Paschimbanga Dibas

Paschimbanga Dibas Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Paschimbanga Dibas, Community Organization, KOLKATA.

On 20 June 1947, legislators from predominantly Hindu western part of Bengal at the Bengal Legislative Assembly voted against the inclusion of western Bengal in Pakistan and for the Partition of Bengal to create West Bengal include it in the Indian Union.

*ভারতকেশরি শ্যামাপ্রসাদ*-https://www.eswastika.com/20250630.pdf-পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের কাছে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ...
30/06/2025

*ভারতকেশরি শ্যামাপ্রসাদ*
-
https://www.eswastika.com/20250630.pdf
-
পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের কাছে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় একটি আবেগের নাম। তিনি ছিলেন নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ, যথার্থ শিক্ষাবিদ এবং মানবদরদি একজন সমাজসেবী। এর চাইতেও বড়ো কথা, তিনি পশ্চিমবঙ্গের সৃষ্টিকর্তা।
-
স্বস্তিকার এই সংখ্যায় শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর কর্মময় জীবনের কয়েকটি দিক নিয়ে আলোচনা করছেন কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষক।
-
*লিংক*
https://www.eswastika.com/20250630.pdf
-
*"স্বস্তিকা"* - রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকদের দ্বারা পরিচালিত নির্ভীক জাতীয়তাবাদী বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা
১৯৪০ এর দশক থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে।
যুগোপযোগী ও আকর্ষণীয় হওয়া সত্ত্বেও পরম্পরার গৌরবে বলীয়ান।
*লিঙ্ক* -https://www.eswastika.com/20250630.pdf
*স্বস্তিকা পড়ুন ও পড়ান। তাতে শুধু বিনোদনই হবে তাই নয়, সাথে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনও শক্তিশালী হবে।*
*http://www.eswastika.com*

=====পশ্চিম বঙ্গ, ভারতের পূর্ব প্রান্তের একটি রাজ্য।হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর অব্দি বিস্তৃত ৮৮৭৫২ স্কোয়ার কিলোমিটার আয়তনের ...
20/06/2025

=====

পশ্চিম বঙ্গ, ভারতের পূর্ব প্রান্তের একটি রাজ্য।হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর অব্দি বিস্তৃত ৮৮৭৫২ স্কোয়ার কিলোমিটার আয়তনের এক ভূখন্ড।কিন্তু এই পশ্চিমবঙ্গের পরিচয় কি এটুকুতেই সারা যায়?এক কথায় উত্তর যায়না।কারন পশ্চিম বঙ্গ শুধুমাত্র ভারতের এক ভৌগোলিক ভূখণ্ড নয়।পশ্চিমবঙ্গ এক আবেগের নাম।পশ্চিম বঙ্গ আশ্রয়ের আরেক নাম।পশ্চিম বঙ্গ বিপ্লবের আরেক নাম।১৯৪৭ সালে অনেক সংগ্রাম, সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়।এই স্বাধীনতার আন্দোলনে বাঙালির অবদান অতুলনীয়।আন্দামানের কুখ্যাত সেলুলার জেলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত কয়েদিদের মধ্যে বাঙালির সংখ্যা সর্বাধিক।যারা প্রত্যেকেই স্বাধীনতা আন্দোলনে বৃটিশ রাজশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামের শাস্তি হিসাবে কালাপানির সাজা পেয়েছিলেন।

=====

বাঙালি স্বাধীনতার জন্য বোমা ছুঁড়েছে,গুলি চালিয়েছে,জন্মভূমি থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন নিতে বাধ্য হয়েছে,ফাঁসিতে চড়েছে আর সেসবের প্রতিদানে সব শেষে পেয়েছে এক খণ্ডিত ভূখণ্ড।যাক ভাগ করা হয় ধর্মের নামে।সে বাধ্য হয় নিজের ভিটে মাটি ছেড়ে, নিজের পরিবার পরিজনের রক্তমাখা শরীরকে ফেলে রেখে শিয়ালদা স্টেশানে,কলকাতার ফুটপাথে আশ্রয় নিতে।ওপারে যে ছিল সম্পন্ন চাষী এপারে তার জায়গা হয় কোন উদ্বাস্তু ক্যাম্পে।ওপারে যার ছিল সুখ স্বাচ্ছ্যন্দ স্বপ্নে মোড়া গৃহ, এপারে তার আশ্র্য় হয় জবরদখল করা বাগান বাড়ির এক চিলতে দরমার বেড়া দেওয়া ঘরে।ওপারে যে ছিল শিক্ষক এপারে তার জীবিকা হয় ভিক্ষাবৃত্তি।এঁরা সবাই ধর্মের কোপে পরে নিজেদের আশ্রয় হারিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছিল যে ভূখণ্ডে সেই আশ্রয়ের নাম পশ্চিমবঙ্গ।তাই পশ্চিমবঙ্গ বাঙালি হিন্দুদের কাছে শুধুমাত্র এক খন্ডিত ভূখণ্ড নয়।পশ্চিমবঙ্গ বাঙালি হিন্দুর আবেগের আরেক নাম।

