LIGHT HOUSE -Think different

LIGHT HOUSE -Think different আমরা লড়াই করি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পথশিশু, রক্তদান, পরিবেশ এবং সচেতনতার উপর।

আগামী ২৩ শে আগস্ট LIGHT HOUSE -Think different এর পক্ষ থেকে বার্ষিকী অনুষ্ঠান। নতুন বছরে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা লাইটহাউস...
28/07/2026

আগামী ২৩ শে আগস্ট LIGHT HOUSE -Think different এর পক্ষ থেকে বার্ষিকী অনুষ্ঠান। নতুন বছরে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা লাইটহাউসের বৃত্তি পাচ্ছে, তাদের সম্মানিত করা হবে। বাতিঘর পাঠশালার কচিকাচাদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। লাইটহাউসের সকল শুভানুধ্যায়ীকে আন্তরিক আমন্ত্রণ জানালাম।

এর পাশাপাশি দুটো আবেদন নিয়ে এসেছি। গত ১২ই জুলাই লাইটহাউসের তরফে পুরুলিয়ার মানবাজার ব্লকের গোয়ালপাড়া জুনিয়র হাইস্কুলে যাওয়া হয়েছিল বইপত্র ও আনুষঙ্গিক কিছু জিনিসপত্র নিয়ে। তখন স্কুলের পরিদর্শকের সাথে আমাদের কথা হয়। ওনারা কিছু প্রোজেক্টের কথা ভেবেছেন। তার জন্য আমাদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।
স্থানীয় তিনটি স্কুলে ছাত্রীদের গান শেখাতে চান। স্কুলের দিদিমণিরাই শেখাবেন। কিন্তু প্রয়োজন হারমোনিয়ামের।
দ্বিতীয়ত, কম্পিউটারের ব্যবহার। ওখানকার স্কুলে সেভাবে কম্পিউটার শেখানোর প্রচলন হয়ে ওঠেনি। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার ভীষণ ভাবে বেড়েছে। যদি স্কুলেরই কিছু সিনিয়র ছাত্রকে বাইরের কোন ইন্সটিটিউটে কম্পিউটার শেখানো হয়, এবং তারাই স্কুলে বাকি ছাত্রদের শেখায়, তাহলে ছাত্রদের অনেক লাভ হবে।
তাই আপনাদের কাছে আবেদন যদি কারো বাড়িতে পুরনো, অব্যবহৃত অবস্থায় হারমোনিয়াম থাকে তাহলে আমাদের জানান। যদি সেটিকে অল্প কিছু মেরামত করে চালু হয়ে যায়, তাহলেও আমরা নেবো। অনেকের বাড়িতেই হয়তো খোঁজ করলে পাওয়া যাবে।
এবং অনেকেই এখন ডেস্কটপ ছেড়ে ল্যাপটপ ব্যবহার করেন। যদি তার পুরনো ডেস্কটপ পাওয়া যায়। অথবা ধরুন কারো কাছে সিপিইউ আছে অথচ মনিটর খারাপ হয়ে গেছে, সিপিইউটা আমাদের দিন।
আমি আশাবাদী অন্তত দু তিনটে হারমোনিয়াম এবং তিনটে ডেস্কটপ আমরা আপনাদের সাহায্যে পাবো।

আবার সবাইকে আমাদের লাইটহাউসের অনুষ্ঠানে একান্তভাবে আমন্ত্রণ জানাই। আপনাদের উপস্থিতি আমাদের মনোবল অনেক বাড়াবে।
ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।

 #বাতিঘর_স্কলারশিপ_২০২৬_২৭ আজ গেছিলাম গোলাম ফয়জল এর সাথে দেখা করার জন্য। না তাকে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই, এক স্ট্রি...
17/06/2026

#বাতিঘর_স্কলারশিপ_২০২৬_২৭

আজ গেছিলাম গোলাম ফয়জল এর সাথে দেখা করার জন্য। না তাকে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই, এক স্ট্রিমে পড়াশুনা করেও আমি পেয়েছিলাম ৬২% নম্বর আর ও পেয়েছে ৯৯% নম্বর। ও উচ্চমাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছে, আমার টা বলে আর নিজেকে লজ্জা দিলাম না।

