Baretee

Baretee Mission: Socio -Economical - Cultural oath to furnish our Society's Health, Hunger and to overcome h

Mission: Socio – Economical - Cultural oath to furnish our Society's Health, Hunger and to overcome hardship
Vision : To ensure healthier society where we all can have better education. Future generation deserve a better cultural platform what need indeed.

Pullover Hoodie
21/12/2021

Pullover Hoodie

“The more we come out and do good to others, the more our hearts will be purified, and God will be in them.” "If you can...
12/01/2021

“The more we come out and do good to others, the more our hearts will be purified, and God will be in them.”

"If you can stretch out a helping hand, do so. If you cannot, fold your hands, bless your brothers, and let them go their own way.”

--- Swami Vivekananda

A great leader, whose lectures, letters, poems, ideas have inspired many and that was not only bound to India, but also to the whole world.
A great monk who inspired everyone even on his 158th birth Anniversary.
Happy Birthday, Swamiji...

29/12/2020

স্নেহনীড় পার্ট ১

"বুয়া দা এবার ৫ মিনিট এর বিশ্রাম । আর পারছিনা ।", বলে উঠলো সোনাই । বুয়া দা , মানে আমার ছোড়দা , বরাবর ফাঁকিবাজি এক দম নিতে পারেনা , তার উপর এসেই বলে দিয়েছে আজ রাতে ফিরে যাবে , তাই ১২ টার মধ্যে সব কাজ শেষ করা জরুরি । সোনাই বুঝলো ছোড়দা র থেকে কোনো উত্তর আসবে না , তাই আমাকে দল এ নেবার চেষ্টা করলো , বললো, "টয় দা চলো ব্যাডমিন্টন দেখে আসি ।" ছোড়দা কড়া চোখে তাকালে ও , একটা প্রশয় দেয়া হাসি হাসলো । আর দেরি না করে আমরা রেস্ট নেবার নাম করে ব্যাডমিন্টন খেলা দেখতে চললাম ।
আসলে অনেক দিন পর আমরা তিন ভাই এক সাথে হয়েছি , আর কারণ টা ও একটু অন্য রকম ।
আমরা ৩ ভাই নিজেরা নিজেদের মতো করে প্রতিষ্ঠিত হলে ও , মনের মধ্যে থেকে যাওয়া একটা সুপ্ত বাসনা কে চরিতার্থ করার চেষ্টাই ব্রতী হয়েছি । হঠাৎ ই এক দিন ভাই ফোঁটা র দিন ছোড়দা প্রস্তাব টা নিয়ে এলো, গরিব হতদরিদ্র মানুষগুলোর জন্য কিছু করার , একটা এনজিও প্রতিষ্ঠা করার , আমরা দুই ভাই প্রস্তাবটা প্রায় লুফে নিলাম ।
সোনাই নিজস্ব কিছু চেনা জানা দিয়ে শুরু , আমরা পেয়ে গেলাম সেরকম ই একটা ঠিকানা , 'গদাধরের পাঠশালা '। সুন্দরবন এর পাশে একটা ছোট্ট গ্রাম ।
শুরু হয়ে গেলো আমাদের প্রস্তুতি , ছোড়দার পরিকল্পনা মত ২৫শে ডিসেম্বর ঠিক হলো আমাদের সেই কাঙ্খিত দিন ।
