CPDHR

CPDHR Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CPDHR, Non-Governmental Organization (NGO), KOLKATA.

C.P.D.H.R (Committee For Protection of Democratic & human rights)
Human Rights Organization
Contact Us: +919836355584/+916290719930/+919830856719
Email ID: [email protected]

পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার রক্ষা সমিতিদক্ষিণ 24 পরগনা জেলা কার্যালয়বাদামতলার পক্ষ থেকে রবীন্দ্র নগর থানার নতুন...
03/03/2024

পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার রক্ষা সমিতি
দক্ষিণ 24 পরগনা জেলা কার্যালয়
বাদামতলার পক্ষ থেকে রবীন্দ্র নগর থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ জনাব মুকুল মিয়া মহাশয়কে সংবর্ধনা জানানো হলো।

স্মার্ট মিটার কখনোই বসাতে দেব না -- লড়াইটা যদি এই দাবীতে হয় তাহলে কিন্তু বুমেরাং হয়ে যাবে। লড়াইটা কখনও-ই স্মার্ট মিটারের...
02/10/2023

স্মার্ট মিটার কখনোই বসাতে দেব না -- লড়াইটা যদি এই দাবীতে হয় তাহলে কিন্তু বুমেরাং হয়ে যাবে। লড়াইটা কখনও-ই স্মার্ট মিটারের বিরুদ্ধে না। লড়াইটা স্মার্ট মিটারকে যে উদ্দেশ্য ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে তার বিরুদ্ধে। লড়াইটা হল বিদ্যুতের মত একটি অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীকে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের সম্পূর্ণ বাইরে নিয়ে এসে পুরোপুরি মুনাফা অর্জনের জন্য একটি পণ্যে রূপান্তরিত করার বিরুদ্ধে। বিষয়টি কিন্তু প্রথমেই পরিস্কার থাকা দরকার, অন্যথায় অফিসে প্রথম কমপিউটার আসার সময় বামেরা যে আন্দোলন করেছিল তার মত ভুলবোঝাবুঝির একটা জায়গা তৈরি হবে।

স্মার্ট মিটার একটি আধুনিক যন্ত্র বা Device.। এই স্মার্ট মিটার ইন্টারনেট সংযোগ এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই অ্যাপ থেকে জানা যাবে বিদ্যুতের ব্যবহার ও বিলসংক্রান্ত তথ্য। গ্রাহকরা অ্যাপের মাধ্যমেই মোবাইল রিচার্জ করার মত রিচার্জ করতে পারবেন। এই স্মার্ট মিটার প্রযুক্তিতে বিভিন্ন রকমের অপশন আছে। এইবার প্রশ্ন হল আপনি এই প্রযুক্তির ব্যবহার কোন উদ্দেশ্য নিয়ে করবেন। যদি উদ্দেশ্য থাকে মুনাফা তাহলে প্রিপেইড রিচার্জ করার অপশনকে বেছে নেওয়া হবে। মোবাইল এর মত টাকা শেষ হওয়ার সাথে সাথে আপনার বাড়ি বিদ্যুতহীন হয়ে পরবে। আবার টাকা ভোরুন, আলো জ্বলে উঠবে, পাখা চলবে, এসি চলতে শুরু করবে। যদি উদ্দেশ্য থাকে আরও আরও মুনাফা তাহলে বাজারের নিয়ম অনুসারে বিদ্যুতের চাহিদা যে সময়টুকুতে বৃদ্ধি পাবে (পিক লোড থাকাকালীন) তখন ইউনিট চার্জও বৃদ্ধি করা হবে উবের ওলার গাড়ি ভাড়ার মত। অফিস টাইমে চারশো টাকা তো দুপুরে ঐ একই রাস্তা আড়াইশো টাকা। সবটাই বাজার ঠিক করে দেবে। প্রচণ্ড গরমে রাতে ঘুমাতে পারছেন না। সবাই পাকা;এসি চালিয়েছে। লোড ভিমাণ্ড হাই। আপনার ইউনিট রেটও বেড়ে গেছে। হুহু করে আপনার টাকা শেষ হয়ে আসছে। মাঝ রাতে দেখলেন আপনার পাখা থেমে গেল। টাকা শেষ। আবার আন্ধকারে মোবাইল থেকে স্মার্ট মিটার রিচার্জ কর। তারপর পাকা এসি সব চলা শুরূ হবে। ঘুম কিন্তু আসবে না। কারণ মাইনা যা জমা পরেছিল ব্যাঙ্কে তাও শেষ। বাকি দিনগুলি কি করে চলবে আপনি জানেন না। রাগটা গিয়ে পরবে স্মার্ট মিটারের উপর। কিন্তু আমি আপনাদের বলছি দয়া করে স্মার্ট মিটারকে ভিলেন বানাবেন না। স্মার্ট মিটারের কোন দোষ নেই। যত দোষ সব হল এই পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থাটার। মানুষকে শোষণ না করে এই দৈত্য বাঁচতে পারে না।

