IRMC - Islamic Research & message Center

IRMC - Islamic Research & message Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from IRMC - Islamic Research & message Center, Nonprofit Organization, KOLKATA.
(1)

শেয়ারে রাখুন,খৃস্টানদের ফাঁদ থেকে সাবধান  ⚠️
19/09/2024

শেয়ারে রাখুন,খৃস্টানদের ফাঁদ থেকে সাবধান ⚠️

বাইবেলে বর্ণিত সত্যের আত্না বিষয়ে আল-কুরআন ও হাদিস থেকে লাইন by লাইন বিশ্লেষণ করা হলো,যা আগে কেউ করে নি এবং তা ভাবায় নিঃ...
07/06/2024

বাইবেলে বর্ণিত সত্যের আত্না বিষয়ে আল-কুরআন ও হাদিস থেকে লাইন by লাইন বিশ্লেষণ করা হলো,যা আগে কেউ করে নি এবং তা ভাবায় নিঃ-
****************★*************
★ভূমিকা:-আমি তোমাদের সত্যি বলছি, আমি যাকে পাঠাবো তাকে য়ে গ্রহণ করবে, সে আমাকেই গ্রহণ করবে৷ আর য়ে আমাকে গ্রহণ করে, আমায় যিনি পাঠিয়েছেন, সে তাঁকেও গ্রহণ করে৷’(যোহন 13:20)য়ে তোমাদের সাদরে গ্রহণ করে, সে আমাকেইগ্রহণ করে৷ আর য়ে আমাকে গ্রহণ করে, সে তো যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন সেই ঈশ্বরকেই গ্রহণ করে৷(মথি 10:40)কেউ যদি কোন ভাববাদীকে একজন ভাববাদী বলেই সাদরে গ্রহণ করে, তবে ভাববাদীর য়ে পুরস্কার সেও তা লাভ করবে৷ আর কেউ যদি কোন ধার্মিক লোককে ধার্মিক বলে সাদরে গ্রহণ করে, তবে ধার্মিক ব্যক্তির প্রাপ্য় য়ে পুরস্কার সেও তা পাবে৷(মথি 10:41)।তোমাদের বলবার মতো আমার এখনও অনেক কথা আছে; কিন্তু সেগুলো তোমাদের গ্রহণ করার পক্ষে এখন অতিরিক্ত হয়ে যাবে৷(যোহন 16:12)আমি পিতার কাছে চাইব, আর তিনি তোমাদের আর একজন সাহায্যকারী দেবেন, য়েন তিনি চিরকাল তোমাদের সঙ্গে থাকেন৷(যোহন 14:16)কিন্তু আমি তোমাদের সত্যি বলছি; আমার যাওযা তোমাদের পক্ষে ভাল, কারণ আমি যদি না যাই তাহলে সেই সাহায্যকারী তোমাদের কাছে আসবেন না৷ কিন্তু আমি যদি যাই তাহলে আমি তাঁকে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দেব৷(যোহন 16:7)
******************************★**********
পরিচয়:-
(১)তিনি সত্যের আত্না(যোহন 14:17)
হ্যা,নবী(স)হলেন সত্যের আত্না।কারণ পল বলছে-
প্রিয় বন্ধুরা, এ জগৎ সংসারে অনেক ভণ্ড নবীদের দেখা দিয়েছে, তাই তোমরা সব আত্মাকে বিশ্বাস করো না৷ কিন্তু সেই সব আত্মাদের যাচাই করে দেখ য়ে তারা ঈশ্বর হতে এসেছে কিনা৷যে আত্না স্বীকার করে যিশু খৃস্ট পৃথিবীতে মানুষ হয়ে এসেছে,সে আত্না ঈশ্বরপ্রেরিত আত্না(১ যোহন 4:1-2)একই কথা নবী(স) স্বীকার করছেন-যে মরিয়মের পুত্র মসীহ ঈসাকে আল্লাহর/ঈশ্বরের বান্দা(মানুষ) ও রাসূল বলে বিশ্বাস করে....তার জন্য আল্লাহ তাকে জান্নাত দিবেন(বুখারী হা-৩৪৩৫)।যিশু/ঈসা থাকা কালে পবিত্র আত্না কখনোই স্বীকার করেনি,যিশু একজন মানুষ।সুতরাং পবিত্র আত্না সত্যের আত্না নয়,পলের প্রসংগে ঈশ্বর প্রেরিতও নয়।

