Abheda Foundation

Call Directions Website Contact the organization

Abheda Foundation Abheda Foundation is a registered trust working for the underprivileged in the field of education.

Life skilling for the deserving section of the students is our main objective. Its activities are the following:

a) Offering Swami Vivekananda Scholarship to financially challenged yet meritorious students and stand by them until they stand in life

b) Developing and promoting FREE digital contents on the Android and web - Abheda English, English CourseTutor, Supplementary Math Videos

c) Running digitally equipped institutes for underprivileged students under the brand-name of Abheda eSchool for developing life skills like computer operations, verbal communications in English, learning of curriculum subjects in a different way, Nursing, Yoga, Music etc.

বরুণ বিশ্বাস - জীবনী---------------------|| এগারো ||রাজনীতির রঙ থাকবে না মঞ্চে, এমত সিদ্ধান্ত হলেও রাজনৈতিক নেতারা কিন্ত...
26/09/2026

বরুণ বিশ্বাস - জীবনী
---------------------

|| এগারো ||

রাজনীতির রঙ থাকবে না মঞ্চে, এমত সিদ্ধান্ত হলেও রাজনৈতিক নেতারা কিন্তু মঞ্চের সংস্রবে এলেন। বামপন্থীরা আসেননি, কিন্তু দক্ষিণপন্থীরা এসেছিলেন। এইখানেই হল বিপদ। নেতাদের খুঁটি বাঁধা থাকে মস্তান তোলাবাজদের কাছে। তাই নেতারা যেই দেখলেন, সুশান্তর দলের অনেক চাঁই-ই তাদের দলের সমর্থক, তারা বাগড়া দিলেন। এমনকি - বরুণের লেখা থেকে দেখছি – গাইঘাটার তৎকালীন বিধায়ক শ্রীজ্যোতিপ্রিয় মল্লিক প্রতিবাদী মঞ্চের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রচার শুরু করেন। বরুণ ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখছেন, অনেক আশা ছিল উনি আমাদের পক্ষ নেবেন, কিন্তু হতাশ করলেন তিনি। এ বাবদ খোলা চিঠি আছে তাঁর। বিলিও করা হয়েছিল তা জনসাধারণে। যাই হোক, মঞ্চের নেতারা যখন দেখলেন, রাজনীতির ছোঁয়ায় মানুষ দমে যাচ্ছে, প্রকৃত উদ্দেশ্য বিধেয় হয়ে যাচ্ছে, তাঁরা বড় কমিটি ভেঙে দিয়ে কর্মসূচী অনুযায়ী ছোটো ছোটো কটা কমিটি গড়লেন। এটা খুবই বুদ্ধির কাজ হয়েছিল, কারণ বেশী লোককে না জড়িয়ে বিশ্বস্ত মানুষকে নির্দিষ্ট কাজের দায়িত্ব দেওয়ায় সাফল্যের পথ সুগম হয়। ঘটনা ঘটছিল খুব তাড়াতাড়ি, আর বরুণ দুহাতে কাজ করছিলেন। এক্ষেত্রে তাঁর যা অবদান, সে বাবদ তাঁর মুক্তোর মতো হাতের লেখায় আমরা বেশ কিছু সনদ পাচ্ছি – চিঠি, লিফ্লেট, আমন্ত্রণপত্র, খেয়ালী রচনা, কাজের পরিকল্পনা, দানের অঙ্গীকার। এসব থেকে এটা প্রতীয়মান যে যুবকটি জনসংযোগ তৈরী করা, জনসভা করা, লিফ্লেট পোস্টার লেখা, কাজ ভাগ করা ও খতিয়ান নেওয়া, সব কাজেই পটু হয়ে উঠেছিল। আবার, গভীর রাতে বাইক নিয়ে রোঁদে বেরোতেন সাহসী মানুষটি। মুক্তিকামী মানুষ এভাবেই পেয়েছিল তাদের নেতাকে। এসব কাজে তাঁকে সঙ্গত করছিল নয়া যুবকের দল, যারা বন্যার সময় বরুণের দলে নাম লিখিয়েছিল। এটি শিক্ষার সঙ্গে অশিক্ষার লড়াই বললেও অত্যুক্তি হয় না। আর, যা বোঝা যাচ্ছে, কর্মযোগীটি আন্দোলনের পরিসরে চিন্তানায়ক হয়ে উঠেছিলেন। সনদগুলি তো কাজের সাক্ষী মাত্র, ননীবাবু জানাচ্ছেন, ভালো ভালো চিন্তার জোগান দিতেন বরুণ।

