সনাতনী বার্তা sanatoni barta

সনাতনী বার্তা sanatoni barta 🕉️ সনাতনী বার্তা 🕉️
চেতনায় সনাতন, হৃদয়ে ভক্তি।
ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধন।
সত্যের পথে এক নির্ভীক পদযাত্রা। 🚩

20/09/2026

খুব জরুরী এবং সময় উপযোগী পরামর্শ 🙏
পুরুটা ভালো করে শুনুন।
তারপর সিদ্ধান্ত নিন🙏

20/09/2026

বাংলাদেশের মানুষ দ্বিপু দাস কে ভুলে গেছে!!

বাংলাদেশে পতাকা অবমাননা শুধু কি হিন্দুরাই করে 🤔🤔
16/09/2026

বাংলাদেশে পতাকা অবমাননা শুধু কি হিন্দুরাই করে 🤔🤔

| আমার দাদুর একখান 'দ্যাশ' ছিল |----ময়ূখ রঞ্জন ঘোষআমার দাদুরও একখান দ্যাশ ছিল। পরে সেই দ্যাশটি হারিয়ে যায় যখন, দাদু আর ক...
12/09/2026

| আমার দাদুর একখান 'দ্যাশ' ছিল |

----ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ

আমার দাদুরও একখান দ্যাশ ছিল। পরে সেই দ্যাশটি হারিয়ে যায় যখন, দাদু আর কোন মিসিং ডায়েরি করেনি। করবেই বা কোন থানায়? রিফিউজি ক্যাম্প থানা, কলোনি থানা, নতুন বাড়ি বানালো যে দক্ষিণ কলকাতা এলাকায় সেই থানা না ভিটেমাটি ছিল যেখানে সেই থানা। দাদুর একখান দ্যাশ ছিল। সেই দ্যাশে সুপুরি গাছ, নারকোল গাছ ছিল। খাল ছিল, বিল ছিল, নয়ামাটি, সাতক্ষীরা, বান্দরবান নামে সব মিষ্টি এলাকা ছিল, মহারশি, উদ্দাখালি, সনকোশ, হাড়িভাঙ্গা, খাসিমারা নদী ছিল, গোল্লাছুটের মাঠ ছিল, সন্ধেবেলার শাঁখ ছিল। আমন ধানের গন্ধ ছিল, ফজলুল চাচার থেকে কেনা রোববারের খাসির ঝোল ছিল। শীতে গাছিরা খেজুরের গাছ থেকে রস পেড়ে আনতো, দিদা-ঠাকুমারা তখন গিন্নি সব। দুধ গোকুল, পাকন পিঠে, গোলাপ পিঠে তৈরি হতো৷ দালানে অনেকের গরু বাঁধা থাকতো আবার সেই কবেকার নারায়ণ শালগ্রাম শীলাও ঘরের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিল৷ দাদুদের একখান দ্যাশ ছিল কিন্তু জীবনে জাদুকর পিসি সরকার ছিল না। চোখের সামনে ভ্যানিশ হয়ে যায় জিনিস, সেই জাদুর খেলা না দেখে, দাদুদের প্রজন্ম দেখলো ভীটেমাটিচাটি হয়ে যেতে। একরাতে দাদুদের দ্যাশ থেকে চৈল্যা আসতে হইবো। রাতের অন্ধকারেই সেফ!

ঠাকুমারা বোকার মতো নিশ্চয়ই সেই রাতে প্রশ্ন করেছিল, "কও কী? মাথার ঠিক আছে? আমাদের দ্যাশ ছাইড়া যামু ক্যান! ফিরবো কবে? তুলশী গাছে জল দিতে হয় রোজ, ঠাকুরকে নকুলদানা দিতে হয়, ময়না পাখিটারে দানা। ওরা তো আমাদের ছাড়া মরে যাবে।" পৃথিবীর সব রিফিউজি বাবার মতোই আমার দাদুর প্রজন্ম নিশ্চিত সেসময় চুপ করে গেছিল বা রেগে বলে ফেলেছিল, "নিজের জান বাঁচে কিনা দেখো আর তোমার ময়নাপাখি।"

শুনেছিলাম আমার দাদু দুটো বসার টুল নিয়ে চলে এসেছিল। আরেক বন্ধুর দাদু নাকি একটা কাঁচের হ্যাজাক। আমরা মানে যারা বিরিয়ানি আর বহুত্ববাদ এক থালায় সাজিয়ে খাই, কলকাতার কালচার মারাই তারা ফ্যাক করে হেসে দিয়েছিলাম। এতোকিছু থাকতে টুল আর হ্যাজাক? উত্তর ২৪ পরগনার এক প্রথম জেনারেশন রিফিউজি পরিবার জবাবটা দিয়েছিল। এসব সময় হাতের কাছে যা পাওয়া যায় নিয়ে চলে আসে লোকে৷ ওই একখান সম্পত্তি তো ধরে রাখা গেল৷ বাকি সবটাই তো দুষ্টু লোকের মতো ভ্যানিশ৷

