সনাতনী বার্তা sanatoni barta

সনাতনী বার্তা sanatoni barta 🕉️ সনাতনী বার্তা 🕉️
চেতনায় সনাতন, হৃদয়ে ভক্তি।
ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধন।
সত্যের পথে এক নির্ভীক পদযাত্রা। 🚩

বাংলাদেশ এমন একটি অদ্ভুত সুন্দর দেশ, যেখানে আমাদের ‘অনুভূতি’র নিজস্ব একটা চশমা আছে। আর সেই চশমাটা বড্ড বেশি পক্ষপাতদুষ্ট...
10/06/2026

বাংলাদেশ এমন একটি অদ্ভুত সুন্দর দেশ, যেখানে আমাদের ‘অনুভূতি’র নিজস্ব একটা চশমা আছে। আর সেই চশমাটা বড্ড বেশি পক্ষপাতদুষ্ট!
এখানে একই অপরাধে একজন ভিলেন বনে যায়, আর অন্যজন পায় ‘পরিস্থিতির শিকার’ হওয়ার তকমা। আমাদের রাগ, ক্ষোভ, কিংবা সহানুভূতি—সবকিছুই নির্ভর করে ব্যক্তি, দল বা আদর্শের ওপর। আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করি ঠিকই, কিন্তু আগে দেখে নিই অন্যায়কারী আমাদের পছন্দের মানুষ কি না। যদি আমাদের পক্ষের কেউ হয়, তবে আমরা অবলীলায় ‘মানুষ তো ভুল করতেই পারে’ বলে পার পেয়ে যেতে দিই। আর বিপক্ষের কেউ হলে? ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত!
এই সিলেক্টিভ বা পক্ষপাতদুষ্ট অনুভূতি দিয়ে আর যাই হোক, একটা সুস্থ সমাজ গড়া সম্ভব না। নিরপেক্ষভাবে ভুলকে ভুল আর সঠিককে সঠিক বলার সাহসটা যেদিন আমাদের অনুভূতিতে আসবে, সেদিনই হয়তো আমরা সত্যিকারের মানবিক জাতি হতে পারব।
আপনার কী মনে হয়? আমরা কি আসলেই বড্ড বেশি বায়াসড? 🤔

09/06/2026

বঙ যখন পুনরায় মিলিত হবে😍🥰

আগামী প্রজন্মের ইতিহাস বইয়ের পাতায় লেখা থাকবে আধুনিক ভারতের রূপকার শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদীর নাম এবং আধুনিক ভারতে...
08/06/2026

