Eso Kichu Kori

Eso Kichu Kori For more than 18 years ESO KICHU KORI is working on providing higher education to academically brilliant students coming from very low-income families.

ESO KICHU KORI (EKK) is a non-profit organization. Our focus is on providing higher education to academically brilliant students coming from very low-income families. We are different from other organizations that focus on enhancing literacy and primary education. We exist to advocate a progressive change in our society by creating an opportunity for poor brilliant students to continue their educa

tion. We want to help such students to utilize their full potential and prepare for careers that would yield a high level of self-fulfillment and ultimately lead to an overall development of our society. For the last few years all of us had been caught by reports of meritorious students doing brilliantly in various public examinations but unable to continue further due to their financial deprivation. One would top the list of Medical Entrance Examination with his father running a tea stall; another would score more than 80% marks in Higher Secondary while trying to make ends meet by working in a Bidi manufacturing unit; and the list continues unending. Except for some efforts from a few generous individuals, no sufficient organised initiative had been taken to address this problem. From this void came the thought of building an organization that will cater to such needs of these poor meritorious students. This idea took a concrete shape and EKK was born as a registered society under the West Bengal Societies Act in February 2007. We plan to accomplish our mission through a couple of project-based scholarship programmes for high school and professional studies. In the process, we will not give any consideration to class, caste or religion. Scholarships will be based strictly on merit and to economically backward classes only. Our main objective is to facilitate social and economic development of an economically backward community through the creation of an environment for better acceptance of social parameters like education through a potential agent by continuously creating greater scopes for economic development and social restructuring of the community in a sustainable way.

অনেক অনেক শুভ কামনা আমাদের শুভঙ্করের জন্য।
17/05/2026

অনেক অনেক শুভ কামনা আমাদের শুভঙ্করের জন্য।

মা চেয়েছিলেন ছেলে ডাক্তার হোক। এলাকায় অনেকেই অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারেন না। ছেলে তাঁদের বিনা পারিশ্রমিকে চি.....

২০২৪–২৬ শিক্ষাবর্ষের এসো কিছু করির ছাত্রছাত্রীদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল।ওদের কারও বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, কারও বাবা ...
16/05/2026

২০২৪–২৬ শিক্ষাবর্ষের এসো কিছু করির ছাত্রছাত্রীদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল।
ওদের কারও বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, কারও বাবা দিনমজুর বা মাঠে কাজ করেন, কারও মা মাদুর বোনার সঙ্গে যুক্ত।

তবুও, গত দুই বছরের নিরন্তর পরিশ্রম আর লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে আজ ওরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

এই পথচলায় আমরা যদি সামান্যও ওদের পাশে থাকতে পেরে থাকি, সেটাই ভাল লাগার ..

আমাদের শুভঙ্কর।
15/05/2026

আমাদের শুভঙ্কর।

শুভঙ্করের বাবা নবকুশ সামন্ত সামান্য চাষবাস করেন, নিজের জমি নেই। তারই পাশাপাশি সামান্য কিছু রোজগার করেন গৃহশিক্ষ....

অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এসো কিছু করি'র 'মেধা' প্রকল্পের ছাত্র শুভঙ্কর সামন্ত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্...
14/05/2026

অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এসো কিছু করি'র 'মেধা' প্রকল্পের ছাত্র শুভঙ্কর সামন্ত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে নবম হয়েছে। ৯৭.৬% পেয়ে ও এই স্থান অধিকার করেছে। পূর্ব মেদিনীপুর পরমানন্দপুর জগন্নাথ ইনস্টিটিউশনের ছাত্র শুভঙ্করের জন্য এসো কিছু করি'র পক্ষ থেকে রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা!

এসো কিছু করি'র সদস্য রূপকথা লিখল।..........................................................................................
14/04/2026

এসো কিছু করি'র সদস্য রূপকথা লিখল।...........................................................................................

