হিন্দু জাগরণ মঞ্চ

হিন্দু জাগরণ মঞ্চ ভারতবর্ষ বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

  CPIM এর হিন্দু নিধন ইতিহাসের এক নিকৃষ্ট কাহিনী হিন্দু জাগরণ মঞ্চ 🤐🤐🤐মরিচঝাঁপি হত্যাকাণ্ড বলতে ১৯৭৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের স...
01/06/2026

CPIM এর হিন্দু নিধন ইতিহাসের এক নিকৃষ্ট কাহিনী
হিন্দু জাগরণ মঞ্চ

🤐🤐🤐মরিচঝাঁপি হত্যাকাণ্ড বলতে ১৯৭৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের মরিচঝাঁপি দ্বীপে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে বোঝায়, যেখানে দেশভাগের পর দণ্ডকারণ্য শিবির থেকে আসা বাঙালি উদ্বাস্তুদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এই ঘটনায় পুলিশ ও বসতি স্থাপনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করা হয় এবং এর ফলে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

👁️👁️👁️পটভূমি:
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে অসংখ্য হিন্দু শরণার্থী পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নিম্নবর্ণের হিন্দু, যারা পাকিস্তানে অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন। তৎকালীন কংগ্রেস সরকার এই শরণার্থীদের মধ্য ভারতের দণ্ডকারণ্য অঞ্চলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে, যেখানে তারা প্রতিকূল পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না।

১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার আগে, বামপন্থী নেতারা দণ্ডকারণ্যের শিবিরগুলিতে গিয়ে শরণার্থীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তারা ক্ষমতায় এলে শরণার্থীদের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে এনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবেন।

😈😈😈ঘটনা:
১৯৭৮ সালের প্রথম দিক থেকে দণ্ডকারণ্য থেকে হাজার হাজার উদ্বাস্তু পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসতে শুরু করেন এবং সুন্দরবনের জনমানবশূন্য মরিচঝাঁপি দ্বীপে বসতি স্থাপন করেন। তারা সেখানে নিজেদের উদ্যোগে কৃষিকাজ, মাছ ধরা, ছোটখাটো ব্যবসা এবং স্কুল ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করেন。 প্রায় ১৫,০০০ শরণার্থী মরিচঝাঁপি দ্বীপে বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং দ্বীপটির নামকরণ করেছিলেন "নেতাজি নগর".

তবে, বামফ্রন্ট সরকার পরে দাবি করে যে সুন্দরবনের এই এলাকা পরিবেশগতভাবে সংরক্ষিত এবং সেখানে বসবাস অবৈধ। ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ দ্বীপটিকে ঘিরে ফেলে এবং খাদ্য, পানীয়, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দ্বীপে খাদ্য সংকট ও রোগের প্রকোপ দেখা দেয়.

৩১ জানুয়ারি ১৯৭৯ থেকে শুরু করে ১১ মে পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ ও বামপন্থী কর্মীদের দ্বারা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে পুলিশের গুলিতে, ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে, নৌকা ডুবিয়ে এবং খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে শত শত উদ্বাস্তু মারা যান বলে অভিযোগ করা হয়। সরকারি সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২ থেকে ৮ জন নিহত হয়েছিলেন, তবে কিছু গবেষক ও প্রত্যক্ষদর্শীর মতে এই সংখ্যা ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। এই ঘটনাকে অনেকেই কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে হিন্দু উদ্বাস্তুদের উপর সংঘটিত একটি নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ এবং দলিত নিপীড়নের চরম উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মরিচঝাঁপি হত্যাকাণ্ড পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে একটি বিতর্কিত এবং মর্মান্তিক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

এটা দেখার পর বুঝলাম অত মুসলিমদের প্রতি ওনার টান অত বেশি কেনো...দেখুন ভালো করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইসলামিক ইতিহাসের M....
31/05/2026

এটা দেখার পর বুঝলাম অত মুসলিমদের প্রতি ওনার টান অত বেশি কেনো...
দেখুন ভালো করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইসলামিক ইতিহাসের M.A করা

আয়! আয় ! আয়! 🤣🤣🤣🤣------@অভিষেকসাত লাখ ভোটে একজন জিতে সাংসদ হয়েছে। সাতজন সঙ্গে আসেনি। একটা ডিম খেয়ে কার্টুন সেজে লুক...
30/05/2026

আয়! আয় ! আয়! 🤣🤣🤣🤣

------@অভিষেক

সাত লাখ ভোটে একজন জিতে সাংসদ হয়েছে। সাতজন সঙ্গে আসেনি। একটা ডিম খেয়ে কার্টুন সেজে লুকিয়ে পড়লো। পাড়ায় ভালুক নিয়ে ডুগডুগি বাজিয়ে খেলা দেখাতে এলে এর চেয়ে বেশি লোক হয়। আর ভাইপো এলো বলে একজনও সমর্থক প্রকাশ্যে পাশে দাঁড়ালো না।

