Dear Doctor

Dear Doctor Disease Prevention is THE GOAL. In present era, most of the diseases are due to our modern lifestyles, stress, addiction, poor sleep quality and bad food habit.

All these non-communicable diseases can be prevented with great extent by changing our habit.

বহুদিন পর একজন ডাক্তারবাবু,  স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্যার। অসংখ্য অভিনন্দন স্যার। আপনার মত অভিভাবক-এর...
10/06/2026

বহুদিন পর একজন ডাক্তারবাবু, স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্যার। অসংখ্য অভিনন্দন স্যার। আপনার মত অভিভাবক-এর তত্ত্বাবধানে, ডাক্তার-রোগী সম্পর্ক পুনরায় হয়ে উঠুক ভরসা ও বিশ্বাসে ভরপুর।
আপনার লড়াই, আপনার আত্মবিশ্বাস আমাদের কাছে অজানা নয়। কুর্নিশ আপনার ভাবনা-চিন্তা'র প্রসারতা-কে।

10/06/2026
একটা শিক্ষানগরী বানাতে পারবেন? যে শিক্ষানগরীতে শুধু শিক্ষার চাষ হবে। একই রকমভাবে আরও একটা চিকিৎসা-নগরী? যেখানে চিকিৎসার ...
10/06/2026

একটা শিক্ষানগরী বানাতে পারবেন? যে শিক্ষানগরীতে শুধু শিক্ষার চাষ হবে।
একই রকমভাবে আরও একটা চিকিৎসা-নগরী? যেখানে চিকিৎসার উৎকর্ষ সাধনের জন্য গবেষণা হবে।
মানে, কেন এত কথা বলছি?
ধরুন, নিয়ম-টা হল শিক্ষক-রা
শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য কোন পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না।
শিক্ষক শুধু মাত্র
শিক্ষামূলক প্রফেশনের সাথে যুক্ত থাকবেন।
ধরুন একজন শিক্ষক
বই লিখতে পারবেন। ছাপাতে পারবেন।
টিউশন বা কোচিং করাতে পারবেন।
স্কুল খুলতেও পারবেন সেই শিক্ষানগরী-তে।
সেই স্কুলে আরও শিক্ষক ( বেকার যুবক, যুবতী) তৈরী করে, তাদের নিয়োগ দিতে পারবেন।

কিন্তু শিক্ষক, পাট-এর ব্যবসা করতে পারবেন না। দিনভর শেয়ার মার্কেট-এ ডুবে থাকতে পারবেন না।

এখনকার নিয়ম হল, শিক্ষক এক্সপার্ট-ইমপোর্ট ব্যবসা করতে পারবেন। সুদের ব্যবসা করতে পারবেন, ইঁট-বালি-সিমেন্ট-এর ব্যবসা করতে পারবেন, জুয়া খেলতে পারবেন,
কিন্তু সমাজের হাওয়া হল, শিক্ষক টিউশন পড়াতে পারবেন না। ব্যপারটি আপনাদের আজব মনে হয় না?

নিয়ম-টা তো এমন হতে পারত যে, শিক্ষক তার অফিস আওয়ার-এর বাইরেও যদি এক্সট্রা কাজ করতে চান, এক্সট্রা ইনকাম করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই শিক্ষামূলক কাজের সাথে যুক্ত থেকেই তা করতে হবে। তিনি যেন জুয়ার কারবারি না হয়ে ওঠেন।

এদিকে নাকি দেশে ডাক্তার কম। বিশেষত গ্রামের দিকে। সরকারি হাসপাতাল-ই একমাত্র ভরসা।
বাকীটা হাতুড়ে ব্যবস্থা।

এখন ডাক্তার যদি জমি-র দালালী করেন,
লোকজন মেনে নেব।
মাছের ভেড়ি করলেও মেনে নেবে।

আমার এক পরিচিত ডাক্তার (কোলকাতা-তেই), জুতোর ব্যবসা করেন।
তাতে কারুর আপত্তি নেই।
হাসপাতালে ডিউটি-র বাইরে,
সে আর ডাক্তারি নিয়ে চর্চা করেন না। চর্চা করেন পশুর চামড়ার কোয়ালিটি নিয়ে৷
প্রাইভেট প্র‍্যাকটিস করলে, ডাক্তার হিসাবে তার কোয়ালিটি উন্নততর-ই হত, অন্তত অবনমন হত না।

নেতা ও জনগণ মিলে,
প্রাইভেট প্র‍্যাকটিস করা-টাকে জনমানসে,
"চুরির ন্যায় অপরাধ" - এরকম একটা ধারণা তৈরী করে দেওয়া হয়েছে।
এত লঘু আত্ম-উপলব্ধি নিয়েই দেশ-টা চলবে?

