02/06/2026
গত ৪৯ বছর ধরে এরাজ্যে গরীবচোদ হবার প্রিভিলেজ,
১. আপনি যদি গরীব হন, তাহলে রাজনৈতিক দাদা ধরে, তাদের ভোটব্যাঙ্ক হয়ে যান। তারপর যে কোনো জায়গা, জবরদখল করুন। রাজনৈতিক দাদাদের তোলা দিন, এবং অন্যের বৈধ জমি মেরে খেতে থাকুন। আপনি গরীব তাই আপনি শুয়োরের বাচ্চা হলেও, আপনার সব ক্রাইম বৈধ।
২. আপনি গরীব। তাই অনেক বাচ্চা দিন। রাস্তায় ভিক্ষা করতে পাঠান। যারা নিজ যোগ্যতয় দু পয়সা কামিয়েছে, তারা যেহেতু গরীব নয়, তাই ক্রিমিনাল, অতএব তাদের প্রথমে চমকান, তারপর যদি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তখন "এতগুলো বাচ্চা পেড়েছি, তারা কি খাবে গো, আমরা গরীব গো।" বলে সুপারহিট যাত্রাপালা নামান।
৩. আপনি গরীব, অতএব আপনি অনুপ্রবেশ করতেই পারেন। যারা গরীব নয়, তারা যেহেতু অপরাধ করে ফেলেছে গরীব না হয়ে, তাই যেহেতু তারা আপনাদের ক্রীতদাস, অতএব তাদের ট্যাক্সের টাকায় আপনার মত শুয়োরের বাচ্চা গরীব অনুপ্রবেশকারী এক ডজন বাচ্চা পালবে। কারণ, আপনি তো গরীব।
৪. আপনি গরীব। অতএব আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত আছে সেসব জানতে চাওয়া যাবে না। কারণ আপনি তো গরীব।
৫. আপনি গরীব, তাই যে লোকটা আইন মেনে ব্যবসা করছে, বা বাড়ি করেছে, তার দোকান বা বাড়ির সামনে বসে পড়ুন।সে তো গরীব নয়। তাই তার গাঁড় মারা যাক। আপনি গরীব, তাই আপনি দেশ উদ্ধার করে ফেলেছেন।
কিন্তু আপনি পঁয়তাল্লিশ বছর রেলের জমি জবরদখল করে, রেলকে একটা পয়সাও না দিয়ে, আপনার দোকানের সামনে দাঁড়ালে চমকে ধমকে, দোতলা বাড়ি করেও আপনি কেন গরীব?
অবশ্য গরীব থাকলে যদি ক্রাইম করার প্রিভিলেজ পাওয়া যায় তবে সবাই গরীবই থাকতে চায়।
গরু বিকাশের প্রফেশন, তাই সে চোর, খুনী,ধর্ষকের দালালী করে পয়সা নিতে পারে, কিন্তু রেল তার নিজের জমি দিয়ে পয়সা রোজগার করতে পারে না। রেলকে জমি কিনতে হয়েছে যদি কোথাও কারো ব্যক্তিগত জমি থেকে থাকে। সেই পয়সাটা গরীবচোদরা দেয়নি। রেলের আয় গরীবচোদদের থেকে হয় না। যাদের থেকে হয়, তাথা না থাকলে রেল চলবে না।
তো লেফ্টিস্লামিক খানকির ছেলেরা আসলে কি চায়? গরীব চুদিয়ে যেভাবে কারখানায় তালা ঝুলিয়ে এরাজ্যের শিল্প ধ্বংস করেছিল, ঠিক সেভাবেই এখানেও গরীবী চুদিয়ে রেলের উপার্জনের পথ বন্ধ করিয়ে দেওয়া। ভাড়াও বাড়ানো যাবে না, আবার নিজেদের জায়গা থেকে উপার্জনও করা যাবে না, আবার কর্মীসংকোচনও করা যাবে না। ছকটা ভেবে দেখে তারপর ঐ কুত্তার বাচ্চাদের ফাঁদে পড়বেন। এই রাজ্যকে ভিখারী বানানোর এক ও একমাত্র কারিগর সিপিয়েম এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা।
মজার ব্যাপার হল, এতদিন শুয়োরের বাচ্চা লেফ্টিস্লামিক লবি প্রচার করে এসেছে, বিজেপি এলে মুসলমানের সর্বনাশ হবে। বিজেপি সাম্প্রদায়িক। বিজেপি হিন্দু তালিবান।
সবার চোখের সামনে তা বদলে গেল।
কেউ খেয়াল করলেন?