প্রশ্ন উঠল, সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের সঙ্গে লড়তে গেলে কি অস্ত্রের জোগান চাই ? স্থানীয় গৃহযুদ্ধ কি অপরিহার্যই ? যে কাণ্ড নন্দীগ্রামে পরে দেখা গিয়েছিল – বলা যায়, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যা ছিল অনিবার্য – সুটিয়ায় কিন্তু তা দেখলাম না আমরা। সুটিয়ায় অস্ত্রের পথে হাঁটল না মানুষ। গণের শক্তি যদি হয় সংখ্যায় প্রতিফলিত, স্বতস্ফূর্ত জনপ্লাবন দেখে অসমসাহসী খুনেদেরও পা ঠকঠক করতে শুরু করে। তাই ২০০২এর ১৬ই আগস্ট ১৮টা (মতান্তরে ২০টা) ট্রাকে করে যখন কয়েক হাজার মানুষ থানায় ডেপুটেশন দিতে যায়, তখন বদমাশদের সাইকিতে একটা ঝাঁকুনি লাগে। এর আগে অবশ্য সুশান্তর বাড়ি ভাঙচুর হয়। সে যাক, বনগাঁর এসডিও এসডিপিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়ে দলটি থানায় গিয়ে দেখে, ওসি থানা থেকে পলাতক। তখন অধীনস্থ মেজোবাবু ধরি-মাছ-না-ছুঁই-পানি এক প্রস্তাব দেন, ‘একটা কাগজে অভিযোগ লিখে সবাই সই করে দিন নীচে’। বরুণ তক্ষুনি রুখে ওঠেন, ‘আমরা একটা কাগজে সই করব না, প্রত্যেকের কেস আলাদা আলাদা করে স্বীকার করতে হবে’। তা-ই হয়, উপরন্তু পরদিন বিডিও ডিএম পান জনতার অশান্তির আঁচ। এবার ২৩টা গাড়ি করে গ্রামের মানুষ নিজেদের শক্তি দেখায়। বলা বাহুল্য, শক্তি প্রদর্শন এক প্রয়োজনীয় রণকৌশল। তবে এতশত অট্টনিনাদের পরও সংবাদপত্র নীরব, দূরদর্শন নির্বাক।

#বরুণ_বিশ্বাস
#বাংলার_গর্ব
#সমাজসেবক
#প্রেরণা

স্বামী বিবেকানন্দ বৃত্তি উদ্যোগ------------------------------অভেদ ফাউন্ডেশন সুনাগরিক গড়ে। আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।...
22/09/2026

স্বামী বিবেকানন্দ বৃত্তি উদ্যোগ
------------------------------

অভেদ ফাউন্ডেশন সুনাগরিক গড়ে। আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। আমাদের আবেদন - শিক্ষিত হও, দক্ষ হও, সুন্দর হও। কেমন ক'রে? আনন্দের সঙ্গে শেখো - ইংরিজি, কম্পিউটার, এ আই, রোবোটিক্স, বাচিক শিল্প, গানবাজনা।

বেঁধে বেঁধে থাকো, সহজানন্দে দীক্ষিত হও। বন্ধুর হাত ধরো, মূল্যবোধ আপনিই শিখে যাবে। আমরা পাশে আছি, জীবন-জীবিকার পথের সন্ধান দেবো।