সমর্থক ছাড়ুন। এলাকাটা যাদবপুর বিধানসভার অন্তর্গত। স্থানীয় সাংসদ সায়নী ঘোষ ছুটে এলেন না। যে প্রাক্তন বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম আর তার স্বামী এত টাকা খেয়েছে বলে অভিযোগ, সে ঘাপটি মেরে থাকলো।

অভিষেক আমাকে অনেক কিছু শেখাল। টাকা আর ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। থাকলেই যে সব পাব সেরকম গ্যারান্টি নেই।

ভালোবাসা অর্জন কর। জান দিয়ে লড়বে এমন মানুষ থাকুক। মানুষের মনে দাগ কেটে গেলে এই অসময়ে কিছুজন হয়তো পাশে থাকতো। আগলে রাখত।

—— ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ

✍️✍️✍️ এলনিনোর গভীর প্রভাব++++প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক উষ্ণ জলের বিশাল ঢেউ এখন কার্যত গোটা বিশ্বের ...
30/05/2026

✍️✍️✍️ এলনিনোর গভীর প্রভাব++++

প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক উষ্ণ জলের বিশাল ঢেউ এখন কার্যত গোটা বিশ্বের আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অফ মেটিওরোলজি, মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা এনওএএ এবং একাধিক আন্তর্জাতিক জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র ইতিমধ্যেই সতর্ক করতে শুরু করেছে যে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে পৃথিবী শক্তিশালী “এল নিনো”-র মুখোমুখি হতে পারে। কয়েকটি জলবায়ু মডেল এমনও ইঙ্গিত দিচ্ছে, পরিস্থিতি “সুপার এল নিনো”-র দিকেও যেতে পারে।

“এল নিনো” আসলে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার একটি জলবায়ুগত ঘটনা। সাধারণ অবস্থায় পূর্ব থেকে পশ্চিমে বইতে থাকা বাণিজ্যিক বায়ু উষ্ণ জলকে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে ঠেলে রাখে। কিন্তু সেই বায়ুর গতি দুর্বল হয়ে গেলে উষ্ণ জল ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলেই বদলে যেতে শুরু করে পৃথিবীর আবহাওয়ার স্বাভাবিক ছন্দ। কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও ভয়াবহ খরা, কোথাও দীর্ঘ তাপপ্রবাহ — সবকিছুর পিছনেই দেখা যায় এই সমুদ্রতাপের প্রভাব।

২০২৬ সালে বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলেছে “কেলভিন ওয়েভ” নামে পরিচিত উষ্ণ জলের স্রোত। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিজ ডট ওআরজি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর স্তর থেকে বিপুল পরিমাণ তাপ পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। এই উষ্ণ জলের ঢেউ যদি আরও শক্তিশালী হয়, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। এনওএএ জানিয়েছে, এল নিনো তৈরির সম্ভাবনা ইতিমধ্যেই ৮০ শতাংশের বেশি এবং বছরের শেষ পর্যন্ত তা বজায় থাকার সম্ভাবনাও অত্যন্ত বেশি।

আবহাওয়াবিদরা সাধারণত “নিনো ৩.৪” অঞ্চলের তাপমাত্রা দিয়ে এল নিনো-র শক্তি বিচার করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলের তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে, তখন সেটিকে শক্তিশালী এল নিনো ধরা হয়। বর্তমানে কয়েকটি আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের শেষের দিকে এই তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের ভয়াবহ এল নিনো-র সময়ও প্রায় একই ধরনের সমুদ্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ মৌসুমি বৃষ্টি। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর ওপর নির্ভরশীল। এল নিনো সাধারণত এই মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে বর্ষা দেরিতে ঢোকে, বৃষ্টির পরিমাণ কমে যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলতে পারে। ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালের গরমে দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং ওড়িশার একাধিক এলাকায় ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে কৃষিক্ষেত্রে। ধান, ডাল, আখ, গমের মতো ফসলের উৎপাদন সরাসরি বর্ষার ওপর নির্ভর করে। বৃষ্টি কম হলে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহার হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে সেচ খরচ বাড়ে এবং বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ভারতের বহু অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও বর্ষার জলের ওপর নির্ভরশীল। ফলে একদিকে তীব্র গরমে বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়বে, অন্যদিকে উৎপাদনে চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রয়টার্স এবং ফরচুন-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শক্তিশালী এল নিনো এশিয়ার একাধিক দেশে খাদ্য উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। একই সময়ে পশ্চিম এশিয়ার জ্বালানি অস্থিরতা তেলের আন্তর্জাতিক বাজারকে আরও অস্থির করে তুলছে। ভারত যেহেতু বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তাই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে পরিবহণ খরচ, বিদ্যুতের দাম এবং খাদ্যমূল্যে।

