Deepali Sinha Foundation for Nature Culture and Adventure

Deepali Sinha Foundation for Nature Culture and Adventure This is an organisation to promote and support any kind of Adventure with the Motto to conserve Moth

09/12/2023

অভিনেতা অনুপম খের

সদ্য নেপালে এসে পৌঁছেছি। কাল যাবো চিতওয়ান ফরেষ্টে।এই জায়গাটার নাম সৌরাহা।
15/10/2022

সদ্য নেপালে এসে পৌঁছেছি। কাল যাবো চিতওয়ান ফরেষ্টে।এই জায়গাটার নাম সৌরাহা।

26/03/2022
Today I visited The Hindustan Aeronautical's Aerospace Museum, Bengaluru. It reminded me that some of these type model a...
15/02/2022

Today I visited The Hindustan Aeronautical's Aerospace Museum, Bengaluru. It reminded me that some of these type model aircraft I made while doing aeromodelling classes in my N.C.C.days.

28/10/2021

[10/26, 8:33 PM] +91 91434 06756: হাইপোথারমিয়া
(দ্বিতীয় পর্ব)

প্রথম পর্বের লিঙ্কঃ https://facebook.com/groups/142166622528435?view=permalink&id=2911283515616718

হাইপোথারমিয়াকে বলা যেতে পারে উচ্চতার নিঃশব্দ ঘাতক। সুন্দরবনের রয়াল বেঙ্গল টাইগার বা জিম করবেট এর ‘দ্য ম্যান ইটিং লেপার্ড অফ রুদ্রপ্রয়াগ’- এরা কেউই সোজাসুজি তার উপস্থিতি জানান দিয়ে আক্রমণ করেনা। সকলের অলক্ষ্যে তারা শিকার বেছে নেয়। সাধারণত গ্রুপের সবথেকে দুর্বল, অবাধ্য, গ্রুপের নিয়ম না মেনে চলা বা গ্রুপ থেকে আইসোলেটেড হয়ে পড়া কাউকে। তারপর হঠাতই আক্রমণ, শিকার প্রতিরোধের সময় টুকু পায়না। হাইপথারমিয়ার শিকারের পদ্ধতি অনেকটা একই রকম। ৮০০০ মিঃ পর্বত শৃঙ্গে ডেথ জোনে Hypoxia (অক্সিজেনের অভাব) আর হাইপথারমিয়া, একের পর এক পর্বতারোহীর প্রাণ নিয়েছে। সামিট করে ফিরে আসা ক্লান্ত পর্বতারোহী অক্সিজেনের অভাবে আরও অবসন্ন হয়ে পড়তে থাকে। দুর্বল করার কাজ করে দেয় Hypoxia, তারপর প্রাণহানির বাকি কাজটা করে হাইপথারমিয়া।

নেগেটিভ পয়েন্ট
মারণক্ষমতার (Mortality Rate) এর কথা যদি বলা যায়, Altitude Sickness, Pulmonary Oedema, Cerebral Oedema- এই তিন টি রোগের থেকে হাইপথারমিয়ার মারণ ক্ষমতা অনেকগুন বেশী। আজ পর্যন্ত পাহাড়ে AMS, HAPO, HACO তে যত না মৃত্যু হয়েছে তার থেকে অনেক বেশী মৃত্যু হয়েছে হাইপথারমিয়া তে। তার প্রধান কারণ, AMS, HAPO, HACO এর symptoms শুরু হওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যেতে অনেকটা সময় লাগে। উচ্চতা বাড়ার কিছুদিনের মধ্যেই এদের symptoms গুলি প্রকট হয়ে উঠতে থাকে। সেই সময় বেস ক্যাম্পে নামিয়ে দেওয়া হলে বা বেস ক্যাম্প থেকে আরও কম উচ্চতায় যদি নামিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কোনও চিকিৎসা ছাড়া রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। উপযুক্ত সময় পাওয়া যায় রোগীকে নামিয়ে দেওয়ার। মৃত্যু সাধারণত তাদের হয় যারা লিডার বা গাইডের নির্দেশ অমান্য করে আরও অধিক উচ্চতার দিকে এগিয়ে যান বা নিচে নামিয়ে দিতে যদি কোনও কারণে দেরি করা হয়। কিন্তু হাইপথারমিয়া সময় দেয় না, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষকে কয়েক মিনিটে শয্যাশায়ী এবং কয়েক ঘণ্টায় মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। দ্বিতীয় বিষয়, ট্রেক বা এক্সপিডিসান শেষ করে নেমে আসার সময় AMS, HAPO, HACO এর সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। কিন্তু হাইপথারমিয়া ট্রেকিং এর শেষ দিন পর্যন্তও হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

