Amader Dharmanagar - আমাদের ধর্মনগর

Amader Dharmanagar - আমাদের ধর্মনগর Dharmanagar, North Tripura-799250

৬ জুন পাটনার প্রিয় শিক্ষক খান স্যার বর হলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজসভাখান স্যার, যার পুরো নাম ফয়সাল খান, ভারতের একজন ব...
31/05/2025

৬ জুন পাটনার প্রিয় শিক্ষক খান স্যার বর হলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজসভা

খান স্যার, যার পুরো নাম ফয়সাল খান, ভারতের একজন বিখ্যাত শিক্ষক, যিনি তার অনন্য শিক্ষাদান শৈলী এবং ইউটিউবে উপলব্ধ বিনামূল্যে শিক্ষামূলক সামগ্রীর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। বিহারের পাটনায় বসবাসকারী খান স্যার, যার কোচিং ইনস্টিটিউট 'খান জিএস রিসার্চ সেন্টার' ভিডিওগুলি সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য পরিচিত, খান স্যার তার জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন।

খান স্যার তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী এএস খানকে বিয়ে করেছেন। বিবাহ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সরলতা এবং একান্তে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে তার নিকটাত্মীয় এবং বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের তারিখ সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে এই খবরটি তার ভক্ত এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

খান স্যার তার ভক্ত এবং শিক্ষার্থীদের এই আনন্দে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ২ জুন, ২০২৫ তারিখে একটি জমকালো সংবর্ধনা পার্টির আয়োজন করেছেন। তার ঘনিষ্ঠজন, সহকর্মী এবং কিছু বিশেষ অতিথি এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। খান স্যারের সরলতা এবং আন্তরিক ব্যক্তিত্বের কারণে, আশা করা হচ্ছে যে এই অনুষ্ঠানে তার স্টাইলও প্রতিফলিত হবে - সরল কিন্তু হৃদয়গ্রাহী।

এছাড়াও, খান স্যার তার ছাত্রদের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছেন। ৬ জুন ২০২৫ তারিখে, তিনি তার ছাত্রদের জন্য একটি বিবাহের ভোজসভার আয়োজন করবেন, যেখানে তার কোচিং সেন্টার এবং ইউটিউব চ্যানেলের সাথে যুক্ত হাজার হাজার ছাত্রকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই ভোজসভায় খান স্যারের তার ছাত্রদের সর্বদা পরিবারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত হয়। এই অনুষ্ঠানে, খান স্যারের ছাত্ররা কেবল তার সাথে এই আনন্দের মুহূর্তটি ভাগ করে নেবে না বরং তার অনুপ্রেরণামূলক ব্যক্তিত্ব এবং শিক্ষাদানের প্রতি নিষ্ঠা উদযাপন করবে।

🇮🇳 ভারত ফের চালু করতে চাইছে ত্রিপুরার কৈলাসহর এয়ারফিল্ড — যা উনকোটি জেলায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশের খুব কাছেই। এই সিদ্ধান...
31/05/2025

🇮🇳 ভারত ফের চালু করতে চাইছে ত্রিপুরার কৈলাসহর এয়ারফিল্ড — যা উনকোটি জেলায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশের খুব কাছেই। এই সিদ্ধান্ত নিছক পুরোনো রানওয়ে মেরামত নয় — বরং এটা স্পষ্ট বার্তা যে ভারত পূর্বাঞ্চলীয় থিয়েটারকে এখন স্ট্র্যাটেজিক হাব হিসেবে গড়ে তুলছে।

📍 এই এয়ারফিল্ডের কৌশলগত গুরুত্ব:

1️⃣ বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন অবস্থান:
কৈলাসহর এয়ারফিল্ড বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও রাখাইন সীমান্তের অত্যন্ত কাছাকাছি। ফলে এখান থেকে নজরদারি, রিকন, এবং ফোর্স মোবিলাইজেশন করা অনেক সহজ।

2️⃣ রাখাইন ও চট্টগ্রাম ফ্রন্টে নজরদারি:
এই এয়ারফিল্ড ব্যবহার করে ভারতীয় বিমানবাহিনী চট্টগ্রাম বন্দর, কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত stretch-এ নজরদারি চালাতে পারবে। এই অঞ্চল এখন চীনা প্রভাবের অধীনে চলে যাওয়ার সম্ভাবনায় রয়েছে — বিশেষ করে Belt & Road Initiative-এর পরিপ্রেক্ষিতে।

