বিপদজনক "
তিনি বলেছেন, যখন একটি
রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের পক্ষে থাকেন পুলিশ আধিকারিকগণ । এই অবস্থাটিকে তিনি সাধারণতন্ত্র / গণতন্ত্র তথা প্রজাতন্ত্রের পক্ষে বিপদজনক বলে ব্যক্ত করেছেন ।
(27/08/2021 বর্তমান পত্রিকার প্রকাশিত পেপার কাটিং সঙ্গে দেওয়া হল । )
তাহলে দেখা গেল যদি কেন্দ্রীয় সরকার তথা রাজ্য সরকার এবং তাদের অধীনে থাকা দপ্তর গুলি যদি সৎ এবং নিরপেক্ষ না হয় তাহলে সংবিধান ভারতবাসীর কোন কাজেই আসে না । তাহলে কেন আমরা আজকের এই দিনটি সাধারণতন্ত্র / গণতন্ত্র তথা প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করব ?
আজকের দিনটিকে প্রজাতন্ত্র বলা যায় না। কেননা রাজা এবং প্রজার সম্পর্ক এখানে নেই। কিন্তু নির্বাচিত নেতা মন্ত্রী ও সরকারের প্রধানগণ কি, আগেকার দিনের রাজারা যেমন করে অত্যাচার করতেন প্রজাদের ওপরে ,বর্তমানে আমরা সেই ভাবে রুলিং পার্টির নেতা মন্ত্রী ও প্রশাসনের দ্বারা কি প্রতিনিয়ত অত্যাচারিত হচ্ছি না?
আমরা তো বর্তমানে শাসকদলের নেতা মন্ত্রীদের কাছে পূর্বের প্রজাদের থেকেও ঘৃণ্য । তারা আমাদের ওপরে যা ইচ্ছা তাই অত্যাচার করতে পারেন এবং করছেন । তার সব থেকে বড় প্রমাণ সুপ্রিম কোর্টের (বর্তমানে প্রাক্তন ) প্রধান বিচারপতি এন,ভি,রামনা প্রকাশ্যে সভায় এই কথা ঘোষণা করেছেন । যেখানে গণতন্ত্রের ছিঁটে ফোঁটা নাই, তাহলে শুধু শুধু ঘটা করে জনগণে করের টাকা খরচ করে লোক দেখানো
26 শে জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবস পালন করার অর্থ কি ?
একজন মহিলা রাত বারোটা একটার সময় নির্বিঘ্নে রাস্তায় চলাফেরা করতে পারেন না, কারণ নিরাপত্তার অভাব ।
সাধারণ মানুষ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ঠিকমতো পরিষেবা পান
না । কারণ তাদের শাসন করার কেউ নেই । ( দালালরাজ )
সংবিধানে বর্ণিত ভারতবাসীরা তাদের মৌলিক অধিকার গুলির সুবিধা ঠিক মতো পান না । কারণ যার কাছ থেকে এগুলি পাওয়ার কথা তারা একনায়কতন্ত্র মনোভাব পোষণ করেন ।
আমি ভারতবাসীর কাছে প্রশ্ন রাখছি, তাহলে এই ভারতীয় সংবিধান, মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, গরিব মানুষ, নিরক্ষর মানুষদের কি প্রয়োজন মেটাচ্ছে ?
যেখানে এই ধরনের মানুষ কোথাও গিয়ে সুবিচার /ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। তাহলে কি ডাঃ ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের রচিত এই সংবিধান দেশের মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, গরিব তথা নিরক্ষর মানুষের কাছে মূল্যহীন নয় কি ?
জনসাধারণের কাছে আমি এই প্রশ্ন রাখছি।
সুপ্রভাত
সীতাদেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ হইতে জনস্বার্থে প্রচারিত
বীরেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী
ফাউন্ডার /চেয়ারম্যান - সীতাদেবী ফাউন্ডেশন
হেড অফিস - রামপুরহাট,হাটতলা, ভাগবত ভকত রোড, পিন-731224,বীরভূম
শাখা - মুনবিম হাউসিং কমপ্লেক্স, নিউ টাউন
Mob -7679559989
গভরমেণ্ট রেজিস্ট্রেশন-IV-1902-00224/2020
https://www.facebook.com/SitaDevi91

