INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY

INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY A Non-profit Spiritual Organisation that helps to
Discover the Divinity Within

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ---🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺           বিশ্বপ্রেমিক ভগবানের মধ্যে প্রেমটাই প্রধান  । তাঁর অবতরণের উদ্দেশ...
09/10/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ---
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

বিশ্বপ্রেমিক ভগবানের মধ্যে প্রেমটাই প্রধান । তাঁর অবতরণের উদ্দেশ্যই হল জগদুদ্ধার । শুধু জ্ঞান দিয়ে সেটা সম্ভব নয় ।

অবতারপুরুষ প্রেমকে অবলম্বন করেই মানবদেহ পরিগ্রহ করেন । তাঁর অন্তরের জ্ঞানের প্রকাশ ঘটে প্রেমে । ভগবানও জগতের সবার মধ্যেই আত্মতত্ত্ব সঞ্চার করে দিতে চাইছিলেন ।

ভগবান একটা জিনিস ভালভাবেই বুঝেছিলেন যে বেদান্ত , বিশেষত অদ্বৈত বেদান্ত সত্যসত্যই একটা অসাধারণ বিষয় ।
কিন্তু ভগবানের গুরুমহারাজজী তাঁকে বেদান্ত বলেছিলেন তার অসাধারণ মেধা , ' বুদ্ধির সৌকর্যের ' জন্য । এই মেধা সবার থাকে না ।

তাই অধিকারী ভেদ সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন আচার্য শঙ্কর । ভগবান উপযুক্ত অধিকারী ছিলেন , তাই অতদূর থেকে পবিত্রানন্দজী মহারাজের বলা বেদান্ত সেভাবে সঙ্গ না করেও ধরতে পেরেছিলেন ।
কিন্তু সবাই বেদান্ত বুঝতে পারবে না ভগবানের মতো ।

তাদের কী হবে ?

ভগবান দেখলেন যে প্রেমের ভাষা সবাই বুঝতে পারে । প্রেম সবাইকে ছুঁতে পারে । তাই ভগবান নিজের মধ্যে প্রেমের ভাবটাকে বেশি করে চাইছিলেন ।

১৫ তারিখ তাঁর লেখায় রইল এটারই প্রতিধ্বনি ----

' জ্ঞান চাইছি না, চাইছি প্রেম , যা সবাইকে ছুঁতে পারবে । জ্ঞানের ভাষা সবাই বুঝবে না , কিন্তু প্রেম সবাই পেতে পারে । প্রেমের ছোঁয়া একটু - আধটু অনুভব করছি স । ' এটাই বোঝার যে ভগবান ' জ্ঞান চাইছি না ' বলতে মাধ্যম হিসেবে জ্ঞান চাইছেন না , প্রেম চাইছেন , কিন্তু মাধ্যমের উদ্দেশ্য জ্ঞানই , অর্থাৎ প্রেমের মাধ্যমেই জগৎকে জ্ঞানে উপনীত করতে চাইছেন ভগবান ।

( ১০৭ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

08/10/2026

Vivekachudamani Sloka 151। মায়াজাল থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী ? বললেন স্বামী শঙ্করানন্দ মহারাজ

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ----🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺            ভগবান আবির্ভূত হন ভক্ত সাপেক্ষে  ।  সুতরাং ভগবানের মধ্যে যে ঐশী...
08/10/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ----
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

ভগবান আবির্ভূত হন ভক্ত সাপেক্ষে । সুতরাং ভগবানের মধ্যে যে ঐশী প্রকাশ , তা সাথে সাথে কারও মধ্যে অনন্য ভক্তির উন্মেষ করতে বাধ্য ।

ভগবানের মধ্যে ১১ তারিখ থেকে যে ঈশ্বরত্ব প্রকটিত হয়ে আসছিল , তার একটা বিশেষ প্রতিচ্ছবি দেখা গেল চারদিন পর ।

১৫ই এপ্রিল বাংলা নববর্ষ । ভগবান সকালে বসে ছিলেন । সকালে গিয়ে প্রণাম করলেন গুরুমা এবং দেবযানী । তাঁদের প্রণাম ভগবানকে আবার তাঁর স্বরূপের কথা মনে পড়িয়ে দিল ।

গুরুমা'র প্রতি তাঁর শ্রেষ্ঠ আশীর্বাণী বেরিয়ে এল । ভগবান গুরুমাকে বললেন , ' ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করো । '
ব্রহ্মজ্ঞান হোক ---- এর চেয়ে বড় আশীর্বাদ হতে পারে না ।

ভগবান দেবযানীকে জিজ্ঞেস করলেন , ' বল , তুই কি হতে চাস ?'