আগামী প্রজন্মের ইতিহাস বইয়ের পাতায় লেখা থাকবে আধুনিক ভারতের রূপকার শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদীর নাম এবং আধুনিক ভারতের চাণক্য শ্রী অমিত শাহ জির নাম। কিন্তু কেনো অমিত জিকে চাণক্য বলাটা অতিরঞ্জিত
নয় আজ এই ঘটনা ই তার প্রমাণ। আমেরিকার তেলাপোকা অভিজিৎ দীপকে সোরোস এর পরামর্শ মেনে যা করবো ভেবেছিল ঠিক সেটাই করতে দিলেন অমিত শা শুধু তাই নয় একেবারে নিজস্ব স্টাইলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই। ঘটনাটা বললেই জানতে পারবেন। অভিজিৎ দীপকে ভেবেছিল তারা এয়ারপোর্ট থেকে সোজা থানায় যাবে।সেখানে গিয়ে পুলিশের কাছে ধর্ণা র অনুমতি চাইবে।সাধারণত পুলিশ এর কাছে ৭দিন আগে অনুমতি চাইতে হয়। সেজন্য পুলিশ দেবে না ।তখন সেটাকে নিয়ে ইস্যু করবে সরকার ভয় পেয়েছে কোনো সভা করতে দিচ্ছে না। এটা নিয়ে নাটক করে একটা মিডিয়া হাইপ তৈরি করবে। কিন্তু তার আগেই অমিত শাহ জি কি করলেন জানেন! এয়ারপোর্ট এ DCP কে হাজির করিয়ে দেন।অভিজিৎ দীপকে নামা মাত্র তাকে ডেকে নিয়ে তার কর্মসূচি নিয়ে জানতে চান। থানার পারমিশন নিয়ে কথা বলতেই তৎক্ষনাৎ তাকে লিখিত পারমিশন দিয়ে দেন DCP সাহেব। এবং তার কাছে লিখিত নিয়েও নেন।এরপর তাকে পুলিশের গাড়ি করে ভিআইপি রোড দিয়ে যন্তর মন্তর এ প্রবেশ করিয়ে দেন।এতো তাড়াতাড়ি সব কিছু ঘটে যে অভিজিৎ দীপকে এবং ওই দলের সদস্যরা কিছু বুঝে উঠতেই পারে নি। তারা ভেবেছিল সরকার বিরোধিতা করবে। কিন্তু বিজেপি সরকার সেই রাস্তাতেই যায় নি।তারা কোনো বাড়তি গুরুত্ব দেয় নি । এটাই বিজেপি। মমতা ব্যানার্জী এতো কিছু বলেছে অমিত শা,মোদি জিকে নিয়ে।আমরা রাগ করেছি কিন্তু উনারা মাথা ঠাণ্ডা রেখেছিলেন।মমতার পাপে র ঘড়া পূর্ণ হতে দিয়েছিলেন।জানতেন জনতাই ছুঁড়ে ফেলে দেবে।তাই হয়েছে। এখানেও তাই ।তারা জানেন যারা দু ঘন্টা রোদে দাঁড়াতে পারে না ac গাড়ির ভিতরে ঢুকে গিয়ে বাঁচতে চায় তারা করবে বিপ্লব? তারা ওই বয়স্ক মানুষটার সাথে লড়াই করবে? যিনি এই বয়সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জনসভা করেন একই দিনে অন্তত তিনটি রাজ্যে। যিনি পরপর পাঁচ দিনে পাঁচ টা দেশে গিয়ে চুক্তি করেন। যিনি রাতের বেলাতেও সমান এক্টিভ। তার সাথে পাঙ্গা নেবে ওই জুস খাওয়া দু দিনের ছোকরাগুলো? লাখ লাখ নাকি ফলোয়ার কিন্তু কোথায় কী।সাকুল্যে ৫-৬ শত
লোক হবে! তাও যা সব তেলাপোকা দেখলাম!
মনে হচ্ছে যেন উভলিংগ মানুষ দের মেলা বসেছে। এটা যদি ভারতের জেন জি হয় তাহলে ভারতের ভবিষ্যৎ সত্যি খুব চিন্তার!
তাই এই ধর্না একেবারে সুপার ফ্লপ। অভিজিৎ আমেরিকায় ফিরে সোরোসের সাথে নিশ্চয়
বিলাপ করবে বলেই আমার বিশ্বাস। আপনি কি
অন্য কিছু ভাবছেন কমেন্টে জানাবেন।
জয় হিন্দ! ভারত মাতা কি জয়!
Amiya Kesh

 #প্রাসঙ্গিক Susmita S Biswas যদি আপনি ভারতকে মনেপ্রাণে  বুঝতে চান, তাহলে শুধু মানচিত্রের দিকে তাকালে হবে না, বুঝতে হবে ...
08/06/2026

#প্রাসঙ্গিক
Susmita S Biswas

যদি আপনি ভারতকে মনেপ্রাণে বুঝতে চান, তাহলে শুধু মানচিত্রের দিকে তাকালে হবে না, বুঝতে হবে তার ইতিহাস, তার সভ্যতা, তার সম্ভাবনা এবং তার ক্রমবর্ধমান শক্তির কথা।
কারণ বিশ্বের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন, যে দেশ মাথা তুলে, স্বাধীনভাবে দাঁড়াতে শুরু করে, তাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও শুরু হয় সমানতালে।
আজ আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন দেশের অভ্যন্তরে যতটা লড়াই চোখে পড়ছে, তার চেয়ে অনেক বেশি লড়াই কিন্তু চলছে আমাদের চোখের আড়ালে।

