Ramkrishna Maa Sarada Swami Vivekananda Pathachakra

Ramkrishna Maa Sarada Swami Vivekananda Pathachakra The Organisation is solely based on the ideals and doctrines led by Sri Ramakrishna , Maa Sarada and Swami Vivekananda

05/09/2026
05/09/2026

আজ পাঁচ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে মহানায়ক উত্তম কুমার মঞ্চে শ্রী তরুণ গোস্বামী মহাশয়ের একটি শীষ দিয়ে গানের অনুষ্ঠান ছিল। উত্তমকুমার অভিনীত বিভিন্ন ছায়াছবি থেকে উত্তম মঞ্চে শ্রী দেবাশীষ বোসের সঞ্চালনায় শ্রী তরুণ গোস্বামী মহাশয়ের এই অনুষ্ঠান এত মধুর, মনোগ্রাহী, অসাধারণ অনুষ্ঠান হল যা ভাষায় প্রকাশ অসম্ভব।। ওনার এই গুন শ্রী ঠাকুরের আশীর্বাদ বা কৃপা ধন্য।।আড়াই ঘন্টার প্রোগ্রামে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনলাম। কিছু রেকর্ডিং পোস্ট করলাম। আশাকরি ভালো লাগবে।🌹🌹🙏

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার জন্ম সম্পর্কে নিজেই বলেছেন,তার জন্ম সাধারণ মানুষের মতো নয় এবং তার মৃত্যুও সাধারণ মানুষের মতো নয়। তিন...
04/09/2026

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার জন্ম সম্পর্কে নিজেই বলেছেন,তার জন্ম সাধারণ মানুষের মতো নয় এবং তার মৃত্যুও সাধারণ মানুষের মতো নয়। তিনি বলেছেন,মানুষ জন্মগ্রহণ করে এবং মারা যায়; কিন্তু আমি জন্মরহিত হয়েও আবির্ভূত হই এবং অবিনশ্বর হয়েও অন্তর্ধান করে থাকি। আবির্ভূত হওয়া এবং অন্তর্হিত হওয়া- দুটিই আমার অলৌকিক লীলা।
শ্রীকৃষ্ণের অন্যসব লীলার মতো তার জন্মলীলাতেও সুগভীর আধ্যাত্ম তত্ত্ব আছে, যা অনুশীলন করলে প্রত্যেকের মধ্যেই ভগবানের জন্ম সম্ভব। বাহ্য জন্ম যেমন সত্য, তার চেয়েও অধিকতর সত্য আধ্যাত্ম জন্ম। সাধক ভক্তের হৃদয়ে ভগবানের আধ্যাত্ম জন্ম হয়।
দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথির রোহিণী নক্ষত্রে বাসুদেব-দেবকীর কোলে কংসের কারাগারে জন্মগ্রহণ করেন শ্রীকৃষ্ণ। অষ্টমী তিথিতে দেবকীর অষ্টম গর্ভে আবির্ভূত হয়েছিলেন বলে এই জন্মতিথির নাম জন্মাষ্টমী তিথি। শ্রীকৃষ্ণ কংসের কারাগারে যখন আবির্ভূত হয়েছিলেন তখন দুরাচারী কংসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সবাই।

বাসুদেব জীবাত্মা বা প্রাণ। বাসু মানে প্রাণ, দেব মানে অধিপতি। দশ প্রাণের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম হচ্ছে প্রাণ- তাকে বলা হচ্ছে বাসুদেব। দেবকী দৈব প্রকৃতি- দৈবী শক্তি। প্রাণের সঙ্গে দৈবী শক্তির মিলন যদি সাধনায় ঘটে তখন সাধক চিত্তে ভগবানের আবির্ভাব ঘটে। বাসুদেব ও দেবকী শ্রেষ্ঠ সাধক ও সাধনার শক্তি। এ দুয়ের মিলনে ভগবানের জন্ম সম্ভব।

ভগবান জন্ম নিলেন কংসের কারাগারে। কম্+স=কংস। 'কম্' মানে কামনা বাসনা। কারাগার থাকে রুদ্ধ, হলো উন্মুক্ত। অর্থাৎ কামনা বাসনা যুক্ত দেহরুপ কারাগারের রুদ্ধ দুয়ার একমাত্র প্রাণকৃষ্ণের কৃপায় খুলে যায়। অন্য কোনো ভাবে নয়। জন্ম হল কংসের কারাগারে। কামনার কারাগার হল কংসের কারাগার। হাজার কামনার পিঞ্জর এই দেহ। এই কংস কারাগার মথুরায় অবস্থিত। মথ্ ধাতু থেকে মথুরা শব্দের উৎপত্তি। মথ্ মানে মন্থন করা। কামক্রোধাদি রিপুসমূহ অবিরত এই দেহকে মন্থন করে চলছে। অতএব এই দেহ মথুরা। এর অধিপতি কংস। সে কামনার অধিপতি।

