জমিয়তে আহলে হাদিস পঃবঃ অধীনস্থ কেন্দ্রীয় জমিয়ত

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • জমিয়তে আহলে হাদিস পঃবঃ অধীনস্থ কেন্দ্রীয় জমিয়ত

জমিয়তে আহলে হাদিস পঃবঃ অধীনস্থ কেন্দ্রীয় জমিয়ত অধীনস্থ কেন্দ্রীয় জমিয়তে আহলে হাদীস দিল্লি, ভারত।

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।সম্মানিত সুধীবৃন্দ,আজ ২৯ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার মাগর...
18/04/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
সম্মানিত সুধীবৃন্দ,
আজ ২৯ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার মাগরিবের পর নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে যে পবিত্র জিলকদা মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে।
অতএব, ইন শা আল্লাহ আগামীকাল ১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার থেকে জিলকদা মাসের ১ তারিখ গণনা শুরু হবে।

26/01/2026
"প্রাদেশিক জমিয়তে আহলে হাদিস পশ্চিমবঙ্গের মজলিসে শূরার সভা"পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক জমিয়তে আহলে হাদিসের মজলিসে শূরার গুরুত...
24/01/2026

"প্রাদেশিক জমিয়তে আহলে হাদিস পশ্চিমবঙ্গের মজলিসে শূরার সভা"

পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক জমিয়তে আহলে হাদিসের মজলিসে শূরার গুরুত্বপূর্ণ সভা কেন্দ্রীয় জমিয়তে আহলে হাদিস হিন্দ, দিল্লির আমির মাওলানা ী_ইমাম_মাহদী_সালাফী_মাদানী (হাফিযাহুল্লাহ)-এর সভাপতিত্বে ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, শনিবার, মালদার জামিয়া উমর ফারুক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এ অনুষ্ঠিত হয়।
সভাটির সূচনা হয় ছাত্র মুশাররফ হুসাইনের পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে, যা পুরো পরিবেশকে ইমানী আবহে পরিপূর্ণ করে তোলে।
এরপর প্রাদেশিক জমিয়তে আহলে হাদিসের আমির মাওলানা #শামীম_আখতার_নাদভী সাহেব উপস্থিত সকল আমির, নাজিম এবং মজলিসে শূরার সম্মানিত সদস্যদের উষ্ণ ও আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান। তাঁর বক্তব্যে তিনি আল্লাহর পথে দাওয়াত এবং জমিয়তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, দাওয়াতি কার্যক্রমে আমাদের ওপর মূলত দুই ধরনের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে—ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক। ব্যক্তিগত দায়িত্বের পরিধি নিজের পরিবার, বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজন পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে ভালোবাসা, উত্তম চরিত্র ও সুন্দর আচরণের মাধ্যমে নবী করিম ﷺ-এর আদর্শ বাস্তবায়ন করা একান্ত প্রয়োজন। অন্যদিকে সামষ্টিক দায়িত্বের সম্পর্ক দেশ, জাতি ও সমাজের সঙ্গে, যা ভারতের মতো বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশে আরও বেশি গুরুত্ব বহন করে।
তিনি আরও বলেন, উম্মতে মুহাম্মদীকে মানুষের হিদায়াতের জন্য, সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যেই নির্বাচিত করা হয়েছে। এই মহান দায়িত্ব বিশেষভাবে আলেম সমাজ এবং জমিয়তের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মীদের ওপর অধিক বর্তায়। অমুসলিমদের সঙ্গে নবী করিম ﷺ-এর উত্তম চরিত্র, আমানতদারি ও মানবসেবার দৃষ্টান্ত আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।
শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রত্যেককে প্রথমে নিজে সব ধরনের অন্যায় ও পাপ থেকে বিরত থাকতে হবে, এরপর সমাজকে সংশোধনের কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে। আল্লাহর বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, আমানত ও সততার সঙ্গে জীবনযাপন করা এবং কিতাব ও সুন্নাহর প্রচার ও প্রসারকে নিজেদের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করা জরুরি। এতে কোনো প্রকার অবহেলা হলে মানুষ ও আল্লাহ—উভয়ের কাছেই জবাবদিহি করতে হবে।

