Kanchangiri/কাঞ্চনগিরি

Kanchangiri/কাঞ্চনগিরি Kanchangiri is a small Beautiful Village, in Garhbeta PS in Midnapore Sadar subdivision of Medinipur West district in the state of West Bengal,India.

09/10/2024

Ratan Tata: ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াত বিশিষ্ট শিল্পপতি ও টাটা গোষ্ঠীর অন্যতম কর্ণধার রতন টাটা | Ze 24 Ghanta

⚡⚡ কানে তালা ধরানো মুহুর্মুহু বজ্রপাত ⚡⚡-----------------------------------------------------------------------⛈️ধেয়ে আ...
18/06/2024

⚡⚡ কানে তালা ধরানো মুহুর্মুহু বজ্রপাত ⚡⚡
-----------------------------------------------------------------------
⛈️ধেয়ে আসছে বজ্র ঝড়-বৃষ্টি বলয় ইম্পুনডুলু⛈️
🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨🚨
১৮ থেকে ২৪ শে জুন ২০২৪ পর্যন্ত ৭ দিন সময়সীমার মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গে অতি তীব্রতর প্রবল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি বলয় ইম্পুনডুলু আসতে চলেছে বিক্ষিপ্ত থেকে প্রায় বিস্তৃত দফায় দফায় প্রবল বজ্রপাত সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে কলকাতা হাওড়া হাওড়া হুগলি, পুরুলিয়া বাঁকুড়া পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম বীরভূম মুর্শিদাবাদ উত্তর ও দক্ষিণ 24 পরগনা নদীয়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হয়ে ভয়াবহ বজ্রপাত সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ভয়াবহ মেসোস্কেল বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি মাইক্রোব্লাস্ট স্থানীয় আবর্ত বা টর্নেডো সদৃশ বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মাঝেমধ্যেই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সৃষ্টি হবে প্রদত্ত সময়সীমার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করতে পারে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে।

17th June 2024 (Night)

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত ক...
07/05/2024

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"

সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।

সব বাচ্ছারা স্কুলে এ্যডমিশন হয়ে গেলো।। রাজামশাইয়ের পার্সোনাল স্কুল ,, সবাইকে যথাযথ শিক্ষা দেওয়া হবে।।

শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!

হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।‌। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উঁট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্ছা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।

শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।‌।

"ফাষ্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্ছা ফেল।।

- "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।‌।

-- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।"

হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।

শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।

হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! "গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।

ফাষ্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো - হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্ছা ফেল।। বাঁদরের বাচ্ছা টপার হয়ে গেছে।।

প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।। সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্ছার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।।

বাঁদর আনন্দে আত্মহারা।। তার ছেলে টপার হয়েছে।। এ গাছ থেকে সে গাছে,, কি ভীষণ লাফালাফি করে চলেছে।।

চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।। এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!!
তারা মেনে নিতে পারলো না।।

-- "ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।। শেখ,, বাঁদরের বাচ্ছার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।"

ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।। সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র "সাঁতার" কাটা ছাড়া।।

প্রিন্সিপাল বললো -- "আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।"

মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।।

বাচ্ছা বলে --" মা-গো,, দম নিতে পারি না,, ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??"

মাছ বলে -- "চুপ কর বেয়াদব।। এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।"

হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্ছাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।।

শিয়াল বলে -- "আহা,, তোমরা মারো কেনো,, ছোট ছোট বাচ্ছাদের ??"

উঁট বলে - "মেরেই ফেলবো একে।। আমার মানসম্মান কিছু বজায় রাখলো না।।"

শিয়াল বলে -- "কি হয়েছে সেটা তো বলো ??"