মানুষের বক্তব্য -
হাসপাতালে ফাঁকি মেরে প্রাইভেট প্র‍্যাকটিস করছে। আচ্ছা একটা কথা ঠাণ্ডা মাথায় ভাবুন।
২জন বা ৩ জন ডাক্তার মিলে
যখন হাসপাতাল গুলো চালু রেখেছেন ডাক্তারবাবুরা, ( ৭ দিন, ২৪ ঘন্টা। ৯:০০-৪:০০ এর অফিস নয়), তখন ফাঁকি মারা সম্ভব?

সাপ কেটেছে, বিষ খেয়েছে, গলায় দড়ি দিয়েছে--- হাসপাতালে নিয়ে গেছেন, ডাক্তার দেখেনি! - এমন হয়েছে?
বড় হাসপাতালে রেফার করতে গেলেও, ডাক্তার-কে সেখানে উপস্থিত থেকেই তা করতে হয়।

পাবলিক নিজে কিছু ধারণা পোষণ করেন। আর বাকী-টা নেতারা ধোঁয়া দিয়ে, হাততালি কুড়োচ্ছেন।

ডাক্তারদের কাজ করার পরিবেশ-টা আর কত বিষাক্ত করবেন? ডাক্তার-রা আর স্বাধীন চিত্তে চিকিৎসা করতে পারছেন না৷ সবসময়ই চাপা ভয়। একদম দমবন্ধ করা পরিবেশ।

পাবলিক, পাবলিকের বুদ্ধি অনুযায়ী কাজ করবে, ভাঙচুর করবে।
আপনারা যারা সমাজের সব অংশের দায়িত্ব নিয়েছেন, তখন আপনারা অন্তত
সক্ষমতা আর অক্ষমতার সাথে,
মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা'র মেলবন্ধনের দায়িত্ব-টা নেবেন তো।।
নচেৎ ডাক্তার-রা বাঁচবে কি করে?
অন-ডিউটি মেডিসিন ডাক্তার যদি
এপেনডিক্স অপারেশনের পেশেন্ট-কে অন্য হাসপাতালে রেফার না করতে পারবেন,
তাহলে কি তারপক্ষে এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন করা সম্ভব?
রেফার করা যাবে না, ফতোয়া দিয়ে দিলেন পাবলিকের সামনে,
খোঁজ নিয়েছেন কি সেই হাসপাতালে সার্জেন ডাক্তার আছেন কি না? থাকলেও একজন সার্জেন কি ৭ দিন ন ২৪ ঘন্টা অন-ডিউটি থাকতে পারবেন?
খোঁজ নিয়েছেন কি, হাসপাতালে অজ্ঞান করার ডাক্তার আছে কি না?
খোঁজ নিয়েছেন কি, হাসপাতালে ব্লাড-ব্যাংক আছে কি না?

না, আপনি কিছুই খোঁজ না নিয়েই ফতোয়া দিয়েছেন, রেফার করা যাবে না।

তাহলে?
মানুষগুলো হাসপাতালেই মারা যাবে?
পৃথিবীর কোন দেশে, এই নিয়ম আছে যে,
খারাপ রোগীকে উচ্চতর হাসপাতালে রেফার করা যাবে না?

বরং এই নিয়ম আছে,
"একজন ডাক্তার যেন কখনই দিনে একটানা ৬ ঘন্টার বেশী ডিউটি করবেন না!"

কিন্তু এদেশে? টানা 36 ঘন্টা, 48 ঘন্টা বা কোথাও কোথাও 96 ঘন্টা ডিউটি না দিলে, হাসপাতাল বন্ধ থাকবে।
দৈনিক ৮ ঘন্টা করে ডিউটি চার্ট করলেই দেখবেন, 4 জন ডাক্তারের পরে আরও ৬ জন ডাক্তার না থাকলে, সপ্তাহে ৭ দিন ডিউটি-চার্ট বানানোই যাচ্ছে না।
বাকী ৩ দিন হাসপাতাল তালাবদ্ধ রাখবেন?