কিন্তু কারা যে দুষ্টু লোক, সেই জটিল অংক না কষে দাদুরা নতুন দেশে মানিয়ে নিলো৷ কোনদিন আর দুষ্টু লোকদের বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করলো না। গোটাটা র‍্যাডক্লিফ সাহেবকে দোষ দিয়ে উদারপন্থী, প্রগতিশীল, বাস্তুহারা মানুষের প্রতিবাদের ভাষা খুঁজলো বরং। দাঁত চেপে এপাড়ে টিকে থাকার লড়াই তখন। ভাত না দিলে মানচিত্র চিবিয়ে খাওয়ার হুমকি। ঘর হলো, কলোনিতে নতুন রাস্তা হলো, পাট্টা পেল, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সদস্যপদ পেল। আর সারাজীবনের জন্য একটা নস্টালজিয়া ব্যামো পেল। "আমার একখ্যান দ্যাশ ছিল।"

কিন্তু কী হবে দ্যাশ নিয়ে হাহুতাশ করে? যাক যা গেছে তা যাক। ক্ষতবিক্ষত হৃদয় উদারতায় শান্তি পাক। তারচেয়ে পদ্মার ইলিশ নিয়ে কথা বলি, ইলিশের বিরিয়ানি নিয়ে হাহুতাশ করি, পাঁচ রকমের মাছের ভর্তা নিয়ে আলাপ করি। এসব সেফ! রিফিউজি হয়ে আসা দাদু, বাবারা এপাড়ে এসে এসব নিয়েই বড়াই করতো। শুটকি কি দারুণ করে রান্না করা যায়, কতোগুলো সব্জির খোসা ভাজা ডালের সাথে খেলে ভালো লাগে, কবে বাংলাদেশে ভিটেমাটি দেখতে যাবে ইত্যাদি। ওই প্রজন্মকেও এসব খবর দিতে পারতাম না। কথা এড়িয়ে যেত তারপর কৃষানু দের বাঁপায়ের জাদুকরী নিয়ে আড্ডা দিত। ঠাকুমাদের ওপাড়ে ভিটেমাটি দেখতে যাওয়ার কথা বললে বলতো, "ধুস, ওখানে ওসব দেখে কি হবে? কিছুই তো নেই। তারচেয়ে পুরী বা দার্জিলিং ঘুরে আসি।"

ভিটেমাটিচাটি হওয়ার অভিমান আর একরাতে চলে আসার দীর্ঘশ্বাস মিশে গেলে যদি কোন শব্দ তৈরি হয়, তাকে রিফিউজিরা দ্যাশ বলে। আমার দাদুর একখান দ্যাশ ছিল।

©---- ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ


Photo : Raghu Rai

বলার তো অনেক কিছু ছিল!! কিন্তু বাঙালি যখন বামপন্থা ন্যারেটিভে পা দিয়ে সাধু মহারাজদের অপমান করে ফেলল তখন ভেবেছিলাম কিছু ...
11/09/2026

বলার তো অনেক কিছু ছিল!! কিন্তু বাঙালি যখন বামপন্থা ন্যারেটিভে পা দিয়ে সাধু মহারাজদের অপমান করে ফেলল তখন ভেবেছিলাম কিছু আর বলবো না,, তা সত্ত্বেও কিছু বলার আছে।

বাগেশ্বর মহারাজ হলেন রামানুজ সম্প্রদায়ে দীক্ষিত একজন একনিষ্ঠ বৈষ্ণব সাধু হনুমানজির সেবক। বৈষ্ণব দর্শনে পরম অহিংসা আর সাত্ত্বিক আচারের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়। ওনার চোখে মা দুর্গা হলেন 'জগৎজননী', তাই উনি মাকে সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক মতেই পুজো করেন। এখন একজন ধর্মগুরু যদি নিজের সম্প্রদায়ের আদর্শ মেনে তাঁর অনুগামীদের পুজোর কটা দিন নিরামিষ খেতে বলেন বা সাত্ত্বিক থাকার নির্দেশ দেন, সেটা তাঁর অধিকার। যাঁরা ওনার অনুগামীই নন, তাঁদের গায়ে পড়ে অপমানিত বোধ করার কী আছে?

আর সবচেয়ে বড় কথা যেসব বামপন্থা বাঙালি যাঁরা শাক্ত প্রথার দোহাই দিয়ে প্যান্ডেলের পাশেই বিরিয়ানি, চিকেন চাপ আর এগরোল খাওয়াকে জাস্টিফাই করছেন, তাঁরা কি আদৌ শাক্ত শাস্ত্র পড়েছেন? শাক্ত মতে দেবীর সামনে 'বলি' প্রদত্ত মাংস ছাড়া সাধারণ মাংস খাওয়ার কোনো বিধানই নেই! বলির মাংস ঈশ্বরের প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মণ্ডপের বাইরে রাস্তার ধারের দোকান থেকে কেনা ফিশ ফ্রাই বা চিকেন পকোড়া খাওয়াটা কোনোভাবেই 'শাক্ত প্রথা' নয়, ওটা নিছকই আমাদের পেটপুজো আর উৎসবের হুজুগ। তাই সেই ভন্ড বামপন্থা লোভী ভোগীদের বলছি ,,,যদি সত্যিই শাক্ত প্রথার প্রতি এত দরদ থাকে, তাহলে দম থাকলে আপনাদের পুজো কমিটির ব্রাহ্মণদের গিয়ে বলুন কয়েক কেজির একটা আসল ভারী খড়্গ কিনে আনতে। সেই খড়্গ দিয়ে রীতিমেনে মণ্ডপে বলি দিন, আর সেই বলিকৃত মাংস প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করুন। এই শাস্ত্রীয় নিয়মে মাংস খেতে তো কারও কোনো আপত্তি নেই! পূর্ণ সহমত থাকবে হাজার হাজার মণ্ডপে পূজো হয় হাজার হাজার খড়্গ কেনা হোক,, শুরু করো,, যদি না পারো তাহলে একদম চুপ থাকো।

