MURF

MURF Mikao Usui Reiki Foundation

Now we will discuss different Chakras located in our body. We may start with  Sahasrar Chakra or Crown Chakra. This Chak...
11/05/2026

Now we will discuss different Chakras located in our body. We may start with Sahasrar Chakra or Crown Chakra. This Chakra is at the top of the head, representing the seat of pure consciousness, enlightenment and spiritual connection to the devine.
The Crown Chakra is symbolised as a thousand petalled lotus which signifies limitless awareness. It is also considered as a source of all Chakras. It acts as a pinnacle of the yoga system, where the Kundalini ( energy ) unites with the divine bringing a sense of oneness and purpose of our life. In Reiki also, in attaining the highest condition of Crown Chakra, the man can feel the spiritual experience of divine appearance and self realisation.
Its colour is deep violet and based on the theory of limitless sky (asim akash ). The petals are decorated with all syllables and sounds of Ah ( অ ) to Khiya ( ক্ষ ). The place of Crown Chakra is occupied by the supreme power Paramatma.
When the Crown Chakra of a person is found to be blocked or imbalanced, he/ she will be having doubts of spiritual reality and a sense of disconnection from self and divine is seen. On the other hand, the balanced Crown Chakra people foster to be well connected with the universe and are always in the state of blissful thoughtless awareness.
Deep meditation focusing on the crown of the head, maintaining mental peace and silence, using the affirmative state of mind that self connection with Supreme Authority - the Paramatma, are the primary methods for opening the CROWN CHAKRA.
( written by Sri Prasanta Kumar Basu )

সহস্রার চক্র (Sahasrara Chakra) মানবদেহের সপ্তম ও সর্বোচ্চ চক্র। এটি মস্তকের একেবারে শীর্ষে, ব্রহ্মরন্ধ্র অঞ্চলে অবস্থিত...
11/05/2026

