01/05/2026
কেউ এমন ভাবছেন, তেমন বলা হচ্ছে না;
-------------------------------------------
প্রাক্তন সাংসদ এবং দুর্গাপুরে শিল্পপ্রযুক্তির সাথে সাংস্কৃতিক/বিদ্যা আধুনিকতায়
উঠিয়ে আনার সাথে প্রথম দিন থেকে যারা যুক্ত ছিলেন,, তাদের একমাত্র বেঁচে থাকা সংস্থাপক, জীবন রায়ের এই প্রতিবেদন।
-------------------------------------------------------------------
তবু দুর্গাপুর সহ শিল্পাঞ্চল যে ভালো নেই, বিশেষ করে
বিদ্যার প্রশ্নে -- শিল্পাঞ্চলে শিল্পপ্রযুক্তি থেকে শিল্পহীন করনীক প্রযুক্তিতে
ব্রেন ড্রেন হতে হতে ম্যাথ নির্ভর
--- ফিজিক্স এবং বানিজ্য সমেত অর্থনীতি এবং শেষ পর্য্যন্ত ইতিহাস বা সাহিত্য - সেটা মাতৃভাষা হোক কিংবা ইংরাজী হোক - বিনাশ যজ্ঞ অঞ্চলকে যে অন্ধকারের
অতলতায় টেনে নামিয়েছে, তা - থেকে বেড় করে আনা তো দুরের কথা;
==========================================
== বিষয়কে, ছাত্র-ছাত্রীদের তো নয়ই - এমন কি
অভিবাবক এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছে নিয়ে যাওয়াকেও
=একটা সামাজিক, আন্দোলনের ঢেউ না উঠিয়ে অসম্ভব হয়ে পরেছিলো।=
কাজেই ২০২৬ এর '২৫শে বৈশাখকে,দুর্গাপুরে শ্রেফ একজন 'বিশ্বকবির জন্মদিন
হিসেবে দেখা থেকেও,
।। দিনে রাতে রবীন্দ্রনাথ।। কিংবা ।। রবীন্দ্রনাথ অ্নন্তকে ।। মিলিয়ে
ইস্পাত এবং ভারী শিল্পাঞ্চলে 'বিদ্যার আন্দোলনকে সৃজনমূখীন বৌদ্ধিকতায়
উঠীয়ে আনার অভিমুখে একটা 'গনমুক্তির' আন্দোন হিসেবেই দেখা উচিত
হবে।
অনেকে এমনভাবতেই পারেন, যেন
।। দিনে রাতে রবীন্দ্রনাথ ।। এবং ।। রবীন্দ্রনাথ অনন্ত ।।কোথা থেকে উড়ে এসে,
তাদের রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপনের গতানুগতীর ধারার উপরে উড়ে এসে জুরে বসেছে।।
তাদের এটাই বুঝতে অনুরোধ করবোঃ
---- বাঙ্গলার , কিংবা বিশ্ব কবির জন্মতিথি পালন ২৪ শে বৈশাখ অথবা ২৬ শে বৈশাখে পালন করা যেতেই পারে। কিন্তু
--- ।। বিশ্ববিবেক হওয়ার কারনেই যিনি 'বিশ্বকবি'।। আজকের বাংলা কিংবা দুর্গাপুরের পটভুমিতে - বিদ্যার পবিত্রতা ফিরিয়ে এনে, বিদ্যাকে শিক্ষার পর্য্যায়ে তুলে আনায়,
====অন্ততঃ পড়ুয়াদের জন্য বিদ্যা কাঠামোতে যে সংবেদনশীলতা ফিরিয়ে আনায় এই ক্ষুদ্র কিন্তু সম্মিলিত উদ্যোগের আবেকে, একদিনের জন্যেও 'বসিয়ে রাখা' যেখানে মৃত্যুসম, সেখানে
।। 'বিশ্বকবিকে' কেবল 'কবি হিসেবে নয়', বিশ্ববিবেকের প্রতিমূর্তী হিসেবে ,
বিদ্যা দেবী স্বরস্বতীর সাথে রবীন্দ্র পরিচিতিকে খুজে পাওয়ার চেষ্টা করতে হচ্ছে,
