GREEN CRUSADERS

GREEN CRUSADERS The socio-ecological awareness mission. Can we survive ourselves? But that's something we cannot do without.

If 'civilization' is poised against our very survival at every step of its evolution or for that matter 'development', why on earth should we bother about it ?! What we can is to sensitize ourselves against the greedy manoeuvres of capitalism that have brought us on the verge of annihilation and put up the toughest possible resistance. Hence the need to wage a campaign and carry on........

'There is no feasible escape route to another world where we might do better next time round. We are inflicting irrepara...
04/09/2026

'There is no feasible escape route to another world where we might do better next time round. We are inflicting irreparable damage to the Earth, and there will be no second chance.'

In a strategic retreat in the fight against climate change, the United Nations has acknowledged that Earth has lost its ...
03/09/2026

In a strategic retreat in the fight against climate change, the United Nations has acknowledged that Earth has lost its chance to prevent some of the worst of global warming's harms.

Earth is soon going to exceed the safe temperature threshold agreed upon by the world in the 2015 Paris climate accord because of warming from the burning of coal, oil and gas, according to a bleak first-of-its-kind report issued by the United Nations Environment Programme Wednesday.

Instead of giving up, scientists and U.N. officials recommend trying to limit excessive warming and then bring the temperature back down to the agreed-upon threshold.

Read more: https://abcnews.visitlink.me/wQeDLY

কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের দক্ষিণে কার্বি আংলং পাহাড়ে মাটি কাটা ও খননের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তাল হয়েছে অসম। পরিবেশগত ভাব...
03/09/2026

কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের দক্ষিণে কার্বি আংলং পাহাড়ে মাটি কাটা ও খননের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তাল হয়েছে অসম। পরিবেশগত ভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই এলাকা। যেখানে আগে থেকেই জারি সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা। সেসব সত্বেও নাকি যন্ত্র নামিয়ে চলছিল পাহাড় কাটার কাজ।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে অগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে। অল তাই অহোম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের গোলাঘাট জেলা ও কাজিরাঙা আঞ্চলিক কমিটির সদস্যেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাহাড় কাটার কাজ দেখতে পান বলে দাবি। তাঁরা কাজ বন্ধ করার দাবি জানান। পরে কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। ২১ অগস্ট সেই স্মারকলিপির প্রতিলিপি পাঠানো হয় অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং বনমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়ার কাছেও। পরের দিন কার্বি আংলং বন-দপ্তর খনন বন্ধ করে বলে জানা গিয়েছে।

প্রতি বছর বন্যার সময় গন্ডার, হাতি, বাঘ, হরিণ-সহ বহু প্রাণী উঁচু জায়গার খোঁজে কাজিরাঙা থেকে দক্ষিণের কার্বি আংলং পাহাড়ে চলে যায়। এই যাতায়াতের জন্য কাজিরাঙা ও কার্বি আংলংয়ের মধ্যে ন’টি গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণ করিডর চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট কাজিরাঙার দক্ষিণ সীমানা এবং কার্বি আংলং পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে কাজিরাঙায় ঢোকা নদী, ঝোরা ও জলধারার গোটা অববাহিকায় সমস্ত ধরনের খনন এবং তার সঙ্গে যুক্ত উন্নয়নী কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল।

ন’টি চিহ্নিত বন্যপ্রাণ করিডরের অন্তর্গত জমিতেও নতুন নির্মাণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। অসম পুলিশের ডিজি এবং সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারদের অবৈধ খনন ও কার্বি পাহাড় থেকে অবৈধ ভাবে তোলা পাথরের পরিবহণ বন্ধ করার দায়িত্বও দিয়েছিল আদালত।
২০২৫ সালের ২ জুন গুয়াহাটি হাইকোর্ট ফের জানায়, কাজিরাঙা সংলগ্ন এলাকা এবং কার্বি আংলং থেকে কাজিরাঙায় নেমে আসা নদী-জলধারার অববাহিকায় কোনও ধরনের খনন করা যাবে না। ২০২৬ সালের ১২ মার্চের একটি মামলাতেও আদালত ২০১৯ সালের সেই নিষেধাজ্ঞার কথা ফের উল্লেখ করেছে।

কিন্তু এই এলাকায় খনন নিয়ে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে বারবার। আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর কার্বি আংলং স্বশাসিত পরিষদ সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল, কাজিরাঙার দক্ষিণে কার্বি আংলংয়ের ৩৩টি পাথর খাদান বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে। ১৮টি পাথর খাদান এবং ১৮টি স্টোন ক্রাশার বন্ধ করার ব্যবস্থার কথাও আদালতকে জানানো হয়েছিল।
পাহাড়ের ঢাল কাটলে মাটির ক্ষয় বাড়তে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে সেই মাটি নদী ও ঝোরায় নেমে পলি জমাতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জঙ্গল ও পাহাড় কেটে ফেললে সংকুচিত হতে পারে কাজিরাঙার বন্যপ্রাণের স্বাভাবিক চলাচলের পথ। বিশেষ করে বন্যার সময় এই পাহাড়ই বহু প্রাণীর আশ্রয়।

