INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY

INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY A Non-profit Spiritual Organisation that helps to
Discover the Divinity Within

17/06/2026

"তত্ত্বমসি" - উপনিষদের এই মহাবাক্যের প্রকৃত অর্থ কী? শংকরাচার্যের বিবেকচূড়ামণি। পর্ব সংখ্যা: ৫৪ (২৪৮-২৫৩)। আলোচনায়: স্বামী শঙ্করানন্দ।

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺 ভগবানের মধ্যে ব্রহ্মবিচার এইভাবে কাটাছেঁড়া চালিয়ে যাচ্ছিল তাঁর নিজেরই মনক...
17/06/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

ভগবানের মধ্যে ব্রহ্মবিচার এইভাবে কাটাছেঁড়া চালিয়ে যাচ্ছিল তাঁর নিজেরই মনকে । সেখান থেকে উঠে এসেছিল জ্ঞানের কিছু ঝলক ।
৯ ই আগস্ট ভগবান লিখলেন ----

' জাগ্রত অবস্থার জ্ঞানই প্রমাণ করে স্বপ্ন মিথ্যা । এবার বিচারের জ্ঞানে জানিতে পারি ---- জাগ্রত অবস্থা কারণ এবং স্বপ্ন তাহার কার্য্য । কার্য্য যদি মিথ্যা হয় , তবে জাগ্রত অবস্থাও মিথ্যা । '

জাগ্রতে আমরা যা দেখি বা ভাবি , সাধারণত স্বপ্নে তারই প্রতিফলন ঘটে । আবার জেগে উঠে বিচারে বুঝি যে স্বপ্ন স্বল্পকালীনই থাকে , তাই মিথ্যা । সুতরাং একই যুক্তিতে জাগ্রতাবস্থাও মিথ্যা কারণ জাগ্রত অবস্থাও মানুষের দিনে চব্বিশ ঘন্টা থাকে না , স্বপ্ন ও সুষুপ্তিতেও দিনের বহুক্ষণ অতিবাহিত হয় ।
তাহলে যে জ্ঞান অবস্থাত্রয়কে মিথ্যা বলে প্রমাণ করল , সেই জ্ঞান কী --- সত্য না মিথ্যা ?
এই প্রশ্নের উত্তরে ভগবান লিখছেন ----

' জ্ঞান সমস্ত কিছুকে মিথ্যা প্রমাণ করিয়াও নিজে মিথ্যা প্রমাণিত হইল না । তাই জ্ঞানই একমাত্র সত্য বস্তু এবং এই জ্ঞানই আত্মা । সবকিছুকে বুঝাইয়া দিলেন । নিজেকে বোধ করিতে দিলেন না , কিন্তু জানাইয়া দিলেন -- তিনি আছেন । '

বিচারে প্রবৃত্ত হলে দেখা গেল যে জ্ঞান তিনটি অবস্থাকে মিথ্যা বলে প্রমাণ করল , সাথে তিনটি মিথ্যা অবস্থারই প্রকাশক বা সাক্ষী হিসেবে নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ দিল । সাথে এও প্রমাণিত করল যে অবস্থাত্রয় মিথ্যা হলেও চৈতন্য বা জ্ঞানের বা সাক্ষীর কখনই অভাব হয় না বলে জ্ঞান সত্য , নিত্য ।

এভাবে বিচারে জ্ঞান জানান দিল যে সে আছে ।নিত্যরূপে তাই বিচারে আমরা পরোক্ষ জ্ঞানে উপনীত হই ।

কিন্তু অপরোক্ষ জ্ঞান বিচারে হবে না কারণ বিচারে সব সময় চিন্তা ও চিন্তক--- দুই-এর অস্তিত্ব থাকে , একে পৌঁছানো যায় না । তাই ভগবান লিখলেন --
' তাই বিচারের সাহায্যে পরোক্ষ জ্ঞান হইতে পারে কিন্তু অপরোক্ষের জন্য নির্বিকল্প সমাধি দরকার । সেখানে সকল কল্পনা নিবারিত । তাই তো পরম ভূমি , অর্থাৎ ব্রাহ্মীস্থিতি ।'