3️⃣ নর্থ-ইস্ট থেকে বেই অব বেঙ্গল কোরিডর:
কৈলাসহর revive হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের বাহিনী খুব দ্রুত বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন অঞ্চলে পৌঁছাতে পারবে — যা ইস্টার্ন সি বোর্ডে চীনা প্রভাবের কনটেইনমেন্টে খুব কার্যকর হবে।

4️⃣ ভৌগোলিক অবস্থান: কৈলাসহর এয়ারফিল্ডের খুব কাছেই রয়েছে বাংলাদেশের রাখাইন অধ্যুষিত পার্বত্য এলাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল। শুধু ২০-৩০ কিমি দূরেই রয়েছে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রুট, যেমন চট্টগ্রাম বন্দরগামী হাইওয়ে।

5️⃣ ইস্টার্ন থিয়েটার ডিপেন্স লাইনের বিস্তার: ভারত ধীরে ধীরে পূর্ব ভারতে একাধিক স্ট্র্যাটেজিক এয়ারবেস তৈরি করছে — আগরতলা, কৈলাসহর, লেইংতৈন (মিজোরাম), এবং ডিমাপুর-ইম্ফল কোরিডর।
এইগুলো ভবিষ্যতে চীন এবং পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড-স্ট্রোক প্রতিহত করতে অত্যন্ত কার্যকর হবে।

6️⃣ Northeast to Bay of Bengal Corridor: এই এয়ারফিল্ড চালু হলে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল থেকে সরাসরি বঙ্গোপসাগর ও মায়ানমার ফ্রন্টে দ্রুতগতির এয়ারলিফট সম্ভব হবে।

🛩 এখনকার পূর্বাঞ্চলের স্ট্র্যাটেজিক এয়ারবেস ট্রায়াঙ্গেল:

🔺 তেজপুর (অসম)
— Su-30MKI স্কোয়াড্রন মোতায়েন, চীন সীমান্তে ডোমিনেন্স বজায় রাখার মূল ভিত্তি।

🔺 চাবুয়া (অসম)
— LCA, ট্রান্সপোর্টার, স্পেশাল অপস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে ব্যবহৃত। চীন সীমান্তে রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক মোভমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ।

🔺 কৈলাসহর (ত্রিপুরা)
— হুবহু দক্ষিণ ফ্রন্টের ব্যালান্সার। এই বেস চালু হলে ভারতের কাছে থাকবে একসাথে উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে Bangladesh+Myanmar+Bay of Bengal-এর ওপরে মোচড় দেওয়ার ক্ষমতা। (হাশিমারা এয়ার বেস আবার Rafale রেখেছে)

🚁 সম্ভাব্য অপারেশনাল ব্যবহার:
• UAV ও AEW&C নজরদারি
• C-295/Dornier ধরনের মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট
• হেলিকপ্টার মোতায়েন (Apache/ALH)
• সাঁড়াশি স্ট্রাইক ও হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাকশন হাব
• র‍্যাপিড রিস্পন্স ও ফোর্স রোটেশন

আজ দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির ১৭০ তম প্রতিষ্ঠা দিবস।।৷ ১৮৫৫ সালের ৩১মে , ১৮ই জ্যৈষ্ঠ , বৃহস্পতিবার , পুণ্য স্নানযাত্রার দিনে ...
31/05/2025

আজ দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির ১৭০ তম প্রতিষ্ঠা দিবস।।৷
১৮৫৫ সালের ৩১মে , ১৮ই জ্যৈষ্ঠ , বৃহস্পতিবার , পুণ্য স্নানযাত্রার দিনে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন লোকমাতা রানী রাসমণি।

ইতিহাস :
১৮৪৭ সালে কলকাতার জানবাজারের রানি রাসমণিদেবী অন্নপূর্ণার পুজো দেবেন বলে কাশীতে তীর্থযাত্রার আয়োজন করেন।২৪টি নৌকায় আত্মীয়স্বজন, দাসদাসী ও রসদ নিয়ে তিনি রওয়ানা হন। কিংবদন্তি অনুসারে যাত্রার পূর্বরাত্রে রানি দেবী কালীর স্বপ্নদর্শন পান। দেবী তাকে বলেন,
“ কাশী যাওয়ার প্রয়োজন নেই। গঙ্গাতীরেই একটি নয়নাভিরাম মন্দিরে আমার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা কর। সেই মূর্তিতে আবির্ভূত হয়েই আমি পূজা গ্রহণ করব। ”

