হিন্দু জাগরণ মঞ্চ

হিন্দু জাগরণ মঞ্চ ভারতবর্ষ বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

19/07/2026
22/06/2026

I got over 2,500 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

💢💢     স্বাধীনতার পর ভারতের ইতিহাসে "কালো দিবস"💢হিন্দু জাগরণ মঞ্চ ✍️✍️ইন্দিরা গান্ধীর "কালো অধ্যায়" বলতে  ১৯৭৫ থেকে ১৯৭...
20/06/2026

💢💢 স্বাধীনতার পর ভারতের ইতিহাসে "কালো দিবস"💢
হিন্দু জাগরণ মঞ্চ

✍️✍️ইন্দিরা গান্ধীর "কালো অধ্যায়" বলতে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ভারতে জারি করা জরুরি অবস্থাকে বোঝানো হয়। ২১ মাসের সময়কালকে ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি অন্ধকারময় অধ্যায় হিসেবে অনেকে উল্লেখ করেছেন।

😈😈😈😈জরুরি অবস্থা জারির কারণ ও প্রেক্ষাপট:

নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ: ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধীর রায়বেরেলি আসন থেকে জয়লাভের বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিক পার্টির রাজনারায়ণ অভিযোগ করেন যে ইন্দিরা গান্ধী সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
*
* ✍️ এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়:
১৯৭৫ সালের ১২ জুন এলাহাবাদ হাইকোর্ট নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে ইন্দিরা গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করে। আদালত রায় দেয় যে তিনি আগামী ছয় বছর কোনো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ বাতিল করা হয়। এই রায়ের ফলে ইন্দিরা গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া অনিবার্য হয়ে ওঠে।
* ✍️ রাজনৈতিক অস্থিরতা:
এই রায়ের পর দেশজুড়ে ইন্দিরা গান্ধীর পদত্যাগের দাবি ওঠে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।

✍️ জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত:
পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ইন্দিরা গান্ধীকে অভ্যন্তরীণ জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শ দেন। এরপর ইন্দিরা গান্ধীর পরামর্শে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন মধ্যরাতের কয়েক মিনিট আগে সংবিধানের ৩৫২(১) ধারা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণ দেখিয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

🙀🙀🙀🙀জরুরি অবস্থার সময়কার প্রধান ঘটনা ও প্রভাব:

নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব: জরুরি অবস্থার সময় মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়। সংবাদপত্রের ছাপাখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে সংবাদপত্র ছাপতে না পারে।

👹👹👹👹 বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার:
জয়প্রকাশ নারায়ণ, মোরারজি দেশাই, অটল বিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডবাণী সহ অসংখ্য বিরোধী নেতাকে গ্রেপ্তার করে জেলে ভরা হয়।

😎😎😎😎 সঞ্জয় গান্ধীর প্রভাব:
জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র সঞ্জয় গান্ধী ভারতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং কোনো সরকারি পদে না থেকেও প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী হন। কথিত আছে, তিনি তাঁর বন্ধুদের সাথে ভারতকে পরিচালনা করতেন এবং ইন্দিরা গান্ধীর উপর তাঁর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল।

🥸🥸🥸🥸 জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণ:
সঞ্জয় গান্ধীর নেতৃত্বে জোরপূর্বক পুরুষদের বন্ধ্যাকরণ কর্মসূচি চালানো হয়, যা দরিদ্র ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপর চাপানো হয়েছিল।

🧐🧐🧐 বিচার ব্যবস্থার উপর চাপ:
জরুরি অবস্থার সময় বিচার ব্যবস্থাও প্রবল চাপে নতি স্বীকার করে। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হেবিয়াস কর্পাস এবং মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা বাতিলের সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিয়েছিল।
👺👺👺 অর্থনৈতিক কারণ:
ইন্দিরা গান্ধী যুক্তি দিয়েছিলেন যে দেশের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা এবং বাইরের হুমকি সামলাতে জরুরি অবস্থা প্রয়োজন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যও এটি জরুরি।

👽👽👽জরুরি অবস্থার সমাপ্তি ও ফলাফল:
১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধী এবং সঞ্জয় গান্ধী উভয়েই নিজ নিজ কেন্দ্র থেকে পরাজিত হন এবং কংগ্রেসের আসন সংখ্যা কমে ১৫৩ হয়। জনতা পার্টি ২৯৫টি আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসে এবং মোরারজি দেশাই প্রথম অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী হন।

