Mita Foundation

Mita Foundation Mita Foundation
An Organization for Social Work

মানবতার সেবায় নিবেদিত একটি সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন।
মানুষের পাশে, সমাজের উন্নয়নে।

🇮🇳 কার্গিল বিজয় দিবস: বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও জাতীয় গৌরবের এক অমর ইতিহাস 🇮🇳২৬ জুলাই—ভারতের ইতিহাসে এক গৌরবময় দিন। ১৯৯৯ সা...
26/07/2026

🇮🇳 কার্গিল বিজয় দিবস: বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও জাতীয় গৌরবের এক অমর ইতিহাস 🇮🇳

২৬ জুলাই—ভারতের ইতিহাসে এক গৌরবময় দিন। ১৯৯৯ সালের এই দিনে ভারতীয় সেনাবাহিনী অকল্পনীয় সাহস, অদম্য মনোবল এবং অসীম আত্মত্যাগের মাধ্যমে কার্গিল যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে। সেই ঐতিহাসিক বিজয়ের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে প্রতি বছর ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস পালন করা হয়।

কার্গিল যুদ্ধের প্রেক্ষাপট

১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী শান্তির বার্তা নিয়ে লাহোর সফরে যান। কিন্তু সেই সময়ই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী গোপনে নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) অতিক্রম করে ভারতের কার্গিল, দ্রাস, বাটালিক ও মুশকোহ অঞ্চলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়চূড়া দখলের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।

মে মাসে স্থানীয় রাখালদের মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনী এই অনুপ্রবেশের খবর জানতে পারে। শত্রুর লক্ষ্য ছিল শ্রীনগর–লেহ জাতীয় সড়ককে হুমকির মুখে ফেলে ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করা এবং কৌশলগত সুবিধা অর্জন করা।

অপারেশন বিজয়

২৬ মে ১৯৯৯ সালে ভারত অপারেশন বিজয় (Operation Vijay) শুরু করে। একই সঙ্গে ভারতীয় বায়ুসেনা অপারেশন সাফেদ সাগর (Operation Safed Sagar) পরিচালনা করে শত্রু ঘাঁটিতে আঘাত হানে।

১৬,০০০ থেকে ১৮,০০০ ফুট উচ্চতায়, তীব্র শীত, অক্সিজেনের স্বল্পতা এবং শত্রুর উঁচু অবস্থানের মধ্যেও ভারতীয় সেনারা অসীম সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেন। টোলোলিং, দ্রাস এবং সর্বশেষ টাইগার হিল পুনর্দখল করে তাঁরা বিশ্বকে দেখিয়ে দেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর অদম্য শক্তি ও বীরত্ব।

কার্গিল যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ সময়রেখা

📌 ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯: লাহোর শান্তি উদ্যোগ।

📌 মে ১৯৯৯: পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ শনাক্ত হয়।

📌 ২৬ মে ১৯৯৯: অপারেশন বিজয় ও অপারেশন সাফেদ সাগর শুরু।

📌 জুন ১৯৯৯: টোলোলিংসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চূড়া পুনর্দখল।

📌 ৪–৫ জুলাই ১৯৯৯: টাইগার হিল পুনর্দখল—যুদ্ধের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটি।

📌 ১১–১৪ জুলাই ১৯৯৯: আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

📌 ২৬ জুলাই ১৯৯৯: ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয় ঘোষণা করে। এই দিনটিই আজ কার্গিল বিজয় দিবস।

আত্মত্যাগের মূল্য

কার্গিল যুদ্ধে ভারতের ৫২৭ জন বীর সেনা শহীদ হন এবং ১,৩০০-এরও বেশি সেনা আহত হন। তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা স্বাধীন ও নিরাপদ দেশে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারছি।

পরমবীর চক্রে সম্মানিত বীর সেনাদের মধ্যে ছিলেন—

🇮🇳 ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা (মরণোত্তর)

🇮🇳 লেফটেন্যান্ট মনোজ কুমার পাণ্ডে (মরণোত্তর)

🇮🇳 গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব

🇮🇳 রাইফেলম্যান সঞ্জয় কুমার

কার্গিল যুদ্ধ আমাদের কী শিক্ষা দেয়?

