We & The so called Society

We & The so called Society Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from We & The so called Society, Nonprofit Organization, Hudco, KOLKATA.

একলা সন্ধ্যেবেলা - বড্ড গল্প করতে ইচ্ছে করে কারো সঙ্গে, সন্তানের গল্প - এই অচেনা যুবক বা যুবতীর নয়, সেই ছোট্ট মানুষের -...
31/08/2026

একলা সন্ধ্যেবেলা - বড্ড গল্প করতে ইচ্ছে করে কারো সঙ্গে, সন্তানের গল্প - এই অচেনা যুবক বা যুবতীর নয়, সেই ছোট্ট মানুষের - যার জগৎ শুধু মাকে ঘিরে ঘুরত... সেই হামি, আবদার, সেই ঠোঁট ফোলানো, টুকি টুকি খেলা ...

দূরে - গরীব পাড়া থেকে শাঁখের আওয়াজ ভেসে আসে...
আধুনিক ঈশ্বরী পাটনী জোড় হাতে জগজ্জননীর কাছে প্রার্থনা করেন - সমস্ত দিনের শেষে, জীবনের সব প্রোজেক্ট সাবমিট করে দেবার পর, সব টার্গেট অ্যাচিভ করার পর - যখন শিশিরের শব্দের মত সন্ধ্যা আসবে, ডানায় রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলবে চিল .... আমার সন্তান যেন মুখোমুখি বসিবার একটি মানুষ পায়।

---

“শুধুমাত্র একটা বাচ্চাই নেবো -এটা স্বার্থপর সিদ্ধান্ত না ” — l উত্তরটা এবার একটু শুনুন! 🙂বাচ্চা চার-পাঁচ বছর হলো কি না হ...
26/08/2026

“শুধুমাত্র একটা বাচ্চাই নেবো -এটা স্বার্থপর সিদ্ধান্ত না ” — l উত্তরটা এবার একটু শুনুন! 🙂

বাচ্চা চার-পাঁচ বছর হলো কি না হলো—
“আর একটা বাচ্চা নাও!”
“এত স্বার্থপর হয়ো না!”
“একটা বাচ্চা একা হয়ে যাবে!”
“তোমরা মরে গেলে ওকে দেখবে কে?”
বাহ! 😌
সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্তটাও এখন পাড়া-প্রতিবেশীর কমিটির অনুমোদন নিয়ে নিতে হবে নাকি?

কিন্তু একটু যুক্তি দিয়ে ভাবুন—
🤚১️)ভাই-বোন মানেই আজীবনের সঙ্গী—এটা কোনো গ্যারান্টি নয়।
একই বাড়িতে বড় হয়েও অনেক ভাই-বোন বড় হয়ে আলাদা জীবন বেছে নেয়।
আবার একমাত্র সন্তানও বন্ধুত্ব, আত্মীয়তা আর নিজের পরিবার নিয়ে সুন্দর জীবন কাটাতে পারে।

🤚২) দ্বিতীয় সন্তান কোনো “Loneliness Insurance” নয়।
প্রথম সন্তান যেন একা না থাকে—তাই আরেকটা মানুষকে পৃথিবীতে আনা?
দ্বিতীয় সন্তানও তো একজন পূর্ণ মানুষ, কারও নিঃসঙ্গতা দূর করার দায়িত্ব নিয়ে জন্মায় না।

🤚৩️) “আমরা মরে গেলে কে দেখবে?”—এই যুক্তিটাও একটু অদ্ভুত।
ভবিষ্যতে সন্তানকে দেখাশোনা করবে তার ভাই/বোন—এমন নিশ্চয়তা কে দিল?
সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা শুধু ভাই-বোনের সংখ্যায় নয়, তার আত্মনির্ভরতা, সম্পর্ক ও মানসিক শক্তিতে।

🤚৪️) একটা সন্তানকে ভালোভাবে বড় করতে চাওয়া স্বার্থপরতা নয়।
সময়, অর্থ, মানসিক শক্তি, স্বাস্থ্য—
নিজের সামর্থ্য বুঝে পরিবার পরিকল্পনা করাটাই দায়িত্বশীলতা।

🤚৫️) “আরেকটা নিলে সংসার পূর্ণ হবে”—এটাও সবার জন্য সত্যি নয়।
কারও কাছে দুই সন্তান পূর্ণ পরিবার,
কারও কাছে একজনই যথেষ্ট।
পরিবারের পূর্ণতা সংখ্যায় নয়, ভালোবাসায়। ❤️
আর সবচেয়ে বড় কথা—
একটা সন্তান আছে বলে তার জীবনে ভালোবাসার অভাব হবে—এই ভয়টা আগে বাদ দিন।
তাকে ভালোবাসুন, মানুষের সঙ্গে মিশতে শেখান, বন্ধুত্ব করতে শেখান, আত্মনির্ভর হতে শেখান।

কারণ—
সন্তান “একটা” না “দুটো”—এটা সমাজের সিদ্ধান্ত নয়।
যে পরিবারে সন্তানটি বড় হচ্ছে, সিদ্ধান্তটা তাদেরই।
আর যারা বারবার বলেন,
“আর একটা নাও, এত স্বার্থপর হয়ো না!”
তাদের একটা প্রশ্ন—
অন্যের সন্তান জন্ম দেওয়ার দায়িত্বটা যদি এত সহজেই বুঝে ফেলেন,
তাহলে তার ডায়াপার, দুধ, স্কুলের খরচ আর রাত জাগার দায়িত্বটাও কি নেবেন? 🙂

Collected

বাহ কী সুন্দর!  বটেই তো। একটি মেয়েদের প্রতি কটাক্ষ,অন্যটি ছেলেদের সতর্ক করে দেওয়া। দুটোতেই যে শব্দটা কমন,তা হলো বেকার। ক...
26/08/2026

বাহ কী সুন্দর! বটেই তো। একটি মেয়েদের প্রতি কটাক্ষ,অন্যটি ছেলেদের সতর্ক করে দেওয়া। দুটোতেই যে শব্দটা কমন,তা হলো বেকার। কিন্তু আর কোনোকিছুই কমন নেই৷ মনোভাবটিও পুরোপুরি আলাদা৷ কেন? বলার অপেক্ষা রাখে না।