গেছিলাম ওকে বোঝাতে, ফোনে বলেছিল যে গোয়েঙ্কা কলেজে বি কম নিয়ে পড়বে। এই স্টুডেন্ট যদি সি এ র জন্য প্রস্তুতি না নেয়, তাহলে সেটা অন্যায় হবে। সেটা বোঝাতেই গেছিলাম।

বাবার একটা চায়ের দোকান আছে, একটা ভাড়ার ফ্ল্যাটে তিন ভাই এক বোন আর মা বাবা থাকেন। ভালো লাগলো পরিবারের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ দেখে, বড় দা কাজে ঢুকে গ্যাছেন, কিন্তু মেজো ভাই ম্যাথ এ অনার্স করে এখন বি এড করার কথা ভাবছে, একমাত্র দিদি আইন নিয়ে পড়ছে।

হয়তো এতো কিছু ভেবেই ও শুধু গ্রাজুয়েট হওয়ার কথাই ভাবছিল। তবে কথা দিয়েছে সি এ ফাউন্ডেশন এর প্রস্তুতি নেবে।

এবার আপনার বলুন আমাদের কি উচিত না ওর পাশে দাঁড়ানোর?

LIGHT HOUSE -Think different এর পক্ষে সঞ্জীব

 #বাতিঘর_স্কলারশিপ_২০২৬_২৭ কি হলো রে পায়ে? হাঁটার সময় খোঁড়াচ্ছে দেখে জিজ্ঞেস করেছিলাম।ফুটবল খেলতে গিয়ে লেগে গ্যাছে স্যার...
15/06/2026

#বাতিঘর_স্কলারশিপ_২০২৬_২৭

কি হলো রে পায়ে? হাঁটার সময় খোঁড়াচ্ছে দেখে জিজ্ঞেস করেছিলাম।

ফুটবল খেলতে গিয়ে লেগে গ্যাছে স্যার।

উচ্চমাধ্যমিক ২০২৬ এর নবম স্থান প্রাপ্ত ছেলে ফুটবল ও খেলে!!!!
আমি তো ভাবতাম এর সারাদিন বই পড়ে ।

কিন্ত ভুল ভাঙার আরো বাকি ছিল।

গেছিলাম শান্তিপুর। Aminur Islam দিয়েছিল ছেলেটার নাম্বার। তোমাদের তো অনেক ছেলে মেয়ে, দেখো এই ছেলেটার পাশে যদি দাঁড়াতে পারো।

আগে ফোন এ কথা বলা, তারপর সময় করে যাওয়া। রবিবার ছাড়া তো আমার সময় হয়না, তাই গতকাল খেয়ে উঠে ঝোলা গুছিয়ে বেরিয়ে পরেছিলাম। ট্রেন এর যা টাইম দেখলাম তাতে সাগর এর বাড়ি গেলে আর নিজের বাড়ি ফিরতে হতো না। তাই ওকেই বলেছিলাম স্টেশনে চলে আসিস।

আমি যাওয়ার আগেই বাবা কে নিয়ে স্টেশনে এসে দাঁড়িয়ে ছিল। না বাবা মা এখানে থাকেন না। বাবা গুজরাটে একটা রেস্তোরায় বাসন মাজেন, মা একটা হাসপাতালে ঝাড়ু দ্যান। বছরে একমাস ছুটি নিয়ে বাড়ি আসেন। এবার ও এসেছেন। তাই দেখা হলো।

হ্যা রে, রান্না বান্না খাওয়া দাওয়া?
সব আমি পারি স্যার, আপনি বাড়ি চলুন আমি করে খাওয়াবো।

একটা ১৮ বছরের ছেলে একা থেকে একা রান্না করে খেয়ে, একাই নিজেকে মোটিভেট করে যদি উচ্চমাধ্যমিক এ ৫০০ র মধ্যে ৪৮৮ পেতে পারে, সে সব পারে।

কি করতে চাস?
আপাতত পলিটিকাল সাইন্স নিয়ে গ্রাজুয়েশন, যাদবপুর,নরেন্দ্রপুর এ পরীক্ষা দেব। তারপর স্যার ইউ পি এস সি দেব। ওটাই টার্গেট।

মা বাবা তো বাইরে থাকেন, আমি কোনো হোস্টেল বা মেস এ থেকে পড়াশুনা করবো?