আজ 23 শে জানুয়ারি দেশপ্রেমী আপাময় ভারতবাসীর নয়নের মণি, ভারত মাতার বীর সুযোগ্য সন্তান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর 128 তম জন...
23/01/2024

আজ 23 শে জানুয়ারি দেশপ্রেমী আপাময় ভারতবাসীর নয়নের মণি, ভারত মাতার বীর সুযোগ্য সন্তান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর 128 তম জন্ম জয়ন্তী । শৃঙ্খলিত ভারতমাতার শৃংখল মোচন করিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন । ইতিহাসে তাহা স্বর্ণাক্ষরে লিখিত হয়েছে । সীতাদেবী ফাউন্ডেশন ভারতমাতার নির্ভীক এই বীর সন্তানকে শত কোটি স্যালুট
জানাই ।
ইংরেজ তথা ব্রিটিশদের শাসন হইতে ভারতমাতা তথা ভারতবর্ষকে মুক্ত করে স্বাধীনতা লাভ করার আন্দোলন দু ভাবে হয়েছিল ।
1- অহিংস আন্দোলন যাহা গান্ধীজীর নেতৃত্বে হয়েছিল ।
2- সহিংস তথা সশস্ত্র আন্দোলন ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের ভারত মাতার বীর বিপ্লবী সন্তান গণের মাধ্যম দিয়ে হয়েছিল ।
এই সশস্ত্র আন্দোলনে বঙ্গদেশের বীর বিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু,বিনয়,বাদল ,দীনেশ ,ক্ষুদিরাম বসু, মাস্টারদা সূর্যসেন, বাঘাযতীন, অরবিন্দ ঘোষ, মাতঙ্গিনী হাজরা সহ আরো প্রচুর বঙ্গবাসী ইংরেজ তথা ব্রিটিশদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন । ইংরেজদের ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্তের পেছনে আজাদ হিন্দ ফৌজের সম্মুখ সমরের যুদ্ধ ও দেশের অভ্যন্তরে সশস্ত্র বিপ্লবীদের আমরণ সংগ্রামের প্রতিজ্ঞা, ইংরেজদের ভারত ছাড়তে বাধ্য করেছিল ।
ইংল্যান্ডের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলি , তার মুখে শুনুন ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পেছনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও তার আজাদ হিন্দ বাহিনীর ভূমিকা কি ছিল এবং মহাত্মা গান্ধীর ভূমিকা কি ছিল । তৎকালীন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী যিনি ভারত ছেড়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং সেই অর্ডারের সই করেছিলেন তিনি ভারত স্বাধীন হওয়ার 9 বছর পর 1956 সালে ভারত সফরে এসেছিলেন এবং পশ্চিমবঙ্গে কলকাতা রাজভবনে দুদিন
ছিলেন । তখন বাংলার ভারপ্রাপ্ত রাজ্যপাল ছিলেন ফণীভূষণ চক্রবর্তী তিনি কৌতূহলবশত মিস্টার ক্লিমেণ্ট অ্যটলী কে প্রশ্ন করেছিলেন যে ,1944 সালে গান্ধীজীর ভারত ছাড়ো আন্দোলন ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল। তাহলে কি এমন বাধ্যবাধক তা ছিল যে আপনাদের এত তাড়াহুড়ো করে ভারত ছাড়া সিদ্ধান্ত নিতে হয় ।
তার উত্তরে মিস্টার অ্যটলী জানিয়েছিলেন যে, ইংরেজদের ভারত ছাড়ার পেছনে গান্ধীজীর ভূমিকা নগণ্য( মামুলী ) এবং প্রধান কারণের উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে,
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস এবং তার আজাদ হিন্দ বাহিনী হেরে গেলেও ভারতীয় সেনাদের মনে ইংরেজদের প্রতি যে রাজভক্তি ছিল তার ভিত সুভাষ বোসের আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রভাবে প্রচন্ডভাবে দুর্বল হয়ে গিয়েছিল । আমরা তো ভারতীয় সেনাদের দিয়েই ভারতবর্ষ শাসন করতাম । তাই আমাদের ভারত ছেড়ে যাওয়া ছাড়া আর অন্য কোন উপায় ছিল না ।