এলো ২০২৭, ৭০ জন বৃত্তিপ্রাপ্তের তালিকায় এবার ৩০টি নতুন নাম জুড়বে। আপনিও যুক্ত হতে পারেন এই উদ্যোগে। ৩০জনের মধ্যে একজনের দায়িত্ব নিয়ে নিন। মাটির প্রতিমা গড়া দেখতে সবারই ভালো লাগে, মানুষ প্রতিমা আপনিই গড়ে তুলুন। আপনার অভিজ্ঞতা আছে তো নিজের সন্তানকে বিকশিত করার।

প্রথমে ৮০০০ টাকার একটি ফোন। তারপর মাসে মাসে ৭০০। আপনার ছাত্র/ছাত্রী ১১-১২ ক্লাসে পৌঁছলে ২০০০ মাসে মাসে। স্নাতক স্তরে যদি বেসরকারি কলেজে ঢোকে ছাত্র/ছাত্রী, তবে অবশ্য খানিক খরচ আছে। যদি সরকারি কলেজে পড়ে তো নামমাত্র খরচ।

এগিয়ে আসুন, পরিবারের বাইরে একটি পরিবার আপনার প্রাপ্য।





স্বামীজির এই 'শেখা' কিন্তু শুধু যে বইপড়াই হতে হবে, তা নয়। সমাজ বা প্রকৃতি সম্বন্ধে ছোটো ছোটো পর্যবেক্ষণ বা নিজের কোনো এক...
21/09/2026

স্বামীজির এই 'শেখা' কিন্তু শুধু যে বইপড়াই হতে হবে, তা নয়। সমাজ বা প্রকৃতি সম্বন্ধে ছোটো ছোটো পর্যবেক্ষণ বা নিজের কোনো একটা গুণের উন্নতিও 'শেখা'-র অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।








বরুণ বিশ্বাস - জীবনী---------------------|| দশ ||ক্যানভাস বড় হয় তখনই।এই সূত্রে বরুণের মা গীতা দেবীর কথা না বললে রচনায় খা...
19/09/2026

বরুণ বিশ্বাস - জীবনী
---------------------

|| দশ ||

ক্যানভাস বড় হয় তখনই।
এই সূত্রে বরুণের মা গীতা দেবীর কথা না বললে রচনায় খামতি থেকে যাবে। আগেই বলা হয়েছে, তিনিই বরণের শক্তির উৎস। ছিলেন অন্নপূর্ণা অজাতশত্রু। একেবারে প্রকৃত মা। শুধু বরুণের নয়, সবার মা। বন্যায় তিনি নিজেদের ভাগের চাল-আলু পাশের বাড়িতে দিতেন গোপনে, অনুযোগ উঠলে বলতেন, ‘আমরা তো তাও একবেলা খাচ্ছি, এটুকু না দিলে ওরা যে একবেলাও খেতে পাবে না’। অরুণ জানাচ্ছেন, ‘বাবা রাতে রামায়ণ গানের আসর থেকে চার-পাঁচজনকে ধরে আনতেন প্রায়ই, মাকে বলতেন, এদের জন্যে রান্না করো। মা কক্ষনো বিরক্ত হতেন না, রেঁধেবেড়ে খাওয়াতেন। পরের দিকে তো বুঝে গিয়ে আগে থাকতেই বাড়তি রান্না করে রাখতেন। ভিখারি দুপুরবেলায় যদি বলত, দুটি খেতে দিন, তবে তাকে রেঁধে খাওয়াতেন মা।’ এই হল ‘অতিথি নারায়ণ’-এর ভারতবর্ষ। গরীবী বাধা হয় না যেখানে আপ্যায়ণে, সেই হৃদি বৃন্দাবনের ভারতবর্ষ। শরীর অসুস্থ, তবু মন যেখানে দরাজ, সেই ভারতবর্ষ। এবার, নিকট আত্মীয় তাঁর সম্বন্ধে কু গাইলে গীতা বলতেন, ‘না রে, ওর মনটা আসলে ভালো, হয়ত বলে ফেলেছে একবার’। অরুণ বলেন, ‘এ ঘটনা একবার ঘটেনি, বারবার ঘটেছে’। আর বরুণও রত্নগর্ভা মাকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন। অরুণের জবানিতে, একবার প্রাণঘাতী রোগে যখন মা মরণাপন্ন প্রায়, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না, বরুণ এক পাগল বোবাঠাকুরের পায়ে ধরে কাঁদতে থাকেন – যতক্ষণ না মা সারছেন, পা ছাড়ব না। ঘন্টার পর ঘন্টা কেঁদে চলেন তিনি। তো, যে কোনো কারণেই হোক, মা বেঁচে ওঠেন শেষ পর্যন্ত। তা, এমন মায়ের জন্যে এমন ছেলে কাঁদবে না ? আরেকটি মা দেখান তো, যিনি বলতে পারেন, ‘আমি তো মা। ছেলের জন্যে যদি আমি আছাড়িপিছাড়ি দিয়ে কাঁদি, তাহলে অন্য মা ভয় পাবে। কেউ আর তার ছেলেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে বরুণ হতে বলবে না। আর একটা বরুণ যে তৈরী হবে না, বাবা।‘