বিজ্ঞানীদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হল সমুদ্রের লবণাক্ততার পরিবর্তন। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশে বেশি লবণাক্ত জল জমা হলে তা সমুদ্রস্রোতের ভারসাম্য বদলে দেয়। এর ফলে উষ্ণ জল আরও দ্রুত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং চরম এল নিনো তৈরির সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। এই কারণেই ২০২৬ সালের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মহলে এত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

✍️✍️✍️✍️ একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ:এল নিনো ও তার প্রভাব:::::🏞️প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক উষ্ণ জলের বিশাল ঢেউ...
30/05/2026

✍️✍️✍️✍️ একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ:
এল নিনো ও তার প্রভাব:::::

🏞️প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক উষ্ণ জলের বিশাল ঢেউ এখন কার্যত গোটা বিশ্বের আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অফ মেটিওরোলজি, মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা এনওএএ এবং একাধিক আন্তর্জাতিক জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র ইতিমধ্যেই সতর্ক করতে শুরু করেছে যে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে পৃথিবী শক্তিশালী “এল নিনো”-র মুখোমুখি হতে পারে। কয়েকটি জলবায়ু মডেল এমনও ইঙ্গিত দিচ্ছে, পরিস্থিতি “সুপার এল নিনো”-র দিকেও যেতে পারে।

“এল নিনো” আসলে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার একটি জলবায়ুগত ঘটনা। সাধারণ অবস্থায় পূর্ব থেকে পশ্চিমে বইতে থাকা বাণিজ্যিক বায়ু উষ্ণ জলকে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে ঠেলে রাখে। কিন্তু সেই বায়ুর গতি দুর্বল হয়ে গেলে উষ্ণ জল ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলেই বদলে যেতে শুরু করে পৃথিবীর আবহাওয়ার স্বাভাবিক ছন্দ। কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও ভয়াবহ খরা, কোথাও দীর্ঘ তাপপ্রবাহ — সবকিছুর পিছনেই দেখা যায় এই সমুদ্রতাপের প্রভাব।

২০২৬ সালে বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলেছে “কেলভিন ওয়েভ” নামে পরিচিত উষ্ণ জলের স্রোত। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিজ ডট ওআরজি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর স্তর থেকে বিপুল পরিমাণ তাপ পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। এই উষ্ণ জলের ঢেউ যদি আরও শক্তিশালী হয়, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। এনওএএ জানিয়েছে, এল নিনো তৈরির সম্ভাবনা ইতিমধ্যেই ৮০ শতাংশের বেশি এবং বছরের শেষ পর্যন্ত তা বজায় থাকার সম্ভাবনাও অত্যন্ত বেশি।

আবহাওয়াবিদরা সাধারণত “নিনো ৩.৪” অঞ্চলের তাপমাত্রা দিয়ে এল নিনো-র শক্তি বিচার করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলের তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে, তখন সেটিকে শক্তিশালী এল নিনো ধরা হয়। বর্তমানে কয়েকটি আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের শেষের দিকে এই তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের ভয়াবহ এল নিনো-র সময়ও প্রায় একই ধরনের সমুদ্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ মৌসুমি বৃষ্টি। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর ওপর নির্ভরশীল। এল নিনো সাধারণত এই মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে বর্ষা দেরিতে ঢোকে, বৃষ্টির পরিমাণ কমে যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলতে পারে। ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালের গরমে দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং ওড়িশার একাধিক এলাকায় ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে কৃষিক্ষেত্রে। ধান, ডাল, আখ, গমের মতো ফসলের উৎপাদন সরাসরি বর্ষার ওপর নির্ভর করে। বৃষ্টি কম হলে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহার হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে সেচ খরচ বাড়ে এবং বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ভারতের বহু অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও বর্ষার জলের ওপর নির্ভরশীল। ফলে একদিকে তীব্র গরমে বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়বে, অন্যদিকে উৎপাদনে চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রয়টার্স এবং ফরচুন-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শক্তিশালী এল নিনো এশিয়ার একাধিক দেশে খাদ্য উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। একই সময়ে পশ্চিম এশিয়ার জ্বালানি অস্থিরতা তেলের আন্তর্জাতিক বাজারকে আরও অস্থির করে তুলছে। ভারত যেহেতু বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তাই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে পরিবহণ খরচ, বিদ্যুতের দাম এবং খাদ্যমূল্যে।

বিজ্ঞানীদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হল সমুদ্রের লবণাক্ততার পরিবর্তন। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশে বেশি লবণাক্ত জল জমা হলে তা সমুদ্রস্রোতের ভারসাম্য বদলে দেয়। এর ফলে উষ্ণ জল আরও দ্রুত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং চরম এল নিনো তৈরির সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। এই কারণেই ২০২৬ সালের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মহলে এত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

🤔🤔🤔কেন টানা ৩ মাস ধরে জ্বলেছিল নালন্দার ৯ কোটি বই? 📚🔥ভাবা যায়, একটি লাইব্রেরিতে এত বই ছিল যে তা পুড়িয়ে শেষ করতে আক্রমণকা...
29/05/2026

🤔🤔🤔কেন টানা ৩ মাস ধরে জ্বলেছিল নালন্দার ৯ কোটি বই?