(২)জগতবাসী তাকে জানে না কিন্ত তোমরা তাকে চিনো ও জানো,তিনি তোমাদের সঙ্গে ও মধ্যে থাকবেন (যোহন 14:17)হুবাহু একই বিষয়ে নবী(স)কে নিয়ে কুরআনে বলা-আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।(সূরাঃ সাবা, আয়াতঃ ২৮) এবং খৃস্টানরা নবী(স)কে ভালো করে চিনে যেমন কুরআনে বলা-যাদেরকে আমি কিতাব দান করেছি, তারা তাকে চিনে, যেমন তাদের সন্তানদেরকে চিনে। যারা নিজেদেরকে ক্ষতির মধ্যে ফেলেছে, তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।(সূরাঃ আল আনআম, আয়াতঃ ২০)

৩)যখন সেই সাহায্যকারী আসবেন তখন তিনি পাপ, ন্যায়পরায়ণতা ও বিচার সম্পর্কে জগতের মানুষকে চেতনা দেবেন৷(যোহন 16:8)একই কথা নবী(স) সম্পর্কে বলা কুরআনে-আপনি মানবজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনুন(সূরা ইব্রাহিম ১৪:১)

৪)বিচার সম্বন্ধে চেতনা দেবেন কারণ এই জগতের য়ে শাসক তার বিচার হয়ে গেছে৷(যোহন 16:11)
নবী(স)কে বলা হয়েছে এভাবে-বলে দিন, হে মানবজাতি!তোমাদের সবার প্রতি আমি আল্লাহর প্রেরিত রসূল, সমগ্র আসমান ও যমীনে তার রাজত্ব। (সূরাঃ আল আ'রাফ, আয়াতঃ ১৫৮)আপনি বলুন-আমি তোমাদের মধ্যে ন্যায় বিচার করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ আমাদের পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা। আমাদের জন্যে আমাদের কর্ম(পাপ-পুণ্য)এবং তোমাদের জন্যে তোমাদের কর্ম(পাপ-পুণ্য)। আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে বিবাদ নেই। আল্লাহ আমাদেরকে সমবেত করবেন এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তণ হবে।(সূরা আশ-শুরা, আয়াত-১৫)।

৫)সত্যের আত্মা যখন আসবেন, তখন তিনি সকল সত্যের মধ্যে তোমাদের পরিচালিত করবেন৷ (যোহন 16:13) নবী(স) ব্যাপারে কুরআনে বলা:- বলে দিন, হে মানবজাতি!তোমাদের সবার প্রতি আমি আল্লাহ প্রেরিত(সূরাঃ আল আ'রাফ, আয়াতঃ ১৫৮)
বলুনঃ আশা করি আমার পালনকর্তা আমাকে এর চাইতেও নিকটতম সত্যের পথ নির্দেশ করবেন।
(সূরাঃ কাহফ, আয়াতঃ ২৪)বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।(সূরাঃ আল ইমরান, আয়াতঃ ৩১)

৬)তিনি নিজে থেকে কিছু বলেন না(যোহন 16:13)
একই কথা কোরানে নবী(স) বিষয়ে বলা-তিনি নিজের থেকে কিছু বলেন না,এটা তো ওহী যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয় (সূরা নাজম ৫৩:২-৩)