ফলে বন-দপ্তর ২২ অগস্ট কাজ বন্ধ করলেও প্রশ্ন শেষ হচ্ছে না। নিষেধাজ্ঞা সত্বেও খননের অনুমতি দিয়েছিল কে? অনুমতি না থাকলে যন্ত্র নামিয়ে পাহাড় কাটা শুরু হল কীভাবে? ২০১৯ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার পরেও বন-দপ্তরের নজর এড়িয়ে এই কাজ চলল কেন? আর যারা এই কাজ করছিল, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? প্রশ্ন উঠছে নানা মহলেই।

একদিকে বন্যপ্রাণ ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে সেই নির্দেশ অমান্য করে পাহাড় কাটার অভিযোগ। সবমিলিয়ে কাজিরাঙা সংরক্ষণের আসল ছবিটা ঠিক কী? এমন নানা প্রশ্ন-ধোঁয়াশা জড়ো হচ্ছে হাওয়া-বাতাসে।

তথ্যসূত্র: সুপ্রিম কোর্ট, ১২ এপ্রিল ২০১৯; সুপ্রিম কোর্টে কার্বি আংলং স্বশাসিত পরিষদের হলফনামা, ৫ নভেম্বর ২০২৪; গুয়াহাটি হাইকোর্ট, ২ জুন ২০২৫ ও ১২ মার্চ ২০২৬; কাজিরাঙার ন’টি বন্যপ্রাণ করিডর চিহ্নিতকরণ কমিটির রিপোর্ট; ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস; অল তাই অহোম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের স্মারকলিপি, ২১ অগস্ট ২০২৬।
Courtesy: Sawaal.in

A United Nations report has said millions of people in Kolkata and Mumbai are at "immediate risk" of losing their homes ...
02/09/2026

A United Nations report has said millions of people in Kolkata and Mumbai are at "immediate risk" of losing their homes because of rising sea levels and permanent inundation. Released on Monday, the report said sea level rise is no longer a distant danger but a present and growing threat to people in both developed and developing countries.



Read More: https://intdy.in/18ll9j

অসমের কলিয়াবরে লোপ পাচ্ছে উদ্ভিদের প্রজাতি। ২০১০-১১ সালে আটটি বনাঞ্চলে পাওয়া যায় মোট ৪১টি প্রজাতির ফার্ন ও ফার্ন-জাতীয় উ...
01/09/2026

অসমের কলিয়াবরে লোপ পাচ্ছে উদ্ভিদের প্রজাতি। ২০১০-১১ সালে আটটি বনাঞ্চলে পাওয়া যায় মোট ৪১টি প্রজাতির ফার্ন ও ফার্ন-জাতীয় উদ্ভিদ। ২০২২-২৩ সালে একই এলাকাগুলিতে ফের সমীক্ষা চালিয়ে পাওয়া যায় ৩৯টি প্রজাতি। দুটি প্রজাতি লুপ্ত। এভাবে হারিয়ে ১২ বছরে হারিয়ে গিয়েছে একাধিক ফার্ন। হারিয়ে গিয়েছে রাজ ঢেকীয়া গাছ। যার দেখা মিলত আটটি জঙ্গলেই।

এমনটাই বলছে একটি গবেষণা। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পরিবেশবিদ মহলে। কলিয়াবর কলেজের দুই উদ্ভিদবিদ বশিষ্ঠ কলিতা এবং চিরঞ্জীব বেজবরুয়ার একটি গবেষণাপত্র ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ ‘জার্নাল অব বায়োরিসোর্সেস’-এ প্রকাশিত হয়েছিল। লাওখোয়া বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য, ডিজু ভ্যালি, বাগসার ও দেওসুরচাং সংরক্ষিত বন, বুড়াপাহাড়, চিকনি পাহাড়, হাতিমুড়া এবং ত্রিশূলধারী পাহাড়—এই আট জায়গায় প্রায় ১২ বছরের ব্যবধানে দু’বার সমীক্ষা চালিয়েছেন তাঁরা।

শুধু রাজ ঢেকীয়ার মতো গাছই হারিয়ে যায়নি। কমেছে বনরীয়া ঢেকীয়া বা কপৌ ঢেকীয়া গাছের সংখ্যাও। ২০১০-১১ সালে যা ছিল সহজলভ্য, সেই লতানো ফার্নই ২০২২-২৩ সালে দুর্লভ। অফিওগ্লসাম রেটিকুলাটাম-ও-এর মতো গাছ একাধিক পুরনো এলাকা থেকে হারিয়েছে। ইকুইসেটাম ডিফিউসাম-এর মতো ফার্ন হারিয়ে গেছে লাওখোয়া থেকে।

