26/09/2026
১৯শে সেপ্টেম্বর।
TMILL-এর প্রতিনিধিরা এসেছিলেন কুমিরমারীতে।
সেদিন কুমিরমারীর নদীপাড়ে শুধু ম্যানগ্রোভের চারা রোপণ হয়নি, তৈরি হয়েছিল এক অন্যরকম সংযোগ।
শহরের পরিচিত পরিসর ছেড়ে তাঁরা নেমে এসেছিলেন সুন্দরবনের নরম, কাদামাটির চরে। পাশে আমাদের ম্যানগ্রোভ আর্মি। কেউ চারা নিয়ে এগিয়ে দিয়েছেন, কেউ মাটি সরিয়েছেন, কেউ নিজের হাতে ছোট্ট চারাটিকে মাটির বুকের মধ্যে বসিয়েছেন।
এখানে কাজটা খুব সহজ নয়। কাদায় পা আটকে যায়, শ্বাসমূলের জঙ্গল পেরোতে হয়, কখনও হাঁটু পর্যন্ত কাদায় নেমে যেতে হয়। তবু সেই দিনের ছবিগুলোতে ক্লান্তির চেয়ে বেশি দেখা যায় হাসি, সহযোগিতা আর একসঙ্গে কিছু করার আনন্দ।
কারণ ম্যানগ্রোভ লাগানো মানে শুধু একটি চারা মাটিতে পুঁতে দেওয়া নয়।
এটি নদীর পাড়কে শক্ত করার চেষ্টা।
ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে একটি প্রাকৃতিক ঢাল তৈরি করার চেষ্টা।
আর সবচেয়ে বড় কথা, সুন্দরবনের মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্কটাকে আরও একটু শক্ত করে তোলার চেষ্টা।
কুমিরমারীর এই মাটিতে তাই সেদিন শুধু চারা রোপণ হয়নি।
রোপিত হয়েছে একটি বিশ্বাসও, যে প্রকৃতিকে রক্ষা করার দায়িত্ব কোনও একজনের নয়, আমাদের সবার।
Afflatus Foundation-এর সঙ্গে TMILL-এর এই সহযোগিতা সুন্দরবনের সবুজ ভবিষ্যতের পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সুন্দরবনকে ভালোবাসি।
সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই।
কারণ সুন্দরবন বাঁচলে, বাঁচবে তার মানুষও।
🌱💚