তাই আজ তার ই চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে । অন্তত ১৫ রকম এর জিনিস একশো টি বাচ্চার জন্য ব্যবস্থা করা যে এতটা কষ্টের হবে তা আমরা বুঝতেই পারিনি । ১০ জনের করে সোনাই পুরোপুরি ক্লান্ত , আমি ২০ টা অব্দি টানতে পারলাম । এর পর এ এলো সোনাই এর আবদার, "একটু রেস্ট দাও বুয়া দা । আর পারছি না " বা "দলের লোক বাড়াও , ১০০ জনের আমাদের ক্ষমতা নেই , ৩০ জন অব্দি ঠিক আছে ।"
নিচ থেকে ব্যাডমিন্টন খেলা দেখে উপরে এসে দেখলাম ছোড়দা একাই অনেকটা গুছিয়ে ফেলেছে । আমরা ও খাবার কথা ভুলে তাড়াতাড়ি কাজে হাত লাগালাম ।
কিন্তু ক্ষিদে টা এতো লাগামছাড়া হয়ে গেলো , সুন্দর বিরিয়ানির গন্ধে , আর না বলে থাকতে পারলাম না , "ছোড়দা চল এবার খেয়ে নিই ।"
ছোড়দা র ঠান্ডা মাথার হাসি দেখে আর দেরি না করে খেতে বসে গেলাম । কিন্তু খাবার পর ই হলো আসল চাপ । শরীর আর নড়তে চাইছিলো না । কিন্তু শেষ করতে তো হতো , তাই লেগে পড়লাম কাজে | রাত ৩ টা অব্দি কাজ করে যখন ৩ জন এ শুতে গেলাম , কারোর ই মনে হচ্ছিলো না পরের দিন সকালে যাওয়া সম্ভব হবে ।
তবে ছোড়দা সবসময় ই একটু অন্যরকম । নিজে ঠিক ৬টার সময় উঠে পড়লো । তবে আমাদের ভাগ্য ভালো ছিল , আমাদের ঘুম থেকে তুলে রেডি হতে বলে নিজে বাড়ি গেলো মেয়ের সাথে দেখা করতে , আর ফ্রেশ হতে ।
ছোড়দা বেরিয়ে যেতে দেরি না করে আমরা আবার লেপ চাপা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম । প্রাকৃতিক টানে আমি যখন চোখ খুললাম , দেখলাম ৭ টা বেজে গেছে । সকাল এর কাজ কর্ম সেরে সবে খবরের কাগজ টা চোখ বোলাতে যাবো , বেল বেজে উঠলো । ভয় এ সোফা থেকে লাফিয়ে উঠলাম , সোনাই কে ও দেখলাম , বিছানায় উঠে বসেছে । ছোড়দা এসে গেছে ।
আমরা ভেবেছিলাম একটা ফোন নিশ্চয় করবে বেরোনোর আগে । কিন্তু বেটা একটা ও ফোন না করেই চলে এসেছে ।
বেশ কিছু বকুনি , রাগ মুহূর্তের মধ্যে আমাদের উপর নেমে এলো । আমি দ্রুত জামা কাপড় পড়তে চলে গেলাম , আর সোনাই বেচারা ব্রাশ টুকু ও করার সময় পেলো না । যাহোক করে লেপ থেকে উঠে প্যান্ট গলিয়ে এ বেরিয়ে পড়লো ।
এর পর এক প্রস্ত গেলো জিনিস তোলা গাড়িতে , সেটা ও কম ঝক্কির ছিল না । গাড়িতে যাহোক করে জিনিস ভরে যখন আমরা রওনা দিতে পারলাম, তখন অন্ততঃ ৮:৩০ বেজে গেছে ।
পুলিশ এর ঝক্কি না পোহাতে হলে ও , আমরা খাওয়া দাওয়া নিয়ে বেশ টেনশন এই ছিলাম । জামতলা পৌঁছনোর পর আমরা খাবার খুঁজতে বেরোলাম । খুব তাড়াতাড়ি একটা পরোটা দোকান পেয়ে গেলাম । পেটায় পরোটা , বেশ অনেকটা করেই সবাই খেয়ে নিলাম , যাতে অন্ততঃ বিকাল ৩-৪ তে অব্দি কোনো খিদে না পাই ।
পরোটা খাবার পর আবার বেরিয়ে পড়লাম সেই গদাধর এর পাঠশালার উদ্দেশ্যে । যাই হোক খুব বেশি দূর যেতে হলো না, কিছু টা যাবার পর ই , ওদের লোক এসে আমাদের কে নিয়ে গেলো ।