তাই নিজের ভোগবিলাস আর খাওয়ার লোভকে 'ধর্ম' বা 'বাঙালির সংস্কৃতি'-র মোড়কে জাস্টিফাই করার যে বামপন্থী ন্যারেটিভ খাড়া করা হচ্ছে, সেটা বাংলার মাটিতে আর টিকবে না। সনাতন ধর্মে শাক্ত আর বৈষ্ণব দুটো মতেরই সমান জায়গা আছে। নিজের মতের সাথে না মিললেই একজন সাধুর পবিত্র চিন্তাভাবনাকে 'সংস্কৃতিতে বহিরাগত হস্তক্ষেপ' বলে দাগিয়ে দেওয়াটা এই বামপন্থীদের বহু পুরনো চক্রান্ত।
বাগেশ্বর বাবা তাঁর বৈষ্ণবীয় আদর্শের জায়গা থেকে একদম নিখুঁত আর অকাট্য একটা কথাই বলেছেন। বামপন্থীদের এই ফাঁপা ন্যারেটিভের ফাঁদে পা দিয়ে সাধুসন্তদের গালমন্দ করার আগে অন্তত নিজেদের ধর্ম আর শাস্ত্রটা একটু ঘেঁটে দেখা উচিত।

ইতি - ইন্দ্র মিত্র

10/09/2026
এইসব হিন্দুরুপি জঙ্গি জিহাদি উগ্রবাদী দালালদের ভাগারে না পাঠালে হিন্দুদের আরো ক্ষতি হবে। এদের গোড়া থেকে উপরে ফেলতে হবে।
07/09/2026

এইসব হিন্দুরুপি জঙ্গি জিহাদি উগ্রবাদী দালালদের ভাগারে না পাঠালে হিন্দুদের আরো ক্ষতি হবে। এদের গোড়া থেকে উপরে ফেলতে হবে।

ত্রিপুরা এবং কলকাতা,  যদি ওই দুই জায়গায় এস ৪০০ বসে যায়, শিলিগুড়িতে যাকে চিকেন নেক বলা হয় অলরেডি বসানো আছে, তাহলে বা...
06/09/2026

ত্রিপুরা এবং কলকাতা, যদি ওই দুই জায়গায় এস ৪০০ বসে যায়, শিলিগুড়িতে যাকে চিকেন নেক বলা হয় অলরেডি বসানো আছে, তাহলে বাংলাদেশের কোন বিমান ঘাঁটি আর নিরাপত্তা থাকল না, তাদের বিমানগুলো, বিমান ঘাঁটিতে ধ্বংস করা যাবে। শোনা যাচ্ছে রাশিয়া থেকে ভারত আরো পাঁচ স্কোয়াডেন এস ৪০০ কিনতে চলেছে। মোট ১০ স্কোয়াডেন হবে। কিছু পাকিস্তান বর্ডারের মোতায়েন করা আছে।
বাংলাদেশকে বলবো আরো বেশি করে j10 c বিমান কিনতে পারো চায়না থেকে এবং তুর্কি থেকে ড্রোন কিনো। ওগুলাকে S400 কাছে খেলনা। ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত রাডার ক্ষমতা এবং ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত কিলিং পাওয়র।
ত্রিপুরা থেকে ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং কলকাতা থেকে পূর্বে ৪০০ কিলোমিটার শিলিগুড়ি থেকে দক্ষিনে ৪০০ কিলোমিটার পুরো বাংলাদেশ ভারতের রেডারের নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে কলকাতা থেকে ত্রিপুরা দূরত্ব মাত্র ৫০০ থেকে ৫৫০ কিলোমিটার।

বাংলাদেশের মিডিয়াদের খবর সহ্য করতে না পেরে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করলাম। মক্কা চুক্তি না মাকাই চুক্তি ওসব করে লাভ নেই ইন্ডিয়া একবার ক্ষেপলে তোদের রক্ষে নেই। বাংলাদেশের জন্য অগ্নি সিরিজের মিসাইল ব্যবহার করব না ,আমাদের ব্রহ্মস যথেষ্ট। যার রেঞ্জ ৩০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার।

✍️ হনসরাজ রায়

Address

Kolkata
700001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতনী বার্তা sanatoni barta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share