বিচারও একপ্রকার কল্পনা বই তো নয় , সেখানে মন চিন্তা করতে ব্যস্ত । চিন্তাটাও একপ্রকার কল্পনা । কিন্তু নির্বিকল্প সামাধি সকল কল্পনা , সকল দ্বন্দ্ব , সর্বদ্বৈতের অতীত , একের ভূমি , পরমভূমি ।

মন সকল বহুত্ব , জ্ঞান - জ্ঞাতা - জ্ঞেয়র নাশে একাকার হলেই তা নির্বিকল্প ভূমি।

ভগবান এদিন আরও লেখেন ----

' তাই আপাত - প্রতীয়মান জগৎ জ্ঞানের অবস্থা হইতে পারে না । যাহা মিথ্যা প্রমাণিত হইল তাহা কখনও সত্যের অবস্থা হইতে পারে না । তাই আত্মা কিংবা ব্রহ্ম কিংবা জ্ঞান নিঃসঙ্গ । ইহাই অজাতবাদ । ইহাতে মায়া ব্যবহার করিবার দরকার নাই । '

ভগবান এটাই বলে ইতি টানলেন যে মিথ্যা জগৎ সত্য জ্ঞানের কোন অবস্থা হইতে পারে না । জ্ঞান সর্বাবস্থায় এক , সাক্ষীস্বরূপ অর্থাৎ তার কোন সঙ্গী নেই । প্রয়োজনও নেই , তাই নিঃসঙ্গ , অসঙ্গ ।

এই জ্ঞান এক ও অদ্বিতীয় বলে জন্মমৃত্যুবিহীন। এই অজাত ব্রহ্মের জ্ঞানে মায়ার কোনও প্রবেশ নেই , প্রসঙ্গই নেই ।

(৩০৩ ,৩০৪ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

16/06/2026

Vivekachudamani Sloka 125। আত্মার প্রকৃত স্বরূপ কিভাবে চিনবো ? বিবেকচুড়ামণি শ্লোক - ১২৫।

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺        ভগবানের শুদ্ধ মনে যে শুধু  স্বীয় অনুভূতির কথা ফুটে উঠত  ,   তাই নয়...
16/06/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

ভগবানের শুদ্ধ মনে যে শুধু স্বীয় অনুভূতির কথা ফুটে উঠত , তাই নয় । মাঝে মাঝে তাঁর কাছে আগত ভক্তদের সম্বন্ধেও কিছু সত্য তাঁর মানুষহ্রদে ভেসে উঠত ।

ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের জীবনেও এমন অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছিল । তবে ঠাকুরের এমন হত মূলত দর্শনের মাধ্যমে -- তিনি তাঁর ভক্ত স্বামী বিবেকানন্দকে দেখেছিলেন নানাভাবে , আবার গৃহস্থ ভক্ত বলরাম বসু , কথামৃতকার শ্রীম সম্বন্ধেও ঠাকুরের দর্শন হয়েছিল ।
তবে আদ্যন্ত অদ্বৈত বেদান্তের বিচারমার্গী ভগবানের দর্শন বেশি না হলেও সমাধির পর পরম শুদ্ধ মনে কিছু সত্য উদ্ভাসিত হয়ে উঠত ।

বুবাইকে তার বাবা - মা ভগবানের কাছে জোর করেই পাঠিয়েছিলেন একটু শান্ত হবার জন্য । ধীরে ধীরে দেখা গেল বুবাই ভগবানের এক একনিষ্ঠ ভক্তে পরিণত হয়েছে । এটা দেখে সেন দম্পতি অবাকই হয়েছিলেন । তবে তারা ভেবেছিলেন যে তাদের ছেলে একটা হুজুকে যাচ্ছে ভগবানের কাছে । কিছুদিন পরে আবেগের ধোঁয়া উড়ে গেলেই ছেলে আবার আগের মতো হয়ে যাবে ।
কিন্তু পরমেশ্বরের ইচ্ছে বোধহয় তেমনটি ছিল না । কারণ জাগতিক কোনও মানুষ ভগবানের নিজের সঙ্গী হতে পারে না ।