=====

আজ সেই পশ্চিমবঙ্গে আমরা আবার দেখছি ধর্মীয় আগ্রাসন।আমরা দেখছি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নামে তোষণ।আমরা দেখছি দেগঙ্গা,কালিয়াচক,ধূলাগড়, বসিরহাট।সময় এগিয়ে চলেছে তার সাথে জুড়ে চলেছে নতুন নতুন নাম।ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং, সন্দেশখালি একের পর এক নাম জুড়ে চলেছে।আজ এই পশ্চিমবাংলার মাটিতেই আমাদের দুর্গা পূজার নির্ঘন্ট বদলাতে হয় “সম্প্রীতির” দায়ে।সেই ১৯৪৬ সাল থেকে সম্প্রীতি রক্ষার দায় শুধুমাত্র বাংলার হিন্দুদের।নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়ে, নিজেদের পরিবার পরিজনের রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত শরীরের উপর দিয়ে হেঁটে তাদের এই সম্প্রীতি রক্ষা করতে হচ্ছে।আর আজ সেই পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক প্রধানের কণ্ঠে ইদের নামাজে হুঙ্কার শুনতে পাই “আপকো ইনসাফ মিলেগা”। কে জানে তিনি কাকে ইনসাফ দেওয়ার কথা বলছেন।আর কে জানে তিনি আমাদের “ইনসাফ” দেওয়ার কথা কবে ভাববেন।

=====

২৮ দিন ব্যাপী চলা এসএসসি চাকরি প্রার্থীদের অনশন,সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের জেরে প্রতিনিয়ত জমি হারিয়ে চলা হিন্দুরা,সারা পশ্চিম বঙ্গ জুড়ে ধুঁকতে থাকা চাষিরা, বন্ধ কল কারখানার শ্রমিকরা কবে “ইনসাফ” পাবে তা কেউ জানেনা।অবশ্য “তিনি” ঘোষণা করেই দিয়েছেন অনেক বেশী কাজ করে ফেলেছেন, আর এতো কাজ করবেননা।তাই গৃহহীন মানুষটি কিংবা চাকরিপ্রার্থী হিন্দু যুবকটির তার কাছে “ইনসাফ” পাওয়ার আশা কমই।বরং তাদের মেনে নিতে হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নামে দ্বিতীয় সংখ্যাগুরু গোষ্ঠীকে ওবিসি এ ক্যাটাগরিভুক্ত করে আরও আরও সুবিধা পাইয়ে দেওয়া চাকরিক্ষেত্রে।আর তাকে বসতে হবে অনশনে।অবশ্য সেখানেও ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের কথাটুকু শোনারও সময় হবেনা কারুর।কেউ জানেনা কবে “ইনসাফ” মিলবে ধূলাগড়ের নির্যাতিতার বা কবে “ইনসাফ” পাবে মহেশ রাউতের ছেলে।কেউ জানেনা।কোন উত্তর নেই এর।