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ভাদ্র মাসে। এই মাস মঙ্গলকর হয়েছিল ভগবানের আবির্ভাবে বা মঙ্গলকর মাসে মঙ্গলময়ের আবির্ভাব। ভাদ্রমাস হলো, ভদ্র+ষ্ণ=ভাদ্র। অর্থাৎ ভাদ্র মাস শুভ বা মঙ্গলের মাস।

আমরা জানি, আবির্ভাব কৃষ্ণপক্ষে অষ্টমী তিথিতে। কৃষ্ণপক্ষে চন্দ্রের শক্তি ক্ষয় বা ক্ষীণ হয় এবং শুক্লপক্ষে এর শক্তি বৃদ্ধি পায়। অন্তর্জগতে চন্দ্র হচ্ছে 'মন'। অর্থাৎ মনই চন্দ্র। অষ্টমী তিথিতে চন্দ্রের তথা মনের ক্ষয় হতে হতে অর্ধেকে গিয়ে পৌঁছায়। মনের চঞ্চলতা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। সাধনার মোক্ষম সময়। মন যখন বহির্জগতের কামনা বাসনা মুক্ত হয়, তখনই তা অন্তর্মুখি হলে, অপুর্ব জ্যোতি দর্শন করা যায়। তখন চিত্তে ভগবদ আবির্ভাব সম্ভব। মাটি, জল, তেজ, বায়ু, আকাশ, মন, বুদ্ধি ও অহংকার, এই অষ্টতত্ত্বই আমাদের জীব প্রকৃতি। শ্রীকৃষ্ণ ত্রিগুনাতীত বিশ্ব প্রতিভূ। অষ্ট প্রকৃতির উর্ধ্বে তিনি। তাই কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে তাঁর জন্ম।

শ্রীকৃষ্ণের জন্ম রোহিণী নক্ষত্রে। রুহ্+ইন্ করে রোহিণী শব্দের উৎপত্তি। রুহ অর্থ উৎপত্তি হওয়া। মন অনবরতই উৎপন্ন করে থাকে। উৎপত্তির মধ্যে শ্রেষ্ঠ উৎপত্তি ভগবদুৎপত্তি। উৎপত্তি করে বলে মনরূপী চন্দ্র রোহিণী বেশি সঙ্গ করে।

29/08/2026

শ্রী মৎ স্বামী ভূতেশানন্দ জী মহারাজের বিদ্যাবত্তা প্রসঙ্গে শঙ্করীপ্রসাদ বসুর একটি বক্তব্য মনে পড়ছে: "ভূতেশানন্দ মহারাজের বক্তৃতার কোনও কথা এডিট করতে হয় না। তিনি শুধু যে কমপ্লিট সেনটেন্স বলেন তাই নয়, কোনও সম্পাদনা ছাড়াই তাঁর বক্তৃতা সরাসরি ছাপার অক্ষরে প্রকাশ করা চলে।” দেখেছি বক্তৃতার আগে অন্য প্রসঙ্গ, হাসাহাসি চলছে, এমন সময় আত্মানন্দজী মহারাজ এসে বললেন, "মহারাজ, চলিয়ে আপকো ভাষণ দেনা হ্যায়।” শুনে মহারাজ বললেন, "আরে! ভাষণ আছে নাকি আবার! ভাষণ না ভাসান কোনটা! আমাকে ভাসান দেবে?" "আপনাকে ভাষণ দিতে হবে, বক্তৃতা করতে হবে। লোক বসে আছে।” "কী বলতে হবে?” আত্মানন্দজী এমন একটি বিষয় বললেন, পূর্ব বিষয়ের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। মহারাজ বক্তৃতা দিতে বসে অনর্গল বলে গেলেন। খুব যুক্তিনিষ্ঠ ব্যাখ্যা। প্রসঙ্গত, আত্মানন্দজীর অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ছিল। সভায় ভূতেশানন্দজী মহারাজের বক্তৃতার অনুবাদ করার সময়, কোনও নোট না নিয়ে গোটা বক্তৃতা সমস্ত শ্লোক সহ হুবহু অনুবাদ করে দিতেন হিন্দিতে। আমি আজ পর্যন্ত এরকম দ্বিতীয় কাউকে দেখিনি। জয় ঠাকুর ❤️❤️🙏🙏