( মিস্টার অ্যাটলি রাজ্যপালের সঙ্গে কথোপকথনে যে কথাটি বলেননি সেটি হচ্ছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রচন্ড আক্রমণের ভয়ে এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্লেন ক্র্যাশ একটা সাজানো ব্যাপার, তিনি আবার আক্রমণ করতে পারেন, শুধুমাত্র এই ভয়েই ইংরেজরা ভারত ছাড়তে বাধ্য হয়।)
এই বিষয়ে মেজর জেনারেল ডাঃ জি,ডি বক্সী লেখা বই -
দ‍্য বোস এণ্ড ইণ্ডিয়ান সমুরাই ।
অবশ্যই পড়ুন ।অতএব সহজেই অনুমেয় ভারতবর্ষের স্বাধীনতা লাভে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং তার আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদান কতখানি । সেইসঙ্গে ভারতের আরো অন্যান্য সশস্ত্র সংগ্রামের অবদান অবশ্যই স্মরণীয় ।
কিন্তু আজ পর্যন্ত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ বাহিনীর বীর যোদ্ধাগণ এবং ভারতবর্ষের এই সশস্ত্র বিপ্লবী গণ ভারত সরকারের কাছ থেকে কি তাদের যোগ্য সম্মান পেয়েছেন ?
আমরা আপামর ভারতবাসী, ভারত মাতার বীর সন্তান দের সুযোগ্য সম্মান দিতে পেরেছি? সশস্ত্র আন্দোলনে ভারত মায়ের অনেক বিবাহিত সন্তান আত্ম বলিদান দিয়েছিলেন । ভারত মায়ের শৃংখল মোচন করতে গিয়ে তাঁরা তাদের সংসারের দিকে কর্তব্য পালন করতে পারেননি । সেইসব বিপ্লবীদের সন্তান-সন্ততিদের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের, রাজ্য সরকারের এবং আপাময় ভারতবাসী কি কোন কর্তব্য নেই?
আমার জানা তাদের মধ্যে দু, এক জন কেন্দ্রীয় সরকারের তাম্র পদকপ্রাপ্ত বিপ্লবীর সন্তানরা অত্যন্ত দুরবস্থার মধ্যে আছেন । জীবনধারণের ন্যূনতম শর্ত, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান আজ তাদের কাছে নেই। অসুস্থ অবস্থায় সুচিকিৎসা, পথ্য কেনার সামর্থ্য আজ তাদের নেই । এটা কেন্দ্রীয় সরকারের তথা রাজ্য সরকারের এবং আপাময় ভারতবাসী এক বিরাট লজ্জার বিষয় নয় কি ? ভারতমাতার যে বীর সন্তানগণ, নিজের সংসার কে তুচ্ছ করে, ভারত মাতার শৃংখল মোচনের জন্য হাঁসতে হাঁসতে ফাঁসির রজ্জু নিজের গলায় পড়েছেন, দিনের পর দিন, বছরের পর বছর, কারাবরণ করেছেন, ইংরেজ তথা ব্রিটিশদের হাতে অত্যাচারিত হয়েছেন, লাঞ্ছিত হয়েছেন, বীর বিক্রমের বুক চিতিয়ে বুকে গুলি খেয়েছেন, সেইসব বিপ্লবীর সন্তানদের রক্ষা করা, সাহায্য করা, তাদেরকে বাঁচার ন্যূনতম পরিষেবা তৈরি করে দেওয়া কি ভারত সরকার তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না?
কেন্দ্রীয় সরকার তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে সীতাদেবী ফাউন্ডেশনের করজোড়ে নিবেদন, আলাদা একটি কমিটি গঠন করে পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের যেখানে যেখানে এই ধরনের বিপ্লবীর সন্তান গণ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছেন,তাদের চিহ্নিত করে তাদেরকে সুস্থ পরিষেবা প্রদান করার আবেদন করছে ।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসের একটি অমূল্য বাণী , যা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের পালন করা অবশ্যই কর্তব্য। বাণীটি হল - ' ' ' ' 'অন্যায় যে করে তার থেকে বড় অপরাধী সে , যে অন্যায় টী সহ্য করে।'

সীতাদেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ হইতে জনস্বার্থে প্রচারিত
বীরেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী
ফাউন্ডার /চেয়ারম্যান - সীতাদেবী ফাউন্ডেশন
হেড অফিস - রামপুরহাট, বীরভূম, ভাগবত ভকত রোড
পিন-731224
শাখা - মুনবিম হাউসিং কমপ্লেক্স, নিউ টাউন
Mob -7679559989
গভরমেণ্ট রেজিস্ট্রেশন-IV-1902-00224/2020
https://www.facebook.com/SitaDevi91

https://youtu.be/5JEt26f0fdc?si=hTNrAeiPzay4gbis

These three adorable pups, rescued by the Sitadevi Foundation, have overcome challenges. Their mother gave birth to 5 pu...
18/01/2024

These three adorable pups, rescued by the Sitadevi Foundation, have overcome challenges. Their mother gave birth to 5 puppies, but sadly, 2 were taken by fox. We saved the remaining three, with one already adopted by Sitadevi. Now, we're seeking a loving and home for this brown female pup. All the puppies are kept with us.

Owning a puppy demands a commitment spanning 13 to 15 years. It's crucial to fully grasp this before taking the baby.

Details:

Breed - Mongrel (Indie Mixed breed)
Age - 50 days
S*x- Female
Color- Mix of brown and black
Deworming- Done
Vaccination - Scheduled for January 21st (We will take Responsliblity)
Food Habits- Enjoys puppy dry food, boiled rice, and chicken with vegetables
Activity- Playful, energetic, and intelligent
Location - Action Area IIC, Newtown. Prefer nearby home and we also can drop the puppy to the nearby place.

Note: All pups had a general checkup at the Sector 3 veterinary hospital, they're healthy. We seek a home with genuine love for Indie breeds, and have previous dog experience.

SitaDevi Foundation

12/01/2024

আজ শুভ 12 ই জানুয়ারি, দেবাদিদেব মহাদেবের আশীর্বাদে ও অংশে বিশ্ব পথপ্রদর্শক মহামানব স্বামী বিবেকানন্দের শুভ 162 তম আবির্ভাব দিবস | 1863 সালের 12 জানুয়ারি উত্তর কোলকাতার 105 নং বিবেকানন্দ রোডের পৈত্রিক বাড়িতে এই মহামানব আবির্ভূত হন ।
বর্তমানে স্বামীজীর এই পৈত্রিক ভিটে "গ্রেট ওয়ান হেরিটেজ বিল্ডিং"
2008 সাল থেকে এ বিল্ডিংয়ে গড়ে উঠেছে তার স্মৃতিবিজারিত একটি সংগ্রহশালা এছাড়া আছে রামকৃষ্ণ মিশন পরিচালিত লাইব্রেরি, ভাষা শিক্ষার স্কুল, নিবেদিতা ভবনে রয়েছে একটি দাতব‍্য চিকিৎসালয় ও অবৈতনিক কোচিং সেন্টার ।
সংগ্ৰহশালা খোলা থাকে সোমবার বাদে প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে বেলা সাড়ে বারোটা পর্যন্ত এবং দুপুর দুটো থেকে বৈকাল পাঁচটা পর্যন্ত । এখানে একটি মিউজিয়ামও আছে ।
স্বামী বিবেকানন্দ শুধু একজন মহামানব বা সন্ন্যাসী ছিলেন না, তিনি ছিলেন সপ্ত ঋষির এক ঋষি | তাঁর কথায় শুনুন তিনি কে ছিলেন |
একদিন এক ভক্ত, গুহাবাসী মুনি ঋষিদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায়, উত্তরে বিবেকানন্দ বলেছিলেন ,গুহাবাসী মুনি-ঋষিরা শুধু নিজের মুক্তির চিন্তা করেন না রে, তারা জগতের মঙ্গল কামনা করেন এবং গুহাবাসী দশটা মুনি ঋষির আধ্যাত্মিক শক্তি একত্রে মিলিত হয়ে একটা বিবেকানন্দের জন্ম হয় | আজকে তার শুভ জন্মদিনে সীতাদেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সেই মহামানব কে শতকোটি প্রণাম জানাই |
সেই সঙ্গে অত্যন্ত দুঃখের সহিত বলতে বাধ্য হচ্ছি,
আমরা কি এই মহামানবের প্রদর্শিত পথে কণামাত্র হাঁটতে পেরেছি ? হাঁটার চেষ্টা করেছি ? না করিনি | কিছুদিন আগে 1 লা জানুয়ারি কল্পতরু উৎসব পালিত হলো | এই ধরনের যে কোন ধর্মীয় উৎসবে, বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে, আশ্রমে, মন্দিরে মানুষের ঢল চোখে পড়ার মতো | কিন্তু সেইসব মানুষের মধ্যে এক পারসেন্ট এমন মানুষ আছেন কি ? যারা এইসব মহামানবের আদর্শ চরিত্র কণামাত্র ফলো করার চেষ্টা করেন ? আমার তো মনে হয় না, যদি হতো তাহলে আমাদের এই ভারতবর্ষ অতীব সুন্দর হতো |
আসুন আমরা আজকে এই মহামানবের একটি বাণী ফলো করার একটু চেষ্টা করি |

