02/02/2026
গত ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি যখন সবাই শীতের কামড়ে জড়োসড়ো, পুরো বঙ্গদেশ যখন যবুথবু ঠিক তখনই বাগধারা র কর্মসূচি...কম্বল বিতরণ। চলে গেছিলাম দক্ষিনেশ্বরের কাছে একজন শুভানুধ্যায়ী তনয়া দির কথা মতো। দেখলাম ওখানের মানুষের সংখ্যা অনেক যাদের সত্যিই দরকার অন্ততঃ একটা কম্বলের, ওনাদের কথা শুনে চোখ ভিজলেও মন শান্ত হয়না তাই কম্বল তুলে দেওয়ার পাশাপাশি আমরা আবার আসবো অঙ্গীকার করে এলাম ওনাদের কাছে।
গরীব হলেও যে লোভ নেই তার প্রমাণ এক দিদা যার বয়স আনুমানিক ৭০, কম্বল টা যখন ওনাকে দিতে গেলাম উনি বললেন "আমার কাছে আছে, আমার লাগবে না, পাশের ওই দাদা কে দিন", আমরা অভিভূত ওনার কথায়। ওনারা সবাই কিন্তু ফুটপাতে থাকেন, মাথার উপরে ছাদ নেই কিন্তু আছে মনে আছে একরাশ আশার আলো যে উপরওয়ালা নিশ্চয়ই একদিন ওনাদের সাথে ভালো করবেন।
তাই ভাবি এই যে বড়ো গলা করে বলি আমরা নাকি পৃথিবীর চতুর্থ বড়ো ইকোনমি...দুনিয়ার ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং ইকোনমি....আদৌ এই কথাগুলো কি সত্যি? ভারতবর্ষের কতো মানুষ যে রাতে ফুটপাতে শুয়ে থাকে তার খবর কি আদৌ ওই ঠান্ডা ঘরে বসা হিসেব রক্ষক জানে?
পেজের কিছু সমস্যার জন্য পোস্ট টা করতে একটু দেরী গেল আমাদের, আমরা এই কাজটা সম্পূর্ণ করেছি অনেকদিন আগেই, ডিসেম্বর এর মাঝামাঝি।