৭) আর আগামী দিনে কি ঘটতে চলেছে তা তিনি তোমাদের কাছে বলবেন৷(যোহন 16:13)
এটাও নবী(স) সাথে মিলে যেমন-রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হে আওফ! কিয়ামতের পূর্বকার ছয়টি আলামত স্বরন রাখবে। সেগুলোর একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু। আওফ (রাঃ) বলেন, আমি একথায় অত্যন্ত মর্মাহত হলাম। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, প্রথমটি। অতঃপর বাইতুল মুকাদ্দাস (জেরুজালেম) বিজয়। অতঃপর তোমাদের মধ্যে এক মহামারী ছড়িয়ে পড়বে, যার দ্বারা আল্লাহ তোমাদের বংশধরকে ও তোমাদেরকে শাহাদাত নসীব করবেন এবং তোমাদের আমলসমূহ পরিশুদ্ধ করবেন। এরপর তোমাদের সম্পদের প্রাচুর্য হবে, এমনকি মাথাপিছু শত দীনার (স্বর্নমুদ্রা) পেয়েও মানুষ সন্তুষ্ট হবে না। তোমাদের মধ্যে এমন বিপর্যয় সৃষ্টি হবে, যা থেকে কোন মুসলমানের ঘরই রেহাই পাবেনা। এরপর বনু আসফার (রোমক খৃস্টান) এর সাথে তোমাদের সন্ধি হবে। কিন্তু তারা তোমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং আশিটি পতাকাতলে সংঘবদ্ধ হয়ে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। প্রতিটি পতাকার অধীনে থাকবে বারো হাজার সৈন্য।(ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৪০৪২)

৮)তিনি আমাকে মহিমান্বিত করবেন।(যোহন 16:14)
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমার উম্মতের দুটি দল, আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে জাহান্নাম হতে পরিত্রাণ দান করবেন। একদল যারা হিন্দুস্থানের জিহাদ করবে, আর একদল যারা ঈসা ইব্‌ন মারিয়াম (আঃ)-এর সঙ্গে থাকবে।(সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৩১৭৫)নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার ও তাঁর অর্থাৎ ঈসা (আঃ) এর মাঝে কোন নবী নেই। আর তিনি তো অবতরণ করবেন।.... তিনি ইসলামের জন্য মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর নিধন করবেন ও জিযিয়া রহিত করবেন। তিনি তাঁর যুগে ইসলাম ছাড়া সকল ধর্ম বিলুপ্ত করবেন এবং মাসীহ দাজ্জালকে হত্যা করবেন। তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন, অতঃপর মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাযা পড়বে।(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২৪)
যিশু/ঈসা বলেন-‘আমি তোমাদের অনাথ রেখে যাবো না৷ আমি তোমাদের কাছে আসব৷(যোহন 14:18)

৯)কারণ আমি যা বলি তাই তিনি গ্রহণ করবেন এবং তোমাদের তা বলবেন৷(যোহন 16:14)ঈসা বলেন-হে ইস্রায়েল!আমাদের ঈশ্বর এক(মার্ক১২/২৯)নবী(স) একই শিক্ষা সবাইকে দিছেন কুরআন থেকে:-বলুন আল্লাহ এক(সূরা ইখলাস আয়াত-১)ইত্যাদি।

১০)যা কিছু পিতার, তা আমার৷ এই কারণেই আমি বলেছি য়ে সত্যের আত্মা আমার নিকট থেকে সবই গ্রহণ করবেন এবং তোমাদের তা বলবেন৷(যোহন 16:15)নবী(স) সত্যের আত্না বলে,তার ওপর নাজিলকৃত কুরআনে তৌরাত ও ইনজিল কথা বলার পাশাপাশি,ইনজিলের কিছু আইন হাদিস ও কুরআনে পাওয়া যায় এবং হাদিসে ঈসা ঘটনাগুলো বর্ণনা করেছেন।

প্রশ্নঃ-নবী ঈসা (আ) সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (স)এর সত্যি কি উম্মত(অনুসারী) হয়ে আসবেন?জবাবঃ-হ্যা।তিনি মুহাম্মাদ(স)এর উম্মত ও ...
07/06/2024

প্রশ্নঃ-নবী ঈসা (আ) সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (স)
এর সত্যি কি উম্মত(অনুসারী) হয়ে আসবেন?