বন্যার কথায় ফিরে আসি। সুশান্ত বন্যাত্রাণের জিনিসপত্র কেড়ে নিয়েছিল স্বেচ্ছাসেবীদের কাছ থেকে। রবিনহুড সাজতে মালপত্র খানিক খানিক আবার বানভাসিদের মধ্যে বিতরণও করেছিল– যেন ‘দাস্যসুখে হাস্যমুখে’। কিন্তু এই বন্যাই তার কাল হয়। কেন ? বলছি। জল সরতে সরকার স্থির করে, সুটিয়ার বন্যা আবার ঘটার সম্ভাবনা বর্তমান, ফলত একটা ফ্লাড সেন্টার করা যাক সুটিয়া হাইস্কুল মাঠে। উত্তম প্রস্তাব। কাজ যেই শুরু হয় ২০০২-এ, সুশান্ত কন্ট্রাকটরের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা দাবী করে বসে - তোলা দাও, নইলে কাজ বন্ধ। তো কন্ট্রাকটর ছিল তেঁয়েটে প্রকৃতির, ছাড়বার পাত্র নয়। সে একে বাইরের লোক, তায় সরকারী দায়িত্বপ্রাপ্ত। অতএব, এই প্রথম হল সুশান্তর নামে উচ্চ প্রশাসনে নালিশ। সরকার নড়চড়ে বসল, থানাকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিল। চাপের নাম বাপ হতে পারে, কিন্তু ওসি ছিলেন ধুরন্ধর। তিনি বেশ হালকা কেস দিয়ে সুশান্ত আর তার দুই সঙ্গীকে জেলে ভরলেন। উদ্দেশ্য পরিষ্কার – চাদ্দিক ঠাণ্ডা হলে কদিন পর সে ছাড়া পাবেই পাবে, তারপর অবস্থা হবে তথৈবচ, যথাপূর্বং। সে দিনটা ছিল ২৭শে জুলাই, ২০০২ সাল। এই সুযোগ – যে সৎ অভিপ্রায়ের মানুষগুলি এতদিন তলায় তলায় ফুঁসছিল, তারা দেখলেন, এই সুযোগ। ক’মাস যাবৎ শ্রীজিতেন বালাকে সামনে রেখে কজন মানুষ সংগঠনের কথা ভাবছিলেন, কিন্তু প্রতিপক্ষ ছিল দুর্ধর্ষ, লড়াই হত অসম, তাই মুখ খুলতে পারেননি কেউ। টুকটাক বৈঠক বসত জিতেনবাবুর বাড়িতে, তবে নিভৃতে। এবার সুশান্ত জেলে ঢুকতে ১লা আগস্ট খোলা জায়গায় সভা করা হল। বক্তা শ্রীননীগোপাল পোদ্দার। কিন্তু হাজিরা পড়েছে মাত্র মুষ্টিমেয়র। প্রতিবাদ অনুচ্চ। আর ননীবাবুর ভাষাও ছিল না তত জোরালো। পরিস্থিতি যখন এমনই নীরস, বরুণ মাইক টেনে নিয়ে দৃপ্তকন্ঠে বললেন, ‘আমরা যদি আমাদের মা, বোন, স্ত্রী ও মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে না পারি, তবে আমরা সভ্য সমাজে বাস করার যোগ্য নই। আমাদের যদি ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস না থাকে, তাহলে আমাদের তাদের থেকেও বেশী শাস্তি পাওয়া উচিত। তাই আসুন, আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে আমাদের মহিলাদের সম্মান রক্ষা করুন।‘ পাঠক, মনে রাখবেন, সুশান্ত ধরা পড়লেও তার দবদবা কিছুই কমেনি তখন – তার দলবল ছিল সক্রিয়, পরাক্রমী। আর, সবাই জানতই, দলের মাথাও জেল থেকে বেরোবে শিগগিরই। অতএব, এক অকুতোভয়ের কলজেটার স্পন্দন অনুভব করতে পারি আমরা। হ্যাঁ, সেই স্পন্দনের সঞ্চরণ হল মানুষের মধ্যে। জাগল মানুষ, হল শুভশক্তির উৎসরণ। পরদিন সৃষ্টি হল ‘প্রতিবাদী মঞ্চ’। সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দার, সম্পাদক বরুণ বিশ্বাস। জিতেন বালা, হিতলাল বাইন, নীলরতন মজুমদার ইত্যাদি মানুষও যুক্ত হলেন মঞ্চে। বড় কমিটি হল, কর্মসূচী ঠিক হল, মানুষের মনে তৈরী হল আশা – এবার হবে সামাজিক ন্যায়।