পজেটিভ পয়েন্ট
হাইপথারমিয়া ১০০ শতাংশই প্রতিরোধ করা সম্ভব (100% preventable), শুধুমাত্র যদি কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা যায় (avalanche, snowstorm এরকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যতীত)। আবার সব রকম সাবধানতা মেনে চলেও কিন্তু AMS, HAPO, HACO ১০০% প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। হাইপথারমিয়া প্রতিরোধ করার সহজ নিয়ম হল ভালো জ্যাকেট পরুন, মাথা স্কার্ফ বা টুপি দিয়ে কভার করুন। অযথা পাতলা জ্যাকেট পরে ঠাণ্ডায় কেঁপে হিরোগিরি দেখাতে যাবেন না। যতক্ষণ না স্বচ্ছন্দ বোধ আসছে, জ্যাকেটের লেয়ার বাড়াতে থাকুন। গ্লাভস দরকার হলে গ্লাভস পরুন। সে বেস ক্যাম্পেই হোক, রোড হেডেই হোক বা সামিট ক্যাম্প হোক। তার সাথে দরকার প্রতিদিন ভরপেট খাবার।

শরীরের সব অঙ্গ প্রতঙ্গের স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে যে তাপমাত্রা প্রয়োজন হয় তা হল ৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস/৯৮.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট। থার্মোমিটার এ যে তাপমাত্রা দেখে আপনারা জ্বর হয়েছে কিনা বোঝার চেষ্টা করেন। কিচেন টেন্টে পাহাড়ি বন্ধু দের বানিয়ে দেওয়া অমৃতসম যে ডাল ভাত প্রতিদিন খেয়ে থাকেন সেগুলোই কোষে (Cell) পৌঁছানোর পর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে Burn হয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি আর তাপ তৈরি করে। আপনার কাজ খুব সোজা, ভালো জ্যাকেট পরুন। যাতে Burn হয়ে যে তাপ শরীরে তৈরি হচ্ছে, তা যাতে শরীর থেকে বাইরের শীতল প্রকৃতি টেনে নিতে না পারে। এখানে বলে রাখা ভালো জ্যাকেট কিন্তু তাপ তৈরি করেনা, শরীরের উত্তাপ বাইরের পরিবেশে diffuse হওয়া বন্ধ করে। যদি আপনি উপযুক্ত জ্যাকেট না পরে সেই তাপ পরিবেশে চলে যেতে দেন, সেক্ষেত্রে কিন্তু শরীরকে সেই নষ্ট হওয়া তাপ আবার তৈরি করতে হবে আরও calorie burn করে, যতক্ষণ না আপনার শরীরের তাপমাত্রা আবার ৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌছাচ্ছে। ক্ষতি এতে আপনারই। প্রতিদিন খাবার থেকে যে calorie আপনি পাচ্ছেন, যে গুলি পরদিন হাঁটার সময় শক্তি যোগান দিত, সেগুলি খরচ হয়ে যাচ্ছে শরীরে অতিরিক্ত তাপ তৈরি করতে।

পাহাড়ে যাওয়া যখন সবে শুরু করেছি, তখন ধীরে ধীরে প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারণার দিকে দৃষ্টি আকর্ষিত হয়। বাংলার পর্বতারোহী মহলে প্রচলিত সবথকে ভয়ানক একটি ভ্রান্ত ধারণা হল প্রথম এক দিন বা দু দিন উপযুক্ত গরম জামা না পরা এবং ঠাণ্ডায় বেস ক্যাম্পে কাঁপা। অনেকে বলে থাকেন এরকম করলে ঠাণ্ডাটা সয়ে যায়, কেউ বলেন আক্লিমাটাইজেসান এ সাহায্য করে। কিন্তু High Altitude Human Physiology এর উপর দেশি বিদেশী বহু আর্টিকেল ঘেঁটেও ঠাণ্ডায় কাঁপার সাথে আক্লিমাটাইজেসান এর কোনও সম্পর্ক খুঁজে বের করতে আমি অসমর্থ হয়েছি (কেউ খুঁজে পেলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন, এখনো অনেক কিছুই শেখা বাকি)। এক্সপিডিশনে আসার আগে দীর্ঘ সময় ধরে রেগুলার endurance sports এ অংশ গ্রহণ করে শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু জিরো পয়েন্টে গিয়ে বরফের উপর খালি গায়ে নাচলেও আপনার ঠাণ্ডার সহনশীলতা একই থাকবে। বড়োজোর একটা এক্সপেরিএন্স হতে পারে জিরো ডিগ্রি তাপমাত্রা কেমন, বা অসুস্থ হয়ে অ্যাম্বুলেন্স এ ফিরতে পারেন। একদিন দু-দিন কেন, দশ দিন ঠাণ্ডায় কেঁপেও ঠাণ্ডার সহনশীলতা বাড়ানো যায় না। বরং দীর্ঘক্ষণ ঠাণ্ডায় কেঁপে শরীর fatigue আর exhausted হতে থাকে। Stage I hypothermia, Stage II এর দিকে চলে যেতে পারে।