জবাবঃ-হ্যা।তিনি মুহাম্মাদ(স)এর উম্মত ও নেতা হয়ে আসবেন হাদিসগুলো পরোক্ষ বর্ণনামতে।খৃস্টানরা উপহাস করে আর বড়াই করে ঈসা মাসীহ (আ:) তাদের।কেবল তাদের শরীয়ত (বাইবেলে-নতুন নিয়ম/গসপেল/তথাকথিত ইঞ্জিল) বাস্তবায়ন করবেন।প্রকৃতিপক্ষে বাইবেল তা উল্টোটা বলছে- ঈসা মাসীহ বলেন-“যারা আমাকে ‘প্রভু, প্রভু’ বলে, তারা সবাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; কিন্তু যে আমার স্বর্গস্থ পিতার ইচ্ছা পালন করবে, সেই প্রবেশ করতে পারবে। সেদিন, অনেকে আমাকে বলবে, ‘প্রভু, প্রভু; আমরা কি আপনার নামে ভবিষ্যদ্‌বাণী করিনি? আপনার নামে কি ভূত তাড়াইনি ও বহু অলৌকিক কাজ করিনি?’ তখন আমি তাদের স্পষ্ট বলব, ‘আমি তোমাদের কোনোকালেও জানতাম না। দুষ্টের দল, আমার সামনে থেকে দূর হও!’[১]।সুতরাং বুঝা গেলো ঈসা মাসীহকে প্রভু বলাকে ঈসা (আঃ) কখনোই বরদাস্ত করবেন না,একইসাথে তিনি খৃস্টানদের চার পয়সা দাম দিবেন না,তাড়িয়ে দিবেন, দুস্টের দল বলা ছাড়া।সেখানে বাইবেলকে তিনি শরীয়ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা হাস্যকর ও অস্পষ্ট দাবি।

★ইসলাম পরিপূর্ণতা:-
আজ কাফেররা তোমাদের দ্বীন থেকে নিরাশ হয়ে গেছে। অতএব তাদেরকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় কর। আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। অতএব যে ব্যাক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে; কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।[২]।ইসলাম পরিপূর্ণ নবী(স) ও কুরআন নাজিল দ্বারা।সুতরাং বর্তমান নতুন কোনো বিধান(মনুষ্য রচিত) ও পুরাতন বিধান(বাইবেল ও তালমুদ-মিসানাহ) মানার প্রয়োজন নেই।

★ইসলামের শেষ নবী মুহাম্মাদ(স):-
মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।[৩]

★ঈসা মাসীহ(আঃ)এর আগমন ও ইসলাম প্রতিষ্ঠাঃ-
‎আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার ও তাঁর অর্থাৎ ঈসা (আঃ) এর মাঝে কোন নবী নেই। আর তিনি তো অবতরণ করবেন। তোমরা তাঁকে দেখে এভাবে চিনতে পারবে যে, তিনি মাঝারি উচ্চতার, লাল-সাদা ও গেরুয়া রঙের মাঝামাঝি অর্থাৎ দুধে আল্‌তা তাঁর দেহের রং হবে এবং তাঁর মাথার চুল ভিজা না থাকলেও মনে হবে চুল হতে যেন বিন্দু বিন্দু পানি টপকাচ্ছে। তিনি ইসলামের জন্য মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর নিধন করবেন ও জিযিয়া রহিত করবেন।

★★★তিনি তাঁর যুগে ইসলাম ছাড়া সকল ধর্ম বিলুপ্ত করবেন এবং মাসীহ দাজ্জাল কে হত্যা করবেন। তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন, অতঃপর মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাযা পড়বে। ★★★ [৪]।

তাহলে বুঝা যাচ্ছে তিনি নবী(স)এর ইসলাম পালন করবেন,তথা এক কথায় নবী(স)এর উম্মত।তিনি সকল ধর্ম বিলুপ্ত বলতে-ইহুদি-খৃস্টানসহ বাকিসবধর্ম বিলুপ্ত করবেন।

★মুসলিমদের নেতা হবেনঃ-‎
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোলাম ছাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমার উম্মতের দুটি দল , আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে জাহান্নাম হতে পরিত্রাণ দান করবেন। এক দল যারা হিন্দুস্থানের জিহাদ করবে, আর এক দল যারা ঈসা ইব্‌ন মারিয়াম (আঃ)-এর সঙ্গে থাকবে।[৫]

