05/09/2025
কুল্লু বিদাতিন দলালা ওয়া কুল্লু বিদাতিন নার,
(বুখারি,মুসলিম)
রাসূলুল্লাহ(সাঃ) বলেছেনঃ
"তোমরা দ্বীনের মধ্যে নতুন সৃষ্টি করা হতে বিরত থাক। নিঃশ্চয় প্রত্যেক নতুন সৃষ্টিই বিদআত ও প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী।"
***হাদিস সংগ্রহে ইমাম আহমাদ, ইমাম আবু দাঊদ, ইমাম তিরমিযী, মিশকাতঃ ১৬৫।
"বিদআতীর উপর আল্লাহ এবং ফেরেশতা ও সকল মানুষের লা‘নত বর্ষিত হয় এবং বিদআতীর কোন আমলই কবুল হয় না।"
***হাদিস সংগ্রহে ইমাম বুখারীঃ ৩১৮০।
"প্রত্যেক গোমরাহীর পরিণাম জাহান্নাম।"
***হাদিস সংগ্রহে ইমাম নাসাঈঃ ১৫৭৮।
"বিদআতিরা হাউযে কাওছারের পানি পান করা হতে বঞ্চিত হবে।"
***হাদিস সংগ্রহে ইমাম মুসলিমঃ ৪২৪৩।
"বিদআতীরা সাবধান হয়ে যাও"
“দূর হয়ে যাও, দূর হয়ে যাও"
বিদআতীদের ভয়াবহতা/অসহায়তা সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনুল কারীমে বলেছেনঃ
"কিয়ামতের দিন কিছু লোক এমন হবে যারা আমল করে ক্লান্ত হয়ে গেছে; কিন্তু জলন্ত আগুনে তাদেরকে নিক্ষেপ করা হবে।"
***সূরাহ আল-গাশিয়াহঃ আয়াতঃ ৩-৪।
কিয়ামতের দিন যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম "হাউযে কাওসারে" আসবেন যাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উম্মত মনে করবেন। কিন্তু ফেরেশ্তাগণ বলবেন, এরা হলো সে সকল ব্যক্তি যারা আপনার দুনিয়া থেকে বিদায়ের পরে বিদআত শুরু করে দিয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন বলবেন, “সুহকান, সুহকান” - “দূর হয়ে যাও, দূর হয়ে যাও, সে সকল লোক যারা আমার পরে দ্বীনকে পরিবর্তন করেছ।”
***হাদিস সংগ্রহে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম।
রাসূলুল্লাহ(সাঃ) বলেছেনঃ
"তোমরা দ্বীনের মধ্যে নতুন সৃষ্টি করা হতে বিরত থাক। নিঃশ্চয় প্রত্যেক নতুন সৃষ্টিই বিদআত ও প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী।" (আহমাদ, আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাতঃ ১৬৫)
----------------------
প্রত্যেক গোমরাহীর পরিণাম জাহান্নাম।" (নাসাঈঃ ১৫৭৮)
বিদআতিরা - মুনাফিক, কাফের ও মুশরিকদের চেয়েও ভয়ংকর। এরা আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে সর্বদাই নতুন বিষয় সৃষ্টি করে!
বিদআত সৃষ্টি - শয়তানের এক সফল মিশন"
বিদআত সৃষ্টিকারীরা শয়তানের দূত হিসাবে কাজ করে আসছে। তারা অযথা তর্ক করে যাতে আমরা মুশরিক হয়ে যাই (আসতাগফিরুল্লাহ)।
আল্লাহ বলেছেনঃ
"নিশ্চয় শয়তানরা তাদের বন্ধুদেরকে প্রত্যাদেশ করে-যেন তারা তোমাদের সাথে তর্ক করে। যদি তোমরা তাদের আনুগত্য কর, তোমরাও মুশরেক হয়ে যাবে।"
***সুরা আল-আনআমঃ আয়াত-১২১।
নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহ্র কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদআত এবং প্রত্যেক বিদআত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম। সুত্রঃ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৫৩৫ ও সুনান আন-নাসায়ী, হাদীস নং ১৫৬০, হাদীসের শব্দ চয়ন নাসায়ী থেকে।
“যে কেউই আমাদের এই দ্বীনে নতুন কিছু উদ্ভাবন করবে যা এর কোন অংশ নয়, তবে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।” (বুখারী ও মুসলিম)
অনুসরন করতে হবে দুইটি। যথাঃ
১) আল্লাহর কুরআন এবং
২) মুহাম্মদ(সাঃ)-এর সুন্নাহ।
আল্লাহ বলেছেনঃ
"আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম। অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে।"
***সুরাহ আন-নাহলঃ আয়াত-৪৩।
"তোমরা অনুসরণ কর, যা তোমাদের প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য সাথীদের অনুসরণ করো না।"
***সুরাহ আল-আ'রাফঃ আয়াত-৩।
"তারা আরও বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল।"
***সুরাহ আল-আহযাবঃ আয়াত-৬৭।
রাসূল মুহাম্মদ(সাঃ) বলেছেনঃ
"আমি তোমাদের জন্য দুইটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যত দিন তোমরা তা আকড়ে থাকবে গোমরাহ হবে না। আর তা হলঃ আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাহ।"
***হাদিস সংগ্রহে সিলসিলাতূল আহাদিস আস-সাহিয়াঃ ৪:৩৬।