একদিন এই স্মার্ট মিটারই ভিলেন থেকে নায়ক হয়ে উঠবে। মূলত ফসিল ফুয়েলই এখনও বিদ্যুতের উৎস। অতি দ্রূত মাটির তলার কয়লা ফুরিয়ে আসছে। এর সাথে আছে বয়লারে কয়লা পোড়ানোর সময় বাতাসে যে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস মিশছে তা দ্রুত বাতাসকে মানুষের বসবাসের অনুপযুক্ত করে তুলছে। তাই যত কম বিদ্যুত শক্তি খরচ করবেন, তত প্রকৃতি দূষণের হাত থেকে বাঁচবে। যদি আপনার উদ্দেশ্য থাকে ভালো, তাহলে এই স্মার্ট মিটারকে সেই কাজে লাগাতে পারেন। বিদ্যুত রেশনিং করা হবে। পরিবার প্রতি এত ইউনিট। যদি তার আগে বেশি খরচ করে ফেল তো অন্ধকারে থাকো। পৃথিবীটা তো বাঁচুক।

এই স্মার্ট মিটার প্রযুক্তিতে মিটারের সামনে যাওয়ার দরকার নেই। মোবাইল অ্যাপে গ্রাহক এবং সরবরাহকারী তার অফিসে বসে প্রতি মুহূর্তে কত ইউনিট খরচ হয়েছে, কতটাকা বাকি আছে, ঠিক এই মুহূর্তে তার লোড কত, এই লোডে চললে আর কত ঘন্টা চলবে এই সব তথ্য পেয়ে যাবেন। এতে অবশ্যই বিদ্যুতের সাশ্রয় হবে। তাহলে কি দাঁড়াল সমস্যা স্মার্ট মিটার প্রযুক্তি না। সমস্যা কি উদ্দেশ্য এইটি ব্যবহার করা হবে। সমস্যা হল এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে পুঁজিপতিরা কেবল তাঁদের মুনাফা বৃদ্ধি করতে কাজে লাগাই। তাই এই ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে না পারলে কিছুতেই কিছু করতে পারবেন না।

তাহলে কি বিদ্যুত নিয়ে এই আন্দোলনের দরকার নেই? অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু মূল দাবীটা "স্মার্ট মিটার বসাতে দেব না" এইটা যেন না হয়। বিদ্যুতের বেসরকারিকরণ মানছি না -- এটাই হোক দাবী।

পুঁজিবাদকে বাঁচাতে প্রথমে গ্যাট চুক্তি পরে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার ও বিশ্বব্যাঙ্কের সাহায্য সমগ্র বিশ্বে উদার অর্থনীতি চালু করা হয়। ভারতও তাতে যোগ দেয়। শুরু হয় বেসরকারিকরণের পথে হাঁটা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণপরিবহন, বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্ত কিছু নিয়ে শুরু হয় ব্যবসা। বিশ্বব্যাঙ্কের শর্ত মেনে সরকার সব কিছু থেকে ভর্তুকি তুলতে থাকে।