📚🔥ভাবা যায়, একটি লাইব্রেরিতে এত বই ছিল যে তা পুড়িয়ে শেষ করতে আক্রমণকারীদের তিন মাস সময় লেগেছিল! আজ থেকে প্রায় ৮০০ বছর আগে, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জ্ঞানপীঠ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে এভাবেই ছাই করে দেওয়া হয়েছিল।কারা ছিল সেই ধ্বংসকারী?

👉১১৯৩ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি নালন্দা আক্রমণ করেন। কথিত আছে, খিলজি একবার মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং কোনো হেকিম তাকে সুস্থ করতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত নালন্দার আয়ুর্বেদ বিভাগের প্রধান রাহুল শ্রীভদ্র তাকে সুস্থ করে তোলেন। কিন্তু খিলজি কৃতজ্ঞ হওয়ার বদলে ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েন—কীভাবে একজন ভারতীয় বৈদ্য তার হেকিমদের চেয়ে বেশি জ্ঞানী হতে পারেন?এই অন্ধ আক্রোশ থেকেই তিনি নালন্দার বিশাল লাইব্রেরি 'ধর্মগঞ্জ'-এ আগুন লাগিয়ে দেন। যেখানে সংরক্ষিত ছিল কয়েক হাজার বছরের অমূল্য পাণ্ডুলিপি, বিজ্ঞান, গণিত আর দর্শনের জ্ঞান। হাজার হাজার বৌদ্ধ ভিক্ষু ও পণ্ডিতকে হত্যা করা হয় সেই দিন।নালন্দার সেই ধোঁয়া শুধু বই পোড়ার ধোঁয়া ছিল না, তা ছিল একটি সভ্যতার জ্ঞানভাণ্ডার ধ্বংস হওয়ার হাহাকার।আপনার কি মনে হয়, নালন্দা ধ্বংস না হলে আজ ভারত তথা বিশ্বের ইতিহাস কি অন্যরকম হতো? কমেন্টে আপনার মতামত জানান!

✍️✍️✍️উৎস:

১. ফারসি ঐতিহাসিক দলিল: 'তাবাকাত-ই-নাসিরি' (Tabaqat-i Nasiri)এটি নালন্দা ধ্বংসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক উৎস। ১২৬০ খ্রিস্টাব্দের দিকে পারস্যের ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজ জুজজানি এটি লিখেছিলেন।•এই বইতে উল্লেখ আছে যে, বখতিয়ার খিলজি বিহারের একটি 'দুর্গ' (যা আসলে ওদন্তপুরী বা নালন্দার মতো মহাবিহার ছিল) আক্রমণ করেন।•সেখানে প্রচুর বই বা পাণ্ডুলিপি পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু সেগুলো পড়ার মতো কোনো বৌদ্ধ ভিক্ষু জীবিত ছিলেন না, কারণ খিলজির বাহিনী সবাইকে হত্যা করেছিল।

২. তিব্বতি ভ্রমণকারীর বিবরণ: 'ধর্মস্বামী' (Dharmasvamin)তিব্বতি বৌদ্ধ ভিক্ষু ধর্মস্বামী ১২৩৪-১২৩৬ খ্রিস্টাব্দের দিকে নালন্দা ভ্রমণ করেছিলেন।তিনি তাঁর ডায়েরিতে নালন্দার ধ্বংসাবশেষের করুণ বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি দেখেছিলেন কীভাবে তুর্কি সৈন্যরা বারবার আক্রমণ চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল।•তিব্বতি ঐতিহ্য থেকেই মূলত নালন্দার বিশাল লাইব্রেরি 'ধর্মগঞ্জ' এবং এর তিনটি প্রধান ভবন (রত্নসাগর, রত্নোদধি ও রত্নরঞ্জক) সম্পর্কে জানা যায়।

৩. ৩ মাস ধরে আগুন জ্বলা' এবং 'খিলজির অসুস্থতা'র কাহিনীএই নির্দিষ্ট তথ্যগুলো মূলত প্রচলিত ইতিহাস এবং কিছু পরবর্তীকালীন ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।•৯ কোটি বই: তিব্বতি সূত্র অনুযায়ী নালন্দার লাইব্রেরিতে কয়েক মিলিয়ন পাণ্ডুলিপি ছিল। বইয়ের এই বিশাল সংখ্যার কারণেই বলা হয় যে আগুন নেভাতে ৩ মাস সময় লেগেছিল।•খিলজির অসুস্থতা: খিলজির অসুস্থ হওয়া এবং রাহুল শ্রীভদ্রের কাছে চিকিৎসা নেওয়ার কাহিনীটি অনেক ঐতিহাসিক 'জনশ্রুতি' বা 'ট্রেডিশনাল অ্যাকাউন্ট' হিসেবে দেখেন। এটি মূলত খিলজির ধ্বংসলীলার পেছনে একটি মনস্তাত্ত্বিক কারণ (ঈর্ষা) ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