ভীষণ অলি গলির রাস্তা যা আমাদের পক্ষে বুঝে যাওয়া বেশ চাপের । কিন্তু আসল স্কুল টির সামনে যখন উপস্থিত হলাম , অত গুলো শিশু আর তাদের মা বাবাদের কোলাহল এ মন টা ভীষণ ভাবে ভোরে গেলো ।
তাহলে আমরা সত্যি পারলাম , এখানে সবাই যেন আমাদের জন্য ই অপেক্ষা করে ছিল । মানুষ গুলো অত গরীব , তবু কোথাও যেন কি ভীষণ আত্মিক বোধ আছে । খুব দ্রুত তাদের খুব কাছের লোক হয়ে গেলাম ।
সোনাই বললো স্নেহনীড় সম্বন্ধে কিছু বলতে । না মাইক্রোফোন , না কিছু প্রস্তুতি , কোথাও যেন নিজের মন থেকেই কিছু কথা বেরিয়ে এলো । যা মানুষ গুলো কে বলার মধ্যেই অদ্ভুত এক শান্তি বিরাজ করছিলো । আমি অবাক হয়ে গেলাম , বনের মধু বা মাছ ধরে যে মানুষ গুলো জীবন নির্বাহ করে , তারা কি ভীষণ শান্ত হয়ে আমাদের কথা শুনলো । ছোট ছোট শিশু গুলো কি যেন বিশাল কিছু পাবার আশায় লাইন দিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে ।
এর পর এলো সেই সময় , যখন জিনিস গুলো ওদের হাতে তুলে দেবার সময় , আমরা চেয়েছিলাম ছোড়দা ই তুলে দিক সবার হাতে , কিন্তু ছোড়দা সরাসরি না বলে দিলো । ও ওদের একটি ছেলে কে ডেকে নিয়ে তার হাত দিয়ে সব শিশু দের হাতে তুলে দিলো আমাদের আনা ওই কটা সামান্য জিনিস ।
জিনিস গুলোর পাবার পর স্নেহনীড় এর ব্যাগ হাতে তাদের ফটো তোলার বহর দেখে যতটা না হাসি পেলো , তার থেকে অনেক বেশি মন টা ভোরে গেলো এক অনাবিল আনন্দে । জীবন এই অনুভূতি হয়তো অনেকটাই অন্যরকম , যা ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়তো কিঞ্চিৎ শক্ত ।
সমস্ত জিনিস সবাই কে দিয়ে দেবার পর আমরা ৩ জন রওনা হলাম নদী দেখতে । কাছেই সুন্দরবন আর জঙ্গল । তাই দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না ।
কিন্তু গ্রামের রাস্তা বুঝতে পারা শক্ত , তাই একটি ছোট ছেলে কে বললাম দেখিয়ে দিতে । সে এক কোথায় রাজি হয়ে গেলো ।
ছেলেটির নাম শুভ , এদিকে এতটা ভদ্রস্থ নাম শুনে বেশ ভালো লাগলো । তাকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম , ছেলে টি পড়াশোনা করে , গল্পের বই পড়ে , যা আর পাঁচটা গ্রামের ছেলের তুলনায় একটু আলাদা , আমাদের কে ওখানকার অনেক গল্প বলতে লাগলো ।
সুন্দরবন মানেই সবাই বাঘের গল্প ই শুনতে চাই , ছোট ছেলে , তাই খুব গুছিয়ে বলতে না পারলে ও , এটুকু বুঝলাম ওর কোনো এক পোষ্য আছে, ছাগল , কিছুদিন আগে তার মা কে নাকি বাঘে নিয়ে গেছে । তাই ওর ওই বাঘ টা র উপর ভীষণ রাগ । পেলে মেরেই দেবে ।
গল্প টা শুনে আমরা হাসতে লাগলাম , আর শুভর পিছনে লাগতে লাগলাম । কিন্তু এই হাসির মধ্যে যে আমাদের সত্যিকারের এরকম এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে স্বপ্নে ও ভাবিনি ।