=====

এখন আবার শুরু হয়েছে ঈদকে বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসবের আখ্যা দেওয়া।বাঙালি কে? বাংলা ভাষায় কথা বললেই কি কেউ বাঙালি হয়ে যাবে?নাকি বাংলার ঐতিহ্য,ইতিহাস, সংস্কৃতি এসব নিয়ে যার মনে আবেগ আছে সেই বাঙালি।সে যদিও অন্য ভাষায় কথা বলে তাহলেও যদি সে নিজেকে বাঙালির আবেগে নিজেকে মিশিয়ে দিতে পারে তবেই সে বাঙালি।শুধুমাত্র বাংলা ভাষা বললেই কেউ বাঙালি হয়ে যায়না।বাঙালির একটা তুলসীতলা থাকবে, বাঙালির সন্ধ্যেবেলার শঙ্খধ্বনি থাকবে।বাঙালির দুর্গাপুজো থাকবে।বাঙালির ভাইফোটা থাকবে।বাঙালির সরস্বতী পূজো থাকবে।বাঙালি তারা নয় যারা আমাদের সরস্বতী পুজো বন্ধ করতে চায়।যাদের জন্য আমাদের দুর্গাপুজোর নির্ঘন্ট পাল্টে যায় তারা বাঙালি নয়।বাঙালি তারা নয় যারা আমাদের সদর দরজার সামনের আলপনা মুছে দিতে চায়।সে তারা যতইনা উর্দু মিশ্রিত বাংলার কাছাকাছি একটি ভাষা বলুক।বাঙালির রবীন্দ্রনাথ থাকবে।বাঙালি তারা নয় যারা রবীন্দ্রনাথকে অশ্লীল মনে করে।বাঙালি তারা নয় যারা স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকে এই মাটির আদর্শ বলে মনে করেনা।বাঙালি তারা নয় বাউল ফকিরদের ফতোয়া দেয়।বাঙালি তারা নয় যারা কীর্তনের সুরে আমাদের ভেসে যাওয়া সহ্য করতে পারেনা।

=====

এই বাংলার ভারতবর্ষকে ও সারা বিশ্বকে দেওয়ার জন্য একটা দর্শন আছে,একটা বার্তা আছে।তা হোল সম্প্রীতি, বিকাশ ও বিত্তসাধনার বার্তা।এই বাংলার মাটিতেই জন্মেছেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, যিনি আমাদের সাম্যের পাঠ দিয়েছেন।এই বাংলার মাটিতেই জন্মেছেন দ্বারকানাথের মতো শিল্পদ্যোগী,যিনি আমাদের দিয়েছেন বিত্ত সাধনার পাঠ।এই বাংলারই মানুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,যার লেখনীতে আর সুরে বাঁধা হয়েছে তিন তিনটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত।এই বাংলার মাটিতেই জন্মেছেন বাঘা যতীন, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস, যারা আমাদের দিয়েছেন আত্মসম্মান।এই বাংলা শ্যামাপ্রসাদ মূখার্জীর বাংলা।যর প্রতিটি ধূলিকনাতে আছে আমাদের অধিকার এবং সর্বাগ্রে আমাদেরই অধিকার।

=====

বাঙালি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে।এবার সময় এসেছে তার নিজের অধিকার বুঝে নেওয়ার।বাঙালি তার এই ভূখন্ডে কোন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে বরদাস্ত করবেনা আর।বাঙালি সম্প্রীতির নামে নিজের জমি আর কাউকে দখল করতে দেবেনা।বাঙালি এবার লড়াই শুরু করবে নিজের স্বাভিমানের জন্য,জাত্যাভিমানের জন্য।সম্প্রীতির নামে, ভুয়ো বিপ্লবের নামে বাঙালিকে ক্রমাগত পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।কিন্তু বাঙালি আর ঠকতে রাজী নয়।তারা এবার চায় নিজের অধিকারটুকু বুঝে নিতে।

=====
বাঙালি তাই আজ দাবী তুলছে প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে তাদের এই ভূখন্ড থেকে বিতাড়িত করতে হবে।তার বদলে আশ্রয় পাবে বাংলাদেশ থেকে আগত সব শরনার্থী।যারা শুধুমাত্র ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ার কারনে আজ নিজের দেশ থেকে বিতাড়িত।পশ্চিম বাংলা আজ জনঘনত্বের চাপে হাঁসফাঁস করছে তাই আজ বাঙালির দাবী জন্মনিয়ন্ত্রন আইন।চাকরিক্ষেত্রে ওবিসি কোটার সঠিক মূল্যায়ন এবং সংশোধনের মাধ্যমে তোষণে ইতি টানা আজ বাঙালির দাবী।

=====

বাঙালির দাবী আজ সে নিজের ধর্মীয় পরিচয় সগর্বে ঘোষনা করবে।কারুর পরোয়া না করে আজ সে গলা তুলে বলবে জয় শ্রীরাম, জয় মাকালী কিংবা দুর্গা মাইকি কি জয় বা ভারত মাতা কি জয়।যেমনটা তার ইচ্ছা।সেখানে কারুর কোন খবরদাড়ি চলবেনা।চলবেনা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নামে চাপিয়ে দেওয়া তোষনের বোঝা।বাঙালি তার সরস্বতী পুজো করবে, দুর্গা পুজো করবে।সেখান কোন ধর্মীয় আগ্রাসন সে সহ্য করবেনা।কোন দখলদারী সেখানে চলবেনা।বাচ্ছা মেয়েটার আর মাথা ফাটবেনা স্বরস্বতী পুজো করতে চেয়ে।