🫥🫥🫥যদিও খিলজির আক্রমণের বিষয়টি ঐতিহাসিক সত্য (মিনহাজ-ই-সিরাজের বর্ণনা অনুযায়ী), তবে ৩ মাস আগুন জ্বলা বা চিকিৎসার কাহিনীটি ইতিহাসের সাথে লোককথার একটি মিশ্রণ হতে পারে, যা এই ঘটনাটিকে আরও বেশি নাটকীয় ও স্মরণীয় করে তুলেছে।

সংগৃহীত..

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা পরিবর্তনের পেছনে ২০১১ সালেও CIA এর হাত ছিল 😳!! প্রকাশিত রিপোর্টে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে CIA এর এজে...
29/05/2026

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা পরিবর্তনের পেছনে ২০১১ সালেও CIA এর হাত ছিল 😳!! প্রকাশিত রিপোর্টে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে CIA এর এজেন্ট বলা হচ্ছে—:

গত সপ্তাহে আজ তক বাংলার একটা খবর দেখে আমি প্রথমে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাই, তারপর ধাতস্থ হয়ে ভাবি হতেই পারে, বহু বছর ধরে ভারতের সাথে তো এটাই হয়ে এসেছে। কিন্তু সেই খবরের বিষয়ে পোস্ট করা নিয়ে আমি একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম কারণ বিষয়টা মারাত্মক স্পর্শকাতর। কিন্তু গতকাল আমি আমেরিকার secretary of state–Marco Rubio এর ভারতে এসে দিল্লি না গিয়ে সোজা কলকাতাতে মিশনারিজ অফ চারিটি তে যাওয়া নিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম। সেই পোস্টে কমেন্টে অনেকেই সেই কথাগুলো লিখেছেন যেটা আজ তক বাংলাতে দেখে আমি অবাক হয়ে গেছিলাম। আজ তক বাংলার খবরে কিছু গোপন ডকুমেন্টের সাথে যে রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে তাতে অভিযোগ হল ২০১১ সালে লাল শিবিরের পতন ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সবুজ শিবিরের জয়ের পেছনে CIA এর হাত ছিল —গুরুতর অভিযোগ!! দেখা যাক কোন প্রেক্ষাপটে CIA কিভাবে বিষয়টি ঘটিয়েছিল বলে এই রিপোর্টে বলা হচ্ছে।

২০০৮ সালে Left Front কেন্দ্রীয় United Progressive Alliance সরকারের সমর্থন তুলে নেওয়ার ফলে বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়, তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন Manmohan Singh। মতবিরোধের কারণ হলো India–United States Civil Nuclear Agreement ছিল ভারত ও আমেরিকার মধ্যে একটি বড় চুক্তি। চুক্তির আলোচনা শুরু হয় ২০০৫ সালে, আর ২০০৮ সালে এটি কার্যকর হওয়ার পথে এগোয়। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল—আমেরিকা ভারতের সঙ্গে পারমাণবিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি নিয়ে কাজ করবে, যাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো যায়।
কিন্তু তখন ভারতের বামপন্থী দলগুলো, বিশেষ করে Communist Party of India (Marxist) এবং Left Front এই চুক্তির বিরোধিতা করে। তাদের আশঙ্কা ছিল, এই চুক্তির ফলে ভারত আমেরিকার উপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে এবং দেশের স্বাধীন বিদেশনীতি দুর্বল হবে। তারা আরও বলেছিল, আমেরিকা ভবিষ্যতে ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সেই সময় ইউপিএ সরকারের নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। বামফ্রন্ট বাইরে থেকে সমর্থন দিত। তীব্র মতবিরোধের ফলে শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালে বামফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থন তুলে নেয়। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন Buddhadeb Bhattacharjee – তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন, এই চুক্তি ভারতের সার্বভৌমত্বের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে। সমর্থন তুলে নেওয়ার পরে সরকার লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিতে পড়ে। ফলে সরকার টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এরপর ২০০৮ সালের জুলাই মাসে লোকসভায় Trust Vote হয়। সরকার অল্প ব্যবধানে ভোটে জিতে যায় এবং ক্ষমতায় টিকে থাকে। এই ঘটনাকে তখন ভারতের রাজনীতিতে খুব বড় ও নাটকীয় ঘটনা হিসেবে দেখা হয়েছিল। এই ঘটনায় বাম নেতৃত্ব আমেরিকা তথা CIA এর চক্ষুশূল হয়, তারা বুঝতে পারে পারমাণবিক চুক্তিসহ আরো যত ধরনের চুক্তি আমেরিকা ভারতের সাথে করতে চাইবে তাতে বামপন্থীরা বাধার সৃষ্টি করবে। সে কারণে তারা পরিকল্পনা করতে থাকে পশ্চিমবঙ্গে কিভাবে বামেদের পতন ঘটানো যায়।