নাইট ডিউটি-র পর কোন ডাক্তার ডে-অফ পান না।
কারণ সে যদি ডে-অফ নেয়, তবে সেইদিন ডিউটি করার মত কেউ থাকছে না।
ডাক্তার-রা চালিয়ে দেয়।
হাসপাতাল ৯ টা 4 টের অফিস নয়।
সন্ধ্যা, মধ্যরাত সবসময়ই ডিউটি রানিং রাখতে হয়।

ডাক্তার-রা একটা সুবিধা নেয়।
টানা ২ দিন বা ৩ দিন হাসপাতাল সামলে দিয়ে, বাকী 4 দিন প্র‍্যাকটিস করে। সেটাই ভারসাম্য। তাতেই হাসপাতাল ৭ দিন সচল থাকে।
৮ ঘন্টা ডিউটি, নাইট অফ, ডাক্তারের পাওনা ছুটি - সব যদি ডাক্তার-রা তাদের প্রাপ্য ছুটির দাবী করে, হাসপাতাল গুলো সত্যিই ডিউটি করার কেউ থাকবে না।
তাই পাবলিক উসকানো বন্ধ করুন।

একটা শিক্ষা-নগর বা চিকিৎসা-নগর বানিয়ে দেখুন।
এমন এনেক শহর আছে, যেখানে গোটা শহর-টাই তৈরী হয়েছে, একটা বিশ্ববিদ্যালয়-কে ঘিরে।
শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্যই সেই শহরের সবকিছু। ক্লাব, পার্ক, খেলার মাঠ, রেষ্টুরেন্ট, জিম সেন্টার, বাজার, চাষাবাদ, কোচিং সেন্টার, গবেষণাগার, পশুখামার, রিয়েল-এষ্টেট।

আর সেখানে জানেন তো?
পলিটিসিয়ান-রা নাক গলায় না,
পাড়ার ক্লাব সেখানে বাড়ী করার চাঁদা চায় না,
শিক্ষক সেখানে এক্সট্রা টাইমে,
ক্লাবে আড্ডা দেয় অংক নিয়ে।
আলোচনা হয় কেমিষ্ট্রি নিয়ে, দর্শন নিয়ে, ইতিহাস নিয়ে।
সেখানে বাস সার্ভিস আছে শিক্ষকদের আর ছাত্রদের হোষ্টেল বা কোয়ার্টারে পৌঁছে দিতে৷

এমনি এমনি একটা দেশ, সামনে এগোয় না!
এমনি এমনি দেশের মানুষের চিন্তা-ভাবনা আরও উচ্চস্তরে পৌঁছে যেতে পারে না।

নিয়ম-টা এমন না-হোক, যে শিক্ষক টিউশন পড়াতে পারবেন না।
বরং টিউশনি বাদ দিয়ে অন্যান্য অশিক্ষা-মূলক পেশায় যেন সে না যায়!
সে যেন সারাদিন শিক্ষা-চর্চার ভিতরে-ই থাকে।
মাংস বিক্রি-র ব্যবসাতে না যায়।

একটা কথা সবাই জানে,
"যে শিক্ষক স্কুলে ভালো ক্লাস নেন, তার কাছেই সকলে এক্সট্রা ভাবে পড়তে যায়। খাজা টিচারের কাছে কেউ যায় না।"
ডাক্তারদেরও তাই। যে খাজা- সে হাসপাতালেও খাজা, প্রাইভেট-এও। যে কাজ জানে, সে সব জায়গাতেই কাজ করে।
আর ইয়ে,
মেডিক্যাল কলেজ-এর প্রফেসর-এর মাইনে যে, ছাত্রছাত্রীদের স্টাইপেন্ড-এর চাইতেও কম,
সেটাও একটু ভাবনা-চিন্তা করুন প্লীজ।

প্রফেসর-রা যদি রুগী দেখতেই ব্যস্ত থাকেন,
ছাত্রদের পড়াশোনা, গবেষণা, খাতা দেখা, গাইড করা,
এই কাজ গুলো-তে প্রফেসর-দের ক্লান্তি আসবে না?