ওর বাবার আবেদন, স্যার আমি জানি না ও কি পড়তে চায়, কি করতে চায়, আপনারা একটু গাইড করুন। কলকাতায় থাকলে তো আপনারাই দেখবেন।

কি বলেন বন্ধুরা ? এই ছেলের দায়িত্ব কি লাইট হাউস নিতে পারবে না?
LIGHT HOUSE -Think different এর পক্ষে সঞ্জীব

 #পড়বে_সবাই_পড়বে  #বাতিঘর_স্কলারশিপ_২০২৬_২৭ আজ একজন মা এর গল্প বলবো।স্বামী সন্তান নিয়ে সুখের সংসার। স্বামী গাড়ি চালান, য...
20/05/2026

#পড়বে_সবাই_পড়বে
#বাতিঘর_স্কলারশিপ_২০২৬_২৭

আজ একজন মা এর গল্প বলবো।

স্বামী সন্তান নিয়ে সুখের সংসার। স্বামী গাড়ি চালান, যা আয় হয় তাতে তিন জনের পরিবার হাসি খুশিতেই চলে যেত। অল্প কিছু পয়সা জমিয়ে স্বামীর শখ হলো মাটির বাড়ি টা কে একটু পাকা করবে। খরচ বাঁচানোর জন্য নিজেই রাজমিস্ত্রি দের সাথে কাজ করতেন। রাজমিস্ত্রি দের বারণ সত্বেও নিজেই ভারার উপর উঠে সিমেন্টের দেওয়ালে জল দিতে গেছিলেন।

প্রচন্ড আওয়াজে আসে পাশের বাড়ির লোক ছুটে এসে দেখেন, প্রায় দুই তলার উপর থেকে উনি নিচে পড়ে গ্যাছেন। যমে মানুষে টানাটানি। প্রাণে বাঁচলেও আজ আর নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা নেই। পা ভাঙ্গা কোমর ভাঙ্গা অবস্থায় বিছানায় পড়ে রয়েছেন।

না হার মানেন নি ওনার স্ত্রী। সুখী গৃহকোন থেকে কোমর বেঁধে নেমে পড়লেন সংসার বাঁচাতে। স্বামির চিকিৎসা চালাতে হবে,সংসার চালাতে হবে, সাথে মানুষ করতে হবে ছেলেটা কে। রাজমিস্ত্রির যোগাড়ে হিসাবে কাজ শুরু করলেন, রং করা শিখলেন, সাথে একটা জেরক্স এর দোকানে কাজ।

ছেলেটাও দুরন্ত, এমনিতে ভালো কিন্তু সুযোগ পেলেই খেলতে চলে যায়। অথচ চেপে ধরে বসালে মন দিয়ে পড়ে, ভালো আঁকে। স্কুলের শিক্ষক রাও পাশে দাঁড়ালেন। বই দিয়ে ,প্রাইভেট এ পড়িয়ে ছেলেকে তৈরী করতে সাহায্য করলেন।

দেবদাস ই প্রথম আমাকে ছেলেটার কথা বলে, খুব ভালো রেজাল্ট করেছে দাদা, একটু সাহায্য পেলে উচ্চ মাধ্যমিক এও ভালো করবে। আর মাধ্যমিক আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। উচ্চ মাধ্যমিক একটু অসুবিধার হবে।

গত শনিবার অফিসের পর ছেলেটার সাথে ওর পরিবারের সাথে দেখা করে এলাম।

বাকিটা আপনাদের হাতে, আপনারাই বলুন অর্ণব এর পাশে দাঁড়ানো আমাদের উচিত হবে কিনা

LIGHT HOUSE -Think different এর পক্ষে সঞ্জীব

 #বাতিঘর_পাঠশালাআমরা পড়াই না পড়তে যাই। শিখতে যাই।আমাদের নতুন দিদিমনি, সংযুক্তা।
24/04/2026

