Purvanchal Kalyan Ashram Dakshin Banga

Directions Website

Purvanchal Kalyan Ashram Dakshin Banga Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Purvanchal Kalyan Ashram Dakshin Banga, Nonprofit Organization, Kalyan Bhawan, 29 Wards Institution Street, Maniktala Post Office, KOLKATA.

"অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রম" জনজাতি সমাজের সার্বিক বিকাশ, যথা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্বাবলম্বন, অধিকার এবং ধর্ম-সংস্কৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ করে। দক্ষিণবঙ্গে কল্যাণ আশ্রমের কাজ "পূর্বাঞ্চল কল্যাণ আশ্রম" নামে ১৯৭৮ সালে শুরু হয়ে সফলতার সঙ্গে চলছে।

সকলকে জানাই রাখি বন্ধন উৎসবের হার্দিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
28/08/2026

সকলকে জানাই রাখি বন্ধন উৎসবের হার্দিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

ব্যক্তি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু বিচার ও আদর্শ অমর। সেই অমর ত্যাগের প্রতীক 'গৈরিক ধ্বজ'-কে জানাই কোটি কোটি প্রণাম। শুভ গুরু প...
29/07/2026

ব্যক্তি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু বিচার ও আদর্শ অমর। সেই অমর ত্যাগের প্রতীক 'গৈরিক ধ্বজ'-কে জানাই কোটি কোটি প্রণাম।

শুভ গুরু পূর্ণিমা! 🚩


মাতৃভূমি, সংস্কৃতি ও আত্মসম্মান রক্ষার্থে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গকারী হুল বিদ্রোহের অমর নায়ক সিধু-কানু, চাঁদ-ভৈরব সহ সকল ব...
30/06/2026

মাতৃভূমি, সংস্কৃতি ও আত্মসম্মান রক্ষার্থে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গকারী হুল বিদ্রোহের অমর নায়ক সিধু-কানু, চাঁদ-ভৈরব সহ সকল বীরকে হুল ক্রান্তি দিবসে জানাই শত শত প্রণাম।


#हूल_दिवस
#तू_मैं_एक_रक्त

আজ একটি বছর কেটে গেল, কিন্তু শূন্যতা রয়ে গেছে আগের মতোই। 🌼উত্তম দা, নামের মতোই আপনি ছিলেন একজন 'উত্তম' মানুষ। আপনি শুধু ...
22/06/2026

আজ একটি বছর কেটে গেল, কিন্তু শূন্যতা রয়ে গেছে আগের মতোই। 🌼

উত্তম দা, নামের মতোই আপনি ছিলেন একজন 'উত্তম' মানুষ। আপনি শুধু একজন সুদক্ষ সংগঠক বা সঙ্ঘের প্রচারক ছিলেন না, ছিলেন আমাদের জীবনের এক স্নেহময় অভিভাবক। পূর্বাঞ্চল কল্যাণ আশ্রমের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি যেভাবে আপনি সহজে মানুষের মন বুঝে নিতেন, তা সত্যিই বিরল। আপনার সততা, নিষ্ঠা এবং অমূল্য উপদেশগুলো আজও আমাদের চলার পথের সবচেয়ে বড় পাথেয়।

আপনার প্রথম প্রয়াণ দিবসে স্মৃতির উদ্দেশ্যে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।

ওঁ শান্তি 🙏🌺

#तू_मैं_एक_रक्त

হিন্দু সাহিত্যে ‘বনবাসী’ শব্দ: ভারতীয় জনজাতীয় সমাজের প্রাচীন পরিচয় ☘️ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অত্যন্ত প্রাচীন এবং ব্য...
13/06/2026

হিন্দু সাহিত্যে ‘বনবাসী’ শব্দ: ভারতীয় জনজাতীয় সমাজের প্রাচীন পরিচয় ☘️

ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অত্যন্ত প্রাচীন এবং ব্যাপক। এই ঐতিহ্যে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী, সম্প্রদায় এবং জীবনযাত্রার সসম্মান উল্লেখ পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো – ‘বনবাসী’, যার অর্থ হলো বনে বসবাসকারী। এই শব্দটি কেবল আধুনিক সামাজিক আলোচনার বিষয় নয়, বরং এর শিকড় ভারতীয় সংস্কৃতি, সংস্কৃত সাহিত্য এবং হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যের গভীরে প্রোথিত।
সংস্কৃতে ‘বনবাসী’ শব্দটি ‘বন’ এবং ‘বাস’ ধাতু থেকে তৈরি হয়েছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো – বনে বসবাসকারী ব্যক্তি। সংস্কৃত অভিধানে ‘বনবাসিন্’ শব্দটি বন-নিবাসী বা বনে বসবাসকারী মানুষদের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে ভারতীয় সাহিত্যে প্রাচীনকাল থেকেই বনবাসীদের উল্লেখ হয়ে আসছে।

হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ এবং মহাভারতে বনবাস ও বন-জীবনের ব্যাপক বর্ণনা পাওয়া যায়। ভগবান শ্রীরাম চৌদ্দ বছরের বনবাস স্বীকার করেছিলেন এবং এই সময়ে বনাঞ্চলে বসবাসকারী অনেক সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। একইভাবে মহাভারতে পাণ্ডবদের বনবাসের প্রসঙ্গ বিখ্যাত। যদিও এই গ্রন্থগুলিতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উল্লেখ তাদের নির্দিষ্ট নামে করা হয়েছে, তবুও বনে বসবাসকারী সমাজের প্রতি শ্রদ্ধা ও আত্মীয়তা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

গোস্বামী তুলসীদাস রচিত শ্রীরামচরিতমানস-এ ‘বনবাসী’ শব্দের প্রত্যক্ষ উল্লেখ পাওয়া যায়। অযোধ্যাকাণ্ডে চিত্রকূটের প্রসঙ্গে তুলসীদাস লিখেছেন—
“কোল কিরাত ভিল্ল বনবাসী।
মধু সুচি সুন্দর স্বাদু সুধা সী॥”
এই চৌপাঈতে কোল, কিরাত, ভীল এবং বনবাসী সম্প্রদায়ের অত্যন্ত সম্মানজনক বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁরা ভগবান শ্রীরাম এবং তাঁর সাথে আসা মানুষদের জন্য মধু, কন্দ, মূল ও ফল নিয়ে আসেন। এই প্রসঙ্গটি প্রমাণ করে যে ভারতীয় ঐতিহ্যে বনবাসী সমাজকে সাংস্কৃতিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মনে করা হয়েছে।

প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে বনবাসীদের জন্য ‘আটবিক’, ‘কিরাত’, ‘শবর’, ‘নিষাদ’ এবং ‘পুলিন্দ’-এর মতো শব্দও পাওয়া যায়। এই সবকটিই বনাঞ্চলে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের পরিচায়ক। সময়ের সাথে সাথে ‘বনবাসী’ শব্দটি এই সম্প্রদায়গুলির জন্য একটি ব্যাপক ও সম্মানজনক অভিব্যক্তি হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।

আজ ভারতের জনজাতীয় ঐতিহ্যগুলি দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, প্রকৃতি-পূজা, লোকজ্ঞান এবং সামাজিক সম্প্রীতির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ‘বনবাসী’ শব্দটি কেবল তাদের ভৌগোলিক জীবন-ক্ষেত্রকেই প্রকাশ করে না, বরং ভারতীয় সভ্যতায় তাদের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অবদানের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়।

সুতরাং এটি স্পষ্ট যে ‘বনবাসী’ শব্দটি ভারতীয় এবং হিন্দু সাহিত্যিক ঐতিহ্যে বিদ্যমান এবং এর সম্পর্ক সেই জনজাতীয় সম্প্রদায়গুলির সাথে, যারা যুগ যুগ ধরে ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনা এবং প্রকৃতি-সম্মত জীবনবোধকে সমৃদ্ধ করেছে।

#तू_मैं_एक_रक्त

গত ৯ই জুন ২০২৬ পশ্চিম পুরুলিয়া জেলার নিবেদিতাছাত্রী নিবাসে ভগবান বিরসা মুন্ডা বলিদান দিবস পালন করা হলো।  #तू_मैं_एक_रक्...
10/06/2026

গত ৯ই জুন ২০২৬ পশ্চিম পুরুলিয়া জেলার নিবেদিতা
ছাত্রী নিবাসে ভগবান বিরসা মুন্ডা বলিদান দিবস পালন করা হলো।

#तू_मैं_एक_रक्त

বনবাসী মহানায়ক বিরসা মুন্ডা ☘️ঝাড়খণ্ডের জনজাতি দম্পতি সুগনা এবং করমীর ঘরে ১৫ নভেম্বর ১৮৭৫ সালে জন্মগ্রহণকারী বিরসা মুন...
09/06/2026