ঘটা করে প্রথম স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে ব্যঙ্গ করছেন কিন্তু আপনার মাথায় ঢুকছে না যে এটিই আসলে ঘটমান বর্তমান। একটি মেয়ে বলছে আমি বেকার ছেলে বিয়ে করতে পারি কিন্তু তাকে আমার বাড়িতে থাকতে হবে,আমার মা বাবাকে দেখতে হবে, সময় করে আমি যাব তার মা বাবাকে দেখতে৷ এতেই এত অবাক হলেন? এটা নিয়ে এ যুগে পোস্ট দিচ্ছেন,কোন জমানায় বাস করেন? যুগের পর যুগ ধরে একটি ছেলে যা করেছে,মেয়েটি তো সেটাই করার কথা বলছে৷ হঠাৎ আজ আপনার চোখ কপালে উঠে গেল?

অথচ দ্বিতীয় স্ক্রিনশটটি কদিন আগেই হয়তো আপনার মতোই কেউ একজন পোস্ট করে ভাইরাল করেছিল৷ জনপ্রিয় এই বক্তব্যটির নিচে বহুজন লিখে যাচ্ছিল,হ্যাঁ, ঠিকই তো। হ্যাঁ এটাই তো হওয়া উচিত।

অবশ্যই এটাই হওয়া উচিত। ২০২৬ এ এসে এটা নিয়েও ঘটা করে পোস্ট দেবার কিছু ছিল না। মেয়েদের রোজগার করা যে compulsory হওয়া উচিত শুধু নয়,পরিবারের প্রতিটি খরচে মেয়েটিরও যে সমভাবে contribution থাকা উচিত, এ নিয়ে একমাত্র নিরেট গর্দভ মিসোজিনিস্ট ছাড়া আর কারো দ্বিমত থাকবে না। গর্দভদের মতামতের কোনও গুরুত্ব দিই না। যে মেয়েরা এটা মানে না আর বরের কাছে হাত পাতে আজও, তারা কোনোদিনই সমানাধিকার পাবে না।
এখন এটাই নিয়ম,আমার কন্যার কাছে শুনি,ওদের একটা অ্যাপও আছে ( কী অ্যাপ তা ভুলে গেছি),সেখানে দুজনেই যে যা খরচ করে তা আপলোড করে দেয়৷ মাসের শেষে ব্যালেন্সশিট দেখে আর সেই অনুযায়ী যে যেটুকু কম খরচ করেছে, সেই অ্যামাউন্টটা অন্যের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে দেয়। দুনিয়া এখন এই জায়গায় চলে গেছে। লোকজন তবুও পড়ে থাকবে মান্ধাতার বাবার আমলে।

মেয়েদের রোজগারের পাশাপাশি আরও যা যা compulsory হওয়া উচিত তা হলো....

(১) প্রথমত, প্রত্যেক ছেলের রান্না,ঘরের কাজ,কাপড় কাচা বাসন মাজা ছোটবেলা থেকে একই ভাবে শেখা,হ্যাঁ প্রত্যেক। কেউ কেউ করলেও প্রতিটি পুরুষ অফিস থেকে ফিরে প্রতিদিন গৃহকর্ম করে না। অধিকাংশ সময় ছেলেদের মায়েরা তাদের কাজ করতে দেয় না। কাজ ছেলেদেরও করতে হবে। এটাও অপশনাল নয়, কমপালসারি হোক। মেয়েদের মতো ছেলেরাও কেউ কেউ গৃহকর্ম করবে না,সবাই করবে।

(২) দ্বিতীয়ত, একটি পরিবার মানে শুধু স্বামী স্ত্রী পুত্র পুত্রবধূ আর তাদের পুত্রকন্যা,এই ধারণাটি বদলে পরিবারে পুত্রবধূর পরিবারও যুক্ত হোক। উঁহু,এটা হয় না,যেসব পরিবারে হয় তাদের ট্রোল করা হয় সমাজ মাধ্যমে। তাঁরা প্রতিদিন কিছু লোকের কাছে অকারণে গালি খান। শুধু ঘরজামাই হলেই নয়,মেয়ের মা বাবা যদি মেয়ের বাড়িতে থাকেন তাহলে তাদের নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রূপ শুরু হয়ে যায়৷ ওরে আমার ছেলেটাকে কেড়ে নিল,এসব হাস্যকর কাঁদুনি বন্ধ করা এবার compulsory হোক। কেউ কাউকে কেড়ে নেয় না। ছেলেটির মতো মেয়েটির মা বাবাও তাকে একই ভাবে বড়ো করেছেন,অনলাইনে তো অর্ডার দিয়ে পাননি। চিন্তাধারা এডিট করুন সবাই। দুজনের পরিবার মিলেই পুরো পরিবার,এটিও কমপালসারি ভাবনা হোক। Family concept এ দুটি পরিবার যুক্ত হোক। Yes. Compulsory. Not optional.

(৩) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা compulsory হোক তা হলো বিয়ের পরে দুজনেই তাদের আজন্মলালিত হওয়া পরিবার ছেড়ে অন্যত্র নিজস্ব একটা আস্তানা বানাবে,এক টুকরো নিজস্ব ঘর৷ তা ভাড়া বাড়ি হলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু একজন তার সব comfort একই ভাবে পেয়ে যাবে,অন্যজন শুধু adjust করবে,এটা কখনো যুগ যুগ ধরে compulsory নিয়ম হতে পারে না৷ বিশেষ করে চাকরি যখন মেয়েদের বাধ্যতামূলক, তখন সমতাটাও বাধ্যতামূলক হোক৷ তাই তাদের একটা আলাদা সংসার optional নয়,compulsory হোক।

একটাই নিয়মকে বাধ্যতামূলক করব নিজের সুবিধামতো,সেটা হয় না। উপরিউক্ত রীতির কোনোটাই আর optional না থাকুক,compulsory হোক।