কখনও ভাষার নামে, কখনও জাতপাতের নামে, কখনও ধর্মের নামে, কখনও আবার আঞ্চলিক আবেগকে উসকে দিয়ে সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।
ঘটনাগুলোকে আপাতভাবে আলাদা আলাদা মনে হলেও এই সবকিছুর মিলিত প্রভাব গিয়ে পড়ছে একই জায়গায়..... আমাদের জাতীয় ঐক্যের ওপর।

আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস, একটি শক্তিশালী দেশের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্য্যকর অস্ত্র কিন্তু বাইরের আক্রমণ নয়, দেশের ভেতরের বিভাজন। মানুষকে মানুষের থেকে আলাদা করে দেওয়া, এক সম্প্রদায়কে আরেক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো, এক অঞ্চলের মানুষকে অন্য অঞ্চলের প্রতি সন্দিহান করে তোলা.....এই পথেই তো দুর্বল হয় সমাজ, দুর্বল হয় রাষ্ট্র।

গত কয়েক বছরে ভারত কোন কোন ক্ষেত্রে এগিয়েছে সেই সব খতিয়ান তো মাঝেমধ্যেই তুলে ধরি আমার লেখার মধ্যে দিয়ে।
প্রযুক্তি, অবকাঠামো, মহাকাশ গবেষণা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ডিজিটাল পরিষেবা, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, এই সব ক্ষেত্রেই পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট।
এই অগ্রগতির গতি নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে, রাজনৈতিক মতও ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ভারতের উত্থান যে আজ আন্তর্জাতিক আলোচনার বিষয়, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। যেকোনো সুস্থ্য ও শিক্ষিত সচেতন মানুষ সে বিষয়ে নিশ্চিত একমত হবেন আমার সাথে।

কিন্তু আজ আমাদের চোখের আড়ালে যে চক্রান্তের জট ধীরে ধীরে আরো পাকিয়ে যাচ্ছে সেসব সম্পর্কে তো জানতে হবে, অবশ্যই যুক্তি ও বুদ্ধি দিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করে।
জানেন কি ভারত এখন সবচেয়ে বড় বিপদের মধ্যে অবস্থান করছে ?
কারন আমাদের দেশের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য “অপারেশন ৩৭” ডিপ স্টেট ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এর আওতায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট মোদিজিকে সরাতে CIA ও ডিপ স্টেটকে ১২ মাস সময় দিয়েছেন বলেও খবর ভাসছে বাতাসে...!!
এই অপারেশনের অস্ত্র হবে—
ডিভিশন (ভাগ করা),
ডাইভারশন (দৃষ্টি ঘোরানো) এবং
ডিসেপশন (প্রতারণা)।

এর মধ্যে ভোট চুরি এবং অপারেশন ৩৭-ও অন্তর্ভুক্ত।
এর একটি উদাহরণ আপনি ইতিমধ্যেই জগদীপ ধনখড়ের ঘটনায় দেখেছেন। তাদের লক্ষ্য হলো কমপক্ষে ৩৭ জন বিজেপি সাংসদকে ভেঙে বিজেপির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা।
তাই কখনো শুল্কের নামে, কখনো সংরক্ষণের নামে, কখনো দালাল কৃষক নেতাদের মাধ্যমে, আবার কখনো যৌন ও ধর্মীয় আন্দোলন খাড়া করে বাংলাদেশে যেমন অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে, তেমন পরিস্থিতি তৈরি করে সরকার ফেলার চেষ্টা করা হবে।
দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রে হিন্দি-বিরোধী আন্দোলন, কিছু নেতার জন্মাষ্টমীতে গোমাংস খাওয়ার ঘোষণা, এগুলো তারই উদাহরণ।
ডাইভারশন বলতে বোঝানো হচ্ছে বিজেপির মূল ভোটারদের ওপর আঘাত করে তাদের ভোট অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া।
যেমন -- কনস্টিটিউশন ক্লাবের নির্বাচনের মতো ঘটনা, যা আগে কখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

“পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন?”— অমিত শাহ না যোগী ??
এই ধরনের প্রশ্ন তুলে হিন্দু সমাজকে ভাগ করার চেষ্টা করা হবে। একই সঙ্গে পাকিস্তানকে উসকে দিয়ে ভারতকে ইউক্রেন–রাশিয়ার মতো দীর্ঘ যুদ্ধে জড়িয়ে অর্থনীতিকে ধ্বংস করার চেষ্টাও চলবে।

এটা নিশ্চিত যে, যদি বিরোধী দল, ডিপ স্টেট তাদের কার্যসিদ্ধি করতে না পারে, সেক্ষেত্রে কি পূর্বতন প্রধানমন্ত্রীদের মতোই কোনো বড় প্রাণঘাতী হামলার পরিকল্পনাও করেছে তারা !!