এরপর প্রাদেশিক জমিয়তে আহলে হাদিসের নায়েবে নাজিম মাওলানা #ওয়াহিদুজ্জামান_তাইমী পূর্ববর্তী বৈঠকের কার্যবিবরণী পাঠ করেন এবং গত সভায় গৃহীত প্রস্তাবসমূহের স্মরণ করিয়ে দেন। আমির সাহেবের নির্দেশে তিনি প্রাদেশিক জমিয়তের গত আড়াই বছরের দাওয়াতি, সংস্কারমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পেশ করেন।
প্রতিবেদনে তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা যেমন কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার ও মুর্শিদাবাদ প্রভৃতি জেলায় অনুষ্ঠিত দাওয়াতি দরস, বিভিন্ন কর্মসূচি ও সম্মেলনে প্রাদেশিক জমিয়তের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি আরও জানান যে, প্রাদেশিক জমিয়তের পক্ষ থেকে জেলা সমূহের চাহিদা অনুযায়ী জমিয়তের ব্যয়ে বিপুল সংখ্যক “বাংলা রিয়াযুস সালেহীন” বই বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া এক হাজার কপি বাংলা তাফসির, দুই শত কপি উর্দু তাফসির এবং ছয় শত কপি হিন্দি তাফসির বিতরণ করা হয়।
পরবর্তীতে জমিয়তের সাংগঠনিক দৃঢ়তা ও শক্তিশালীকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জারি করা প্রাদেশিক সুপারিশসমূহের প্রতিবেদন পেশ করা হয়। পাশাপাশি প্রাদেশিক জমিয়তের আর্থিক অবস্থা, আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব সভায় উপস্থাপন করা হয়।
এরপর পাঁচ বছরের কার্যকাল সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর স্থানীয় ও জেলা জমিয়তের পুনর্গঠন ও নবগঠনের দায়িত্ব মজলিসে শূরার সম্মানিত সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে প্রাদেশিক আমিরের ওপর অর্পণ করেন।
কেন্দ্রীয় জমিয়তের ভবন নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মসজিদসমূহে আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের ঘোষণা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

সম্মানিত শাইখ ী_ইমাম_মাহদী সালাফী মাদানী (হাফিযাহুল্লাহ)
(কেন্দ্রীয় জমিয়তে আহলে হাদিস হিন্দ, দিল্লির আমির)
সভা সমাপ্তির প্রাক্কালে সম্মানিত আমির তাঁর সভাপতির বক্তব্যে অত্যন্ত গভীর, চিন্তাশীল ও দিকনির্দেশনামূলক বিষয় উপস্থাপন করেন, যা উপস্থিত সকলের মন ও হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলে। তাঁর বক্তব্যের সারসংক্ষেপ নিম্নরূপ:
১. দাওয়াত ও চরিত্র গঠন
সম্মানিত আমির দাওয়াতে দীনের মর্যাদা ও দায়িত্ব স্পষ্ট করে তুলে ধরে উত্তম চরিত্র, নামাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং উম্মাহর সামষ্টিক দুঃখবোধকে অন্তরে ধারণ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, জমিয়ত একটি পরিবারের মতো, আর যে কোনো পরিবারের দৃঢ়তা নির্ভর করে তার দায়িত্বশীলদের চরিত্র, একনিষ্ঠতা ও বাস্তব উদাহরণের ওপর।
২. সাংগঠনিক স্থিতিশীলতা ও অন্তর্ভুক্তি
তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন যে, যাঁরা এখনও জমিয়তের আনুষ্ঠানিক সদস্য হতে পারেননি, তাঁরাও আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও ভালোবাসার সঙ্গে তাঁদের জমিয়তের প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার জন্য ধারাবাহিক ও আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন, যাতে সংগঠনের পরিসর আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হয়।
৩. দায়িত্ববোধ ও আত্মসমালোচনা
নবী করিম ﷺ-এর বাণী “তোমরা সবাই দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে” উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্ব ও জবাবদিহির এই চেতনাকে আহলে হাদিস জামাত সবসময় গভীরভাবে উপলব্ধি করেছে ও বাস্তবে রূপ দিয়েছে। এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমরা হযরত আবু বকর ও হযরত উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর জীবনীতে দেখতে পাই। তিনি উপদেশ দেন, প্রত্যেকের উচিত নিজের দায়িত্ব অনুভব করা এবং অন্যের সমালোচনার পরিবর্তে আগে নিজের সংশোধনের দিকে মনোযোগ দেওয়া।
৪. জেলা জমিয়তের গুরুত্ব
সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রকৃত জমিয়ত আসলে জেলা জমিয়তই। নিচের স্তরে কাজ যদি মজবুত হয়, তবে পুরো সংগঠন দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে। প্রতিটি কর্মীর উচিত নিজেকে জমিয়তের একজন সৈনিক হিসেবে ভাবা, আর আমির, নাজিম ও তাঁদের সহকারীরা পরস্পরের সহযোগী হয়ে একসঙ্গে কাজ করবেন।
৫. ঐক্য ও আনুগত্য: হযরত খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ)-এর দৃষ্টান্ত
সম্মানিত আমির হযরত খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর অনন্য উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ইতিহাস তাঁর মতো বীর সেনাপতি খুব কমই উপহার দিতে পেরেছে। তা সত্ত্বেও, যখন পরিস্থিতির প্রয়োজনে হযরত উমর ফারুক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে নেতৃত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে হযরত আবু উবাইদা ইবন জাররাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে আমির নিযুক্ত করেন, তখন হযরত খালিদ (রাঃ) বিন্দুমাত্র দ্বিমত না করে একজন অনুগত সৈনিক হিসেবে তাঁর নেতার পূর্ণ আনুগত্য প্রদর্শন করেন। এটি ঐক্য, আনুগত্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত।
বক্তব্যের শেষে সম্মানিত আমির উপদেশ দেন যে, সব ধরনের পারস্পরিক মতভেদকে অতিক্রম করে ঐক্য ও ঐকমত্যের সঙ্গে দাওয়াতি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা জরুরি, যাতে জমিয়তে আহলে হাদিস আরও সুদৃঢ়, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে। তিনি আশ্বাস দেন যে, আল্লাহ তাআলা কখনোই নিষ্ঠাবান ও আন্তরিক কর্মীদের একা ছেড়ে দেন না।
এর মাধ্যমে সভা সমাপ্ত হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে একনিষ্ঠতার সঙ্গে কাজ করার তাওফিক দান করুন এবং সকলের পরিশ্রম কবুল করুন। আমিন।