২০০৩ সালেই পাশ হয় নতুন বিদ্যুৎ আইন । এই আইন সেদিন দেশের বিদ্যুৎ বন্টন ক্ষেত্রের সামগ্রিক বেসরকারীকরনের সব রাস্তাই খুলে দিয়েছিল। ২০১৪ মোদী সরকার রাজ্যগুলিতে সরকারী বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থা ধ্বংস করে বেসরকারী কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল পাশ করানোর চেষ্টা করেন। চাপের মুখে সেই আইন পাশ করাতে না পেরে রিভ্যাম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কীম (আরডিএসএস) নামে একটি স্কিম চালু করেন। বর্তমানে এই স্কিম অনুযায়ী কাজ চলছে।

স্মার্ট মিটারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। শুধু ভারত না, অন্যন্য দেশেও স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ চলছে। আমাদের দেশে বাম শাসিত কেরল বাদে সব রাজ্যে ৩ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করে এই স্মার্ট মিটারিং স্কীমের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

লড়াই হোক। কিন্তু সবার কাছে সবটা পরিস্কার থাকুক। আসল শত্রু স্মার্ট মিটার প্রযুক্তি না। এই প্রযুক্তিকে আটকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আটকানোটাও মার্কসবাদ সন্মত না। মূল শত্রু মমতা, মোদী, বিশ্বব্যাঙ্ক, আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার, উদারঅর্থনীতি।আসলে মূল শত্রু পুঁজিবাদ। আন্তর্জাতিক পুঁজি আজ এতটাই শক্তিশালী যে তার বিরুদ্ধে কেরলের মত একটি ভিন্ন পথে চলা রাজ্য সরকার খড় কুটোর মত একদিন উড়ে যাবে। সমগ্র বিশ্বের সাধারণ মানুষ এককাট্টা হয়ে যতদিন না ঐ বিশ্বব্যাঙ্ক আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার থেকে শুরু করে বহুজাতিক সংস্থা গুলির বন্ধ করে দিতে না পারছে ততদিন এ লড়াই থামবে না।
সংগৃহীত Shaymal Mukharjee

Congratulations ma'am
04/09/2023

Congratulations ma'am

Missing
03/09/2023

Missing

Congratulations to us,   We Indians         It's Proud moment for us             We are on the MOON
23/08/2023

Congratulations to us,
We Indians
It's Proud moment for us
We are on the MOON

বর্তমান সময়ে এই প্রতিকী ছবিটি খুবই প্রাসঙ্গিক.. আমি দূরে কোথাও নজর রাখিনা.. আমার নজর আমার এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ... কারণ...
14/07/2023

বর্তমান সময়ে এই প্রতিকী ছবিটি খুবই প্রাসঙ্গিক.. আমি দূরে কোথাও নজর রাখিনা.. আমার নজর আমার এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ... কারণ আমি বিশ্বাস করি গঠনমূলক কাজ করতে হলে নিজের ঘর থেকেই সেটা আরম্ভ করতে হয়।

আমাদের এলাকার অধিকাংশ বেসরকারি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল শিক্ষার ক্ষেত্রকে ব্যবসার রূপ দিয়েছে। আমরা সাধারণ অভিভাবকরা বুঝতে পেরেছি যে আগামী দিনে চলার পথে প্রত্যেক পদক্ষেপে শিক্ষার প্রয়োজন তাই আমরা আমাদের ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতে, আগামীতে তাদের চলার পথকে নির্মল করতে তাদের সু শিক্ষার উদ্দেশ্যে পকেট ভর্তি টাকা নিয়ে এই সব স্কুল গুলোতে দৌড়াচ্ছি... কিন্তু আমরা সে ক্ষেত্রে স্কুলের মান যাচাই করতে পারছিনা শুধু পাশের বন্ধু, আত্মীয়, প্রতিবেশী দের দেখে স্কুল নির্বাচন করছি। কিন্তু 10-12 বছর পড়ার পর আমার, আপনার বাড়ির ছেলে মেয়েরা কতো টা শিক্ষা অর্জন করলো, আগামী দিনের জন্য তারা নিজেদের শিক্ষার ঝুলিতে কতোটা পুঁজি সঞ্চয় করতে পারলো এই সব স্কুল থেকে.. সে সব ভাবছি না..