গবেষণায় উঠে এসেছে বৃষ্টিপাতের বড় পরিবর্তন। নাগাঁওয়ে ২০১০ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩৮ শতাংশ বেশি ছিল। অথচ ২০১৬ সালে ঘাটতি ৩২ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৩৭ শতাংশ, ২০২০ সালে ৪৯ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৪৮ শতাংশে পৌঁছয়। গবেষণায় ব্যবহৃত তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ঘাটতি ছিল ৫৪ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ৫৮ শতাংশ। ২০১০ থেকে ২০১৫-র মধ্যে ওই চার মাসের গড় বৃষ্টি ছিল প্রায় ১,১৯২ মিলিমিটার। ২০১৬ থেকে ২০২৩-এ তা নেমে আসে প্রায় ৬২১ মিলিমিটারে।

২০২৬-এর বৃষ্টিপাতের ছবিটা পরিবেশবিদদের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে বললেই কম বলা হয়। ১ জুন থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত অসমে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। নাগাঁওয়ে ঘাটতি পৌঁছেছিল প্রায় ৬০ শতাংশে। অথচ কম সামগ্রিক বৃষ্টির মধ্যেই অল্প সময়ে প্রবল বর্ষণে বন্যা হয়েছে। অগস্টের প্রথম সপ্তাহেও নাগাঁওয়ের কলিয়াবর ও সামাগুরি রাজস্ব চক্রের ২১টি গ্রাম জলমগ্ন ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত ছিলেন ২,৭৬৪ জন। জলের তলায় ছিল প্রায় ৫৯৬ হেক্টর কৃষিজমি, যার মধ্যে কলিয়াবরেই প্রায় ২৩ হেক্টর। অর্থাৎ শুধু বৃষ্টির পরিমাণ নয়, বৃষ্টির চরিত্রও বদলাচ্ছে।

শুধু তাই নয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রায় ৬,৯৫০ কোটি টাকার কলিয়াবর-নুমালিগড় জাতীয় সড়ক প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। প্রায় ৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মধ্যে কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও ব্যাঘ্রপ্রকল্প এলাকায় প্রায় ৩৪.৫ কিলোমিটার এলিভেটেড করিডর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি কাজিরাঙার জীববৈচিত্র্য রক্ষা করেই প্রকল্পটি তৈরি হবে।

ফলে কলিয়াবরের সামনে এখন ছবিটা আরও জটিল। একদিকে দীর্ঘমেয়াদে কমছে আর্দ্রতা-নির্ভর একাধিক পরিচিত ফার্নের বিস্তার। অন্যদিকে কখনও বৃষ্টির ঘাটতি, কখনও অল্প সময়ে অতিবৃষ্টি ও বন্যা। তার সঙ্গে আগ্রাসী উদ্ভিদের বিস্তার এবং বন কেটে কয়েক হাজার কোটি টাকার নতুন পরিকাঠামো প্রকল্প।

জলবায়ুর বদল, জমির ব্যবহার এবং পরিকাঠামোর চাপ যদি একই সঙ্গে বাড়তে থাকে, তাহলে কলিয়াবরের গোটা উদ্ভিদজগতটাই একদিন ‘নেই’ হয়ে যাবে। এমনটাই বলছেন পরিবেশবিদরা।

তথ্যসূত্র: জার্নাল অব বায়োরিসোর্সেস, কলিয়াবর কলেজ, ভারতীয় আবহাওয়া দফতর, অসম রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, ভারত সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো, অসম সরকারের পরিবেশ ও বন দফতর, ইন্ডিয়া টুডে, ইন্ডিয়া টুডে নর্থ-ইস্ট।

The ultimate tragedy of highly toxic human greed! In the 1990s, the aggressive use of the drug Diclofenac violently wipe...
01/09/2026

The ultimate tragedy of highly toxic human greed! In the 1990s, the aggressive use of the drug Diclofenac violently wiped out 99% of India's vulture population, removing our absolute best natural scavengers and unleashing massive disease risks. Now, as the Annual Vulture Count begins this September, we are desperately celebrating the fragile return of a few birds. We recklessly poison our entire ecosystem for corporate pharma profits, and then we desperately beg nature to come back and save us! 🦅☠️ Source: Wildlife Monitoring.

Address

49 Sarat Bose Road (Sarat Colony), P. O. Rajbari
Kolkata
700081

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GREEN CRUSADERS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to GREEN CRUSADERS:

Shortcuts

Share