Definition and Stages of Hypothermia
শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট। শরীরের তাপমাত্রা ৯৫ ডিগ্রী ফারেনহাইটের নিচে নেমে গেলে বলা হয় হাইপোথারমিয়া।

Stage I 95˚F-90˚F
৯৫ ডিগ্রী ফারেনহাইটের নিচে শরীরের তাপমাত্রা নেমে গেলে বলা হয় Stage I বা Mild Hypothermia। এই সময় শীত অনুভূত হয় এবং কাঁপুনি (shivering) শুরু হয়। পাহাড়ে গিয়েছেন অথচ Mild Hypothermia এর শিকার হন নি, এরকম প্রায় কাউকেই পাওয়া যাবেনা। কাঁপুনি হল শরীরের একটি protective response to mild hypothermia. Shivering বা কাঁপুনির মাধ্যমে শরীর অতিরিক্ত তাপ জেনারেট করা শুরু করে, শরীরের তাপমাত্রা যাতে ৯৮.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইটে ধরে রাখা যায়। Shivering কে বলা হয় first warning sign. অর্থাৎ আপনার জ্যাকেট উপযুক্ত নয়, তাপমাত্রা নেমে যাচ্ছে স্বাভাবিকের নিচে- শরীর তা আপনাকে বোঝাবার চেষ্টা করছে। যদি আপনি ক্যাম্পে থাকেন তাহলে দরকার অতিরিক্ত জ্যাকেটের লেয়ার, বা স্লিপিং ব্যাগে ঢোকা। যদি আপনি থাকেন আপনার যাত্রা পথে তাহলে উপায় একটাই, না থেমে একটানা হেঁটে যাওয়া। হাঁটার সময় শরীরের মাংসপেশিই আপনার শরীরে অতিরিক্ত তাপ জেনারেট করে তাপমাত্রা স্বাভাবিকে আনবে। এই কারনেই এভারেস্ট বা ৮০০০ মিঃ শৃঙ্গ সামিট করে ফেরার পথে ক্লান্ত হয়ে যারা একবার থেমে যান বা বসে যান ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েন। কারণ এতক্ষণ হাঁটার সময় যে অতিরিক্ত তাপ জেনারেট হয়ে শরীরকে স্বাভাবিক রেখেছিল, সেই সোর্সটি বন্ধ হয়ে যায়, শরীর শীতল হতে শুরু করে। তার সাথে দোসর হয় Hypoxia বা অক্সিজেনের অভাব।

(চলবে)