চৈত্রের শেষে এক রৌদ্রজ্জ্বল দিনে হয়ে গেল ইকেকের মেধা দ্বিতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান। ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ভোররাত্রে উঠে ১৯ জন ছাত্রছাত্রী তৈরি হয়েছিল কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কে পি বসু মেমোরিয়াল হলে আসার জন্য। এক এক করে ছাত্রছাত্রীরা এসে উপস্থিত হল এবং অনুষ্ঠান শুরু হল। প্রথমেই সভাগৃহ মুখরিত হয়ে উঠল আগুনের পরশমণির পরশে। এসো কিছু করি'র সভাপতি তিলক গুপ্তের স্বাগত ভাষণের পরবর্তী পর্যায়ে স্টাডি ট্যুর বা শিক্ষা সফর নিয়ে দেওয়া হল প্রেজেন্টেশন। শিক্ষা সফরের মাধ্যমে পড়ুয়াদের বাড়ি গিয়ে তাদের জীবনকে সামনাসামনি জেনে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এসো কিছু করি'র কার্যনির্বাহী সদস্য অঙ্কনা চক্রবর্তী গোটা অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সঙ্গে সুন্দরভাবে বর্ণনাও করেছে প্রেজেন্টেশানটি। এবারের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন মনোবিদ মোহিত রণদীপ। তাঁকে ফুলের গাছ দিয়ে বরণ করে নিল ইকেকের স্বেচ্ছাসেবক ইন্দ্রাণী বর্ধন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল মনের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি। উদ্বেগ এবং হতাশার সঙ্গে যুঝে নিতে শেখা ছাত্রজীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের দিশা দেখালেন। এরপরে শুরু হল অনুষ্ঠানের বহুপ্রতীক্ষিত তাৎক্ষণিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। ছাত্রছাত্রীদের হাতে এক এক করে চিরকূটে উঠে এল নানান সাম্প্রতিক ও মজার বিষয়৷ 'গ্রামজীবনে সাইকেলের প্রয়োজনীয়তা', 'তোমার প্রিয় মানুষ', 'তুমি যদি পঞ্চায়েত প্রধান হতে', এই রকম আরও কিছু বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা ছাত্রছাত্রীরা জড়তা কাটিয়ে কথা বলল। মূক বধির ছাত্রী প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস মায়ের সাহায্য নিয়ে অংশ নেয় প্রতিযোগিতায়। পুরস্কৃত হয় বিশেষ পুরস্কারে। প্রতিযোগিতা শেষে সুমন প্রধান, সুমন করণ ও মৌমিতা ঘোষের হাতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কারের বই তুলে দেওয়া হল। এরপর ইকেকের শুভান্যুধায়ী বন্ধু রঞ্জন সরকার ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা বলেন। ইকেকের প্রাক্তন সভাপতি এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মধুমিতা দত্তের ধন্যবাদ জ্ঞাপক বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানের শেষে ছাত্রছাত্রীদের বই ও অন্যান্য পঠনপাঠনের সামগ্রী দেওয়া হয়। সবশেষে ইকেকের সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক এবং ছাত্রছাত্রীরা একসঙ্গে দুপুরের খাওয়াদাওয়া সেরে আবার দেখা হওয়ার প্রতিশ্রুতি বিনিময় করে একে অপরকে বিদায় জানায়।

১২ এপ্রিল মেধা প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান। সকলে আসবেন।
29/03/2026

১২ এপ্রিল মেধা প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান। সকলে আসবেন।

' বরেণ্য' ২০২৬ সম্মান।লিখেছে মধুমিতা দত্ত।----------------------পর্যটক নিয়ে ঘাটশিলার পাহাড়, জঙ্গল পেরিয়ে ছুটে চলে তাঁ...
15/03/2026

