Jago Hindu জাগো হিন্দু

Jago Hindu জাগো হিন্দু This is the official page of Jago Hindu. To Stay with us, follow and like share the page.

09/06/2026

এবার সরকারী কোন অভিযানে বামাতিরা বাধা দিতে এলে, আগে এই বামাতিদের তুলে নিয়ে বঙ্গপসাগরে ফেলে আসতে হবে।

08/06/2026

খ্রিষ্টান মিশনারীর হাত থেকে সকলে পশ্চিমবঙ্গকে বাচান।

08/06/2026

পশ্চিমবঙ্গ থেকে অতি দ্রুত সকল খ্রিষ্টান মিশনারী উচ্ছেদ করতে হবে। আর যারা এদের ফাদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে, তাদের ঘরওয়াপসী করে দ্রুত ফিরিয়ে আনতে হবে।

গোপন হিন্দু নিধনযজ্ঞ চলছে বাংলাদেশে....গতকাল সকাল ১০টার  দিকে ইতি রানী বরগুনার ডাক বাংলোর পরিচ্ছন্ন কর্মীওর স্বামীর নাম ...
04/06/2026

গোপন হিন্দু নিধনযজ্ঞ চলছে বাংলাদেশে....
গতকাল সকাল ১০টার দিকে ইতি রানী বরগুনার ডাক বাংলোর পরিচ্ছন্ন কর্মীওর স্বামীর নাম দুলাল চন্দ্র ।ইতিকে অফিসের কেউ খবর পাঠিয়ে অফিসে নিয়ে যায়।ইতির দুপুরে ওর আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াত থাকায় একবারে দুই মেয়ে আরাধ্যা ও অনুরাধা কে নিয়ে অফিসে যায় ভেবেছিল কাজ করে একবারে আত্মীয়ের বাসায় যাবে কিন্তু আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া হয়নি ওখানে ইতিকে ধ**র্ষণ করে দুই মেয়ে সহ মেরে ফেলা হয় পরিবারের সবাই দাবী করেছে। তারপর অফিস থেকে ফোন করে ওরা আত্মহত্যা করেছে বলা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইন মন্ত্রী সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে কি এভাবে মেরে ফেলা হবে কিনা।
৪/৬/২৬ইং

ছবিতে সবুজ দাগ দেওয়া এই মানুষটিকে চেনেন ??? ইনি সামিউল ইসলাম তৃণমূল এর রাজ্যসভার সাংসদ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যতজন অবৈধ অনুপ্...
03/06/2026

ছবিতে সবুজ দাগ দেওয়া এই মানুষটিকে চেনেন ??? ইনি সামিউল ইসলাম তৃণমূল এর রাজ্যসভার সাংসদ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যতজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারী কে পুশব্যাক করা হয়েছে ইনি তাদের বেশিরভাগ কে ফিরিয়ে এনেছেন সুপ্রিম কোর্ট এর সাথে যোগাযোগ রেখে ও আইনি আর প্রশাসনিক সাহায্য দিয়ে

পেশায় আইনজীবী এই ব্যক্তি ছাত্রজীবনে জামাত এর মুসলিম ছাত্র সংগঠন এর সাথে যুক্ত ছিলেন ও নেতা ছিলেন। চরম সাম্প্রদায়িক এই ব্যক্তি তৃণমূল এ যোগ দেন ২০১৬ সালে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর হাত ধরে। তারপর কালক্রমে রাজ্যসভার সাংসদ হন তৃণমূল থেকে ।

এনার অন্যতম কাজ হল অবৈধ অনুপ্রবেশকারী দের নানারকম আইনি সাহায্য প্রদান করা। বহু অনুপ্রবেশকারী কে ইনি বাঁচিয়েছেন আর এস আই আর এ ব্যাপক সহায়তা প্রদান করেছেন ফলে অনেকের নাম ভোটার তালিকায় উঠে গেছে। এই ধরনের ঘুণপোকা গুলি যতদিন দেশের আইনি আর রাজনতিক কাঠামোর মধ্যে থাকবে ততদিন সত্যি সত্যি যতই কেন্দ্রে হিন্দুত্ববাদী সরকার থাকুক অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী দের তেমন কিছু করা যাবে না।

নব নির্বাচিত জাতীয়তাবাদী রাজ্য সরকারের কাছে অনুরোধ পাড়ার ক্লাবে দাদা, ছোটখাট পঞ্চায়েত আর পুর প্রতিনিধি চোর মস্তান দের সাইজ করার আগে এদের কে সাইজ করুন। এই লোকটা ভয়ানক বিপজ্জনক। আগামী দিনে তৃণমূল না থাকলে উনি কংগ্রেস বা আই এস এফ, মিম এ যাবেন ও বাম কংগ্রেসের সমর্থনে রাজ্যসভার এম পি হয়ে যাবেন আবার। আরও অনেক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী কে বাঁচিয়ে দেবেন। এস আই আর এ জুডিশিয়াল রিভিউ এসে অসংখ্য অনুপ্রবেশকারী কে বাঁচিয়েছে এদের জন্যই।