৭ই আগস্ট বুবাই সম্বন্ধে ডায়েরিতে লিখিত হল ঈশ্বরীয় বাণী ---- ' বুবাই আমার নিজের লোক । '

এতে শুধু বুবাইয়ের পরিচয় পাওয়া গেল বলে যারা ভাবলেন , তারা অর্দ্ধেকটা ভাবলেন । বুবাই -এর পরিচয় পাওয়া তো গেলই , তার সাথে আরেকটি জিনিস পরিষ্কার হলো , তা হল --- ভগবানেরও একটা পরিচয় পাওয়া গেল ।

কোন মহাপুরুষ বা সদ্গুরু, একাই আসেন । তাদের শিষ্য হয় , সঙ্গী হয় না ।

কিন্তু যখন স্বয়ং ঈশ্বর অবতার হয়ে মানবরূপ পরিগ্রহ করেন , তখন তিনি তাঁর দলবল নিয়ে আসেন ।

ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব এই সত্য বোঝাতে ' কলমীর দল ' কথাটি ব্যবহার করতেন ।
কলমী এক ধরনের জলজ শাক । জলের বিভিন্ন স্থানে তারা মুখ তুলে থাকে । দেখে মনে হয় তারা পরস্পর বিযুক্ত , কিন্তু একটাকে টানলেই অন্যগুলিও উঠে আসে । তখন বোঝা যায় জলের ওপরে বিযুক্ত মনে হলেও জলের নীচে তারা পরস্পর সংযুক্তই থাকে ।

ঈশ্বরও তেমন তাঁর সঙ্গীসাথী নিয়ে আসেন । তাঁরা বিভিন্ন পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁরাও সেভাবেই যুক্ত , এক দলেরই অংশ । ভগবান কি বুবাই -এর প্রতি তেমন ইঙ্গিতই দিলেন ?

(৩০২ , ৩০৩ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান '

🙏🌹🙏🌹🙏

15/06/2026

জগৎকে কিভাবে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পাল্টানো যায় বললেন স্বামী শঙ্করানন্দ মহারাজ

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺              ভগবানের মধ্যে এক  তীব্র বৈরাগ্যের  স্রোত সবসময়ই প্রবাহিত হয়ে...
15/06/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

ভগবানের মধ্যে এক তীব্র বৈরাগ্যের স্রোত সবসময়ই প্রবাহিত হয়ে চলছিল । যা কিছুই ঘটুক না কেন , ভাল - মন্দ , যশ - অপযশ --- তাঁর অন্তরে ধিকিধিকি জ্বলতে থাকে বৈরাগ্যের আগুন । সেই বিষয় - বিতৃষ্ণা বিরাগের অনল ভগবানের হৃদয়কে পরিণত করেছে মহাশ্মশানে ।

সেই শ্মশানে মহাশক্তির নৃত্যলীলা অনুভূত হয় । ভগবান তাঁর গুরুর কাছে সন্ন্যাসই চেয়েছিলেন যদিও গুরুমহারাজজী তাঁকে বহির্সন্ন্যাস থেকে বিরত করে অধিকারী করেছিলেন অন্তর্সন্ন্যাসের ।
তাই ভগবানের হৃদয়ে জগতের কোনও বস্তুর প্রতিই আসক্তির লেশমাত্র নেই ।

ভগবানের হৃদয়ে শ্রেষ্ঠ ত্যাগী হবার বাসনার প্রকাশ আমরা ৭ই আগস্ট ডায়েরির পাতায় দেখি যেখানে তিনি প্রার্থনা করছেন ----

' মা আমাকে ত্যাগীর রাজা করো । '