তৃতীয় পর্বে থাকবে Stage II, Stage III, Paradoxical un******ng এবং Treatment

কমেন্ট বক্সে অনেকগুলি প্রশ্ন আসায় কিছু অংশ সংযোজন করলাম

সহনশীলতা বলতে বোঝায়, শরীরে তাপমাত্রা যখন কমতে থাকে, তখন শরীরের সেটি ঠিক করে নেওয়ার ক্ষমতা কতটুকু। অর্থাৎ আপনি বেস ক্যম্পে গিয়ে দেখলেন যে এক বিদেশী ক্লাইম্বার সাধারণ পোশাক পরে ঘুরছেন, আর আপনি জ্যাকেট জড়িয়ে ঠাণ্ডায় কাঁপছেন। এই পার্থক্য কেন হয়। প্রসঙ্গত, পৃথিবীর সব মানুষের নরমাল বডি টেম্পারেচার একই (৯৬.৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট) সে ইউরোপ হোক বা আফ্রিকা হোক। পার্থক্য হল ঠাণ্ডায় দেশে যারা থাকেন, তাদের শরীরে Calorie বার্ন করে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার ক্ষমতা আমাদের মতো ট্রপিকাল দেশে যারা বসবাস করেন তাদের থেকে অনেক বেশী ডেভেলপড। বেস ক্যাম্পে ওই ঠাণ্ডাতেও বিদেশী ক্লাইম্বারের শরীর তাড়াতাড়ি উত্তাপ জেনারেট করে তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখছে। কিন্তু আপনি যেহেতু ট্রপিকাল দেশ থেকে, তাই সেই কৌশল আপনার শরীরের জানা নেই। দ্বিতীয় প্রশ্ন আসবে, আপনার শরীর কি বিদেশী দের মতো হতে পারে? হ্যাঁ পারে, আপনাকে সিকিম বা হিমাচলে গিয়ে বাড়ী কিনে পাকাপাকি ভাবে বসবাস শুরু করতে হবে। কারোর ২ বছর, কারোর ৫ বছর, কারোর ১০ বছর পর সে চেঞ্জ আসবে। কারোর নাও আসতে পারে। বেস ক্যাম্প এ গিয়ে ২ দিন বা ১০ দিন ঠাণ্ডায় কেঁপে এই চেঞ্জ আনা অসম্ভব।

তৃতীয় পর্বের লিঙ্ক
https://m.facebook.com/groups/142166622528435?view=permalink&id=2927370604008009
[10/26, 8:33 PM] +91 91434 06756: হাইপোথারমিয়া
(তৃতীয় পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/groups/142166622528435/permalink/2916287218449681/

Stage II বা Moderate Hypothermia 90˚F – 82.4˚F
স্টেজ I এ, উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে রোগী আরও তাপমাত্রা হারাতে থাকে, ফলে স্টেজ II শুরু হয়। এই স্টেজ এ কাঁপুনি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। রোগীর সাথে থাকা সঙ্গীরা মনে করেন রোগী হয়তো সেরে উঠছেন, কিন্তু বাস্তবে রোগী আরও বেশী বিপদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। কাঁপুনি কমার সাথে কথা বলাও কমে যেতে থাকে। মেডিক্যাল ভাষায় বলে loss of orientation to time, place and person. কোথায় আছো জিজ্ঞাসা করলে হয়তো উত্তর দেবে বাড়িতে আছি। সঙ্গীদের নাম জিজ্ঞাসা করলে হয়তো ভুল নাম বলবে বা চিনতে পারবে না।

রোগী সেরে উঠছে না স্টেজ II তে প্রবেশ করছে, তা বোঝার সবথেকে ভালো উপায় হল এইভাবে রোগীকে প্রশ্ন করা এবং রোগী কতটা conscious তা পরীক্ষা করা। কারণ সেরে ওঠা এবং স্টেজ II তে প্রবেশ করা, দুটো তেই কিন্তু কাঁপুনি কমতে শুরু করে। মেডিকেল আর্টিকেল এ হয়তো অন্যান্য অনেক পদ্ধতি পেতে পারেন, কিন্তু সমস্ত সাধারণ ট্রেকার দের সহজে বোঝার মতো করে আমি উপরোক্ত পদ্ধতি উল্লেখ করলাম, যা বিপদের সময় ঠাণ্ডা মাথায় করা সম্ভব।

এখানে বলে রাখি অনন্যা কে আমরা স্টেজ II তে পেয়েছিলাম। কাঁপুনি কমতে শুরু করেছিল এবং অনন্যা আমাদের কাউকে চেনা, communication এর ক্ষমতা ধীরে ধীরে হারাতে শুরু করেছিল। স্টেজ II এর শুরুতে রোগীকে উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু না করলে রোগীর মৃত্যু আটকানো খুব একটা সহজ কাজ হয়না।

স্টেজ II এর শেষ দিকে রোগীর কাঁপুনি সম্পূর্ণ থেমে যায়। কথা বলা, কমিউনিকেসান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। অনেকটি coma এর মতো বা সংজ্ঞাহীন অবস্থা চলে আসে। যে স্টেজ এ Painful stimulus এ ও আর কোনও রেসপন্স থাকেনা। এই স্টেজ থেকে রোগীকে ফিরিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব।

Stage III বা Severe Hypothermia

27/09/2021

খামেঙ্গার হিমবাহের দূর্ঘটনা সন্মন্ধে কাজার প্রেস রির্পোট:-
प्रेस विज्ञप्ति
27 सिंतबर 2021
काजा
खंमीगर गलेशियर में फंसे ट्रेकिंग दल को रेस्कयू करने का कार्य शुरू - उपायुक्त नीरज कुमार
- स्पिति प्रशासन ने गठित किया है 32 सदस्यीय रेस्कयू दल