*صوبائی جمعیت اہل حدیث مغربی بنگال کی مجلس شوری کی میٹنگ اختتام پذیر*
صوبائی جمعیت اہل حدیث مغربی بنگال کی مجلس شوری کی میٹنگ زیر صدارت امیر مرکزی جمعیت اہلحدیث ہند، دہلی مولانا اصغر علی امام مہدی سلفی مدنی (حفظہ اللہ) بتاریخ ١٧ جنوری ٢٠٢٦ء بروز سنیچر جامعہ عمر فاروق (رضی اللہ عنہ) مالدہ میں نہایت آب وتاب کے ساتھ منعقد ہوئی جس کا آغاز طالب مشرف حسین کی تلاوت سے ہوا، بعدہ امیرِ صوبائی جمعیت اہل حدیث مولانا شمیم اختر ندوی صاحب نے تمام امرا، نظماء اور اراکینِ مجلسِ شوریٰ کا پُرتپاک استقبال کیا۔ اپنے خطاب میں انہوں نے دعوت الی اللہ اور جمعیت سے وابستہ افراد کی ذمہ داریوں پر روشنی ڈالتے ہوئے فرمایا کہ دعوتی میدان میں ہم پر دو طرح کی ذمہ داریاں عائد ہوتی ہیں: انفرادی اور اجتماعی۔
انفرادی ذمہ داری اپنے اہلِ خانہ، والدین اور رشتہ داروں سے متعلق ہے، جہاں ہمیں محبت، حسنِ اخلاق اور اچھے برتاؤ کا نمونہ بننا چاہیے، جیسا کہ نبی کریم ﷺ کی تعلیم اور اسوہ ہے۔ جبکہ اجتماعی ذمہ داری کا تعلق ملک، قوم اور سماج سے ہے۔ ہندوستان جیسے کثیر تہذیبی اور کثیر مذہبی ملک میں یہ دعوتی ذمہ داری مزید بڑھ جاتی ہے۔
انہوں نے فرمایا کہ امتِ محمدیہ کو لوگوں کی رہنمائی، نیکی کا حکم دینے اور برائی سے روکنے کے لیے منتخب کیا گیا ہے، اور یہ ذمہ داری بالخصوص علما اور جمعیت سے وابستہ افراد پر زیادہ عائد ہوتی ہے۔ نبی کریم ﷺ کا غیر مسلموں کے ساتھ حسنِ اخلاق، امانت داری اور خدمتِ خلق ہمارے لیے بہترین نمونہ ہے۔
آخر میں انہوں نے تاکید کی کہ ہم خود برائی سے بچیں، دوسروں کو بھی برائی سے روکیں، اللہ کا پیغام عام کریں، امانت و دیانت کو اپنائیں اور کتاب و سنت کی نشر و اشاعت کو اپنی بنیادی ذمہ داری سمجھیں، کیونکہ اس میں کوتاہی کی صورت میں ہم اللہ اور بندوں دونوں کے سامنے جواب دہ ہوں گے۔
اس کے بعد نائب ناظم صوبائی جمعیت مولانا وحید الزمان تیمی نے گزشتہ کاروائی کی خواندگی کی اور گزشتہ میٹنگ میں پاس تجاویز کی یاد دہانی کرائی، امیر صاحب کی ایما پر انھوں نے صوبائی جمعیت کی گزشتہ ڈھائی سال کی دعوتی، اصلاحی اور رفاہی کاموں کی اجمالی رپورٹ پیش کی، جس میں انھوں نے صوبہ کے مختلف ضلعوں کولکاتا، ہوڑہ، ہگلی،اتر چوبیس پرگنہ، دکھن چوبیس پرگنہ، ندیا، پرولیا، پوربا بردوان،پچھم بردوان، بیر بھوم، مالدہ، اتر دیناجپور، دکھن دیناجپور علی پور دوار اور مرشد آباد وغیرہ کے دعوتی دروس و پروگرام اور کانفرنسوں میں صوبائی جمعیت کی نمایندگی اور شرکت کا اجمالی خاکہ پیش کیا، نیز انھوں نے کہا کہ صوبہ کی طرف سے تمام اضلاع میں ان کے مطالبہ کے مطابق صوبائی جمعیت کے خرچ پر بنگلہ ریاض الصالحین نامی کتاب کثیر تعداد میں تقسیم کی گئی اس کے علاوہ ایک ہزار بنگلہ تفسیر، دو سو اردو تفسیر اور چھ سو ہندی تفسیر کی تقسیم عمل میں آئی، پھر جمعیت کے استحکام پر غور وخوض کیا گیا، ٢٠٢٣ء، ٢٠٢٤ء, اور ٢٠٢٥ء میں جاری صوبائی توصیات کی رپورٹ پیش کی گئی، صوبائی مالیت، آمدنی اور اخراجات کی تفصیل پیش کی گئی،
اس کے بعد پانچ سالہ مدتِ کار کی تکمیل کے بعد مقامی اور ضلعی جمعیت کی ازسرِنو تشکیل کرانے کی ذمہ داری مجلسِ شوریٰ کے اراکین نے باہمی اتفاقِ رائے سے امیرِ صوبہ کے سپرد کی۔مرکزی جمعیت کی تعمیرِ عمارت کے لیے مساجد میں مالی اعانت کے اعلانات کرنے کی اپیل کی گئی۔