গঙ্গার পশ্চিমকুল বারাণসী সমতুল।
কিন্তু সেদিনকার জমিদারি আভিজাত্যের কারণে চাষিকৈবর্তের মেয়ের পক্ষে মন্দির নির্মাণের জন্য গঙ্গার পশ্চিম কুলে জমি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। হতাশ হয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের পিত্রালয় হালিশহরে মন্দির নির্মাণ করতে মনস্থ করেন। শোনা যায় মন্দিরের নকশাও তৈরী হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু হালিশহরের গোড়া ব্রাহ্মণ দের ঘোরতর আপত্তিতে সেখানেও মন্দির নির্মাণ সম্ভব হয় নি। ভাট পাড়ার শ্মশান - সংলগ্ন একখন্ড জমি মিললেও জমির মালিক জনৈক বলরামবাবু ভাটপাড়ার পন্ডিতদের দ্বারা পতিত হওয়ার ভয়ে শেষ পর্যন্ত জমি বিক্রি করতে অরাজি হন। জমিদার গৌরাঙ্গপ্রসাদ, রামরতন দত্তরায় আর প্রাণনাথ চৌধুরী এরা সকলেই বাধ সাধলেন রাণীর জমি কেনার ব্যাপারে।

অবশেষে দক্ষিণেশ্বরে (প্রাচীন নাম শোনিতপুর ও সম্বলপুর) কাঙ্ক্ষিত জায়গাটি মেলে । কথিত আছে, দক্ষিণেশ্বর গ্রামে বানরাজা শিব প্রতিষ্ঠা করে সেই শিবের নাম রেখেছিলেন, 'দক্ষিণেশ্বর'। সেই অবধি গ্রামের নাম দক্ষিণেশ্বর। আবার অনেকের মতে দক্ষিণেশ্বরের শিব শ্মশানের নিকটবর্তী শিবতলা ঘাটের ঘাটের 'বুড়োশিব' ।
স্বপ্নের পর রানি অবিলম্বে গঙ্গাতীরে জমি ক্রয় করেন এবং মন্দির নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৮৪৭ সালে এই বিরাট মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু হয়; শেষ হয় ১৮৫৫ সালে।
মন্দিরের ২০ একরের প্লটটি জন হেস্টি নামে এক ইংরেজের কাছ থেকে কেনা হয়। লোকমুখে জায়গাটি পরিচিত ছিল সাহেবান বাগিচা নামে। এর একটি অংশ ছিল কচ্ছপাকার মুসলমান গোরস্থান। তাই তন্ত্রমতে স্থানটি শক্তি উপাসনার জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়। আটবছরে নয় লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই মন্দির নির্মিত হয়। ১৮৫৫ সালের ৩১ মে স্নানযাত্রার দিন মহাসমারোহে মন্দিরে মূর্তিপ্রতিষ্ঠা করা হয়।
রামকৃষ্ণ পরমহংস ১৮৫৫ সালে এই মন্দিরে আসেন তার দাদা প্রধান পুরোহিত রামকুমারের সহযোগীরূপে এবং রামকুমারের মৃত্যুর পর তিনি দাদার স্থলাভিষিক্ত হন
এই পূর্বে মন্দিরের আরাধ্যাকে মাতা ভবতারিনি কালিকা নামে অভিহিত করা হয়েছিল। রামকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রধান পুরোহিত পদে বৃত হন, তার ছোটোভাই গদাধর বা গদাই (পরবর্তীকালে রামকৃষ্ণ পরমহংস) তার সহযোগী হন। পরে তার ভাগনে হৃদয়ও তাকে সহায়তা করতে থাকেন।