' বরেণ্য' ২০২৬ সম্মান।
লিখেছে মধুমিতা দত্ত।
----------------------
পর্যটক নিয়ে ঘাটশিলার পাহাড়, জঙ্গল পেরিয়ে ছুটে চলে তাঁর অটো। এরই সঙ্গে ছুটে চলে তাঁর স্বপ্ন। ওই যে জঙ্গল, পাহাড়ের কোণে কোণে জনজাতি মানুষের বাস, তাঁদের সন্তানরা যাতে শিক্ষার মুখ দেখে। তারা যেন ভাল থাকে।
আদতে ঝাড়গ্রামের মানুষ অনুপ খাটুয়া ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজের ছাত্র ছিলেন। আর্থিক কারণে পড়াশোনা শেষ করা হয়নি। গত শতকের আটের দশকে রুজির টানে ঝাড়গ্রাম থেকে ঘাটশিলায় চলে আসা। পশ্চিমবঙ্গের সীমানা ঘেঁষা ঝাড়খণ্ডের (তৎকালীন বিহার) ঘাটশিলায় প্রথমে কিছু ব্যবসা করা। তারপর নয়ের দশক থেকে চালাতে শুরু করেন অটো।পর্যটকদের কাছে তিনি প্রিয় অনুপ দা। যিনি এই অটো চালানোর সঙ্গে সঙ্গে ওইসব শিশু-কিশোরদের ভাল থাকার পথ বাতলে দিতে চান। যেসব পর্যটক অনুপবাবুর অটোতে ঘোরেন, তাঁদেরই তিনি এদের কথা বলেন। সাহায্য আসেও তাঁদের থেকে। সে সব সাহায্যের হিসেব নিকেশ লেখা থাকে জাবদা খাতায়। বাসাডেরা, মিরগীটাঁড়, আমবেড়া, ঠিকরি, কেনডাঙ্গা - পাহাড়ের কোণে কোণে থাকা এই সব অঞ্চলে অনুপবাবু পৌঁছে যান সেখানের শিশু, কিশোরদের ভাল থাকার রসদ নিয়ে।
মার্চ মাসের ১৪ তারিখ 'এসো কিছু করি' তার এই বছরের 'বরেণ্য' সম্মানে সম্মানিত করল ঘাটশিলার অনুপবাবুকে। বুরুডি লেক পেরিয়ে ধারাগিরির পথে বাসাডেরা। দলমা পাহাড়ের কোলে সেইখানে বাস সুমিত্রা শবর, অহল্যা শবরদের। ওদের মতো এক ঝাঁক কচিকাঁচা অনুপবাবুকে দেখেই ঘিরে ধরল। পাহাড়ের ঢালে সেই
বিকেলের আলোয় বাসাডেরার ওই শিশু কিশোরদের সামনে 'বরেণ্য' সম্মানে দিতে গিয়ে 'এসো কিছু করি'র সম্পাদক সৌরভ বিশ্বাস যখন অনুপবাবুকে মানপত্রটি পড়ে শোনাচ্ছে, মানুষটির তখন চোখ ভরা জল। একে একে 'এসো কিছু করি'র সদস্য অঙ্কনা চক্রবর্তী অনুপবাবুকে পরিয়ে দেয় শাল। তনুময় দে (অর্ক) দেয় স্মারক। অনুপবাবু তখন আবেগ চেপে রাখতে পারছেন না। কিছু না পাওয়া এক ঝাঁক শিশু, কিশোরের দিকে তাকিয়ে শুধু বলে যাচ্ছিলেন, "ওদের জন্যই আমার সব চেষ্টা।" বাসাডেরায় মধ্য স্কুল অর্থাৎ ক্লাস এইট পর্যন্ত স্কুল আছে। এর পর পড়তে গেলে পাহাড়, জঙ্গল পেরিয়ে ১৫ কিলোমিটার দূরে ঘাটশিলা যেতে হয়। এই এইট পর্যন্ত যেতে যেতেই অনেক ড্রপ আউট। কিছুটা শিক্ষার মুখ যাতে ওরা দেখে তারজন্য অনুপবাবুর প্রাণপন চেষ্টা। রুখাশুখা মালভূমির মানুষগুলোর জীবন চলে অল্পসল্প চাষ আর জঙ্গলের কাঠ বেচে। কেউ বা গরু চড়ায়। আর কেউ কেউ পর্যটকদের গাইড হয়। অভাব প্রত্যেকের শরীরে স্পষ্ট।
আগেই অনুপবাবু জানিয়েছিলেন, এইদিন ওই সব কচিকাঁচাদের কিছু টিফিনের ব্যবস্থা যেন 'এসো কিছু করি' করে। সেই টিফিন পেয়ে বাচ্চাদের উজ্জ্বল চোখ ভুলবো কেমন করে?
সব কিছুর শেষে পাহাড়ের গায়ে শাল পিয়ালের বনের ভেতর যখন দিনের শেষ আলো মুছে যাচ্ছে, ফিরতে ফিরতে অনুপবাবুর কথা তখন কানে বাজছে, "সকলে মিলে চেষ্টা করলে অনেক কিছু করা যায়।"
হ্যাঁ, এই লক্ষ্য নিয়েই তো গড়ে উঠেছিল 'এসো কিছু করি'।

অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, এসো কিছু করির পরম শুভানুধ্যায়ী ভীমাপদ ভট্টাচার্য আজ তাঁর বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে...
03/03/2026

অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, এসো কিছু করির পরম শুভানুধ্যায়ী ভীমাপদ ভট্টাচার্য আজ তাঁর বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
​'এসো কিছু করি'-র সূচনালগ্ন থেকে যেসব মাস্টারমশাইদের কাছ থেকে আমরা অকুন্ঠ স্নেহ পেয়ে এসেছি, প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলে যাঁদের হাত ধরে আমরা প্রবেশ করতে পেরেছি, ভীমাপদবাবু তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য। বাঁকুড়া জেলার রাধানগর হাইস্কুলের শিক্ষক ভীমাপদ ভট্টাচার্য নিজের পুরো জীবনটাই সঁপে দিয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীদের জন্য। অনেক দরিদ্র ছাত্র তাঁর কাছে বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু শুধু এটুকুই নয়; স্যার যখনই বুঝতেন কোনও ছাত্র অভুক্ত আছে, তখনই তাকে জোর করে নিজের কাছে বসিয়ে ভাত খাইয়ে দিতেন। এমনকি ওই অঞ্চলের ওষুধের দোকানেও তাঁর নির্দেশ দেওয়া ছিল যে, কোনও ছাত্র যদি ভীমাপদবাবুর নাম করে ওষুধ নিতে আসে, তাকে যেন খালি হাতে ফেরানো না হয়। ওষুধের বিল স্যার নিজেই পরে মিটিয়ে দিতেন।
​দারিদ্র্য যেন কোনওভাবেই মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে ছিল ওনার তীক্ষ্ণ নজর। 'এসো কিছু করি'-র শুরুর বছর থেকেই তিনি যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের সন্ধান দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন। ২০১০ সালে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা তাঁকে 'বরেণ্য সম্মান' প্রদান করি। ভীমাপদবাবু আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন কিন্তু তিনি আমাদের জন্য রেখে গেলেন এক আদর্শ জীবনের উদাহরণ এবং অসংখ্য ছাত্রছাত্রী, যাঁদের জীবন তাঁর সান্নিধ্যে এসে আমূল বদলে গেছে।

প্রকাশিত হল এসো কিছু করির ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ নিউজলেটার।এবারের নিউজলেটারে সংযোজিত হয়েছে একটি নতুন অংশ - উন্মেষ। যেখানে থা...
21/02/2026

প্রকাশিত হল এসো কিছু করির ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ নিউজলেটার।
এবারের নিউজলেটারে সংযোজিত হয়েছে একটি নতুন অংশ - উন্মেষ। যেখানে থাকবে আমাদের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রাক্তন এবং বর্তমান পড়ুয়াদের সৃজনশীলতার পরিচয়।

এসো কিছু করি-র সাথে একটি সন্ধ্যালেখা : শুক্তি সরকারগত রবিবার, ৬ই জুলাই, ২০২৫, অধ্যাপিকা মধুমিতা দেবনাথের বাড়িতে আমরা সমব...
08/07/2025