28/08/2026
23/08/2026

🌹🌹🌹🌹🌹 ॐ 🌹🌹🌹🌹🌹
ভগবান বা ঈশ্বরের নাম কখন কখন নেওয়া উচিত? ১. স্নান করার সময়:
স্নান করার সময় ভগবানের নাম নিলে তা তীর্থস্নানে পরিণত হয়।

২. ভোজন করার সময়:
খাওয়ার সময় ভগবানের নাম নিলে তা প্রসাদে পরিণত হয়।

৩. হাঁটার সময়:
চলার বা হাঁটার সময় ভগবানের নাম নেওয়াকে তীর্থযাত্রা বলা হয়।

৪. রান্না করার সময়:
রান্না করার সময় ভগবানের নাম নিলে তা মহাপ্রসাদ হয়ে যায়।

৫. শোওয়ার সময়:
ঘুমানোর সময় ভগবানের নাম নিলে তা ধ্যাননিদ্রায় পরিণত হয়।

সর্বদা ভগবানের নাম স্মরণ করুন, জীবনকে পবিত্র ও সফল করুন।

22/08/2026

🌹🌹🌹সবাই বড় বড় কথা বলছেন পোস্ট করে, স্বাধীনতার জন্য স্বামীজীর অবদান টা একটু পড়ুন🌹🌹🌹

স্বামী বিবেকানন্দের আমেরিকান শিষ্যা ছিলেন মিস ম্যাকলাউড, যিনি ভারতের বৈপ্লবিক কাজের জন্য ভগিনী নিবেদিতাকে অনেক অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছেন। এ ব্যাপারে জাপানি গবেষক ওকাকুরার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হত। সেইসময় মিস ম্যাকলাউড যে কয়েকবার জাপানে গিয়েছিলেন, তা অকারণ নয়। এতটাই গোপনীয়ভাবে এইসব কাজ হত, যার কোনও প্রমাণ ভবিষ্যতের জন্য নেই। সুইজারল্যান্ডের জেনিভায় একটি ভারতীয় গুপ্ত-সমিতির অফিস ছিল, যার নাম 'বন্দেমাতরম'। মিস ম্যাকলাউড ও ভগিনী নিবেদিতা সেই অফিসে গেছিলেন। সেখানে সেইসময় ছদ্মনামে থাকা কয়েকজন ভারতীয় বিপ্লবীর সঙ্গেও তাঁদের আলোচনা হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে জেনিভার অফিসটি বন্ধ হয়ে যায়। মিস ম্যাকলাউডের কাছে স্বামীজীর লেখা বেশকিছু চিঠিপত্র ছিল, যা ভগিনী নিবেদিতাও দেখেছিলেন।

মিস ম্যাকলাউড বলেছিলেন, "এগুলি একেবারে আগুন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কালে লেখা। স্বামীজী অনেক কিছুই করেছিলেন। কিছু অস্ত্র আমি কিনেছিলাম, যা স্বামীজীর কথামতো চন্দননগরের মধ্য দিয়ে চালান করা হয়েছিল। অস্ত্র সহ একটি নৌকা ধরা পড়ে যায়, কিন্তু কোনও প্রমাণ-সূত্র না থাকাতে ব্রিটিশ-পুলিশ কাউকে ধরতে পারেনি।"

মিস ম্যাকলাউড স্বামীজীর সমস্ত রাজনৈতিক চিঠি নষ্ট করে দিয়েছিলেন। নিবেদিতার ফরাসি জীবনীকার লিজেল রেমঁ নিজে এইসব চিঠিপত্র দেখেছিলেন এবং দেখানোর পরে তাঁর চোখের সামনে সেইসব নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলা হয়। ঠিক একই পদ্ধতিতে ভগিনী নিবদিতার বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের নথিপত্র নষ্ট করা হয়। সম্ভাব্য গ্রেপ্তারি এড়াতে ভগিনী নিবেদিতা যখন গোপনে ভারত ছেড়ে গেছেন, সেইসময় আলিপুর বোমা মামলার সূত্র ধরে তাঁর বাগবাজারের বাড়ি তল্লাশি করে ব্রিটিশ-পুলিশ। কিন্তু তার আগেই বিভিন্ন নথিপত্র নষ্ট করে দেওয়া হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে এইসব নথিপত্র নষ্ট করল কে! ভগিনী নিবেদিতার নিজস্ব এক দল ছিল, যার হদিশ পাওয়া ব্রিটিশ গোয়েন্দা পুলিশ তো অনেক দূরের, সেইসময় তাঁর সংস্পর্শে থাকা অগ্নিযুগের বিখ্যাত বিপ্লবীরাও জানতেন না।