সহস্রার চক্র (Sahasrara Chakra) মানবদেহের সপ্তম ও সর্বোচ্চ চক্র। এটি মস্তকের একেবারে শীর্ষে, ব্রহ্মরন্ধ্র অঞ্চলে অবস্থিত। যোগশাস্ত্রে একে “সহস্রদল পদ্ম”, “ব্রহ্মরন্ধ্র”, “দিব্য চেতনার দ্বার” বা “অসীম জ্যোতির কেন্দ্র” বলা হয়। “সহস্রার” শব্দের অর্থ হাজার, আর “সহস্রদল পদ্ম” বলতে বোঝায় হাজার পাপড়িযুক্ত এক দিব্য পদ্ম, যা পূর্ণ জাগ্রত চেতনার প্রতীক। এই পদ্মের অসংখ্য পাপড়ি অসীম জ্ঞান, শক্তি ও চেতনার বিস্তৃতিকে নির্দেশ করে।
সহস্রার চক্রকে সূর্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়, কারণ এর জ্যোতি ও শক্তির কাছে অন্য সকল চক্রের দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। যেমন সূর্যের আলো উদিত হলে অন্ধকার দূরীভূত হয়, তেমনই সহস্রার চক্র জাগ্রত হলে জীবনের অজ্ঞানতা, মায়া ও সীমাবদ্ধতা দূর হয় এবং আত্মা পরম সত্যের উপলব্ধি লাভ করে। এটি এমন এক চেতনার স্তর, যেখানে ব্যক্তি নিজেকে কেবল শরীর বা মন হিসেবে অনুভব না করে সমগ্র বিশ্বচেতনার অংশ হিসেবে উপলব্ধি করে।
যোগশাস্ত্র অনুসারে, সহস্রার চক্রে একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও শক্তিশালী শক্তি বিদ্যমান, যাকে “মেধা শক্তি” বলা হয়। এই শক্তি স্মৃতি, বুদ্ধিমত্তা, একাগ্রতা, অন্তর্দৃষ্টি ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধিকে প্রভাবিত করে। নিয়মিত ধ্যান, প্রণায়াম, জপ এবং যোগসাধনার মাধ্যমে এই শক্তি ধীরে ধীরে জাগ্রত হয়। যখন মেধা শক্তি পরিপূর্ণভাবে সক্রিয় হয়, তখন মানুষের মন অত্যন্ত স্থির, স্বচ্ছ ও জ্ঞানময় হয়ে ওঠে। সে সাধারণ বুদ্ধির সীমা অতিক্রম করে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভ করতে সক্ষম হয়।
এটি বিশুদ্ধ সাদা বা দিব্য জ্যোতির প্রতীক, যার মধ্যে সমস্ত রঙ নিহিত থাকে। অনেক যোগগ্রন্থে একে উজ্জ্বল বেগুনী আভাময় বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি সমস্ত গুণ ও সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে অবস্থান করে। এখানে পাঁচটি মৌলিক তত্ত্ব—ক্ষিতি (পৃথিবী), অপ (জল), তেজ (অগ্নি), মরুৎ (বায়ু) ও ব্যোম (আকাশ)—সমস্তই বিলীন হয়ে আদি তত্ত্বে রূপ নেয়। এই আদি তত্ত্বই পরম আধ্যাত্মিক সত্য বা ব্রহ্মতত্ত্ব।
যোগশাস্ত্রে বলা হয়, মানবদেহের অসংখ্য নাড়ি ও প্রাণশক্তি শেষ পর্যন্ত এসে সহস্রার চক্রে মিলিত হয়, যেমন সহস্র নদীর জল সাগরে এসে মেশে। এখানেই পরমাত্মা শিবের আসন। শিব এখানে বিশুদ্ধ, নিরাকার ও সর্বব্যাপী চেতনার প্রতীক। শক্তি বা কুণ্ডলিনী যখন মূলাধার চক্র থেকে জাগ্রত হয়ে একে একে সব চক্র অতিক্রম করে সহস্রারে পৌঁছায়, তখন শিব ও শক্তির মিলন ঘটে। এই মিলনই যোগের চূড়ান্ত অবস্থা—আত্মা ও পরমাত্মার একত্ব।
সহস্রার চক্রের জাগরণকে আধ্যাত্মিক জীবনের সর্বোচ্চ উপলব্ধি বলা হয়। এই অবস্থায় যোগী নির্বিকল্প সমাধি লাভ করেন, যা সমাধির সর্বোচ্চ স্তর। এখানে মন সম্পূর্ণ স্থির হয়ে যায় এবং জ্ঞান, জ্ঞাতা ও জ্ঞেয়—এই তিনের ভেদ বিলীন হয়। ব্যক্তি তখন অসীম শান্তি, আনন্দ ও পরিপূর্ণতার অভিজ্ঞতা লাভ করে। এই অবস্থায় কর্মের বন্ধন ছিন্ন হয় এবং যোগী মোক্ষ বা মুক্তি লাভ করেন, অর্থাৎ জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে পরম সত্যে প্রতিষ্ঠিত হন।
সহস্রদল পদ্মের প্রতিটি পাপড়ি এক একটি সূক্ষ্ম চেতনা ও শক্তির প্রতীক। যখন এই পদ্ম সম্পূর্ণরূপে প্রস্ফুটিত হয়, তখন মানুষের মধ্যে দিব্য গুণাবলির প্রকাশ ঘটে—যেমন সীমাহীন প্রেম, করুণা, জ্ঞান, সত্য উপলব্ধি এবং সর্বভূতের প্রতি সমদৃষ্টি। তখন ব্যক্তি আর নিজেকে পৃথক সত্তা হিসেবে অনুভব করেন না; তিনি উপলব্ধি করেন যে সমগ্র সৃষ্টি এক পরম চেতনার প্রকাশ।
সহস্রার চক্রের মন্ত্র হলো “ওম”। এই মূল ধ্বনি সমগ্র সৃষ্টির আদিস্পন্দন হিসেবে বিবেচিত। এই মন্ত্রের ধ্বনি মানুষের চেতনাকে স্থূল জগত থেকে সূক্ষ্ম ও পরম আধ্যাত্মিক স্তরের দিকে নিয়ে যায়।
তবে যোগশাস্ত্র স্পষ্টভাবে বলে যে সহস্রার চক্রের জাগরণ কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান দ্বারা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন শুদ্ধ জীবনযাপন, ইন্দ্রিয়নিগ্রহ, ভক্তি, নিয়মিত সাধনা, ধ্যান এবং একজন সিদ্ধ গুরুর সঠিক নির্দেশনা। কারণ এই চক্রের শক্তি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও গভীর; সঠিক প্রস্তুতি ছাড়া এর অভিজ্ঞতা লাভ করা কঠিন।
অতএব, সহস্রার চক্র কেবল একটি আধ্যাত্মিক ধারণা নয়; এটি মানুষের চেতনার সর্বোচ্চ বিকাশের প্রতীক। এটি সেই অবস্থা, যেখানে মানুষ সীমাবদ্ধ অহংকার, অজ্ঞানতা ও মায়ার বন্ধন অতিক্রম করে পরম জ্ঞান, পরম শান্তি ও দিব্য আনন্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।