বনবাসী মহানায়ক বিরসা মুন্ডা ☘️

ঝাড়খণ্ডের জনজাতি দম্পতি সুগনা এবং করমীর ঘরে ১৫ নভেম্বর ১৮৭৫ সালে জন্মগ্রহণকারী বিরসা মুন্ডা সাহসের কালিতে পুরুষার্থের পৃষ্ঠায় শৌর্যের শব্দাবলি রচনা করেছিলেন। তিনি হিন্দু ধর্ম এবং খ্রিষ্টান ধর্ম গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছিলেন এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে জনজাতি সমাজ মিশনারিদের দ্বারা বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং ধর্মান্তরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তারা হিন্দু ধর্মকে না ঠিকমতো বুঝতে পারছে, আর না গ্রহণ করতে পারছে। অথচ এর মধ্যেই সকলের মঙ্গল নিহিত রয়েছে।
বিরসা মুন্ডা অনুভব করেছিলেন যে, আচরণের দিক থেকে জনজাতি সমাজ কুসংস্কারের ঝড়ে খড়ের মতো উড়ছে এবং বিশ্বাসের ক্ষেত্রে পথভ্রষ্ট হয়ে পড়েছে। তিনি এও উপলব্ধি করেছিলেন যে, সামাজিক কুপ্রথার কুয়াশা জনজাতি সমাজকে জ্ঞানের আলো থেকে বঞ্চিত করেছে। ধর্মের দ্বন্দ্বে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ অনেক সময় মিশনারিদের প্রলোভনে পড়ে যায়, যা সম্পূর্ণ ভুল।
ভারতীয় জমিদার ও জায়গিরদার এবং ব্রিটিশ শাসকদের শোষণের যাঁতাকলে জনজাতি সমাজ পিষ্ট হচ্ছিল। বিরসা মুন্ডা জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদের শোষণের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তাদের তিনটি স্তরে সংগঠিত করা প্রয়োজনীয় বলে মনে করেছিলেন।

প্রথমটি ছিল সামাজিক স্তরে, যাতে জনজাতি সমাজ কুসংস্কার এবং কুপ্রথার জাল থেকে মুক্ত হয়ে ভণ্ডামির খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। এর জন্য তিনি জনজাতিদের পরিচ্ছন্নতার সংস্কার শিখিয়েছিলেন। শিক্ষা এবং সহযোগিতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন।
সামাজিক স্তরে জনজাতিদের এই জাগরণে জমিদার-জায়গিরদার এবং তৎকালীন ব্রিটিশ শাসন তো ক্ষুব্ধ হয়েছিলই, পাশাপাশি ভণ্ড ওঝা-গুণিনদের ব্যবসাও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এরা সবাই বিরসা মুন্ডার বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিল। তারা ষড়যন্ত্র করে বিরসাকে ফাঁসানোর চক্রান্ত শুরু করেছিল।

দ্বিতীয়টি ছিল আর্থিক স্তরে সংস্কার, যাতে জনজাতি সমাজকে জমিদার এবং জায়গিরদারদের অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্ত করা যায়। বিরসা মুন্ডা যখন সামাজিক স্তরে জনজাতি সমাজের মধ্যে চেতনা জাগ্রত করেছিলেন, তখন আর্থিক স্তরে সমস্ত জনজাতি শোষণের বিরুদ্ধে নিজেরাই সংগঠিত হতে শুরু করেছিল। জনজাতিরা "বেগার প্রথা"-র বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলন করেছিল। ফলস্বরূপ, জমিদার এবং জায়গিরদারদের বাড়ি, খেত এবং বনভূমিতে কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

তৃতীয়টি ছিল রাজনৈতিক স্তরে জনজাতিদের সংগঠিত করা। যেহেতু তিনি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক স্তরে জনজাতিদের মধ্যে চেতনার স্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তাই রাজনৈতিক স্তরে তা আগুনে পরিণত হতে দেরি হয়নি। জনজাতিরা তাদের রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়েছিল। ব্রিটিশ সরকার একে বিপদের সঙ্কেত মনে করে বিরসা মুন্ডাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে ইংরেজরা তাঁকে ধীর-গতির বিষ প্রয়োগ করেছিল। যার কারণে ৯ জুন ১৯০০ সালে তিনি শহিদ হন।