=====
পশ্চিম বাংলার মাটিতে আবার উড়বে প্রগতির পতাকা।শ্রীরামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের এই বাংলা আবার এগিয়ে যাবে সবার আগে।আবারও বলা হবে “what Bengal thinks today, India thinks that tomorrow”। শস্যক্ষেত্রে থাকবে সোনালী রং।থাকবে গোলাভরা ধান, কারখানার সাইরেন শুনে ঘড়ি মিলিয়ে বাঙালি সময়ের সাথে সাথে এগিয়ে যাবে। বাঙালি আবার তার নিজের ক্ষমতার জোরে ভারতের শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হবে।নিজের মেধাসম্পদ তার নিজের লক্ষ্মীর সাধনায় কাজে লাগবে।অন্য কারুর গোলামীর জন্য নয়।

=====

আজ ভারতের মধ্যে সব থেকে বেশী ভিক্ষাজীবি পশ্চিমবাংলায়।নারী পাচারে আমরা সবার উপরে।আমাদের বর্তমান অন্ধকারাচ্ছন্ন,কিন্তু আমরা আমাদের নিজের ক্ষমতায় আমাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে তুলব।আবার আমরা জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেব।

=====

Courtesy Diptasya Jash

=====
#পশ্চিমবঙ্গ_দিবস_আসছে

পশ্চিমবঙ্গ বাঙালির অধিকার, আবেগ, আশ্রয়
20/06/2025

পশ্চিমবঙ্গ বাঙালির অধিকার, আবেগ, আশ্রয়

২০শে জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবসের শুভেচ্ছা !!!
20/06/2025

২০শে জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবসের শুভেচ্ছা !!!

বাম দিক থেকে 👇ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারবেঙ্গল কংগ্রেসের ডঃ প্রমথনাথ ব্যানার্জীতপশীলি নেতা প্রমথ রঞ্জন ঠাকুরবিজ্ঞানী মেঘনাদ স...
20/06/2025

বাম দিক থেকে 👇
ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকার
বেঙ্গল কংগ্রেসের ডঃ প্রমথনাথ ব্যানার্জী
তপশীলি নেতা প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর
বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি
বাবাসাহেব আম্বেদকর
ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার
কংগ্রেস নেতা অতুল্য ঘোষ
কৃষক নেতা ও নেতাজীর বন্ধু বিপ্লবী হেমন্ত সরকার
ভাষাবিদ আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

আমার ঠাকুর অস্ত্রধারী,আমার ঠাকুর যোদ্ধা।দুর্বলেরা হিন্দু না,হতেও পারে বোদ্ধা।।আমার ঠাকুর যুদ্ধ করে -পুরুষ হোক বা নারী।আম...
14/04/2025

আমার ঠাকুর অস্ত্রধারী,
আমার ঠাকুর যোদ্ধা।
দুর্বলেরা হিন্দু না,
হতেও পারে বোদ্ধা।।
আমার ঠাকুর যুদ্ধ করে -
পুরুষ হোক বা নারী।
আমি হিন্দু এমনিতে তাই -
যোদ্ধা হতে পারি।।
আমি হিন্দু - রক্ত বিন্দু -
ভগবানের দান।
মুল লক্ষ্য, অসুর মুক্ত -
অখণ্ড হিন্দুস্তান।।
---------
হিন্দুস্তান - অর্থাৎ - অধুনা ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান থেকে অসুরশক্তির নির্বাসন

জয় বঙ্গ জয় শশাঙ্ক
14/04/2025

জয় বঙ্গ
জয় শশাঙ্ক

পয়লা বৈশাখের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানাই। বাঙ্গলা নববর্ষের প্রাককালে বঙ্গাব্দের জনক মহারাজা শশাঙ্ককে স্মরণ করি।
14/04/2025

পয়লা বৈশাখের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানাই। বাঙ্গলা নববর্ষের প্রাককালে বঙ্গাব্দের জনক মহারাজা শশাঙ্ককে স্মরণ করি।

