Dola Basu Foundation

Dola Basu Foundation Dola Basu Foundation is a classified as NGO under ROC section-8. It's a Founded on 17 Nov ,2021.

21/07/2026

.

21/06/2026

The opening credits of Nishant, released in 1975, lists the following register of debuts: “Introducing Smita Patil, Mohan Agashe, Kulbhushan Kharbhanda… And Naseeruddin Shah.” Arguably, no single Indian film across languages has launched this many actors with such storeyed careers. All four play significant characters with speaking parts in the film. Agashe and Kharbanda both enjoy household renown, at least in the Hindi speaking sphere, and have worked in every decade since their debuts. Patil, in spite of her unreasonably early departure, remains one of most unforgettable actors on the Indian screen.

The most successful of this overachieving quartet, and the subject of this eulogy, is Naseeruddin Shah, who has appeared in at least one film, more recently OTT project, every calendar year since Nishant 50 years ago according to IMDb. You know those longitudinal research studies, conducted by wealthy universities, where they follow a subject or set of subjects for decades? Shah would be a good candidate for one of those – so extensively has he been recorded by the camera in the course of his work. You could detail how the human body changes with age watching his films by the year of release: how cheeks fill with age, eyes crinkle, hair greys, voice gathers grain, a handsome penumbra of laugh lines shades his smile. Shah has literally aged – or chosen to, unlike many actors who remain frozen at 30-something forever – before the camera.

Read more on thewire.in

At last we organised 45 years ago several rural meets at jowai,shillong and Ri bhoi ( nogpoh)about traditional turmeric ...
20/06/2026

At last we organised 45 years ago several rural meets at jowai,shillong and Ri bhoi ( nogpoh)
about traditional turmeric practice of meghalaya turmeric having high curcumin grades
Thanxs for this news

Meghalaya inaugurates a ₹30 crore organic spice processing unit, benefiting 5,500 farmers and enhancing rural livelihoods.

At one time 25years ago cgwb found over 5500 mountain springs in meghalaya.Now water stress developing in NER Dr Dipanka...
20/06/2026

At one time 25years ago cgwb found over 5500 mountain springs in meghalaya.
Now water stress developing in NER

Dr Dipankar saha

Eight northeastern states have formed the Himalayan Water Partnership to map, monitor and revive mountain springs across the eastern Himalayas, uniting scientists, policymakers and communities.

20/06/2026
20/06/2026

ভারতের টেবিল টেনিসের জগতে ভারতী ঘোষ শুধু একজন কোচ ছিলেন না, তিনি একটি পুরো প্রজন্ম গড়ে তোলা একজন কিংবদন্তি। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি-র মতো ছোট শহর থেকে উঠে আসা এই মহিলা সেই শহরকেই “টেবিল টেনিসের কেন্দ্র” বানিয়ে দিলেন।

তাঁর গল্প তো শুরু হয়েছিল একজন খেলোয়াড় হিসেবে, কিন্তু আসল পরিচয় তিনি পেলেন একজন কোচ হিসেবে।

নিজে সীমিত সুযোগে খেলা শিখেছিলেন, কোনো বড় সিস্টেম বা সুবিধা ছাড়াই। পরে সেই অভিজ্ঞতাই তিনি তাঁর ছাত্রদের দিলেন।

শিলিগুড়ির ছোট ছোট হল, পুরনো টেবিল আর সীমিত সরঞ্জামের মধ্যেই তিনি শিশুদের ট্রেনিং দিতে শুরু করেন। অনেক সময় সেই ছাত্রদের ফ্রি ট্রেনিং দিতেন, যারা ফি দিতে পারত না।

ধীরে ধীরে, যারা তাঁর কাছে আসত, তারা শুধু খেলোয়াড় নয়, চ্যাম্পিয়ন হতে লাগল। তাঁর শিষ্যদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম মন্তু ঘোষ, যিনি দুইবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন এবং পরে অর্জুন অ্যাওয়ার্ড পান।