#বাতিঘর_পাঠশালা

আমরা পড়াই না পড়তে যাই। শিখতে যাই।

আমাদের নতুন দিদিমনি, সংযুক্তা।

 #পড়বে_সবাই_পড়বে একটা দারুন সিনেমার কথা মনে পরছে, উত্তম কুমার এর শেষ ছবি "ওগো বধূ সুন্দরী" নায়ক নায়িকা র পাশে ছিলেন পুঁথ...
02/04/2026

#পড়বে_সবাই_পড়বে

একটা দারুন সিনেমার কথা মনে পরছে, উত্তম কুমার এর শেষ ছবি "ওগো বধূ সুন্দরী" নায়ক নায়িকা র পাশে ছিলেন পুঁথি বাবু, সন্তোষ বাবু মহাশয়।

LIGHT HOUSE -Think different এর তরফ থেকে ঐ রোল টা আমাকে দেওয়া হয়েছে। কারো বই এর অভাবে পড়াশুনা আটকে গ্যাছে জানলেই আমার কাজ পিওন হয়ে তাদের বই পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার।

জনাই এর মনোহরা র মতোই প্রিয় আমাদের তিস্তা, বাবা প্যারালিসিস, মা একটা চা এর দোকান চালায়। ছোট ভাই সোনার কাজ শিখছে , কিন্তু মেয়েটা পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে। ৬ মাস আগে ক্লাস ইলেভেন এর তৃতীয় সেমিস্টার এর বই আমরাই দিয়েছিলাম। এবার দরকার টুয়েলভ এর বই। বই তো রেডি, কিন্তু যাওয়া হচ্ছে না, ইচ্ছা আছে এই রবিবার গিয়ে দিয়ে আসবো।

মমতাজুল এর সাথে আমাদের সম্পর্ক দুই বছর হয়ে গ্যালো। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে কাজ করতে তামিলনাড়ু চলে যাওয়া ছেলেটা কে আবার পড়াশুনার জগতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ওর বই দেওয়া চাপের না। সন্দেশখালীর ছেলেটা এখন সোনারপুর এ মেসে থেকে পড়াশুনা করছে। যেখানে বলবো ও এসে নিয়ে যাবে।

তবে সবথেকে চাপের ব্যাপার, পার্থর বই দেওয়া , গোসাবার ছেলে বর্তমানে নামখানার দেবনগর হাই স্কুপে পড়ছে। দেখা যাক, ইচ্ছে যখন আছে, উপায় একটা বের হবেই।

আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ, যদি দেখেন কারো আর্থিক কারণে পড়াশুনা আটকে যাচ্ছে আমাদের প্লিজ জানান।

সামনে মাধ্যমিক আর উচ্চ মাধ্যমিক এর রেজাল্ট বের হবে। আবার বেশ বড়ো সংখ্যায় ছাত্র ছাত্রী স্কুল ছুট হবে।দেখুন সরকার কি করবে না করবে সেটা নিয়ে সরকার কে গালাগাল দিন কিন্তু নিজেরাও এগিয়ে আসুন প্লিজ।

লাইট হাউস থিঙ্ক ডিফারেন্ট এর তরফে সঞ্জীব

 #বাতিঘর_পাঠসালাপুজোয় আমরা ঠাকুর দেখতে বেরোই, ঈদ এ সীমাই খাই আর বড়োদিনে কেক।ধর্ম যার যার নিজের, কিন্তু বাতিঘর পাঠশালার ভ...
25/12/2025

#বাতিঘর_পাঠসালা

পুজোয় আমরা ঠাকুর দেখতে বেরোই, ঈদ এ সীমাই খাই আর বড়োদিনে কেক।

ধর্ম যার যার নিজের, কিন্তু বাতিঘর পাঠশালার ভিতরে সর্ব ধর্মের সমান অধিকার। এখানে ইরফান জাভেদ , আমন, পবন, অমিত একসাথে বড়োদিনের জন্য সাজায়, এখানে মনীষা, সাবানা, সুইটি একসাথে কেক কাটে।

এখানে সান্তা আসে উপহারের ঝুলি নিয়ে সবার জন্য।

ছবিতে বড়োদিন এর আনন্দ।

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LIGHT HOUSE -Think different posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to LIGHT HOUSE -Think different:

Shortcuts

Share