اس کے بعد امیرِ محترم مولانا اصغر علی امام مہدی سلفی مدنی (حفظہ اللہ) (امیرِ مرکزی جمعیت اہل حدیث ہند، دہلی)
نشست کے اختتام پر امیرِ محترم نے اپنے صدارتی کلمات میں نہایت جامع، فکر انگیز اور بصیرت افروز نکات پیش فرمائے، جنہوں نے شرکائے نشست کے اذہان و قلوب پر گہرا اثر چھوڑا۔ آپ کے خطاب کا خلاصہ حسبِ ذیل ہے:
۱۔ دعوت اور کردار سازی
امیرِ محترم نے دعوتِ دین کی عظمت اور اس کی ذمہ داری کو واضح کرتے ہوئے حسنِ اخلاق، نماز کی پابندی اور ملت کے اجتماعی درد کو اپنے اندر زندہ رکھنے پر خاص زور دیا۔ آپ نے فرمایا کہ جمعیت ایک گھر کی مانند ہے، اور کسی بھی گھر کی مضبوطی کا انحصار اس کے ذمہ دار افراد کے کردار، اخلاص اور عملی نمونے پر ہوتا ہے۔
۲۔ تنظیمی استحکام اور شمولیت
آپ نے اس جانب توجہ دلائی کہ وہ حضرات جو اب تک جمعیت کے باضابطہ رکن نہیں بن سکے، وہ بھی ہمارے لیے قیمتی سرمایہ ہیں۔ ضرورت اس بات کی ہے کہ حکمت، صبر اور محبت کے ساتھ انہیں جمعیت کے پلیٹ فارم سے جوڑنے کی مسلسل اور مخلصانہ کوشش کی جائے، تاکہ تنظیم کا دائرہ مزید وسیع اور مضبوط ہو۔
۳۔ احساسِ ذمہ داری اور احتسابِ نفس
نبی کریم ﷺ کے فرمان “کُلُّکُمْ رَاعٍ وَکُلُّکُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِیَّتِہٖ” کا حوالہ دیتے ہوئے امیرِ محترم نے فرمایا کہ ذمہ داری اور جواب دہی کے اس تصور کو جماعتِ اہل حدیث نے ہمیشہ گہرائی سے سمجھا اور برتا ہے۔ اس کی روشن مثالیں ہمیں سیرتِ صدیق و فاروق رضی اللہ عنہما میں نظر آتی ہیں۔ آپ نے نصیحت فرمائی کہ ہر فرد کو اپنی ذمہ داری کا احساس ہونا چاہیے اور دوسروں پر تنقید کے بجائے سب سے پہلے اپنے اندر اصلاح کی فکر کرنی چاہیے۔
۴۔ ضلعی جمعیت کی اہمیت
تنظیمی ڈھانچے پر گفتگو کرتے ہوئے امیرِ محترم نے واضح فرمایا کہ اصل جمعیت درحقیقت ضلعی جمعیت ہے۔ اگر نچلی سطح پر کام مضبوط ہوگا تو پوری جماعت مضبوط بنیادوں پر کھڑی ہوگی۔ ہر کارکن خود کو جمعیت کا ایک سپاہی سمجھے، جبکہ امیر، ناظم اور نائبین باہمی تعاون کے ساتھ ایک دوسرے کے دست و بازو بن کر کام کریں۔
۵۔ اتحاد و اطاعت: حضرت خالد بن ولیدؓ کی مثال
امیرِ محترم نے حضرت خالد بن ولید رضی اللہ عنہ کی عظیم مثال پیش کرتے ہوئے فرمایا کہ تاریخ ان جیسے بے مثال سپہ سالار پیش کرنے سے قاصر ہے۔ اس کے باوجود جب حضرت عمر فاروق رضی اللہ عنہ نے مصلحتِ وقت کے تحت انہیں قیادت سے ہٹا کر حضرت ابو عبیدہ بن جراح رضی اللہ عنہ کو امیر مقرر فرمایا، تو سیدنا خالدؓ نے ذرہ برابر اختلاف کیے بغیر ایک فرمانبردار سپاہی کی حیثیت سے اپنے قائد کی مکمل اطاعت کی۔ یہ واقعہ اتحاد، اطاعت اور نظمِ جماعت کی اعلیٰ ترین مثال ہے۔
امیرِ محترم نے اپنے خطاب کے اختتام پر نصیحت فرمائی کہ ہمیں ہر طرح کے باہمی اختلافات سے بلند ہو کر اتحاد و اتفاق کے ساتھ دعوتی سرگرمیوں میں سرگرم رہنا چاہیے، تاکہ جمعیت اہل حدیث مزید مضبوط، منظم اور مؤثر بن سکے۔ آپ نے یقین دلایا کہ اللہ تعالیٰ مخلص اور سچے کارکنوں کو کبھی تنہا نہیں چھوڑتا، اسی کے ساتھ مجلس اپنے اختتام کو پہنچی. اللہ تعالی سب کو اخلاص کے ساتھ کام کرنے کی توفیق بخشے اور سب کی محنتوں کو قبول فرمائے. آمین