দেবযানীকে ভগবান তাঁর গুরুমহারাজজী থেকেই দীক্ষা গ্রহণ করিয়েছিলেন । স্বামী পবিত্রানন্দজী মহারাজই দেবযানীকে দীক্ষা দিয়ে বলেছিলেন যে রোজ ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবকে স্নান করে প্রণাম করার সময় প্রার্থনা করতে তাকে মাসারদাদেবীর মতো বানিয়ে দিতে ।

দেবযানী এরপর থেকে নিষ্ঠাভরে তাই করে আসছে । তার অনেক অনুভবও হয়েছে । তাকে এটাও বোঝানো হয়েছে যে তার বাবার মধ্যেই স্বয়ং ঠাকুর অবস্থান করছেন ।

বেশ কয়েকবার কয়েকটি ঘটনায় দেবযানীর এমন উপলব্ধি হয়েছে । ভগবান যখন , সে কী চায় , জিজ্ঞেস করলেন , তখন ভগবানকে সে একই প্রার্থনা করল ----- ' সারদা মা হতে চাই । '
ভগবান অত্যন্ত প্রীত হয়ে বললেন , ' তাই হ মা , অন্য কিছু হতে চাস না।'

ভগবানের সবচাইতে কাছের দুই ভক্তের জীবনের গতিপথ নির্দিষ্ট হয়ে গেল এই নববর্ষে ।

( ১০৬ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

07/10/2026

বাসনা নাশের উপায় কি? শঙ্করাচার্যের বিবেকচূড়ামণি,
পর্ব - ৫৮। আলোচনায়: স্বামী শঙ্করানন্দ।


দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে  ----🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺             ৮ই এপ্রিল , রবিবার   সন্ধ্যায়  ' যোগবাসিষ্টসার '  গ্রন্থ   ...
07/10/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ----
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

৮ই এপ্রিল , রবিবার সন্ধ্যায় ' যোগবাসিষ্টসার ' গ্রন্থ থেকে পাঠ করতে গিয়ে ভগবান জাগ্রত , স্বপ্ন , সুষুপ্তির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বললেন যে স্বপ্নে যে বাঘ তাড়া করছিল , জেগে উঠে সেই বাঘের চিহ্ন পাওয়া গেল না । জাগবার সাথে সাথেই বাঘ নেই দেখে ব্যাঘ্রভীতি মুক্ত হই ।

জাগ্রত অবস্থার জ্ঞানই এই ভীতি থেকে মুক্ত করে । এটা ক্রমমুক্তি নয় , সঙ্গে সঙ্গে মুক্তি ।

অর্থাৎ অজ্ঞাননিদ্রায় যে জগৎ নামক বনে সমস্যা নামে বাঘ তাড়া করে বেড়ায় , জ্ঞানলাভ করে সত্যচক্ষুষ্মান হয়ে জগৎ আর প্রতিভাত হয় না ।

বাঘের তো প্রশ্নই নেই , তখনই মুক্তির বোধ হয় ।

( ১০৫ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

06/10/2026

Durga Puja 2026| দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া কি পাপ ?কুমারী পুজোর আসল কারণ | Vedanter Aloy DurgaPujo EP 3

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ---🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺           ভগবানের জীবনে যতই ধাক্কা আসুক  ,  ভগবান বড় জোর  একটু  টলে  যান ,...
06/10/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ---
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

ভগবানের জীবনে যতই ধাক্কা আসুক , ভগবান বড় জোর একটু টলে যান , সামান্য থমকে যান , কিন্তু তারপরেই আরও তীব্রভাবে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যান ।

অপূর্ব কুমার মজুমদারের ঘটনায় ভগবান ভীষণই আহত হয়েছিলন । কিন্তু সামান্য কোনও বাধায় যেমন বন্য হাতীকে আটকে রাখা যায় না , তেমনিই ভগবান বৈদান্তিক , মন খারাপ তাঁর কতক্ষণই বা থাকবে যাঁর মুহূর্তে মনকে চুবিয়ে দেবার বা ব্রহ্মসমূদ্রে চুবিয়ে দেবার ক্ষমতা থাকে ।

ভগবান আবার সব ভক্তদের নিয়ে বসলেন । ভগবানের কথায় সবাই উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠলেন ।
ভগবান সবাইকে বললেন যে কারও মধ্যে জ্ঞানের প্রবণতা , আবার কারও মধ্যে ভক্তি রয়েছে । কিন্তু এই দুই ভাব নিয়ে বসে থাকলে চলবে না ।