২০১৬-১৯ সাল অবধি চলা আসাম এন আর সি এদের কারণেই ব্যর্থ হয়েছিল। ২০১৬ সালে অসমে থাকা সওয়া এক কোটি মুসলিম (১.২৫ কোটি ) মাত্র পাঁচ লাখ কে চিহ্নিত করা গেছিল এন আর সি তে যাদের বেশিরভাগ কুচ বিহার হয়ে উত্তরবঙ্গ ও বিহারের সিমাঞ্চল এ ঢুকে গিয়ে অন্য নামে ডকুমেন্ট বানিয়ে বেঁচে গেছে। এই ঘুন পোকা দের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হলে পশ্চিমবঙ্গ কে বাঁচানো যাবে না।

জয় শ্রীরাম।
কপি- পেস্ট

পিরোজপুর পৌর শ্মশান ও কালী মন্দিরে গত ৩১ মে ২০২৬ ইং  রাতে হামলা এবং প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।  বাংলাদেশে ইসলামিক এই জ...
02/06/2026

পিরোজপুর পৌর শ্মশান ও কালী মন্দিরে গত ৩১ মে ২০২৬ ইং রাতে হামলা এবং প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে ইসলামিক এই জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতরথেকে রেহায় পেল না শ্মশানও।

এদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র কখনও এসব ইসলামিক দুবৃত্তদের শাস্তি দেই না, কিছু ক্ষেত্রে এদের পুরস্কৃত করার ঘটনা অনেক।

02/06/2026

গত ৪৯ বছর ধরে এরাজ্যে গরীবচোদ হবার প্রিভিলেজ,

১. আপনি যদি গরীব হন, তাহলে রাজনৈতিক দাদা ধরে, তাদের ভোটব্যাঙ্ক হয়ে যান। তারপর যে কোনো জায়গা, জবরদখল করুন। রাজনৈতিক দাদাদের তোলা দিন, এবং অন্যের বৈধ জমি মেরে খেতে থাকুন। আপনি গরীব তাই আপনি শুয়োরের বাচ্চা হলেও, আপনার সব ক্রাইম বৈধ।

২. আপনি গরীব। তাই অনেক বাচ্চা দিন। রাস্তায় ভিক্ষা করতে পাঠান। যারা নিজ যোগ্যতয় দু পয়সা কামিয়েছে, তারা যেহেতু গরীব নয়, তাই ক্রিমিনাল, অতএব তাদের প্রথমে চমকান, তারপর যদি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তখন "এতগুলো বাচ্চা পেড়েছি, তারা কি খাবে গো, আমরা গরীব গো।" বলে সুপারহিট যাত্রাপালা নামান।

৩. আপনি গরীব, অতএব আপনি অনুপ্রবেশ করতেই পারেন। যারা গরীব নয়, তারা যেহেতু অপরাধ করে ফেলেছে গরীব না হয়ে, তাই যেহেতু তারা আপনাদের ক্রীতদাস, অতএব তাদের ট্যাক্সের টাকায় আপনার মত শুয়োরের বাচ্চা গরীব অনুপ্রবেশকারী এক ডজন বাচ্চা পালবে। কারণ, আপনি তো গরীব।

৪. আপনি গরীব। অতএব আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত আছে সেসব জানতে চাওয়া যাবে না। কারণ আপনি তো গরীব।

৫. আপনি গরীব, তাই যে লোকটা আইন মেনে ব্যবসা করছে, বা বাড়ি করেছে, তার দোকান বা বাড়ির সামনে বসে পড়ুন।‌সে তো গরীব নয়। তাই তার গাঁড় মারা যাক। আপনি গরীব, তাই আপনি দেশ উদ্ধার করে ফেলেছেন।