এটুকু তো বুঝতেই পারছেন আশা করি যে,
ভারতের অগ্রগতি আমেরিকার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আজ আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত দেশ, এবং তারা ভারতকে এগিয়ে যেতে দেখতে চাইবেনা কোনো মতেই।

এ এক মহা সন্ধিক্ষণে উপনীত হয়েছি আমরা। ভারত তার ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।
আজ হিন্দুদের দেশ ও নিজেদের রক্ষার জন্য আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
অন্য একটি গোষ্ঠী কখনোই আপনার পাশে দাঁড়াবে না, কারণ তাদের লক্ষ্য হলো গজবা-এ-হিন্দ সম্পূর্ণ করা।
সুতরাং, নিজেদের স্বার্থেই একজোট হয়ে লড়তে হবে। সতর্ক থাকতে হবে। আর পারিপার্শ্বিক সকলকে সচেতন করতে হবে।

ওই বিশেষ সম্প্রদায় কিন্তু সবসময় চায় ভারত হারুক। আর তাদেরই দোসর হয়ে -
আমেরিকা ,কানাডা / খালিস্তানিরা, ইউরোপ, ব্রিটেন, তুরস্ক ইত্যাদি, পাকিস্তান, চীন, অস্ত্র লবি, ওষুধ লবি, কট্টর ইসলামপন্থীরা, দেশবিরোধীরা, মিশনারিরা, বামপন্থীরা, মুসলমানরা.... সকলেই চায় বিজেপি হারুক। মোদী সরুক।
শক্তিশালী বিদেশি দেশগুলোও চায় ভারত হারুক।

কারণ ভারত তাদের অস্ত্র রপ্তানি বাজার এবং উৎপাদন ঘাঁটি দখল করে নিচ্ছে।
তারা চায় না ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আমদানি-নির্ভরতা থেকে মুক্ত হোক।
তারা কেন্দ্রে একটি পুতুল সরকার চায়, যাকে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

ভারতীয় বিরোধী দল চায় বিজেপি হারুক, কারণ বিজেপি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে—
রাম মন্দির, CAA / NRC, নতুন শিক্ষা নীতি, অনুচ্ছেদ ৩৭০, প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করা, NGO-র লাগাম টানা, নকশাল দমন, মিশনারিদের নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিকদের ফ্রি উপহার বন্ধ, ভুয়া PAN ও আধার কার্ডের মাধ্যমে নগদ সুবিধা বন্ধ, বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে ওঠা, করোনা টিকাকরণ, কাশী করিডর, মহাকাশে সাফল্য, দাসত্বের চিহ্ন মুছে ফেলা, অবকাঠামো উন্নয়নের সাথে সাথেই
● IIT
● AIIMS
● মন্ত্রী স্তরে শূন্য দুর্নীতি
● GST
● নোটবন্দি
● শূন্য বোমা বিস্ফোরণ
● কাশ্মীরে শান্তি
● মোবাইল উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থান
● রেলের ১০০% বিদ্যুতায়ন
● রেল গেট সম্পূর্ণ বিলুপ্ত
● বন্দে ভারত ট্রেন
● একটি গুলিও না চালিয়ে পাকিস্তানকে ধ্বংস
● চীনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা
● ঘরে ঘরে জল
● আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে স্বাস্থ্য বীমা
● প্রবীণ নাগরিকদের জন্য চারধাম যাত্রা
এবং—
● বিজেপি দেশ বিক্রি করবে না
● বিজেপি চীনের সঙ্গে গোপন চুক্তি করবে না
● বিজেপি পাকিস্তানের প্রতি নরম হবে না
এত কিছুর পর আর বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি ?