পয়লা বৈশাখ যার উৎসব নয়সে কখনই বাঙ্গালী নয়
14/04/2025

পয়লা বৈশাখ যার উৎসব নয়
সে কখনই বাঙ্গালী নয়

২০১৯ বছরের কথা। বঙ্গাব্দ নিয়ে আকবর তত্ত্বে ছেয়ে গেছিল পশ্চিমবঙ্গের বাংলা কাগজ গুলো। তারই মধ্যে একটা বিখ্যাত পোর্টাল একটু...
13/04/2025

২০১৯ বছরের কথা। বঙ্গাব্দ নিয়ে আকবর তত্ত্বে ছেয়ে গেছিল পশ্চিমবঙ্গের বাংলা কাগজ গুলো। তারই মধ্যে একটা বিখ্যাত পোর্টাল একটু অন্যরকম ভাবে এই বিষয়ে একটি লেখা বের করে। শিরোনামটা বেশ বিস্ফোরক। "বাঙালিদের কোনও কৃতিত্ব নেই। পয়লা বৈশাখের সূচনা করেছিলেন মহামতি আকবর"! শুধুমাত্র এই শিরোনামের জন্যই, লেখাটা আমার সব থেকে বেশি ভাল লেগেছিল। কোন লুকোলুকির ব্যাপার নেই। একদম সোজা-সাপ্টা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে যে এরা ঠিক কি চায়। বঙ্গাব্দে "বাঙালিদের কোন কৃতিত্ব নেই", এটা যে কোন ভাবে প্রমাণ করাটাই এদের ঘোষিত লক্ষ্য।
আকবরের বঙ্গাব্দ চালু করার কোন ইতিহাস না থাকলেও, বঙ্গাব্দের আকবর তত্ত্বের কয়েক দশকের ইতিহাস আছে। ঘটনার সূত্রপাত পাকিস্তানি আমলে। পাকিস্তান পন্থী বুদ্ধিজীবীরা চেয়েছিলেন বাঙালির থেকে তার ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য কেড়ে নিয়ে বাঙালিকে অন্যদের মানসিক দাসে পরিণত করতে। সেজন্যই দরকার ছিল বাংলার বাইরের কোন ব্যক্তিকে বঙ্গাব্দের কৃতিত্ব দেবার। তাই ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে এমন একটি কমিটি গঠিত হয়, যার লক্ষ্য ছিল আকবরকে বঙ্গাব্দের প্রবর্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সরকারি ভাবে এই কমিটির নাম ছিল "পঞ্জিকা সংস্কার কমিটি"।
,
দায়িত্ব পেয়েই এই বিষয়ে একটি সুদীর্ঘ রচনা লিখে ফেলেন কাজী দীন মোহাম্মদ। এই রচনার মূল বক্তব্য ছিল আকবর প্রবর্তিত বর্ষপঞ্জি তারিখ-ই-ইলাহীই হল বাঙালির বঙ্গাব্দ। এবং বঙ্গাব্দের গণনা পদ্ধতি নাকি আরবি বছর হিজরীর সাথে সঙ্গতি পূর্ণ। এরকম উদ্ভট এবং হাস্যকর দাবি কাজী দীন মোহাম্মদই প্রথম তোলেন। এরপরে ওই অসঙ্গতি পূর্ণ লেখাটিকে প্রামাণ্য তত্ত্বের রূপ দিতে ডাক পড়ল জনাব গোলাম সামদানীর। লেখাটি ছেপে বেরোল জনাব গোলাম সামদানীর বাংলা একাডেমি পত্রিকায়। ধীরে ধীরে পূর্ণতা পেতে লাগল বঙ্গাব্দকে বাঙালির থেকে কেড়ে নেবার চক্রান্ত।
এরপরেই আসরে নামেন মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। এই শহীদুল্লাহ ছিলেন মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের অন্যতম সমর্থক। বাংলায় কথা বলা মুসলমান যে কোনোভাবেই বাঙালি নয়, এটা শহীদুল্লাহ মনে মনে ঠিকই জানতেন। তাই ইনি মনে করতেন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা বা উর্দু না হয়ে আরবী হওয়াই উচিত। কারণ "মুসলমানের জাতীয় ভাষা আরবী"-ই। ফলে কাজী দীন মোহাম্মদের লেখাটা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর বিশেষ ভাবে পছন্দ হয়। কারণ ওই লেখাতে আরবি বর্ষপঞ্জি হিজরীর সাথে বঙ্গাব্দ গণনা পদ্ধতির মিল দেখানোর চেষ্টা করা হয়। তাই পঞ্জিকা সংস্কার কমিটির প্রধান হিসেবে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ সুপারিশ নং ৪-এর মাধ্যমে মোগল সম্রাট আকবরকেই বঙ্গাব্দের জনক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে দেন।