নিউ টাউনে জমিয়তে আহলে হাদিসের দাওয়াতি প্রোগ্রাম।
23/01/2026

নিউ টাউনে জমিয়তে আহলে হাদিসের দাওয়াতি প্রোগ্রাম।

হাওড়ায় জমিয়তে আহলে হাদিসের দাওয়াতী প্রোগ্রাম
23/01/2026

হাওড়ায় জমিয়তে আহলে হাদিসের দাওয়াতী প্রোগ্রাম

20/01/2026

ماہ شعبان 1447ھ کا چاند نظر نہیں آیا

*দক্ষিণ দিনাজপুরে জমিয়তে আহলেহাদীসের জেলা সম্মেলন*২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জমইয়তে আহলেহাদীসের দ্বিতীয় ...
02/12/2025

*দক্ষিণ দিনাজপুরে জমিয়তে আহলেহাদীসের জেলা সম্মেলন*

২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জমইয়তে আহলেহাদীসের দ্বিতীয় বৃহৎ সম্মেলন অত্যন্ত মর্যাদা ও সুশৃঙ্খলতার সঙ্গে জামিয়া জহরা আলিয়া, পশ্চিম মল্লাপাড়া, মানিকোর, কুশমন্ডিতে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলার আমির মাওলানা ওয়াহিদুজ্জামান তাইমী এবং সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জেলা নাজিম মাস্টার নাসিম আনোয়ার। এর আগে প্রথম জেলা সম্মেলন ২০২২ সালে দারুল হাদীস মাদরাসা রহমানিয়া, চৌক সুকদেবপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সম্মেলনের পরিবেশ আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে যখন দিল্লি থেকে কেন্দ্রীয় জমিয়তে আহলেহাদীস হিন্দের আমির মাওলানা অসগর আলী ইমাম মাহদী সালফী মাদানী সাহেব এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রাদেশিক আমির মাওলানা শামিম আকতার নাদভী সাহেব উপস্থিত হন। তাদের আগমন সম্মেলনে মর্যাদা যোগ করে এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আমিরে কেন্দ্রীয় জমিয়তের সুবিন্যস্ত ও প্রভাবশালী বক্তব্য শ্রোতাদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