🇮🇳 দেশপ্রেম শুধু একটি অনুভূতি নয়; দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করার মানসিকতার নামই প্রকৃত দেশপ্রেম।

🇮🇳 ঐক্য, শৃঙ্খলা, সাহস এবং কর্তব্যবোধই একটি জাতিকে অজেয় করে তোলে।

🇮🇳 দেশের সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি সেনা আমাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার প্রকৃত রক্ষক।

আজ কার্গিল বিজয় দিবসে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি সেই সকল বীর শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ভারতের তেরঙ্গা পতাকা আজও গর্বের সঙ্গে উড়ছে।

"যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ ভারতের ইতিহাসে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তাঁদের বীরত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, সাহস ও কর্তব্যবোধের শিক্ষা দিয়ে যাবে।"

🕯️ কার্গিলের সকল বীর শহীদ ও যুদ্ধজয়ী সেনাদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

🇮🇳 জয় হিন্দ। বন্দে মাতরম।

মিতা ফাউন্ডেশন

🌳 শিক্ষণীয় গল্প: নিজের স্বার্থের বাইরে সমাজের কথাও ভাবতে হয়একটি জঙ্গলে হঠাৎ ভয়াবহ আগুন 🔥 লেগে গেল। আগুন দ্রুত চারদিকে...
25/07/2026

🌳 শিক্ষণীয় গল্প: নিজের স্বার্থের বাইরে সমাজের কথাও ভাবতে হয়

একটি জঙ্গলে হঠাৎ ভয়াবহ আগুন 🔥 লেগে গেল। আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। ঠিক সেই সময় জঙ্গলের এক কোণে একটি গাধা নিশ্চিন্তে ঘাস খাচ্ছিল।

জঙ্গলের অন্যান্য পশুরা ছুটে এসে বলল,
"চলো, সবাই মিলে আগুন নেভাই। না হলে পুরো জঙ্গল পুড়ে যাবে!"

গাধাটি নির্বিকারভাবে উত্তর দিল,
"জঙ্গলে আগুন লেগেছে তো আমি কী করব? আগুন নেভাতে গেলে কি আমার পেট ভরবে? বরং আমি ঘাস খাই, তাতেই আমার পেট ভরবে।"

তখন অন্যান্য পশুরা বলল,
"আজ হয়তো তুমি নিজের পেট ভরাতে পারবে। কিন্তু যদি পুরো জঙ্গলটাই পুড়ে যায়, তাহলে আগামীকাল তুমি আর তোমার সন্তানরা কী খাবে? যে জঙ্গল তোমাকে আশ্রয়, খাদ্য ও জীবন দিয়েছে, তাকে রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।"

আজকের বাস্তবতাও অনেকটা এমনই।

যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ ওঠে এবং সেই বিষয়ে তদন্ত, বিচারিক প্রক্রিয়া বা জনআলোচনা হয়, তখন অনেকেই বলেন, "এতে আমার কী?"

কিন্তু একবার ভেবে দেখুন—আজ হয়তো আপনার সন্তান পরীক্ষার্থী নয়। কিন্তু আগামীকাল আপনার সন্তানও ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিক্ষক বা অন্য কোনো পেশাজীবী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে। তাই একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য ও মেধাভিত্তিক পরীক্ষাব্যবস্থা শুধু পরীক্ষার্থীদের নয়, সমগ্র সমাজের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত।

গত এক দশকে AIPMT (২০১৫), CBSE-এর কিছু পরীক্ষা (২০১৮), UGC-NET (২০২৪) এবং NEET-UG (২০২৪)-সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষার অখণ্ডতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ, তদন্ত বা পরীক্ষা বাতিলের মতো ঘটনা দেশের মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এসব ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ যারা ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য ও স্বচ্ছ পরীক্ষার দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না, তাঁদের কাছে বিনীত অনুরোধ—একবার অন্তত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবুন। এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর বছরের পর বছর পরিশ্রম, স্বপ্ন এবং মানসিক চাপ। বিভিন্ন সময়ে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা বহু শিক্ষার্থীর ওপর গভীর মানসিক প্রভাব ফেলেছে।

আমার এই লেখার উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা নয়। আমার একমাত্র আবেদন—ভারতের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও মেধার মূল্য নিশ্চিত হয় এবং প্রতিটি পরীক্ষার্থীর পরিশ্রম যথাযথ মর্যাদা পায়।