#বরুণ_বিশ্বাস
#বাংলার_গর্ব
#সমাজসেবক
#প্রেরণা

স্বামী বিবেকানন্দ বৃত্তি, ২০২৭-----------------------------আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমরা আগামী শিক্ষাবর্ষে নতুন ছাত্রছাত্...
18/09/2026

স্বামী বিবেকানন্দ বৃত্তি, ২০২৭
-----------------------------

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমরা আগামী শিক্ষাবর্ষে নতুন ছাত্রছাত্রী গ্রহণ করছি।

এ বাবদ ক্যানিং সাবডিভিশনের বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রী মনোনয়ন করার জন্যে আবেদনপত্র পাঠানো শুরু হয়েছে। লক্ষ্য - এবারে অন্তত ৪০টি বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ আমরা নিশ্চিত করবো। ফলত, অন্তত ৪০০ জন ছাত্রছাত্রী বৃত্তি পরীক্ষা দেবে, আশা করা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র হবে বাঙলা, ইংরিজি, অঙ্ক ও বিজ্ঞানের ওপর। প্রশ্নপত্র এমন হয়, যাতে ছাত্র/ছাত্রীর মৌলিক জ্ঞান যাচাই হয়। উদাহরণ, xএর সঙ্গে কত যোগ করলে ১ হয়? সর্বনিম্ন যোগ্যতা নম্বর ইচ্ছে করেই ৪০এর আশেপাশে রাখা হয়, যাতে সত্যিকারের গরিব ছাত্রছাত্রী গ্রহণ করা যায় এই বৃত্তি উদ্যোগে। এরপর, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীদের অর্থনৈতিক অবস্থা পরখের জন্যে বাড়ি বাড়ি যাওয়া হয় ও ফলস্বরূপ সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। তারপর এদের সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে একটি ফোন, একটি স্মারক, একটি টুপি ও একটি শংসাপত্র দেওয়া হয় ছাত্রছাত্রীদের। এবার অন্তত ৩০ জনকে বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা আছে আমাদের, এতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা দাঁড়াবে ১০০+। আমাদের পুরোনো ছাত্রছাত্রীদের (এখন সদস্য) সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে বলেই এত বড় কাজ সম্ভব হচ্ছে।