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে,মেয়েরা চাকরি করলে সংসার উচ্ছন্নে যায় ইত্যাদি প্রভৃতি বস্তাপচা ডায়লগগুলোকে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়াও সেই সঙ্গে কমপালসারি হোক। বিয়ের সময় মেয়ের মা বাবার টাকায় কেনা খাটে শয়নপর্ব নয়,দুজনের মিলিত রোজগারে তা হোক,এবং সেটাও compulsory হোক।
এবং মেয়ের বাবার কাছে হাত পেতে যৌতুক আর পণ আদায় করার চেষ্টা হলেই জেলের ভাত খাওয়া compulsory হোক।

এবং এবং এবং
বেকার ছেলেকে বিয়ে করবেন না,স্ক্রিনশটে এটি এবার যুক্ত হোক। বেকার ছেলেকে কোনও মেয়ে কেন বিয়ে করে না,এই প্রশ্নটাই সিলেবাসের বাইরে থাকুক৷ তাহলেই আর উত্তর শুনে অবাক হওয়ার কোনও প্রশ্ন উঠবে না৷ প্রসঙ্গত এর কোনোটা শুনেই কেউ আর অবাক হয় না,কারণ এগুলোই এখনকার অধিকাংশ ছেলেমেয়ের রুটিন প্র‍্যাকটিস। যারা এসব লিখে ফুটেজ খায় তারাই শুধু এসব জেনে উঠতে পারেনি৷

Compulsory থিম আনলে একটা লাইনে কিন্তু চলবে না৷ বাকিগুলো মানতে অসুবিধা নেই তো ফ্রেন্ডস? দেখবেন,রক্ষে করো রঘুবীর জাতীয় ডায়লগ দিয়ে দৌড়ে পালাবেন না যেন।

কলমে © কাজরী বসু

মানুষ মৃত্যুর পর স্বর্গ পাবে এই আশায় সারাজীবন অনেক চেষ্টা করে যায়। কেউ উপোস করে, কেউ দান-ধর্ম করে, কেউ তীর্থযাত্রা করে, ...
26/08/2026

মানুষ মৃত্যুর পর স্বর্গ পাবে এই আশায় সারাজীবন অনেক চেষ্টা করে যায়। কেউ উপোস করে, কেউ দান-ধর্ম করে, কেউ তীর্থযাত্রা করে, আবার কেউ দেবতার কাছে মানত করে। স্বর্গ যেন কোনো নতুন হাউজিং সোসাইটির মতো, যেখানে একটা ছোট ফ্ল্যাট পাওয়ার জন্য পুণ্যের পয়েন্ট জমাতে হয়...

কিন্তু এক মুহূর্ত থেমে এটাও ভেবে দেখুন...
কে জানে... আমরা হয়তো আগেই স্বর্গেই বাস করছি?
সকালে ঘুম থেকে উঠেই চারপাশে একবার তাকান।
একটা বোতাম টিপলেই অন্ধকার আলো হয়ে যায়।
আরেকটা বোতাম টিপলেই পাখা ঘুরতে শুরু করে।
তৃতীয় বোতাম টিপলেই ঠান্ডা হাওয়া ঘর ভরে দেয়।
কল খুললেই জল বইতে থাকে।
গ্যাস জ্বালালেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রান্না তৈরি।
পকেট থেকে মোবাইল বের করলেই গোটা পৃথিবী আপনার হাতের তালুতে।
হাজার কিলোমিটার দূরের প্রিয় মানুষগুলো কয়েক সেকেন্ডেই আপনার চোখের সামনে।
এত অদ্ভুত সব সুবিধা... অথচ আমরা এগুলোকে খুব সাধারণ মনে করি। এগুলো যেন আমাদের জন্মগত অধিকার।

একবার ভাবুন তো...
দুশো বছর আগের কোনো রাজা যদি আজ আপনার বাড়িতে আসত, তাহলে হয়তো সে নিজের রাজপ্রাসাদে ফিরতেই চাইত না।
সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করত —
"এটা কী?" — গরম জল!
"আর এটা?" — ঠান্ডা হাওয়া!
"এটা কী?" — গোটা পৃথিবীর খবর!
"এটা?" — দশ মিনিটে বাড়িতে খাবার!
তখন সে হেসে বলত —
"আমি সারাজীবন রাজ্য চালিয়েছি, যুদ্ধ জিতেছি, বিপুল সম্পদ পেয়েছি... কিন্তু এমন সুবিধা কখনো পাইনি।"

এটা সত্যি!
আজ একজন সাধারণ মানুষও অনেক দিক দিয়ে আগের যুগের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজার চেয়েও বেশি "ধনী"।
তবুও...
আমরা সুখী নই।
কেন?
কারণ মানুষ যা পেয়েছে তার দাম ধীরে ধীরে কমে যায়।

এসি চলছে — আনন্দ নেই। বন্ধ হলেই কষ্ট লাগে।
মোবাইল আছে — আনন্দ নেই। নেটওয়ার্ক গেলেই মনে হয় পৃথিবী শেষ।
নিজের বাড়ি আছে — তৃপ্তি নেই। পাশের বাড়িটা বড়, তাই দুঃখ।
নিজের গাড়ি আছে — শান্তি নেই। অন্যের গাড়ি বড়, তাই চিন্তা।
অর্থাৎ মানুষ নিজের স্বর্গে দাঁড়িয়েও অন্যের স্বর্গের সাথে তুলনা করে দুঃখী হয়।

কিন্তু এই পৃথিবীতেই আরেকটা জগৎও আছে...
আজও লক্ষ মানুষ এক ঘটি জলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ায়।
লক্ষ লক্ষ পরিবারের পাকা বাড়িই নেই।
দিনে দু'বেলা খাবারের নিশ্চয়তাও নেই।
সন্তানদের স্বপ্ন স্কুলের চৌকাঠ পেরোনোর আগেই ভেঙে যায়।
গায়ে ঢাকার মতো ঠিকঠাক জামাকাপড়ও নেই।

আমরা যেগুলোকে "সাধারণ" ভাবি, সেগুলোই অন্যের কাছে জীবনের বড় স্বপ্ন।

আমাদের এসির রিমোট না পেলে রাগ হয়।
ওদের রোদ থেকে বাঁচার জন্য গাছের ছায়াটুকুও নেই।