उपायुक्त नीरज कुमार ने बताया कि खंमीगर गलेशियर में फंसे 16 ट्रेकर को रेस्कयू करने का कार्य प्रशासन ने शुरू कर दिया है। स्पिति प्रशासन को सोमवार सुबह 16 सदस्यीय दल के दो सदस्यों ने काजा में आकर सूचना दी कि उनके अन्य साथी खंमीगर गलेशियर में फंसे हुए है जिनमें से दो ट्रेकर की मौके पर मौत हो चुकी है। जबकि अन्य साथी अभी वहीं पर फंसे हुए है। अभी 14 सदस्य फंसे हुए है। स्पिति प्रशासन ने 32 सदस्यीय रेस्कयू टीम का गठन कर दिया है । इस टीम में 16 आईटीबीपी के जवान, 6 डोगरा स्काउट के जबान इसी में एक चिकित्सक भी है। इसके साथ ही 10 पोटर जोकि बोझा उठाने के तौर पर काम करेंगे।

उपायुक्त नीरज कुमार ने बताया कि 15 सिंतबर को इंडियन माउंटेनिंरिग फांउडेशन पश्चिम बंगाल की छह सदस्य बातल से काजा वाया खमींगर गलेशियर ट्रेक को पार करने के लिए रवाना हुआ थे। इनके साथ 10 पोटर भी शामिल है। प्रशासन को मिली सूचना के मुताबिक तीन ट्रेकर, एक शेरपा यानि लोकल गाइड और 10 पोटर भी खंमीगर गलेशियर जिसकी उंचाई करीब 5034 मीटर है। इसमें फंसे हुए है। रेस्कयू टीम को खमींगर पहुंचने में तीन दिन लगेंगे। हेलीकॉप्टर के माध्यम से रेस्कयू करने के लिए बातचीत की गई है। वहां पर हेलीकॉप्टर के माध्यम से नहीं पहुंचा जा सकता है। इसलिए 32 सदस्यीय रेस्कयू दल का गठन किया गया है। रेस्कयू कार्य पिन घाटी के काह गांव से शुरू होगा। पहले दिन 28 सितंबर को काह से चंकथांगो, दूसरे दिन चंकथांगो से धार थांगो और अंतिम दिन धारथांगो से खमींगर गलेशियर रेस्कयू टीम पहुंचेगी। वहीं तीन दिन वापिस खंमीगर गलेश्यिर से काह पहुंचने में लंगेगे।

मतृक के नाम व पता
भास्कर देव मुखोपाध्याय उम्र 61 वर्ष पता सनराईज अपार्टमेंट, 87डी आनंदपुर बैरकपुर, कोलकाता, पश्चिम बंगाल और संदीप कुमार ठाकुराता उम्र 38 वर्ष थ्री राइफल, रेंज रोड़, प्लाट नंबर जेड, पूव्यान अवासन, बेलगोरिया , पश्चिम बंगाल के रहने वाले थे।

अन्य दल सदस्य
देबाशीष बर्धन उम्र 58 वर्ष मिलन पार्क गरिया, कोलकाता, पश्चिम बंगाल, रणाधीर राय उम्र 63 वर्ष रामकृष्ण पाली, कोगाच्छी श्यामनगर, कोलकाता, पश्चिम बंगाल, तपस कुमार दास उम्र 50 वर्ष सेंट 78, क्यूआरएस 28-3 चिंतरंजन बरधवान, पश्चिम बंगाल और अतुल 42 वर्षीय, कोलकाता, पश्चिम बंगाल के रहने वाले है। इसके साथ ही दस पोटर भी शामिल है।

"

26/09/2021

We shall start our live online program on Adventure Sports soon after Pujas. Please send your suggestions, oppenions, Choice of subjects etc.

Trip to Leh, Ladakh
26/09/2021

Trip to Leh, Ladakh

Felicitation program of Radhanath Shikder Bike & Car Rally at Sports Journalist Club
26/09/2021

Felicitation program of Radhanath Shikder Bike & Car Rally at Sports Journalist Club

Published in 1989. The journalist who wrote the article has reposted it today
07/06/2021

Published in 1989. The journalist who wrote the article has reposted it today

24/04/2021

Address

Kolkata
700011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deepali Sinha Foundation for Nature Culture and Adventure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Deepali Sinha Foundation for Nature Culture and Adventure:

Share