22/06/2024
*আজ কিছুক্ষন আগের একটা মজার অভিজ্ঞতা ও সামাজিক ব্যাধির ঘটনা আপনাদের শেয়ার করছি।*
আমি আমার বাড়ির অফিসে বসে কাজ করছি, আমার কেবল টিভির মহিলা গ্রাহক আমাকে রাত ৯টা নাগাদ ফোন করে জরুরি দরকার আছে বলে আমার কাছে আসতে চাইলেন ( ভদ্রমহিলা স্বামীহারা, নিঃসন্তান, ৮০ বছরের শ্বাশুড়িকে নিয়ে থাকেন), এসেই কাঁদতে কাঁদতে বললেন আমার শ্বাশুড়ির শরীর খারাপ ওনাকে স্বাস্থ্যসাথীর অধীনে কোন হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে, আমার কোন লোকবল নেই, আপনি আমাকে সাহায্য করবেন। আমি সঙ্গে হাওড়ার পৌর প্রশাসকের pa সাহায্য নিয়ে একটা এ্যাম্বুলেন্স যোগার করে হাওড়ার জৈন হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। এমারজেন্সিত rmo দেখলেন, স্বাস্থ্যসাথীতে ভর্তির সুপারিশ করলেন, সঙ্গে এও বলে দিলেন, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড গৃহীত হলেও আগে এই ওষুধগুলো নিজের খরচে কিনে আনুন, পরে এও বললেন, সিটিস্ক্যান, রক্তপরীক্ষা সমেত সমস্ত পরীক্ষা নিজের খরচে, করাতে হবে। আর হ্যাঁ, ডাক্তার দামী এ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখলে আমাদের ওষুধের দোকান থেকে কিনে দিতে হবে।
এখানেই শেষ নয়, আমরা বোললাম, সরকার তো খরচ দিচ্ছে, আমারা আবার খরচ দেব কেন। কতৃপক্ষের জবাব সরকার প্রতিদিন রুগীপিছু ৩৩০০টাকা দেয়, এতে আমারা পোষাতে পারি না, আগে পরীক্ষার জন্য টাকা জমা করুন, তবে পরীক্ষার জন্য রুগীকে নিয়ে যাব বা স্যাম্পেল যাবে, বাস্তবিক বৌদির কিছু টাকা কম পড়েছিল, এত অমানবিক যতটা টাকা দেওয়া হয়েছে, ততটাকার পরীক্ষা করতে পাঠালো, বাকি টাকা জমা দিলে কালকে সিটিস্ক্যান লিভার পরীক্ষা করতে পাঠাবে। ডাক্তার ইতিমধ্যে ১০ টা - প্রতিটি ১৩০০টাকা দামের এন্টিবায়োটিক ওষুধ লিখে দিয়েছে।
আমার প্রশ্ন মূখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে এরা এই কাজগুলো করার সাহস পায় কোথা থেকে।
বৌদি খুবই দূর্বল অর্থনৈতিক শ্রেণীর মানুষ, আপনার মতে এই মুহূর্তে বৌদির কি করা উচিত?