হাতি বলে -- "এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।। বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।"

শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।
-- "আচ্ছা,, তোমরা গাছে চড়তে পারো?? "

জিরাফ বলে -- "আমরা তো নিরক্ষর।। তখন এসব স্কুল-টুল ছিলো না।। থাকলে শিখে নিতাম,, অবশ্যই গাছে চড়তে পারতাম।।"

শিয়াল বলো -- "তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই বুঝতে পারলাম না‌।। শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।"

-- "উঁট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।"

-- "বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।। ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।। দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।। সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবো।। ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।। ও মারা যাবে।।"

মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*
প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে ।
আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন,, সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।

হাতির বাচ্ছাকে জোর করে গাছে চড়াতে যাবেন না। মনে রাখবেন , মাছের বাচ্ছা জল বিহীন স্কুলে গেলে দম ফেটে মারা যাবে।

শিক্ষা-দীক্ষা , খেলা-ধুলা, নাচ-গান, শিল্প-কলা, অভিনয়, ব্যাবসা,যে কোনো ক্ষেত্রেই হোক, সন্তানের প্রতিভার মূল্যায়ন করে নিন।‌ ওদের ইচ্ছেগুলো চিনে নিন, ওদের প্রতিভার মূল্য দিন।

আপনার দায়িত্ব শুধু একটাই, *সন্তানকে সদাচারণ, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানবতার শিক্ষা দিয়ে যাওয়া।*
সংগৃহীত 🙏👌❤️
ভালো লাগলে share করবেন ❤️

02/05/2024

গ্রাম থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। এখন আর সন্ধ্যার পর এক জনের পড়া শুনে আরেকজন পাল্লা দিয়ে বই পড়ে না। কোন মা-বাবা তার সন্তানকেও বলে না যে অমুক পড়তেছে তুই বসে আছিস! অথচ ৮/১০ বছর আগেও সন্ধ্যার পর চারপাশ থেকে বিভিন্ন স্বর ভঙ্গিতে বই পড়ার আওয়াজ শোনা যেত। পরীক্ষা কাছাকাছি থাকলে তো কথাই নেই। কোন সহপাঠী বন্ধু দিনে ও রাতে কতক্ষণ পড়ালেখা করে গোপনে খোঁজ নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করা হতো। সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিও রাত-দিন পড়তো। যে কোন বোর্ড পরীক্ষার আগে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চর্চাটাও আর নেই। এ চর্চাটার জন্যই অ্যালার্ম ঘড়ির আলাদা একটা কদর ছিল।

বোর্ড পরীক্ষার আগে আল-ফাতাহ, পাঞ্জেরী, পপি গাইড, শিওর সাকসেস, টপ ব্রিলিয়ান্ট সাজেশন্সেরও খুব কদর ছিল। আগের বছর পাশ করা ভাই বোনদের কাছে সাজেশনস নিয়ে চুল ছেঁড়া বিশ্লেষণ চলতো।

মাত্র ৮/১০ বছরের ব্যবধানে সবই প্রায় বিলীন হয়ে গেল। সন্ধ্যার পর ছাত্র-ছাত্রীদের বাজারে তো দূরের কথা ঘরের বাইরে দেখলেই সবাই অবাক হতো, শাসন করতো। আর এখন বাড়ী গেলে দেখি অনেক রাত পর্যন্ত ছেলেরা বাজারে আড্ডা দিচ্ছে, কেউ কিছু বলছে না। সন্ধ্যার পর এখন দল বেঁধে নামধারী ছাত্ররা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কোথাও কোন পড়ার শব্দ নেই। গ্রুপ চ্যাটিং, অনলাইন/অফলাইন গেমস, পাব্জি, ফ্রী ফায়ার, টিকটক, চুলের বিভিন্ন স্টাইল কার্টিং করে পাড়া-মহল্লায় ও বাজারে আড্ডাবাজি, গ্রুপিং করা, শিক্ষা গুরুর সাথে বেয়াদবী, শিক্ষকের নামে মিথ্যাচার করা, নিয়ম ভাঙ্গা, বেয়াদবী এগুলোই এখন তাদের পছন্দের তালিকা।

সংগৃহীত পোস্ট।
টাইমলাইনে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

Address

Kanchangiri; P. O./Kadra
Garhbeta
721253

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kanchangiri/কাঞ্চনগিরি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share