ইন্টারন্যাশনাল বেদান্ত সোসাইটি যে ঈশ্বরের নির্দেশে তৈরি হয়েছে , তা হয়েছে কিছু কাজের জন্য ।
কাজ ----- সারা সমাজে বেদান্তের অমৃতবাণী ছড়িয়ে দেওয়া । তাই এই কাজে সবাইকে মেতে উঠতে হবে , শুধু নিজে আধ্যাত্মিকতার তৃপ্তি , শান্তি নিয়ে বসে থাকাটাও এক ধরণের স্বার্থপরতা ।

মানুষের কথা ভাবতে হবে । মানুষ ভাল নেই , তাই আমরাও ভাল থাকতে পারি না ।

ভগবানের শক্তিদায়ী ভাবনায় সবাই নতুন উদ্যমে কাজে নামার জন্য অনুপ্রাণিত হয়ে উঠলেন । সবাই বুঝলেন যে শুধু জ্ঞানযোগ বা ভক্তিযোগ যথেষ্ট নয় , জীবনে কর্মযোগের গুরুত্বও অসীম । প্রতিমুহূর্তেই যখন কর্ম করতেই হয় , তাহলে কর্মযোগী হয়েই কর্ম করা উচিত , অহংকারী কর্মী হয়ে নয় ।

( ১০৪ , ১০৫ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ---🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺           মহামানবেরা  সর্বদাই গুরুমুখী  । তাঁরা নিজের জন্য কিছু চান না  ।  ...
05/10/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ---
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

মহামানবেরা সর্বদাই গুরুমুখী । তাঁরা নিজের জন্য কিছু চান না । তাঁরা চান ----- তাঁদের গুরু , যাঁর কৃপায় তিনি আজ ধন্য , কৃতকৃতার্থ , সেই গুরুর নাম , গুরুর মহিমা , গুরুর বাণী সর্বজনে ছড়িয়ে পড়ে ।

মানুষ যেন তাঁর মতো গুরুর চরণে আশ্রয় পেয়ে পূর্ণতা প্রাপ্ত হয় ---- এটুকুই বাসনা থাকে মহাপুরুষদের ।

এই গুরুভক্তিই ভগবানের সম্বল , পরম আদরের জায়গা ।
ভগবানের জীবনেও এই গুরু ভক্তিরই ছটা বারবার দীপ্তমান ।

ভগবানের শিষ্য অপূর্ব কুমার মজুমদার যখন সর্বধর্ম সমন্বয়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রিত হলেন , ভগবান অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন । তাঁর একটিবারের জন্যও মনে হয়নি যে অত বড় মঞ্চে তিনি নিজে বেদান্ত বলবেন । তাই শ্রীমজুমদারকে সানন্দে সম্মতি দিয়েছিলেন । এমনকি তাঁকে গুয়াহাটির বামুনিময়দানের সম্মেলনে যাওয়ার কথা বললেও রাজি হয়ে গিয়েছিলেন ।

তাঁর শিষ্য বলবে ----- এটা যেন তাঁরই বলা , এভাবেই ভেবেছিলেন ভগবান ।

কিন্তু ভগবানের বেদান্তের সাথে পরিচিত না হলেও তাঁর গুরুভক্তির এক অত্যুৎকৃষ্ট নজির দেখল সেই সম্মেলন |
দেখল ----- যথার্থ শিষ্য কাকে বলে ।

ভগবান দেখলেন যে এত বড় সভায় বহু জ্ঞানী - গুণী - বিদগ্ধজন আসবেন , এখানেই হোক তার গুরুর কথা প্রচারের মঞ্চ।

ভগবান রঞ্জিত ব্যানার্জীকে দিয়ে তার দপ্তর থেকে গুরুমহারাজজীর পত্র যেখানে পবিত্রানন্দজী মহারাজ ভগবানকে ইংরেজিতে বেদান্তের কথা লিখেছিলেন , সেই জায়গাটি কম্পিউটারে টাইপ করিয়ে অনেক প্রতিলিপি তৈরি করালেন ।
সেই সর্বধর্ম সম্মেলনে আগত প্রতিটি মানুষের হাতে নিজে তুলে দিলেন তাঁর গুরুর কথা ।

স্বয়ং ঈশ্বর মানবদেহে এসে দেখিয়ে দিলেন ---- গুরুভক্তি কাকে বলে ।

' নাহং নাহং তুঁহু তুঁহু । '

এমন গুরু - শিষ্যের মাধ্যমেই সত্য , আধ্যাত্মিকতা এই জড় পৃথিবীতে ভোগের জঞ্জালের মধ্যেও সঞ্জীবিত থাকে ।