"পরোপকারী ধর্ম , পর পীরণ ই পাপ, শক্তি ও সাহসিকতায় ধর্ম, দুর্বলতা ও কাপুরুষতার পাপ,
অপরকে ভালোবাসায় ধর্ম, অপরকে ঘৃণা করায় পাপ, ঈশ্বর এবং নিজ আত্মাকে বিশ্বাসী ধর্ম, সন্দেহ পাপ ,অভেদ দর্শন ধর্ম, ভেদ দর্শনই পাপ " |

আমরা যদি স্বামীজীর এই বাণীটি কিছুটা মাত্র ফলো করার চেষ্টা করি ,তবে ভারত বর্ষ ও তাঁর প্রতিটি নাগরিক স্বর্গীয় সুখ অনুভব করবে | ফুলের মালা পড়িয়ে ,আরতি করে, বা অন্য কোন ও উপায়ে, এই মহামানব কে প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো যাবে না, যদি না আমার তার আদর্শ ফলো করি।

আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজি স্বামী বিবেকানন্দ কে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ভক্তি করেন সেই বিশ্বাস রেখে সীতাদেবী ফাউন্ডেশন এর পক্ষ হইতে এইসব মহাপুরুষ অবতার পুরুষ দেশপ্রেমী যথা শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব ,শ্রী শ্রী মা সারদা, শ্রী শ্রী স্বামী বিবেকানন্দ, সহ এই ধরনের মহাপুরুষগণ এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ভগৎ সিং, মঙ্গল পান্ডে, বিনয়, বাদল, দীনেশ, সহ আরো অন্যান্য ভারত মাতার বীর সন্তানগণকে তার জন্ম বা মৃত্যুদিনে প্রত্যেক ভারতবাসী শ্রদ্ধা জানানোর নামে তাদেরকে অপমান করার অধিকার যেন না থাকে । শ্রদ্ধা জানানোর অধিকার শুধুমাত্র তাদেরই থাকা উচিত যারা উনাদের আদর্শ একশো ভাগের এক ভাগ অন্তত ফলো করেন । কোন কোন ভারতীয় সে নেতা, মন্ত্রী হন বা সাধারণ নাগরিক, এইসব মহাপুরুষ দেশপ্রেমিক দের শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন তার একটি মানদণ্ড তৈরি করা । কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ হইতে তাদেরকে একটি অনুমতি পত্র প্রদান করা হোক। অনুমতি প্রদানের পূর্বে কেন্দ্রীয় সরকার যেন সেই ব্যক্তির চরিত্র, তার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য বিষয়গুলি তদন্ত করে দেখার পরই যদি তাকে যোগ্য মনে করা হয় তবেই যেন তাকে এই অনুমতিপত্র প্রদান করা হয় । এই ধরনের একটি আইন প্রণয়ন করার জন্য। সীতাদেবী ফাউন্ডেশন লক্ষ্য করেছে, মদ মাতাল, চরিত্রহীন, দেশদ্রোহী, মাতৃভূমিকে শোষণকারী, ব্যক্তিগণ মুখোশ পরে থাকেন এবং তারাই এইসব মহাপুরুষদের কে ঢাকঢোল পিটিয়ে শুধুমাত্র ভোট কেনার জন্য লোকদেখানো শ্রদ্ধা ভক্তি জানান। অনেক এই ধরনের সাধারন মানুষজনও শ্রদ্ধাভক্তি জানান, অথচ এনাদের আদর্শের এক বিন্দু তারা ফলো করেন না । সীতাদেবী ফাউন্ডেশন মনে করে, এই ধরনের মানুষের কোন অধিকার নাই এইসব অবতার পুরুষ, মহাপুরুষ, তথা দেশপ্রেমিকদের মানুষদেরকে শ্রদ্ধা ভক্তি জানানোর । তাই যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচন করে শুধুমাত্র তারাই যেন প্রকাশ্যে শ্রদ্ধা ভক্তি জানানোর অধিকার থাকে এই দাবি জানাচ্ছে ।

বীরেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী
ফাউন্ডার/ চেয়ারম্যান
সীতাদেবী ফাউন্ডেশন
রামপুরহাট বীরভূম
শাখা - মুনবিম হাউসিং কমপ্লেক্স
একশন এরিয়া ||C নিউটাউন
কোলকাতা - 700161
Mob - 7679559989
গভরমেণ্ট রেজিস্ট্রেশন-IV-1902-00224/2020
https://www.facebook.com/SitaDevi91

Sitadevi foundation is a family voluntary organization
(Govt. regd IV -1902-00224/2020)

24/12/2023

A must watch video of Swami Vivekananda 🙏

In today's world we have contacts but where is the connection ?



27/11/23 বর্তমান পত্রিকার প্রতিবেদনে প্রকাশিত "বাইক চালকের মৃত্যুতে 'জড়িত' পথকুকুর পৌঁছে গেল বাড়িতে।'হাঙ্গেরি রাজধানী ...
03/12/2023

27/11/23 বর্তমান পত্রিকার প্রতিবেদনে প্রকাশিত

"বাইক চালকের মৃত্যুতে 'জড়িত' পথকুকুর পৌঁছে গেল বাড়িতে।'

হাঙ্গেরি রাজধানী বুদাপেস্টের একাডেমি অফ সায়েন্সেসের বিজ্ঞানীদের দাবি যে ,

'মানুষের মস্তিষ্ক যেভাবে প্রতিক্রিয়া করে, সারমেয় দের মস্তিষ্কও প্রায় একই রকম প্রতিক্রিয়া করে । বিশেষত আবেগ - অনুভূতির বহিঃপ্রকাশে মানুষের আর সারমেয় দের মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া প্রায় একই রকম হয় । '

বিজ্ঞানীদের এই দাবি যে কথাটা কতটা সত্য তার প্রমাণ মিলল কর্নাটকের একটি ঘটনায় । (ঘটনাটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলো পেপার কাটিং সঙ্গে আছে আপনারা বিশদে পড়ে নেবেন।)
গত 16 নভেম্বর কর্নাটকের
শিবমোগায় রাস্তায় একটি পথকুকুর কে বাঁচাতে গিয়ে বাইকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মৃত্যু হয় বছর একুশের যুবক টিপ্পেশের । তারপরে যা ঘটল, তা হয়তো সিনেমার চিত্রনাট্যকে হার মানাবে। এবং তথাকথিত মানব সভ্যতার মাথায় হেট হয়ে গেল ,কারণ আমরা মানব জাতির প্রায় অধিকাংশই দুর্নীতিগ্রস্থ ,স্বার্থপর, অমানবিক ব্যবহার দ্বারা মানব সভ্যতাকে কলুষিত করি । এই ধরনের মানুষের ব্যবহারকে আমরা এক কথায় পশুর মত ব্যবহার বলে থাকি ।