*সহস্রার চক্র ও রেইকির সম্পর্ক*

রেইকিতে সহস্রার চক্রকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়, কারণ এটিই মহাজাগতিক শক্তি গ্রহণের প্রধান প্রবেশদ্বার। রেইকি অনুশীলনের সময় সাধক বিশ্বাস করেন যে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নিরাময়শক্তি সহস্রার চক্র দিয়ে প্রবেশ করে সমগ্র শরীর ও চেতনায় প্রবাহিত হয়।সহস্রার চক্রকে রেইকিতে “Universal Energy Gateway” বলা হয়। ধ্যান বা রেইকি হিলিং-এর সময় এই চক্র সক্রিয় হলে ব্যক্তি গভীর শান্তি, প্রশান্তি ও দিব্য সংযোগ অনুভব করতে পারেন।

*ভগবত গীতার আলোকে সহস্রার চক্র*

যত্রোপরমতে চিত্তং নিরুদ্ধং যোগসেবয়া।

যত্র চৈবাত্মনাত্মানং পশ্যন্নাত্মনি তুষ্যতি ॥

ভগবত গীতার এই শ্লোকে শ্রীভগবান বলছেন, যোগসাধনার মাধ্যমে যখন মন সম্পূর্ণ শান্ত ও নিয়ন্ত্রিত হয়, তখন সাধক অন্তরের আত্মাকে উপলব্ধি করেন। সহস্রারের নিরিখে এটি সেই অবস্থা, যখন কুণ্ডলিনী শক্তি সহস্রার চক্রে পৌঁছে যায়। তখন মন পার্থিব কামনা, অহং ও অস্থিরতা থেকে মুক্ত হয়। সাধক গভীর ধ্যানের মধ্যে নিজের ভিতরেই ঈশ্বরীয় চেতনাকে অনুভব করেন। “আত্মনাত্মানং পশ্যন্” বলতে আত্মার মাধ্যমে পরমাত্মার উপলব্ধিকে বোঝায়। এই অবস্থায় বাহ্যিক সুখের প্রয়োজন থাকে না, কারণ আত্মাতেই পরমানন্দ অনুভূত হয়। সহস্রার চক্র জাগরণ তাই গীতার এই শ্লোকে বর্ণিত সর্বোচ্চ যোগাবস্থার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

09/03/2026

আজ ডাঃ মিকাওমি উসুই এর তিরোভাব দিবস উনার চরনে প্রনাম জানিয়ে আমার রেইকি গুরুদের প্রনাম জানিয়ে আজ রেইকির মুল ভাবনা এবং শুভ্রজ্যোতিতে কাউকে রেইকি পাঠালে কি ভাবে চিন্তা করতে হয় সেই নিয়ে লিখছি

(১) ' আমি একজন চিকিৎসক ' এই ধারনা আমাদের ত্যাগ করতে হবে। আমরা রেইকি চ্যানেল অর্থাৎ সেই মহাশক্তির কাছে পূর্নমাত্রায় সর্মপিত।

(২) রেইকি হল সর্বব্যাপী মহাশক্তি ' আমি রেইকি করছি বা রেইকি পাঠাচ্ছি ' এই ধারনা যেন না থাকে কারন এটি সর্বত্র রয়েছে আমরা রেইকি চ্যানেলরা শুধু শক্তি প্রবাহের মাধ্যম হিসেবে কাজ করি মাত্র । রেইকি নেওয়ার জিনিষ।

(৩) যে রেইকি প্রার্থনা করবে তাকে রেইকি দেওয়া যাবে অর্থাৎ যে মনে করবে এর আবশ্যিকতা আছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে রেইকির শক্তি প্রার্থনা জানায়। সেটিকে intention reiki বলা হয়।

(৪) এই চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে রোগী বা গ্রহীতা যেন রেইকি চ্যানেলের কাছে কখনো ঋনী না মনে করে । সেই জন্য আমাদের energy exchange করতে হয়। এটি যেন অর্থকেন্দ্রিক শুধু না হয় সে ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে , আমরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেও energy exchange করে থাকি।

(৫) এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে দাতা বা গ্রহীতা কেউ পরিনামের দিকে মাথা ঘামাবেনা। রেইকি পদ্ধতির উপর নির্ভরশীল হয়ে যখন শক্তি প্রবাহের দ্বারা চিকিৎসা হচ্ছে তখন সকলের জন্য যেটা ভালো সেটি হবে রেইকি মানে তো মায়ের ভালোবাসা। মা সন্তানের জন্য যেটা ভালো সেটি করবেন।

(৬) একজন রেইকি প্রার্থনার ক্ষেত্রে কখনো সংশয় নিয়ে প্রার্থনা করবে না ( হবে হচ্ছে যদি কিন্তু নতুবা ) এর কোন স্হান নেই। গীতাতে ভগবান বলছেন ' সংশাত্মা বিনশ্যন্তি'। আমরা চিন্তা করি ' হয়ে গেছে ' আমরা Universe এর কাছে কিছু demand করিনা সবসময় command করি।