স্থাপত্য:
১৮৪৭-তে মন্দির নির্মাণ শুরু হয়ে শেষ হয় ১৮৫৫-য়।
মন্দিরটি বঙ্গীয় স্থাপত্যশৈলীর নবরত্ন স্থাপত্যধারায় নির্মিত। মূল মন্দিরটি তিন তলা। উপরের দুটি তলে এর নয়টি চূড়া বণ্টিত হয়েছে। মন্দির দক্ষিণমুখী। একটি উত্তোলিত দালানের উপর গর্ভগৃহটি স্থাপিত। এই দালানটি ৪৬ বর্গফুট প্রসারিত ও ১০০ ফুট উঁচু।
১০০ ফুটেরও বেশি উঁচু এই নবরত্ন মন্দিরের স্থাপত্য দেখার মতো। গর্ভগৃহে সহস্র পাপড়ির রৌপ্য-পদ্মের উপর শায়িত শিবের বুকে দেবী কালী দাঁড়িয়ে। এক খণ্ড পাথর কুঁদে তৈরি হয়েছে
গর্ভগৃহে (স্যাঙ্কটাম স্যাঙ্কটোরিয়াম) শিবের বক্ষোপরে ভবতারিণী নামে পরিচিত কালীমূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত। এই মূর্তিদ্বয় একটি রুপোর সহস্রদল পদ্মের উপর স্থাপিত।
মূল মন্দিরের কাছে যে বারোটি একই প্রকার দেখতে পূর্বমুখী শিবমন্দির রয়েছে সেগুলি আটচালা স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত। গঙ্গার একটি ঘাটে দুই ধারে এই মন্দিরগুলি দণ্ডায়মান। মন্দির চত্বরের উত্তর-পূর্বে রয়েছে রাধাকান্ত মন্দির। এই মন্দিরে একটি রুপোর সিংহাসনে সাড়ে একুশ ইঞ্চির কৃষ্ণ ও ষোলো ইঞ্চির রাধামূর্তি প্রতিষ্ঠিত। এবং রানী রাসমণির গৃহদেবতা(রঘুুবীর)দক্ষিণেশ্বরে অধিষ্ঠান করছেন।
এই দেবীমূর্তি।আটবছরে নয় লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় এই মন্দিরটি।

⭐জাপানের ওহিসামা (OHISAMA) প্রকল্প জাপান স্পেস সিস্টেমস পরিচালনা করছে। তারা মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে সৌরশক্তি প্রেরণের মাধ্য...
31/05/2025

⭐জাপানের ওহিসামা (OHISAMA) প্রকল্প জাপান স্পেস সিস্টেমস পরিচালনা করছে। তারা মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে সৌরশক্তি প্রেরণের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায়!

💥২০২৫ সালে উৎক্ষেপণের জন্য নির্ধারিত এই ‘ওহিসামা’ স্যাটেলাইটটি একটি ২ বর্গমিটার ফটোভোলটাইক প্যানেলের মাধ্যমে সৌরশক্তি সংগ্রহ করবে এবং তা মাইক্রোওয়েভ শক্তিতে রূপান্তর করবে।

💥এই মাইক্রোওয়েভ শক্তি পরবর্তীতে জাপানের সুওয়া অঞ্চলের ভূ-ভিত্তিক রিসিভারে পাঠানো হবে, যা প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।
প্রথম দফায় উৎপাদন ক্ষমতা হবে তুলনামূলকভাবে সীমিত—প্রায় ১ কিলোওয়াট, যা দিয়ে একটি ছোটখাটো গৃহস্থালি যন্ত্র এক ঘণ্টা চালানো সম্ভব। তবে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ-ভিত্তিক প্রকল্প হিসেবে কাজ করবে।

💥প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় নিম্ন কক্ষপথে ঘুরতে থাকা এই স্যাটেলাইটটি প্রাকৃতিক আবহাওয়ার প্রভাবমুক্ত ও নিরবিচ্ছিন্ন শক্তি সরবরাহের সম্ভাব্যতা যাচাই করবে।

💥ওহিসামা প্রকল্পটি মহাকাশভিত্তিক সৌরশক্তি (SBSP) নিয়ে দীর্ঘ দশকের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি,
যার ধারণাটি প্রথম দেওয়া হয়েছিল ১৯৬৮ সালে। হালকা উপকরণ, উন্নত মাইক্রোওয়েভ প্রেরণ প্রযুক্তি এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য উৎক্ষেপণ প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আরও কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

💥জাপান ভবিষ্যতে ভূ-স্থির কক্ষপথে (geostationary orbit) স্থাপনযোগ্য বৃহৎ সৌর বিদ্যুৎ স্যাটেলাইটের পরিকল্পনা করছে, যেগুলোর প্রতিটি ১ গিগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে—যা পৃথিবীর আবহাওয়া বা ঘূর্ণনের প্রভাবমুক্ত, নির্বিচারে পরিষ্কার জ্বালানির উৎস হিসেবে কাজ করবে।

⭐এই উদ্যোগ জাপানকে নবায়নযোগ্য শক্তি উদ্ভাবনের শীর্ষে পৌঁছে দেবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দূরবর্তী এলাকায় জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে কাজ করবে, যা বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নিঃসন্দেহে গর্ভের বিষয়,১ম ভারতীয় (1st Indian) ২য় বাঙালি (2nd Bengali) বিশ্বের ৩য় সাইকেলিস্ট (3rd in the World)সাইকেলে অ...
29/05/2025