মাওলানা অসগর আলী ইমাম মাহদী সালফী তার বক্তব্যে প্রথমে ফেরেশতাদের পরিচয় ও তাদের দায়িত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ফেরেশতারা আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দা। তারা কখনো অবাধ্যতা করে না এবং নিজের ইচ্ছায় কিছুই করে না। কুরআনে বলা হয়েছে: “ইয়াফ'আলূনা মা ইউমারূন” অর্থাৎ তারা কেবল আল্লাহর নির্দেশই পালন করে। তিনি আরও বলেন, ফেরেশতাদের মর্যাদা অনেক উঁচু হলেও আল্লাহ মানুষকে তাদের ওপর বিশেষ সম্মান প্রদান করেছেন। আল্লাহর বাণী: “ওয়ালাকদ কর্রামনা বনি আদম”—অর্থাৎ আমরা বনী আদমকে মর্যাদা দান করেছি। আর মানুষের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী নবী-রাসুলগণ, বিশেষ করে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

তিনি ব্যাখ্যা করেন যে মানবজাতির জন্য আল্লাহ কখনো বহু ধর্ম প্রেরণ করেননি। মূল দ্বীন সবসময় একটাই ছিল—আল্লাহর ইবাদত, তাঁর আনুগত্য এবং সঠিক পথে চলা। সময়ের সাথে মানুষের স্বার্থ, মতবিরোধ ও বিভিন্ন জাতিগত বিভাজনের কারণে দ্বীনকে নানা নামে ভাগ করা হয়েছে, যদিও মূল বার্তা সব নবীর একই ছিল।

তিনি আহলেহাদীসের দাওয়াতি কাজের ইতিহাসও তুলে ধরেন। যখন আলেমগণ সঠিক দ্বীন ও সমাজ-সংস্কারকে সংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন প্রথমেই আলোচনায় আসে কোথা থেকে শুরু করা হবে। পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় যে শুরু হবে বাংলার জমিন থেকে, কারণ এই অঞ্চলে দ্বীনি জাগরণ ও সংস্কারের প্রয়োজন ছিল বেশি। সেই সিদ্ধান্ত থেকেই সংগঠিত দাওয়াতি প্রচেষ্টা শুরু হয়, যা পরে সারা দেশে আহলেহাদীসের জ্ঞান, দাওয়াত এবং কল্যাণমূলক কাজকে শক্ত ভিত্তি দেয়।

শেষে তিনি সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন যে এই মিশন এখনো চলমান এবং একে এগিয়ে নেওয়া সবার যৌথ দায়িত্ব। জ্ঞান, দাওয়াত ও সেবার কাজে আন্তরিকতা, প্রজ্ঞা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা হলো সেই ভিত্তি, যা উম্মাহর সংশোধন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশা জাগায়। তিনি দোয়া করেন যাতে আল্লাহ আমাদের সবাইকে আন্তরিকতার সাথে দীনদারীর পথে কাজ করার তাওফিক দেন।

এরপর প্রাদেশিক আমির মাওলানা শামিম আকতার নাদভী তার হৃদয়গ্রাহী বক্তব্যে মুসলিম সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পরস্পরের প্রতি নরম আচরণ, মতভেদ থেকে দূরে থাকা এবং ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মানুষকে আঘাত করা বা কঠোর ভাষা ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্ক করেন।

তিনি আরও বলেন, দাওয়াত ও সংস্কারের আরও বেশি কর্মসূচি বাড়ানো দরকার, যাতে সমাজে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন অনৈতিকতা সম্পর্কে মানুষ সচেতন হতে পারে। পরিবার ও আপনজনকে নামাজের প্রতি যত্নবান করা প্রত্যেকের দায়িত্ব। পাশাপাশি জমিয়ত ও জামাতের সাথে মানুষের সম্পর্ক দৃঢ় করতে হবে এবং দ্বীনি শিক্ষাকে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। সবশেষে তিনি বলেন, সব কাজ যেন কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয় এবং লোক দেখানো থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য বিশিষ্ট আলেমদের বক্তব্যও ছিল শিক্ষণীয় ও দিকনির্দেশনামূলক। মাওলানা আনোয়ারুল হক ফাইজি, মাওলানা আব্দুর রাকীব মাদানী, মাওলানা জাকির হুসাইন মাদানী, মাওলানা ইমতিয়াজুর রহমান, মাওলানা নূর আলম ইসলাহী, মাওলানা তারিফ আলম রাহিমী, মাওলানা আব্দুল আলীম, মাওলানা আশফাকুর রহমান মাদানী, মাওলানা আনিমুল ইসলাম এবং অন্যান্য আলেমগণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। তাদের উপস্থাপনায় ছিল আন্তরিকতা, বাস্তব দিকনির্দেশনা এবং যুগোপযোগী পরামর্শ।