🤓🤓🤓রাহুল গান্ধী নিজেও জরুরি অবস্থাকে একটি ভুল সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন।

🙀🙀🙀🙀 জরুরী অবস্থা ঘোষণায় প্রতিক্রিয়া:

ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থার সময় (১৯৭৫ সালের ২৫ জুন থেকে ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ) আরও অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছিল, যা ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই সময়কালকে ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি বিতর্কিত ও অন্ধকারময় অধ্যায় হিসেবে দেখা হয়।

* ✍️✍️✍️ গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ ও সেন্সরশিপ:
* জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরপরই সংবাদপত্রগুলির ছাপাখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে তারা সংবাদ ছাপতে না পারে। সরকারের সমালোচনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয় এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে খর্ব করা হয়।
😈😈👹👹ব্যাপক ধরপাকড় ও গ্রেপ্তার:
ইন্দিরা গান্ধীর বেশিরভাগ রাজনৈতিক বিরোধীকে কারারুদ্ধ করা হয়। জয়প্রকাশ নারায়ণ, মোরারজি দেশাই, অটল বিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডবাণী, জ্যোতি বসু, সমর গুহ সহ ১,০০,০০০-এর বেশি রাজনৈতিক বিরোধী, সাংবাদিক এবং ভিন্নমতাবলম্বীকে আটক করা হয়েছিল। ২৬ জুন, ১৯৭৫ তারিখে অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা আইনের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর বিরোধীদের গ্রেপ্তার করা হয়।
😭😭😭😭 সংবিধানের মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ:
জরুরি অবস্থার সময় মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়। নাগরিকদের বাক স্বাধীনতা, সমাবেশ করার অধিকার এবং গ্রেপ্তার ও আটক করার ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ভারতীয় সংবিধানের ১৯ নম্বর ধারায় প্রদত্ত সাতটি স্বাধীনতা রোধ করা হয়।
🥸🥸🥸🥸 সঞ্জয় গান্ধীর প্রভাব ও কর্মসূচি:
ইন্দিরা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র সঞ্জয় গান্ধী এই সময়ে প্রবল ক্ষমতার অধিকারী হন এবং তার নেতৃত্বে ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান চালানো হয়। জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণ (পরিবার পরিকল্পনা) কর্মসূচি চালানো হয়, যা দরিদ্র ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপর চাপানো হয়েছিল।
🤐🤐🤐🤐 রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ:
১৯৭৫ সালের ৪ জুলাই দেশের চারটি জাতীয়তাবাদী দল এবং তাদের ১২টি সহযোগী দলকে কেন্দ্রীয় সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর মধ্যে আনন্দমার্গ, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ, নকশাল এবং জামাত-এ-ইসলামি-এ-হিন্দ ছিল।
👉👉👉 অর্থনৈতিক কর্মসূচি:
জরুরি অবস্থা চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী ভূমিহীন শ্রমিক, ছোট কৃষক এবং গ্রামীণ শিল্পীদের ঋণ পরিশোধ করার বিষয়ে ২০টি উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁর পরিকল্পনা ছিল, এই সমস্ত শ্রমজীবী মানুষকে অন্য উপায়ে ঋণ দেওয়া। পাশাপাশি বিনা মজুরিতে শ্রম বন্ধ করা ও কৃষি জমি বিক্রি আইন প্রয়োগ করা। এই কর্মসূচির দ্বারা হস্তশিল্পকে বিশেষ সাহায্যের ঘোষণা করা হয়। দ্রব্যমূল্য কমানো, কর ফাঁকি দেওয়া, চোরাচালান বন্ধ এবং জরুরি জিনিসের সরবরাহ জারি রাখা হয়।
👁️👁️👁️ সংবিধান সংশোধন:
১৯৭৬ সালের ২ নভেম্বর ৪২তম সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় পাশ হয়। এই বিলের মাধ্যমে ভারতকে সামাজিক, গণতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ করে গড়ে তোলার কথা বলা হয়।
🧐🧐🧐🧐🧐🧐 বিচার ব্যবস্থার উপর চাপ:
জরুরি অবস্থার সময় বিচার ব্যবস্থা প্রবল চাপে নতি স্বীকার করে। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হেবিয়াস কর্পাস এবং মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা বাতিলের সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিয়েছিল। এলাহাবাদ হাইকোর্টে ইন্দিরা গান্ধীকে ক্লিনচিট দিতে নতুন আইন তৈরি করা হয়।
✍️✍️✍️✍️ লোকসভার মেয়াদ বৃদ্ধি:
১৯৭৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি লোকসভার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়।