কিন্তু আপনি পঁয়তাল্লিশ বছর রেলের জমি জবরদখল করে, রেলকে একটা পয়সাও না দিয়ে, আপনার দোকানের সামনে দাঁড়ালে চমকে ধমকে, দোতলা বাড়ি করেও আপনি কেন গরীব?
অবশ্য গরীব থাকলে যদি ক্রাইম করার প্রিভিলেজ পাওয়া যায় তবে সবাই গরীবই থাকতে চায়।
গরু বিকাশের প্রফেশন, তাই সে চোর, খুনী,‌ধর্ষকের দালালী করে পয়সা নিতে পারে, কিন্তু রেল তার নিজের জমি দিয়ে পয়সা রোজগার করতে পারে না। রেলকে জমি কিনতে হয়েছে যদি কোথাও কারো ব্যক্তিগত জমি থেকে থাকে। সেই পয়সাটা গরীবচোদরা দেয়নি। রেলের আয় গরীবচোদদের থেকে হয় না। যাদের থেকে হয়, তাথা না থাকলে রেল চলবে না।
তো লেফ্টিস্লামিক খানকির ছেলেরা আসলে কি চায়? গরীব চুদিয়ে যেভাবে কারখানায় তালা ঝুলিয়ে এরাজ্যের শিল্প ধ্বংস করেছিল, ঠিক সেভাবেই এখানেও গরীবী চুদিয়ে রেলের উপার্জনের পথ বন্ধ করিয়ে দেওয়া। ভাড়াও বাড়ানো যাবে না, আবার নিজেদের জায়গা থেকে উপার্জনও করা যাবে না, আবার কর্মীসংকোচনও করা যাবে না। ছকটা ভেবে দেখে তারপর ঐ কুত্তার বাচ্চাদের ফাঁদে পড়বেন। এই রাজ্যকে ভিখারী বানানোর এক ও একমাত্র কারিগর সিপিয়েম এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা।

মজার ব্যাপার হল, এতদিন শুয়োরের বাচ্চা লেফ্টিস্লামিক লবি প্রচার করে এসেছে, বিজেপি এলে মুসলমানের সর্বনাশ হবে। বিজেপি সাম্প্রদায়িক। বিজেপি হিন্দু তালিবান।

সবার চোখের সামনে তা বদলে গেল।
কেউ খেয়াল করলেন?
যেহেতু বিজেপি ক্রিমিনাল পেটানোর ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসশমান দেখছে না, অতএব এখন চুপচাপ ‌লাইন শিফ্ট।
এখনকার গল্প "বিজেপি বড়লোকের পার্টি"... জাহাঙ্গীর গরীব, তৃণমূলের কোটিপতি কাউন্সিলররা গরীব, দেবরাজ গরীব, তাই বিজেপি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আর গরীবদরদী গরুবিকাশ তাদের দালালী করতে নামছে। মজার না শুনতে?

কদিন বাদে নতুন স্কীম আসবে। তখন ফের "বিজেপি উগ্র হিন্দু পার্টি.." এতে শিফ্ট করবে।

এই শুয়োরের বাচ্চাদের যারা বিশ্বাস করছেন তাদের আবারও‌ ভেজলিন ছাড়া পোঙা মারা যাবে। এই শুয়োরের বাচ্চারা গরীবী ফ্যান্টাসাইজ করে। বিপ্লব চুদিয়ে এই সিটু বাঞ্চোদরা কল-কারখানা বন্ধ করিয়েইছিল যাতে গরীবী সাসটেইন করে।
এদের বিশ্বাস করতেই পারেন। কিন্তু তারপর গাজিয়াবাদের সেকুলার সূর্যর মত জবাই হলে, কাঁদবেন না।

আজ আপনাদের একটা গোপন তথ্য দিয়ে যাই। যারা বুদ্ধকে হীরো বানান তাদের জন্য।

সিপিয়েম চায়নি এরাজ্যে বিনিয়োগ আসুক। বুদ্ধ একজন আপাদমস্তক মেগালোম্যানিয়াক ফুটেজখোর ছিল। সে চেয়েছিল ফুটেজ খেতে, এবং আদতে বিনিয়োগ না আসাতে। সেই কারণেই অতদিন ধরে অ্যালাও করেছিল ঐ অনশনের নাটক।
গরীবী কার্ড ছাড়া লেফ্ট পলিটিক্স চলে না। এখন একটাই জিনিস দেখার, সেটা হল এই ম্যালিগন্যান্সিকে কোন কেমো দিয়ে কাউন্টার করে রাজ্যসরকার।

আগামীতে প্রতিটি জিনিস নিয়ে ঠিক এরকমই চুতিয়াপ্পা হবে। ঠিকঠাক কেমো না দিলে, ভোটবাজারির জন্য ইতঃস্তত করলে, কোনো বিনিয়োগ এখানে আনা সম্ভব নয়।

হ্যাঁ রেলের জমি, রেলকে পয়সা দিয়ে, রেলের টেন্ডার অনুযায়ীই ব্যবহৃত হবে। যাদের সমস্যা তারা রেল‌ বয়কট করুন। এনক্রোচার ক্রিমিনালদের অ্যারেস্ট করা উচিৎ ছিল। এমনকি এক ঘা করে জুতো হলেও ভালো লাগত। গোড়িবরা এতদিন ধরে পরের ধনে পোদ্দারি করে যা কামিয়েছে তাই নিয়ে নাহয় পাঁচবছর কাটাক।