শিক্ষা:
অন্যায় বা অনিয়মের আশঙ্কাকে "এতে আমার কী" বলে এড়িয়ে যাওয়া কখনও দীর্ঘমেয়াদে সমাজের জন্য ভালো নয়। একটি সৎ, স্বচ্ছ ও ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে, ন্যায়ের পক্ষে এবং স্বচ্ছতার পক্ষে আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

মিতা ফাউন্ডেশন
কলকাতা

05/07/2026

বারুইপুরে নাবালিকার ওপর সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সকল অপরাধীর অবিলম্বে গ্রেফতার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাই।

একজন নাবালিকার ওপর এমন নৃশংস অপরাধ শুধু একটি পরিবারের নয়, সমগ্র সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়। কোনো অপরাধী যেন আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারে এবং ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবার যেন দ্রুত ন্যায়বিচার পান—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

নারীর নিরাপত্তা, শিশুর সুরক্ষা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ন্যায়বিচার চাই, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

🩺 ১লা জুলাই — জাতীয় চিকিৎসক দিবসআজ ভারতের জাতীয় চিকিৎসক দিবস। এই পবিত্র দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে আছে বাংলার কৃতী সন্তান,...
01/07/2026

🩺 ১লা জুলাই — জাতীয় চিকিৎসক দিবস

আজ ভারতের জাতীয় চিকিৎসক দিবস। এই পবিত্র দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে আছে বাংলার কৃতী সন্তান, প্রখ্যাত চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, স্বাধীনতা সংগ্রামী, কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক এবং পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়-এর জন্ম ও মহাপ্রয়াণের স্মৃতিবিজড়িত দিবস হিসেবে। তাঁর মহিমান্বিত জীবন ও কর্মের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🌹

চিকিৎসা কেবল একটি পেশা নয়—এ এক মহান মানবিক সাধনা। মানুষের জীবনরক্ষা, যন্ত্রণার উপশম এবং সুস্থ সমাজ নির্মাণের যে নিরবচ্ছিন্ন ব্রত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা-পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন নিষ্ঠা, মমতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে পালন করে চলেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা।

আজকের এই তাৎপর্যপূর্ণ দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক—
• প্রতিটি মানুষের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
• বিজ্ঞানমনস্কতা, যুক্তিবোধ ও মানবিক মূল্যবোধকে সমাজজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তোলা।
• কুসংস্কার ও অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসার প্রতি মানুষের আস্থা সুদৃঢ় করা।
• সহমর্মিতা, সাম্য, ন্যায় ও মানবকল্যাণের আদর্শে একটি সুস্থ, সুন্দর ও আলোকিত সমাজ গড়ে তোলা।

সুস্থ মানুষ, সুস্থ সমাজ, সুস্থ দেশ—এই স্বপ্নই হোক জাতীয় চিকিৎসক দিবসের প্রেরণা।

শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও মানবকল্যাণের অঙ্গীকারে—
মিতা ফাউন্ডেশন

21/06/2026
🧘‍♂️🌿 আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে সমাজের প্রতি আমাদের আহ্বান 🌿🧘‍♀️আজকের ব্যস্ত, প্রতিযোগিতামূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে...
21/06/2026

🧘‍♂️🌿 আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে সমাজের প্রতি আমাদের আহ্বান 🌿🧘‍♀️

আজকের ব্যস্ত, প্রতিযোগিতামূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে আমরা প্রায়ই নিজেদের শরীর ও মনের প্রতি যত্ন নিতে ভুলে যাই। অথচ একটি সুস্থ শরীর ও প্রশান্ত মনই পারে একটি সুন্দর পরিবার, সুস্থ সমাজ এবং সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে।
যোগ হলো ভারতের প্রাচীন জ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অমূল্য উপহার, যা কেবল শরীরচর্চা নয়—এটি আত্মনিয়ন্ত্রণ, মানসিক প্রশান্তি, শৃঙ্খলা এবং ইতিবাচক জীবনবোধের শিক্ষা দেয়। নিয়মিত যোগাভ্যাস আমাদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মানসিক চাপ কমায় এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
আজ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে মিতা ফাউন্ডেশন সকলের কাছে আবেদন জানায়—সুস্থতার জন্য ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার আগে প্রতিদিন কিছু সময় যোগ ও স্বাস্থ্যচর্চার জন্য বরাদ্দ করুন। নিজের সুস্থতার পাশাপাশি পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজকেও সুস্থ ও সচেতন জীবনযাপনের পথে উৎসাহিত করুন।
আসুন, আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলি যেখানে শারীরিক সুস্থতা, মানসিক শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ সমানভাবে বিকশিত হয়।
"যোগ শুধু ব্যায়াম নয়, এটি সুস্থতা, সচেতনতা ও আত্মউন্নয়নের এক অনন্ত যাত্রা।"
🌿 সুস্থ শরীর, শান্ত মন, সুন্দর সমাজ — এই হোক আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অঙ্গীকার।
শুভ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস।