এই ২১ মাসের জরুরি অবস্থা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য একটি কঠিন সময় ছিল, যা পরবর্তীতে অনেক বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
💢বি: দ্র: সকল তথ্য সংগ্রহীত।

✍️✍️✍️পরের পোস্টে পরবর্তী অংশ পোস্ট করা হবে।

💢সবাইকে অনুরোধ 🙏🙏🙏 share ও like করে সাথে থাকবেন,ধন্যবাদ।

🤔🤔🤔অকালে প্রাণ গেলো ৭ বছরের বালিকার✍️✍️✍️মাথা ধরে বালতির জলে ডুবিয়ে রাখার পর ব্লে*ড দিয়ে ৭ বছরের ছাত্রীর হাতের শি*রা কে*...
09/06/2026

🤔🤔🤔অকালে প্রাণ গেলো ৭ বছরের বালিকার

✍️✍️✍️
মাথা ধরে বালতির জলে ডুবিয়ে রাখার পর ব্লে*ড দিয়ে ৭ বছরের ছাত্রীর হাতের শি*রা কে* টে খু* ন! কৃষ্ণনগরে স্কুলে ‘দিদি’দের কাণ্ড।

শনিবার ভোরে ৭ বছরের এক ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয় হস্টেলের শৌচাগার থেকে। পরিবারের দাবি, গ্রীষ্মের ছুটি শেষে শুক্রবারই প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে হস্টেলে দিয়ে গিয়েছিলেন বাবা।

তারপরেই হস্টেলে দুই ‘দিদি’র হাতে খু* ন হয়েছেন প্রথম শ্রেণির ছাত্রী! নদিয়ার কৃষ্ণনগরে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের ঘটনা।

পুলিশ জানতে পেরেছে, স্নান করতে গিয়েছিল সাত বছরের মেয়েটি। তার পিছন পিছন সেখানে ঢোকে নবম শ্রেণির দুই ছাত্রী। তার পর মেয়েটির মাথা ধরে বালতির জলে চুবিয়ে দেওয়া হয়।

প্রথমে শ্বা* সরোধ করে মা* রার চেষ্টা করা হয়। পরে মেয়েটির মৃত্যু নিশ্চিত করতে ব্লে* ড দিয়ে নাবালিকার এক হাতের শিরা কেটে দেওয়া হয়েছে।

পুরো ঘটনা ঘটনোর পরে শৌচাগারের দরজা বন্ধ করে বালতিটিকে এক কোণে সরিয়ে দিয়ে বেরিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত। পরে ওয়ার্ডেন খোঁজ করতে গিয়ে ওই শিশুকে নি* থর অবস্থায় শৌচা* গারে পড়ে থাকতে দেখেন।

সংগৃহীত.

🤪🤪🤪🤪হরেকৃষ্ণ .......💥💥💥বিস্ফোরক মিমি চক্রবর্তি...👉চরিত্রহীন অভিষেক আমাকে তার ফ্ল্যাটে ডেকেছিল আমি রাজি হয়নি 😍​"আমি তো জা...
07/06/2026

🤪🤪🤪🤪হরেকৃষ্ণ .......

💥💥💥বিস্ফোরক মিমি চক্রবর্তি...

👉চরিত্রহীন অভিষেক আমাকে তার ফ্ল্যাটে ডেকেছিল আমি রাজি হয়নি 😍

​"আমি তো জানতাম ভাইপো শুধু চোর, কিন্তু দেখছি এই লোক তো চরিত্রহীনও ছিল! উফ সত্যি, এই হলো চটি চাটাদের রাজকুমার।

😈😈মোদীকে ধ্বংসের ছক 😈😈   💥আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এক্সপোজড💥          🙏 মুখোশ খুললেন জয়শঙ্কর🙏হিন্দু জাগরণ মঞ্চ 👉পররাষ্ট্রমন্...
07/06/2026

😈😈মোদীকে ধ্বংসের ছক 😈😈

💥আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এক্সপোজড💥
🙏 মুখোশ খুললেন জয়শঙ্কর🙏

হিন্দু জাগরণ মঞ্চ

👉পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবার বিশ্বমঞ্চে এক অভাবনীয় কূটনৈতিক পারমাণবিক বোমা ফাটালেন। কোনো রকম ধোঁয়াশা বা কূটনৈতিক গোলকধাঁধা নয়—সরাসরি আঙুল তুলেছেন আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী এবং কুখ্যাত বিলিয়নেয়ার জর্জ সোরোসের (George Soros) দিকে। জয়শঙ্করের ভাষায়, এই ব্যক্তি কেবল "বয়স্ক, ধনী, একগুঁয়ে এবং বিপজ্জনকই" নন, বরং তিনি ভারতের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এক গভীর ছায়াযুদ্ধের মূল হোতা।