নিঃসন্দেহে গর্ভের বিষয়,
১ম ভারতীয় (1st Indian)
২য় বাঙালি (2nd Bengali)
বিশ্বের ৩য় সাইকেলিস্ট (3rd in the World)
সাইকেলে অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্প পৌঁছালেন (reached in Annapurna Base Camp)
১৮ই এপ্রিল, ২০২৫ইং (18th April, 2025)
১১. ৩৪মি. (11.34AM)

EVC
https://www.facebook.com/share/v/167rVM1G1S/

প্রতিভাকে প্রকাশ করার জন্য শরীর প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় না। এতো গুণী একজন মানুষ, অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী অথচ কি অসম্ভব সাবল...
29/05/2025

প্রতিভাকে প্রকাশ করার জন্য শরীর প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় না। এতো গুণী একজন মানুষ, অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী অথচ কি অসম্ভব সাবলীল ব্যক্তিত্ব। নারীরা নিজেরাই যদি নিজেদের সম্মান না রাখে তাহলে অন্য লোকের দোষ দিয়ে লাভ নেই।

বাঙালি নারীর ঐতিহ্য আভিজাত্য এবং পরম্পরার প্রতীক শ্রীমতি মমতা শঙ্কর।

সেসব নারীদের গালে চড় মারলেন, যারা ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামে কাপড় খুলে, ব্লাউজ খুলে, সায়া খুলে ভিডিও দেখিয়ে নিজেদের জনপ্রিয় করতে চায়।

আপনার শিক্ষা আপনার আদর্শ আপনার রুচিবোধ আপনার গুন সর্বোত্তম এটাই প্রমাণ। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।

ছবি আর্টিস্ট মোনালিসা দাস 😍

ধর্মনগর সরকারি মহাবিদ্যালয় তথা ত্রিপুরার বিভিন্ন সরকারি মহাবিদ্যালয়ে  #ভর্তির জন্য আবেদন করার জন্য বিশদ জানতে ভিডিওটি ...
21/05/2025

ধর্মনগর সরকারি মহাবিদ্যালয় তথা ত্রিপুরার বিভিন্ন সরকারি মহাবিদ্যালয়ে #ভর্তির জন্য আবেদন করার জন্য বিশদ জানতে ভিডিওটি দেখুন 👇
https://youtu.be/eyZqxIqu96w?si=Mnzpi1ssn7NruIKe

ত্রিপুরার ২৮ বছর বয়সী বীর, বাধারঘাটের বাসিন্দা অরিত্র রায়, মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন, সাহসিকতার ঐতিহাসিক কৃতিত্বে বিশ...
20/05/2025

ত্রিপুরার ২৮ বছর বয়সী বীর, বাধারঘাটের বাসিন্দা অরিত্র রায়, মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন, সাহসিকতার ঐতিহাসিক কৃতিত্বে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আরোহণকারী আমাদের রাজ্যের প্রথম ব্যক্তি।

অরিত্র রায় ২৯,০৩৫ ফুট উচ্চতার বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট সফলভাবে আরোহণ করে পর্বতারোহণের ইতিহাসে নিজের নাম লিখিয়েছেন। সোমবার, ১৯ মে, সকাল ৭:৩১ মিনিটে - ১৯৫৩ সালের ২৯ মে তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারির অগ্রণী আরোহণের ঠিক ৭২ বছর পর -অরিত্র রায় ত্রিপুরার প্রথম বাঙালি যুবক যিনি হিমালয়ের এই বিশাল শৃঙ্গ জয় করেছেন, একটি স্বপ্ন পূরণ করেছেন যা একটি সমগ্র রাজ্যের আশা বহন করে।🥰🥰

সুধী ধর্মনগরবাসী,       যে কোন ধরণের কিডনি, প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড ও প্রস্রাবের সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুনঃ  Tarapur Station...
26/03/2025

সুধী ধর্মনগরবাসী,
যে কোন ধরণের কিডনি, প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড ও প্রস্রাবের সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুনঃ
Tarapur Station Road, Ph. 7002686254

27/10/2024

National Geographic documentary featuring the pride of Tripura Tourism Unakoti ঊনকোটি archeological site. A blend of art and nature presenting a treat to the eyes of a traveller. A story still unknown to many, intriguing as well as fascinating 😍

Address

Dharmanagar
799250

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amader Dharmanagar - আমাদের ধর্মনগর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Amader Dharmanagar - আমাদের ধর্মনগর:

Share