পরের বছর অর্থাৎ ২০০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচন হয়েছিল, সেই সময় Mamata Banerjee-র নেতৃত্বে All India Trinamool Congress কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে ভোটে লড়ে। এই ভোটে তৃণমূলের বড় সাফল্য আসে, পশ্চিমবঙ্গের মোট ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জেতে ১৯টি আসন, কংগ্রেস জেতে ৬টি আসন অর্থাৎ জোট মোট ২৬টি আসন পায়। অন্যদিকে বামফ্রন্ট বড় ধাক্কা খায়, তারা পায় মাত্র ৯টি আসন আরপুরো বামফ্রন্ট মিলে পায় ১৫টি আসন। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল দেখে CIA মমতা ব্যানার্জিকে তাদের তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয় বলে এই রিপোর্টে বলা হচ্ছে। সেখানে আরো বলা হচ্ছে যে একটা ভোট লড়তে কোটি কোটি টাকার প্রয়োজন হয়, যা মমতা ব্যানার্জির কাছে সেই মুহূর্তে ছিল না–CIA এর টাকা দিয়ে সংগঠিত ভাবে তিনি ভোট লড়তে পেরেছিলেন। তারপর ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে আসে। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো এই রিপোর্টে মিশনারিদের মাধ্যমে যে বিপুল অংকের টাকা পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছে সেটাও বলা হয়েছে। আর এই একই সপ্তাহে Marco Rubio ভারতে এলেন এবং মিশনারীতে দেখা করার জন্য দৌড়লেন তা আবার এমন একটা মিশনারী যার লাইসেন্স একবার রদ করা হয়েছিল।

এই বিষয়ে আরো একটু ঘাঁটাঘাঁটি করতেই জানলাম ২০১২ সালের ৭ মে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Hillary Clinton কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে Mamata Banerjee-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। Dipanwita Kar এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গে মার্কিন বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিল্পোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা। তিস্তা জলচুক্তি ও খুচরো বাণিজ্যে বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) নিয়েও রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে আলোচনা হয়েছিল বলে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম জানায়। কিন্তু এই ব্যাপারটাও কেমন যেন ইঙ্গিতপূর্ণ বলে আমার মনে হল যদিও এই ঘটনার কথা ওই রিপোর্ট এ বলা হয়নি। তার ওপর আবার মার্কিন বিদেশমন্ত্রী Marco Rubio ভারতে এসে আগে কলকাতাতে Missionaries of Charity তে চরণধূলি দেওয়ার কারণে উঠছে নানা প্রশ্ন। তাঁর নানদের সঙ্গে সাক্ষাতের খবর সবাই দেখেছে, কিন্তু এরপর দুই নান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-এর সঙ্গে দেখা করেছেন বলে অনেকে দাবি করছেন। যদিও আমি এই খবরটা বিশেষ কোথাও দেখলাম না, কারোর কাছে লিংক থাকলে দেবেন প্লিজ। তবে একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কিভাবে বার বার দিল্লি হিলিয়ে দেব অথবা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী গৃহমন্ত্রী কে নানারকম ধমকানি মূলক কথাবার্তা কিভাবে বলতেন সেই প্রশ্ন অনেক সময় মনে জাগত। আজতক বাংলার ভিডিওটা দেখলে এরকম অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে

তবে একটা বিষয় স্বীকার করতেই হবে যে জনসাধারণ যখন সরকারের ওপর অসন্তুষ্ট হয় তখনই এসব বিদেশি শক্তি গুলো চক্রান্ত করার সুযোগ পায়। আর ২০১০-১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের ওপর মানুষ যে কি পরিমাণ বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠেছিল সেটা আজ আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। স্বাধীন বাংলা অথবা খ্রিস্টান রাষ্ট্র তৈরি করার জন্য CIA যতই মদত দিক না কেন, অর্থ ব্যয় করুক না কেন পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের জনতা যদি রুখে দাঁড়ায় তাহলে যত বড় বিদেশী শক্তি হোক না কেন তার কিছু করার ক্ষমতা থাকবে না। এই যে ২০২৬ এ পশ্চিমবঙ্গে আবার পালা বদল হলো এটা কিন্তু অনেক টাকা ঢেলে অনেক চেষ্টা করেও CIA আটকাতে পারল না —মানুষের অসন্তোষের কারনে। অতএব পশ্চিমবঙ্গবাসী তথা ভারতবাসী দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে ছোট্টবেলার পড়া সেই কথাটা মনে রাখতে হবে, জাতি ধর্ম বর্ণ বিভেদ, ব্যক্তিগত স্বার্থের মোহে অন্ধ হয়ে ভুললে চলবে না যে—একতাই শক্তি।