এবং বিজেপির উচিৎ অতিরিক্ত গণতন্ত্র না চুদিয়ে সিপিয়েমের মতই হিসাব রাখা যে কোন কোন গোড়িব এই চুতিয়াদের সাথে নাচছে। তারা যেন আপকামিং স্কীমে একটু বেশী করে ভেরিফায়েড হয়। যদি এগুলো না করে, সর্বসম গণতন্ত্র মারায়, তাহলে আল্টিমেটলি ভোট ফোট পাবার আশা করে লাভ নেই, সমাজসংস্কারক হিসাবেই বিদায় হয়ে যাবে।

ছবিতে সবুজ দাগ দেওয়া এই মানুষটিকে চেনেন?? ইনি জনাব মোস্তাফিজুর রহমান রানা মুর্শিদাবাদের ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক...
01/06/2026

ছবিতে সবুজ দাগ দেওয়া এই মানুষটিকে চেনেন?? ইনি জনাব মোস্তাফিজুর রহমান রানা মুর্শিদাবাদের ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক। সিপিএম দলের একমাত্র বিধায়ক ইনিই আপাতত রাজ্যে বামেদের শূন্যের খরা কাটিয়ে এবং উনি মুসলিম মহিলাদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলাপ করে দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত ওই বিধানসভার ৯১% ভোটার ইসলাম ধর্মাবলম্বী ও জনসংখ্যার মধ্যে এটা ৯২% এর একটি বেশি।

মুসলমানরা কিন্তু হিন্দুদের মত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ১২ পাতার বলে চিল্লামিল্লি, কান্নাকাটি করছে না। তারা জানে করে লাভ নেই বরং চুপচাপ ফরম ফিল আপ করছে, বংশ বৃদ্ধি করছে ও অপেক্ষা করছে সুযোগের কখন কেন্দ্রে বিজেপি একটু চাপে পড়ে আর রাজ্য স্তরে তারা সুবিধাজনক জন বিন্যাস লাভ করে। এর মধ্যেই এই মুসলমানরা উচ্চ আদালত থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এসেছে তিলজ লার ব্যাপারে বেআইনি নির্মাণ রক্ষা করতে, হাওড়া স্টেশনের কাছে তাদের বেআইনি দোকান ও বসতি রক্ষা করতে।

তারা ইতিমধ্যেই আইনি ভাবে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে রাজ্য সরকার অসমের মত জন্ম নিয়ন্ত্রণ না করলে সরকারি ভাতা, চাকরি তে বসা, পঞ্চায়েতে নির্বাচনে দাঁড়ানো বন্ধ করে দেওয়ার নিয়ম জারি করলে। ইতিমধ্যেই তারা তাদের নিজেদের এলাকায় উচ্ছেদ আটকাবার ব্যাপারে আদালত এ দ্বারস্থ হওয়ার ব্যবস্থা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩৩ লাখ ভোটার যাদের নির্বাচন কমিশন ধরেছিল তারা জুডিশিয়াল রিভিউ তে বেরিয়ে গেছে এদের করা আইনি লড়াইয়ের কারণে।

হিন্দুদের যেটা দরকার সেটা হল সরকার ভুল সিদ্ধান্ত নিলে সেটা নিয়ে সামাজিক সংগঠন বানিয়ে সরকার কে চাপ দেওয়া। মুসলমান যেটা বরাবরই দিয়ে থাকে ফলে বিজেপি আমলেও সরকারি সুযোগ সুবিধা পায়। হিন্দুদের উচিত পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষিত যুবক দের অশিক্ষিত অল্প শিক্ষিত মহিলাদের ফরম ফিলাপ সাহায্য করা। এই সহজ কাজটুকু যদি এস আয় আর এর সময় করা যেত তাহলে দ্বিতীয় দফায় সাড়ে পাঁচ লাখ আর তৃতীয় দফায় লাখ দশেক হিন্দুর নাম বাদ যেত না।

জয় শ্রীরাম।

29/05/2026

বাংলাদেশের শরীয়তপুরে এই সন্তানদের সামনে তাদের মা কে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। এই সন্তানরা আজও এই ট্রমা কাটিয়ে উঠতে পারে নাই।

এভাবেই প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে হিন্দুদের ধর্ষণ, হত্যা, জমি দখল, ডাকাতি ও লুটপাট করা হচ্ছে। বাংলাদেশ যেন হিন্দুদের জন্য নরক।

29/05/2026

যেসব হিন্দুরা বাকরখানী খেয়ে থাকেন তারা এখনই সতর্ক হোন। বাকরখানীতে গরুর চর্বি মেশানো থাকে।
#বাকরখানী

Address

Ramna Kali Mandir & Ma Anandamoyi Ashram
Kolkata
700001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jago Hindu জাগো হিন্দু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share