★নবী(স) আাসার পর ঈসাসহ
পূর্ববর্তী নবীদের শরিয়ত বাতিলঃ-‎
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন ‘উমার (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমরা ইয়াহূদীদের নিকট তাদের অনেক ধর্মীয় কথাবার্তা শুনে থাকি। এসব আমাদের কাছে অনেক ভালো মনে হয়। এসব কথার কিছু কি লিখে রাখার জন্য আমাদেরকে অনুমতি দিবেন? রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইয়াহূদী ও খৃস্টানরা যেভাবে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, তোমরাও কি (তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে) এভাবে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছ? আল্লাহ্‌র কসম! আমি তোমাদের কাছে একটি অতি উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ দ্বীন নিয়ে এসেছি। মূসা (আঃ)-ও যদি আজ দুনিয়ায় বেঁচে থাকতেন, আমার অনুসরণ ব্যতীত তাঁর পক্ষেও অন্য কোন উপায় ছিল না। [৬]।আরেকটি উদাহরণ দেই-স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ (নবী মুহাম্মাদ (স) এর ডাক নাম)। অতঃপর যখন সে (মুহান্মাদ) স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু।[৭]।সুতরাং নবী(স) শেষ নবী হওয়ায় ও তার আগমনে পূর্ববতী নবীদের শরীয়ত বাতিল।

★সিদ্ধান্তঃ-
(১)আমরা বাইবেল থেকে দেখলাম,কিয়ামতে আগে ঈসা মাসীহ(স) আসবেন,তাকে প্রভুর দাবিদার খৃস্টানদের চার পয়সা মূল্য দিবেন না,তাড়িয়ে দিবেন ও দুস্টের দল বলবেন।

(২)মুহাম্মাদ(স) হলেন শেষ নবী।আর কোনো নবী আসবে না।তার আগমনে পর পূর্ববর্তী নবী ও রাসূলদের শরিয়ত বাতিল।নবী(স) হলেন নাজাতের শেষ পথ।

(৩)হাদিস বর্ণনামতে ঈসা (আ:) নবী(স)এর ইসলাম পালন করবেন,তথা এক কথায় নবী(স)এর উম্মত।তিনি সকল ধর্ম বিলুপ্ত বলতে-ইহুদি-খৃস্টানসহ বাকি সবধর্ম বিলুপ্ত করবেন।

(৪)ঈসা (আঃ) মুসলিমদের নেতা হবেন।

☢️লেখকঃ- Debater Habib

দ্রষ্টব্যঃ-
[১]মথি 7:21‭-‬23 BCV
https://bible.com/bible/2412/mat.7.21-23.BCV
[২](সূরাঃ আল মায়িদাহ,৫/৩)
[৩](সূরাঃ আল আহযাব, আয়াতঃ ৪০)
[৪]সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২৪
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ,
irdfoundation․com
[৫]সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৩১৭৫
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ,
irdfoundation․com
[৬]মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ১৭৭
হাদিসের মান: হাসান হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ,
irdfoundation․com
[৭](সূরাঃ আছ-ছফ, আয়াতঃ ৬)

©️ইসলামবিদ্বেষী কমন প্রশ্নঃ-নবীদের ধর্ম সত্যি কি ১৪০০ বছরে আর্বিভূত ইসলাম?✅জবাবঃ-নাস্তিক ও অমুসলিমরা মনে করে থাকে ইসলাম ...
25/05/2024

©️ইসলামবিদ্বেষী কমন প্রশ্নঃ-
নবীদের ধর্ম সত্যি কি ১৪০০ বছরে আর্বিভূত ইসলাম?

✅জবাবঃ-নাস্তিক ও অমুসলিমরা মনে করে থাকে ইসলাম জন্ম ১৪০০ বছরের আগে।এর আগে ইসলামের অস্তিত্ব ছিলো না।এটা ডাহা মিথ্যা কথা।ইসলামের অস্তিত্ব তখন থেকে শুরু যখন জ্বীন ও মানুষের পৃথিবীতে প্রথম বিচরণ।ইসলাম অর্থ শান্তি।
আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পণ দ্বারা শান্তি অর্জন করাকে ইসলাম বলে।আল্লাহ সর্বশেষ ও চূড়ান্ত কিতাব/Last testament-কুরআন এ জানান:-নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন(ধর্ম/জীবনব্যবস্থা) একমাত্র ইসলাম। [1]।