====তখন কেবল, ২৫ শে বৈশাখেতেই রবীন্দ্রনাথে বিশ্ববিবেক এবং কাব্যিকতার
একাত্মতাকে চিহ্নিত করার পথেই
- ।।দিনে রাতে রবীন্দ্রনাথ।। এবং ।। অনন্ত রবীন্দ্রনাথেই মনিমানিক্যের সন্ধান চালাতে হোত। সেটা ২৪ শে কিংবা ২৬ শে নয়;
এক মাত্র ২৫ শে বৈশাখেই।
== ভাবতেও ভয় লাগে,
জন্মের ১৬৬ বছরের ইতিহাসে, ভারতের কোন একটি অঞ্চল;
- বিশেষ করে যে অঞ্চল, শিল্পপ্রযুক্তির দিক থেকে বিশ্বচুড়ায় - বিশেষতঃ জ্ঞান ডেন্সিটির দিক থেকে দেশের সর্বশ্রেষ্ট - সেই অঞ্চলের নান্দনিকতা , শিল্প-সংস্কৃতির সব শাখার সাথে যুক্ত বিদ্যাকর্মীদের একটি অংশ যদি কার্য্যকারন সম্পর্কের কারনে,
হটাৎ করেও , বিশ্ববিবেকের অখন্ড সত্বাকে রবীন্দ্রনাথে খুজে পাওয়ার চেষ্টায়
ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া জ্ঞান-সংস্কৃতিকে তার অখন্ডতার অভিমুখটিকে খুজে পেতে বিশ্ববিবেকের মহাসাগরে
--- গনমুক্তির পথ নির্মানে বিশ্বকবির জন্মদিনকে 'মধ্যমনি' করতে চায়, তখন
কিছু কিছু গুনিজন সেই উদ্যোগকেই সন্দেহের ছোখে দেখতে থাকেন, যে উদ্যোগ 'ভাব জগতে যিনি 'বিজ্ঞান এবং দর্শনের একাত্ম করার প্রানপাত করার পথকেই কাব্যকে বিশ্বমানবিকতার রামধনুতে যুক্ত করতে সফল হয়েছেন অথচ তার কাব্যিকতার বিবেকমূখীনতাকেই ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, তখন সেই অখন্ডতার আবেগকে 'আমরাই আটকানোর চেষ্টা করবো, - ভাবতেও হৃদকম্প হয়।
তাই আবারো স্মরন করিয়ে দিতে হয়,
।তিনি বিশ্ববিবেক, তাই তো তিনি বিশ্বকবি ।।
।। বিশ্ববিবেক এবং মহামানবিকতার সাগর সেখানে একাত্ম।।
।। তাই বিদ্যা সেখানে র্বিশ্ববোধ এবং বিবেকের প্রতিচ্ছবি হিসেবেই বিবেচিত।।
।। মানুষকে দল মত বর্ণ জাতী রাজনীতি সম্প্রদায়ের উর্ধে উঠিয়ে আনতে ।।
।। আজকের পরিস্থিতিতে এই বিশ্ববিবেকের অভিবাবকত্বই জ্ঞানকে ইতিহাসের উপরে যায়গা করে দিয়ে - এক প্রান্তে সামাজিক প্রদুষন মুক্ত এক সংবেদনশীল ক্লাসরুম পড়ুয়া-শিক্ষকদের উপহার দিতে পারবে এবং সে পথেই
জ্ঞান - সংস্কৃতি স্বপক্ষে সামজিক একতা সুনিশ্চিত করতে পারবে।।
।।কোলকাতা কিংবা অন্য কোথায়ো নয়ঃ
শিল্পপ্রযুক্তির সিংহচূড়াতে বসেই বিদ্যাপতনের মহাসংকট থেকে এই শিল্পাঞ্চলকে, ধ্বংসস্তুপে ঠেলে দেওয়ার বিকল্পের সন্ধান দিতে পারবে।
।। তাই ভারতে যা কোন দিন ঘটে নাই, সেটা যদি দুর্গাপুর থেকেই শুরু হচ্ছে।, মানতে হবে, সেটাই ইতিহাসের নিদান।।
।। আগামী ২৫ শে বৈশাখ, ১৪৩৩।। দিনে রাতে রবীন্দ্রনাথ ।।
।। মুক্ত মঞ্চে এবং যুগপদ ২ টি প্রদর্শনী হাউসে।।
।। ২৫ শে বৈশাখ থেকে ২২ শে শ্রাবন -- ।। রবীন্দ্রনাথ অনন্ত।।.
