17/08/2026
#সুদূর_আমেরিকা_দিল্লি_ও_বঙ্গের_বিশিষ্ট_ব্যাক্তির_উপস্থিতিতে_সম্পন্ন_হলো_১৬ই_আগস্ট_মহামিছিল
গতকাল মহামিছিলে কেঁপে ওঠে কলকাতার রাজপথ। মহামিছিল ১৯৪৬ সালে হিন্দু গণহত্যা এবং তার প্রতিরোধে হিন্দুবীর গোপাল মুখোপাধ্যায় এর স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়। রাস্তায় নেমেছিল বিভিন্ন জেলা থেকে আগত হিন্দু সিংহ তপন ঘোষের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হিন্দুরা। যাদের অধিকাংশ যুবক।
মহামিছিলে অংশগ্রহণকারী হিন্দুযোদ্ধা ও মা-বোনেদের মনে উৎসাহ বাড়াতে উপস্থিত হয়েছিলেন সুদূর আমেরিকা ফ্লোরিডার প্রবাসী বাঙালি হিন্দু শ্রদ্ধেয় দেবাশীষ বিশ্বাস, দিল্লি থেকে পূজনীয় KN Govindacharya KN এর স্নেহধন্য শ্রদ্ধেয় অজিত তিওয়ারি জি, প্রাক্তন NSG commandos শ্রদ্ধেয় সমীরণ ঘোষাল, Navy Captain শ্রদ্ধেয় বীরেশ্বর ঘোষাল প্রমুখ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ।
কলেজস্কোয়ারে শুরু হয়ে মহামিছিল পৌঁছে যায় শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে রাস্তায় শুরু হয় সভা। সকল বক্তাকে গেরুয়া উত্তরীয় দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে সকলে প্রেরণা দ্বায়ক বক্তব্য শুরু করেন। হিন্দুসমাজ কল্যাণ সমিতি'র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি প্রিয়ঙ্কর সাঁপুই মহাশয় তাঁর বক্তব্যে, ১৯৪৬ সালের ১৬ ই আগস্ট এর হিন্দু গণহত্যা এবং প্রতিরোধে হিন্দুবীর গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা তুলে ধরেন। এরপর ক্যাপ্টেন বীরেশ্বর বাবু- কওন গণহত্যা 'গ্রেট' হতে পারেনা। তাই তিনি গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং থেকে গ্রেট বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রাক্তন কোমান্ডো সমীরণ বাবু, জয় হিন্দ দিয়ে বক্তব্য শুরু করে সকলকে দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত করেন। দিল্লি থেকে আগত অজিত তিওয়ারি জি বক্তব্যে, ধর্মবোধ এবং শৌর্যবোধ জাগরণে যুব সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অন্তিম বক্তা ছিলেন হিন্দুসমাজ কল্যাণ সমিতি'র সভাপতি সৌরভ শাসমল মহাশয়। তাঁর জ্বালাময়ী বক্তব্যে, উপস্থিত সকলকে সর্বদা রাস্তা দখল বা নজর রাখতে বলেছেন। নাহলে পুনরায় ধুলিয়ান সামশেরগঞ্জ কিংবা মহেশতলার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এই বিষয়ে সাবধান করেছেন। ৫ ই জুলাই বারুইপুরের সূর্যপুরের নিরীহ হিন্দু যুবক ইন্দ্রজিৎ মন্ডলকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় জেহাদিরা হিন্দুদের সংকেত দিচ্ছে সুযোগ পেলেই তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়বে। এই ভয়ংকর বিপদের মোকাবিলা করতে শিবাজী মহারাজারের মতো দূর্গ তৈরি করতে বলেছেন। হিন্দুবীর গোপাল মুখোপাধ্যায় এবং হিন্দু সিংহ তপন ঘোষের নামে শুধু জয়ধ্বনি দিয়ে নয় মহাভারতের কাহিনী তুলে অর্জুনের মতো প্রনামী দেওয়াতে উৎসাহিত করেন।
সভা শেষে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন সহ-সম্পাদক বিষ্ণু মণ্ডল মহাশয়।
১৯৪৬ সালের ১৬ ই আগস্ট হিন্দু গণহত্যার পুনরাবৃত্তি রুখতে এবং হিন্দুবীর গোপাল মুখোপাধ্যায়ের স্মরণের দিনটিতে কলকাতায় মিছিলকে মহামিছিলে পরিনত করার জন্য সকল কর্মী, সমর্থক, সহযোগীকে নতমস্তকে প্রনাম জানাই। সহযোগিতা করার জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।
"হিন্দুবীর গোপাল মুখোপাধ্যায় লহ প্রনাম"
"জয় মা কালী" "জয় তপন ঘোষের জয়"