আজ সবচেয়ে বড় প্রয়োজন আমাদের সকলের সতর্ক থাকা। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিটি খবর, প্রতিটি ভিডিও, প্রতিটি উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্যকে সত্যি বলে ধরে নেওয়ার আগে প্রশ্ন করুন, কারণ বিভ্রান্তি ছড়ানোর যুগে তথ্যই সবচেয়ে বড় অস্ত্র, আর সচেতনতাই সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা।
মনে রাখবেন, আমরা প্রথমে ভারতীয়।
রাজনৈতিক মত, ভাষা, অঞ্চল, ধর্ম, এই সবকিছুর ঊর্ধ্বে রয়েছে দেশের স্বার্থ।
মতভেদ থাকবে, বিতর্ক থাকবে, সমালোচনা থাকবে, গণতন্ত্রে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই মতভেদ কখনও যেন এমন জায়গায় না পৌঁছয়, যেখানে দেশের ঐক্যই প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা কেমন ভারত রেখে যেতে চাই, সেই প্রশ্নটাই আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি ভারত, যা আত্মবিশ্বাসী, নিরাপদ, উন্নত এবং নিজের শক্তিতে বিশ্বাস করে।
জয় হিন্দ। 🇮🇳
বন্দেমাতরম। 🙏

07/06/2026

নিজের গান নিজে নেচে গেয়ে আনন্দে মাতলেন আমাদের কবি।

বানিয়াচংয়ে কচু থেকে লতি তোলাকে কেন্দ্র করে এক নিরীহ হিন্দু পরিবারের নারী পুরুষের উপর হামলা করা হয়েছে। এতে গৌরী দাস নামে ...
07/06/2026

বানিয়াচংয়ে কচু থেকে লতি তোলাকে কেন্দ্র করে এক নিরীহ হিন্দু পরিবারের নারী পুরুষের উপর হামলা করা হয়েছে। এতে গৌরী দাস নামে এক হিন্দু নারীর হাত কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয় এবং তার ৩ ভাইকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। মুমুর্ষ অবস্থায় ওই হিন্দু নারী বানিয়াচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে অভিযুক্তদের সুরক্ষা দিতে স্থানীয় গ্রাম্য মোড়লরা বিষয়টি আপোষে মিমাংসা ও রফাদফার চেষ্টা করছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শনিবার(৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২.টায় বানিয়াচং উপজেলার ১নম্বর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পালহাটিতে ওই ঘটনা ঘটে।

এই মুহূর্তে ভারতের অভ্যন্তরে একটি গোপন খেলা চলছে। কিছু শক্তি অন্ধকারে সক্রিয় রয়েছে। তারা চায় না ভারত শক্তিশালী ও ঐক্য...
07/06/2026

এই মুহূর্তে ভারতের অভ্যন্তরে একটি গোপন খেলা চলছে। কিছু শক্তি অন্ধকারে সক্রিয় রয়েছে। তারা চায় না ভারত শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ থাকুক।

তারা ২০২৯ সালের নির্বাচনে কোনো সুস্পষ্ট ও জোরালো জনরায় চায় না। তারা বিভাজন চায়—খণ্ডিতকরণ, দর কষাকষি, নির্ভরশীলতা এবং চাপ সৃষ্টি।

ইতিমধ্যেই ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থায়ন করা হয়েছে।

তারা ২০২৪ সালের কৌশলটি পরীক্ষা করে দেখেছে। এখন তারা আরও ভালোভাবে প্রস্তুত—আরও বেশি অর্থায়ন, উন্নততর সংগঠন এবং বৃহত্তর আগ্রাসন নিয়ে।

এখানে তাদের ১০টি দাবি (যা তারা চায় ভারত জোর করে পূরণ করুক):

- রুপি-রুবল এবং রুপি-দিরহাম বাণিজ্য বন্ধ করে ডলার ব্যবস্থায় ফিরে আসা

- ভারতকে চীনের বিরুদ্ধে একটি সম্মুখসারির রাষ্ট্রে পরিণত করা

- জেনেরিক ওষুধ শিল্পকে ধ্বংস করে বড় বিদেশি কোম্পানিগুলোর হাতে বাজার তুলে দেওয়া

- ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) বাতিল করে কৃষকদের খামার এবং দুগ্ধ খামারগুলো বিদেশি কর্পোরেশনগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া