সবে নদীর দিকে কিছুদূর এগিয়েছি , সামনে থেকে কিছু লোক কে দেখলাম আমাদের দিকে দৌড়ে আসছে , আর বলছে চলে যান এখান থেকে । শুভর দিকে এক নজর এ তাকাতে, ও বলে উঠলো , "এসেছে বেটা এসেছে , আজ আমি ওকে কিছুতেই ছাড়বো না ।" বলে চিৎকার করে দৌড় লাগালো । আমরা অনেক চেষ্টা করে ও ওকে ধরে রাখতে পারলাম না ।
আমরা ভয় এ পিছিয়ে এলাম , গ্রামবাসী রা ও বললো , আপনারা এখানেই থাকুন , কিছু হবে না । বাঘ এরকম আসে আবার চলে ও যাই । শুধু ওর সামনে কেউ না গেলেই হলো ।
আমি আসতে আসতে এক বার বলে উঠলাম , "শুভর কি হবে ?"
ছোড়দা আমাকে চুপ করতে বললো , আর গ্রামের লোকেরা বললো , "চিন্তা করবেন না, ও গ্রামের ছেলে তো , এসব প্রচুর দেখেছে ।"
তিন জন সামনের দিকে অবাক দৃষ্টি তে দেখতে থাকলাম , আমরা শহরে যেমন ভাবে কুকুর তারায় , অনেকটা সেই ভাবেই বাঘ টা কে উদ্দেশ্য করে শুভ ঢিল মারতে লাগলো ।
দূরে হাঁটতে থাকা বাঘ কে দেখে আমাদের অবস্থা আরো খারাপ হয়ে গেলো । গ্রামবাসীরা কেউ লাঠি , কেউ বা কুড়াল , কেউ বা আগুন এর মশাল হাতে দাঁড়িয়ে আছে । ছোড়দা যখন বললো আপনারা যান ওই ছোট ছেলে টিকে বাঁচান । তখন গ্রামবাসীরা অদ্ভুত এক নীরবতা পালন করলো , "বললো অপেক্ষা করুন , বাঘ টি যদি ভয় এ পালিয়ে যাই , তাহলে ওকে বিরক্ত করে কোনো লাভ নেই ।"
কিন্তু বাঘ টি ভয় এ পালালো না । বরং ছেলেটির দিকে এগিয়ে আসতে থাকলো । এবার দেখলাম একটি ছেলে দেরি না করে , বাঘ টির দিকে একটা লাঠি ছুড়ে দিলো । বাঘ টি একটু ঘাবড়ে গিয়ে , দূরে সরে গেলো । আর সেই ফাঁকে শুভর ছোঁড়া একটা মোটা ইঁট বাঘ টির ঠিক মাথায় লাগলো ।মুহূর্তের মধ্যে বাঘ টি একটি নৌকার পিছনে লুকিয়ে পড়লো । আর মনে হলো যেন বাঘ টির সামনে এর একটি কিছু কালো মতো জন্তু ছুট লাগালো ।
সেই বাঘের কাছ থেকে পালিয়ে আসা জন্তু টি যে শুভর সেই নিজের পোষ্য, সেটা বুঝতে দেরি লাগলো না , যখন সে দৌড়ে শুভর কাছে চলে এলো । ছাগল টি বাঘের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে প্রাণ প্রনে দৌড়োতে লাগলো , পিছন পিছন শুভ ও দৌড় লাগালো , হয়তো মনের অনাবিল খুশি আর অদম্য সাহস তাকে সাহায্য করলো ওই ছোট ছাগল টিকে বাঁচাতে । কিন্তু নিজেকে নয় ।
এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে আমাদের সাথে গ্রামবাসীরা ও যখন বিহ্বল , সবাই যখন শুভর সাহসিকতার নিদর্শন দেখে অভিভূত , তখন এ পিছন থেকে এলো সেই রয়্যাল বেঙ্গল এর থাবা । ঘাড়ের উপর না পরে থাবা টা শুভর পা এর উপর এসে পড়লো । গ্রামবাসীরা সচেতন হয়ে যতক্ষণ আগুন বা লাঠি এসব ছুঁড়তে শুরু করলো , ততক্ষন বাঘ টি অন্তিম চেষ্টা করে গেলো শুভ কে বাগে আনার ।