আমরা ডায়েট চার্ট খুঁজি।
ওরা পরের বেলার খাবার কীভাবে জুটবে ভাবতে ভাবতে ঘুমায়।

তখন বোঝা যায়...
স্বর্গ আর নরক মৃত্যুর পরের কোনো জায়গা নয়...
ওগুলো এখানেই আছে... এই পৃথিবীতেই... এই শহরেই... এই রাস্তাতেই... কখনো কখনো একই দেওয়ালের দুই পাশে।

এক বাড়ির ছেলে নতুন মোবাইল একটু স্লো হলেই বিরক্ত হয়।
সামনের বাড়ির ছেলে অনলাইনে পড়ার জন্য মোবাইলই নেই বলে কাঁদে।

একজন মানুষ গরম জল পাঁচ মিনিট দেরি করে এলে অভিযোগ করে।
আরেকজন মানুষ আজ জল পেলেই যথেষ্ট ভেবে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেয়।

পার্থক্য শুধু পরিস্থিতিতে নয়...
পার্থক্য দৃষ্টিভঙ্গিতেও।

কেউ কেউ খারাপ পরিস্থিতেও হাসতে শিখেছে।
আর কেউ কেউ সব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও অভিযোগ থেকে বের হতে পারে না।

মানুষের সবচেয়ে অদ্ভুত অভ্যাস হল —
যা তার নেই তার হিসাব সে রোজ করে...
কিন্তু যা আছে তার হিসাব সে কখনো করে না।

প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে শুধু পাঁচটা জিনিস লিখে দেখুন —
আজ আমি নিঃশ্বাস নিচ্ছি।
আজ আমার কাছে খাওয়ার জল আছে।
আজ আমি খাবার পেয়েছি।
আজ আমার মাথার উপর ছাদ আছে।
আজ আমার মানুষগুলো আমার সাথে আছে।
হয়তো আপনার পুরো জীবনটাই বদলে যাবে।

হয়তো "স্বর্গ" কোনো জায়গা নয়... এটা একটা অনুভূতি!
ঠিক তেমনি "নরক"ও কোনো জায়গা নয়... সেই অনুভূতিটাকে ভুলে যাওয়াই নরক!

যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা মানেই স্বর্গ।
যা পেয়েছি তা ভুলে শুধু অভিযোগে বাঁচা মানেই নরক।

মৃত্যুর পর কী হয় কেউ নিশ্চিত করে জানে না।
কিন্তু বেঁচে থাকতে থাকতেই আমরা এই সুন্দর পৃথিবী পেয়েছি, নিঃশ্বাস নেওয়ার বাতাস, খাওয়ার জল, খাবার, ভালোবাসার মানুষ, আর একটা বোতাম টিপলেই পাওয়া অসংখ্য সুবিধা।
এতকিছু থাকার পরও যদি আমরা সবসময় দুঃখেই থাকি...
তার চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কী আছে?

হয়তো ঈশ্বর হেসে বলবেন —
"আমি তো তোমাকে স্বর্গেই রেখেছি... কিন্তু তুমি সেখানেও অভিযোগের অফিস খুলে বসেছ!"

তাই আজ থেকে অভিযোগ গুনবেন না...
"কৃতজ্ঞতা" গুনুন।
কারণ "কৃতজ্ঞতা" আছে যে হৃদয়ে, সেখানেই আসল স্বর্গ। 🙏💐🌷

(Collected)

EMI-তে কেনা সুখ, কিস্তিতে দেওয়া শান্তিএকটা সময় ছিল, মানুষ আগে টাকা জমাত, তারপর নিজের পছন্দের জিনিসটা কিনত।আজ ছবিটা অনে...
24/08/2026

EMI-তে কেনা সুখ, কিস্তিতে দেওয়া শান্তি

একটা সময় ছিল, মানুষ আগে টাকা জমাত, তারপর নিজের পছন্দের জিনিসটা কিনত।
আজ ছবিটা অনেকটাই উল্টো।

আগে জিনিসটা বাড়িতে আসে, তারপর শুরু হয় তার দাম মেটানোর দীর্ঘ গল্প।

মোবাইল, গাড়ি, বাইক, AC, ফার্নিচার—সবকিছুরই যেন একটা সহজ সমাধান আছে, এখন নিয়ে যান, পরে একটু একটু করে দিন।

শুনতে খুব সহজ।
কিন্তু সেই একটু একটু’ যখন পাঁচ-ছয়টা জিনিসের জন্য একসঙ্গে দিতে হয়, তখন মাসের বেতনটা আর নিজের থাকে না।

সবচেয়ে বড় সমস্যা EMI নয়।
সমস্যা হলো আমাদের চাহিদার সীমা দিন দিন বেড়ে যাওয়া।

কারও হাতে নতুন ফোন দেখলাম—আমার ফোনটা হঠাৎ পুরোনো মনে হলো।
কেউ নতুন গাড়ি কিনল—আমার গাড়িটা ছোট মনে হলো।
কেউ বিদেশে ঘুরতে গেল—আমার নিজের জীবনে যেন কিছু একটা কম আছে বলে মনে হলো।

সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের একটা অদ্ভুত প্রতিযোগিতার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
সেখানে সবাই নিজের জীবনের সুন্দর দিকটা দেখায়, কিন্তু সেই সুন্দর ছবির পেছনে কতটা ঋণ আছে, সেটা কেউ দেখায় না।