মজার ব্যাপার হল, আকবরের রাজসভায় লিখিত আকবরনামা বা আইন-ই-আকবরীর কোন অংশেই বাংলার জন্য আলাদা বছর চালুর কথা লেখা নেই। এমন কি, খুব পরিষ্কার ভাষায় আইন-ই-আকবরীতে লেখা রয়েছে যে আকবর একটিই বর্ষ চালু করেন, যার নাম "তারিখ ই ইলাহী"! এবং এই তারিখ-ই-ইলাহীও কিন্তু আরবের হিজরী সালের গণনা অনুযায়ী তৈরি হয়নি। কারণ, আকবর হিজরী সন পছন্দ করতেন না। সেজন্যই আকবর প্রবর্তিত তারিখ-ই-ইলাহী তৈরি হয় "মালিকী সাল"-এর গণনা পদ্ধতির সাথে মিলিয়ে।
অথচ বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা আকবর, হিজরী এবং বঙ্গাব্দকে মিলিয়ে মিশিয়ে একটা কাল্পনিক খিচুড়ি বানিয়ে ফেলেছেন। তাঁদের বানানো গল্পটা হল এরকম। আকবর সিংহাসনে বসেন ইংরেজি ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে। ওই বছর ছিল ৯৬৩ হিজরী সাল। সিংহাসনে বসার সনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলায় বঙ্গাব্দ চালু করেন আকবর।
এবং যেহেতু সেই বছরটি ছিল ৯৬৩ হিজরী, তাই প্রথম বঙ্গাব্দটিও হয় ৯৬৩ বঙ্গাব্দ! এই আকবর তত্ত্বের সবথেকে বড় মুশকিল হচ্ছেন আকবর নিজে। আইন-ই-আকবরীতে বেশ গোদা গোদা অক্ষরে লেখা রয়েছে যে আকবর হিজরী সন পছন্দ করতেন না বলেই তারিখ-ই-ইলাহী চালু করেন। তো যিনি হিজরী সন পছন্দই করতেন না, তিনি সেই হিজরী গণনা অনুযায়ী বঙ্গাব্দ বানাবেন কেন ?
তাছাড়া আইন-ই-আকবরীতে আরো লেখা রয়েছে, তারিখ-ই-ইলাহির প্রথম বছর সেটাই, যেই বছর আকবর সিংহাসনে বসেন। অর্থাৎ ইংরেজি ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দই হল তারিখ-ই-ইলাহী ১ম বছর। অর্থাৎ ইংরেজির ২০২০ খ্রিস্টাব্দে হবে তারিখ ই ইলাহী (২০২০-১৫৫৬) ৪৬৪ অব্দ। অথচ এই বছর পূর্ণ হবে ১৪২৭ বঙ্গাব্দ। আকবর যদি তারিখ-ই-ইলাহী এবং বঙ্গাব্দ এই দুটোই চালু করে থাকেন, তাহলে বর্ষের সংখ্যাতে মিল থাকা অবশ্যই উচিত ছিল।
আরো আশ্চর্যের বিষয়, তারিখ-ই-ইলাহীর মাসের নামের সাথেও বাংলা বছরের মাসের নামের কোন মিল নেই। তারিখ-ই-ইলাহির প্রথম মাসটি হল "ফরোয়ার মাহ ই ইলাহী"! অথচ বাংলার প্রথম মাস বৈশাখ। ভারতের অন্যান্য সমস্ত রাজ্যের হিন্দু পঞ্জিকাতেই তাই। দ্বিতীয় মাসটি যেমন অর্ধিবিশত মাহ-ই-ইলাহী। বাংলার দ্বিতীয় মাস হল জৈষ্ঠ্য। এইভাবে তারিখ-ই-ইলাহির বাকি মাসের নামগুলো সবই ওই "মালিকি সাল" থেকে নকল করা। একজন বাদশা তার সাম্রাজ্যের সমস্ত অংশে তারিখ-ই-ইলাহী চালু করবেন, আর শুধুমাত্র বাংলার জন্য বঙ্গাব্দ চালু করবেন, এ কি হয়?