🔴 নিউইয়র্কের বিলাসবহুল পেন্টহাউসে বসে কয়েক বিলিয়ন ডলার, তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থা (NGO), আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং কৃত্রিম ন্যারেটিভের অপব্যবহার করে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ভেতর থেকে ছিন্নভিন্ন করার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।

⚫এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের সুতো বাঁধা রয়েছে ভারতের ভেতরের কিছু রাজনৈতিক শক্তি ও নি রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে হালের থালাপথি বিজয়ের মতো রাজনৈতিক চরিত্রদের একাংশ এবং কিছু নির্দিষ্ট মিডিয়া গোষ্ঠী একযোগে "গণতন্ত্র বিপন্ন" এবং "সংখ্যালঘুরা বিপদে"—এই সাজানো প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

🔴টুলকিট স্ট্র্যাটেজি: বিদেশি অর্থায়নে পুষ্ট এনজিওগুলোর মাধ্যমে দেশের ভেতরে কৃত্রিম ক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা,শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের অবস্থা সৃষ্টি করা।

⚫চক্রান্ত: দেশের যেকোনো অস্থিরতার দায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করা। এদের অভ্যন্তরীণ লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার—"৬ মাসের মধ্যে মোদীকে ধ্বংস করা।"

🔴 মাথা নত না করার নতুন ভারত বিগত কয়েক দশক ধরে পশ্চিমা দুনিয়ার অর্থায়নে পুষ্ট এই ছায়াযুদ্ধ ভারতে অবাধে চলেছে। কিন্তু সোরোসরা ভুলে গেছেন, এটা ১৯৪৫ বা ১৯৯১ সালের দুর্বল ভারত নয়। এটা ২০২৬ সালের মোদীর নেতৃত্বাধীন এক আত্মনির্ভরশীল, শক্তিশালী এবং স্বাধীন ভারত।

⚫ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দেশের সরকার ঠিক করবে ভারতের আমজনতা এবং ভোটাররা, নিউইয়র্ক বা ইউরোপের কোনো বিলিয়নেয়ারের ডলারে কেনা এজেন্ডা নয়।
বিদেশি শক্তির ইশারায় ভারতের নীতি নির্ধারিত হওয়ার দিন বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে।

🎯 ২০২৬: চূড়ান্ত লড়াইয়ের বছর?

জর্জ সোরোস এবং তার ভারত-বিরোধী বলয় এখন ভারতীয় গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক রাডারের নিচে। ২০২৬ সাল কি তবে সেই ঐতিহাসিক বছর হতে চলেছে, যেখানে ভারত এই বিদেশি হস্তক্ষেপের মেরুদণ্ড চিরতরে ভেঙে দেবে? নাকি এই আন্তর্জাতিক ছায়াযুদ্ধ আগামী দিনে আরও নোংরা রূপ নেবে?
দেশীয় মীরজাফর এবং বিদেশি প্রভুদের এই অপবিত্র আঁতাত রুখতে দেশবাসীকে এখন সম্পূর্ণ সতর্ক থাকতে হবে।

সংগৃহীত..

  CPIM এর হিন্দু নিধন ইতিহাসের এক নিকৃষ্ট কাহিনী হিন্দু জাগরণ মঞ্চ 🤐🤐🤐মরিচঝাঁপি হত্যাকাণ্ড বলতে ১৯৭৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের স...
01/06/2026

CPIM এর হিন্দু নিধন ইতিহাসের এক নিকৃষ্ট কাহিনী
হিন্দু জাগরণ মঞ্চ

🤐🤐🤐মরিচঝাঁপি হত্যাকাণ্ড বলতে ১৯৭৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের মরিচঝাঁপি দ্বীপে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে বোঝায়, যেখানে দেশভাগের পর দণ্ডকারণ্য শিবির থেকে আসা বাঙালি উদ্বাস্তুদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এই ঘটনায় পুলিশ ও বসতি স্থাপনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করা হয় এবং এর ফলে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

👁️👁️👁️পটভূমি:
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে অসংখ্য হিন্দু শরণার্থী পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নিম্নবর্ণের হিন্দু, যারা পাকিস্তানে অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন। তৎকালীন কংগ্রেস সরকার এই শরণার্থীদের মধ্য ভারতের দণ্ডকারণ্য অঞ্চলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে, যেখানে তারা প্রতিকূল পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না।