বিভিন্ন নবীদের তাদের ভিন্ন ভিন্ন স্বভাষায় পাঠানো হইছে।যেমনঃ-আমি সব পয়গম্বরকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে।[২]।

তাদের কিতাবে ইসলাম শব্দটি তাদের ভাষায় উল্লেখ করা হইছে।যেমনঃ-যদিও বাইবেলে ঈসা মাসীহ চরিত্রকে কলংকিত করা হইছে তবুও ইসলাম পাই-

বাইবেলে👉 ঈসা মাসীহ বলেন-“আমি তোমাদের জন্য শান্তি রেখে যাচ্ছি, আমারই শান্তি আমি তোমাদের দিচ্ছি; দুনিয়া যেভাবে দেয় আমি সেইভাবে দিই না। তোমাদের মন যেন অস্থির না হয় এবং মনে ভয়ও না থাকে।[২]।

বাইবেলে নতুন নিয়মের মূল পান্ডুলিপি গ্রিক ভাষা বলা-εἰρήνην (eirēnēn-ইরিনেন) যার অর্থ শান্তি।যা আরবিতে অনুবাদ করলে ইসলাম,সালাম,সিলমুন আসে।ঠিক একইভাবে সকল নবী ও রাসূলের ধর্ম ইসলাম।যেমনঃ-

হে (নবী ও) রাসূলগণ, পবিত্র বস্তু আহার করুন এবং সৎকাজ করুন। আপনারা যা করেন সে বিষয়ে আমি পরিজ্ঞাত।আপনাদের এই উম্মত সব তো একই ধর্মের অনুসারী এবং আমি আপনাদের পালনকর্তা; অতএব আমাকে ভয় করুন।অতঃপর মানুষ তাদের বিষয়কে বহুধা বিভক্ত করে দিয়েছে। প্রত্যেক সম্প্রদায় নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে আনন্দিত হচ্ছে।অতএব তাদের কিছু কালের জন্যে তাদের অজ্ঞানতায় নিমজ্জত থাকতে দিন।[৪]।

এখন তাহলে বুঝে নিন কিভাবে ইহুদি ও খৃস্টান এবং অন্যান্যরা নিজেদের মধ্যে বিভক্তি ঘটিয়ে আলাদা আলাদা ধর্মে রূপান্তর করেছে। ইসলাম যারা পালন করে তাদেরকে মুসলিম বলা হয়।মুসলিম/মুসলমান শব্দের অর্থ আত্নসমর্পণ করা।সংজ্ঞানুসারে-আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পণকারী/ইচ্ছাপূরণাকরীকে মুসলিম বলে।আরব খৃস্টান স্কলারগণ ১৮১১ সালে কিতাবুল মোকদ্দার্সে নির্দ্বিধায় স্বীকার করেছেন মুসলিম/মুসল মান শব্দ:-
فظوا جميع انية خباء المعصر ومكتظ بني اسرايل ويخدموا خدمة المسكن : وادفع الليوانيين الي هرون و بنیه ****مسلمون**** معطون هم له من بني اسرايل * ووكل هرون

অনুবাদ:-এবং তারা প্রেসের তাঁবুর সমস্ত পাত্র রাখল, এবং ইস্রায়েল-সন্তানদের ভিড় ছিল, এবং তারা আবাসের সেবা করত: এবং আমি হারুন দ্বারা লেবীয় দিয়েছিলাম, এবং তার ছেলেরা মুসলমান(مسلمون)
ছিল যারা তাকে দেওয়া হয়েছিল, এবং ইস্রায়েল-সন্তানদের মধ্য থেকে তারা তাঁর কাছে ছিল।[৫]।

এছাড়া বাইবেল অফিসিয়াল সাইট যেমন Bible Hub থেকে মুসলিম শব্দটিকে হিব্রুতে Meshullam বলা।উক্ত সাইটে International Standard Bible Encyclopedia টিকায় বলা-me-shul'-am (meshullam, "resigned" or "devoted"; compare Arabic Muslim; Mesollam): An Old Testament name very common in post-exilic times.[৬]

অনুবাদ:-মেসাল্লাহুম,resingned (আত্নসমর্পণ) devoted(অনুগত) তুলনা করা যায় আরবি মুসলিম; মেসোল্লাম।এটি পুরাতন নিয়মে একটি খুবই পরিচিত নির্বাসিত পরবর্তীকালে।[৬]।