আমরা অন্যের Lifestyle দেখে নিজের Budget ঠিক করতে শুরু করি।
এটাই বিপজ্জনক।

একটা জিনিস কেনার আগে শুধু এটুকু ভাবলেই হয় না—
আমি মাসে কত টাকা দিতে পারব?
বরং ভাবতে হবে—
এই কিস্তিটা চলতে থাকলে আমার সঞ্চয় কতটা কমবে?
হঠাৎ আমার আয় বন্ধ হলে কী হবে?
এই জিনিসটা সত্যিই আমার দরকার, নাকি শুধু অন্যের সঙ্গে তাল মেলানোর ইচ্ছে?
কারণ EMI শুধু পকেট থেকে টাকা কাটে না, অনেক সময় মনের শান্তিও কেটে নেয়।
বেতন ঢোকার আগেই যদি মনে হয়—
এই EMI, ওই EMI, বাড়ির খরচ, সন্তানের পড়াশোনা, ওষুধ, বাজার...
তাহলে দামি জিনিসের মালিক হয়েও মানুষ ভেতরে ভেতরে দরিদ্র হয়ে যেতে পারে—শান্তির দিক থেকে।
ঋণ খারাপ নয়।
প্রয়োজনের জন্য নেওয়া ঋণ কখনও কখনও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দরজা খুলে দেয়।
কিন্তু শুধুমাত্র দেখানোর জন্য, অন্যের জীবনকে নিজের মাপকাঠি বানিয়ে ঋণ নেওয়া—সেটা আসলে নিজের ভবিষ্যৎ থেকে টাকা ধার করা।
মনে রাখবেন,
নতুন ফোনের আনন্দ কয়েকদিনের।
নতুন গাড়ির উত্তেজনা কয়েক মাসের।
কিন্তু ভুল সিদ্ধান্তের কিস্তি চলতে পারে বছরের পর বছর।
তাই সবকিছু কিনতে না পারাটা ব্যর্থতা নয়।
কখনও কখনও এখন নয়, পরে কিনব বলতে পারাটাই আর্থিক পরিণতবোধ।
সত্যিকারের স্বচ্ছলতা শুধু বড় বাড়ি, দামি গাড়ি বা নতুন ফোনে নয়।
স্বচ্ছলতা তখনই, যখন মাসের শেষে কিছু টাকা হাতে থাকে, বিপদ এলে কাউকে ফোন করে ধার চাইতে হয় না, আর ঘুমোতে যাওয়ার সময় মাথায় ঘুরতে থাকে না—
পরের মাসের কিস্তিগুলো কীভাবে দেব?
জীবনে সবকিছু একসঙ্গে পাওয়ার দরকার নেই।
কিছু আনন্দ আজ না হয় অপেক্ষা করল।
তার বদলে ভবিষ্যতের একটু নিশ্চিন্ত জীবন যদি পাওয়া যায়—
সেই অপেক্ষাটাও কিন্তু এক ধরনের সম্পদ।
✍️ কলমে লিলি

21/08/2026
💔 চাকরি নয়, যেন একটা অদৃশ্য ফাঁদ…ছবিটা দেখুন।একজন মা—একদিকে কাজ, টাকা, deadlines, meetings, আর অন্যদিকে সন্তান, সংসার, দ...
21/08/2026

💔 চাকরি নয়, যেন একটা অদৃশ্য ফাঁদ…

ছবিটা দেখুন।

একজন মা—একদিকে কাজ, টাকা, deadlines, meetings, আর অন্যদিকে সন্তান, সংসার, দায়িত্ব।
সবকিছু সামলাতে সামলাতে কখন যে নিজের জন্য বাঁচাটাই ভুলে যান, তিনি নিজেও বুঝতে পারেন না।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই দৌড়…

বাচ্চাকে তৈরি করা, খাওয়ানো, স্কুলে পাঠানো।
তারপর নিজের অফিস।
মিটিং, কাজের চাপ, deadline…

অফিস শেষ?

না, মায়ের অফিসের তো কোনও closing time নেই।

বাড়ি ফিরে রান্না, ঘর গোছানো, বাচ্চার homework, আগামীকালের প্রস্তুতি…

আর মাঝখানে ফোনে একটা message—
“আজকের কাজটা কি একটু আগে করে দিতে পারবেন?”

তিনি করেন।
কারণ তিনি “পারেন”।

কিন্তু একটা কথা আমরা খুব কমই জিজ্ঞেস করি—

“তুমি কেমন আছ?”

💔

অনেক working mother-এর কাছে টাকা শুধু টাকা নয়।
ওটা সন্তানের ভবিষ্যৎ।
ওটা পরিবারের নিরাপত্তা।
ওটা নিজের একটা পরিচয়।
ওটা নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সাহস।

তাই তাঁরা ছুটে চলেন।

কিন্তু সেই ছুটতে ছুটতেই কখনও কখনও নিজের শরীর, নিজের ঘুম, নিজের আনন্দ, নিজের মানুষটাকেই পিছনে ফেলে আসেন।

আর সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার?

তবুও মনে হয়—
“আমি কি আমার সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিতে পারছি?”

অফিসে থাকলে সন্তানের জন্য guilt।
সন্তানের সঙ্গে থাকলে মনে হয় অফিসের কাজ পড়ে আছে।

দুই দিকেই guilt।
দুই দিকেই দায়িত্ব।
আর মাঝখানে একজন মা।

তাই আজ কোনও working mother-কে যদি দেখেন—

ক্লান্ত, চুপচাপ, একটু বিরক্ত, অথবা নিজের জন্য একটুখানি সময় চাইছেন…

তাকে বলবেন না,
“তুমি তো চাকরি করো, এত অভিযোগ কেন?”

বরং বলুন—

“তুমি অনেক কিছু সামলাচ্ছ।
একটু বিশ্রাম নাও।
সবকিছু একা সামলাতে হবে না।” ❤️

কারণ একজন working mother-এর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সবসময় আরও বেশি টাকা নয়…

কখনও কখনও তাঁর প্রয়োজন শুধু—

একটু বোঝাপড়া।
একটু সাহায্য।
আর এমন একজন মানুষ, যে বলবে—
“আজ তুমি কিছু করো না। আমি সামলে নিচ্ছি।” ❤️

Working women—আপনারা শুধু সংসার আর career চালাচ্ছেন না।
আপনারা প্রতিদিন নিজেদের একটা অংশ দিয়ে একটা পরিবার গড়ে তুলছেন।

নিজেকেও একটু ভালোবাসুন।
কারণ আপনিও গুরুত্বপূর্ণ। ❤️



[Working Mom, Working Women, Motherhood, Work Life Balance, Mom Guilt]