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ডাক্তার, খাঁজা হবে নাকি বিশ্বমানের হবে, তা নির্ভর করে, প্রফেসর কত-টা ক্লান্তিহীন বা চাপ-হীন ভাবে ছাত্রদের পড়াতে পারছেন, কতটা গবেষণা করতে পারছেন, তার উপর।
মেডিক্যাল প্রফেসরের মাইনে যা,
তাতে সে একটা নিজের-বাড়ীও বানাতে পারবে না৷
ভাববেন না? সে Extra income এর জন্য ছুটবে না?
তার সেই অতিরিক্ত সময়ের অতিরিক্ত খাটুনি খেটে, ইনকাম-টাকে চুরির সমতুল পর্যায়ে ফেলবেন না। তিনি ডাক্তারি-টাই করছেন।

আপনারা সরকারি কর্মচারীদের সবদিক দিয়ে বাঁধছেন,
হাসপাতালের লিফট-এর ভিতরে,
পাবলিক এসে পানের পিক ফেলে দিয়ে যায়,
সেই অভ্যাস বন্ধ করার জন্য,
কিছু ভাবতে পারছেন কি?

পাবলিক-কে শুধু তোল্লাই দিলেই হবে?

 #নার্সিং_সবসে_সেক্সুয়ালাইজড_প্রফেশন(Written by   )সোসাইটির ভাবনা ওভার অল নার্সিং প্রফেশন নিয়ে— সোসাইটি মনে করে নার্স ...
10/06/2026

#নার্সিং_সবসে_সেক্সুয়ালাইজড_প্রফেশন
(Written by )
সোসাইটির ভাবনা ওভার অল নার্সিং প্রফেশন নিয়ে— সোসাইটি মনে করে নার্স আর বেশ্যা এক জিনিস। সোসাইটি মনে করে যে নার্স নিয়ে টি.পে ধর এর মতো চটুল যৌন কমেডি করা যায়। সোসাইটি মনে করে নার্স যা যৌনকর্মীও তা। সোসাইটি নার্সদের কর্ম দক্ষতা জ্ঞান সেবা দেখার পরিবর্তে যৌন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। নার্স নিয়ে সোসাইটি চটুল পানু-জোক্স করে কথায় কথায়। রিয়েলিটি শো'তে নামিদামী অভিনেতাদের নার্স সেজে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ হাস্যরস পরিবেশন করা।এরা সবাই নার্সিংকে সেক্সুয়ালাইজড প্রফেশন ভাবে। কঙ্গনা সোসাইটির সেই ভাবনাটাকেই তুলে ধরেছে তাঁর কথায়। অনেকেই এর বিরূপ অর্থ (মিনিং) করছেন।

নার্সিং পেশাকে ঘিরে সমাজের একটি বড় অংশের দৃষ্টিভঙ্গি আজও উদ্বেগজনকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট ও যৌনতাকেন্দ্রিক। আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও নার্সদের পেশাগত দক্ষতা, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং মানবিক সেবাকে প্রায়ই আড়াল করে দেওয়া হয় কিছু পুরনো স্টেরিওটাইপ ও বিকৃত সামাজিক ধারণার মাধ্যমে।

দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন, কমেডি শো এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতির বিভিন্ন মাধ্যমে "নার্স" চরিত্রটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পেশাটিকে সম্মানজনক স্বাস্থ্যসেবা পেশা হিসেবে নয়, বরং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ একটি চরিত্রে পরিণত করেছে। এর ফলে সমাজের অনেক মানুষের মনে নার্সদের সম্পর্কে একটি বিকৃত ধারণা তৈরি হয়েছে, যেখানে তাদের পরিচয় একজন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নয়, বরং একটি "সেক্সুয়ালাইজড" চরিত্র হিসেবে দেখা হয়।

দুঃখজনকভাবে, নার্সদের নিয়ে অশালীন কৌতুক, যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য কিংবা অবমাননাকর তুলনা এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কথাবার্তায় দেখা যায়। এমনকি কিছু বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানেও নার্সের পোশাক ও পরিচয়কে ব্যবহার করা হয় হাস্যরসের উপকরণ হিসেবে, যা শুধু একটি পেশাকেই নয়, সেই পেশার সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের মর্যাদাকেও আঘাত করে।