অসম্ভব সাহসী ছেলে টি হাতে ধরা একটি ছোট লাঠি নিয়ে অনবরত বাঘটিকে বাধা সৃষ্টি করতে লাগলো , কারণ সে জঙ্গল এর ছেলে, ভালো করেই জানে বাঘ যদি ঘাড় না ধরতে পারে , তাকে কিছুতেই টেনে নিয়ে যেতে পারবে না ।
এর মধ্যে প্রচুর গ্রামবাসি এসে হাজির হয়ে গেলো , সবাই এর চেঁচামেচি , আগুন আর লাঠির খোঁচায় , বাঘ বেশ কিছু টা পিছু হটলো । শেষ পর্যন্ত শুভর পা ধরে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করলো , কিন্তু তাতে ও যখন দেখলো পেরে উঠছে না , সে রণে ভঙ্গ দিলো ।
পালিয়ে গিয়ে জল এ ঝাঁপ দিলো , জঙ্গল এর দিকে চলে গেলো ।
বাঘ চলে যাবার পর আমরা তিন জন দৌড়ে গেলাম, শুভ একটি পা প্রায় পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে । অসম্ভব রক্ত বেরোচ্ছে তার, যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে । গ্রামবাসীরা সবাই মিলে ওকে গ্রামীণ হাসপাতাল এ নিয়ে যাবার তোড়জোড় শুরু করলো । সাথে সাথে কোথা থেকে একটি মটর ভ্যান এসে গেলো , তাতে করে শুভ কে নিয়ে ওরা চলে গেলো ।
কিছুক্ষন এর জন্য আমরা পুরোপুরি বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম । এই কিছুক্ষন আগেই যে ছেলেটিকে আমরা হাতে করে স্নেহনীড় এর ব্যাগ তুলে দিলাম , এখন সে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে । যে ছেলেটি আমাদের কে নদীর রাস্তা দেখিয়ে এগিয়ে আসছিলো , যার ছোট ছোট কথা শুনে আমরা মজা করছিলাম , সে এমন এক সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে , নিজের ছোট পোষ্য কে বাঁচানোর জন্য জীবন বাজি দিয়ে দেবে , আমরা মুহূর্তের জন্য ও ভাবতে পারিনি ।
মনের একটা অজানা মন খারাপ আর অসম্ভব সাহসী একটি ছেলের তার নিজের পোষ্যর প্রতি প্রেম দেখে আমরা ধন্য । যে উদ্দেশ্য নিয়েই আজ এখানে এসে থাকি , সব কিছুই অতি নগণ্য হয়ে গেলো এই ঘটনাটির কাছে । গাড়িতে উঠে এলাকা ছেড়ে যখন বেরিয়ে আসছি , মনের আনাচে কানাচে কোথায় যেন শুভ ই খেলা করতে লাগলো, তার সেই কথাবার্তা , সরল হাসি , খালি পায়ে হেঁটে যাওয়া , আর নির্বোধ পশুর প্রতি ভালোবাসা ।
জানিনা শুভ বাঁচবে কিনা , আবার তার সাথে কোনো দিন দেখা হবে কিনা , তার যন্ত্রনা ভরা মুখে নিজের পোষ্য টির দিকে তাকিয়ে মুখের মধ্যে খেলে যাওয়া হালকা হাসি , সব ই যেন অন্যরকম ।
স্নেহনীড় কে নিয়ে হয়তো আমরা আরো পথ এগোবো , জীবনে আরো অনেক মানুষ এর কাছে যাবার সুযোগ আসবে । কিন্তু আমাদের এই স্নেহনীড় টিম কোনোদিন ভুলবে না এই গ্রামের কথা , ওই গদাধরের পাঠশালার কথা , আর সর্বপরি শুভর কথা ।
আমাদের এই ছোট্ট প্রচেষ্টার এক বড় নিদর্শন হয়ে থাকলো শুভর আত্মত্যাগ । ব্র্যাভো শুভ । সুস্থ থাকো , ভালো থাকো । হয়তো আবার দেখা হবে , কারণ এই দুনিয়াতে সাহসী , সরল মানুষ খুব ই কম ।