- বিদেশি অস্ত্র কেনা চালিয়ে যাওয়া, ধীরে ধীরে আত্মনির্ভর ভারতকে কবর দেওয়া

- কার্বন লক্ষ্যমাত্রা মেনে নেওয়া, কয়লা নিষিদ্ধ করা (বিকল্প ছাড়া)

- বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত এনজিওগুলোকে অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া

- পশ্চিমা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নিয়ম মেনে নিয়ে ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ বিসর্জন দেওয়া

- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী আসনের দাবি ছেড়ে দেওয়া

- ব্রিকস-কে দুর্বল করতে সাহায্য করা

এই সবকিছু এখনই ঘটছে।

আপনার মন একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

প্রতিটি খবর, প্রতিটি মিম, প্রতিটি ক্ষোভ, প্রতিটি ট্রেন্ড, প্রতিটি ছোট সংকট—সবই মনগড়া, পরিকল্পিত এবং অর্থায়িত।

জাতিগত আদমশুমারিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

দক্ষিণ বনাম উত্তর, ধর্মীয় বিভেদ, বিজেপি বনাম আরএসএস—সবকিছুই তীব্রতর হচ্ছে।

মিম বাহিনী পুরোদমে সক্রিয়।

রাজপথের বিক্ষোভগুলোকে ‘স্বাভাবিক’ বলে মনে হবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গুলি চালাবে।

আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ, সতর্ক থাকি এবং একটি শক্তিশালী সরকার গঠন করি, ভারত ‘না’ বলতেই থাকবে।

আমরা যদি হোঁচট খাই, ২০২৯ সালে একটি খণ্ডিত রায় আসবে—ভারতকে দর কষাকষির টেবিলে মাথা নত করতে হবে।

এটা আপনার প্রিয় দলের জন্য লড়াই নয়।
এটা ভারতের স্বাধীনতা এবং ‘না’ বলার ক্ষমতার জন্য লড়াই।
সতর্ক থাকুন।
প্রতিটি খবর মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
বিভেদ পরিহার করুন।

ঐক্যবদ্ধ থাকুন।
মাতৃভূমিকে দুর্বল হতে দেবেন না।

জয় শ্রীরাম 🙏🙏🙏
ভারত মাতার জয়🙏🙏🙏

৫ লাখ পাকিস্তানি মুসলমান নারী ভারতীয় মুসলমানের সাথে বিয়ে হয়েছে। ৫ লাখ মুসলমান পুরুষ কিন্তু পাকিস্তান যায়নি। বরং উল্টো ৫ ...
07/06/2026

৫ লাখ পাকিস্তানি মুসলমান নারী ভারতীয় মুসলমানের সাথে বিয়ে হয়েছে। ৫ লাখ মুসলমান পুরুষ কিন্তু পাকিস্তান যায়নি। বরং উল্টো ৫ লাখ পাকিস্তানী নারী ভারতে নিয়ে এসেছে। সেই পাঁচ লাখ পাকিস্তানির আত্মীয় স্বজন কিন্তু ভারত ও হিন্দু বিদ্বেষী। এবং এই দম্পতিদের ঘরে যারা জন্ম নিবে তারাও ভারত ও হিন্দু বিদ্বেষী হয় হচ্ছে হবে। দুষ্টু লোকেরা,বলে অনেক ভারতীয় মুসলমানও ভারত ও হিন্দু বিদ্বেষী।
আচ্ছা, বাংলাদেশের হিন্দু নারীরা কেন ভারতে বিয়ে করে ভারতে থাকে না? বা ভারতীয় হিন্দু পুরুষ বাংলাদেশী হিন্দু নারীদের বিয়ে করে ভারতে নিয়ে যাচ্ছে না। এক দিকে ভারতে চলছে লাভ জিহাদ। হিন্দুদের মুসলিমরা বিয়ে করে ফেলছে। অন্য দিকে, পাকিস্তান থেকে ভারত ও হিন্দু বিরোধীদের বিয়ে করে ভারতে আনছে। আর আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ কখন হয় তার জন্য এক দল পেছনে লেগে থাকে। আবার আরেক দল আমাদেরজেলে ভরে। অথচ,আমরা বিজেপি, নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ,ভারত ও হিন্দুর দালাল বলে নিন্দিত হই!