বাস্তবতা হলো, একজন নার্সের কাজ কেবল রোগীর পাশে দাঁড়ানো নয়; তাকে জটিল চিকিৎসা-প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে হয়, রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করতে হয়, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। অথচ এই কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের পরিবর্তে যদি সমাজ তাদের যৌন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করে, তাহলে তা কেবল নার্সদের প্রতি অবিচার নয়, সমগ্র স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতিও অসম্মান।

সমাজের উচিত নার্সদের নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কার, যৌনতাকেন্দ্রিক স্টেরিওটাইপ এবং অবমাননাকর রসিকতার বিরুদ্ধে সচেতন হওয়া। একজন নার্সকে তার পোশাক, লিঙ্গ বা সামাজিক ধারণার ভিত্তিতে নয়, তার জ্ঞান, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং মানবসেবার অবদানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত। কারণ নার্সিং কোনো যৌনায়িত পরিচয় নয়; এটি মানবজীবন রক্ষা, সেবা এবং পেশাগত দক্ষতার এক মহৎ দায়িত্ব।















#নার্সদের_সম্মান_দিন
#নার্সিং_পেশার_মর্যাদা_রক্ষা_করুন
#নার্সিং_যৌনায়নের_বিরুদ্ধে
#নার্স_নয়_স্টেরিওটাইপ
#নার্সিং_হল_মানবসেবা
#নার্সদের_পাশে_দাঁড়ান
#নার্সদের_সম্মান_করুন

সাংবাদিক মাসুদ কামাল ভাই আমার বহুদিনের পরিচিত, প্রিয়জনও বটে। সাহসী মানুষ। সাংবাদিক হিসেবে তাঁর ক্রিটিক্যাল এনালাইসিস আমা...
10/06/2026

সাংবাদিক মাসুদ কামাল ভাই আমার বহুদিনের পরিচিত, প্রিয়জনও বটে। সাহসী মানুষ। সাংবাদিক হিসেবে তাঁর ক্রিটিক্যাল এনালাইসিস আমার কাছে বেশিরভাগ সময়েই ভাল লাগে। সাংবাদিকতা জীবনের শুরুতে তিনি হেলথ নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। সে সময় আমরা একই হাউজে ছিলাম।

মাসুদ কামাল ভাইয়ের এই মন্তব্যটি সকাল সকাল আমার চোখে পড়ল। কোন দায়িত্বশীল পেশাজীবীর মন্তব্য যে এটা হয়নি আমার ধারণা তিনি নিজেও সেটা বুঝবেন। এই ভাষায় মিডিয়াতে কথা বলা যায় কিনা সেই বিচারের ভার তাঁর ও তাঁর সহকর্মীদের হাতেই তুলে দিলাম।

ধরেই নিলাম একজন সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি কথাটা বলেছেন।

যে কথাটার প্রেক্ষিতে তিনি এটা বলেছিলেন সেটা হলো - "বাংলাদেশের একজন ডাক্তার রোগীর ভাত খাওয়ার টাকা আছে কিনা সেটা বিবেচনা না করেই এক হাজার টাকা দামের ওষুধ লিখে দেন৷ "

ভাই, একজন রোগীর ভাত খাওয়ার টাকা আছে কিনা সেটা কি একজন ডাক্তারের বোঝার কথা? এই দায় কি ডাক্তারের! বা শুধুই ডাক্তারের!!

রাষ্ট্রের একজন নাগরিকের ভাত খাওয়ার টাকা নাই এর দায়িত্ব তো রাষ্ট্রের, সরকারের,সমাজের। ডাক্তারের কাজ তো সঠিক চিকিৎসাটি দেওয়া। এবং অবশ্যই আপডেটেড চিকিৎসাটি দেওয়া।

এবার আপনাকে একটা কেইস স্টাডি বলি।

সন্ধ্যার পর বাসার কাছের একটি হাসপাতালে আমি মূলত জেনারেল প্র‍্যাক্টিস করি। তুলনামূলক কম টাকায় কমিউনিটি সার্ভিস দেই। এটি আমার বহু পুরনো চর্চা৷ বিশেষজ্ঞ হবারও অনেক আগের। মূলত আশেপাশের পরিচিত বা পরিচিতর পরিচিত রোগীদেরকেই দেখি।