এছাড়াও আরেকটি প্রমাণ পাই-Ellicott's Commentary for English Readers
তথা এলিকট তার ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছেন-As he that is perfect.—Strictly speaking, the devoted, or surrendered one. The Hebrew meshullam is interesting, as connected with the modern Moslem and Islam, the man resigned to the will of God.[৭]

অনুবাদ:-(meshullam জায়গায় অনুবাদে)-যেমন তিনি নিখুঁত।-শক্তিশালীভাবে বলতে গেলে-devoted (অনুগত) অথবা surrendered one(একজন আত্নসমর্পণকারী)।হিব্রুতে মেসাল্লাহুম খুবই আকর্ষণীয়/আগ্রহী।আধুনিক মুসলিম এবং ইসলামের সাথে যুক্ত,মানুষ তার অনুগত/আনুগত্য করবে ঈশ্বরের ইচ্ছার কাছে।[৭]।

একইভাবে মুসলিম শব্দটির ধারনা বাইবেলে পাই- Submit yourselves therefore to God. Resist the devil and he will flee from you.

অনুবাদ:-আত্নসমর্পণ করো নিজেকে ঈশ্বরের কাছে।শয়তানকে প্রতিরোধ করো এবং সে তোমার কাছ থেকে পলায়ন করবে [৮]

®লেখকঃ- Debater Habib

দ্রষ্টব্যঃ-
[১](সূরাঃ আল ইমরান, আয়াতঃ ১৯)
[২](সূরাঃ ইব্রাহীম, আয়াতঃ ৪)
[৩](যোহন ১৪:২৭,KJV)
[৪]সূরাঃ আল মু'মিনূন, আয়াতঃ ৫১-৫৪
[৫]শুমারী /গগনাপুস্তক ৩:৮-১০

pdf link-
https://books.google.com.bd/books?id=oU-wSWUxHGEC&pg=PP102&lpg=PP102&dq=%D9%87%D8%B1%D9%88%D9%86+%D9%88+%D8%A8%D9%86%DB%8C%D9%87+%D9%85%D8%B3%D9%84%D9%85%D9%88%D9%86+by+The%E2%80%9D+holy+bible,+containing+the+old+and+new+testaments,+in+the+Arabic%22&source=bl&ots=00uLLyWJg6&sig=ACfU3U2IqF5RzT-292fECAhWCHnK7NrC-A&hl=en&sa=X&ved=2ahUKEwiAm6vfrdr5AhXm4TgGHTX1BZkQ6AF6BAgOEAI =onepage&q=%D9%87%D8%B1%D9%88%D9%86%20%D9%88%20%D8%A8%D9%86%DB%8C%D9%87%20%D9%85%D8%B3%D9%84%D9%85%D9%88%D9%86%20by%20The%E2%80%9D%20holy%20bible%2C%20containing%20the%20old%20and%20new%20testaments%2C%20in%20the%20Arabic%22&f=false

[৬] 2 kings 22:3
link-https://biblehub.com/topical/m/meshullam.htm

এবং resingned (আত্নসমর্পণ)➡️https://www.dictionarybd.com/meaning/resign

devoted (অনুগত/আনুগত্য)➡️https://dictionary.cambridge.org/bn/dictionary/english-bengali/devoted

[৭] Isaiah 42:19
link- https://biblehub.com/commentaries/isaiah/42-19.htm?fbclid=IwAR3oWwjB8t35gNCYZUE8KcNd7nF_z_je61_lYBwD8FQHz8R1dzBy1E2URuQ

[৮]James 4:7 RSV / যাকোব ৪/৭
https://bible.com/bible/2020/jas.4.7.RSV

06/12/2023

এই ভিডিও দেখার পরে কোনও মুমিন ব্যক্তি আর হারাম রিলেশন এ যাবে না Zamshed Mojumder

বিয়ের ক্ষেত্রে সবাই সুন্দর পাত্রী ও প্রতিষ্ঠিত পাত্র চায়।কিন্তু আমাদের নবিজি এ ব্যাপারে কি বলে গিয়েছেন জানেন?পবিত্র কোরআ...
26/11/2023

বিয়ের ক্ষেত্রে সবাই সুন্দর পাত্রী ও প্রতিষ্ঠিত পাত্র চায়।কিন্তু আমাদের নবিজি এ ব্যাপারে কি বলে গিয়েছেন জানেন?

পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আর তাঁর (আল্লাহ) নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে যে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও মায়া সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা রুম, আয়াত : ২১)

এই সৃষ্টি জগতে বিয়ে ছাড়া থাকা অর্থ বৈরাগী জীবন-যাবন।একজন নারী বা পুরুষ যার বিবাহ ফরজ হয়েছে তার অবশ্যই একজন দ্বীনদার ব্যাক্তির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া উচিত। আল্লাহর রাসুল (সা.) দ্বীনদার মেয়েকে বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা'আলা হযরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর হযরত হাওয়া (আ.)-কে তার জীবনসঙ্গী হিসেবে সৃষ্টি করেন। তাদের বিয়ের মাধ্যমে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে দেন। সেই ধারাবাহিকতা এখনো পৃথিবীতে চলমান।

বিয়ের ক্ষেত্রে অনেকেই বাহ্যিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেয়।কিন্তু শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে কাউকে বিচার না করে বরং তার সার্বিক যেমন:ব্যবহার,বিশেষ গুণ-বৈশিষ্ট্য, জ্ঞান, মেধা, যোগ্যতা ও বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদিও যাচাই করা অপরিহার্য। আমরা বাহ্যিক সৌন্দর্যকে বেশী প্রাধান্য দেই এই জন্যই সমাজে বিবাহ বিচ্ছেদের পরিমানও বেশী।

বিবাহের ক্ষেত্রে উভয় ছেলে-মেয়ের আচার আচরণ, গুন, মেধা ঠিক আছে কিনা কিনা এবং তাদের চরিত্রের দিকে খেয়াল রাখা একান্তই জরুরী।তাহলেই সমাজে সুষ্ঠ ও সুন্দর সংসারের দেখা মিলবে।

কালকে কলকাতার একটি চার্চ এ আমি এবং রোহন ভাই গিয়ে সেখানের ফাদার এবং প্যাস্টার দের সাথে ৩ ঘন্টা আলোচনা এবং সব শেষে কুরআন ...
26/11/2023

কালকে কলকাতার একটি চার্চ এ আমি এবং রোহন ভাই গিয়ে সেখানের ফাদার এবং প্যাস্টার দের সাথে ৩ ঘন্টা আলোচনা এবং সব শেষে কুরআন দিয়ে এলাম আলহামদুলিল্লাহ।

Admission going on
23/11/2023

Admission going on

বিষয়- যীশু খ্রীষ্ট কি ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিল? আলোচক- ইব্রাহিম আনসারী, নাজমুস সাকিবমডারেটর- খাইরুদ্দিন বাইবার্স
16/11/2023

বিষয়- যীশু খ্রীষ্ট কি ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিল?
আলোচক- ইব্রাহিম আনসারী, নাজমুস সাকিব
মডারেটর- খাইরুদ্দিন বাইবার্স

16/11/2023
09/11/2023

ডাঃ জাকির নায়েক নাইজেরিয়াতে বক্তব্য
২ নভেম্বর ২০২৩
ডাঃ জাকির নায়েকের এই বক্তব্যটি ইংলিশ এ ছিল, আমি এই বক্তব্যটি বাংলায় ডাবিং করেছি। এটা হচ্ছে প্রথম অংশ যেখানে ডাঃ জাকির নায়েক ফিলিস্তিন সম্পর্কে বক্তব্য দিয়েছেন যেটা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অতি গুরুত্বপূর্ণ। এই বক্তব্যটি অমুসলিমদের কাছে পৌঁছানো একান্ত জরুরী শুধু সেই কারণে আমি এটাকে বাংলায় ডাবিং করেছি। এটার দ্বিতীয় অংশটি আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সেটা খুবই শীঘ্রই আসতে চলেছে ইনশাআল্লাহ।

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IRMC - Islamic Research & message Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to IRMC - Islamic Research & message Center:

Share