ভারতীয় ইতিহাসে বিরসা মুন্ডা এমন একজন নায়ক ছিলেন, যিনি ভারতের ঝাড়খণ্ডে তাঁর বিপ্লবী চিন্তাধারার মাধ্যমে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে জনজাতি সমাজের দশা ও দিশা পরিবর্তন করে এক নতুন সামাজিক ও রাজনৈতিক যুগের সূত্রপাত করেছিলেন। কালো আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে গভীর সংকটে ফেলে দিয়েছিলেন।
বিরসা মুন্ডা আক্ষরিক অর্থেই পরাক্রম এবং সামাজিক জাগরণের দিক থেকে তৎকালীন যুগের একলব্য এবং স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন।

মহানায়ক বিরসা মুন্ডার বলিদান দিবস ৯ জুনে আসুন আমরা সংকল্প করি যে, সমস্ত কুপ্রথা দূর করে আমরা একটি সংগঠিত হিন্দু সমাজ গঠন করব।


#तू_मैं_एक_रक्त

আজ ২৪ শে মে ২০২৬ ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ জী রাজধানী দিল্লির লালকেল্লা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল জনজাতি...
24/05/2026

আজ ২৪ শে মে ২০২৬ ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ জী রাজধানী দিল্লির লালকেল্লা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল জনজাতি সাংস্কৃতিক সমাগম অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন যে, বনবাসী কল্যাণ কুম্ভে, জনজাতি কল্যাণ কুম্ভে লক্ষ লক্ষ মানুষ উপস্থিত হয়েছেন। জনজাতিদের মহাকুম্ভ হওয়ার কারণে এই জনজাতি সমাগম আগামী বহু বছর ধরে পরিচিত হয়ে থাকবে।
অমিত শাহ জী বলেন যে, আজ দিল্লিতে দেশের প্রতিটি রাজ্য থেকে আসা ৫০০-এর বেশি জনজাতির সম্মান এবং এই সমাগম বছরের পর বছর ধরে মনে রাখা হবে। তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ড থেকে গুজরাট পর্যন্ত এবং সমগ্র ভারতে জনজাতিদের সম্মান দেওয়াই আমাদের দেশ, আমাদের ধর্মই প্রকৃত ধর্ম, আমাদের জঙ্গলের উপর কেউ দখলদারি করতে পারবে না। ভগবান বিরসা মুন্ডা এই বার্তাই পৌঁছে দিয়েছিলেন। জল, জঙ্গল ও পাহাড় হলো আস্থার কেন্দ্র।
অমিত শাহ বলেন যে, এই বছরটি ভগবান বিরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মবার্ষিকীর বছর। জনজাতি সম্প্রদায়ের জীবনই হলো জল ও জঙ্গল। তিনি বলেন যে, বর্তমানে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যে, ইউসিসি (UCC) জনজাতিদের তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে বাঁচার অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে। অমিত শাহ জী বলেন যে, আজ তিনি এই মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের মূল মন্ত্র হিসেবে স্পষ্ট করে দিতে চান যে, ইউসিসি-র কোনো বিধিনিষেধ বা বাধ্যবাধকতা বনবাসী জগৎ বা কোনো বনবাসী ব্যক্তির ওপর কার্যকর হবে না। বিজেপি জনজাতিদের কল্যাণের হিতৈষী।
তিনি বলেন যে, মোদী সরকারের আমলেই নকশাল সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি মিলেছে। অমিত শাহ বলেন, জনজাতিদের উন্নয়নের জন্য একাধিক বড় প্রকল্প চালু রয়েছে, যেমন ৭২২টি একলব্য মডেল স্কুল। পিএম জনবন যোজনার আওতায় অতি অনগ্রসর ও দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর জন্য কাজ করা হচ্ছে এবং আমাদের সরকার জনজাতি সমাজের একজন মহিলাকে মহামহিম (রাষ্ট্রপতি) পদে আসীন করেছে। আজ জনজাতি কল্যাণের জন্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট রয়েছে। সরকার জনজাতিদের সামগ্রিক কল্যাণের লক্ষ্যে সম্পূর্ণরূপে সংকল্পবদ্ধ।

#तू_मैं_एक_रक्त

24/05/2026
24/05/2026

Address

Kalyan Bhawan, 29 Wards Institution Street, Maniktala Post Office
Kolkata
700006

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Purvanchal Kalyan Ashram Dakshin Banga posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share