এক্ষেত্রে আমাদের এলাকার শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের একাংশ সব জেনে শুনে ও অভিভাবকদের সঠিক
পরামর্শ দেন না। তারা চাইলে আমাদের এলাকার অভিভাবকদের গাইড করতে পারেন।
বিঃ দ্রঃ আমার ফ্রেণ্ড লিস্টে অনেক সু শিক্ষিত, শিক্ষক/শিক্ষিকা আছেন, যাঁদের যথেষ্ট জ্ঞান আছে শিক্ষা ব্যাবস্থা সম্পর্কে,তারা এ বিষয় নিজেদের গা বাঁচিয়ে চলেন। তারা এলাকার শিক্ষার এই কালো দিক বা শিক্ষা নিয়ে কালোবাজারি দের বিপক্ষে কোনো আওয়াজ তোলেন না। এটা খুব দুঃখের বিষয়।

সংগৃহীত।।

METIABRUJ SEVA SADAN HOSPITAL
24/06/2023

METIABRUJ SEVA SADAN HOSPITAL

06/05/2023

⭕এমনটা কখনো দেখেছেন? মমতা ব্যানার্জী বিজেপির দেওয়াল লিখনে গোবর লেপে দিয়েছেন অথবা দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের পতাকা ছিঁড়ে দিয়েছেন, কিংবা সূর্যকান্ত মিশ্র ছাপ্পা ভোট দিচ্ছেন। অভিষেক ব্যানার্জীর সাথে অধীর চৌধুরী বাবুল সুপ্রিয়র মারামারি হচ্ছে, দেখেননি তাই তো? হ্যাঁ বড় নেতাদের মধ্যে এই রকম কিছু হয় না, উল্টে উনারা জন্মদিনে একে অপরকে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন । আর আপনি এইসব নেতাদেরকেই জেতানোর জন্য প্রতিবেশীর সাথে মারামারি করেন। ওনারা জিতবেন মন্ত্রী হবেন আজকে পার্টিতে থাকবেন কাল আবার অন্য পার্টিতে চলে যাবেন, কিন্তু আপনাকে এই প্রতিবেশীদের সঙ্গে থাকতে হবে। তাহলে কিসের এত লড়াই কিসের এত বিভেদ? যতই মোদি দিদি বাম ডান করে লাফান বড়োজোর একটা সাইকেল সামান্য . কিছু টাকা আর দু টাকা কেজি চাল পাবেন। কিন্তু প্রতিদিনের সংসারটা আপনাকে নিজেকে চালাতে হবে। মনে রাখবেন আপদে-বিপদে মোদি দিদি বাম ডান নয় আপনার প্রতিবেশীরা ছুটে আসবে।

তাই সুস্থ থাকুন, সুস্থ রাখুন, আবেগের সাথে নয় বাস্তবের সাথে বাঁচুন✅❤️
সংগৃহীত

23/04/2023
সংগৃহীত
19/04/2023

সংগৃহীত

💖 ানবতা_হারিয়ে_যায়নি💖উত্তর ২৪ পরগনার একটি ছোট্ট শহর মছলন্দপুর।এখানে থাকে এই সমীর সেন বলে ভাইটি।স্টেশন থেকে ৭ মিনিট এগো...
09/04/2023

💖 ানবতা_হারিয়ে_যায়নি💖

উত্তর ২৪ পরগনার একটি ছোট্ট শহর মছলন্দপুর।এখানে থাকে এই সমীর সেন বলে ভাইটি।স্টেশন থেকে ৭ মিনিট এগোলে ওর ছোট্ট একটা ফলের দোকান। ছোট বেলায় যখন মায়ের সঙ্গে পায়ে হেঁটে স্কুল যেতো এমনই এক গরমের দিনে তখন একবার একটি দোকানের মানুষকে তার মা জিজ্ঞাসা করেছিলো জল আছে কিনা খাবার জন্য।সেইসময় সেই লোকটি সমীর ভাইয়ের মাকে জল দেয় নি।সেদিন থেকে সে ঠিক করেছিল যে সে একদিন বড় হয়ে নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষকে জল পান করাবে।দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সে একটি ছোট ফলের দোকান চালাচ্ছে।আর এই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে তৃষ্ণার্ত মানুষদের জল পান করিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন।তাকে যখন জিজ্ঞাসা করলাম তুমি এটা করে কি লাভ পাও তখন সে বললো যে তার মা এর মত কত মানুষ এই গরম ও শীত কালে তৃষ্ণার্ত হয়ে থাকে।তাই তাদের কে জল দেওয়ার মধ্যে সে তার মাকে খুঁজে পায়।সে পায় এক অনাবিল আনন্দ।💖❣️❣️💖