— মিতা ফাউন্ডেশন 💚🙏

🌿 World Environment Day 2026 🌍On the occasion of World Environment Day, Mita Foundation extends its heartfelt greetings ...
05/06/2026

🌿 World Environment Day 2026 🌍

On the occasion of World Environment Day, Mita Foundation extends its heartfelt greetings and best wishes to everyone.

The environment is an inseparable part of our lives. There is no alternative to protecting and preserving nature if we want to build a healthy, beautiful, and livable world. Today, climate change, air and water pollution, and the growing impact of plastic waste have become major challenges for our future.

Let us all work together to protect the environment by:

🌱 Planting more trees
♻️ Reducing the use of plastic
💧 Preventing the wastage of water and electricity
🧹 Keeping our surroundings clean and tidy

We seek the cooperation and awareness of everyone in building a greener, cleaner, and more environmentally friendly society.

"Plant Trees, Save the Environment;
Save the Environment, Save the Future." 🌿

Best Regards,
Mita Foundation

🌍 World Environment Day, 2026 🌿









৩রা মার্চ ২০২৬। মিতার জন্মদিন। মিতা দাস, জন্ম গড়িয়ার পাঁচপোতায়, নিম্নবিত্ত পরিবারে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণী...
03/03/2026

৩রা মার্চ ২০২৬। মিতার জন্মদিন। মিতা দাস, জন্ম গড়িয়ার পাঁচপোতায়, নিম্নবিত্ত পরিবারে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়া কৃতী ছাত্রী। বেঁচে থাকলে এই দিনে তার বয়স হত ৩৪। ২০১৬ সালের ১১ই অক্টোবর ভোরবেলায় মিতা আমাদের ছেড়ে চলে যায়। সেই রাতে মিতার শ্বশুরালয়ে ঠিক কী ঘটেছিল, এখনও নাকি 'আইনি পরিভাষা'য় নিশ্চিত করে জানা যায়নি। কেবল এটুকু জানা গেছে, শরীরে অসংখ্য আঘাত ও গলায় গভীর কালো দাগ নিয়ে মিতার শরীরটা উলুবেড়িয়া শহরের হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরে শেষে মর্গে এসে আশ্রয় নিয়েছিল ভোরবেলায়। কেন? কী ঘটেছিল তার আগে? আদালত এখনও চুপ।

পৃথিবীর আরও বহু মানুষের মত মিতার মৃত্যুও পালকের মত হালকা হতে পারত, কিন্তু, তার পরিবার ও সহপাঠী-বন্ধু নিয়ে গড়ে ওঠা বৃহত্তর পরিবারের ন্যায়বিচারের লড়াইতে মিতার মৃত্যু ক্রমেই পাহাড়ের মত ভারী হয়ে উঠেছে। যেমন ভারী হয়ে উঠেছে সময়। জমতে থাকা মামলার স্তূপ ভারী হয়ে উঠছে ক্রমশ।

মিতার নামে গড়ে উঠেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'মিতা ফাউন্ডেশন'। বিগত কয়েক বছর ধরে নানা জনসেবামূলক কাজ করে চলেছে সংগঠনটি। ন্যায়বিচার এক দীর্ঘ পথ। ক্রমশ প্রাসঙ্গিক থাকতে হয়, অশ্লীলভাবে নিজেদের কষ্টকে বিজ্ঞাপিত করে চলতে হয় পৃথিবীর সবার সামনে। সর্বদা, সর্বথা। সংগঠনটি থাকবে। অশ্লীলভাবে নির্লজ্জের মত কেবল জানান দিয়ে যাবে, বেঁচে থাকলে এই দিনে মাত্র ২৪ বছর বয়সে ফুরিয়ে যাওয়া মিতার বয়স হত ৩৪।

Address

Santinagar, Panchpota, Garia
Kolkata
700152

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mita Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share