এসো কিছু করি-র সাথে একটি সন্ধ্যা

লেখা : শুক্তি সরকার

গত রবিবার, ৬ই জুলাই, ২০২৫, অধ্যাপিকা মধুমিতা দেবনাথের বাড়িতে আমরা সমবেত হয়েছিলাম সংস্থার নানা কাজ কর্ম নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করার উদ্দেশ্য নিয়ে। সল্ট লেকের এই গাছপালা ঘেরা বাড়িটি যেন এই রকম জমায়েতের কথা ভেবেই তৈরী করা হয়েছে। সবাই মিলে প্রায় দু ঘণ্টা ধরে কত বিষয়ে যে আলোচনা হলো।

“মেধা” ও “সোপান” প্রকল্পে মেধাবী অথচ অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা যে সব ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া হয় তাদের জন্য নির্ধারিত মেন্টররা ইদানীং কেমন সব পরিস্থিতির মোকাবিলা করছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পেরে বর্তমানে এই রাজ্যে লেখাপড়া শেখাটা ক্রমেই যে কত কঠিন হয়ে উঠছে সেই অস্বস্তিকর ছবিটা চোখের সামনে ফুটে উঠলো। প্রশাসনিক লাল ফিতের ফাঁসে কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও একজন দক্ষিণ ভারতের একটি নামী প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারলো না। প্রান্তিক অঞ্চল থেকে আসার ফলে কেউ কেউ ইংরেজীতে কথা বলতে সংকোচ বোধ করে, এসো কিছু করির সিনিয়ররা তখন কিভাবে এগিয়ে আসে, যারা বিজ্ঞান নিয়ে পড়ে তাদের জন্য অনলাইন মক-টেস্ট, অনলাইন career counselling sessions সংস্থার জুনিয়ররা দক্ষতার সাথে আয়োজন করে।

এই জুনিয়ররা নিজেদের চাকরি-সংসার সামলেও এত নিষ্ঠা ও নিয়ামানুবর্তিতার সাথে এই কাজগুলো করে যে জেনে বিস্মিত না হয়ে পারা যায় না। রাষ্ট্র ছাড়াও প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীর পিছনে, বিশেষ করে প্রান্তিক অঞ্চলের বাসিন্দা – যাদের আর্থিক সঙ্গতি বা বাড়ির তরফে কোনোরকম support system নেই, এই রকম সম্মিলিত প্রচেষ্টা, যাতে তারা সঠিক দিশা পায় নিজেদের গড়ে তোলার জন্য এই ভাবনা নিয়ে টানা আঠেরো বছর কাজ করে চলেছে এক ঝাঁক তরূণ তরুণী। এসো কিছু করি -র বাড়িয়ে দেওয়া হাত ধরে এবং নিজের মেধা ও পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত এক প্রাক্তন ছাত্রও এসেছিল যে নিয়মিত ভাবে বর্তমান ছাত্র ছাত্রীদের লেখাপড়া মূল্যায়নের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ রাখে, প্রশ্নপত্র তৈরী করে দেয়। একটা সংস্থার think tank কিভাবে চলে সেটা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়ে মন ভরা positive vibes নিয়ে বাড়ি ফিরেছি।

যে কথাটা বারবার বলতে হয়, সেটা হল মধুমিতা দেবনাথের ভারী আন্তরিক আতিথেয়তার কথা। দফায় দফায় চা, বিস্কুট, মোচার চপ, রকমারী মিষ্টান্নের যোগান না থাকলে রবিবার সন্ধ্যার গল্প-ভাবনা চিন্তা-আলাপ আলোচনা-পর্যালোচনার আসর জমে নাকি?

আর বলতে হয় Swapna- দির কথা। আশি পেরিয়েও যিনি এসো কিছু করি- র সব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন, মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেন। আর প্রতিনিয়ত আমাদের উদ্বুদ্ধ করে চলেন।

Address

Kolkata

Telephone

+919432363300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eso Kichu Kori posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Eso Kichu Kori:

Share