🖋️দীপান্বিতা কর

কথাগুলো যুক্তিযুক্ত মনে হলে পোস্টটি লাইক এবং কপি পেস্ট না করে শেয়ার করতে পারেন…. ধন্যবাদান্তে🙏।

পুনশ্চ--:সাধারনত যেসব খবর দেশে অথবা রাজ্যে চর্চায় থাকে সেই সব বিষয়ে আমি লিখি বলে কখনোই সোর্স শেয়ার করি না। কিন্তু এই বিষয়টা অত্যন্ত স্পর্শকাতর, সে কারণে সোর্স কমেন্টের লিংকে দিলাম কেউ চাইলে ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন।

🤔🤔🤔ভাববার বিষয়:  ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কীভাবে ইতিহাস বিকৃত করেছেন এবং আমাদের এক মুসলিম-বান...
28/05/2026

🤔🤔🤔ভাববার বিষয়: ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কীভাবে ইতিহাস বিকৃত করেছেন এবং আমাদের এক মুসলিম-বান্ধব ইতিহাস পরিবেশন করেছেন -

🫡🫡🫡ভারতের ইতিহাস সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতা থেকে শুরু হয় না, বরং সরযূ নদীর তীর থেকে শুরু হয়, যেখানে মহর্ষি মনু তাঁর মানবতা উপলব্ধি করেছিলেন এবং মানব সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল।

🤫🤫🤫রামায়ণ ও মহাভারত হিন্দু ধর্মগ্রন্থ হতে পারে, কিন্তু শিক্ষাগতভাবে, এগুলো ভারতের ইতিহাস, যা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

😈😈😈আরবরা সিন্ধু জয় করেছিল বটে, কিন্তু বাপ্পা রাওয়াল তাদের মারতে মারতে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু, কেবল আরবদের বিজয়ের কথাই পড়ানো হয়, আর বাপ্পা রাওয়ালকে গল্পের করুণার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়।

🫥🫥🫥এই ব্যবস্থা অনুসারে, সম্রাট পুরু যে সিকান্দার কে থামিয়েছিল তা পড়ানোর প্রয়োজন ছিল না, কিন্তু আলাউদ্দিন খিলজি যে মোঙ্গলদের থামিয়েছিলেন, সেই তথ্যটি স্মৃতি থেকে লেখা হয়েছিল❓

😉😉😉বাবর থেকে ঔরঙ্গজেব পর্যন্ত প্রত্যেক সম্রাটের জন্য আলাদা অধ্যায় রয়েছে, অথচ মুঘলদের ইতিহাসের ভারতের বর্তমানের উপর তেমন কোনো প্রভাব নেই❓

👁️👁️👁️1707 সাল পর্যন্ত মুঘলদের ইতিহাস পড়ানো হয়েছে, কিন্তু তারপর তারা চালাকি করে ব্রিটিশদের টেনে এনে 1757 সালের পলাশীর যুদ্ধের কথা লিখেছে। এত তাড়াহুড়ো কিসের ছিল, স্যার❓ আপনি তো 1737 সালে পেশোয়া বাজিরাওয়ের হাতে মুঘলদের পরাজয়ের কথাও পড়াতে পারতেন।

🤫🤫🤫 1757 সালে মুঘল সাম্রাজ্য মারাঠা সাম্রাজ্যের সাথে একীভূত হয়েছিল, কিন্তু এর জোরপূর্বক সমাপ্তি পড়ানো হয় 1857 সালে। 1757 থেকে 1803 সাল পর্যন্ত মুঘলরা মারাঠা সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল এবং 1803 থেকে 1857 সাল পর্যন্ত তারা ব্রিটিশদের অধীনে ছিল। 1757 সালের পর কোনো মুঘল সালতানত ছিল না।

🧐🧐🧐মারাঠারা পানিপথের যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল, কিন্তু সেটি তাদের শেষ যুদ্ধ ছিল না। তারা আবার জেগে উঠেছিল এবং ব্রিটিশদের পরাজিত করেছিল। আপনারা এটা কবে পড়াবেন❓ শুধুমাত্র পানিপথের যুদ্ধ পড়ানো হতো এই ধারণা দেওয়ার জন্য যে হিন্দুরা প্রতিটি যুদ্ধে হেরেছিল, অথচ যুদ্ধের পর মহাদজি সিন্ধিয়া আফগানদের নির্মমভাবে পরাজিত করেছিলেন।

😑😑😑 বলবন, ফিরোজ শাহ তুঘলক এবং বহলল লোদি সম্পর্কে লিখতে যে পরিমাণ কাগজ নষ্ট হয়েছে, তা মহাদজি সিন্ধিয়া, নানা ফড়নবীশ এবং টুকোজি হোলকারের বর্ণনা দিতে ব্যবহার করা যেত।