(৭) যখন আমাদের আত্মীয় পরিজন বা নিজেকে রেইকি করবো তখন চিন্তা করবো যে যাকে রেইকি করছি সে তৃতীয় ব্যাক্তি। ধরা যাক আমার মাকে আমি রেইকি করছি তখন চিন্তা করবো উনার নাম মনে করে উনি কোনো তৃতীয় ব্যাক্তি। কোনো সম্পর্ক আত্মীয়তা চিন্তা করে রেইকি করা মানে সেক্ষেত্রে একটা attachment চলে আসে । Attachment মানে শক্তি প্রবাহে বাঁধা।

±++++++++++++++++++++

দ্বিতীয় যে বিষয় অনেকের প্রশ্ন থাকে অপর কাউকে রেইকি পাঠানো বা চলতি কথায় আমরা যেটাকে বলি white light cover করে প্রোগ্রামিং করে পজেটিভ চিন্তা করা, সেটি কি ভাবে করা হয় আমি আমার রেইকি গুরুর থেকে বা বয়োজ্যেষ্ঠ যারা আছেন এবং আমি নিজে রেইকি করে যে টুকু শিখেছি সেটাই শেয়ার করছি।

রেইকি দিয়ে আমরা শারীরিক মানসিক আর্থিক সামাজিক আধ্যাত্মিক যে কোনো বিষয়কে Heal করি। একটা উদাহরন দিয়ে বলা যাক ধরা যাক আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষ আমার প্রতি কোনো কারনে বিরূপ সেক্ষেত্রে যিনি আছেন তাকে আমরা কি ভাবে রেইকি করবো।
প্রথমে আমাদের রেইকির পদ্ধতি সেটা অনুশীলন করে নিতে হবে।
তার পর ডান হাতটি রাখতে হবে বিশুদ্ধ চক্রে ও বাম হাতটি রাখতে হবে সাধিষ্ঠান চক্রে আবার অনেকে দুটো হাত সাধিষ্ঠান চক্রে রেখেও করতে পারেন যার যেটা সুবিধা। এর পর চিন্তা করতে হবে আমি সম্পূর্ন রূপে শুভ্রজ্যোতির মধ্যে আছি এবং সেই শুভ্র জ্যোতিটি আসতে আসতে আমার থেকে যে ব্যাক্তি কে রেইকি পাঠাচ্ছি তাকে সম্পূর্ন রূপে cover করে নিয়েছে এটি এরপর কিছুক্ষন চিন্তা করতে হবে এবং মনে মনে visualize করতে হবে তার সাথে সম্পর্ক দারুন ভালো হয়ে গেছে যে দারুন ভালো ভাবে কথা বলছে সব সময় খুব প্রশংসা করছে এরকম চিন্তা করতে হবে এই ভাবে যতক্ষন সম্ভব তাকে এবং ও ঘটনা গুলো যেগুলো কে positively visualize করছি ওগুলোকে শুভ্রজ্যোতির মধ্যে রেখে দিতে হবে যতক্ষন চিন্তা করা যায়। অর্থাৎ আমরা মনে মনে একদা পর্দা বা টিভিতে এই ঘটনা গুলো দেখছি। এবং শুধু রেইকি করার সময় নয় যখন ওই বসের কথা মনে পড়বে তখন চিন্তা করবো তার সাথে সম্পর্ক সব ঠিক হয়ে গেছে সব ভালো হয়ে গেছে। আমাদের intentionally এটাই ভাবতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় আমরা শুধু রেইকি করার সময় শুধু পজেটিভ ভাবছি বাকি সময় তার প্রতি একটা বিদ্বেষ থাকছে আমার মনে এটি হলে তখন সেই রেইকি শক্তি কাজ করবেনা। শয়নে স্বপনে সব সময় আমাদের intention রাখতে হবে তার সম্পর্কে যে তার সম্পর্কে সে ভালো হয়ে গেছে সম্পর্ক ভালো আছে। কারন আমরা কারোর ব্যাপারে যেটা চিন্তা করি mother universe সেই frequency তার কাছে পৌঁছে দেয় তাই সব সময় আমাদের পজেটিভ থাকতে হবে যে কোনো বিষয়ে।
Thank you reiki
Thank you Dr Mikao usui
Thank you all Reiki Grand masters
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

06/10/2025

04th october আরতি জ্যোতি রেইকি পরিবারের সকলকে নিয়ে একটা অনুষ্ঠান করলেন।রেইকি কি সেই সম্বন্ধে আলোচনা হলো এবং কিছু প্রশ্ন উত্তর হলো।রেইকির পঞ্চনিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলো।প্রতিটি পয়েন্টে রেইকি করা হলো।
🌹🙏🌹

Address

Konnagar
712235

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MURF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to MURF:

Shortcuts

Share