মন্তু নিজেই বলতেন, “9 বছর বয়সে আমি ম্যাডাম ভারতী ঘোষ-এর কাছে ট্রেনিং শুরু করি। তিনি আমার জন্য কোচ নয়, ‘দ্বিতীয় মা’ ছিলেন।”

এভাবে, তাঁর দিকনির্দেশনায় আরও অনেক খেলোয়াড় এগিয়ে আসেন, যেমন গণেশ কুন্ডু, যারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি পান।

তিনি প্রতিবন্ধী শিশুদেরও ট্রেনিং দেন, মেয়েদের খেলায় এগিয়ে নিয়ে যান, এবং এমন একটি পরিবেশে কাজ করেন যেখানে খেলাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া সহজ ছিল না।

2019 সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ‘বঙ্গরত্ন’ দিয়ে সম্মানিত করে এবং 2021 সালে ‘স্পোর্টস গুরু অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। এছাড়া তাঁকে ক্রীড়া গুরু এবং অন্যান্য স্থানীয় সম্মানও দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু এত বড় অবদানের পরও তিনি জাতীয় পর্যায়ে যথেষ্ট স্বীকৃতি পাননি।

তিনি বিয়ে করেননি, কারণ তিনি তাঁর পুরো জীবন দিতে চেয়েছিলেন টেবিল টেনিস ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য। রেলওয়েতে চাকরি থাকা সত্ত্বেও কোচিং কখনও ছাড়েননি। অবসর নেওয়ার পর পুরো সময়ই দিয়েছেন শিশুদের শেখাতে।

ফেব্রুয়ারি 2025-এ, 83 বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর চলে যাওয়ার পর খেলাধুলার জগতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়, কিন্তু তাঁর আসল উত্তরাধিকার আজও জীবিত।

প্রত্যেক খেলোয়াড়, যিনি তাঁর ছোট হলের মধ্যে দাঁড়িয়ে প্রথমবার র‍্যাকেট ধরেছিলেন… আজও তাঁর গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ❤️🏓

20/06/2026

খড়গপুর: দেশের আইন শিক্ষার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagur)। প্রতিষ্ঠানের রাজীব গান্ধ....

20/06/2026

🌹কিংবদন্তি শিল্পী ও সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের শুভ জন্মদিনে তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই 🌹🙏🌹🙏
(১৬ জুন ১৯২০)

🌹স্মরণশরতে হেমন্ত

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায়
লেখক শঙ্করলাল ভট্টাচার্য