ত্যাগীর যিনি রাজা হবেন , তিনি সর্বস্ব ত্যাগ করবেন । তবে ত্যাগীর রাজাধিরাজ যিনি হবেন , তাঁর মধ্যে ত্যাগ - বৈরাগ্যের এমন দাবানল জ্বলবে , যাঁকে দেখেই এই লোভ , লালসা , ভোগের মধ্যেও বহু মানুষ ত্যাগের জীবনের প্রতি পা বাড়াবে , যেমনটি হয়েছে ব্রহ্মচারী অরূপ চৈতন্য মহারাজের ক্ষেত্রে ।

মা'র কাছে যা চাওয়া যায় , মা তো বেশি বেশি করে পূরণ করেন ।

ভগবান মায়ের কাছে ত্যাগীর রাজা হতে চেয়েছিলেন , মা তাঁকে ত্যাগীর রাজা বানাননি , ত্যাগীর রাজাধিরাজ বানিয়ে দিয়েছেন ।

(৩০২ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

14/06/2026

খালি পকেট, খালি পেট, তবু অশেষ আনন্দ! এও কি সম্ভব!! | দ্য গ্রেটেস্ট | পর্ব সংখ্যা- ২৬ | আলোচনায়: স্বামী শঙ্করানন্দ |
#ভগবান #বেদান্ত #আধ্যাত্মিকতা #সনাতনধর্ম

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺             ৬ ই  আগস্ট  রবিবার ছিল  ।  ভগবান যথারীতি শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত...
13/06/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

৬ ই আগস্ট রবিবার ছিল । ভগবান যথারীতি শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত গ্রন্থটি পাঠ করে ব্যাখ্যা করছিলেন । সবাই মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন । হঠাৎই বীনাপাণি ব্রহ্মচারী ভগবানের দিকে অদ্ভুতভাবে তাকালেন , এরপর অন্তর্জগতে বুঁদ হয়ে গেলেন |

ভগবানের অমৃতবাণী শেষ হয়ে যাবার পরও অনেকক্ষণ ধরে শ্রীমতি ব্রহ্মচারী আত্মস্থ হয়েই ছিলেন । ধীরে ধীরে প্রকৃতিস্থ হলে তাকে সবাই জিজ্ঞেস করলেন যে তার কী হয়েছিল ।

তিনি যা বলেছিলেন , তাতে উপস্থিত সকলে অবাক হয়ে গেলেন । বীণাপাণিদেবী বললেন যে ভগবান কথামৃত পড়ছিলেন , তিনি তন্ময় হয়ে শ্রবণ করছিলেন । হঠাৎই তিনি দেখলেন যে ভগবানের পেছনে একটি আলোর জ্যোতি । সেই স্বর্গীয় এক আলো দেখেই তিনি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলেন । এরপর আর তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না , সেই আলোর জগতেই তিনি হারিয়ে ফেলেন নিজেকে ।

ভগবান শুনে গম্ভীর হয়ে গেলেন । ভগবানের মধ্যেই যে স্বয়ং ঈশ্বর নেমেছেন , বোধহয় বিধাতা ভক্তদের দেখাচ্ছেন ।

( ৩০২ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺       মহাভাবে ভগবানের হৃদয়ে যে এক মহাপ্রেমের প্রকাশ ঘটেছিল  ,  সেই প্রেম স...
13/06/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে --
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

মহাভাবে ভগবানের হৃদয়ে যে এক মহাপ্রেমের প্রকাশ ঘটেছিল , সেই প্রেম সারা বিশ্বকে প্লাবিত করতে চাইছিল । এটাই তো প্রেমের মহিমা ।

তাই ভগবান যেমন তাঁর নিকট আসা সকল ভক্তকে তার নিজের স্বরূপের কথা শুনিয়ে চলেছিলেন , আবার নিত্য নতুন ভক্তকে নিয়ে আসার জন্য বলতেন ।
প্রতিটি ভক্তকে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে আসতে বলতেন । এছাড়া বিভিন্ন ভক্তকে বলতেন তার বাড়িতে আধ্যাত্মিক সভার আয়োজন করতে ।

ভগবান প্রায়ই ভক্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলতেন । এটা তিনি তাঁর ভেতরের প্রেমের তাড়নায় করতেন ।