স্থির হয়েছে, পরীক্ষা হবে ১৯শে ডিসেম্বর, শনিবার। আগের বারের মতোই পরীক্ষাকেন্দ্র দুটো - ক্যানিং দ্বারিকানাথ বালিকা বিদ্যালয় ও মসজিদবাটী পার্বতী উ. মা. বিদ্যালয়। দুটি বিদ্যালয়ের প্রধানের কাছ থেকেই সম্মতি মিলেছে।

আমরা চাইছি, আপনিও এ কাজে যুক্ত হোন। কীভাবে? অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি ছাত্র/ছাত্রীর ভার নিন অথবা পরীক্ষার দিন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিতে পারেন বা আত্মীয় বন্ধুদের পৃষ্ঠপোষক হতে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। এগিয়ে আসুন, আমরা আপনাকে ভরসা করি।


16/09/2026

সায়ন্তিকা গ্রামের মেয়ে। অভেদের ছাত্রী - নবম শ্রেণী। আমাদেরই আয়োজনে রবীন্দ্রসঙ্গীত শেখে অনলাইনে। শিক্ষিকা অভিজ্ঞ শিল্পী শ্রীমতী কেকা মুখোপাধ্যায়।

আমরা গিয়েছিলাম বন্যার বাড়ি ক্যানিঙে। সেখানে এসেছিল সায়ন্তিকা। হঠাৎ-আমন্ত্রণে তাৎক্ষণিক গান গাইল সে বিনা প্রস্তুতিতে। সুরে পাকা মেয়েটির গলায় শুনুন এই অল্পশ্রুত রবীন্দ্রসঙ্গীতটি। কোনো অনুষঙ্গ ছাড়াই... খালি গলায়। এত ভালো জোয়ারি যে মনে হচ্ছে যেন সঙ্গতের যন্ত্র বাজছে কোনো...



#গ্রামের_প্রতিভা

শিক্ষার আদর্শ যে হতে পারে মনকে বশীভূত করা, এই ভাব খুবই উচ্চ ভাব...এমনটা আমাদের ঠিক শেখানো হয় না।
14/09/2026

শিক্ষার আদর্শ যে হতে পারে মনকে বশীভূত করা, এই ভাব খুবই উচ্চ ভাব...

এমনটা আমাদের ঠিক শেখানো হয় না।








বরুণ বিশ্বাস - জীবনী---------------------|| নয় ||(আজ বরুণের জন্মদিন উপলক্ষে অভেদের ছাত্রছাত্রীদের আজই আঁকা বরুণের ছবি দে...
12/09/2026

বরুণ বিশ্বাস - জীবনী
---------------------

|| নয় ||

(আজ বরুণের জন্মদিন উপলক্ষে অভেদের ছাত্রছাত্রীদের আজই আঁকা বরুণের ছবি দেওয়া হল)