১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার আগে, বামপন্থী নেতারা দণ্ডকারণ্যের শিবিরগুলিতে গিয়ে শরণার্থীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তারা ক্ষমতায় এলে শরণার্থীদের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে এনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবেন।

😈😈😈ঘটনা:
১৯৭৮ সালের প্রথম দিক থেকে দণ্ডকারণ্য থেকে হাজার হাজার উদ্বাস্তু পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসতে শুরু করেন এবং সুন্দরবনের জনমানবশূন্য মরিচঝাঁপি দ্বীপে বসতি স্থাপন করেন। তারা সেখানে নিজেদের উদ্যোগে কৃষিকাজ, মাছ ধরা, ছোটখাটো ব্যবসা এবং স্কুল ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করেন。 প্রায় ১৫,০০০ শরণার্থী মরিচঝাঁপি দ্বীপে বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং দ্বীপটির নামকরণ করেছিলেন "নেতাজি নগর".

তবে, বামফ্রন্ট সরকার পরে দাবি করে যে সুন্দরবনের এই এলাকা পরিবেশগতভাবে সংরক্ষিত এবং সেখানে বসবাস অবৈধ। ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ দ্বীপটিকে ঘিরে ফেলে এবং খাদ্য, পানীয়, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দ্বীপে খাদ্য সংকট ও রোগের প্রকোপ দেখা দেয়.

৩১ জানুয়ারি ১৯৭৯ থেকে শুরু করে ১১ মে পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ ও বামপন্থী কর্মীদের দ্বারা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে পুলিশের গুলিতে, ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে, নৌকা ডুবিয়ে এবং খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে শত শত উদ্বাস্তু মারা যান বলে অভিযোগ করা হয়। সরকারি সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২ থেকে ৮ জন নিহত হয়েছিলেন, তবে কিছু গবেষক ও প্রত্যক্ষদর্শীর মতে এই সংখ্যা ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। এই ঘটনাকে অনেকেই কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে হিন্দু উদ্বাস্তুদের উপর সংঘটিত একটি নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ এবং দলিত নিপীড়নের চরম উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মরিচঝাঁপি হত্যাকাণ্ড পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে একটি বিতর্কিত এবং মর্মান্তিক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

এটা দেখার পর বুঝলাম অত মুসলিমদের প্রতি ওনার টান অত বেশি কেনো...দেখুন ভালো করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইসলামিক ইতিহাসের M....
31/05/2026

এটা দেখার পর বুঝলাম অত মুসলিমদের প্রতি ওনার টান অত বেশি কেনো...
দেখুন ভালো করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইসলামিক ইতিহাসের M.A করা

আয়! আয় ! আয়! 🤣🤣🤣🤣------@অভিষেকসাত লাখ ভোটে একজন জিতে সাংসদ হয়েছে। সাতজন সঙ্গে আসেনি। একটা ডিম খেয়ে কার্টুন সেজে লুক...
30/05/2026

আয়! আয় ! আয়! 🤣🤣🤣🤣

------@অভিষেক

সাত লাখ ভোটে একজন জিতে সাংসদ হয়েছে। সাতজন সঙ্গে আসেনি। একটা ডিম খেয়ে কার্টুন সেজে লুকিয়ে পড়লো। পাড়ায় ভালুক নিয়ে ডুগডুগি বাজিয়ে খেলা দেখাতে এলে এর চেয়ে বেশি লোক হয়। আর ভাইপো এলো বলে একজনও সমর্থক প্রকাশ্যে পাশে দাঁড়ালো না।

সমর্থক ছাড়ুন। এলাকাটা যাদবপুর বিধানসভার অন্তর্গত। স্থানীয় সাংসদ সায়নী ঘোষ ছুটে এলেন না। যে প্রাক্তন বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম আর তার স্বামী এত টাকা খেয়েছে বলে অভিযোগ, সে ঘাপটি মেরে থাকলো।

অভিষেক আমাকে অনেক কিছু শেখাল। টাকা আর ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। থাকলেই যে সব পাব সেরকম গ্যারান্টি নেই।

ভালোবাসা অর্জন কর। জান দিয়ে লড়বে এমন মানুষ থাকুক। মানুষের মনে দাগ কেটে গেলে এই অসময়ে কিছুজন হয়তো পাশে থাকতো। আগলে রাখত।

—— ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ

✍️✍️✍️ এলনিনোর গভীর প্রভাব++++প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক উষ্ণ জলের বিশাল ঢেউ এখন কার্যত গোটা বিশ্বের ...
30/05/2026

✍️✍️✍️ এলনিনোর গভীর প্রভাব++++

প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক উষ্ণ জলের বিশাল ঢেউ এখন কার্যত গোটা বিশ্বের আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অফ মেটিওরোলজি, মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা এনওএএ এবং একাধিক আন্তর্জাতিক জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র ইতিমধ্যেই সতর্ক করতে শুরু করেছে যে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে পৃথিবী শক্তিশালী “এল নিনো”-র মুখোমুখি হতে পারে। কয়েকটি জলবায়ু মডেল এমনও ইঙ্গিত দিচ্ছে, পরিস্থিতি “সুপার এল নিনো”-র দিকেও যেতে পারে।

“এল নিনো” আসলে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার একটি জলবায়ুগত ঘটনা। সাধারণ অবস্থায় পূর্ব থেকে পশ্চিমে বইতে থাকা বাণিজ্যিক বায়ু উষ্ণ জলকে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে ঠেলে রাখে। কিন্তু সেই বায়ুর গতি দুর্বল হয়ে গেলে উষ্ণ জল ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলেই বদলে যেতে শুরু করে পৃথিবীর আবহাওয়ার স্বাভাবিক ছন্দ। কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও ভয়াবহ খরা, কোথাও দীর্ঘ তাপপ্রবাহ — সবকিছুর পিছনেই দেখা যায় এই সমুদ্রতাপের প্রভাব।

২০২৬ সালে বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলেছে “কেলভিন ওয়েভ” নামে পরিচিত উষ্ণ জলের স্রোত। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিজ ডট ওআরজি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর স্তর থেকে বিপুল পরিমাণ তাপ পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। এই উষ্ণ জলের ঢেউ যদি আরও শক্তিশালী হয়, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। এনওএএ জানিয়েছে, এল নিনো তৈরির সম্ভাবনা ইতিমধ্যেই ৮০ শতাংশের বেশি এবং বছরের শেষ পর্যন্ত তা বজায় থাকার সম্ভাবনাও অত্যন্ত বেশি।

আবহাওয়াবিদরা সাধারণত “নিনো ৩.৪” অঞ্চলের তাপমাত্রা দিয়ে এল নিনো-র শক্তি বিচার করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলের তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে, তখন সেটিকে শক্তিশালী এল নিনো ধরা হয়। বর্তমানে কয়েকটি আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের শেষের দিকে এই তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের ভয়াবহ এল নিনো-র সময়ও প্রায় একই ধরনের সমুদ্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ মৌসুমি বৃষ্টি। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর ওপর নির্ভরশীল। এল নিনো সাধারণত এই মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে বর্ষা দেরিতে ঢোকে, বৃষ্টির পরিমাণ কমে যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলতে পারে। ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালের গরমে দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং ওড়িশার একাধিক এলাকায় ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে কৃষিক্ষেত্রে। ধান, ডাল, আখ, গমের মতো ফসলের উৎপাদন সরাসরি বর্ষার ওপর নির্ভর করে। বৃষ্টি কম হলে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহার হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে সেচ খরচ বাড়ে এবং বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ভারতের বহু অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও বর্ষার জলের ওপর নির্ভরশীল। ফলে একদিকে তীব্র গরমে বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়বে, অন্যদিকে উৎপাদনে চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রয়টার্স এবং ফরচুন-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শক্তিশালী এল নিনো এশিয়ার একাধিক দেশে খাদ্য উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। একই সময়ে পশ্চিম এশিয়ার জ্বালানি অস্থিরতা তেলের আন্তর্জাতিক বাজারকে আরও অস্থির করে তুলছে। ভারত যেহেতু বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তাই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে পরিবহণ খরচ, বিদ্যুতের দাম এবং খাদ্যমূল্যে।

বিজ্ঞানীদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হল সমুদ্রের লবণাক্ততার পরিবর্তন। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশে বেশি লবণাক্ত জল জমা হলে তা সমুদ্রস্রোতের ভারসাম্য বদলে দেয়। এর ফলে উষ্ণ জল আরও দ্রুত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং চরম এল নিনো তৈরির সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। এই কারণেই ২০২৬ সালের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মহলে এত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিন্দু জাগরণ মঞ্চ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share