‘ এবার আমার নিজের কথাটা স্পষ্ট করেই না হয় তোমাকে বলি। রূপক দিয়েই বলতে হবে, নইলে এ-সব কথার রূপ চলে যায়, কথাগুলো লজ্জিত...
17/08/2026

‘ এবার আমার নিজের কথাটা স্পষ্ট করেই না হয় তোমাকে বলি। রূপক দিয়েই বলতে হবে, নইলে এ-সব কথার রূপ চলে যায়, কথাগুলো লজ্জিত হয়ে ওঠে। কেতকীর সঙ্গে আমার সম্বন্ধ ভালোবাসারই; কিন্তু সে যেন ঘড়ায় তোলা জল। প্রতিদিন তুলব, প্রতিদিন ব্যবহার করব। আর লাবণ্যর সঙ্গে আমার ভালোবাসা সে রইল দিঘি; সে ঘরে আনবার নয়, আমার মন তাতে সাঁতার দেবে।’

শেষের কবিতায় বহুদিন আগে এই কথাগুলো অমিতর জবানীতে বলে গিয়েছেন বিশ্বকবি। অথচ আমরা আজও বুঝি না বিবাহ আসলেই হবু স্বামীস্ত্রীর একটি পারস্পরিক 'ডিল'। বুঝিনা কাউকে ভালো লাগলে,কারো প্রেমে পড়লেই, অথবা সমাজের চোখে কেউ বিয়ের উপযুক্ত বলে সার্টিফিকেট পেলেই তাকে বিয়ের কথা ভাবা উচিত নয়। প্রেম আর প্রতিদিনের জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য,দুয়ের মধ্যে আকাশপাতাল ফারাক। ভালোলাগা আর কমপ্যাটিবিলিটি দুয়ের মধ্যে যোজন যোজন ব্যবধান।

তাই বিয়ের আগে দুজনের স্বভাবের মৌলিক অমিলগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। ভালোবাসা খুব জোরদার হলে এ কথা জানা হয় না,আমি যদি পোষ্য রাখতে ভালোবাসি এবং রাখবই ভাবি, সে এক কথায় সেই প্রস্তাব বাতিল করবে কিনা। জানা হয় না ছেলেমেয়ে যদি না হয় তাহলে দত্তক নেওয়ায় আপত্তি কিংবা আগ্রহের ক্ষেত্রে দুজনের মতামত ও অবস্থান একই কিনা। ঈশ্বরবিশ্বাসের ক্ষেত্রে সম ধর্মাবলম্বী হলেও গভীরতার মাত্রা ও ধর্মপালন বিষয়ক মতামত অনেক সময় উভয়ের এক হয় না,আর তা না হলে পরমতসহিষ্ণুতা আদৌ দুজনেরই আছে কিনা। প্রথমেই বলে নেওয়া হয় না,কখনও শাশুড়ি বৌয়ের চিরাচরিত কোন্দল উপস্থিত হলে কে কী অবস্থান নেবে,এবং তা নেবেই। এ নিয়ে কোনো দ্বিমতের অবকাশই থাকবে না।

এমন আরও অসংখ্য কথা বলা হবে,জানা হবে,আর সেগুলো যতক্ষণ না হচ্ছে,বিয়েটা হবে না,এ কথা ভাবি না অনেকেই,কারণ মোহ আমাদের ভাবার পথ আটকে দেয়। অথচ এগুলোই সবচেয়ে জরুরি বিষয়।যেমন চাকরিতে যোগ দেবার আগে শর্তাবলীর তালিকা সম্পূর্ণ ভাবে পড়ে নিতে হয়,যেমন কোনও লগ্নির আগে টার্মস অ্যান্ড কডিশনস পড়ে দেখে নেওয়ার নিয়ম। সেই যে কথায় আছে,লাখ কথা না হলে বিয়ে হয় না, এটা মানা জরুরি বলেই মনে হয়।

সব মত তো কখনোই এক হয় না। মানিয়েও নিতে হয় বইকি। উভয়কেই। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় থাকে যা বেসিক নিড,দুজনের কাছেই। আমি হয়ত বেড়াতে যাবই,বছরে দুবার,এ আমার কাছে ভাত খাওয়ার মতোই হয়ত জরুরি। সেক্ষেত্রে আমার জীবনসঙ্গী ঘরকুনো হলে খুবই মুশকিল। কিপটে বা দরাজের বিষয়টাও মিলতে হবে, আমার সঙ্গী অনাথ আশ্রমে দান করবেই,আর তাতে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বেই,এমনটাও তো কাঙ্ক্ষিত নয়। কথা এগুলো নিয়ে বলতে হবেই। অভিভাবকদের নাক গলানো আমি কতখানি মানব সেটা পরিষ্কার করে বুঝিয়ে তো দিতেই হবে,বিপরীত দিকে তাঁর কথাটাও জানতেই হবে। এগুলোর ক্ষেত্রে মিল না থাকলে প্রেম হতেই পারে,বিয়ে কিন্তু নৈব নৈব চ।

প্রতিশ্রুতি ভঙ্গও হয় অবশ্য। সবাই সব কথা রাখে না,কিন্তু দশটা কথা হলে পাঁচটা তো রাখার সম্ভাবনা থাকে। কথাই না হলে আর রাখার কী প্রশ্ন।

বিয়ে মানে ঘড়ায় তোলা জল,সেই জল পান করার জন্য,তা নিজের জন্য পেয় হওয়া জরুরি। দিঘির জলে স্নান করাই ভালো, কিন্তু দিঘির ব্যাপ্তি দেখে আমরা আবেগে সে কথা ভুলে যাই। পরে পান করতে গিয়ে না পেরে তেষ্টায় ছটফট করি।

ততক্ষণে যা ক্ষতি তা হয়ে যায়। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা যে কী ভয়ানক সময়সাপেক্ষ তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। এত সময় লাগে যে দ্বিতীয় বার সেটল করা অনেক সময়ই যায় না। সুতরাং ভাবিয়া করিও কাজ,করিয়া ভাবিয়া লাভ হইবে না,এ কথাটা ভালো করে ভাবার দরকার আছে বইকি।

তাই, ডিল করার আগে শর্তাবলী দেওয়া এবং অপরের দেওয়া শর্তাবলী পড়ে নেওয়া দুটোই জরুরি। হ্যাঁ,বিবাহ 'ডিল'ই, তা আমরা মানি অথবা না মানি।

তবে সবচেয়ে জরুরি কথা হলো, 'ডিল' আসলে দু পক্ষের..