আকবর তত্ত্বে সমস্যা আরো আছে। আকবর নিজের সাম্রাজ্যকে ১২ টি সুবা (রাজ্য) তে ভাগ করেন। বাংলা, বিহার, উড়িষ্যাকে নিয়ে তৈরি হয় সুবা-ই-বাঙ্গাল। যদি ধরেও নিই, আকবর শুধুমাত্র বাংলার জন্যই বঙ্গাব্দ বানান, তাহলেও সেটা হবে সুবা-ই-বাঙ্গালের জন্য। অর্থাৎ বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যার জন্য। বিহার বা উড়িষ্যাতে বঙ্গাব্দের প্রচলন আছে বা ছিল, এরকম অদ্ভুত কথা কেউ কখনো শুনেছেন? অতএব তারিখ-ই-ইলাহী এবং বঙ্গাব্দের মাসের নাম, গণনা পদ্ধতি, কত তম সাল এসবে কোন মিলই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বিপক্ষে প্রমাণই মিলছে ভুরি ভুরি।
তবে সংস্কৃতির দখলদাররা এসবে দমে যাবার পাত্রই নয়। পূর্ব পাকিস্তান নাম বদলে বাংলাদেশ হবার এক দশক পর ক্ষমতায় বসেন কর্নেল হুসেন মোহাম্মদ এরশাদ। ক্ষমতায় বসেই তার ধ্যানজ্ঞান হয়ে ওঠে বাংলা বর্ষপঞ্জির গণনা পদ্ধতি বদলে দেওয়া। একে সরকারিভাবে "পঞ্জিকা সংস্কার" নাম দেওয়া হলেও, আসল লক্ষ্য ছিল বঙ্গাব্দের থেকে আদি এবং প্রকৃত বাঙালির শেষ চিহ্ন টুকু মুছে দেওয়া। তারই অংশ হিসেবে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর কমিটির সুপারিশ নং ৪-কে মান্যতা দেন রাষ্ট্রপতি কর্নেল এরশাদ। সুপারিশ নং ৪ অর্থাৎ "বঙ্গাব্দের প্রতিষ্ঠাতা আকবর"! এক কলমের খোঁচায় প্রতিষ্ঠা হয়ে গেল এত বড় ভিত্তিহীন মিথ্যা।
এই নতুন তত্ত্বকে জনপ্রিয় করার বিপুল চেষ্টা হয় বাংলাদেশে। ওই দেশের সংখ্যাগুরু জনগণ এবং আকবর সমধর্মী হওয়ায় বিপুল ভাবে সমাদৃত হয় এই তত্ত্ব। এরপর ধীরে ধীরে চেষ্টা করা হয়, বাঙালির শেষ আশ্রয় পশ্চিমবঙ্গে এই তত্ত্ব আমদানি করার।
পশ্চিমবঙ্গে এই তত্ত্ব আমদানি করার প্রধান নায়ক হলেন অমর্ত্য সেন। যিনি সংখ্যাগুরু মুসলমানের হাতে পূর্ব পাকিস্তানে বেঁচে থাকা ২২% আদি বাঙালির গণহত্যাকে বলেছিলেন "স্বতঃস্ফূর্ত ভুমিসংস্কার"। অমর্ত্য সেনের আকবর ভক্তির সমর্থনে যোগ দেয় আনন্দবাজার, Scroll, News18 বাংলা ইত্যাদি বাম মানসিকতার মিডিয়া গ্রূপ। লক্ষ্য একটাই। বাঙালিকে বোঝানো যে "বাঙালির আসলে কোন কৃতিত্ব নেই"! বাঙালির নববর্ষ, তার সংস্কৃতি-গণনা পদ্ধতি কোন কিছুই তার নিজের নয়।
কোন মানুষের থেকে তার সম্পদ চুরি করা একটা অপরাধ। কিন্তু কোন জাতির থেকে তাদের সম্পদ কেড়ে নেওয়া আরো বড় অপরাধ। কিন্তু ক্ষমাহীন অপরাধ হল নিজেদের জাতীয় সম্পদ বিনা বাধায় অন্যকে কেড়ে নিতে দেওয়া। সেই ক্ষমাহীন অপরাধ আমরা এতদিন ধরে করে এসেছি। বঙ্গাব্দের চক্রান্ত একদিনে হয়নি, বহু বছর ধরে হয়েছে। একটু একটু করে ওরা এগিয়েছে আর আমরা চোখ দুটোকে বন্ধ করে রেখেছি। এখনই সময় প্রতিবাদ করার, মহারাজ শশাঙ্ক প্রবর্তিত বঙ্গাব্দে আমাদের একমাত্র অধিকার প্রতিষ্ঠা করার।
জয় বঙ্গ, জয় শশাঙ্ক।
-------
Article by: Smritilekha Chakraborty
-------
তথ্যসূত্র:
১) "বাঙালির কোন কৃতিত্বই নেই"- https://www.google.com/…/not-bengalees-but-akbar-the-great-…
২) আইন-ই-আকবরী:- https://persian.packhum.org/main…
#বঙ্গাব্দের_চক্রান্ত