পাঠকের মনে হতে পারে, সুটিয়া শিমুলপুর পাঁচপোতা কি দূরতর দ্বীপ, দেশের আইন কি সেখানে বর্তাতো না ? নেতারা কি ভোট চাইতেন না ? সে সময় সাধারণ মানুষের আর্তনাদ শোনার স্বাভাবিক মেকানিজমে কি উচ্চতর প্রশাসন অন্যতর মিডিয়ার তরফে ক্ষান্তি দেওয়া হয়েছিল ? তিনটি প্রশ্নই বাস্তবোচিত, যুক্তিসঙ্গত। থানার ওসি সুশান্তকে ভয় করতেন, মানিয়ে চলতেন শুধু নয় সহায়তাও করতেন, গ্রামবাসী সেটা ভালোই জানত বলে এফ আই আর করার স্পর্ধা তাদের ছিল না। বিশ্বাস করা যায় কি, যখন আমরা শুনি, সুশান্তর দলের অগুন্তি ছেলে একদিন পুলিশ ফাঁড়ি আক্রমণ করে – প্রত্যেকের হাতে বন্দুক – দাবী করে, এক নির্দিষ্ট পুলিশের লোককে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে ? ঘটনাটা সত্যিই ঘটেছিল এবং থানার সেই পুলিশকে সুশান্তর পায়ে সমর্পণও করেন ওসি। যা বিহার উত্তরপ্রদেশে সচরাচর শোনা যায়, তা আমাদের বাঙলায়ও ঘটেছিল। শাসক দলের নেতাদের কাছে দরবার করে লাভ হত না, তারাও সুশান্তকে প্রশ্রয় দিত, পুষত; সে ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে গিয়েছিল আর স্বভাবতই ভোট করানোয় তার সাহায্য দরকারী ছিল। তার ওপর সংলগ্ন এলাকায় অভাব ছিল বামফ্রন্টের শক্তিশালী নেতার। সে কারণে তারা গাইঘাটা বিধানসভায় হেরেও যায় ২০০১ সালে। জিতে যিনি বিধায়ক হন, তার সঙ্গে গ্রামবাসী ক্রমে দূরত্ব রাখতে শুরু করে। তাদের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় বরুণ তার বিরুদ্ধে তো জেহাদই ঘোষণা করেন শেষে। আর বামফ্রন্টে তখন বারো ভুঁইঞা, বাঙলার বারোটি এলাকা ভাগ করে তাদের রাজত্ব শাসন করতে দেওয়া হয়েছিল। ততদিনে মহাকরণে পরিবর্তন হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর, কিন্তু তিনি কি এত সর্বজনগ্রাহ্য যে অকূল দরিয়ার সুটিয়ার কান্না ওনার কানে তুলে দেবেন স্থানীয় নেতৃত্ব ? উত্তর হল – না। এবার, মিডিয়া বলতে তখন গুটিকয় সংবাদপত্র ও দূরদর্শন (কলকাতা টিভিও বাজারে আসেনি তখনো)। সুটিয়া সংক্রান্ত ছোটোখাটো চিঠিচাপাটি বা দুএকটা বিক্ষিপ্ত খবর প্রকাশ পায়নি সেখানে তা নয়, তবে যাকে বলে বৃহৎ চিত্র তা ছিল মিডিয়ার রাডারের বাইরে।

এরপর সুটিয়ার কপালে উদয় হয় আরেক দুর্ভাগ্যের। ২০০০ সালে আসে বিনা বর্ষায় বন্যা। গ্রামবাসীর বক্তব্য, ডিভিসি বাঁধের অতিরিক্ত জল ছাড়ায় তাদের ইছামতী নদী উপচে পড়ে, আর নদীর উৎসে বেআইনি বাঁধে তার জল বাধা পায়। ফলত এই বন্যা। সারা গ্রাম চলে যায় জলের নীচে। এক মাস থাকে বন্যার জল। বন্যার অসহনীয় দুর্গতি অবশ্য জন্ম দেয় এক মহান সম্ভাবনার। হ্যাঁ, এই সময়েই বরুণের দল তৈরী হয়, শিক্ষিত তরুণ সম্প্রদায় তাঁর পাশে দাঁড়ায়। আশ্চর্য কাজ করে তারা। নির্ভীক আদর্শবান পরোপকারী যুবকের দল গ্রামের দুর্গতদের রক্ষা করে। পুনর্বাসন দেয়, খাবার জোগাড় করে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে। বন্যার জলের মতোই উপচে-পড়া এই জনসমর্থন না পেলে রুঠা যুবকটি কি পরবর্তীতে সুশান্ত বাহিনীর সঙ্গে অসম যুদ্ধে জিততে পারত ? নেতার সামাজিক কাজের প্রেক্ষাপট না থাকলে কি কোনো আন্দোলন গণ রূপ পায় ? ২০০০-এর বন্যা থেকেই হয় মূলত বরুণের সামাজিক কাজের সূচনা, কাজের ক্যানভাস বড় হয় তখনই।