কলমে শেখ ফরিদ

ছবিতে সবুজ দাগ দেওয়া এই মানুষটিকে চেনেন ??? ইনি সামিউল ইসলাম তৃণমূল এর রাজ্যসভার সাংসদ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যতজন অবৈধ অনুপ্...
06/06/2026

ছবিতে সবুজ দাগ দেওয়া এই মানুষটিকে চেনেন ??? ইনি সামিউল ইসলাম তৃণমূল এর রাজ্যসভার সাংসদ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যতজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারী কে পুশব্যাক করা হয়েছে ইনি তাদের বেশিরভাগ কে ফিরিয়ে এনেছেন সুপ্রিম কোর্ট এর সাথে যোগাযোগ রেখে ও আইনি আর প্রশাসনিক সাহায্য দিয়ে

পেশায় আইনজীবী এই ব্যক্তি ছাত্রজীবনে জামাত এর মুসলিম ছাত্র সংগঠন এর সাথে যুক্ত ছিলেন ও নেতা ছিলেন। চরম সাম্প্রদায়িক এই ব্যক্তি তৃণমূল এ যোগ দেন ২০১৬ সালে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর হাত ধরে। তারপর কালক্রমে রাজ্যসভার সাংসদ হন তৃণমূল থেকে ।

এনার অন্যতম কাজ হল অবৈধ অনুপ্রবেশকারী দের নানারকম আইনি সাহায্য প্রদান করা। বহু অনুপ্রবেশকারী কে ইনি বাঁচিয়েছেন আর এস আই আর এ ব্যাপক সহায়তা প্রদান করেছেন ফলে অনেকের নাম ভোটার তালিকায় উঠে গেছে। এই ধরনের ঘুণপোকা গুলি যতদিন দেশের আইনি আর রাজনতিক কাঠামোর মধ্যে থাকবে ততদিন সত্যি সত্যি যতই কেন্দ্রে হিন্দুত্ববাদী সরকার থাকুক অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী দের তেমন কিছু করা যাবে না।

নব নির্বাচিত জাতীয়তাবাদী রাজ্য সরকারের কাছে অনুরোধ পাড়ার ক্লাবে দাদা, ছোটখাট পঞ্চায়েত আর পুর প্রতিনিধি চোর মস্তান দের সাইজ করার আগে এদের কে সাইজ করুন। এই লোকটা ভয়ানক বিপজ্জনক। আগামী দিনে তৃণমূল না থাকলে উনি কংগ্রেস বা আই এস এফ, মিম এ যাবেন ও বাম কংগ্রেসের সমর্থনে রাজ্যসভার এম পি হয়ে যাবেন আবার। আরও অনেক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী কে বাঁচিয়ে দেবেন। এস আই আর এ জুডিশিয়াল রিভিউ এসে অসংখ্য অনুপ্রবেশকারী কে বাঁচিয়েছে এদের জন্যই।

২০১৬-১৯ সাল অবধি চলা আসাম এন আর সি এদের কারণেই ব্যর্থ হয়েছিল। ২০১৬ সালে অসমে থাকা সওয়া এক কোটি মুসলিম (১.২৫ কোটি ) মাত্র পাঁচ লাখ কে চিহ্নিত করা গেছিল এন আর সি তে যাদের বেশিরভাগ কুচ বিহার হয়ে উত্তরবঙ্গ ও বিহারের সিমাঞ্চল এ ঢুকে গিয়ে অন্য নামে ডকুমেন্ট বানিয়ে বেঁচে গেছে। এই ঘুন পোকা দের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হলে পশ্চিমবঙ্গ কে বাঁচানো যাবে না।

জয় শ্রীরাম।

Address

Kolkata
700001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতনী বার্তা sanatoni barta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share