সপ্তাহ দুয়েক আগে একজন সিএনজি ড্রাইভার তার ছেলেকে আমার কাছে নিয়ে আসেন। জ্বরের রোগী। আমি উপসর্গ ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বুঝলাম এই রোগীটির টাইফয়েড। মুখে খাওয়ার তুলনামূলক সস্তা এন্টিবায়োটিক দিলাম। তিনদিন পর আবার এলো। মুখ বেজার করে বললেন কাজ তো হইলোনা স্যার। তিন দিনে জ্বর একটু তো কমবে। কিছুই কমেনাই।

কুঁচকানো ভ্রু দেখেই বুঝলাম কি বলতে চাচ্ছেন। আমি কালচার পরীক্ষা দিলাম। তুলনামূলক ব্যায় বহুল। স্ট্যান্ডার্ড প্র‍্যাক্টিস হলো এটা আগেই দিয়ে দেওয়া। যেহেতু আমি জনদরদী ডাক্তার হতে চেষ্টা করেছি, আর রোগীর বাবাও বলেছে আমি সিএনজি ড্রাইভার - তাই রোগীর খরচ বাঁচাতে সেটা দেইনি।
কালচার রিপোর্টে দেখলাম টাইফয়েড৷ এবং দুইটি বিশেষ ইনজেকশন ছাড়া কাজ করবেনা। এদের একেকটির দাম ৭০০ টাকার উপরে। দিনে তিনটি করে দিলে ২১০০ টাকা৷

এখন বলেন, আমার কি করা উচিত?

উল্লেখ করা দরকার বাংলাদেশে টাইফয়েড একটি খুবই কমন অসুখ। আমি ক্যান্সারের রোগীর উদাহরণ দিলামই না। তাহলে হিসাব নিকাশ উলটে যাবে।

মাসুদ কামাল ভাই, রাষ্ট্রের ব্যার্থতার দায় আপনি ডাক্তারদের উপর চাপাতে চাচ্ছেন। আমার তো জানার কথাও না রোগীর আর্থিক সামর্থ কি? আমার তো বায়াসড না হয়েই চিকিৎসা করতে পারার কথা। উন্নত দেশে তো সেটাই হয়৷ রোগীর বীমা থাকবে। গভমেন্টের দায়িত্ব থাকবে।

আপনি বলেছেন, ডাক্তাররা কম দামী ওষুধ রেখে দামী বিদেশী ওষুধ লেখে। বাংলাদেশে বিদেশী ওষুধ এখন নাই বললেই চলে। বিশেষ কিছু ওষুধের বাইরে বাকি সব দেশী ওষুধই চলে। এবং আপনাদের ধারণাই নেই দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের চিকিৎসা ও অর্থনৈতিক খাতে কি বিপ্লবটা ঘটিয়ে ফেলেছে। ভ্যাক্সিন, বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্ট, ক্যান্সারের ওষুধের দাম তিন ভাগের এক ভাগ হয়ে গেছে এইসব দেশীয় কোম্পানির কারণে। বিদেশী অনেক কোম্পানি ব্যাবসা গুটিয়ে নিয়েছে।

তাদের কিছু মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি অত্যন্ত আপত্তিকর। আমরা অনেক চেষ্টা করছি সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। কিন্তু সব কিছুর দায়ভার এক চেটিয়া ডাক্তারদের উপর দিলেন!

This is unfair.

লেখা:
Dr. Gulzar Hossain Ujjal

ফল খাওয়ার দেখ নিন, ওই ফল আপনার শরীরে কত-টা সুগার বাড়াতে পারে?
06/06/2026

ফল খাওয়ার দেখ নিন, ওই ফল আপনার শরীরে কত-টা সুগার বাড়াতে পারে?

তাহলে পাঁচ-টা মানুষের সাথে পরিচয় হবে, নতুন কাজের সন্ধান পাবে।
04/06/2026

তাহলে পাঁচ-টা মানুষের সাথে পরিচয় হবে, নতুন কাজের সন্ধান পাবে।

 #গ্রামের_প্রান্তিক_হাসপাতাল_গুলো
03/06/2026

#গ্রামের_প্রান্তিক_হাসপাতাল_গুলো

Address

Kolkata
700030

Opening Hours

Monday 9am - 8pm
Tuesday 9am - 8pm
Wednesday 9am - 8pm
Thursday 9am - 8pm
Friday 9am - 8pm
Saturday 9am - 8pm
Sunday 9am - 8pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dear Doctor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dear Doctor:

Share