#বরুণ_বিশ্বাস
#বাংলার_গর্ব
#সমাজসেবক
#প্রেরণা

জলঙ্গীর অভেদ ই-স্কুল পরিদর্শন---------------------------------আমি আর সুজিত জলঙ্গীর অভেদ ই-স্কুল Abheda ESchool Abheda ES...
11/09/2026

জলঙ্গীর অভেদ ই-স্কুল পরিদর্শন
---------------------------------

আমি আর সুজিত জলঙ্গীর অভেদ ই-স্কুল Abheda ESchool Abheda ESchool ভ্রমণ করেছি কদিন আগে। কাজের খতিয়ান - ক) চমৎকার ভিডিও শুট করা হয়েছে স্কুলের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের, যা তথ্যচিত্র তৈরি করতে কাজে লাগবে, খ) বেশ কয়েকটি রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণ সংক্রান্ত প্রকল্পে হাত দেওয়া হচ্ছে, যেমন - বাইরের দেওয়ালের প্লাস্টারিং, অর্ধেক হয়ে থাকা ঘরের ছাদ ঢালাই, কম্পিউটার সারাই, ৬টি পুরোনো-কিন্তু-সচল মোবাইল ফোন কেনা (Abheda English ব্যবহারের জন্যে), ইত্যাদি।

লক্ষ্য করা গেলো, বাচ্চাদের শেখানোর ব্যাপারে শিক্ষকেরা ফাঁকি দেন না - সীমিত ক্ষমতার মধ্যে তারা যথেষ্ট আন্তরিক। না জানিয়ে ক্লাসে ঢুকে দেখি, তৃতীয় শ্রেণীর একটি মেয়ে তরতর করে বাঙলা বই থেকে পাঠ করছে। ওয়ান-টুয়ের ছেলেমেয়েরা টকাটক নামতা বলছে। যোগব্যায়ামের ক্লাস হচ্ছিল, হলাসন দিব্যি করল সবাই। হাতের কাজে কাগজের ফুল আর পিচবোর্ডের বাড়ি এরা ঘনঘন তৈরি করে। সপ্তাহে একদিন ড্রিল হয়, চারটে ডমডম ড্রাম আছে। নাচ শেখানো হয়, করে দেখালো ছাত্র ও ছাত্রীরা আলাদা ক'রে। এখন নতুন লক্ষ্য হল, এদের কম্পিউটার আর Abheda English ভালো করে শেখানো। কলকাতা থেকে অভেদ ফাউন্ডেশন এই দায়িত্ব নিতে চলেছে। সেই বাবদই হবে ফোন কেনা আর কম্পিউটার সারাই।

একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক হবে না যদি বলি যে, জলঙ্গীর পদ্মার রূপ এখন বর্ষার দাক্ষিণ্যে খুব খুলেছে। হ্যাঁ, ওপারে বাঙলাদেশের রাজশাহী জেলা। দৃশ্য উপভোগ করুন।

#শিক্ষারআলো #গ্রামীণশিক্ষা

আমাদের বিদ্যা শিক্ষা দেওয়ার নামে একরাশ থিওরি শেখানো হয়, কিন্তু মৌলিক চিন্তা করার শিক্ষা বা পরিসর দেওয়ার অবসর নেই কারোর.....
09/09/2026

আমাদের বিদ্যা শিক্ষা দেওয়ার নামে একরাশ থিওরি শেখানো হয়, কিন্তু মৌলিক চিন্তা করার শিক্ষা বা পরিসর দেওয়ার অবসর নেই কারোর...

ভাবো, ভাবা প্র‍্যাকটিস করো।








Address

80A, Vivekananda Road
Kolkata
700006

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abheda Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Abheda Foundation:

Shortcuts

Share