প্রতিটি বক্তা সমাজে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও প্রয়োজনীয় দিকগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন, যা শ্রোতাদের মাঝে নতুন উপলব্ধির সৃষ্টি করে এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।

সম্মেলনে দক্ষিণ দিনাজপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিপুল জনসমাগম হয়। জামিয়া জহরা আলিয়া কর্তৃপক্ষ, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী, পশ্চিম মল্লাপাড়ার সাধারণ জনগণ, জেলা জমিয়তের কর্মী এবং এলাকার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। তাদের নিষ্ঠা ও সহযোগিতার কারণেই এই বিশাল সম্মেলন সুন্দরভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।

*دکھن دیناجپور میں جمعیت اہل حدیث کی ضلعی کانفرنس*

30 نومبر 2025 کو ضلعی جمعیت اہل حدیث دکھن دیناجپور کی دوسری عظیم الشان کانفرنس جامعہ زہراء عالیہ، پچھم ملا پاڑہ، مانی کور، کشمنڈی میں بھرپور اہتمام کے ساتھ منعقد ہوئی۔ پروگرام کی صدارت امیرِ ضلع مولانا وحید الزماں تیمی صاحب نے کی، جبکہ نظامت کے فرائض ناظمِ ضلع ماسٹر نسیم انور صاحب نے انجام دیے۔ اس سے قبل پہلی کانفرنس 2022 میں دارالحدیث مدرسہ رحمانیہ، چوک شکدیو پور میں منعقد ہوئی تھی۔

کانفرنس کی رونق اس وقت دوبالا ہوگئی جب امیرِ مرکزی جمعیت اہل حدیث ہند دہلی مولانا اصغر علی امام مہدی سلفی صاحب اور صوبائی امیر مغربی بنگال مولانا شمیم اختر ندوی صاحب پروگرام میں شریک ہوئے۔ دونوں اکابر کی موجودگی نے ماحول کو وقار بخشا اور ان کی تشریف آوری شرکا کے لیے باعثِ مسرت رہی۔ خصوصاً امیرِ مرکزی جمعیت کے جامع اور مؤثر خطاب نے سامعین پر گہرا اثر چھوڑا اور کانفرنس کے پیغام کو مزید مضبوطی کے ساتھ اجاگر کیا۔

مولانا اصغر علی امام مہدی سلفی صاحب نے اپنے کلام کی ابتدا فرشتوں کے تعارف سے کی۔ انہوں نے بتایا کہ فرشتے اللہ کے فرمانبردار بندے ہیں۔ وہ نہ نافرمانی کرتے ہیں اور نہ اپنی مرضی سے کوئی کام کرتے ہیں۔ قرآن کریم میں ہے: يفعلون ما يؤمرون، یعنی وہ وہی کرتے ہیں جس کا اللہ انہیں حکم دیتا ہے۔ اس وضاحت کے بعد انہوں نے انسان کی فضیلت بیان کی کہ اگرچہ فرشتوں کا مقام بلند ہے، مگر اللہ نے انسان کو ان پر برتری عطا کی ہے۔ اللہ کا فرمان ہے: ولقد كرمنا بني آدم، یعنی ہم نے بنی آدم کو عزت دی۔ انہوں نے بتایا کہ انسانوں میں سب سے اعلیٰ مرتبہ انبیاء کرام علیہم السلام کا ہے، اور سب انبیاء میں سب سے بلند مقام نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کا ہے۔

دین کی حقیقت واضح کرتے ہوئے انہوں نے کہا کہ اللہ نے انسانوں کے لیے مختلف مذاہب نہیں اتارے۔ اصل دین ہمیشہ ایک رہا ہے۔ تمام انبیاء کا پیغام یکساں تھا: اللہ کی وحدانیت، اس کی اطاعت، عدل اور انسانیت کی بھلائی۔ وقت گزرنے کے ساتھ لوگوں نے اپنے نظریات، مفادات اور قومیتوں کی بنیاد پر دین کو مختلف ناموں میں بانٹ دیا، حالانکہ اصل دین کی بنیاد ہمیشہ ایک ہی رہی ہے۔

انہوں نے جمعیت اہل حدیث کے دعوتی سفر کا پس منظر بھی بیان کیا۔ جب اہل حدیث علما نے اصلاحِ امت اور صحیح دین کی دعوت کو منظم انداز میں آگے بڑھانے کا فیصلہ کیا تو سب سے پہلے یہ سوچا گیا کہ آغاز کہاں سے ہو۔ غور و فکر کے بعد بنگال کا انتخاب کیا گیا، کیونکہ یہاں دینی بیداری، تعلیم اور اصلاح کی شدید ضرورت تھی۔ اسی فیصلے کے ساتھ وہ دعوتی سلسلہ شروع ہوا جس نے پورے ملک میں اہل حدیث کی علمی، اصلاحی اور رفاہی خدمات کو مضبوط بنیاد فراہم کی۔