সনাতনী বাঙালির ভাষা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আর জাতিসত্ত্বাকে বাঁচাতে হলে ফিরতে হবে শেকড়ে। যুক্তি আর প্রমাণ দিয়ে প্রতিহত করত...
13/04/2025

সনাতনী বাঙালির ভাষা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আর জাতিসত্ত্বাকে বাঁচাতে হলে ফিরতে হবে শেকড়ে। যুক্তি আর প্রমাণ দিয়ে প্রতিহত করতে হবে জিহাদি প্রপাগান্ডা কে !! আর জানতে হবে আমাদের গৌরবময় অতীতকে 👇
https://youtu.be/efw-qn80EW4?si=7PTLHCQmACSLk0Q4
SharePlz🙏

Title: বঙ্গাব্দের প্রবর্তক কে? আকবর না শশাঙ্ক? | A Historical Truth RevealedDescription: Who really started the Bengali calendar (Bongabdo)? Was it Emperor A...

Bengali New Year, which is celebrated today (15 April), is traditionally an Indic affair that commences with Poila Baisa...
13/04/2025

Bengali New Year, which is celebrated today (15 April), is traditionally an Indic affair that commences with Poila Baisakh and ends with Chaitra Sankranti.

But this is how the Islamists misappropriated it.
The Islamic Republic of Bangladesh, speaking a version of Bengali and lacking cultural roots and depth, has always tried to digest the Bengali identity from Bengali-speaking Hindus, who have traditionally enjoyed cultural superiority despite being in a numerical minority.
The latest battleground is the ownership of the Bengali New Year.
The Bengali New Year is traditionally an Indic affair, popularly known as ‘Naba-barsha’ or ‘Halkhata’. It typically commences with Poila Baisakh and ends with Chaitra Sankranti, typically ‘baro mashe tero parban’, translating to 13 festivities in 12 months.
https://www.facebook.com/PaschimbangaDibas/
-----------

https://swarajyamag.com/ideas/no-akbar-did-not-create-the-bengali-calendar-its-a-case-of-identity-theft-by-insecure-islamists-2?fbclid=IwY2xjawJoN4RleHRuA2FlbQIxMQABHsZ9pmk_QCv7PzHtt7DMzvA2dRHWsz3Co8g__Sq0rPVvHb0d-ETij8jPf7SV_aem_RKHRcCqiEz9_JnGEf2QFuA

Bengali New Year is traditionally an Indic affair that commences with Poila Baisakh and ends with Chaitra Sankranti.

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paschimbanga Dibas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Observe 20 June as West Bengal Day

Save Existence of West Bengal As Bengali Hindu Homeland

In India more than 10 states have their State Days which are observed with reverence. 22 March is Bihar Divas, 30 March is Rajasthan Divas, 1 April is Utkal Divas and so on. However West Bengal which was formed to safeguard the religion, culture and safety of Bengali Hindus and other non Muslims is yet to have its own day to celebrate. Absence of West Bengal Day and subsequently recent move to change the name of the state is to erase the history of formation of this state from the minds of the Bengalis. We therefore remind you the history of formation of West Bengal on 20 June 1947.

We must understand that West Bengal is not just a geographical entity, a land mass of western part of UndividedBengal. West Bengal is an idea, an idea which upholds the civilisational continuity of five thousand years, upholds the religious and cultural traditions of India. Bengal has been mentioned in Indian cultural milieu from the days of Mahabharata. India is the land of Seven Rivers - Ganga, Yamuna, Godavari, Saraswati, Narmada, Sindhu and Kaveri.

The Ganga finally meets the sea through Bengal. But Bengal was violated by Islamic invasion at the beginning of 13th century and remained under Islamic regime more than 500 years. During this period Islamic zealots destroyed all major Hindu Temples and Buddhist Vihars, destroyed all books and cultural relics and converted nearly half of the population by the strength of sword. As Raja Rammohan Roy said that it was a divine providence, that British defeated the Muslim Ruler in 1757 and then Bengal again started to reconnect with Indian culture and civilisation along with western civilisation.