==== এই আয়োজনে শতাধীক সাংস্কৃতিক এবং বিদ্যা প্রতিষ্ঠান,
যে উদ্যোগকে সামনে রেখে, , Mass Platform of Music Musicians, Artist,
Culture & Education personalities, নাম নিয়ে শত প্রতষ্ঠান নিয়ে যে
সাময়ীক সংগঠন নির্মিত হয়েছে,
-------তারাই, এই উদ্যোগের সাফল্যের জন্য,
দুর্গাপুর এবং অজয় দামাদর কংসাবতি অঞ্চলের মানুষকে এগিয়ে আসতে আহ্বান
জানিয়েছে। সংবেদনশীলতায় অতুল প্রসাদকে
=== অনুসরন করে যে তিন মহামানবিক
সর্তকে রবীন্দ্রনাথ সামনে এনেছিলেন সেই সর্তগুলিকে সংহত করার লক্ষমুখ
উন্মুক্ত করাই
== 'দিনে রাতে রবীন্দ্রনাথ এবং সেখান থেকে 'রবীন্দ্রনাথ অনন্ত'
এই তিন মাস ব্যাপি উৎসব।
অতুল প্রসাদ গাইলেন,
==" নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান, বিবিধের মাঝে মিলন মহান "
রবীন্দ্রনাথ এই মহামানবিক আবেগকে ইতিহাস এবং বিজ্ঞানে যুক্ত করে
প্রথমে লিখলেন
== 'এই ভারতের মহামানবের সাগর তীরে'
দ্বিতীয়ে বোঝালেন, এই মহামানবিকতার প্রথম সর্ত,
==='বিজ্ঞানকে' সংস্কৃতি এবং সংস্কৃতিকে বিজ্ঞানের অভিমুখে,
আত্মসুদ্ধির চরম লক্ষ - 'চিত্তমূক্তি পর্য্যন্ত প্রসারিত করা।
-----লিখলেন "আকাশ ভরা সূর্য্য তারা, বিশ্বভরা প্রান -- তাহার মাঝে পেয়েছি মোর স্থান।
-----এর পর বোঝালেন, লক্ষ বছরের আবর্জনা সাফ করার প্রথম সর্ত
'আত্মসুদ্ধির' প্রধান বাধা 'পুরানো ঝেড়ে ফেলার প্রশ্নে 'আতংক'
== সেই প্রশ্নেই তার বিখ্যাত সঙ্গি্তটি গাইলেনঃ
""সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান,
সঙ্কটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।" [৬, ১০]
"মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।"
===সব শেষ আবেদন জানাই,
আসুন, দল মত নির্বিশেষে সাবাই আসুন; অন্তত এক দিনের জন্য আমরা এক
হোওয়ার কিঞ্চিত অনুশিলন করে নিয়ে, রাবীন্দ্রনাথকে সামনে রেখে।
===সবাই ভালো থাকুন,
===নমস্কার।