তোমার মতো এত সুন্দর ভাই আছে বলে আজও আমাদের পৃথিবীটা এতটা এতটা সুন্দর।ভালো থেকো ভাই।সারাজীবন এই মহান কাজ করে যেও ভাই।💖💖💖

সমীরের একটা কথা এখনও কানে বাজে সেবাই মানুষের পরম ধর্ম।মানুষের জন্য মানুষের এই ভালোবাসা ছড়িয়ে পরুক আমদের এই সমাজের প্রতিটা কোনায়💖💖💖
সংগৃহীত

 #ডিস্ট্রিক্টট_ম্যাজিস্ট্রেট (D.M) সাহেব নিজের দপ্তরে পৌঁছানোর জন্য সবেমাত্র গাড়ি থেকে নেমে সিঁড়িতে পা দিয়েছেন, দেখলেন স...
04/04/2023

#ডিস্ট্রিক্টট_ম্যাজিস্ট্রেট (D.M) সাহেব নিজের দপ্তরে পৌঁছানোর জন্য সবেমাত্র গাড়ি থেকে নেমে সিঁড়িতে পা দিয়েছেন, দেখলেন সেই সিঁড়িতে একজন বৃদ্ধা হাতজোড় করে বসে আছেন।
D.M. সাহেব থমকে দাঁড়িয়ে যান। সমাদরে কিছু জিজ্ঞেস করেন। বৃদ্ধার কাছে কোনোও আপডেট ছিল না।

D.M. সাহেব বৃদ্ধার পাশে সেই সিঁড়িতেই বসে পড়লেন। D.M. সাহেব বসে গেছেন অর্থাৎ আদালত সেখানেই বসে গেছে। আদালত সেজে উঠলো, আদালতের কাজকর্ম শুরু করে দেওয়া হলো।

অভিযোগকারী বৃদ্ধার পেনশন দু'বছর ধরে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ম্যাজিসেট্রট সাহেব কাগজ চাইলেন। বৃদ্ধা এক একটি করে সমস্ত কাগজ দিলেন। আর সঙ্গে দিলেন দপ্তরের অফিসার বাবুদের কাছে করা আবেদনের নথিপত্র।

ম্যাজিসেট্রট সাহেব দেখলেন বৃদ্ধার সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক আছে। বৃদ্ধাকে আশ্বস্ত করে বললেন তিনি যেন এখানেই থাকেন, তার পেনশন আজ থেকেই শুরু করা হবে।

ম্যাজিসেট্রট সাহেব সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের শীঘ্রই উপস্থিত হওয়ার আদেশ প্রদান করলেন।

সেই সিঁড়িতে বসা আদালতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকেরা উপস্থিত হলেন। আর বৃদ্ধার পেনশন তৎকাল প্রক্রিয়ায় শুরু করা হলো।

এর সঙ্গে সঙ্গে আদালতের কাজ শেষ কারা হলো।

D.M. সাহেবের নাম - আব্দুল অজীম, IAS

রাজ্য - তেলেঙ্গানা

জেলা - ভুপলপল্লী

স্থান - জেলাশাসকের কার্যালয়

স্যালুট ম্যাজিসেট্রট সাহেব।🙏
আপনার মতো সকল IAS যদি এমন মানসিকতা সম্পন্ন হতেন দেশ বদলে যেত।

©সংগৃহীত

Address

Kolkata
700066

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CPDHR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to CPDHR:

Share