তথ্য::বেলুড় মঠের মহারাজ।

21/08/2026

🙏🏻*লোকব্যবহার ও জীবনচর্যা*🌼
*সংযম কাকে বলে এই প্রসঙ্গে স্বামী ভূতেশানন্দজী মহারাজ বলছেন, কারো অনিষ্ট চিন্তা করব না। সত্যকে ধরে থাকব। কাউকে প্রবঞ্চনা করব না। ইন্দ্রিয়গুলি বশে রাখব। বিলাসিতা বর্জন করে সাদাসিধে অনাড়ম্বর জীবন যাপন করব—এই হচ্ছে সংযম। এই নিয়মগুলি পালন না করে শুধু জপ করলে কী হবে? জীবনে সত্যের বালাই নেই, অন্যের অনিষ্ট চিন্তা করব, আর মুখে বলব ইন্দ্রিয়গুলিকে ছুটি দিয়ে দিই, তাহলে কি ছুটি হবে? ভোগবিলাসের শেষ নেই, কোটি কোটি টাকার মালিক হবার লক্ষ্য নিয়ে শুধু যদি জপ করি তাহলে কি মুক্তি হবে? জীবনকে শুচিশুদ্ধ করে তুলতে হবে। বিষয়সম্পদ থেকে মনকে প্রত্যাহার করতে হবে। এসব একদিনে হবে না, হওয়ার নয়, ক্রমাগত অভ্যাস ও সাধনা করলেই হবে। তবেই আধ্যাত্মিক জীবনে উন্নতি সম্ভব। ভগবানের সাক্ষাৎকার, হৃদয়ে তাঁর অনুভব, তাঁকে আপনবোধ করা—এই আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে ইষ্টমন্ত্র জপ এবং সেই সঙ্গে বিধান অনুযায়ী সৎচিন্তা, সৎসঙ্গ, সৎপ্রসঙ্গে মনকে নিবিষ্ট রাখতে হবে। সত্য কথা বলা ধর্ম, কিন্তু রূঢ়তা অধর্ম। আবার অপ্রিয় সত্য বলে কারো মনে কষ্ট দিতে নেই। রূঢ় সত্যকথনে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিজের অভিমান-অহংকারের বৃত্তিকেই তৃপ্ত করা হয়, মনুষ্যত্বের বিকাশে তা সাহায্যে আসে না। শ্রদ্ধাবন লভতে জ্ঞানম্। শ্রদ্ধা না থাকলে জ্ঞান লাভ হয় না। শ্রদ্ধার উপর এতটা জোর দেওয়া হয়েছে। যে আদর্শের কথা মুখে বলছ তা জীবনে পালন করতে হবে। যদি তা না কর তাহলে লোকেরা তোমাদের উপহাস করবে, তোমাদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা আসবেনা। সমগ্র জীবন ধরেই এই অনুশীলন তোমাদের করতে হবে। ধর্মের মূল উদ্দেশ্য মানুষের অন্তর্নিহিত গুণাবলীর সর্বোত্তম বিকাশ সাধন। যে ভগবান সকল গুণের আধার, তাঁর চিন্তা করে তাঁর ধ্যান করে নিজেদেরকে দেবত্বে উন্নীত করতে হবে। যতই আমরা রূপান্তরিত হব ততই পরিপূর্ণ আনন্দ, জ্ঞান ও শান্তির দিকে এগিয়ে যাব।*🙏🏻

17/08/2026

গতকাল(১৬. ০৮. ২০২৬ ) পূর্ব নির্ধারিত অনুযায়ী আমাদের পাঠচক্রের অনুষ্ঠান হয়ে গেলো।স্বামী বেদস্বরূপানন্দ জী মহারাজে ভক্তি প্রসঙ্গ সম্বন্ধে অসাধারণ বক্তব্য রাখলেন। তার সাথে শ্রী তরুণ গোস্বামী মহাশয় স্বামী বিবেকানন্দ উপর বক্তব্য রাখলেন, সেই বক্তব্যে আমরা অভিভূত, আপ্লুত, ২.৫ ঘন্টা কি করে অতিবাহিত হয়ে গেলো বুঝতেই পারলাম না। আমাদের পাঠচক্র পক্ষ থেকে ওনাদের জানাই আন্তরিক প্রণাম। জয় ঠাকুর। জয় মা। জয় স্বামীজী মহারাজ। ❤️❤️🙏🙏🙏

Address

28D Harish Mukherjee Road
Kolkata
700025

Telephone

+917003901299

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramkrishna Maa Sarada Swami Vivekananda Pathachakra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ramkrishna Maa Sarada Swami Vivekananda Pathachakra:

Shortcuts

Share