যেখানে যেখানে এখনও দুর্ভাগ্যবশত মেয়ের বিয়ে মানে কন্যাদায় চোকানো আর ছেলের বিয়ে মানে রাঁধুনির খোঁজ, যৌতুক, জোরজবরদস্তি আর বধূহত্যা,তাদের জন্য সব কথার আগে শিক্ষাটাই জরুরি.. কোনো 'ডিল' নয়..

©কাজরী বসু

অনেকেই বলেন, "জীবনে যদি পারফেক্ট জীবনসঙ্গী না জোটে, তাহলে জীবনটা নাকি নরক হয়ে যায়।"আচ্ছা, পারফেকশন বলতে ঠিক কী বোঝায়?...
04/08/2026

অনেকেই বলেন, "জীবনে যদি পারফেক্ট জীবনসঙ্গী না জোটে, তাহলে জীবনটা নাকি নরক হয়ে যায়।"

আচ্ছা, পারফেকশন বলতে ঠিক কী বোঝায়?

সত্যি বলতে, আমার ঠিক জানা নেই।

ছোটবেলা থেকে আমি আমার বাবা-মাকে দেখেছি, মাসি-মেসোকে দেখেছি, পিসি-পিসেমশাইকে দেখেছি। তাঁরা কেউই পারফেক্ট ছিলেন না।

বাবার রাগ ছিল, মায়ের অভিমান ছিল। ঝগড়া হয়েছে, কথা বন্ধ থেকেছে, সংসারে টানাপোড়েন এসেছে, অর্থকষ্টও ছিল। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে এসব খুব কাছ থেকে দেখেই বড় হয়েছি।

কিন্তু একটা জিনিস খুব কমই দেখেছি...

রাগ হলেই সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়ার তাড়া।
অভিমান হলেই "এবার আর একসঙ্গে নয়"—এই সিদ্ধান্ত।

তাই আজ যখন শুনি, "পারফেক্ট মানুষ না পেলে সম্পর্ক টেকে না", তখন সত্যিই নিজেকে প্রশ্ন করি—

পারফেক্ট মানুষ বলে কি সত্যিই কেউ আছে?

বাস্তবটা হলো, পারফেকশন একটা কল্পনা। পৃথিবীতে এমন একজন মানুষও নেই, যার কোনো খামতি নেই। আমরা প্রত্যেকেই কিছু গুণ, কিছু সীমাবদ্ধতা, কিছু ভুল আর কিছু অসম্পূর্ণতা নিয়েই মানুষ।

তাহলে আমরা নিজেরাই যখন অসম্পূর্ণ, তখন জীবনের সঙ্গীর কাছে নিখুঁত হওয়ার প্রত্যাশা করি কীভাবে?

আমি বলছি না, সবকিছু মেনে নিতে হবে। অসম্মান, প্রতারণা, মানসিক বা শারীরিক নির্যাতনের সঙ্গে কখনও আপস করা উচিত নয়।

কিন্তু ছোট ছোট ভুল, অভ্যাসের অমিল, মতের পার্থক্য, রাগ-অভিমান—এসব কি একটু ধৈর্য, একটু বোঝাপড়া আর একটু ভালোবাসা দিয়ে সামলে নেওয়া যায় না?

আজ দশ বছরের ভালোবাসার সম্পর্কও বিয়ের কয়েক মাস বা কয়েক বছরের মধ্যেই ভেঙে যাচ্ছে।

তাহলে খামতিটা কোথায়?

ভালোবাসায়?
নাকি আমাদের ধৈর্যে?
নাকি আমাদের প্রত্যাশায়?

নাকি আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে সম্পর্কে সমস্যা এলেই মনে হয়—"মুভ অন করাই হয়তো সহজ।"

হয়তো আগের প্রজন্মের জীবন আলাদা ছিল। সুযোগ-সুবিধা কম ছিল, জীবনও ছিল অনেক কঠিন। কিন্তু সেই কঠিন সময়ের মধ্যেও তাঁরা একটা জিনিস জানতেন—সম্পর্ক শুধু সুখের দিনে নয়, কঠিন দিনেও পাশে থাকার নাম।

তাই রাগ হলেও রাতে একসঙ্গে খাওয়া হতো।
অভিমান হলেও সকালে চায়ের কাপটা এগিয়ে দেওয়া হতো।
কথা বন্ধ থাকলেও অসুস্থ হলে ওষুধটা ঠিক সময়ে খাইয়ে দেওয়া হতো।

আজও কত বৃদ্ধ দম্পতিকে দেখি...
বালিশের নিচে বামের কৌটো, টেবিলে ওষুধের পাতা, হাঁটুর ব্যথা, চোখে মোটা চশমা...
তবুও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে একজন আরেকজনকে জিজ্ঞেস করেন—

"ওষুধ খেয়েছ?"

সেখানে হয়তো রোম্যান্টিক সংলাপ নেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি নেই, প্রতিদিন "আই লাভ ইউ" বলাও নেই।

আছে শুধু একসঙ্গে কাটানো চল্লিশ-পঞ্চাশ বছরের জীবন।
আছে হাজার ঝগড়ার পরেও একে অপরকে ছেড়ে না যাওয়ার অভ্যাস।
আছে এই বিশ্বাস—মানুষটা পারফেক্ট নয়, তবুও এই মানুষটাই আমার।

হয়তো ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর সংজ্ঞা এটাই।

আজ আমরা সম্পর্ক শুরু করার আগে নিখুঁত মানুষ খুঁজি।
হয়তো তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন, এমন একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া, যার সঙ্গে অসম্পূর্ণ হয়েও সারাজীবন পথ চলা যায়।

কারণ দিনের শেষে...