ঘণ্টার পর ঘণ্টা রেওয়াজে বিশ্বাসী ছিলেন না। রেকর্ডিং-এ সময় নিতেন নামমাত্র। শখ ছিল সাদা ফিয়েট গাড়ির,
আর এর-তার উপকার করে বেড়ানো। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় একবার বাল্যবন্ধু হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে একটা বই-ই লিখে ফেলেছিলেন ‘হেমন্তর কী মন্তর’। প্রবীণ বয়েসেও কবি ঠাওরে উঠতে পারেননি, বন্ধুটির জাদুটা ঠিক কোথায়; গলায়, চেহারায়, মনে না হৃদয়ে? ওঁর জীবন সায়াহ্নে হেমন্তবাবুকে দিন-দিন দেখে আমাকেও যে এই ধন্ধে পড়তে হয়নি, তা নয়।
সুভাষদাকে বলতে উনি বললেন, “তুমি জানো, কী সমস্যায় আমাকে ফেললে হেমন্ত এক সময়? বলতে লাগল, ‘না, সুভাষ তোমার অবস্থার একটা বিহিত করতে হবে। এমন টাকা টানাটানির মধ্যে থাকা চলবে না।’ কথাবার্তায় বুঝলাম আমাকে ও বড়লোক করেই ছাড়বে। তখন ওকে থামানোর জন্য বললাম, ‘রোসো, রোসো, বাপু। এই তো দিব্যি চলে যাচ্ছে, তুমি আবার এত ব্যস্ত হচ্ছ কেন?’ তখন হেমন্ত কী বলল জানো? বলল, ‘তোমার অবস্থার ভাল দেখতে আমার ভাল লাগবে।’ এই হচ্ছে হেমন্ত।”
এই হেমন্তকে সব সময়ে চোখে পড়ে না। হাতা গোটানো সাদা ফুলশার্ট, ধুতি আর চপ্পলে নিপাট ভদ্র ইমেজ আর প্রবল খ্যাতির পিছনে হারিয়ে থাকা অপূর্ব ভালমানুষটি যথেষ্ট আলোয় আসেন না সব সময়। শুধু কি সুভাষদা, দুনিয়ার কত লোকেরই যে উপচিকীর্ষা মাথায় নিয়ে থুম হয়ে বসে থাকতেন টেবিলের এক পাশে, চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবার না। কে কখন আসবে, কার কী দরকার, কাকে কী দিতে হবে, এই সব ভাঁজছেন আর দিয়েও যাচ্ছেন।
একদিন একটা বইয়ের কাজে কথা রেকর্ড করছি হেমন্তদার। হঠাৎ মাঝে থেমে একটু চুপ করে রইলেন। তার পর বসার ঘরের এক ধারে বসে কাকে একটা বললেন, “অজিতের শরীরটা ভাল যাচ্ছে না ক’দিন। আসছেও না। একটা খবর করো তো।” বলেই সাক্ষাৎকারের যেখানে কথা ছেড়েছিলেন সেখান থেকেই ধরে নিলেন। যেন মাঝখানে ওটা একটা চায়ের অর্ডার করলেন মাত্র। আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, তা হলে এই সব গানবাজনার কথার তলে তলে বন্ধু অজিত চট্টোপাধ্যায়ের অসুখের ভাবনাটাও চলাচল করছিল! ©JALSA
ব্যাপারটা প্রকট হল আরও কয়েক মাস পর যখন বই হচ্ছে। প্রকাশককে বললেন, “আমার এ বাড়িতে ছবিটবি কিসুই নেই। আমার কোনও রেকর্ডই নেই, বাজানোর যন্তরটাও বেকল। আমার স-ব ছবি অজিতের কাছে। ও-ই দেবে। তবে হ্যাঁ, ওকে কিছু টাকা দেবেন। এত কাল যত্ন করে রেখেছে।”হেমন্তদা নিজে যত্ন করে জিনিসপত্তর আগলাবার মধ্যে বড় একটা কোনও দিনই ছিলেন না। শেষ দিকে অসুখবিসুখে জেরবার হচ্ছিলেন যখন, তখন চিন্তায় পড়তেন গলাটা বাঁচানো নিয়ে। একদিন বললেন, “আমার গলার কিছু খারাপ দেখি না। সমস্যা হচ্ছে দম নিয়ে।”
এরকম আরেকটা আগলাবার জিনিস ওঁর ছিল। ওঁর সৎ, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি। খুব শ্লাঘার সঙ্গে একবার বলেছিলেন, “যখন বম্বে ছাড়লাম, তখন আমার বাজারে পঁয়তাল্লিশ লাখ টাকা দেনা, শেষের দিকের ক’টা ছবি না লেগে যা হল। আমি কিন্তু গেয়ে গেয়ে পাই-পয়সা অবধি মিটিয়ে দিয়েছি।”