18/12/2020

সত্যি আমরা পারবো না ?

হয়তো মানুষগুলোর প্রতিদিনের দুঃখ ঘোচাতে পারবো না , কিন্তু তাদের সাথে কিছুক্ষন হাসিখুশি সময় তো কাটাতে পারি ।

হয়তো প্রতিদিনের খাবার তুলে দিতে পারবো না, কিন্তু কিছুটা সাহায্য করে তাদের পাশে তো দাঁড়াতে পারি ।

হয়তো সব শিশুদের রুজিরোজগার এর রাস্তা থেকে স্কুল এর রাস্তায় ফেরাতে পারবো না, কিন্তু পড়াশোনা করার উৎসাহ তো দিতে পারি ।

হয়তো নিজেদের কে মহাপুরুষ বানাতে পারবো না , কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ , মহাত্মা গান্ধী , বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর দেখিয়ে দেয়া আদর্শকে মেনে এগিয়ে তো চলতে পারি।

হয়তো নিজেদের কে অতটা উদার করে তুলতে পারবো না , তবু স্বামীজীর মত চিল্লিয়ে বলতে পারি , "হে ভারত ভুলিয়ো না নিজ জাতি , মূর্খ , দরিদ্র , মুচি , মেথর তোমার রক্ত , তোমার ভাই ।"

সত্যি আমরা পারবো না? পারবো , আসুন সবাই মিলে হাত মেলায় , আর জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সেবায় ব্রত হয় ।

16/12/2020

"If money help a man to do good to others, it is of some value; but if not, it is simply a mass of evil, and the sooner it is got rid of, the better." ---- Swami Vivekananda

So better think about helping people whatever we have, and come with the best solution for the future of the universe. We, the people, have the power of thinking better. So why wasting time? come and united with us, and contribute little for good future.

16/12/2020

চ্যারিটির পুঁথিগত সংজ্ঞা আমরা জানিনা। চ্যারিটি মানে ভিক্ষা দিচ্ছি, এমন মানসিকতা আমাদের নেই। চেষ্টা করছি দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে, দায়বদ্ধ থাকতে সমাজের প্রতি।

নিজেদের অনুভূতিগুলোর বহিঃপ্রকাশ মাত্র যা ওদের আজ বড্ড প্রয়োজন ।
তোমারও তো অনেক দিনের ইচ্ছে ওদের জন্য কিছু করার, ওদের পাশে দাঁড়ানোর। দেখ না চেষ্টা করে ।

Page link :https://www.facebook.com/Senhaneer/"Because of you Life never stop."Help us to start our mission.Dear All,Hop...
14/12/2020

Page link :
https://www.facebook.com/Senhaneer/

"Because of you Life never stop."
Help us to start our mission.

Dear All,
Hope everything is fine now.

Recently we visited one of the very backdated villages residing in Sundarban. After observing their critical and tough lifestyle on fighting against poverty, We are planning to contribute some help to them.
We have discussed with one of the local school administrators and initially target to help 100 students who belong to below poverty level. Our help might not be enough, but can give them a little different view than others' normal day.
Now, 'planning to help' and 'executing the same' both are not the same. We already got help from some of them, but looking for more help as budget is definitely a barrier.
As of now, we are targeting the below location to distribute some essentials food items (mainly target dry foods), educational equipment including reference books, Merry Christmas gifts including some winter dress etc.

Purba Gurguria
West Bengal 743383
https://maps.app.goo.gl/1CWUcEv1HvNmF6Y49

Just need your kind attention, if you are really interested to help them with us, please donate whatever you can in the account below. Please note, not only amount, we also welcome any expert suggestions which definitely help us to reach one step closer towards the mission.

Account No: 016091900003635
IFSC: YESB0000160
Phonepe: 9874678164

Thanks in advance.

Regards,
Manas (+919477206295)
Sutanu (+919874678164)
Mainak (+918918961621)

"Because of you Life never stop."Help us to start our mission.Dear All,Hope everything is fine now.Recently we visited o...
12/12/2020

"Because of you Life never stop."
Help us to start our mission.

Dear All,
Hope everything is fine now.

Recently we visited one of the very backdated villages residing in Sundarban. After observing their critical and tough lifestyle on fighting against poverty, We (Me & two of my brothers) are planning to contribute some help to them.
We have discussed with one of the local school administrators and initially target to help 100 students who belong to below poverty level. Our help might not be enough, but can give them a little different view than others' normal day.
Now, 'planning to help' and 'executing the same' both are not the same. We already got help from some of them, but looking for more help as budget is definitely a barrier.
As of now, we are targeting the below location to distribute some essentials food items (mainly target dry foods), educational equipment including reference books, Merry Christmas gifts including some winter dress etc.

Madhya Gurguria
West Bengal 743383
https://maps.app.goo.gl/1CWUcEv1HvNmF6Y49

Just need your kind attention, if you are really interested to help them with us, please donate whatever you can in the account below. Please note, not only amount, we also welcome any expert suggestions which definitely help us to reach one step closer towards the mission.

Account No: 016091900003635
IFSC: YESB0000160
Phonepe: 9874678164

Thanks in advance.

Regards,
Manas (+919477206295)
Sutanu (+919874678164)
Mainak (+918918961621)

West Bengal 743383, India

Address

Jaynagar-Majilpur

Telephone

+919477206295

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baretee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Baretee:

Share