পারফেক্ট মানুষ বলে কেউ নেই।

আছে শুধু দুটি অসম্পূর্ণ মানুষ, যারা প্রতিদিন একটু একটু করে একে অপরকে বুঝতে শেখে, ক্ষমা করতে শেখে, সম্মান করতে শেখে, আর সম্পর্কটাকে জিতিয়ে রাখতে শেখে।

হয়তো সুখী দাম্পত্যের রহস্য পারফেকশন নয়...
একটু ধৈর্য, একটু ছাড়, আর অনেকটা "আমরা"।😊😊

✒️✒️✒️ (Collected)

একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, পিরিয়ড, স্ট্রেস, হজম,  আত্মবিশ্বাস, এমনকি তার কথাবার্তার কোমলতা পর্যন্...
03/08/2026

একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, পিরিয়ড, স্ট্রেস, হজম, আত্মবিশ্বাস, এমনকি তার কথাবার্তার কোমলতা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে—এসবের মূল ভিত্তি হলো তার emotional safety। আর এই emotional safety সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ, অর্থাৎ তার স্বামী বা তার প্রেমিকের আচরণে। মেয়েদের শরীর প্রকৃতিগতভাবে খুব সংবেদনশীল। তাদের হরমোনগুলো minute-to-minute পরিবর্তন হয়। পুরুষদের হরমোন স্থির হয়—কিন্তু মেয়েদের estrogen, progesterone, oxytocin, cortisol সারাক্ষণ ওঠানামা করে। তাই একজন পুরুষের বা তার কাছের মানুষগুলোর একটা কথা, একটা আচরণ, একটু রূঢ়তা, কিংবা একটু মমতা তার হরমোনে অবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলে।

যখন একজন পুরুষ গভীরভাবে সম্মান দেয়, কথা বলার সময় নরম থাকে, তার feelings–কে গুরুত্ব দেয়—তখন মেয়েদের শরীরে oxytocin দ্রুত বাড়ে। এই oxytocin শুধু bonding নয়, শরীর ও মনকে ভিতর থেকে শান্ত করে। এই শান্ত অবস্থাই estrogen–progesterone–thyroid–insulinকে সুন্দরভাবে ব্যালান্স করে রাখে। তার ফলে period regular থাকে, mood stable থাকে, anxiety কমে, ঘুম গভীর হয়, মাথা ব্যথা কমে, হজম শক্তিশালী হয়।

কিন্তু যখন সে harsh কথা শোনে, বারবার অবহেলা পায়, ভালোবাসার অভাব অনুভব করে—তার শরীর তখন সেই পরিস্থিতিকে “threat” হিসেবে নেয়। তখন cortisol বাড়ে। স্ট্রেস হরমোন cortisol বাড়লে খুব অদ্ভুত সব পরিবর্তন হয়: মনের ওঠানামা শুরু হয়, পিরিয়ড গোলমাল হয়, বুকে ভারী লাগে, ঘুম কমে যায়, শরীরে পানি ধরে, ওজন বেড়ে যায়, আবার কারও ক্ষেত্রে হঠাৎ ওজন কমে যায়। কেউ বিরক্ত হয়, কেউ চুপ হয়ে যায়, কেউ খুব emotional হয়ে পড়ে, কেউ আবার hyper-reactive হয়ে যায়।

তার মানে— আপনি যেভাবে তার সাথে কথা বলেন, সে ঠিক সেই অনুযায়ী তার হরমোন behave করে।

একজন পুরুষ যদি ভাবেন, “সে কেন রেগে আছে?”, “সে কেন sensitive?”, “এত emotional কেন?”—তবে তার জানা উচিত যে একজন মহিলার emotional world আসলে তার biological world-এর সাথে সরাসরি যুক্ত। সে যেমন ভাবে, তার শরীরও ঠিক সেভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।

আপনি যদি বারবার দেরি করে উত্তর দেন, তাকে উপেক্ষা করেন, রূঢ় কথা বলেন—তার শরীর সঙ্গে সঙ্গে cortisol বাড়াবে, estrogen কমাবে, progesterone disturb করবে। এর ফল—bloating, cramps, hair fall, mood swings, anxiety, oversensitivity—এসবই দেখা দেয়।

কিন্তু একজন পুরুষ যদি তার মেয়েটিকে hug করে বলে, “তুমি আছো, সেটাই আমার সুখ”—তখন তার শরীর মুহূর্তেই relax mode-এ চলে যায়। শুধু psychological নয়, biological transformation ঘটে। হৃদস্পন্দন ধীর হয়, শ্বাস গভীর হয়, nervous system শান্ত হয়, হরমোনগুলো আবার ছন্দে ফিরে আসে।

এটাই একজন মেয়ের সত্য। ভালোবাসা তার শরীরের ওষুধ।।সম্মান তার হরমোনের স্থিরতা। নরম আচরণ তার মানসিক শান্তি। আপনার একটুখানি যত্ন তার পুরো endocrine system heal করে।

একজন পুরুষ কখনোই বুঝতে পারেন না, তার একটি মিষ্টি বাক্য বা সামান্য সহায়তা কিভাবে একজন মেয়ের ব্যথা, মানসিক চাপ, hormonal imbalance—এসবকে মুহূর্তে হালকা করে দেয়।

পুরুষেরা ভালোবাসা প্রকাশে একটু পিছিয়ে থাকে, কিন্তু যখন তারা বোঝে যে তাদের আচরণ একজন নারীকে শুধু emotionally নয়, medically সুস্থ করে—তখন ভালোবাসা তাদের কাছেও দায়িত্ব হয়ে ওঠে। আর একজন পুরুষ যখন সত্যিকারের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তখন একজন নারী শুধু relationship-এ সুখী হয় না—তার পুরো শরীর, মন, আত্মা সব সুস্থ হয়ে ওঠে।

ভালোবাসা কোনো luxury নয়—
ওটাই একজন নারীর প্রথম চাওয়া তার প্রিয় মানুষের থেকে।

সংগৃহীত

Address

Hudco
Kolkata
700054

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when We & The so called Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share