যেহেতু বিজেপি ক্রিমিনাল পেটানোর ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসশমান দেখছে না, অতএব এখন চুপচাপ লাইন শিফ্ট।
এখনকার গল্প "বিজেপি বড়লোকের পার্টি"... জাহাঙ্গীর গরীব, তৃণমূলের কোটিপতি কাউন্সিলররা গরীব, দেবরাজ গরীব, তাই বিজেপি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আর গরীবদরদী গরুবিকাশ তাদের দালালী করতে নামছে। মজার না শুনতে?
কদিন বাদে নতুন স্কীম আসবে। তখন ফের "বিজেপি উগ্র হিন্দু পার্টি.." এতে শিফ্ট করবে।
এই শুয়োরের বাচ্চাদের যারা বিশ্বাস করছেন তাদের আবারও ভেজলিন ছাড়া পোঙা মারা যাবে। এই শুয়োরের বাচ্চারা গরীবী ফ্যান্টাসাইজ করে। বিপ্লব চুদিয়ে এই সিটু বাঞ্চোদরা কল-কারখানা বন্ধ করিয়েইছিল যাতে গরীবী সাসটেইন করে।
এদের বিশ্বাস করতেই পারেন। কিন্তু তারপর গাজিয়াবাদের সেকুলার সূর্যর মত জবাই হলে, কাঁদবেন না।
আজ আপনাদের একটা গোপন তথ্য দিয়ে যাই। যারা বুদ্ধকে হীরো বানান তাদের জন্য।
সিপিয়েম চায়নি এরাজ্যে বিনিয়োগ আসুক। বুদ্ধ একজন আপাদমস্তক মেগালোম্যানিয়াক ফুটেজখোর ছিল। সে চেয়েছিল ফুটেজ খেতে, এবং আদতে বিনিয়োগ না আসাতে। সেই কারণেই অতদিন ধরে অ্যালাও করেছিল ঐ অনশনের নাটক।
গরীবী কার্ড ছাড়া লেফ্ট পলিটিক্স চলে না। এখন একটাই জিনিস দেখার, সেটা হল এই ম্যালিগন্যান্সিকে কোন কেমো দিয়ে কাউন্টার করে রাজ্যসরকার।
আগামীতে প্রতিটি জিনিস নিয়ে ঠিক এরকমই চুতিয়াপ্পা হবে। ঠিকঠাক কেমো না দিলে, ভোটবাজারির জন্য ইতঃস্তত করলে, কোনো বিনিয়োগ এখানে আনা সম্ভব নয়।
হ্যাঁ রেলের জমি, রেলকে পয়সা দিয়ে, রেলের টেন্ডার অনুযায়ীই ব্যবহৃত হবে। যাদের সমস্যা তারা রেল বয়কট করুন। এনক্রোচার ক্রিমিনালদের অ্যারেস্ট করা উচিৎ ছিল। এমনকি এক ঘা করে জুতো হলেও ভালো লাগত। গোড়িবরা এতদিন ধরে পরের ধনে পোদ্দারি করে যা কামিয়েছে তাই নিয়ে নাহয় পাঁচবছর কাটাক।
এবং বিজেপির উচিৎ অতিরিক্ত গণতন্ত্র না চুদিয়ে সিপিয়েমের মতই হিসাব রাখা যে কোন কোন গোড়িব এই চুতিয়াদের সাথে নাচছে। তারা যেন আপকামিং স্কীমে একটু বেশী করে ভেরিফায়েড হয়। যদি এগুলো না করে, সর্বসম গণতন্ত্র মারায়, তাহলে আল্টিমেটলি ভোট ফোট পাবার আশা করে লাভ নেই, সমাজসংস্কারক হিসাবেই বিদায় হয়ে যাবে।