শেষ দিন অবধি নিজের ধুতি শার্টের স্টাইল স্টেটমেন্টটা যে আগলে ছিলেন এটা কারও অজানা নয়। যেটা কম জানা তা হল, সাদা পোশাকের মতো সাদা ফিয়েট গাড়ির উপর নির্ভরতা। যেখানেই যান, যে কাজেই যান, নিজের ফিয়েটে করেই চলবেন, ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায় পৌঁছবেন। সময়ের মাহাত্ম্য এত ছিল ওঁর কাছে যে গান রেকর্ড করার সময়ও অজস্র টেক-এর মধ্যে কখনও যেতেন না। বড়জোর দুটো কি তিনটে টেক। ব্যস!
এইচএমভি স্টুডিয়োয় ওঁর এরকম একটা টেক-এর পর জিজ্ঞেস করায় বললেন, “দ্যাখো, দুটো-তিনটের মধ্যে কাজটা দিতে না পারলে সারা দিনেও দিতে পারব না।”
ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে নাগাড়ে রিহার্সাল করারও পক্ষপাতী ছিলেন না। ওঁর এক প্রিয় শিল্পী হৈমন্তী শুক্ল যখন রবিশঙ্কর ও আলি আকবর খানের সুরে বাংলা গান রেকর্ড করার জন্য তৈরি হচ্ছেন, তখন হেমন্তদা হেসে মৃদু ঠাট্টা করে বলেছিলেন, ‘তোমার পণ্ডিতজির পাল্লায় পড়লে তো, দ্যাখো কত রিহার্সাল, রিহার্সাল আর রিহার্সাল করান। বুঝবে ঠ্যালা!’
অল্প সময়ের মধ্যে নিজের সেরাটা বার করার এক অনায়াস দক্ষতা ছিল হেমন্তদা’র। পৃথিবীতে ওঁর এক সেরা ভক্ত চিত্র পরিচালক তরুণ মজুমদারের কাছে এর এক নিপুণ বৃত্তান্ত শুনেছি। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মতো তরুণবাবুও মনে করেন, হেমন্তবাবু মানুষটার কোনও তুলনা হয় না। তবে তাঁর সব ছবিতে হেমন্তবাবুকেই যে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে চাইতেন তার কারণ ছবিতে সুর করার এমন এক সরল জনমোহিনী রকম ছিল হেমন্তর, যার কোনও বিকল্প নেই। তাই ‘পলাতক’-এর মতো পল্লিসুরাশ্রয়ী গানের ছবিতেও উনি পরিচালক চেয়েছিলেন হেমন্তবাবুকে।
তাতে গাঁইগুঁই করেছিলেন হেমন্তদাই। বলেছিলেন তিনি তো সেভাবে পল্লিগানের চর্চা করেন না, তাই ওই কাজে হাত দিতে ইতস্তত বোধ করছেন। বলা বাহুল্য, তরুণবাবু সে ওজর-আপত্তিতে কান দেননি। হেমন্তবাবু তখন এক নতুন ছেলেকে গীতিকার হিসেবে বেছে নেন। মুকুল দত্ত। আর গান সুর করা শুরু হবে যখন, তখন ঘাড়ের ব্যথায় হেমন্তবাবু ভরতি হলেন বম্বের নর্থকোট হসপিটালে।
সেই অবস্থাতেই এক আজব কাণ্ড চলল হাসপাতালে। মুকুল তাঁর লিরিক লিখে লিখে পাতা দিচ্ছেন হেমন্তকে আর সুরকার ওই শোওয়া অবস্থায় একটু ভেবে নিয়ে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে সুর করে যাচ্ছেন কথায়। আর সেভাবেই ফলতে লাগল
‘জীবনপুরের পথিক রে ভাই
কোনও দেশে সাকিন নাই
কোথাও আমার মনের খবর পেলাম না’
এবং অন্য সব চিরমধুর গীতাঞ্জলি।
এই অল্প সময়ে সেরা সুর ফেঁদে ফেলার পিছনে কাজ করত হেমন্তদা’র ওই বিরল গোত্রের আত্মবিশ্বাস।

©JALSA

Address

Block-D5, Flat No. 1401, Budge Budge Trunk Road , 24 PGS(S)
Kolkata
KOLKATA-700137

Telephone

+917980866310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dola Basu Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dola Basu Foundation:

Shortcuts

Share