( ১০১ , ১০২ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ----🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺           সর্বভূতে সেই একই সত্তা ।  সেই সত্তাই যখন স্থির  ,   শান্ত  ,  তা...
04/10/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ----
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

সর্বভূতে সেই একই সত্তা । সেই সত্তাই যখন স্থির , শান্ত , তাকে ব্রহ্ম বলে । আবার সেই সত্তাই যখন বেগবান , সৃষ্টি - স্থিতি - প্রলয় করছেন , তাকে শক্তি বলে । এই শক্তিই ঈশ্বর ।

সত্য , জ্ঞান , অনন্ত যেমন ব্রহ্মের বিভাব , তেমনিই সৃষ্টি - স্থিতি - সংহার , প্রেম , আনন্দ , ঈশ্বরের নানা দিক ।

যে ঈশ্বরীয় মহাশক্তি রচনা - সংরক্ষণ - বিনাশ করছেন , তিনিই আবার পরম প্রেমে প্লাবিত করছেন ।

মহাভাবের পর থেকে ভগবানের মধ্যেও এমন সব ভাবই খেলা করে বেড়ায় কারণ তখন থেকেই তিনি চলমান ঈশ্বর , দেহধারী মহাশক্তি ।

কখনও পরম আনন্দ খেলা করে তাঁর মধ্যে , কখনও দেখি তীব্র প্রেমে উন্মাদ , সমাজের মিথ্যা দেখে সব ধ্বংস করতে উন্মুখ ।

বিগত কিছুদিন মহাপ্রেমের এক সুনামি এসেছিল ভগবানের মধ্যে । পরমব্রহ্ম থেকে যখন মহাশক্তিতে নেমে আসা , তখন সেই শক্তি শুধু সৃষ্টি নয় , সবই করবে ।

ঈশ্বরের প্রলয়ও আরেকটি নব সৃষ্টিরই সূচনা ।

তারই প্রমাণ ৩রা এপ্রিল ভগবানের লেখায় ----

' বন্ধনহীন প্রেম , শুধুই প্রেম , বন্যার মত ---- ভাসিয়ে নিয়ে যাবে সব ।
চুপ করবে সব ।
প্রেমের শক্তি দুর্বার ।
ঢল নামছে ।
অবতরণ করছি ।
রক্ষা এবং সংহার দুটোই করবে ।
দুটোর শক্তিই প্রেমের মধ্যে সংহত । '

ভগবানের শক্তি সত্যসত্যই মানুষ ও সমাজের মিথ্যা চুরমার করে প্রবল বেগে সত্যের অভিমুখী নিয়ে গিয়ে সত্য - জ্ঞান - আনন্দস্বরূপে প্রতিষ্ঠা করে নব সভ্যতার জন্ম দিচ্ছে ।

( ১০১ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ----🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺             ভগবানের মন ব্রহ্ম  ,   শক্তির মধ্যে  দুলতে  থাকতে  থাকতে এদিনই ...
03/10/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ তৃতীয় খণ্ড থেকে ----
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

ভগবানের মন ব্রহ্ম , শক্তির মধ্যে দুলতে থাকতে থাকতে এদিনই শেষে গিয়ে পরম প্রেমের অনুভবে তার পরিসমাপ্তি ঘটল ।
সর্বভুতে প্রেমের এক অনিন্দ্য বোধে ভেসে গেলেন তিনি ।

বিশ্বজগতের কল্যাণে সবার মুক্তির জন্য এক তীব্র উন্মত্ততা সৃষ্টি হল তাঁর মধ্যে যার জন্য নিজেকেও বিলিয়ে দেওয়ার ভাব নিঃশেষে ফুটে উঠল ।

ভগবান লিখলেন -----

" বহুজন সুখায় চ , বহুজন হিতায় চ ,

প্রেমে আমি উন্মাদ ।

এই দেহ শেষ হয়ে যাক । বাধা মানবই না ।

বিশ্বজননীর পায়ে লুটিয়ে পড়ুক এই দেহ । "

বিশ্বসংসারের মুক্তির জন্য এই প্রেম ভগবানকে তীব্রভাবে চালিত করতে লাগল তাঁর প্রতিক্ষণের কাজকর্মে ।

🌺🌺🌺🌺🌺

( ১০০ পৃষ্ঠা )

🙏🌹🙏🌹🙏

Address

Kolkata
700051

Opening Hours

Monday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Tuesday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Wednesday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Thursday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Friday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Saturday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Sunday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm

Telephone

+917003909019

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY:

Shortcuts

Share