آخر میں انہوں نے اس بات کی طرف توجہ دلائی کہ یہ مشن آج بھی جاری ہے اور اسے مضبوط تر بنانا ہم سب کی مشترکہ ذمہ داری ہے۔ علم، دعوت اور خدمت کے میدان میں اخلاص، حکمت اور اجتماعی محنت ہی وہ ستون ہیں جن پر امت کی اصلاح اور روشن مستقبل کی امید قائم ہوتی ہے۔ انہوں نے دعا کی کہ اللہ ہمیں اپنے دین کی خدمت اخلاص اور سچائی کے ساتھ کرنے کی توفیق عطا فرمائے۔

اس کے بعد صوبائی امیر مغربی بنگال مولانا شمیم اختر ندوی صاحب نے اپنے پُرسوز اور رہنمائی سے بھرپور خطاب میں کہا کہ ہماری اصل ضرورت باہمی تعاون اور یکجہتی ہے۔ ہمیں چاہیے کہ دلوں میں نرمی پیدا کریں، اختلافات سے دور رہیں اور اپنے درمیان بھائی چارے کا ماحول مضبوط کریں۔ کسی کے لیے سخت الفاظ نہ بولیں اور نہ ہی ایک دوسرے کی دل آزاری کریں۔

انہوں نے اس بات پر زور دیا کہ دعوت اور اصلاح کے زیادہ سے زیادہ پروگرام ہوں، تاکہ معاشرے میں پھیلی برائیوں سے لوگوں کو صحیح رہنمائی ملے۔ گھر کے افراد اور قریبی رشتے داروں کو نماز کا پابند بنانا ہماری اولین ذمہ داری ہے۔ ساتھ ہی جمعیت اور جماعت سے لوگوں کو جوڑنے کی کوشش کریں اور دین کی بنیادی باتیں عام کریں۔

آخر میں انہوں نے اخلاص کی اہمیت بیان کرتے ہوئے کہا کہ تمام کام صرف اللہ کی رضا کے لیے ہونے چاہئیں۔ اپنے دلوں کو ریاکاری سے پاک رکھیں۔ اللہ تعالیٰ ہمیں اخلاص کے ساتھ دین کی خدمت کرنے کی توفیق عطا فرمائے۔ آمین۔
علاوہ ازیں اس کانفرنس میں ممتاز علما نے اپنے متوازن اور بامقصد خطابات سے پورے اجتماع کو مضبوط فکری سمت دی۔ مولانا انوار الحق فیضی صاحب، مولانا عبدالرقیب مدنی صاحب، مولانا ذاکر حسین مدنی صاحب، مولانا امتیاز الرحمن صاحب، مولانا نور عالم اصلاحی صاحب اور مولانا تعریف عالم رحیمی صاحب، مولانا عبد العلیم صاحب، اشفاق الرحمن مدنی صاحب، مولانا انیم الاسلام صاحب، مولانا سمیت دیگر جید علماء نے مختلف اہم عنوانات پر گفتگو کی۔ ان کی باتوں میں خلوص بھی تھا اور عملی رہنمائی بھی۔

ہر مقرر نے موجودہ حالات کے پس منظر میں وہ نکات پیش کیے جن کی کمی ہمارے معاشرے میں شدت سے محسوس کی جاتی ہے۔ ان خطابات نے سامعین کی فکری بیداری میں اضافہ کیا اور انہیں دین کی سمجھ اور ذمہ داریوں کا بہتر شعور دیا۔

اس پروگرام میں دکھن دیناجپور کے مختلف علاقوں سے بڑی تعداد میں اہل علم اور عوام نے شرکت کی۔ جامعہ زہراء عالیہ کے ذمہ داران، اساتذہ، طلبہ، پچھم ملا پاڑہ کے تمام حضرات، ضلعی جمعیت کے کارکنان اور علاقے کے لوگوں نے جس جذبے اور تعاون کے ساتھ اس کانفرنس کو کامیاب بنایا، وہ قابل تعریف ہے۔ انہی کی مشترکہ محنت اور کوششوں سے یہ عظیم الشان اجتماع بخوبی مکمل ہوا۔ الحمد للہ۔

Address

Munshidanga Sardarpara Near Lake Land Country Club Kona Express Highway Howrah-711403
Kolkata
700016

Telephone

+917980489577

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জমিয়তে আহলে হাদিস পঃবঃ অধীনস্থ কেন্দ্রীয় জমিয়ত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to জমিয়তে আহলে হাদিস পঃবঃ অধীনস্থ কেন্দ্রীয় জমিয়ত:

Share