নতুন মানুষকে ঈশ্বরীয় কথা শোনাতে না পারলে ভগবান নিজে ছটফট করতেন । নিজের নাম হোক , মানুষ তাঁকে মানুক , প্রণাম করুক , শ্রদ্ধা - সম্মান করুক --- এটা তাঁর কখনই মনে হত না ।

জ্ঞানেই তাঁর সর্বকামাপ্তি ঘটেছিল আর তাঁর কোনও কিছুই পাবার ছিল না ।
তবু মানুষের উদ্ধারের জন্য , তাদের পূর্ণ তৃপ্তির সাথে পরম আনন্দের সাথে পরিচয় ঘটানোর জন্যই ভগবান ব্যগ্র ছিলেন ।

ভগবানের প্রচারমুখী মনোবৃত্তিও কারণ ছিল তাঁর বিশ্বজনীন প্রেম ।
তবে মাঝেমাঝে তীব্র ভগবদ্ভক্তিতে তাঁর সেই প্রচারমুখী মনেরও সমর্পণ ঘটে যেত মহাশক্তির কাছে ।

তেমনই ২৮শে জুলাই ভগবানের তীব্র আকুল নিবেদন ধরা পড়ল ডায়েরির পাতায় ---

' মান , যশ , নাম -- কিছু চাই না মা । আমায় শুদ্ধা ভক্তি দাও । আমি কে যে তোমার প্রচার করব ? তুমি ছাড়া আমার সবকিছু ভুলিয়ে দাও | '

ভগবানের এই প্রার্থনা শুদ্ধা ভক্তির জন্য প্রার্থনা নয় , শুদ্ধা - ভক্তি লাভ করেই তাঁর এই নিবেদন ।
এটা তাঁর মাকে পেয়েই , মাকে জড়িয়ে ধরেই মাকে চাওয়া , কাতর আর্তি ।

( ৩০১ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান "

🙏🌹🙏🌹🙏

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে--🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺          এক জ্ঞান  দেশ - কাল ছাপিয়ে বিদ্যমান  । তাই ভগবান ২৬ শে জুলাই তাঁর ...
12/06/2026

দ্য গ্রেটেস্ট্ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে--
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

এক জ্ঞান দেশ - কাল ছাপিয়ে বিদ্যমান ।
তাই ভগবান ২৬ শে জুলাই তাঁর ডায়েরিতে লেখেন ---

' চৈতন্যের সাথে একত্বই চৈতন্যের সর্বব্যাপকতার জ্ঞান আনে ।
এক মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়া যায় দিক্ দিগন্তে -- ব্রহ্মরসে পরিপূর্ণ সর্বদিক ।'

' আমার জ্ঞান আছে ' বোধ থেকে যখনই ' আমি জ্ঞান ' বোধে উত্তরণ , তখনই বুঝা যায় যে আমি সবকিছু হয়ে আছি ।

আমি ছাড়া দ্বিতীয় কোনও কিছু নেই । তাহলে আমি যে এত কিছু দেখে চলেছি , এত কিছু ভোগ করছি , সেটা কী ?

ভগবান আবার লিখলেন ---

' আমি আমাকেই দেখি , আমি আমাকেই ভোগ করি । আমিই এক হই , আমিই বহু হই । আমিই আছি ।
এই আমিত্বই আত্মা ।'

একই সত্তা রয়েছে , দ্বিতীয় বস্তু নেই --- সেটাই আত্মা ' ব্রহ্ম , চৈতন্য , জ্ঞান বা ঈশ্বর ।

(৩০০ , ৩০১ পৃষ্ঠা )

🌺🌺🌺🌺🌺🌺

" জয় ভগবান ''

🙏🌹🙏🌹🙏

Address

Kolkata
700051

Opening Hours

Monday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Tuesday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Wednesday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Thursday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Friday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Saturday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm
Sunday 10am - 12pm
6pm - 8:30pm

Telephone

+917003909019

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to INTERNATIONAL VEDANTA SOCIETY:

Share