🙏🙏🙏ভারত ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল, দাস ছিল না।

😉😉😉 ভারত 129 বছর ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল, 200 বছর নয় (1818 সালে মারাঠা সাম্রাজ্যের পতন থেকে 1947 সালে কংগ্রেস শাসনকাল পর্যন্ত)।

🫡🫡🫡 ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ 1857 সালের বিপ্লবের চেয়েও বড় ছিল, তাই এর বর্ণনা প্রথমে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত ছিল, কিন্তু টিপু সুলতানকে কেন্দ্র করে আলোচনা হওয়ায় তা বাদ পড়েছে।

🥹🥹🥹 1947 সালে দুটি নয়, কেবল একটি জাতির উত্থান হয়েছিল। ভারত শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিকাশমান এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে। আপনি যদি অতিরিক্ত সেকুলার হন, তবে অন্যান্য সন্ত্রাসী রাষ্ট্রগুলো নিয়ে চিন্তা করুন; তারা মানচিত্রে কেবলই এক ক্ষণস্থায়ী অতিথি।

😵‍💫😵‍💫😵‍💫 ভারত 1962 সালে চীনের কাছে পরাজিত হয়েছিল, কিন্তু 1957 সালেও চীনকে পরাজিত করেছিল। এই শিক্ষা কে দেবে?

🫥🫥🫥 সমাজবিজ্ঞানে 'ভারত ও সন্ত্রাসবাদ' নামে একটি পাঠ আছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেগুলোর পেছনের ইসলামিক কারণগুলো শেখানো হয় না।

🤔🤔🤔আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা খুব রক্ষণশীল হয়ে পড়েছে, তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। তারা কেবল দায়িত্বে থাকার চেয়েও ভারতীয় শিক্ষার প্রতি বেশি উদ্বিগ্ন এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

😜😜😜 মুসলিম তোষামোদি রাজনৈতিক দল কংগ্রেস নামক পার্টিটি ভারত ব্রিটিশ চক্রান্ত থেকে মুক্ত হওয়ার পরও ছলনার মাধ্যমে হিন্দুদের দবিয়ে রাখার সম্পূর্ণ প্রয়াস করে গেছে।👿 তাই তা শুধু পাঠ্যপুস্তকে সীমাবদ্ধ ছিল না ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে ও তার প্রভাব দেখা গেছে🧞🧞🧞
#সংগৃহীত

🤣গতকাল মধ্যরাতে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে একটি পাকিস্তান স্থল সেনার সেনা/অস্ত্রবাহী ...
25/05/2026

🤣গতকাল মধ্যরাতে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে একটি পাকিস্তান স্থল সেনার সেনা/অস্ত্রবাহী সামরিক ট্রেনে বড় IED বিস্ফোরণ ঘটেছে যাতে ট্রেনটির অর্ধেক অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। পাক সেনার ISPR ও পাক অন্তরবর্তী মন্ত্রলয় মতে এই IED বিস্ফোরনে মত ২০ জন পাক স্থল সেনার সদস্য/পরিবারের সদস্য শহীদ হয়েছে এবং ৭০ জন আহত হয়েছে। বিস্ফোরণের পরে স্থানীয় নাগরিকদের মতে ট্রেন স্টেশনের আশেপাশে গুলিবর্ষণ বা ছোট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ঘটনার পরেই বালুচিস্তান প্রদেশিক পুলিশ, বালুচ স্কাউট আধাসেনা ও পাকিস্তান স্থল সেনা এলাকার ঘেরাবন্দী করে স্থানীয় সড়ক গুলিতে নাকা চেকিং শুরু করে।বালুচিস্তান প্রদেশিক দমকল ব্যাবস্থা, অ্যাম্বুলেন্স ও সিভিল উদ্ধারকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। রেড ক্রস পাকিস্তান থেকেও সাহায্য পাঠানো হয় বিস্ফোরণ স্থলে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে অনলাইন ভিডিও দ্বারা। তারা এটাকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও সরকারের বিরুদ্ধে একটা আত্মঘাতী হামলা বলে দাবী করেছে। যদিও পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা MID বা ISI সহ পাক সেনাবাহিনীর ISPR কিছু জানায়নি এই বিস্ফোরণের জন্য দায়ী কারা/🤣

“গরু কোরবানি ঈদ-উল-আজহার অপরিহার্য ধর্মীয় অংশ নয়”এবং“ইসলামে গরু কোরবানি বাধ্যতামূলক নয়।” —কলকাতা হাইকোর্ট!
22/05/2026

“গরু কোরবানি ঈদ-উল-আজহার অপরিহার্য ধর্মীয় অংশ নয়”
এবং
“ইসলামে গরু কোরবানি বাধ্যতামূলক নয়।” —কলকাতা হাইকোর্ট!

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিন্দু জাগরণ মঞ্চ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share