( কিন্তু এই পশু সারমেয়টির মায়া মমতা এবং কর্তব্যপরানয়তা দেখে আর মানুষকে পশুও বলা যাবে না বরং এই ধরনের মানব জাতিকে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম জীবের সঙ্গে তুলনা করতে হবে । এই সারমেয় টি তথাকথিত বর্তমান মানব সভ্যতার গালে সপাটে চপেটাঘাত করেছে । )

যদি কোন ব্যক্তি এই প্রতিবেদনটি পড়ে পশুবৃত্তি থেকে মনুষ্যবৃত্তি তথা মানবতার দিকে যদি হাঁটতে পারেন তাহলে আমার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত করা সার্থক হবে ।

দুর্ঘটানোর স্থল থেকে যে গাড়িতে টিপ্পেসের দেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছিল, প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ সারমিয়টি সেই গাড়ির পিছু নেয় । শেষকৃত্যের সময়ও বাড়ির আশেপাশে ঘুরছিল সেই সারমেটি এবং বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে । কিন্তু পাড়ার পথ কুকুর গুলি তাড়া করে তাকে ওখান থেকে তাড়িয়ে দেয়।
টিপ্পেশের মা যশোদা আম্মার কথায় পরে কোনভাবে বাড়িতে ঢুকে সোজা আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ে ও । আমাদের মনে হয়েছে টিপ্পেশের মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতেই এমন আচরণ করেছে সারমেয় টি , এখন ও আমাদের সঙ্গেই থাকে । আমরা জানি বিভিন্ন ধরনের বিদেশি সারমেয়দের কঠিনতম ট্রেনিং দেওয়ার পর সেনাবাহিনী, ডিফেন্স গোয়েন্দা বিভাগে তারা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সহিত তারা কাজ করে ।
কিন্তু একটি কথপুকুর যেভাবে মানবিকতার, মায়া- মমতার নজীর গড়েছে তাহা বিরল ।
সীতা দেবী ফাউন্ডেশন সেই
সারমেয় টিকে স্যালুট জানাই । এবং পরম পিতা ঈশ্বরের নিকট তার সুস্বাস্থ্য কামনা করে ।
সীতা দেবী ফাউন্ডেশন এর পক্ষ হইতে জনস্বার্থে প্রচারিত ।
বীরেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী
ফাউন্ডার /চেয়ারম্যান
সীতাদেবী ফাউন্ডেশন
রামপুরহাট ,বীরভূম
হাটতলা পাড়া
ভাগবত ভকত রোড ।
শাখা- মনবিম হাউসিং কমপ্লেক্স একশন এরিয়া - 2C
নিউ টাউন কোলকাতা-700161
Mob-7679559989
গভর্নমেন্ট রেজিস্ট্রেশন নং
IV- 1902- 00224/2020






(NGO)


Looking for an urgent loving home for these beautiful healthy babies. Five babies have already died due to a road accide...
18/11/2023

Looking for an urgent loving home for these beautiful healthy babies. Five babies have already died due to a road accident.

Kindly help finding a loving home for them.

Age - 1.5 to 2 months
Food habit - Boiled Chicken rice and dog food
Location - AN block, Saltlake, Near the midland park.
Nature - Very playful and active.






Feedings of these kids started since lockdown, still continuing .. May Ma Durga bless all the fur babies with at least o...
22/10/2023

Feedings of these kids started since lockdown, still continuing ..

May Ma Durga bless all the fur babies with at least one time food and with a good health.






A heartfelt thanks to Moonidepa Banerjee an amazing lady who adopted this stray puppy! Your kindness and compassion have...
12/07/2023

A heartfelt thanks to Moonidepa Banerjee an amazing lady who adopted this stray puppy! Your kindness and compassion have given this precious soul a second chance at a loving home. Your selflessness is truly inspiring, and I'm grateful for your act of rescue. The world needs more people like you. Wishing you and your new furry family member a lifetime of happiness together. 🐶💕




Address

Rampurhat
731224

Telephone

+917003142413

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SitaDevi Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to SitaDevi Foundation:

Share